সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং ওনার এসোসিয়েশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর ডলপিন আর নেইআশাশুনিতে এক ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে হয়রানির অভিযোগশ্যামনগরে মৎস্যঘের পানি উত্তোলনের সময় বিদ্যুস্পৃস্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুA Cozy Night In: A Guided Tour of Online Casino Entertainment and Helpful Supportপাটকেলঘাটায় মব সন্ত্রাস করে পুলিশে সোপর্দ করা দু’সাংবাদিকের বিরদ্ধে পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনঝাউডাঙ্গায় পেরীফেরীভুক্ত জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মানের অভিযোগশহরের গড়েরকান্দায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পসাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে বড় ভাইয়ের মৃ*ত্যুসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের বিপি দিবস পালনজাতীয় সুন্দরবন দিবস ঘোষনা ও পালনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

02নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় পুর্ব শত্রুতার জের ধরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা গ্রামে রহিম মোড়লের ছেলে আত্তাফ, আলম মোড়ল, মৃত মুন্সি মোড়লের ছেলে মোসলেম মোড়ল, রহিম মোড়ল এবং একই গ্রামের জনাব আলীর স্ত্রী আরিজান, মোক্তার আলীর ছেলে সাদ্দাম সরদার ও মৃত সোনাই মোড়লের ছেলে জনাব আলী মোড়লের সাথে বাকবিত-ার এক পর্যায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের ৬ জন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এব্যাপারে মোসলেম মোড়লের ছেলে আলম মোড়ল জানান, সোমবার বিকালে পাটকেলঘাটা থানার এসআই আশরাফুল গাজার আসর থেকে জাহিদুল এবং খোকনকে আটক করে। এ ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষরা বাড়ির সামনের রাস্তার উপরে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ৩জন গুরুতর আহত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।
মোক্তার আলীর ছেলে সাদ্দাম সরদার জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় উভয় পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2222সদর প্রতিনিধি, শ্যামনগর : ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বাবু অসীম কুমার জোয়ার্দ্দারের সভাপতিত্বে শ্যামনগর মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর বাজানো হয় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি এস এম জগলুল হায়দার বলেন, ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক এই ভাষণটিতে বাঙালিকে স্বাধীনতা দেয়া হলেও সারা বিশ্বের মুক্তিকামী জনগণের কাছে প্রতিফলিত হয়েছে।স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা সফল হয়নি। নতুন প্রজন্ম মিথ্যা ইতিহাস গ্রহণ করেনি। নতুন প্রজন্ম নিয়ে আমাদের একটি ভূল ধারণা ছিল। কিন্তু সেই প্রজন্ম মাটি খুঁড়ে ইতিহাসের সত্য বের করে এনেছে। তারা গণজাগরণ ঘটিয়েছে। জাতির জীবনে যদি কোন সংকট তৈরি হয় এই নতুন প্রজন্ম অবশ্যই এগিয়ে আসবে। মুক্তচিন্তা ও সংস্কৃতির শক্তিতেই বাংলাদেশকে রক্ষা করবে নতুন প্রজন্ম। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাফরূল আলম বাবু বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছিল। মূলত এদিনই জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, যুগ্ন-সম্পাদক এ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু, এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

SAMSUNG CAMERA PICTURES

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এন্ড টেকনোলজি খুলনায় অবস্থিত আমেরিকান কর্নার ও রূপান্তর এর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৭ উপলক্ষে মঙ্গলবার ৭ মার্চ খুলনা পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে মহিলাদের প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, মহিলাদের নিয়ে এমন একটি ব্যতিক্রম ফুটবল ম্যাচ আয়োজন আমার কাছে স্বরণীয় হয়ে থাকবে। যারা এমন একটি আয়োজন করেছেন তাদেরকে তিনি সাধুবাদ জানান।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এন্ড টেকনোলজি খুলনার রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুর রউফ। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীরা যে সাহসী ভূমিকা রাখছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, খুলনা ডেইলি ট্রিবিউন এর সম্পাদক ফেরদৌসী আলী, এছাড়া আমেরিকান কর্নার খুলনা এর কো-অর্ডিনেটর ফারজানা রহমান, নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এন্ড টেকনোলজি খুলনার কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইজ্ঞিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও প্রক্টর মোঃ রবিউল ইসলাম, এনইউবিটি খুলনার সিনিয়র এ্যাসিটেন্ট ডাইরেকটর ড. আলাউদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, খুলনা জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভানেত্রী হোসনে আরা খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

17191000_713392288830731_2580074088453624056_nশ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে টস হেরে ফিল্ডিং করছে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লঙ্কানদের সংগ্রহ ২২.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৬০ রান। ক্রিজে আছেন কুশল মেন্ডিস (১৯) ও দিনেশ চান্দিমাল (১)।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ খেলছিল স্বাগতিকরা। তবে টাইগার পেসাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে খুব একটা রান পাচ্ছিলনা তার। ইনিংসের ষষ্ঠ তথা নিজের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে লঙ্কান শিবিরে আঘাত হানে পেসার সুভাশীষ রয়। পরের বলেই আরো একটি উইকেট বিদায় নেন মেন্ডিস! কিন্তু অ্যাম্পায়ার জানান নো বল। তাই আবার মাঠে ফিরেন মেন্ডিস।

মেন্ডিসকে নিয়ে জুটি গড়ে ভালোই এগুচ্ছিল করুণারত্নে। দুই জনে গড়েন ৪৫ রানের জুটি। সে জুটিতে আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নিজেরে তৃতীয় ওভারে তুলে নেন প্রথম উইকেট।

এর আগে গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় ম্যাচটি। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করছে চ্যানেল নাইন ও টেন থ্রি।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন কুমার দাস (উইকেট রক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও সুভাশীষ রয়।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: রঙ্গনা হেরাথ, দিমুথ করুণারত্নে, উপুল থারাঙ্গা, কুশল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়েলা, আসেলা গুনারত্নে, দিলরুয়ান পেরেরা, সুরাঙ্গা লাকমাল, লাহিরু কুমারা, লাকশান সান্দাকান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ আজ

কর্তৃক Daily Satkhira

yyyyyহাসান হাদী: আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক জনসভায় স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাক্কালে পরাধীনতার শিকলে বন্দি বাঙালি জাতি যখন স্বাধীনতার জন্য অধীর অপেক্ষায়, তখন “গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি/ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ” এমন কাব্যিক ভাষায়ই সেদিন স্বাধীনতাসংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু আরো বলেছিলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাাল্লাহ!’ দেশের জনগণকে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতির নির্দেশনা imagesদিয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে…প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। ’
বঙ্গবন্ধুর সেই ডাকে জেগে উঠেছিল মুক্তিপাগল জনতা। পেয়েছিল স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। মুক্তিকামী বাঙালি নিয়েছিল চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ স্বাধীনতার ইতিহাসে মহামূল্য এক অধ্যায়। ৭ মার্চও তেমনি বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। একাত্তরের এই দিনে স্বাধীনতার মহানায়ক রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ১৯ মিনিটের ভাষণে সাড়ে সাত কোটি নিরস্ত্র বাঙালিকে সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিলেন। আগুন জ্বালিয়েছিলেন কোটি প্রাণে। অল্প সময়ের ওই ভাষণেই বঙ্গবন্ধু তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতির সামগ্রিক বিষয়ে আলোকপাত করেন, জাতিকে প্রয়োজনীয় দিকনিদের্শনা দেন। তাঁর ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, জনগণের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হত্যাকা-ের তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই ভাষণের দিনটিতে রাজধানীজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছিল। মুক্তিকামী জনতার সেই স্রোতের গন্তব্য হয়ে উঠেছিল রেসকোর্স ময়দান। সেদিন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ জনগণের স্বাধীনতার আকাক্সক্ষাকে আরো তাতিয়ে দিয়েছিল। তারা স্বাধীনতার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে এবং ২৬ মার্চ প্রতিরোধ লড়াইয়ে নামে। এরপর ৯ মাসের বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র লড়াই, ৩০ লাখ শহীদের আত্মাহুতির বিনিময়ে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে আনে জাতি। বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামের নতুন এক রাষ্ট্রের গৌরবযাত্রা শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো আজ বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে পত্রপত্রিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tala-1-4 তালা প্রতিনিধি : তালা উপজেলার প্রসাদপুর গ্রামের রহমত বিশ্বাসের বাড়িতে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পরিবারটির সাতজন মানসিক ভারসাম্যহীন হয়েছেন।
বৃদ্ধ রহমত বিশ্বাস ও তার স্ত্রী নবীজান বিবি জানান, তাদের  বড় মেয়ে ফরিদা বেগমের বিয়ে হয়েছে ঝিনাইদহ জেলার বুয়াভাটিয়া গ্রামে। তার স্বামীর নাম গফফার বিশ্বাস। শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। এ সময় তাকে তারা পাগল বলে আখ্যায়িত করে তারা তাকে নিয়ে যাবার কথা বলে। খবর পেয়ে রহমত বিশ্বাসের ছেলে হায়দার বিশ্বাস বোন ফরিদাকে খানিকটা অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে আসেন। নয়দিন আগে বাপের বাড়ি নিয়ে আসা হয় ফরিদাকে।
এদের মধ্যে রয়েছে রহমতের ছেলে আবদুস সবুর বিশ্বাস (২৫), আবদুল হালিম বিশ্বাস ( ২৮), আবদুল গফুর বিশ্বাস (১৬), ফরিদার মেয়ে আয়েশা খাতুন (৬), ফরিদার বোনের ছেলে যশোরের সাগরদাঁড়ি গ্রামের বাবু বিশ্বাসের ছেলে মেহেদি বিশ্বাস(১৩) ও ফরিদার বোন সালেহা খাতুন ( ১৪)।
প্রতিবেশীরা জানান, শনিবার পর্যন্ত সাতজনই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে গেছেন। বাড়ির অন্য সদস্যরা নিজেরাও মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে যাবার আতংকে রয়েছেন। তবে তারা সবাই ঝাড় ফুঁক ও কবিরাজী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সোমবার দুপুরে রহমত বিশ্বাসের বাড়ি যেয়ে দেখা গেল পা শিকল বাঁধা অবস্থায় অস্বাভাবিক আচরণ করছেন তারা। তাদেরকে দেখতে রহমতের বাড়িতে এখন সব সময় ভিড় করছে গ্রামের মানুষ। খবর পেয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফরিদ হোসেন রহমতের বাড়িতে সোমবার দুপুরে যান। নির্বাহী অফিসার ফরিদ হেসেন বলেন, তারা দৈহিকভাবে সুস্থ, তবে মানসিকভাবে অসুস্থ। মানসিক ভারসাম্যহীনের মতো আচরণ করছেন তারা। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। কখনও কtala-1-6খনও মারমুখী আচরণ করছেন। পুলিশের লোক তাদের সাথে কথা বলতে গেলে অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি তাদেরকে তালা অথবা সাতক্ষীরা হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেওয়ার। কিন্তু বাড়ির লোকজন বলছে এসব জ্বিনের দোষ। বাড়ির বাইরে পাঠালে আরও সমস্যা হবে’।
‘দুই ঘণ্টা ধরে তাদের বাড়িতে বসে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছি আমরা।’
রহমত বিশ্বাসের প্রতিবেশী আবদুর রহমান ও জাহিদ বিশ্বাস জানান, ওরা এক সময় খুব গরিব ছিল। বছর কয়েক হলো তারা এখন ধনী পরিবার। দালান বাড়ি করেছেন, জমি কিনেছেন রহমত বিশ্বাস। তার মেয়ে সালেহা খাতুন খলিলনগর স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। নাতি মেহেদি হাসান একই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। তারাও অস্বাভাবিক আচরণ করছে। রহমত বিশ্বাসের ছেলেরা চাষবাস করে। তারাও হঠাৎ বেসামাল হয়ে পড়ে বাড়িময় তা-ব জুড়ে দিয়েছে।
গ্রামবাসী বলছে, ‘কিছুদিন আগে রহমত বিশ্বাসের বড় মেয়ে ফরিদা প্রসাদপুরের  বিলের মধ্যে একটি স্বর্ণমূর্তি পেয়েছিল। সেই মূর্তি বিক্রির পর তারা অনেক টাকার মালিক হয়ে যায়। তখন থেকে প্রথমে ফরিদা ও পরে অন্যরা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। তবে রহমতের পরিবারের দাবি তাদের মেয়ে ফরিদাকে তদবির করে পাগল বানিয়ে ফেলেছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

llllllllllমো: আমিনুর রহমান : লেখার শুরুতে পাঠকদের বুঝার সুবিধার জন্য একটি বাস্তব উপমা ব্যবহার করেছি। “তাবিজ ফ্রি কিন্তু অষ্ট ধাতুর মাদুলি চাই।” আমরা অনেকেই এই অভিজ্ঞতার সাথে পরিচিত। বেদে বা ফুটপথে যারা ঝাড়-ফুক করে বেড়ায় তারা তাদের ব্যবসা চালু রাখার জন্য বিভিন্ন ফন্দি ফিকিরের আশ্রয় নেয়। যেমন মানুষের সাধারণত যে সমস্ত সমস্যা প্রতিনিয়ত হয়ে থাকে তেমন কিছু রোগের কথা বলে প্রথমে ফ্রিতে কিছু তাবিজ-কবজ দিয়ে থাকে। তাবিজ-কবজ দেওয়ার পর নিয়মের দোহাই দিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের আটকিয়ে রাখে। এক পর্যায়ে এমন কঠিন নিয়মের কথা বলে যা পালন করতে অনেক ঝামেলা ও অর্থ খরচের ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। কিন্তু তার থেকে সহজ উপায়ে কবিরাজের নিকট থেকে অষ্ট ধাতুর মাদুলি পাওয়া যাবে বলে প্রচার দেয়। বাধ্য হয়ে যারা ফ্রিতে তাবীজ নিয়েছে তাদের সেই অষ্ট ধাতুর মাদুলি চড়া দামে কিনতে হয়। আবার মাদুলি তৈরি করতে ও কিছু বাধ্যবাধকতা থাকে যেটা কবিরাজ মহাশয়েরা আগে থেকেই জানেন অর্থাৎ কোন মতেই যেন মাদুলি তৈরি করতে না পারে। তারপর কবিরাজ লোহার একটি ২ টাকার মাদুলি ১০০ টাকা বা তার উর্দ্ধে বিক্রি করে থাকে। কবিরাজ বলে দশ গ্রামের দশ জনের ছাড়া আমার এই মাদুলি দেওয়া যাবে না। তখন মাদুলি কেনার জন্য লাইন পড়ে যায়। আমি কথাগুলো এই জন্য বললাম যে, বর্তমানে শিক্ষা বান্ধব সরকার ও তার মন্ত্রী পরিষদের ঘোষণা অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়া অবৈতনিক করেছে। তাছাড়া লেখাপড়ার উপকরণ কেনার জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করেছেন। প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের পাঠ্য বইগুলো বছরের শুরুতে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর বারবার ঘোষণা শোনা যায় টিভি, প্রিন্ট মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে যে প্রাইভেট পড়ানো যাবে না, গাইড বই বিক্রি করা যাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু কোন কিছুই কি বন্ধ করতে পেরেছে ? বরং যতবারই ঘোষণা  শোনা যায় ততবারই অভিভাবকদের বেশি সমস্যায় পড়তে দেখা যায়। আগে গ্রাম এলাকায় ব্যাচে প্রাইভেট পড়াতে ২০০ টাকা করে দিতে হতো । কিন্তু প্রাইভেট বন্ধ ঘোষণার পর থেকে ৫০-৭০ জনের ব্যাচে পড়েও ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া গাইড বই বন্ধ ঘোষনার পরে প্রকাশনী গুলো সরকার মহলের কিছু প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় চড়াও হয়ে উঠেছে। যে বই পূর্বে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হতো সে বই বর্তমানে ৬০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তারপর ও প্রতি ক্লাসের গাইড বইগুলো বাধ্যতামূলক বিক্রির জন্য শিক্ষক সমিতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মোটা অংকের টাকায় চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। তাদের চুক্তির টাকার চাপ পড়ছে সাধারণ অভিভাবকদের উপর। বর্তমানে বাজারে গাইড বই ক্লাস অনুযায়ী বান্ডেল তৈরি করেছে। যাতে প্রত্যেকের বাধ্যতামূলক সব বই কিনতে হয়। শিক্ষক সমিতি ও প্রকাশনী মালিকদের কু-ষড়যন্ত্রের প্রশংসা না করে পারা যায় না। কারণ সমিতির মাধ্যমে উপজেলা ভিত্তিক পাঠ্যক্রমের জন্য সিলেবাস তৈরি হয়। আর সেই সিলেবাসগুলো এমন কায়দায় করা হয় যেন অন্য কোন বই কিনলে নির্ধারিত টপিক্স না পাওয়া যায়। গাইড বইয়ের পৃষ্ঠা নং উল্লেখ করে টপিক্সের নাম না দিয়ে সিরিয়াল নং দিয়ে সিলেবাসগুলো তৈরি করা হয়। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকাশনীর সাথে কথা বললে তিনি জানান উচ্চ মহল থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতে হয় । আর সেই টাকা উঠাতে যেয়ে বইগুলোর মূল্য আকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে দেশে শতকরা ৯০ ভাগ জনগণ কৃষক সে দেশের বেশির ভাগ মানুষ দিন আনে দিন খায়। নিত্য দিনের সংসার খরচ চালায়ে, পরিবারের জন্য চিকিৎসা খরচ করে ছেলে মেয়েদের স্কুলে পড়াতে হিমসিম খাচ্ছে। সংসার খরচ চালায়ে তাদের একটি টাকাও ডানে থাকে না যে তাই দিয়ে বাচ্চাদের গাইড বই কিনে দেবে। মালার ভারে বৈরাগী কোথে। বিনামূল্যে বই পেয়েও পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমার ক্ষুদ্র লেখনীর মাধ্যমে সরকার বাহাদুর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পরিষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে কবিরাজের মত ফ্রিতে তাবীজ পেয়ে তা ব্যবহারের জন্য অসহনীয় মূল্যে অষ্ট ধাতুর মাদুলি কেনার মত বিনামূল্যে বই পেয়ে তা পড়ার জন্য বাজারের গাইড বই কিনতে হিমসিম খেতে না হয়। প্রত্যেক শ্রেণিতে এমন বই নির্ধারণ করুন এবং এমন প্রশ্ন কাঠামো তৈরির সিদ্ধান্ত করে দেন যাতে কোন বড় প্রশ্ন না থাকে এবং বইয়ের মধ্যেই প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর থাকে। তাহলে  আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয় শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে, প্রকাশনী চক্রের ব্যবসা বন্ধ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

news-pic-04-03-2017কলারোয়া প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আরাফাত হোসেন। তিনি ৭ হাজার ২’শ ২৪ ভোটের ব্যবধানে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদাকে পরাজিত করেন।
রিটার্নিং অফিসার ও সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার এ.এইচ.এম. কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলের চূড়ান্ত বার্তা শিটে জানানো হয়- আ.লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরাফাত হোসেন (এইচ.এম.আরাফাত) পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৪’শ ৯১ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আসাদুজ্জামান (উড়োজাহাজ প্রতীক) পেয়েছেন ৩২ হাজার ২’ ৬৭ ভোট। ফলে ৭হাজার ২’শ ২৪ ভোটের ব্যবধানে আরাফাত হোসেন বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৯১ ভোট। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৭১ হাজার ৭ শত ৫৮ ও বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৩’শ ৩৩ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৪০.১০%। অর্থাৎ মোট ভোটারের প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট দেননি।
উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের ৬৭টি কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১লাখ ৮২ হাজার ২’শ ২৯জন।
৬ মার্চ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত নগণ্য। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতিও কিছুটা বাড়তে থাকে। সরেজমিন গিয়ে বেশিরভাগ ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের কোন লাইন চোখে পড়েনি।
সকাল থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত উপজেলার কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না পাওয়া গেলেও ফলাফল ঘোষণার পর উপজেলার বুঝতলা বাজার, গয়ড়া বাজার সহ কয়েকটি বাজারে বিজয় মিছিল থেকে মৃদু হামলা ও সংঘর্ষের খবর সংবাদকর্মীদের কাছে আসতে থাকে।
তবে শেষ বিকেলে উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর কেন্দ্রে প্রতিপক্ষের হামলায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এক পুলিশ সদস্য আহত হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল বলে স্থানীয় সূত্রগুলো আরো জানায়।
গত পৌরসভা নির্বাচনে কলারোয়া পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করায় তৎকালীন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু। সেই কারণে দীর্ঘ কয়েক মাস পর শুণ্য ওই পদের উপ-নির্বাচন ৬মার্চ অনুষ্ঠিত হলো।
কলারোয়া উপজেলা আ.লীগের প্রকাশ্য দু’টি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু গ্রুপের প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান শাহাজাদাকে পরাজিত করে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেন দলটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন গ্রুপের প্রার্থী দলের জেলা শাখার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আরাফাত হোসেন।
উপজেলার ৬৭ টি কেন্দ্রের ভোটের পরিসংখ্যান: নির্বাচনের কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানায়- সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক সরবরাহকৃত গণনার ফলাফল নিন্মে তুলে ধরা হলো :
কলারোয়া পৌরসভা: তুলশীডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৪১১৩ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৭০ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪০১ ভোট। কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৬৫১ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৯৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৩৫ ভোট। কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৭৯৪ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪১৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১০১ ভোট। ঝিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৭৯ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৯৬৩ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৪২ ভোট। গোপিনাথপুর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৪৪ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬১৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৩৯৯ ভোট। মুরারীকাটি কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৬২৩ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫২৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮৪০ ভোট। শ্রীপতিপুর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৩৭৫৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৯৩১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৯২ ভোট।
১নং জয়নগর ইউনিয়ন : রামকৃষ্ণপুর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১৮৫৮ জন, সেখানে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৫২ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১১৯ ভোট। বসন্তপুর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৮৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬২৪ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৩২৫ ভোট। খোরদো বাটরা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৭৬৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬১৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৩৫০ ভোট। ধানদিয়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২০৬৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৮২ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৫৩ ভোট। জয়নগর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৭৪৫ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৩৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৩৫০ ভোট।
২নং জালালাবাদ ইউনিয়ন : সিংহলাল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২১৬১ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৪৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪০৭ ভোট। বৈদ্যপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৪১৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪০৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৩৬৬ ভোট। জালালাবাদ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৮৭৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭৪৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮১৭ ভোট। নারায়ণপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৩০১ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৩৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২০৬ ভোট। বাটরা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৬০৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৭৩ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৫৭ ভোট।
৩নং কয়লা ইউনিয়ন : বুইতা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৭৯৮ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৪১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৬৫ ভোট। আলাইপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২২৮৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭২৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৯২ ভোট। কয়লা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৪০৮৮ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১১৮০ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭০৮ ভোট।
৪নং লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন : খাসপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩১৪৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭৮৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৩২ ভোট। শাহপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২০৯৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৫৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৫৮১ ভোট। লাঙ্গলঝাড়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৯৬৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬০৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৬৯ ভোট।
৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন : কেঁড়াগাছি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৯২৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৮৩ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৬৮ ভোট। কাকডাঙ্গা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৮৬৮ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ২৭৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮২৭ ভোট। বোয়ালিয়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৮২৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৯৫৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৯৬ ভোট। পাঁচপোতা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৬৭৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৯৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৩৯ ভোট। হঠাৎগঞ্জ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩২৬৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬৩২ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৫৩২ ভোট। গোয়ালচাতর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৮৬২ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৬৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪২২ ভোট।
৬নং সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন : ভাদিয়ালী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৪০৫৫ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৮৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৫৫ ভোট। রামকৃষ্ণপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২০৪১ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৭২ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৫২ ভোট। সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৫৮২ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮০১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮১২ ভোট। সোনাবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৬১৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৮১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৬৫ ভোট। বড়ালী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২১৯০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫২৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৫৩ ভোট। রাজপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৫৮৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৮১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৮৪ ভোট।
৭নং চন্দনপুর ইউনিয়ন : চন্দনপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৪২৩০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৭৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮৩৮ ভোট। চান্দুড়িয়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৮১৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬৪১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১২৩১ ভোট। হিজলদী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৯১২ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৩৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৯০৬ ভোট। সুলতানপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২১১৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৪৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২২৫ ভোট। বয়ারডাঙ্গা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৯৬৩ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮০৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১২৭২ ভোট। নাথপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১২৪০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪০৩ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২১০ ভোট। মদনপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১০২৮ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১৬৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৪০ ভোট।
৮নং কেরালকাতা ইউনিয়ন : ইলিশপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৪৩৮৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১০৯০ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪৫৪ ভোট। কেরালকাতা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৪১৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৪২ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৫৩৬ ভোট। নাকিলা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৯৪০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭৯৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৬৩৬ ভোট। বলিয়ানপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৬৯৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৩৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৯৭ ভোট। সিংগা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩১৮৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৮৭৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১০৯ ভোট।
৯নং হেলাতলা ইউনিয়ন : হেলাতলা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৭৪৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৮৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৪৩ ভোট। রঘুনাথপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৪৬১৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭২৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৮৩৭ ভোট। দামোদরকাটি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৮৬৯ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭২৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪০০ ভোট। ঝাপাঘাট কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৭৯০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৪১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৩২ ভোট। হেলাতলা প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৫৪১ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭১৪ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৩৬ ভোট।
১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন : পানিকাউরিয়া হাইস্কুল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৪৬৫জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৯১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭০৫ ভোট। পানিকাউরিয়া প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৯২২ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ২৪১ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৫৪৩ ভোট। কুশোডাঙ্গা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩৮০৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৭৮ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১০৭১ ভোট। কলাটুপি কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১৭৩৫ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৩৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৭০ ভোট। রায়টা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩০৫৯জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৮৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৫৮৯ ভোট।
১১নং দেয়াড়া ইউনিয়ন : ছলিমপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৫১৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩০৬ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৫০ ভোট। খোরদো হাইস্কুল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৪৮৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৫৩ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১০৭ ভোট। খোরদো প্রাইমারি স্কুল কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৫৮৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ১১৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৫ ভোট। খোরদো-পাকুড়িয়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৭৬৮জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৪০ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ১৭৩ ভোট। দেয়াড়া কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৮৪৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৩৫০ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৪৪ ভোট।
১২নং যুগিখালী ইউনিয়ন : কাশিয়াডাঙ্গা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২২২০ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫০৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৩৭ ভোট। যুগিখালী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩০৯৭ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৬৫৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৭৪০ ভোট। কামারালী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৪৮৮ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭২৯ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ৪০৩ ভোট। বামনখালী কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ৩০৮৬ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৭৯৫ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৭১ ভোট। ওফাপুর কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২৫৮৪ জন, নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৫৭৭ ভোট ও উড়োজাহাজ প্রতীক পেয়েছে ২৭২ ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest