সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা

333প্রেস বিজ্ঞপ্তি: কবি সিকান্দার আবু জাফরের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও সিকান্দার মেলা উপলক্ষ্যে একটি স্মরণিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উক্ত স্মরণিকায় গল্প, কবিতা, ছড়া ও প্রবন্ধ প্রকাশ করা হবে। আগ্রহীদের লেখা (সফট কপিসহ) আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ এর মধ্যে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সাতক্ষীরা বরাবর প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

sikandar_1856আবু সাঈদ
নেজারত ডেপুটি কালেক্টর
সাতক্ষীরা

সদস্য-সচিব
প্রকাশনা উপ-কমিটি
ফোন: ০১৭৩৩০৭৩৬০৪
ই-মেইল: ndcsatkhira87@gmail.com

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_94828342_hefajotislambangladesh5সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে স্থাপন করা গ্রিক দেবীর ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার সমর্থক শুক্রবার ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে।

ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণের বাইরে জুমার নামাজের পর এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

হেফাজত নেতারা সমাবেশে হুমকি দিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে ভাস্কর্যটি অপসারণ করা না হলে ‘শাপলা চত্বরের মতো পরিস্থিতি’ তৈরি হতে পারে।

উল্লেখ্য এই কট্টর ইসলামপন্থী দলটি ২০১৩ সালের মে মাসে ঢাকার শাপলা চত্বরে কয়েক লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে সেখানে লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছিল। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনী সেই সমাবেশে অভিযান চালিয়ে হেফাজত সমর্থকদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। হেফাজতে ইসলামের সেবারের বিক্ষোভটি ছিল বাংলাদেশে ব্লাসফেমি আইন করার দাবিতে।

সেই অভিযানে বেশ কিছু মানুষ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।

সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে স্থাপন করা এই ভাস্কর্য নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই হেফাজতে ইসলাম-সহ কয়েকটি দল আপত্তি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু এই প্রথম ঢাকায় এরকম বড় কোন সমাবেশ থেকে দলটি গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণের জন্য সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়া হলো।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে থেকেই বায়তুল মোকাররম চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমর্থকরা জড়ো হতে শুরু করেন। এদের বেশিরভাগই ছিলেন ঢাকার বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র।

জুমার নামাজের পর হেফাজতে ইসলামের প্রতিবাদ সমাবেশ শুরু হয়। সেখানে সংগঠনের নেতা নুর হোসেন কাশেমি সহ অনেকে বক্তৃতা দেন।

সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সবার প্রতিষ্ঠান। কাজেই সেখানে এরকম মূর্তি স্থাপন করা যাবে না।

হেফাজত নেতারা বলেছেন, মূর্তি অপসারণের দাবিতে তাদের কর্মসূচি শুরু হলো মাত্র। সরকার যদি তাদের দাবি না মানে তাহলে শাপলা চত্বরের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে হুমকি দেন সংগঠনের নীচের স্তরের কয়েক জন নেতা।

সমাবেশ শেষে কড়া পুলিশ পাহারায় হেফাজতে ইসলামের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_94830532_60f8afbb-f1ba-449b-b7c9-b887143d2975‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরকা’ বা বোরকার নিচে লিপস্টিক নামের এক হিন্দি ছবি নিয়ে ভারতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে সেন্সর বোর্ড এটিকে ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর।

ছবিটি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে এবং কয়েকটি পুরষ্কারও পেয়েছে।

ভারতের এক ছোট শহরে বসবাস করা চার নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ছবির কাহিনি। এই চারজনের মনের ভেতরে লুকনো ইচ্ছেগুলি নিয়েই গল্প।

পরিচালককে পাঠানো একটি চিঠিতে ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ড জানিয়েছে যে ছবিটি ‘নারী-মুখী’ এবং সেখানে ‘অবিরত যৌন দৃশ্য এবং গালিগালাজ রয়েছে। ‘অডিও পর্নোগ্রাফি’ও রয়েছে ছবিটিতে – এটাও উল্লেখ করেছে ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ড।

ওই চিঠিটিতে যে পরিমাণ ভাষা এবং বানান ভুল রয়েছে, তা নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম।

‘লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরকা’ নামের ছবিটির এই ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে গতবছর অক্টোবরে।

আইএমডিবি ওয়েবসাইটে ছবিটির যে সারাংশ দেওয়া হয়েছে, তাতে লেখা রয়েছে যে ভারতের ছোট শহরের অলিগলিতে বাস করা চারজন নারীর গল্প এটি। তাদের গোপন করে রাখা ইচ্ছেগুলোর কাহিনী। এরা সকলেই নিজেদের জীবনে বাঁধা পড়ে গেছেন, কিন্তু মনের ইচ্ছেগুলো মরে নি।

ছোট ছোট ঘটনা আর কাজের মধ্যে দিয়ে এই চার নারী বেশ সাহসী হয়ে উঠেছেন আর কিছুটা বিদ্রোহও করছেন। ওই চার নারীর মধ্যে একটি চরিত্র এক মুসলমান যুবতীর।

ছবিটির পরিচালক অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব গ্লাসগোয় রয়েছেন একটি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য। সেখান থেকে স্কাইপের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় টি ভি চ্যানেলগুলিকে জানিয়েছেন, “ছবিটা যে ছাড়পত্র পাবে না, এটা আমার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সম্প্রতি পিঙ্ক-এর এমন কয়েকটি নারীদের গল্প নিয়ে তৈরি হওয়া ছবি মুক্তি পেয়েছে যার পরে আমার ছবিটি আটকে যাওয়া বেশ অবাক করার মতো ঘটনা।”

“প্রথমবার দেখার পরে বোর্ড সদস্যরা কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠতে পারেন নি, তারপরে দ্বিতীয়বার রিভিউ করা হয়। সেদিনই মৌখিকভাবে বোর্ডের প্রধান পহলাজ নিহালনী জানিয়ে দিয়েছিলেন যে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। এরপরে ট্রাইবুনালের কাছে আপিল করা হবে বলে ছবিটির পরিচালক অলঙ্কৃতা শ্রীবাস্তব।

ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ডের এক সদস্য মমতা কালে জানাচ্ছিলেন, “অনেকগুলি ধারা উপধারায় এই ছবিটা আটকে গেছে। আসলে সমাজের কোন অংশের গল্প এই ছবিতে বলার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটাই স্পষ্ট নয়। কখনই এটা বলা হয় নি যে নারীদের যে অধিকার রয়েছে, সেটা দেওয়ার বিরুদ্ধে বোর্ড। ছবিটার মধ্যে দিয়ে যে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, সেকারণেই আটকে গেছে। বারে বারে শুধু সার্টিফিকেশন বোর্ডকে দোষ দেওয়া অনুচিত।”

ছবিটি ছাড়পত্র না পাওয়ায় মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্রজগতের একটা বড় অংশ সমালোচনা শুরু করেছে ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ডের।

পরিচালক অশোক পন্ডিত জানাচ্ছিলেন, “সরকার বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বার বার বলছেন কোনও ছবির মুক্তি পাওয়া আটকানো উচিত নয়। বরং ছবিগুলোকে একেকটা শ্রেণীতে ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে। একজন গল্পকার বা পরিচালকের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে। মি. পহলাজ নিহালনীর পছন্দমতো হতে হবে সব ছবি।এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়।”

সাম্প্রতিক কালে ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ড এরকম একাধিক সিনেমাকে ছাড়পত্র দিতে অস্বীকার করে অথবা প্রচুর সংখ্যক দৃশ্য ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দিয়ে সমালোচিত হয়েছে।

বোর্ড প্রধান পহলাজ নিহালনী বেশ কিছু হিন্দি ছায়াছবিতে অভিনয় করেছেন। ঘোষিতভাবেই তিনি হিন্দুত্ববাদী বি জে পি-র ঘনিষ্ঠ। তাঁর সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে এই অভিযোগ বারে বারেই উঠেছে যে হিন্দুত্ববাদীদের যে বিশুদ্ধ ভারতীয় সংস্কৃতির ভাবধারা রয়েছে, তিনি চলচ্চিত্রে সেই ভাবধারাই প্রবর্তন করতে চাইছেন।

প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার শ্যাম বেনেগালের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া একটি সরকারি কমিটিও কীভাবে ছবির ছাড়পত্র দেওয়া উচিত, তা নিয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। কিন্তু সরকার তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয় নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imageঅনলাইন ডেস্ক: ঘটা করে বিয়ে করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের শিবপুরি শহরের অরবিন্দ যাতাভ (নাম পরিবর্তিত) ও গুনা এলাকার দেবিকা (নাম পরিবর্তিত)। ২০১২ সালে বিবাহের পর দু’জনেই ঠিক করেন পুলিশে এসআই নিয়োগের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হবেন। সেই অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী জোরদার পড়াশোনাও শুরু করেন। ২০১৩ সালে পুলিশে নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন দেবিকা। কিন্তু, অনুত্তীর্ণ হয়ে যান অরবিন্দ।

নিয়োগের পরপরই পুলিশ ট্রেনিং-এর জন্য বাড়ি ছাড়েন দেবিকা। স্বামী অরবিন্দের অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই যেন আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছিলেন তাঁর স্ত্রী। যে দেবিকা সবসময়ে একসঙ্গে থাকার কথা বলত, এক সুন্দর সংসারের কথা বলত— এ সব কথা যেন রাতারাতি তাঁর মুখ থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ অরবিন্দের।

এমনকী, দেবিকা স্বামীর সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। খুব প্রয়োজন ছাড়া স্ত্রী-র সঙ্গে কথা বলারই নাকি সুযোগ তিনি পান না বলে অভিযোগ অরবিন্দের। পুলিশে নিয়োগের জন্য দেবিকা সারাক্ষণ অরবিন্দের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন। পুলিশে নিয়োগের প্রস্তুতিতে শ্বশুর-শাশুড়ি যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সে কথা সবাইকে বলে বেড়াতেন দেবিকা।

এহেন স্ত্রী-র মধ্যে আচমকা পরিবর্তনে খুবই অবাক হয়েছিলেন অরবিন্দ। সম্প্রতি বাড়ি ফিরে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা নাকি ঘোষণা করেছেন দেবিকা। জানিয়ে দিয়েছেন, অরবিন্দকে যেনতেন ভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ দিতে হবে। বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজপত্র নিয়ে এসে তাতে অরবিন্দকে সই করতেও নাকি চাপ দিয়েছেন দেবিকা। স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদ না দিলে নিজেই এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলেও নাকি দেবিকা জানিয়েছে।

গোটা ঘটনায় হতাশ অরবিন্দ আপাতত স্ত্রীর কর্মস্থলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশও জানিয়েছেন। একটা চাকরির জন্য স্ত্রীর এমন বদল মেনে নিতে পারছেন না অরবিন্দ। স্বামী তাঁর সঙ্গে চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তার জন্য দাম্পত্যের সম্পর্কে এমন পরিণতিতে স্বাভাবিকভাবে হতাশাগ্রস্ত করে দিয়েছে অরবিন্দকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4বিনোদন ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় সব সময় সবর থাকেন বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। যেখানে নিজের ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনের সব আপডেট ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত শেয়ার করেন তিনি। কিন্তু সেই অভিষেকই কিনা স্ত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আসতে বারণ করেছেন!

সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী স্বামীর কাছে ফেসবুকে যোগদানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। আর অভিষেক নাকি তাতে ঐশ্বরিয়াকে বারণ করেছেন। একইসঙ্গে আসতে না করেছেন টুইটারেও।

ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, বেশ কয়েকবার টুইটার, ফেসবুকে নিন্দা, সমালোচনা ও মজার পাত্র হয়েছেন ‘ধুম’খ্যাত এ তারকা এবং অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তার সমাধান করেছিলেন। তাই স্ত্রীর এমনটা হোক, তা মোটেও চান না বচ্চনপুত্র।

শুধু ঐশ্বরিয়া নন, বলিউডের অনেক তারকাই এখন পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সক্রিয় নন। তাদের মধ্যে রয়েছেন কঙ্গনা রানাউত, সাইফ আলি খান, কারিনা কাপুর খান প্রমুখ। এদিকে ক’দিন আগে উন্মোচিত হয়েছে ঐশ্বরিয়া ফিট থাকার রহস্য। মর্নিং ওয়াক শেষে ফেরার পথে ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরায় বন্দি হন বচ্চনবধূ অ্যাশ।

এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রুপালি পর্দায় নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য শারীরিকভাবে ফিট থাকাটা খুব বেশি জরুরি। এ কারণেই প্রতিদিন রুটিন মেনে চলি। সকালে ঘুম থেকে উঠে নিয়ম করে হাঁটি। এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।’ আরাধ্যার জন্মের পর বেশ কিছুটা ওজন বেড়ে গিয়েছিল ঐশ্বরিয়ার। কিন্তু বড় পর্দায় কামব্যাকের আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মুম্বাইয়ের রাস্তায় হাঁটা শুরু করেন তিনি।

এ ছাড়া গত মাসে ইন্ডিয়া’স মোস্ট বিউটিফুল ওম্যান অর্থাৎ ‘ভারতের সবচেয়ে সুন্দরী নারী’র খেতাব জিতেছেন ঐশ্বরিয়া। সেই সঙ্গে গ্ল্যামার বাড়িয়েছেন ফেমিনা কাভারের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

libyaআন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুদ্ধ বিধ্বস্ত লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলীতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা বাংলদেশ মিশনে চলমান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে।

রাষ্ট্রদূত জানান, সেখানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে দুই পর্বের অনুষ্ঠানের গতকাল ছিল সমাপনি পর্ব। সেখানে বাংলাদেশ কমিউনিটির নারী, পুরুষ শিশুসহ প্রায় দেড় শতাধিক উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরপরই মিশনের বাইরে দাঁড়িয়ে অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা অনুষ্ঠানস্থল লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

রাষ্ট্রদূত জানান, অস্ত্রধারীদের গুলি শুরু হওয়ার পর কর্তব্যরত স্থানীয় পুলিশ পালিয়ে যায়। আচমকা ঐ গুলির ঘটনায় হকচকিত উপস্থিত কূটনীতিক, কর্মকর্তা ও অতিথিরা দূতাবাসের ভেতরে গিয়ে আত্মরক্ষা করে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, যুদ্ধ কবলিত লিবিয়ায় বর্তমানে তিনটি সরকার রয়েছে। এর মধ্যে ত্রিপলিতেই দুইটি। একটি জাতিসংঘ সমর্থিত ইউএনএ সরকার , অপরটি জিএনপি সরকার। গুলির বিষয়টি ঢাকাকে জানানো হয়েছে। ত্রিপোলির দুই সরকারকেই বিষয়টি জানানোর চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3-1অনলাইন ডেস্ক: কর্মীদের কাজে মনোনিবেশ বাড়াতে সুইডেনে কর্মক্ষেত্রে ‘সেক্স ব্রেক’ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি ছোট্ট শহর ওভারটর্নিয়ার এক কাউন্সিলর।

তার দাবি, এতে করে কর্মীরা চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি দিন-রাত কাজের চাপে থাকার কারণে তলানিতে ঠেকা স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্কও মজবুত হবে। কাজের ফাঁকে তারা ‘সেক্স ব্রেক’ নিয়ে বাড়িতে গিয়ে এক ঘণ্টা পর ঝরঝরে হয়ে কাজে ফিরতে পারবে।

সরকারের কাছে প্রস্তাবটি দিয়ে ৪২ বছর বয়সী কাউন্সিলর পের-এরিক মুসকোস বলেন, ‘বিভিন্ন গবেষণায় বারবারই এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, যৌনতা স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাছাড়া, কাজের চাপে আজকাল পরিবারকে সময় দেওয়া বেশির ভাগ মানুষেরই হয়ে ওঠে না। ওইসব মানুষদের জন্যই এ প্রস্তাব। নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করতে এ প্রস্তাব নিশ্চয়ই কাজে আসবে। ’

তার মতে, ‘প্রস্তাবটি পাস না হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ, এই সুযোগ পেলে কর্মীদের বাড়ি ফেরার তাগিদ কমে যাবে। কেউ আর ছুটির ঘণ্টার জন্য মুখিয়ে থাকবে না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

tandoori-chicken-625_625x350_71450205191মাংস পুড়িয়ে খেতে পছন্দ করেন তাদের জন্য রীতিমত দুঃসংবাদ! পোড়া খাবারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, এমনটাই উঠে এসেছে গবেষণায়। সুতরাং যাদের চিকেন ফ্রাই কিংবা এরকম মুখরোচক খাবারের প্রতি আসক্তি আছে তাদের সাবধান হওয়ার সময় চলে এসেছে। পৃথিবীর সব প্রান্তেই প্রায় খাবার পুড়িয়ে খাওয়ার রেওয়াজ আছে। নানান স্বাদের ও নানান পদের এসব পোড়া খাবার আপনার স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট ক্ষতির কারণ!

১। যখন আপনি খাবারটি পোড়াতে যান তখন এক ধরণের ক্যামিকেল রিঅ্যাকশন ঘটে ফলে অনেক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন হয় সেখানে।

৩। এদের মধ্যে বেশ কিছু উপাদান আছে যেগুলো ভয়াবহ রকম ক্ষতিকর।

৪। দীর্ঘদিন ধরে এরকম পোড়া খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ক্যান্সারসহ হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে।

এফএসএর প্রধান গবেষক পরামর্শক জানিয়েছেন, নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, কড়া করে ভাজা বা পোড়ানো খাবারে বিপজ্জনক অ্যাক্রিলামাইড নামে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থটি দেখা যায়।

একই বিষয় দেখা যাচ্ছে পাউরুটির টোস্টের ক্ষেত্রেও। তাই এটিও হালকা করে ভাজার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। এসএসএর প্রধান গবেষক পরামর্শক গাই পপি জানান এসব খাবারে বিপজ্জনক অ্যাক্রিলামাইড রয়েছে, যা ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

পোড়া খাবারকে কেন না’?

মাংস পোড়ানোর সময় সবখানেই তেল ব্যাবহার করা হয়। এটা যদি পরিমাণ মতো করা সম্ভব হয় তাহলে ঝুঁকিখানিকটা কম কিন্তু তেল মান খারাপ হলে কিংবা সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করা না গেলে বিভিন্ন রকমের ‘টক্সিক’ ক্যামিকেল’ উৎপন্ন হয়। আর এই টক্সিক আপনার ত্বক, লিভার আর ফুসফুসের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ। যা ঘাতক ক্যান্সার বাঁধিয়ে ফেলতে পারেন।

এছাড়া এসব খাবার পোড়ানোর সময় পেট্রোল ও ডিজেলের মতো ক্ষতিকর পদার্থ ব্যাবহার করা হচ্ছে। যা খুবই ক্ষতিকর।

সুতরাং মুখ রোচনের জন্য পোড়া মাংস প্রীতি থাকলে কমিয়ে ফেলুন। দীর্ঘদিন বাঁচুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest