সর্বশেষ সংবাদ-
দেশব্যাপি সংখ্যালঘুদের উপর হামলা- নির্যাতনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরাসহ খুলনা বিভাগের ২৫ টি সিট হাইজ্যাক করা হয়েছে– সাবেক এমপি হাবিবসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতারInsider Bonus Secrets at Sweety Win for Seasonal Celebrationsবাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিল

dsc04164_3ইতিহাসের প্রাপ্ত তথ্যাদি থেকে জানা যায়, যশোর, বুড়ন, সমতট, ব্যাঘ্রতট, বাগড়ি প্রভৃতি নামে নানা সময়ে এলাকাটিকে চিহিুত করা হয়েছে। আর সুলতান দাউদ খান কররানীর পতনের পর বিক্রামাদিত্য ও ভ্রাতা বসন্ত রায় স¤্রাট আকবরের বশ্যতা স্বীকার করে। এবং তারা ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে স¤্রাট আকবরের কাছ থেকে যশোর রাজ্যের সনদ নিয়েছিলেন। অত:পর বর্তমান কালিগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুরে এসে রাজ প্রাসাদ গড়ে তুলেছিলেন। ঐ সময়ে বসন্ত রায় বঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে আতœীয়-স্বজনকে এখানে এনে যশোর সমাজ নামে এলাকা তৈরি করেছিলেন। আর রাজা প্রতাপাদিত্যের পতনের পর তাঁর বিশাল সৈন্য বাহিনীর এক অংশ শ্যামনগর – কালিগঞ্জ এলাকায় বসবাস শুরু করেছিলেন। পাঠান বিদ্রোহ দমনের জন্য মুঘলদের পক্ষে সামান্ত রাজা প্রতাপাদিত্য ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে উড়িষ্যা অভিযান শেষ করে যশোর হয়ে বর্তমানে শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুরে এসে গোবিন্দ দেবের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং সে মন্দিরের সেবাইত বল্লাভট্টাচার্যকে নিযুক্ত করেন। ১৬৬৭ খ্রিষ্ট্রাব্দে ইসলাম প্রচারের লক্ষ্যে হযরত শেখ মুহাম্মাদ শাহ ওরফে দরগাহ শাহ নামে এক ব্যক্তি বাগদাদ থেকে সস্ত্রীক নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বর্তমান আশাশুনি উপজেলার দরগাপুরে সংসার জীবন শুরু করে। তারপর তাঁরই নামানুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয় দরগাপুর। মুঘল রাজত্বের অন্তিমকালে ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দে রাজকীয় চার্টারের বলে প্রেসিডেন্সী শহরের সৃষ্টি হয়েছিল। অত:পর ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে নদীয়ার জমিদার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের মৃত্যুর পর তাঁর অধিকৃত জমিদারী পরগনাগুলো যখন নিলামে ওঠে তখন তাঁরই এক কর্মচারী বিষ্ণরাম চক্রবর্তী বুড়ন পরগনা নিলামে কিনে নেন। এবং পরে তিনি সাতঘরিয়া বা সাতক্ষীরায় এসে বসবাস শুরু করেন। তার আচার-আচারণ ও কর্মদক্ষতার কারণে ব্রিটিশরা তাকে রায় চৌধুরী উপাধি দিয়েছিলেন। ঐ সময়ে তাঁর বংশধরেরা সাত ঘরিয়ার আশে-পাশে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে বসবাস শুরু করে। লর্ড ডালহৌসী (১৮৪৮-১৮৫৬) খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ ভারতের গভর্ণর জেনারেল হয়ে আসার পর তিনি সমগ্র বৃটিশ ভারতকে বিভিন্ন মহাকুমায় বিভক্ত করেন। তখন নীল বিদ্রোহ দমন ও স্থানীয় শাসন শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যশোর জেলায় কয়েকটি মহাকুমা করার প্রয়োজন হয়েছিল। অত:পর ১৮৫১ সালে সাতক্ষীরাকে যশোর জেলার চতুর্থ মহাকুমা হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর এ মহাকুমার প্রধান কার্যালয় কলারোয়াতে স্থাপিত হয়েছিল। জানা যায়, পাবনা জেলার অধিবাসী নবাব আব্দুল লতিফ খান সাতক্ষীরা মহাকুমার প্রথম মহাকুমা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা মহাকুমার ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন এ জনপদে নীল চাষীদের প্রতি অত্যাচার, জুলুম এবং শোষণের প্রতিকারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বৃটিশ সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই চন্দ্র মন্ডল বলেন, এ অঞ্চলে ইংরেজ বিরোধী গণ আন্দোলন শুরু হলে কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল গ্রামের মওদুদ বরকন্দাজ নামে এক কৃষক নেতা এ এলাকায় নীল চাষকে কেন্দ্র করে নীল কুঠিয়ালদের অত্যাচারের প্রতিবাদ করেছিলেন। ১৮৫২ -১৮৫৩ সালে সাতক্ষীরা মহাকুমা স্থাপিত হলেও ১৮৬১ সালে সাতক্ষীরা মহাকুমা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল। এবং তৎকালীন সাতক্ষীরার জমিদারদের প্রচেষ্ঠায় মহাকুমার প্রধান কার্যালয় কলারোয়া থেকে মহাকুমা কার্যালয় সাতক্ষীরাতে স্থানান্তরিত করেছিলেন। এবং সাতক্ষীরাকে মহাকুমা করে তা যশোর জেলার এবং ১৮৬৩ সালে চব্বিশ পরগনার অধীনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। অত:পর জেলা শহর আইন অনুসারে শহর কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর এই আইনের বলে ১৮৬৭ সালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাউন কমিটির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। জানা যায়, এখানে বহু আগে কয়েক ঘর জমিদার বসবাস শুরু করেছিলেন। আর এখানে গ্যাসের আলো, উন্নত রাস্তাঘাট ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা সহ নগর জীবনের সকল সুযোগ-সুবিধা থাকায় এই এলাকার নামকরণ টাউন কমিটির নামানুসারে টাউনশ্রীপুর করা হয়েছিল। আর পরবর্তীতে টাউন কমিটির নাম পরিবর্তিত হয়ে পৌরসভায় রুপান্তরিত হয়। এবং এটিই প্রথম প্রতিষ্ঠিত পৌরসভা। যার নামকরণ করা হয়েছিল টাউনশ্রীপুর পৌরসভা। আর এ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হলেন ফনীভূষণ সরদার। অত:পর ১৮৬৯ সালে সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর এ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হলেন প্রাণনাথ রায় চৌধুরী। এবং আরও পরে ১৮৮২ সালে খুলনা জেলার সাথে সাতক্ষীরা সম্পৃক্ত হয়েছিল। ১৮৮৫ সালে লোকাল সেলফ গভমেন্ট আইন অনুযায়ী ১৮৮৬ সালে তদানীন্তন খুলনা জেলায় প্রথম জেলা বোর্ড গঠিত হয়েছিল। অত:পর সাতক্ষীরা মহাকুমা পর্যায়ে লোকাল বোর্ড সৃষ্টি হয়েছিল। আর প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এলাকাকে মহাকুমা বা জেলা যাই বলা হোক না কেন, এর ইতিহাস অতি প্রাচীন? প্রাচীন এই জনপদে মহাকালের সাক্ষী হয়ে যে সকল মহাকুমা বা জেলা প্রশাসকগণ উন্নয়নের জন্য কাজ করে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ভাবে অবদান রেখে অনন্য ভুমিকা পালন করেছেন, তা সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে জানানোর জন্য এই পত্রিকায় আজকের লেখা।
আর মহাকুমার জন্মলগ্ন থেকে যে সকল মহাকুমা প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকগণ সাতক্ষীরার উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন। তারা হলেন- নবাব আব্দুল লতিফ (কার্যকাল জানা সম্ভব হয়নি), অক্ষয় কুমার স্বর ০১.০১.১৯০৯ – ০১.০১.১৯১১, আব্দুল হাই ০১.০১.১৯১৫ – ০১.০১.১৯১৬, শ্রী অনাদি রঞ্জন বোস ০১.০১.১৯১৬ – ০১.০১.১৯১৯, শ্রী এম সি মুখোপাধ্যায় ০১.০১.১৯১৯ – ০১.০১.১৯২৪, শ্রী সত্যেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ০১.০১.১৯২৪ – ০১.০১.১৯২৮, শ্রী এ সি চট্টোপাধ্যায় ০১.০১.১৯২৮ – ০১.০১.১৯২৯, এস এ লতিফ ০১.০১.১৯২৯ – ০১.০১.১৯৩১, শ্রী কে সি মিত্র ০১.০১.১৯৩১ -০১.০১.১৯৩৩, শ্রী সুধারাম মিত্র ০১.০১.১৯৩৩ – ০১.০১.১৯৩৪, শ্রী সুরেন্দ্রনাথ সরকার ০১.০১.১৯৩৪ – ০১.০১.১৯৩৫, আহম্মদ মিয়া ০১.০১.১৯৩৫ – ০১.০১.১৯৩৬, শ্রী পি সি মজুমদার ০১.০১.১৯৩৬ – ০১.০১.১৯৪০, শ্রী জে সি চট্টোপাধ্যায় ০১.০১.১৯৪০ – ০১.০১.১৯৪১, সৈয়দ আহম্মদউল্লাহ ০১.০১.১৯৪১ – ০১.০১.১৯৪২, শ্রী এ সি রায় ০১.০১.১৯৪২ – ০১.০১.১৯৪৩, এরশাদ হোসেন ০১.০১.১৯৪৪ – ০১.০১.১৯৪৫, এ. এ. জি মহি ০১.০১.১৯৪৫ – ০১.১২.১৯৪৫, সুলতান আহমদ ০১.১২.১৯৪৫ – ০১.০১.১৯৪৬, এম. এইচ শাহ ২১.১২.১৯৪৬ – ১১.০৪.১৯৫০, আজিজুল্লাহ হাসান ১৯.০৪.১৯৫০ – ১৬.০৯.১৯৫১, মতিন উদ্দিন আহমেদ ২৪.০৩.১৯৫২ – ১৫.১২.১৯৫২, এ. এফ রহমান ০৮.০৩.১৯৫৩ – ২০.১১.১৯৫৪, বোরহান উদ্দিন আহমেদ ২৪.১২.১৯৫৪ – ১৬.১২.১৯৫৫, বাহউদ্দিন আহমেদ ০১.০২.১৯৫৬ – ০৪.০৩.১৯৫৭, আতিকুর রেজা চৌধুরী ০৭.০৭.১৯৫৭ – ০৭.১২.১৯৫৭, এ.এন.এম সামছুল আলম ০৮.১২.১৯৫৭ – ২৭.১২.১৯৫৮, এ. মোমিন ২৮.১১.১৯৫৮ – ০৫.০৮.১৯৬১, এ.কে.এন সিদ্দিক উল্লাহ ০৫.০৮.১৯৬১ – ১৭.০৫.১৯৬৩, এন নুরুল আমিন খান ১১.০৬.১৯৬৩ – ০৬.০৬.১৯৬৪, এম রুস্তম আলী ০৬.০৬.১৯৬৪ – ১১.০৩.১৯৬৫, এম সাঈদ উদ্দিন ২৭.০৩.১৯৬৫ – ২০.০৪.১৯৬৬, মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ ২১.০৪.১৯৬৬ – ২৩.১০.১৯৬৭, সফিউর রহমান নভেম্বর ১৯৬৯ – ৩১.০৩.১৯৭০, সিকান্দার হায়াত জামালি ১৮.০৪.১৯৭০ – ০৭.০৭.১৯৭০, খালিদ মেহমুদ আহমদ ১৪.০৭.১৯৭০ – ১৮.০৪.১৯৭১, এম শাহাজান আলী ২৪.০৫.১৯৭১ – ১৮.০৪.১৯৭২, আমিনুর রহমান ১৮.০৪.১৯৭২ – ০৪.০৫.১৯৭৩, একিউএম কামরুল হুদা ০৬.০৫.১৯৭৩ – ২৩.০২.১৯৭৪, মোহাম্মাদ শহীদুল আলম ২৩.০২.১৯৭৪ – ১৪.০৬.১৯৭৫, এম সাইফুল ইসলাম ১৪.০৬.১৯৭৫ – ১৬.০৩.১৯৭৬, আলাউর রহমান চৌধুরী ১৬.০৩.১৯৭৬ – ১৬.০১.১৯৭৮, আব্দুল কাইউম ঠাকুর ২০.০১.১৯৭৮ – ০৮.০৩.১৯৮০, এম এন নবী ০৫.০৭.১৯৮০ – ২১.০১.১৯৮২, মোহাম্মাদ সাইফুজ্জামান ৩০.০১.১৯৮২ – ১৯.১২.১৯৮২, মোহাম্মদ আবুল ফজল ২০.১২.১৯৮২ – ১০.০৪.১৯৮৩, এম এ শকুর ১০.০৪.১৯৮৩ – ২৪.০২.১৯৮৪।
১৯৫৯ সালের ১৮ নং প্রেন্সিডেন্সী আদেশ বলে জেলা বোর্ডের নামকরণ জেলা কাউন্সিল করা হয়েছিল। ১৯৭২ সালে নবগঠিত বাংলাদেশের প্রেন্সিডেন্টের আদেশ বলে মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। আর এই অধ্যাদেশে জেলা বোর্ডের নামকরণ করা হয় জেলা পরিষদ। সে সময় প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ মুহম্মাদ আবুল হোসেন এমপি ১২.১০.১৯৮৮ – ১০.১২.১৯৯০) দায়িত্ব পালন করেছিলেন । অত:পর চেয়াম্যান এর পরিবর্তে জেলা প্রশাসক হিসেবে মো: কাতেবুর রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে (১০.১২.১৯৯০ – ১৭.০৮.১৯৯২) দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারপর কোন নির্বাচন না হওয়ায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদটি শূন্য হয়েছিল। আর জেলা পরিষদের সকল কাজ নির্বাহী কর্মকর্তা পালন করেছিলেন। আরও অনেক পরে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর সারা দেশে তিনটি জেলা বাদে বাকি জেলা গুলোতে একজন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ করেছিল। সে সময় সরকার মনোনিত হয়ে ২০.১২.২০১১ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মুনসুর আহমেদ ২৭.১১.২০১৬ সাল পর্যন্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৮৪ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এর ফলে মহাকুমা থেকে জেলা ঘোষণা করা হয়েছিল। আর সে সময় থেকে যে সকল জেলা প্রশাসকরা সাতক্ষীরা উন্নয়নের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছিল। তারা হলেন- আমিনুর রহমান ২৫.০২.১৯৮৪ – ০৪.০৬.১৯৮৫, খন্দকার শহিদুল ইসলাম ০৫.০৬.১৯৮৫ – ২৫.০৭.১৯৮৭, ভূইয়া রফিউদ্দিন আহমদ ২৬.০৭.১৯৮৭ – ০৭.০৭.১৯৯০, মো: কাতেবুর রহমান ০৮.০৭.১৯৯০ – ১৭.০৮.১৯৯২, মো: মুজিবুর রহমান ১৮.০৮.১৯৯২ – ০৪.০১.১৯৯৫, মুহাম্মদ আব্দুস সালাম ১৯.০১.১৯৯৫ – ০৭.০৯.১৯৯৭, দেবদত্ত খীসা ০৮.০৯.১৯৯৭ – ১১.০৮.১৯৯৮, সাইফুল আলম ১২.০৮.১৯৯৮ – ৩১.০৩.২০০০, মো: আব্দুল মতিন চৌধুরী ০১.০৪.২০০০ – ১২.০১.২০০৩, এ ওয়াই এম একরামুল হক ১২.০১.২০০৩ – ১৯.০৭.২০০৪, মো: ইলিয়াস ১৯.০৭.২০০৪ – ১১.০৯.২০০৬, এবিএম সিরাজুল হক ২৬.০৯.২০০৬ – ১৯.১১.২০০৬, মো: কেফায়েতউল্লাহ ১৯.১১.২০০৬ – ৩১.০৮.২০০৮, মো: মিজানুর রহমান ৩১.০৮.২০০৮ – ২০.০৪.২০০৯, মো: আব্দুস সামাদ ২০.০৪.২০০৯ – ০৪.০২.২০১২, ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ০৪.০২.২০১২ – ২৪.১২.২০১৩, নাজমুল আহসান ২৫.১২.২০১৩ – ২৬.০১.২০১৬, আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন ২৬.০১.২০১৬ চলমান দায়িত্ব পালন করে, খুলনা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হয়ে সাতক্ষীরার উন্নয়নে তাঁর অবদানকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আর তিনি যতদিন সাতক্ষীরাতে আছেন ততদিন কোন বিরুদ্ধ শক্তি চলমান উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারবে না। আর তিনি এ জেলা থেকে অন্য জেলায় চলে গেলেও সাতক্ষীরা বাসীর কাছে একজন সক্রিয় জেলা প্রশাসক হিসেবে স্মরণিয় হয়ে থাকবেন।
তথ্যসূত্র ও সহয়তা: ০৯.০৩.২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল ১০: ১৩ মিনিটে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন সাতক্ষীরা কালেক্টর ভবনের নিজ অফিসে বসে সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেছিলেন।
০৯.০৩.২০১৭ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩: ৫২ মিনিটে সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির সভা কক্ষে লাইব্রেরিয়ান ওমর ফারুক ও সৈয়দ আনিসুর রহমান সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় ও ¯্রােত বইটি দিয়েছিলেন। আব্দুল হামিদ সম্পাদিত সাতক্ষীরা কেন্দ্রিয় পাবলিক লাইব্রেরির প্রকাশনা থেকে ৩৭ ও ৪২ পৃষ্ঠার তথ্যাদি সংগৃহীত।

১১.০৩.২০১৭ তারিখ শনিবার সকাল ১১:১৫ মিনিটে এলিট স্টুডিও এর কক্ষে বসে মো: আহছানউল্লাহ সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন আতিকউল্লাহ চন্দন, রনক বাসার।

১১.০৩.২০১৭ তারিখ শনিবার সকাল ১১.৫২ মিনিটে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা অফিসে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই চন্দ্র মন্ডল সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমানন মাছুম, আসাদুজ্জামান, শরিফুল ইসলাম সহ নাম না জানা আরও কয়েকজন প্রতিনিধি।

১১.০৩.২০১৭ তারিখ শনিবার ০৩:৪৮ মিনিটে জেলা গণ-গ্রন্থাগার এর লাইব্রেরিয়ান কিনারাম নাথ সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেন। এবং লাইব্রেরিয়ান আবুল হোসেন সম্পাদিত সাতক্ষীরা জেলার ইতিহাস বইটি দিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মোবাশ্বের, নীলু।

১২.০৩.২০১৭ তারিখ রোববার সকাল ১১: ২৭ মিনিটে সাতক্ষীরা তথ্য অফিস কক্ষে মো: মনিরুজ্জামান ও মীর আজিবুর রহমান সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা তথ্য অফিসের স্টাফ শেখ মুনছুরুল হক, মো: বাসারুল হক, মাহফুজা খাতুন।

১৩.০৩.২০১৭ তারিখ সোমবার সকাল ১০: ১৭ মিনিটে সাতক্ষীরা তথ্য অফিস কক্ষে তথ্য অফিসার শাহনেওয়াজ করিম সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা লিখতে মতবিনিময় করেছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা তথ্য অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মো: জাহাঙ্গীর আলম।

১৩.০৩.২০১৭ তারিখ সোমবার সকাল ১১: ২২ মিনিটে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে শাহানা পারভীন সাতক্ষীরা মহাকুমা প্রশাসকের তথ্যকথা রিখতে মতবিনিময় করেছিলেন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মো: আল মামুন, ওমর ফারুক।

তথ্যবিন্যাস : মুনসুর রহমান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

black-magic_420170313115956ডেস্ক: কালোযাদুর কথা শুনলেই আমাদের চোখে ভুতুড়ে পরিবেশের ছবি ভেসে ওঠে। দীর্ঘদিন থেকে মানুষ নিজের ইচ্ছা পূরণ করার জন্য এই বিদ্যার ব্যবহার করে আসছে। এই বিদ্যা কতটুকু ফলপ্রসু তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এর উপরে অনেকেরই অগাধ আস্থা। কিন্তু তন্ত্র-মন্ত্রে ব্যবহৃত পণ্যের বাজার কোথায় সেটি জানেন কি?

পশ্চিম আফ্রিকায় এমন একটি বাজার রয়েছে, যেখানে বাদরের শুকনো মাথা, হরিণের মাথার খুলি, এমনকি কুমিরের দেহের কাঠামো পাওয়া যায়। আফ্রিকার টোগোর রাজধানী লোমেতে বাজারটি বসে। সেই বাজারটিকেই বিশ্বের বৃহত্তম তন্ত্র-মন্ত্রের বাজার বলা হয়।

সেখানে বিভিন্ন ধরনের পাখির হাড়ও পাওয়া যায়। জেনে অবাক হতে হয়, সেখানকার লোকেরা বাদরের শুকনো মাথাকে যৌনশক্তি বাড়ানোর জন্য কেনেন। এছাড়া পাইথনের চামড়া, হায়েনার মাথা, জীবিত ঈগলও পাওয়া যায় সেখানে।

৩৪ বছরের ফটোগ্রাফার এমানুএনলা গ্রিকো বাজারটি পরিদর্শন করছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি এমন একটি বাজার দেখেছি, যেখানে সবকিছু পাওয়া যায়।বিশেষ ধরনের প্রেমের ঘুট্টিও পাওয়া যায় সেখানে। আমি আশাই করিনি সেখানে গরুর শুকনো মাথাও পাওয়া যাবে। আপনি যখন সেখানে যাবেন, তখন মনে হবে আপনি একটি ভিন্ন জগতে প্রবেশ করেছেন।’

গ্রিকো জানান, টোগো একটি সুন্দর জায়গা। তবে তিনি কীভাবে সেই বাজারে ঘুরবেন তা তিনি বুঝতে পারছিলেন না। সেখানে মৃত পশুদের সাথে কাঠ দিয়ে তৈরি করা মানুষের দেহের কাঠামোও পাওয়া যায়। সেসব জিনিস ব্ল্যাক ম্যাজিকের জন্য ব্যবহার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

vwvwvwvwvনিজস্ব প্রতিবেদক : ৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বেলা ১টায় বাকাল মেডিকেল কলেজের  সামনে। সে আলিপুর পাচানি এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে। মাদক বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা ইটাগাছা ফাড়ির এসআই বিল্লাল হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। এঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

oil_41895_1489297963লাইফস্টাইল ডেস্ক: মুহূর্তের মধ্যেই গোপন দুর্বলতা থেকে শুরু করে গাঁটে ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, ঠাণ্ডা, ফ্লু, সর্দি ও ত্বকের সমস্যার সমাধান করতে মাত্র দু’তিন ফোটা তেল নাভিতে ঢেলে দেখুন কী হয়! যাদুর মতো অনেক রোগ কমে যায় এবং এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতি মানুষ এখনও অনুসরণ করে এবং বিশ্বাসও করে। ওইসব সনাতন চিকিৎসায় দারুণ ফলও পাওয়া যায়।

জেনে নিন কিভাবে ব্যবহার করবেন-

গোপন দুর্বলতায়: নাভিতে ৪-৫ ফোটা নারিকেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে মালিশ করুন। এটা সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলে আপনার গোপন দুর্বলতা কমে যেতে শুরু করবে এবং এতে উর্বরতাও বাড়বে।

ঋতুস্রাবে ব্যথা: ঋতুস্রাবে ব্যথা হলে একটি তুলার বল ব্র্যান্ডিতে ডুবিয়ে নিন, তারপর নাভির ওপর রাখুন। এভাবে দিনে কয়েকবার ব্যবহারে ব্যথা কমে যাবে।

ফ্লু বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা: একটি তুলার বল এলকোহলে ডুবিয়ে নাভির ওপর রাখুন। দেখবেন আপনার ঠাণ্ডা জনিত সমস্যা কতো তাড়াতাড়ি কমে গেছে।

ফাটা ঠোঁট ও গিরায় ব্যথা: আপনার নাভিতে দু’তিন ফোটা সরিষার তেল দিন। এটা শুনে আপনার চোখ কপালে উঠতে পারে, মনে হতে পারে নাভির সঙ্গে ঠোঁট ও গিড়ার সম্পর্ক কি? তবে বিশ্বাস করুন কয়েক ফোটা সরিষার তেল নাভিতে দিয়ে মালিশ করলেই আপনার ঠোঁট ফাটা ও গিরার ব্যথা কমে যাবে।

হাঁটু ব্যথা: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোটা ক্যাস্টর তেল মালিশ করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার ব্যথা কমে গেছে।

উজ্বল ত্বক: তিন-চার ফোটা বাদাম তেল আপনার নাভিতে দিয়ে মালিশ করুন। এভাবে কয়েক দিন ব্যবহারে দেখবেন আপনার ত্বক কেমন উজ্জ্বল হয়ে গেছে।

এছাড়া কয়েক ফোটা ঘি নাভিতে মালিশ করলে আপনার ত্বক কোমল হয়ে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন আরও মোহনীয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

333333নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি’র উদ্যোগে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির আয়োজনে মোজাফ্ফর গার্ডেন এন্ড রিসোর্ট সেন্টারে এ দুই দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সামপনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা ও মানবতার সেবায় সর্বদা নিয়োজিত রেড ক্রিসেন্ট কর্মীবৃন্দ। সাতক্ষীরা জেলা একটি ঝুকিপূর্ণ জেলা। এ জেলায় নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ লক্ষ্য করা যায়। প্রশিক্ষণার্থীদের দলমত ও ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে। আত্মমানবতার সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে হবে। আজকে যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে আগামী দিনে তারাই মানব সেবায় নেতৃত্ব দেবে।’
প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে আইসিআরসি’র পরিচালক (প্রশিক্ষণ) একরাম ইলাহী চৌধুরী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্যা রেড ক্রস এর ডেপুটি হেড অব ডেলিগেশন বরিস কেলেচেভিক, বাংলাদশে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সেক্রেটারী শেখ নুরুল হক।
২দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ৩০ জন স্টুডেন্ট লিডার অংশ গ্রহণ করে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষনার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইসিআরসি’র কমিউনিকেশন অফিসার আমিনুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

22222সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ঢাকা ইডেন কলেজের ছাত্রী শরীফা বেগম পুতুল (২২) কে জবাই করে হত্যা মামলায় মৃত্যুদ-াদেশ প্রাপ্ত পলাতক আসামিকে সাতীরা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার ভোররাতে শহরের বাসট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব -৬ এর একটি দল।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মাহমুদুল আলম শিকদার (৩৩)। সে বাগেরহাট জেলার মোল্লার হাট থানার উদয়পুর দৈবকান্দি গ্রামের মৃত শামসুল আলম শিকদারের ছেলে।
খুলনা র‌্যাব ৬ এর লবণচরা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার  লেফটেন্যান্ট এ এম এম জাহিদুল কবীর, (এল) বিএন জানান, ঢাকা ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের (সম্মান) মেধাবী ছাত্রী ছিলেন শরীফা বেগম পুতুল। ২০১৩ সালের ১০ মে মাহমুদুল আলম শিকদারের সাথে পুতুলের বিয়ে হয়। হাতের মেহেদির রঙ না শুকাতেই তিন দিনের মধ্যে ১৩ মে মধ্যরাতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পুতুলকে নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করে তার স্বামী  মাহমুদুল আলম। বিষয়টি দেশব্যাপী চাঞ্চল্য ও আলোড়ন সৃষ্টি করে। মোল্লার হাটের জনসাধারণ ও ইডেন কলেজের ছাত্রীরা সে সময় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করে হত্যাকারী স্বামীর ফাঁসির দাবি জানান। এঘটনায় মোল্লারহাট থানায় ২০১৩ সালের ১৪ মে ৩০২ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত কলেজ ছাত্রী পুতুলের পিতা। মামলা নং-৮। এই মামলায় জামিনে থাকা অবস্থায় পলাতক ছিলেন আসামি মাহমুদুল। তার অনুপস্থিতিতে ২০১৬ সালের ১২ মে বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা জজ আদালত আসামি মাহমুদুল আলমকে মৃত্যুদ-ে দ-িত করেন। এরপর থেকে আসামি মাহমুদুল আলম শিকদারকে ধরার জন্য র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করতে থাকেন। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে খুলনা র‌্যাব হেড কোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bbd5110fd5788aae02b06f1206b3a04e-578c826f301aeবিচার বিভাগকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। বিচারিক আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশে বারবার সময়ের আবেদন করা এবং কালক্ষেপণ করার প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ।

গত নভেম্বরে থেকে শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ কয়েক দফা সময় নিয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) ফের দুই সপ্তাহ সময়ের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেলের সময় আবেদনের পর আদালত বলেন, ‘রাষ্ট্রের কাছে ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান বড়। রাষ্ট্রের পক্ষে একটা ফেয়ার প্লে-এর বিষয় আছে। একটা যৌক্তিক কারণ থাকবে তো।’

শেষবারের মতো সময় দেওয়ার পর আবারও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, ‘এটা কি? সরকার কি আছে! বিচার বিভাগকে জিম্মি করে রাখছেন তো।’

শুনানি শেষে আবারও দুই সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি গেজেট আকারে প্রকাশ করতে শেষবারের মতো মঙ্গলবার দিন পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিলেন আদালত। এর আগেও গেজেট প্রকাশে কয়েক দফা সময় নেয় সরকার।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

প্রসঙ্গত, বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে তলবও করেছিলেন আপিল বিভাগ।

গত বছরের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

062905f9af699a725f614fae01dfdaef-58c749d7d1a20দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ব্রেক্সিট বিল পাস করেছে ব্রিটেনের পার্লামেন্ট। পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে এটি পাসের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছাড়তে যুক্তরাজ্যের আর কোনও বাধা রইলো না।

রয়্যাল এসেন্ট বা রানির সম্মতি পেলে এই বিলটি মঙ্গলবারই আইনে পরিণত হতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে সরকারের ওপর চাপ রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে প্রায় ৩০ বছর ধরে বাস করছেন ফরাসি নাগরিক এন-লর ডন্সকি। যুক্তরাজ্যে ইইউ-এর যে প্রায় ৩০ লাখ নাগরিক বসবাস করছে তাদের সংগঠন ‘দি থ্রি মিলিয়ন’ এর সহকারী চেয়ারপার্সন তিনি। এই বিল পাশ হবার তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন।

এন-লর ডন্সকি বলছেন, ভোটের কথা শুনে আমার মন বিষাদে ছেয়ে গেছে। এর অর্থ হলো, আমরা যারা এখন যুক্তরাজ্যে বাস করছি, রাজনৈতিক আলোচনার টেবিলে দরকষাকষির জন্য তাদেরকেই আসলে ব্যাবহার করা হবে। এক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের আর কিছুই বলারও থাকবে না।

ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইইউ নাগরিক যারা যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন তাদের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে সরকার আন্তরিক।

এদিকে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টার্জিওন সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতার জন্য গণভোট আয়োজনে তিনি স্কটিশ পার্লামেন্টের অনুমতি চাইবেন। ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রেক্ষিতে এই গণভোট প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি। আগামী সপ্তাহে এ অনুমোদন চাইবেন নিকোলা স্টার্জিওন।

সোমবার রাজধানী এডিনবার্গে সরকারি বাসভবন বুটে হাউসে স্টার্জিওন বলেন, ‘এ প্রক্রিয়া শেষে (ব্রেক্সিট) যাতে করে স্কটল্যান্ডের সামনে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমি নেব। এ সিদ্ধান্ত হবে, ব্রেক্সিটের পক্ষে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে স্কটল্যান্ড থাকবে নাকি স্বতন্ত্র দেশ হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত হবে।’

ফার্স্ট মিনিস্টার চান ২০১৮ সালের শেষ ও ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে এ গণভোট অনুষ্ঠিত হোক। যদি স্কটল্যান্ডের সংসদ অনুমতি দেয় তাহলে স্কটিশদের স্বাধীনতার জন্য এটা হবে দ্বিতীয় গণভোট। এর আগে ২০১৪ সালে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই গণভোটে মানুষ স্কটিশদের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

স্টার্জিওন যুক্তরাজ্য সরকারের কাছ থেকে সেকশন ৩০-এর আদেশের অনুমতি চাইবেন স্কটিশ পার্লামেন্টের কাছে। এটা ছাড়া গণভোট আয়োজন করা সম্ভব না। আগামী সপ্তাহে এই অনুমোদন চাইবেন বলে জানিয়েছেন স্টার্জিওন।

যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সে সোমবার যখন আর্টিকেল ৫০ অনুসরণবিষয়ক ব্রেক্সিট বিল নিয়ে এমপিরা বিতর্কে অংশগ্রহণ করবেন তখনই স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য দ্বিতীয় গণভোটের দাবি তুলেছেন স্টার্জিওন।

স্টার্জিওন মনে করেন, এবারের গণভোটে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষেই জনগণ রায় দেবেন। তার এ আস্থার কারণ ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন এবং জোর করে স্কটল্যান্ডকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক বাজার ত্যাগে বাধ্য করার প্রভাব।

স্টার্জিওন বলেন, ‘আমি সত্যিকার অর্থে ও নিষ্ঠার সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতায় আসার চেষ্টা করছি। আমরা এমন কোনও সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করিনি যারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চান। তারা কথায় সমঝোতা থেকে অনেক দূরে চলে যাওয়াতে বিষয়টি কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠছে।’ সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest