সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপির দোয়াজেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারOpas Naobet-kasinolle rekisteröitymiseen ja tilin hallintaanScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

3333মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ছত্রছায়ায় কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বরাবর দরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ক্লাসের নামে সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে কোচিং বাণিজ্যের রমরমা বাণিজ্য চলছে। কোচিং ক্লাস থেকে বাড়ি চলে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের ক্লাস করছেনা। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। উল্লেখ্য যে, কয়েকজন শিক্ষক ব্যবহারিক নাম্বার দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তাদের কোচিংএ পড়তে বাধ্য করছে। শিক্ষক দীপক কুমার হোড়, জাহাঙ্গীর আলম, মঈনুল ইসলাম, ছরোয়ার হোসেনসহ কয়েকজনimages শিক্ষক এতে জড়িত। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ক্লাসের সময় বাদে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ভিতরের বিষয় প্রতি ২০০ টাকা হারে নিয়ে চালানো হচ্ছে এ কোচিং বাণিজ্য। সূত্রে জানা যায়, দীপক স্যার প্রতি ব্যাচে ৬৫-৭০ জন পর্যন্ত পড়িয়ে এবং বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ৬০০ টাকা করে নিচ্ছে। প্রত্যেক শিক্ষক ১ টা করে দরখাস্ত শিক্ষার্থীদের দিয়ে অভিভাবকদের সই করিয়ে রাখা হয়েছে তাতে প্রধান শিক্ষকের কোন স্বাক্ষর নেই। এমনকি ব্যাংকে হিসাব থাকা ও রশিদের মাধ্যমে টাকা আদায় করে ১০% টাকা স্কুলের উন্নয়ন খাতে জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও সে সব কোন নিয়মের তোয়াক্কা করা হয়নি।
এব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক  বলেন, অভিযোগটি আমি এখনও দেখেনি। শিক্ষানীতিমালা অমান্য করে কোচিং করলে অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ঐসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার ফরিদুল ইসলাম বলেন, কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগটি শুনেছি যখন। ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ ধরনের কোচিং বাণিজ্য চলতে থাকলে শিক্ষার মান ভেঙে পড়বে বলে মনে করছে অভিভাবক ও সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1-1স্পোর্টস ডেস্ক: দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব ক্রিকেটে স্পষ্ট। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কের দুয়ার বন্ধ রয়েছে বহুদিন ধরে। এমনকি আইসিসির কাছে ভারত অনুরোধ করেছে, কোনো টুর্নামেন্টে যেন পাকিস্তানের সঙ্গে একই গ্রুপে তাদের না রাখা হয়।

পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ তো খেলবেই না ভারত। কখনও আইসিসির টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাও মুছে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে রেখেছে তারা।

কিন্তু ভারত না চাইলেও অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটে বাংলাদেশেই মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। কক্সবাজারে ১৫ মার্চ শুরু হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-২৩ ইমার্জিং ট্রুফিতে মুখোমুখি হবে ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় দুই প্রতিপক্ষ।

আট দলকে নিয়ে এ টুর্নামেন্টে এশিয়ার চার টেস্টখেলুড়ে দেশের সঙ্গে খেলবে আরও চারটি এশিয়ান অ্যাসোসিয়েট দেশ আফগানিস্তান, হংকং, নেপাল ও আরব আমিরাত। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে এ টুর্নামেন্ট হলেও প্রতিটি দেশই তাদের জাতীয় দল থেকে চারজন করে ক্রিকেটার রাখতে পারবে। তাদের বয়স যতই হোক।

১৫ মার্চ শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। তবে এখন পর্যন্ত সূচি তৈরি হয়নি। তাই নির্ধারিত হয়নি কবে তারা মুখোমুখি হবে। সূচি নির্ধারিত হলেই হয়তো ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়া নিয়ে উত্তেজনা শুরু হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

33cb484272f4350fb0004a26dd0a325d-58a5a38dc7871সুস্থতার জন্য প্রতিদিন বাদাম খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি৩, ফলিক অ্যাসিড ও প্রোটিন রয়েছে। কাঁচা বাদামের চেয়ে ভেজে খাওয়া বাদামে পুষ্টিগুণ আরও বেশি। তাই প্রতিদিন বাড়তি টাকা খরচ করে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস না খেয়ে বাদাম খান নিশ্চিন্তে।

জেনে নিন বাদাম কীভাবে সুস্থ রাখবে আপনাকে-

হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য
বাদামে প্রচুর পরিমাণে মনো আন স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য খুব উপকারি। ভেজে নিলে এতে পলিফেনলের পরিমাণও বেশি হয়। বাদামে থাকা ভিটামিন ই, ফলিক অ্যাসিড, নিয়াসিন ও ম্যাঙ্গানিজ হার্টের জন্য খুব ভালো। এতে কো এনজাইম কিউ টেন এর পরিমাণ অনেক যা আপনাকে হৃদরোগ থেকে দূরে রাখবে।
স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধে
আলঝেইমার মানে স্মৃতি নষ্ট হয়ে যাওয়া রোগ নিরাময়ে বাদাম উপকারি। এতে নিয়াসিন বেশি থাকে যা আলঝেইমার রোধ করে ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়।

গলব্লাডারের পাথর রোধে
বাদামে প্রচুর প্রোটিন থাকে। গবেষকরা বলেছেন, নিয়মিত বাদাম খেলে তা গলব্লাডারের পাথর হওয়া রোধ করে।
শারীরিক বিকাশে প্রয়োজনীয়
দুর্বল স্বাস্থ্য ও কম ওজন যাদের, তারা নিয়মিত বাদাম খেতে পারেন। উঠতি বয়সী শিশুদের জন্যও বাদাম খুব উপকারি, কারণ এতে প্রচুর অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

শরীরের টক্সিন দূর করতে
বাদামে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে। আর তাই শরীর থেকে টক্সিন অর্থাৎ ক্ষতিকারক উপাদান বের করে ওজন কমাতে সাহায্য করে বাদাম।

গর্ভবতী নারীদের জন্য
গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভবতী নারীরা নিয়মিত বাদাম খেলে তাদের সন্তানের অ্যাজমা হওয়ার আশংকা কমে যায়।

হতাশা কমাতে
আপনি যদি হতাশায় ভোগেন, তাহলে বাদাম খান। এতে আছে ট্রিপটোফান, যা সেরোটনিন মুক্ত করে হতাশা দমনে সাহায্য করে।

এছাড়া পাকস্থলির ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার ও স্ট্রোক রোধে বাদাম খুব উপকারি। তাই প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খান, সুস্থ থাকুন।
তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই, নিউট্রেশন অ্যান্ড ইউ ডট কম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e95ff6c9ecb2e88fb307ee93c330fddb-58a56de0bad7eবিনোদন ডেস্ক: ল্যাকমে ফ্যাশন উইক-এর দ্বিতীয় দিন সবাইকে চমকে দিয়ে স্টেজে আসেন বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। বাঙালি সাজে র‍্যাম্পে হাঁটেন তিনি। ফ্যাশন ডিজাইনার সংযুক্তা দত্তের নকশা করা ঐতিহ্যবাহী লাল-কালো ‘মেখেলা চাদর শাড়ি’ ছিল প্রীতির পরনে।

সোনালি রংয়ের বড় কানের দুল ও লাল টিপে লাস্যময়ী প্রীতি ছিলেন স্বতঃস্ফূর্ত। সাজেও ছিলেন একেবারে সাদাসিধে। ন্যাচারাল মেকআপের পাশাপাশি চুলগুলো একপাশে ছেড়ে দিয়েছিলেন ব্লো-ড্রাই করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e19b4f457a7071f74ea1199cf5c5fce6-lalআন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের শেহওয়ান এলাকার লাল শাহবাজ মাজারে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ৭২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ১৫০ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা সাব্বির সেতার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, অন্তত ৭২ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
পাকিস্তানের ডন অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেহওয়ান এলাকার ইন্দুস হাইওয়ের কাছে ওই মাজারে এই আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় তালুকা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক মঈনুদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, হাসপাতালে অনেক জনের লাশ এসেছে। এ ছাড়া চিকিৎসার জন্য কমপক্ষে ১০০ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়।
শেহওয়ান এলাকার সহকারী এসপি বলেন, আত্মঘাতী সন্ত্রাসী মাজারের গোল্ডেন গেট দিয়ে প্রবেশ করেছে। প্রথমে একটি গ্রেনেড ছোড়ার পর আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। তবে ছুড়ে দেওয়া গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়নি। মাজারে সুফি রীতি অনুযায়ী আজ সেখানে অসংখ্য ভক্তের সমাগম ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালসহ ওই এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য লিয়াকত মেডিকেল কমপ্লেক্স জামশরো ও সাব-ডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় দেশটির সেনাবাহিনীর স্টাফ জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া আহত সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনে পাশের হায়দ্রাবাদে সেনা হাসপাতালেও আহতদের চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ দেশটির জ্যেষ্ঠ সিভিল ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোন করে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত বছরের ১২ নভেম্বর বেলুচিস্তান প্রদেশের খুজদার জেলার শাহ নুরানি মাজারে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটে ঘটে। ওই হামলায় অন্তত ৫২ জন নিহত ও ১০২ জন আহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ccccমাহফুজুর রহমান তালেব: গতকাল বৃহস্পতিবার ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৯ টার দিকে সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জাধীন কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এবং সিপিজি সদস্যসহ নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে টহল দানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশে হরিনগর বাজারের উত্তর পাশে শেখ পাড়া সংলগ্ন রাস্তার উপর হরিণের মাংস নিয়ে যাওয়ার সময় ৩ জন ব্যক্তিকে ধরার জন্য ধাওয়া করেন। এসময় একজন ব্যক্তি তার হাতে থাকা ৫কেজি পরিমাণ হরিনের মাংসসহ ব্যাগ ফেলে পালায়। এসময় অপর ২ জন ব্যক্তিও ছুটে পালায়। ফলে, হরিণ পাচারকারি চক্রকে হাতে-নাতে ধরা সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে স্টেশন কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। অভিযানকালে স্টেশান কর্মকর্তার সংগীয় স্টাফসহ সিপিজি টিম লিডার মো. আবুল হোসেন গাইন ও ফরিদ হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। স্টেশন কর্মকর্তা আরও জানান, প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাহাঙ্গীর আলম, কলারোয়া : কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই বর্তমান কমিটি স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের হয়েছে। ১৫ফেব্রুয়ারি রিটটি দাখিল করেছেন কলারোয়া উপজেলার ইয়াকুব আলী সরদারের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম। বিষয়টি অবগত করতে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি দরখাস্তও করা হয়েছে। মহামাণ্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলমের আইনজীবী এড.মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন ওই রিট পিটিশনটি দাখিল করেছেন, যার নং- ২১২৯। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্যদের পিটিশনে বিবাদী করা হয়েছে। দরখাস্ত সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই এর চলমান কার্যক্রম অনুযায়ী আগামি ১৮ ফেব্রুয়ারি কলারোয়া উপজেলায় দিন নির্ধারিত আছে। ওই যাচাই-বাছাই কমিটির ‘সম্মানিত সভাপতি সাহেব স্ব-উপজেলার নয় এবং কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত কয়েকজন ব্যক্তি অভিজ্ঞ না হওয়ায়’ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে যাচাই-বাছাই বাধাগ্রস্থ হতে পারে। সেই লক্ষ্যে বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করত: পুণরায় নতুন কমিটি গঠন করার জন্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল হয়েছে। রিট পিটিশন দাখিলকারী মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল গফফার স্বাক্ষরিত ওই অবগতকরণ দরখাস্তটি ১৬ ফেব্রুয়ারি কলারোয়া ইউএনও অফিসে দাখিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, কলারোয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই বর্তমান কমিটি স্থগিত অত:পর পুণরায় কমিটি গঠনপূর্বক সুষ্ঠু ও সঠিক যাচাই-বাছাই করণে মহামাণ্য হাইকোর্টের স্মরণাপন্ন/ রিট দায়ের হলেও সেটির রায় এখনো হয়নি বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উত্তম কুমার রায় বলেন, রিট এখনো শুনানীর পর্যায়ে, সেটির রায় হলে মহামাণ্য হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : বহুদিন পূর্বে দেশের একটি বিদ্যালয়ের বাথরুমে ছাত্র নিহত হওয়ার বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুটির ঘন্টা নামক একটি বাস্তব চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়েছিল। এ ঘটনার মধ্যে দিয়ে শিশুদের প্রতি নির্মম আচারণকে মানবিক গুণাবলি সমদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার অভাবকেই দায়ী করেছিলেন সচেতন মহল। ছুটির ঘন্টার কাহিনীর মত বাস্তব আরো একটি ঘটনা ১৫ই ফেব্রয়ারি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে অবশেষে অভিভাবকদের প্রচেষ্টায় ৮ ঘন্টা পর অসুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলয় দাশকে। সরেজমিন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণশ্রীপর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের অরবিন্দু দাশের ছেলে নিলয় দাশ (১১) ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র। প্রতিদিনের ন্যায় নিলয় বুধবার স্কুলে যেয়ে ছুটির শেষ মুহুর্ত্বে বাথরুমে যায়। নৈশ প্রহরীকাম দপ্তরী আব্দুল হাই ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে স্কুলের সকল কক্ষ ও বাথরুমে তালা লাগিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এদিকে নিলয় বাথরুমের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে দরজা খুলতে ব্যার্থ হয়। বেশ কিছুক্ষণ চিৎকার ও চেচামেচি করে অবশেষে সে জ্ঞান হারায়। প্রতিদিনের ন্যায় বিদ্যালয়ের ছুিট শেষে নিলয় বাড়িতে না ফেরায় পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী ও দপ্তরীকাম নৈশ প্রহরীর কাছে নিলয়ের বিষয়ে খোঁজ খবর নিলে তারা জানায় বিদ্যালয়ের ছুটির পর সে বাড়ি চলেগেছে। নিলয়ের পিতামাতা ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খুঁজে তাকে না পেয়ে হতাশায় ভুগতে থাকে। রাত গভীর হলে খোঁজা খুজির এক পর্যায়ে নিলয়ের দাদু নিমাই দাশ রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নিলয় বলে ডাকদিলে বাথরুমের ভিতর থেকে শব্দ শুনতে পান তিনি। নিলয়ের সাড়া পেয়ে ততক্ষণে তাদের হৃদয় মন চমকে উঠে। ওইরাতেই নিলয়ের অভিভাবদের প্রচেষ্টায় প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরীকাম প্রহরীকে সংবাদ দিয়ে এনে বিদ্যালয়ের বাথরুমের তালা খুলে অসুস্থ্য অবস্থায় নিলয়কে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের বাথরুমে নিলয়কে আটকে রাখার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ও নৈশ প্রহরীকাম দপ্তরীকে দায়ী করেছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় এলাকার অভিভাবকবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। ৫ম শ্রেণির ছাত্র নিলয়কে বিদ্যালয়ের বাথরুমে আটকে রাখার ব্যপারে প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করেন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ ফারুক হোসেন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘটনার বিষয়ে তিনি শুনেছেন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্লাস্টারের দায়িত্ব প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, শিশুর প্রতি এ ধরনের অমানবিক ঘটনা খুবই দুঃখ জনক। ভূক্তভোগী অভিভাবক নিলয়ের বাবা জানান প্রধান শিক্ষক প্রায়ই সময় ছুটির পূর্বে বাড়িতে চলে যায়। ঘটনার দিনও তিনি একই ভাবে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এদিকে এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানোর উদ্দ্যেগ নিলে প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বনী বিষয়টি ঘামাচাপা দিতে শিক্ষক নেতাদের কাছে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। নিলয়ের বাবা আরো বলেন আমার সন্তানের মত আর কোন স্কুলে যেন এ ঘরনের ঘটনা না ঘটে সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest