ulvfjf_3শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে প্রত্যেকদিন নিয়ম মেনে খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। অনিয়ম করলেই শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

জলপাইকে লিকুইড গোল্ড বা তরল স্বর্ণ বলা হয়। জলপাইয়ের তেলের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি এসিড। জলপাই শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় এবং বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জলপাইয়ের তেল রাখা ভালো।

যখন কোনো মানুষের রক্তে ফ্রির্যা ডিকেল অক্সিডাইজড কোলেস্টোরেলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের এ্যান্টি অক্সিডেন্ট রক্তের কোলেস্টেরেলের মাত্রা কমায়। ফলে কমে যায় হৃদরোগের ঝুঁকি।

কালো জলপাই আয়রনের বড় উৎস। এটি রক্তের লোহিত কনিকা অক্সিজেন পরিবহন করে। কিন্তু শরীরে আয়রনের অভাব হলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। ফলে শরীর হয়ে পড়ে দূর্বল। আয়রন শরীরের অ্যানজাইমকে চাঙ্গা রাখে। নিয়মিত জলপাই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

খাবার পরিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে জলপাই। শুধু তাই নয়, গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই। জলপাইয়ের তেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। যা বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

জলপাই সংক্রামক ও ছোঁয়াচে রোগগুলোকে রাখে অনেক দূরে। নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরসের কাজ করতে সুবিধা হয়। পরিণামে পিত্তথলিতে পাথরের প্রবণতা কমে যায়। জলপাই তেলে চর্বি বা কোলেস্টেরল থাকে না। তাই ওজন কমাতে কার্যকর। যেকোনো কাটা-ছেঁড়া, যা ভালো করতে অবদান রাখে জলপাই। জ্বর, হাঁচি-কাশি, সর্দি ভালো করার জন্য জলপাই খুবই উপকারী।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’ প্রয়োজন হয় তার দশ ভাগের এক ভাগ সহজেই পাওয়া যায় এক কাপ কালো জলপাইয়ে। এই পরিমাণ ভিটামিন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। ভিটামিন ‘এ’র অভাব হলে রাতকানা রোগ দেখা দিতে পারে। গ্লুকোমাসহ চোখের অন্য সব রোগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য ভিটামিন ‘এ’ দরকার। সূত্রঃ ফেমিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xmq7ee_bb-copyমানুষের বীর্য পাচারের চেষ্টার সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে থাইল্যান্ডের পুলিশ। ছয়টি কাচের শিশিতে করে লাওসে বীর্য পাচারের চেষ্টা করছিলেন তিনি।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় নঙ খাই শহর দিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের সময় ওই ব্যক্তির ব্যাগে থাকা একটি নাইট্রোজেন বাক্সের ভেতর বীর্যের শিশিগুলো পাওয়া যায়।

পুলিশ বলছে, চীনা ও ভিয়েতনামের কয়েক ব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহের বীর্যভর্তি এসব শিশি লাওসের রাজধানীর ভিয়েনতিয়ানের একটি ফার্টালিটি ক্লিনিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে ঐ ব্যক্তি স্বীকার করেছেন।

থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ায় সারাগেসি নিষিদ্ধের পর প্রতিবেশী লাওসে বাণিজ্যিক সারাগেসি ব্যাপক আকারে বাড়তে দেখা যায়।

ব্যাংকক পোস্টের এক খবরে বলা হয়, ওই থাই চোরাচালানকারী গত বছর একইভাবে ১২ বার লাওসে গিয়েছেন, যেখানে ব্যাংককের বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে বীর্য সংগ্রহ করে তিনি তা লাওসের কয়েকটি ক্লিনিকে পৌঁছে দিয়েছেন।

ক্যাম্বোডিয়ার একটি হাসপাতালেও তিনি কয়েকটি চালান পৌঁছে দিয়েছেন বলে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়।

বেশ কয়েকটি স্ক্যান্ডালের পর বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে থাই নারীদের সারোগেট হিসেবে কাজ করা ২০১৫ সালে নিষিদ্ধ করে দেশটির সরকার। আর পরের বছর সারোগেসি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে ক্যাম্বোডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mblbte_deathখাবার নিয়ে কমবেশি আমরা সকলেই সচেতন৷ কিন্তু তার বাইরেও থেকে যায় অনেক ফাঁক, যা অনেক সময়ই নজর দেওয়া হয়ে ওঠে না৷ আর তখনই মৃত্যু অনেকটাই আমাদের কাছে চলে আসার সুযোগ পেয়ে যায়৷ অথবা হয়তো শরীরের চরম ক্ষতি হয়ে যায় আপনার অজান্তেই৷ কি কি খেলে মৃত্যুর বা অসুস্থতার সেই ভয়ঙ্কর অনুভূতি পাওয়া যায় চলুন জেনে নেওয়া যাক-

কাঁচা দুধ- কাঁচা দুধ অনেকেরই পছন্দের৷ বাজার থেকে দুধের প্যাকেট এনে অথবা দুধওয়ালার থেকে দুধ কিনে অনেকেই ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে তা পান করতে পছন্দ করেন৷ কিন্তু জানেন কি তা ক্ষতিকারক৷ ভালো করে না ফুটিয়ে খেলে কিন্তু বহু ব্যাকটিরিয়ায় আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে৷ তাই এই বিষয়ে একটু সচেতন থাকুন৷

চিনে বাদাম- অনেকসময় ছোট্ট একটা জিনিষই ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ৷ আর এই তালিকায় রয়েছে চিনেবাদামও৷ শোনা যায়, চিনে বাদামে অ্যালার্জি থাকলে সে খাবার কিন্তু আপনার প্রাণসংশয় ঘটাতে পারে৷ তাই চিনেবাদামকে ভালো করে চিনে নিন, আদৌ কি সে আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে সুবিধার? নাহলে কিন্তু এড়িয়ে চলাই শ্রেয়৷

চিংড়ি বা কাঁকড়া- চিংড়ি-কাঁকড়া রসিয়ে খেতে ভালোবাসেন না এমন সংখ্যা একটু কম বলাই যায়৷ তবে যাদের অ্যালার্জি রয়েছে তারা যে এর থেকে শত হস্ত দূরে থাকেন তাও বোধ হয় অজানা নেই কারও৷ আসলে এইসব পদ থেকে বিপদের আশঙ্কা থেকেই যায়৷ কারণ অনেকসময় বিষক্রিয়া হয় বা যাদের অ্যালার্জি রয়েছে এসবে তাদের শারীরিক সমস্যা যেমন পেটের অসুখ থেকে শ্বাসকষ্ট বহু কিছু হয়ে থাকে৷ সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে৷

কাঁচা কাজুবাদাম- কাজুবাদাম, প্রায় সকলেরই পছন্দের একটি খাবার৷ কিন্তু জানেন কি এর মধ্যে একপ্রকার ক্ষতিকারক টক্সিন রয়েছে, তবে কাঁচাঅবস্থাতেই সেই বিষ এর মধ্যে থাকে৷ বেশ কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে এই বিষ বের করে যে রোস্টেড কাজু তৈরি হয় তাইই বাজারচলতি৷ তবে যাদের মধ্যে এক্সপেরিমেন্টের ব্যাপার রয়েছে তারা কিন্তু ভুলেও কাঁচা কাজু হাতে পেয়ে উৎসাহিত হয়ে মুখে চালান করবেন না যেন৷

অঙ্কুরিত মটরশুঁটি- ২০১১সালে জার্মানির একদল গবেষক অঙ্কুরিত মটরশুঁটির মধ্যে নাকি তিন ধরনের ব্যাকটিরিয়ার খোঁজ পান৷ ই-কোলাই৷ অঙ্কুরিত এই মটরশুঁটি খেলে নাকি শুক্রানুর পরিমাণ কমতে থাকে বীর্যে৷ তাই এই খাবার খাওয়ার আগে একটু ভেবে নিন, তবে বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনও ব্যাখ্যা রয়েছে কি না তা আগে জেনে নিন৷

তবে আরও বহু খাবার থেকেই এমন সমস্যা হতে পারে, আবার ব্যতিক্রমী বিষয়ও ঘটতে পারে৷ কিন্তু যেহেতু বিষয়টি খাওয়াদাওয়ার এবং আমাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তাই একটু সচেতন হলে মন্দ কি! তথ্য সূত্রে-কলকাতা২৪

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e7ydnm_6আমে খনিজ লবন এবং ভিটামিন উপাদান (ভিটামিন এ ভিটামিন সি, ভিটামিন -বি৬), পটাসিয়াম, কপার লৌহ এবং এমাইনো এসিড রয়েছে। এছাড়াও আমে বায়োলজিক্যাল উপাদান, প্রো ভিটামিন এ বেটা ক্যারোটিন, লুশিয়েন এবং আলফা ক্যারোটিন পলি পিথানল কিউরেচিন কাম্ফারল, জিলাইক এসিড ক্যাফিক এসিড, সহ আরও অনেক উপাদান রয়েছে যা স্বাস্থের জন্য অনেক উপকারী।

আম খাওয়ার ফলে আমাদের জীবনযাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আম খাওয়ার ফলে স্থুলতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া ত্বক ও চুলের রঙের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, দেহের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, কোলন ক্যান্সার রোধে, হাড় ও হজম শক্তির উন্নত করার ক্ষেত্রে এই ফলের ভূমিকা রয়েছে। এক কাপ আম আপনার দৈনন্দিনের ভিটামিন এ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারে? ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

আমে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে যার ফলে ত্বক সতেজ ও টানটান হয়। আম খেলে সূর্যের আলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষতির পরিমান কমে যায়। এছাড়া পাকা আম ত্বকে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়। লিভার, ডায়বেটিস, কোলেস্টেরল কামাতে আমের ভূমিকা অতুলনীয়।

গবেষকরা বলেছেন যে, আমে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটা কোলন,স্তন, লিউকেমিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে ত্বক পরিস্কারে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে। পাকা আমের আঁশ, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সহায়তা করে। এতে আছে প্রয়োজনীয় এনজাইম যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সূত্রঃ ফেমিনা!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

nfqcm6_imagesআফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফের একটি সেনাঘাঁটিতে তালেবান হামলায় নিহত সেনা সদস্যের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৪০ জন হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অনেকে। এক আফগান কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে। আবার কোনও কোনও কর্মকর্তা মনে করছেন প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেশি। তবে আফগান সরকারের পক্ষ থেকে এখনও নিহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি। এ হামলাকে আফগান সেনাঘাঁটিতে হওয়া এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা বলে উল্লেখ করেছে রয়টার্স।

আফগান সেনা মুখপাত্র নাসরাতুল্লাহ জামশিদি জানান, বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফের সেনা ঘাঁটির একটি মসজিদের কাছে শুক্রবার (২১ এপ্রিল) এ হামলা হয়।  হামলার সময় সেনা সদস্যরা শুক্রবারের নামাজ পরে বের হচ্ছিলেন। সামরিক পোশাকে এবং দুটি সামরিক যানে করে সেনাঘাঁটির গেটে হাজির হয় ছয় হামলাকারী। নিরাপত্তারক্ষীকে তারা বলে ওই গাড়িগুলোতে করে আহত সেনাদের নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের জরুরি ভিত্তিতে ভেতরে ঢোকা প্রয়োজন। পরে সেনা সদস্যদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলার পাশাপাশি গুলি করতে থাকে তারা। প্রাথমিকভাবে আফগান সেনা মুখপাত্র নাসরাতুল্লাহ জামশিদি জানিয়েছিলেন হামলাকারীরা ৮ সেনাকে হত্যা করে এবং ১১ জনকে আহত করে। পাল্টা হামলায় এক হামলাকারী নিহত এবং ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয় বলেও জানান তিনি।নাম প্রকাশ না করে এক আফগান কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, হামলায় অন্তত ১৪০ জন নিহত হয়েছে। এর আগে নিহতের সংখ্যা ২০-৫০ জন বলে জানানো হয়েছিল।

এদিকে হামলার দায় স্বীকার করে তালেবান জানিয়েছে, তাদের হামলাকারীরা আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রথমেই ঘাঁটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে দিয়েছে। সম্প্রতি আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে তালেবানের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে হত্যার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।
আফগানিস্তানে মোতায়েনকৃত বিদেশি সেনা সদস্যরা প্রায়ই ঘাঁটিটি ব্যবহার করে থাকে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। এ ঘাঁটিতে তারা আফগান বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিয়ে থাকেন। তবে ন্যাটো নেতৃত্বাধীন জোটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ হামলার ঘটনায় কোনও বিদেশি সেনা মোতায়েন হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

v0tplw_sabnurঢালিউডের নন্দিত অভিনেত্রী শাবনূর অসুস্থ। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই থাইরয়েড রোগে ভুগছিলেন। তবে সম্প্রতি এর প্রকোপ বেড়েছে। থাইরয়েডের কারণে শাবনূরের শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে।

শাবনূরের বাবা শাহজাহান চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে শাবনূর থাইরয়েড রোগে ভুগছেন। হঠাৎ করেই ওর সারা শরীর কেঁপে ওঠে। পুরোপুরি সুস্থ হতে একবছর তাকে চিকিৎসা নিতে হবে।

২০১১ সালের ডিসেম্বরে যশোরের ছেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অনিক মাহমুদকে বিয়ে করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির অবার্ন হাসপাতালে পুত্র আইজানের জন্ম দেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াতেই অবস্থান করছেন শাবনূর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

t615sq_ramvilasvedanti১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের জন্য সমবেত করসেবকদের ‘উত্তেজিত’ করতে কোন ‘প্ররোচনামূলক ভাষণ’ই দেননি ‘লৌহমানব’ লালকৃষ্ণ আদভানি, সেই ভাষণ আসলে দিয়েছিলেন তিনি নিজে, আজ একথা স্বীকার করে নিলেন সাবেক বিজেপি সাংসদ রাম বিলাস বেদান্তি।

বেদান্তি জানিয়েছেন, সেদিন তারই কণ্ঠে শোনা গিয়েছিল, “এক ধাক্কা অউর দো, বাবরি মসজিদ টুট দো” স্লোগান। আর এই স্লোগান শুনেই ‘রামপন্থী’ করসেবকরা একের পর এক আঘাতে ভেঙে ফেলেছিল বাবরি মসজিদ।

‘প্ররোচনামূলক ভাষণ’ দিয়ে ‘ফৌজদারি ষড়যন্ত্রে’র আওতা থেকে আদভানিকে ক্লিনচিট দিয়ে রাম বিলাস বেদান্তি আরও বলেন যে, তিনি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা অশোক সিংহল এবং মহন্ত অভেদ্যনাথ যখন ‘প্ররোচনা’ দিচ্ছিলেন, তখন বরং আদবানী, যোশী এবং বিজয় রাজে সিন্ধিয়ারা করসেবকদের ‘শান্ত করার’ চেষ্টা করছিলেন।

প্রসঙ্গত, যে ১৩ জনের নামে বাবরি কাণ্ডে ‘ফৌজদারি ষড়যন্ত্রে’র তদন্ত করার ছাড়পত্র পেয়েছে সিবিআই, তার মধ্যে অন্যতম হলেন রাম বিলাস বেদান্তি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ার দুদিন পরে ‘হঠাৎ করে’ কেন ‘সত্য স্বীকারে’র ইচ্ছা হল বেদান্তির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e74aace693b713ef8dbffcd728abd9ea-58fa3e1e13ebe‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না/ ফেরারী পাখিরা কূলায় ফেরে না’— লাকী আখন্দের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক জানাতে তার এই গানের কথা বেছে নিয়েছেন সংগীতসহ শোবিজের শিল্পীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তারা শোকময় স্ট্যাটাস দিয়ে কিংবদন্তি এই সংগীত ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

মাইলস ব্যান্ডের তারকা শাফিন আহমেদ লিখেছেন, ‘লাকী ভাই আপনি আমাদের অনেক কালজয়ী গান দিয়েছেন। আপনাকে আমাদের মাঝে রেখে দিতে পারলে বাংলা গানের জন্য মঙ্গল হতো। কিন্তু তা না পারায় আমরা দুঃখিত। আপনার গান আমরা উপভোগ করে যাবো। আপনি শান্তিতে থাকুন।’

বরেণ্য সুরকার আলাউদ্দিন আলী লিখেছেন, ‘গতকাল শুনলাম বাসায় আছো, খুব ভালো আছো। একটু আগে পৌনে আটটায় এক সাংবাদিক জানালো তুমি সন্ধ্যায় চলে গেছো। আল্লাহকে বলি- তোমায় দেখে রেখো, শান্তিতে রেখো।’
কুমার বিশ্বজিৎ লেখেন, ‌‘‘আজও মনে পড়ে ১৯৭৭ সালে যেদিন তিনি আমাকে প্রতম অ্যালবামের জন্য গানটি দিয়েছিলেন। ‘যেখানে সীমান্ত আমার’- যে গানটি আমাকে দিয়েছে নতুন জীবন। বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে  লাকী ভাইর অবদান ভুলে যাওয়ার নয়। আপনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রার্থনা করি, আপনি ওপারে স্বর্গসুখ পাবেন।’’

চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমী লিখেছেন, ‘সত্যিকারের এক শিল্পী। সৃষ্টিতে, ব্যক্তিত্বে। কোনওদিন নিজেকে জাহির করতে দেখিনি তাকে। তার জন্য শ্রদ্ধাটা তাই মন থেকেই। ভালো থাকবেন কিংবদন্তি লাকী আখন্দ। আল্লাহ আপনাকে নিশ্চয় শ্রেষ্ঠ জায়গায় রাখবেন!’

প্রবাসে থেকে সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন লিখেছেন, ‘‘এক কিংবদন্তির চির প্রস্থান। লাকী ভাই চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। কী লিখব কোনও ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা। এই পাহাড় সম ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কে দু-এক লাইনে কী বলব? শেষ যেদিন দেখতে গিয়েছিলাম, ফিরে আসার সময় আমার হাত ধরে অনেক অনেক মনের কথা, আদেশ উপদেশ আক্ষেপের কথা বলেছিলেন। হাসিমুখে এও বলেছিলেন, ‘ইমন তুই আমাকে মাটি দিতে নিয়ে যাবি, আমি দেখতে পাব সব।’ আমার চোখ বেয়ে এখন অঝরে পানি পড়ছে। চিৎকার করে কাঁদতেও পারছিনা। লাকী ভাই, আমি আপনার কথা রাখতে পারলাম না। আমি যে অনেক দূরে এখন। ক্ষমা কর দিবেন।’’
গায়ক পারভেজ লিখেছেন, ‘লাকী স্যারও চলে গেলেন! বাংলা সংগীতের আরও একটি স্তম্ভ ভেঙে পড়লো।’ সংগীত পরিচালক রিপন খান ও সুমন কল্যাণ উল্লেখ করেছেন, ‘ফেরারী পাখিরা কুলায় ফেরে না!’ শোক জানিয়েছেন গীতিকার আসিফ ইকবাল, গায়িকা দিনাত জাহান মুন্নী, দিঠি চৌধুরী, সংগীতশিল্পী সুজন আরিফ, শফিক তুহিন, জয় শাহরিয়ার, লুৎফর হাসান, অয়ন চাকলাদারসহ অনেকে।
শুধু গানের শিল্পীরাই নন, শোবিজের অন্য তারকারাও শোক জানিয়েছেন। নাট্যকার মাসুম রেজা উল্লেখ করেছেন ‘এই নীল মনিহার’ গানটির কথা। অভিনেতা হিল্লোল লিখেছেন, ‘তিনি ছিলেন কিংবদন্তি।’ চিত্রনায়ক নিরব ও টিভি অভিনেতা মার্শাল স্ট্যাটাস দিয়েছেন, ‘আগে যদি জানতাম, তবে মন ফিরে চাইতাম।’
উপস্থাপিকা মারিয়া নূর, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিস আয়ারল্যান্ড মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি ও চিত্রগ্রাহক রাশেদ জামান লিখেছেন, ‘আমায় ডেকো না, ফেরানো যাবে না।’ এছাড়া শোক জানিয়েছেন আরজে সায়েম, অভিনেত্রী আয়শা মনিকাসহ অনেকে।
এদিকে লাকী আখন্দের মৃত্যুর খবরে তার আরমানিটোলার বাসায় শুক্রবার রাতে ছুটে গিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম, ফাহমিদা নবী, গীতিকবি আসিফ ইকবালসহ অনেকেই। শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest