চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

চলাচলের অনুপযোগী সার্কিট হাউজ থেকে পায়রাডাঙ্গা সড়ক

মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সার্কিট হাউজ মোড়( বকচরা মোড়) থেকে পায়রাডাঙ্গা বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ দশ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের ১২ বছর পার হলেও অদ্যাবধি কোনো সংস্কার বা মেরামত হয়নি।
সদর উপজেলার বকচরা পায়রাডাঙ্গা বাজারের ঐ রাস্তাটি ব্যবহার করে আশেপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ স্কুল – কলেজ, হাসপাতাল – ক্লিনিক, হাট- বাজার, থানা, উপজেলা – জেলা শহরে যাতায়াত করে। অথচ রাস্তাটি প্রতিবছর নতুন নতুন গর্ত ও খাদ তৈরি হতে হতে বর্তমানে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের এ দুর্ভোগ এড়াতে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
বকচরার আব্দুস সালাম মোল্লা, কাওছার ফকির, লুৎফর মোল্লা, পায়রাডাঙ্গার মোঃ ফিরোজ সরদার, শেখ সোনামিয়াসহ আরো অনেকে বলেন, এই রাস্তাটি তাদের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। রাস্তাটি উপর যেন এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর নেক নজর পড়ে।
এই রাস্তাটি প্রত্যহ মিরিরডাঙ্গা, কাঁথন্দা বৈকারী, আড়ুয়াখালী, পায়রাডাঙ্গা, ভিটকি কানারডাঙ্গা, তেঁতুলতলা, বারোপোতা, সোনারডাঙ্গা, পরানদহা, বকচরাসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা।02
আঁগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালী ডেইলি সাতক্ষীরাকে বলেন, এই রাস্তাটি এলাকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ । এলাকার মানুষজন এই চলাচল অনুপযোগী রাস্তাটির জন্য খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি জানান, এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর সাথে তার অনেকবার কথা হয়ছে। রাস্তাটি অনেক বার মাপ-জোক হলেও উপর মহল থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরো বলেন, স্কুল-কলেজের ছাত্র ছাত্রী ও রোগীদের যাতায়াত আরো কঠিন হয়ে পড়েছে। এল জি ই ডির নির্বাহী প্রকোশলীর দৃষ্টি যেন অনতিবিলম্বে এই রাস্তাটির উপর পড়ে। তার সাথে একমত পোষণ করেন শিবপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মুজিদ বিশ্বাস। তিনিও রাস্তাটি অবিলম্বে সংস্কার করা প্রয়োজন বলে জানান।

 

বিঃদ্রঃ মোঃ হেলাল উদ্দীন/মোঃ মাসুদ রানা/মোঃ রাজু আহমেদ- ডেইলি সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্ন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b5ff000e9500e763dc2168ec6fcabd42-ইতিহাস ও ঐতিহ্য : ১৯৭০ সালের আগ পর্যন্ত পাকিস্তানে ২২টি কোটিপতি বণিক পরিবারের কথা জানা যায়। তাদের মধ্যে দুটি পরিবার ছিল পূর্ব পাকিস্তানে তথা বাংলাদেশে। একটি হলো এ কে খান পরিবার। অন্যটি ইস্পাহানি (অবাঙালি) পরিবার। এর বাইরে আরও অর্ধশতাধিক জমিদার পরিবার ছিল।
স্বাধীনতার আগে বাংলাদেশে এসব পরিবারের প্রভাব-প্রতিপত্তি থাকলেও বর্তমানে তারা যেন হারিয়ে যেতে বসেছে!
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৯-৭০ সালে শীর্ষ ১০ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বা পরিবারের শীর্ষে ছিল এ কে খান পরিবার। এই পরিবারের ১২টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ছিল। সম্পদের পরিমাণ ছিল আনুমানিক সাড়ে ৭ কোটি রুপি। দ্বিতীয় স্থানে, ছিল গুলবক্স ভূঁইয়া পরিবার। তাদের প্রতিষ্ঠান ছিল ৫টি। আর সম্পদের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৬ কোটি রুপি। তৃতীয় স্থানে থাকা জহুরুল ইসলাম ও তার ভাইদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি রুপি, তাদের প্রতিষ্ঠান ছিল ১৪টি।
চতুর্থ স্থানে থাকা মো. ফকির চাঁদ পরিবারের ৯টি প্রতিষ্ঠান ছিল। তাদের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি রুপি। পঞ্চম স্থানে ছিল মকবুল রহমান ও জহিরুল কাইয়ুম পরিবার। এ পরিবারটির ৬টি প্রতিষ্ঠান ছিল। আর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি রুপি। ষষ্ঠ স্থানে থাকা আলহাজ মুসলিমউদ্দিনের পরিবারের ৬টি প্রতিষ্ঠান ও ৫ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। সপ্তম স্থানে ছিলেন আলহাজ শামসুজ্জোহা পরিবার। তাদের ৪টি প্রতিষ্ঠান ও ৫ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। অষ্টম স্থানে ছিলেন খান বাহাদুর মুজিবর রহমান। ওই সময় তার পরিবারের ৫টি প্রতিষ্ঠান ও সাড়ে ৪ কোটি রুপির সম্পদ ছিল। নবম স্থানে থাকা আফিলউদ্দিন আহমেদ পরিবারের ৪টি প্রতিষ্ঠান ছিল। তাদের সম্পদ ছিল ৪ কোটি রুপি। দশম স্থানে থাকা এমএ সাত্তার পরিবারের ছিল ৫টি প্রতিষ্ঠান। তাদের সম্পদ ছিল ৩ কোটি রুপি।
তৎকালীন ধনীদের সম্পদের হিসাব করা হয়েছে আনুমানিক সম্পত্তির ভিত্তিতে। আর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স প্রকাশিত মেম্বার ডিরেক্টরির তথ্য বিশ্লেষণ করে সাজানো হয়েছে ১৯৮৮ সালের শীর্ষস্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যিক গোষ্ঠীর তালিকা।
এসব ধনীদের বাইরেও বনেদি পরিবার ছিল। এর মধ্যে অন্যতম চট্টগ্রামের রাউজানের তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার ও অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট এ কে এম ফজলুল কাদের চৌধুরী ও আনোয়ারা উপজেলার আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর পরিবার। তার বাবা ছিলেন জমিদার নুরুজ্জামান চৌধুরী। এছাড়া বনেদি পরিবারের অন্যতম ছিল নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবার।
এর বাইরে বিপুল অর্থের মালিক ছিল তেওতা জমিদার পরিবার। তেওতা জমিদারির আওতাভুক্ত ছিল ঢাকা, ফরিদপুর, পাবনা এবং দিনাজপুরসহ রংপুর ও বর্ধমানের কিছু অংশ। ১৯১৪ সালে এই পরিবারের দিনাজপুরে থাকা সম্পত্তির মূল্য ছিল ১১ লাখ টাকারও বেশি। তখন এই পরিবার ৬০ হাজারেরও বেশি টাকা কর দিতো।
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে একসময় প্রভাব বিস্তার করা ফরিদপুরের জমিদার পরিবার। এর একটি কীর্তিপাশা জমিদার পরিবার। তারা ঝালকাঠি জেলার বৈদ্য বংশীয় জমিদার। বরিশালের মাধবপাশা জমিদার পরিবারও ধনী ছিল। বর্তমানে জমিদার পরিবারগুলো অবস্থা বেশ নাজুক। তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অধিকাংশই এখন বেদখল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার জমিদার বকুল কিশোর আচার্য চৌধুরীর (ডাবল এমএ) পরিবারটির সংসার চলছে সুপারি ও নারিকেল বিক্রি করে। এই পরিবারের সদস্য শ্রিপ্রা আচার্য চৌধুরী বলেন, ময়মনসিংহের ভালুকা, গফরগাঁও, গাজীপুর, জয়দেবপুর, বগুড়া, বরিশাল, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে এখনও তাদের সম্পত্তি রয়েছে। তবে সেগুলো তাদের হাতছাড়া।
একইভাবে পাকিস্তানের ধনাঢ্য আদমজী পরিবারের তিন ভাই, ওয়াহেদ আদমজী ওরফে দাউদ আদমজী, জাকারিয়া আদমজী এবং গুল মোহাম্মদও এখন ইতিহাস। আদমজী পরিবার যৌথভাবে ১৯৫০ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২৯৪ দশমিক ৮৮ একর জমিতে গড়ে তোলে আদমজী জুট মিলস।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জানান, ‘পাকিস্তান আমলে ২২টি ধনী পরিবার থাকলেও বাঙালি কোনও ধনী পরিবার ছিল না বললেই চলে। স্বাধীনতার পর থেকে ধনীরা এ দেশ থেকে চলে যাওয়া শুরু করে। তাদের মধ্যে অন্যতম আদমজী গ্রুপ। এছাড়া অনেকেই চলে গেছে স্বাধীনতার পর। ইস্পাহানির পরিমাণ যায়নি। তবে তাদের ব্যবসাও বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনকার ধনীরা সেই ২২ পরিবারকেও ছাড়িয়ে গেছেন। এখন কয়েকশ ধনী পরিবারের বসবাস এ দেশে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে কিংবা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েও অনেকে ধনী হয়েছেন। এ কারণে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্যও বেড়েছে।’
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে ধনী পরিবারগুলো। স্বাধীনতার পর তারা ব্যবসা গুটিয়ে পাকিস্তানে চলে গেছেন। স্বাধীনতার পর দেশের অনেকেই সেইসব ব্যবসার হাল ধরেছেন। ওই সময় অনেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাও পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি যেভাবে বড় হয়েছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকেই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করে সফলতা দেখিয়েছেন। পাকিস্তানের বড় ব্যবসায়ী ধনীরা মূলত চা এবং পাটের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর ব্যবসার ধরন বদলেছে। ব্যাংক থেকে অনেকে ঋণ সুবিধাও পেয়েছেন। পাশাপাশি তাদের দক্ষতাও বেড়েছে। সব মিলিয়ে যোগ্যরাই এ দেশে ধনী পরিবার করতে পেরেছেন।’
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স প্রকাশিত মেম্বার ডিরেক্টরির তথ্য অনুযায়ী, আশির দশকে জহুরুল ইসলাম গ্রুপ দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। ঠিকাদার ব্যবসার মাধ্যমে গ্রুপটি প্রতিষ্ঠা করেন জহুরুল ইসলাম। ১৯৮৮ সাল নাগাদ এ গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়ায় ৬২৮ কোটি টাকায়। এ সময় গ্রুপের অধীনে ছিল ২৪ প্রতিষ্ঠান। ১৯৮৮ সালে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় নম্বরে ছিল ইস্পাহানি গ্রুপ।
আশির দশকে এএসএফ রহমান প্রতিষ্ঠিত বেক্সিমকো গ্রুপ ছিল তালিকার তৃতীয় স্থানে। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক টার্নওভার ছিল ৫২৪ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে ছিল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনের আনোয়ার গ্রুপ। পঞ্চম স্থানে থাকা এ কে খান গ্রুপের টার্নওভার ছিল ৪০০ কোটি টাকা। ষষ্ঠ ধনী ব্যবসায়ী পরিবার ছিল মুহাম্মদ ভাই। সপ্তম স্থানে লতিফুর রহমানের ডব্লিউ রহমান জুট, অষ্টম স্থানে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর এপেক্স, নবম স্থানে এম মোর্শেদ খানের প্যাসিফিক এবং দশম স্থানে ছিল স্যামসন এইচ চৌধুরীর স্কয়ার গ্রুপ।
ব্যাংকিং খাতের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতির সংখ্যা ছিল মাত্র ৫ জন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে (১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত) এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৭ জনে। জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে (মে ১৯৮১) সংখ্যাটি বেড়ে হয় ৯৮। বর্তমানে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি সঞ্চয় রয়েছে এমন হিসাবধারীর সংখ্যা ৬০ হাজার। দিনবদলের সঙ্গে অর্থনীতি বড় হয়েছে, পাশাপাশি বেড়েছে সম্পদশালী পরিবারের সংখ্যাও।

বর্তমানে শীর্ষ ধনীর তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এর মধ্যে আছেন ‘বিজনেস মোগল’ নামে পরিচিত ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান মুসা বিন শমসের। ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনিই বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী। তার সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি ২০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৯৫ হাজার কোটি টাকা)।

এছাড়া তালিকায় আছেন বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমান। বেইজিংয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান হুরুন গ্লোবালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে তার অবস্থান ১৬৮৫তম। বাংলাদেশের কোনও ব্যবসায়ী এই প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় উঠে আসলেন। তার সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১৩০ কোটি ডলার।

ধনীদের তালিকায় আরও আছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ আকবর সোবহান, পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, গাজী গ্রুপের গোলাম দস্তগীর গাজী, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক আজম জে চৌধুরী, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, এস আলম গ্রুপের সাইফুল ইসলামসহ শতাধিক ব্যক্তি। বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল, টিভি চ্যানেল, ব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক তারা।
এর বাইরেও নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২ কোটি টাকা বা এর বেশি টাকার সম্পদের মালিক এখন ১৭ হাজার ৩৯ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
e0cc3e0846ae896d0b391db53f1945db-5910669855acbসুস্বাদু খেজুরের রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ যা সুস্থ থাকার জন্য জরুরি। আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানান ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় খেজুর থেকে। আঁশজাতীয় খাবারেরও অন্যতম উৎস এটি। প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে।

জেনে নিন খেজুর খাওয়া কেন জরুরি-c

  • যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছেন তাদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে।
  • খেজুরে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা চোখের ভিটামিন হিসেবে কাজ করে।
  • নিয়মিত খেজুর খেলে অন্ত্রে বেশকিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মে যা সুস্থতার জন্য জরুরি।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে খেজুর ভিজিয়ে রেখে পানিটুকু পান করুন ঘুমানোর আগে। প্রতিদিন পান করলে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
  • খালি পেটে কয়েকটি খেজুর খান প্রতিদিন। এটি রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করবে।
  • মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া হচ্ছে বলে ওজন কমছে না? প্রতিদিন খেজুর খান। এতে মিষ্টি খাবারের চাহিদা যেমন পূরণ হবে, তেমনি ওজন ও কমবে।
  • কয়েকটি খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরদিন পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেয়ে ফেলুন। হার্ট ভালো থাকবে।
  • খেজুরে অল্প পরিমাণে সোডিয়াম ও প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • খেজুরে থাকা পটাসিয়াম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
  • খেজুরে রয়েছে ফসফরাস যা মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
  • দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে পান করলে দূর হয় ক্লান্তি।

তথ্য: বোল্ডস্কাই   

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

298dea4e4313a4d0ae6aa7b1b115e94d-575cebb21f58eডেস্ক রিপোর্ট : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার দুশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্যদের মধ্যে। রবিবার (৭ মে) দলটির সংসদীয় দলের সভায় বসেছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় এমপিদের প্রতি হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি। মূলত এ কারণেই তাদের ভেতরে দুশ্চিন্তা ভর করেছে।
তবে তৃণমূল নেতাকর্মীরা এই সতর্কতায় উজ্জীবিত, তাদের মধ্যে বরং দেখা দিয়েছে উচ্ছ্বাস।
দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে আছেন এমন দশ জন সংসদ সদস্য তাদের দুশ্চিন্তার কথা জানিয়ে বলেন, ‘এমপি হিসেবে তৃণমূলে জনপ্রিয় হওয়া খুবই কঠিন। কারণ এমপিদের কাছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাওয়া-পাওয়ার কোনও সীমা নেই। কিন্তু আমাদের ক্ষমতা অসীম নয়, তাই সব চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হয় না। সংসদ সদস্যদের জনপ্রিয় হওয়া অনেক কঠিন। মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের কাছে জনপ্রিয়তাই যদি একমাত্র মানদণ্ড হয়, তাহলে একজন এমপিও খুঁজে পাওয়া যাবে না যিনি জনপ্রিয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে দুই এমপি বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাদের কাছে শতভাগ জনপ্রিয় হওয়া কষ্টসাধ্য। তাদের অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকে। তা পূর্ণ করতে না পারলে সৎ থেকেও তৃণমূলে জনপ্রিয়তা পাওয়া যায় না।’
দলটির তৃণমূলের নেতারা জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতির সংসদীয় দলের সভায় এমপিদের দেওয়া সতর্কবার্তায় উজ্জীবিত হয়ে উঠবেন তারা। জেলা পর্যায়ের অন্তত তিন নেতা বলেন, ‘তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য সময়োপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্ত। কারণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সময় দেওয়া তো দূরে থাক, অনেক সংসদ সদস্য আছেন ঢাকা ছেড়ে এলাকায় আসেননি গত তিন বছর। দলের নেতাকর্মীদের জেলে বন্দি হওয়ার পেছনেও অনেক এমপির ষড়যন্ত্র আছে। অন্তত ৩০টি জেলায় পাওয়া যাবে এমন নজির।’

এ প্রসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার দলীয় সভাপতি মাঈনুদ্দিন মণ্ডল বলেন, ‘অনেক জেলায় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের দূরত্বের খবর পাওয়া যায়। এটি দলের জন্য নেতিবাচক। নির্বাচনের আগে এমপিদের প্রতি দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সতর্কবার্তা তৃণমূলকে সত্যিই উজ্জীবীত করেছে।তার হুঁশিয়ারি দলকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।’

কুড়িগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক জাফর আলী বলেন, ‘ক্ষমতাসীন থাকায় সবস্তরে দেখা দিয়েছে মানসিক দূরত্ব। এ কারণে মূলত সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে দল। সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তা তৃণমূলকে একদিক দিয়ে শক্তিশালী করেছে।’

সংসদ সদস্যদের প্রতি তার হুঁশিয়ারি বার্তাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শেরপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও। এই দুই নেতার আশা, তৃণমূলকে প্রাধান্য দিয়ে শেখ হাসিনার সতর্কবার্তা নেতাকর্মীদের ভেতরে প্রাণের সঞ্চার ঘটাবে।

বৈঠকে এমপিদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে কোনও এমপিকে বিজয়ী করে আনার দায়িত্ব আমি নেবো না। ‘আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও কঠিন হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমি দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু আগামী নির্বাচনে আপনাদের নিজেদের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে। এবার আমি কারও দায়িত্ব নিতে পারবো না। যেই হোন না কেন, জনপ্রিয়তা না থাকলে মনোনয়ন দেবো না। আপনারা কে কী করছেন, প্রত্যেকের খতিয়ান আছে আমার কাছে। ছয় মাস পরপর তথ্য নিই। যার অবস্থা ভালো তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য প্রায় সব এমপিকেই ফেলেছে দুশ্চিন্তায়। এ প্রসঙ্গে আ.লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘সংসদীয় দলের সভায় এমপিদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিষ্কার জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে যার যার কর্মফল মনোনয়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। এতে তার কিছু করার নেই। যে জনপ্রিয় সে মনোনয়ন পাবে। দলীয় সভাপতির বক্তব্য অনেকের ভেতরে দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। তবে এটাও সত্যি যে, ভালো কাজ করে থাকলে চিন্তামুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি মানুষের জন্য, তাই মানুষের সংস্পর্শে যেসব এমপি আছেন তারাই আবারও মনোনয়ন পাবেন।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, ‘মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলে জনপ্রিয়তাকে ধরা হবে অন্যতম মাপকাঠি। এটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তার সাফ কথা, জনবিচ্ছিন্ন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না আগামী নির্বাচনে। এই হুঁশিয়ারি অনেক এমপির মধ্যে দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে, ভালো লেখাপড়া করলেই কেবল ভালো ফল পাওয়া যায়। তেমনই ভালো কাজ করলে ভালো পুরস্কারও নিশ্চয়ই দেবেন শেখ হাসিনা।’

দলটির সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপিদের কী করলে মনোনয়ন পাবে আর কী করলে মনোনয়ন পাবে না, সেই প্রসঙ্গে কিছু বার্তা দিয়েছেন। শীর্ষ পর্যায় থেকে সতর্কতা অনেকের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কাজ দেখিয়ে তাদের অবস্থান সুসংহত করার সময় এখনও আছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

79f042713e14ae84275e9695e11d5436-58d234d0e0e39রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও তিন উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) ১৭ জনের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা হয়েছে। সোমবার (৮ মে) সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এক নারী এই মামলা দায়ের করেন। বিচারক আহসান হাবিব বাদীর জবানবন্দি নিয়ে ৯ মে আদেশের তারিখ ধার্য করেছেন। বাদীর আইনজীবী মাইন উদ্দিন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম, এসআই মনিরুল ইসলাম, এনামুল, রাশেদুজ্জান বেগ, পুলিশ কনস্টেবল আপেল মণ্ডল, আনসার রওশন, আনসার হোসেন আলী ও পুলিশের সোর্স খলিল। বাকি অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান র‌্যানশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের কর্মকর্তা ওয়াজিউল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার পলাশ, চেয়ারম্যান আবু শাহাদাত মো. ফয়সাল, পরিচালক সিকদার মো. নওশের আলী রাজু, সিকদার মো. নওশের আলী রাজুর স্ত্রী মিসেস সাজু ও তার ভায়রা মিলন এবং বন্ধু রাজ ও আব্দুর রহমান।

আইনজীবী মাইন উদ্দিন মিয়া জানান, দণ্ডবিধির ১৬৫/এ, ৩২৩, ৩৫৪, ১১৯, ১২০, ১২০/বি, ৩৪২, ৫০৪, ৫০৬, ৫০৯-১০৯ এবং ৩৪ নং ধারায় এ মামলা হয়েছে। এতে ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২৭ এপ্রিল মধ্যরাতে বাদীর মিরপুর মধ্যপাড়ার বাসায় আসামিরা জোরপূর্বক প্রবেশ করে। এরপর সবাই মিলে তার শ্লীলতাহানির করে। এ সময় বাদীকে মারধরও করা হয়। বাসা ত্যাগের আগে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বাদীর মধ্যপাড়ার জমি নিয়ে র‌্যানশ প্রপার্টিজ লিমিটেড আটতলা বিল্ডিং নির্মাণের চুক্তি করে। কিন্তু ছয়তলা পর্যন্ত নির্মাণের পর তারা কাজ বন্ধ করে দেয়। এরপর পুলিশের সহায়তায় পুরো বাড়িটি দখলের চেষ্টা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

d05a3a27a2cc876ac953bf087f48d1c4-5910c34a1e2d6প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার। এ উপলক্ষে রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও তার অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলো দোয়া-মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এছাড়া, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, এম এ ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন, মহাজোটের শরীক দলসমূহ এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বিজ্ঞানীর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি, ফাতেহ পাঠ ও জিয়ারত, স্মৃতিচারণ, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রয়াত বিজ্ঞানীর ভাতিজা ও পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র তাজিমুল ইসলাম শামীম জানান, মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে লালদীঘির ফতেহপুরে জয়সদনে তার (ওয়াজেদ মিয়া) কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হবে। এরপর সকালে জয়সদন প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের পর গরীবদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। বিকালে উপজেলা সদরে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন এবং মহাজোটের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।f1b87e8bfa5c34fb93ecc03d32a3a15a-5910c34bdbaf5

উল্লেখ্য, বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী বিজ্ঞানী ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ফতেপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আবদুল কাদের মিয়া ও মাতা মরহুমা ময়জান নেছার সন্তান ড. ওয়াজেদ মিয়া এলাকায় ‘সুধা মিয়া’ নামেই পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সাত বছর নির্বাসিত জীবন কাটান। তিনি ২০০৯ সালের ৯ মে মারা যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
SAMSUNG CAMERA PICTURES

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৯১ হাজার ৯৮ টাকার খসড়া বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।  সোমবার দুপুর ৩টায় জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনে সমিতির সভাপতি এড. শাহ আলমের  সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি এড. আব্দুর রউফ, সাবেক সভাপতি এড. আব্দুল মজিদ, এড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, এড. নিজামউদ্দীন, এড. জিয়াউর রহমান, এড. মতিয়ার রহমান, এড. নজরুল ইসলাম, এড. ইউনুছ আলী, এড. হাবিব ফেরদাউস শিমুল, এড. আশরাফুল কবীর, এড. কাজী আবু তাছিন  প্রমুখ।
এসময় বাজেট অধিবেশনে বাজেট সংক্রান্ত উন্মুক্ত আলোচনা আইনবীবীরা বক্তব্য রাখেন।খসড়া বাজেটে সমিতির প্রস্তাবিত আয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৩৫লক্ষ ৯১হাজার ৯৮টাকা এবং প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। এসময় সমিতির উপস্থিত সকল আইনজীবীদের সর্ব সম্মতিক্রমে আয় খাতে ওকালাতনামার মূল্য  ও জামিননামা দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. ওসমান গণি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

unnamedমাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘বাঙালির নব জাগরণের বিরল সাহিত্য ¯্রষ্টা  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলাভাষার এই কবির পরিচিতি বিশ্বজোড়া। তাই বাঙালির গৌরবের নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান কবির স্মৃতিধন্য তার মধ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ গ্রাম কবির ব্যক্তি, কর্ম ও কাব্যজীবনের অনেকাংশের সাক্ষী হয়ে আছে। কবির চিন্তা চেতনা, অন্তর্নিহিত ভাব ও দর্শন সার্বজনীনবোধ অনন্য ও অসাধারণ। যে জন্য তিনি বিশ্ব সাহিত্যের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম দিয়ে তিনি বিস্তৃত করেছেন বাংলা সাহিত্যের পরিসর। তাই তো জীবনের প্রতিটি সমস্যা-সংকট, আনন্দ-বেদনা এবং আশা-নিরাশার সন্ধিক্ষণে রবীন্দ্র সৃষ্টি আমাদের চেতনাকে আন্দোলিত করে। রবীন্দ্রনাথ তার লেখনীতে বাঙালির জীবন-যাপন, সংস্কৃতিকে যেমন তুলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনারও অন্যতম রূপকার তিনি। বাংলাভাষা ও সাহিত্যকে তিনি সারাজীবনের সাধনায় অসাধারণ রূপ-লাবণ্যম-িত করেছেন। অতুলনীয় ও সর্বতোমুখী প্রতিভা দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমানে উন্নীত করে বাঙালিকে এক বিশাল মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে রবীন্দ্রনাথ প্রেরণাদায়ী পুরুষ। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যলালিত দর্শন ও সাহিত্য, তার রচনার মধ্য দিয়ে বিশ্ব সাহিত্য সভায় পরিচিতি পায়। ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। তার লেখা আমাদের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ আমাদের জাতীয় সঙ্গীত’। আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহবায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-ভাষা গবেষক সাবেক অধ্যক্ষ কাজী মো. অলিউল্লাহ, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেনরী সরদার, শহিদুর রহমান, চিত্র শিল্পী এম.এ জলিলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নের্তবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest