সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

ligg-pp-largeপ্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শেখ আবু নাছিম ময়নার ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয়ে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, মরহুমের ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু সেলিম কোকিল, ছেলে শেখ আসিফ ইকবাল হিরক। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল হক নান্টু, এড. সৈয়দ জিয়াউর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটু, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন, এড. জিয়াউর রহমান বাচ্চু, এড. জিকু, জেলা তাতীলীগের শাহীন, তৌহিদ, জেলা তরুনলীগের সভাপতি কর্নেল বাবু, এড. শেখ তামিম আহমেদ সোহাগ প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হক রনি। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শেখ আবু নাছিম ময়না ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। শেখ আবু নাছিম ময়না ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা। বলিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্বে অধিকারী। তিনি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে ছিলেন এবং সারাজীবন দলের জন্য কাজ করে গেছেন। দলীয় কোন প্রোগ্রাম থাকলে প্রতিটি প্রোগ্রামে সময়ের আগে তিনি পৌছে যেতেন। প্রতিটি প্রোগ্রামে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন। তাঁর ত্যাগী মনোভাবের কারণে সাতক্ষীরা জেলার অনেক নেতা আজ অনেক ভাল অবস্থানে চলে গেছেন। তাঁর ছিলনা কোন ক্ষমতার লোভ, ছিলনা কোন পদের মোহ। মরহুম আবু নাছিম ময়নার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলীর ছেলের সুস্থ্যতা কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন রেজিঃ অফিসের ঈমাম হাফেজ মোঃ ইসমাইল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

img_3254শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর ঊপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুন্সিগঞ্জের মুনসুর সরদারের গ্যারেজ নাম পরিবর্তন করে সুরেন বাবুর মোড় উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা -৪ আসনের এমপি এস,এম, জগলুল হায়দার আনুষ্ঠানিকভাবে সুরেন বাবুর মোড় উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, উপজেলা প্রকৌশলী চৌধুরী মোঃ আছিফ রেজা, মুন্সিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কাশেম মোড়ল, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবুল হোসেন প্রমূখ।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় স্বাধীনতাবিরোধী মুনছুর সরদারের নামীয় মুন্সিগঞ্জের মুনসুর সরদারের গ্যারেজ বাজার নাম পরিবর্তন করে শহিদ সুরেন বাবুর মোড় করার জন্য উপজেলা পরিষদের মিটিং এ অনুমোদিত হয়। সেক্ষেত্রে সুরেন বাবুর মোড় উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৭ দিনের মধ্যে সকল সাইন বোর্ড, গেইটের নাম মুনসুর সরদারের গ্যারেজ পরিবর্তন করে সুরেন বাবুর মোড় নাম লিপিবদ্ধ করতে সকলকে নির্দেশও দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালে রাজাকারেরা নির্মমভাবে সুরেন বাবুকে হত্যা করে।
উল্লেখ্য, সরকারের একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি সাতক্ষীরার রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের নামে নামকরণকৃত বিভিন্ন স্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটের তথ্য সরকারকে প্রদান করে। যার ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে এসব স্থানের/প্রতিষ্ঠানের নাম স্বাধীনতার স্বপক্ষের ব্যক্তিদের নামে করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

picture-kaliganj-satkhira-9-marchকালিগঞ্জ ব্যুরো : এমপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এলাকার উন্নয়নে আপনাদেরই কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী পরিবারের প্রত্যেক নেতাকর্মীদের সুবিধা অ-সুবিধার খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমার নির্বাচনী এলাকায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রত্যান্ত অঞ্চলের অবহেলিত জনপদে বিদুৎতায়িত, ব্রীজ, কালভার্টসহ যোগাযোগ ব্যবস্থায় অর্ভূতপূর্বক উন্নয়ন ঘটিয়েছি। বিগত বছরে আমার নির্বাচনী এলাকার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার প্রত্যায় ব্যাক্ত করে তিনি আরো বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার টিকে থাকলে আপনার আমার অস্তিত্ব টিকে থাকবে। এজন্য তৃণমুল পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের সকল ভেদাভেদ ভুলে দলকে সুসংগঠিত করতে হবে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করে ২০১৯ সালের সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনে কাজ করার আহবান জানান। তৃণমুল পর্যায় থেকে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসএম জগলুল হায়দারকে সংসদ সদস্য হিসাবে পূনরায় নির্বাচিত করার সমার্থন কামনা করেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে নির্বাচনী এলাকার অংশিক ৮ ইউনিয়নের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে বিশেষ মতবিনিময় কালে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এসএম জগলুল হায়দার এমপি এ কথা গুলো বলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জিএম মহাতাব উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম, রতনপুর ইউনিয়ন আ‘লীগ সভাপতি ও রতনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল হোসেন খোকন, কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মেহেদী হাসান সুমন, ধলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আ‘লীগ সভাপতি সজল মুখার্জী, দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়ন আ‘লীগ সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, বিষ্ণপুর ইউনিয়ন আ‘লীগ সভাপতি নুরুল হক সরদার, সাধারণ সম্পাদক নিরাঞ্জন কুমার পাল বাচ্চু, মৌতলা ইউনিয়ন আ‘লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, কুশুলিয়া ইউনিয়ন আ‘লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কৃষ্ণনগর আ‘লীগের সাধারণ সম্পাদক, নুর আহম্মেদ সুরুজ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গৌতম লস্কর, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান জামু, উপজেলা তরুণ লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আব্দুস সবুর। উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক শেখ ইকবাল আলম বাবলুর সঞ্চালনায় তৃনমুল পর্যায়ে দলকে সু-সংহত করার লক্ষে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড আওয়ামীগ সভাপতি পুলক কুমার দাশ, মহাব্বত আলী, গোলাম আয়ুব জুলু, বিকাশ চন্দ্র, সাধারণ ফারুক হোসেন, সঞ্জিত সরকার, হিমাংশু মন্ডল, আব্দুস সামাদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

khaleq rokon

শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু/হাসান হাদী : সাতক্ষীরার ৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
১৯৭১ সালে সাতক্ষীরায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠিত করার ৭টি অভিযোগে অভিযুক্ত এই তিন রাজাকার হলেন- সদর উপজেলার আলীপুর বুলারাটীর কুখ্যাত কসাই রাজাকার শিরোমণি এম আব্দুল্লাহহিল বাকী, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের নবজীবনের সাবেক নির্বাহী পরিচালক কুখ্যাত আলবদর কমান্ডার খান রোকনুজ্জামান ও ৭১-এ নৃশংসতার কারণে ‘টিক্কা খান’ নামে কুখ্যাতি পাওয়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারীর জহিরুল ইসলাম। এদের মধ্যে জহিরুল ইসলাম সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত জামাতের মুখপত্র দৈনিক আলোর পরশ’র ম্যানেজার। বুধবার তাদের বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-০১। এই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হক এবং সদস্য যথাক্রমে বিচারপতি মো: শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো: সোহরওয়ার্দী।
উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী ৭টি সুনির্দিষ্ট অপরাধে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৪ রাজাকারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করেছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর (আইজিপি পদমর্যাদায়) আব্দুল হান্নান খান।
আগামী ২০ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য্য রয়েছে বলে ডেইলি সাতক্ষীরাকে নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সহকারী পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খান বিপিএম, পিপিএম।
রোকন, বাকী ও জহিরুল ছাড়াও মামলার অপর আসামি হলেন- সাতক্ষীরা জেলা জামাতের সাবেক আমির ও সাবেক সাংসদ কুখ্যাত রাজাকার বৈকারীর মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল। ইতিপূর্বেই গ্রেফতার হওয়া মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল বর্তমানে কারাগারে আছেন। অপর তিন রাজাকার বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় তাদেরকে গ্রেফতারের আবেদন জানান রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর(অতি: এ্যাটর্নি জেনারেল) জিয়াদ আল মালুম এবং রেজিয়া সুলতানা চমন।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন ডেইলি সাতক্ষীরাকে জানান, প্রসিকিউশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে মাননীয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এম আব্দুল্লাহিল বাকী, খান রোকনুজ্জামান ও মো. জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বুধবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিক্রিয়ায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থাকে সার্বিকভাবে সহায়তাকারী হাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন থেকে খালেক, বাকী, রোকন ও জহিরুলকে বিচারের আওতায় আনা এবং তাদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। এই আটকাদেশ আমাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করেছে। যদি আগেই এসব মানবতাবিরোধী অপরাধীদের নজরদারিতে রাখা হত তাহলে আজ তারা পালিয়ে থাকতে পারত না। আমরা আশাকরি এখন অন্তত পুলিশ পলাতক বাকী, রোকন ও জহিরুলকে গ্রেফতারে তৎপর হবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexডেস্ক রিপার্ট : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৪৯টি  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম পিয়ন পদে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের দিনই গতকাল নিয়োগ চূড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নিয়োগ তালিকা দেখে অনেকেরই চক্ষু চড়কগাছ! কেউ কেউ যেন টাকা দিয়ে বাঘের দুধ কিনে ফেলেছেন!
উল্লেখ্য বহু প্রার্থী, প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দৈনিক আজকের সাতক্ষীরায় সদর উপজেলার ৪৯টি প্রাথমকি বিদ্যালয়ের এই নিয়োগে প্রায় আড়াই কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর তড়িঘড়ি করে নিয়োগ তালিকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। এর আগে নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দরকষাকষিতে নিয়োগ তালিকা প্রকাশ উচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন অনেক প্রার্থী।
নিয়োগ তালিকার ৩৭ নম্বরে থাকা শহরের বাটকেখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তার নাম মোঃ মমিনুর ইসলাম, পিতার নাম : মো: নুর ইসলাম, গ্রাম -বাগানবাড়ি, সাতক্ষীরা। নিয়োগ বোর্ডের সদস্য এবং ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম দৈনিক আজকের সাতক্ষীরাকে নিশ্চিত করেছেন যে, মো: মমিনুর ইসলাম পরীক্ষাতেই অংশগ্রহণ করেননি। তিনি জানান, পরীক্ষায় বাটকেখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ জন নিয়োগপ্রার্থী উপস্থিত হয়েছিলেন। তারা হলেন শেখ আব্দুস সালাম, মোঃ হাসানুর রহমান এবং মোঃ রবিউল ইসলাম। এদের বাইরে কেউ পরীক্ষায় অংশ নেননি। অথচ নিয়োগ পেলেন মুমিনুরকে যাকে নিয়োগ বোর্ডে হাজির হতে হয়নি।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে মুমিনুরে পিতা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাকিম বলেন, “আমার এলাকা থেকে যারা নিয়োগ পেতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাদের সকলকেই আমি চিনি। মুমিনুর এই পরীক্ষায় অংশই নেয়নি তাহলে তার খাতাপত্র কিভাবে তৈরি হলো আর সে কিভাবে নিয়োগ পেল। স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের বঞ্চিত করে স্বাধীনতাবিরোধীদের পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যারা এই নিয়োগ দিচ্ছেন তারা শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেন না। তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করেন না।”
বাটকেখালী স্কুলে নিয়োগ প্রার্থী শেখ আব্দুস সালাম, মোঃ হাসানুর রহমান এবং মোঃ রবিউল ইসলাম দৈনিক আজকের সাতক।ষীরাকে নিশ্চিত করেন যে, তারা তিনজন ছাড়া আর কেউই ওইদিন নিয়োগ বোর্ডের সম্মুখে উপস্থিত হননি। মমিনুর যদি হাজির হতেন তাহলে তারা অবশ্যই জানতেন।
নিয়োগ বোর্ডে থাকা আরেক সদস্য ইনামুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মমিনুর নামে কেউ ওইদিন হাজির ছিলেন এমনটি নিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি পেন্সিল দিয়ে নম্বর দিয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে জানান ইউএনও সাহেব তাকে তেমনিটিই নির্দেশ দিয়েছিলেন। পেন্সিল দিয়ে নম্বরদিতে এবং কলম দিয়ে স্বাক্ষর দিতে তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
এসকল তুঘলকি কা- কিভাবে ঘটল তা জানতে সাতক্ষীরা সদর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ নূর হোসেন সজল দৈনিক আজকের সাতক্ষীরাকে বলেন, এমনটিতো হওয়ার কথা নয়। তবে দাপ্তরিক বিষয় এবং আবেদনপত্র সংরক্ষণ সকল বিষয়ের দায়িত্ব উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সুতরাং বিষয়টি তিনিই বলতে পারবেন।
অন্যদিকে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, আমি কাগজপত্র না দেখে বিষয়টি বলতে পারছি না। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
তবে পরীক্ষা না দিয়ে নিয়োগ পাওয়ার এ অভিযোগ সত্য হলে বলতে হবে টাকা দিয়ে সত্যিই বাঘের দুধ কিনতে পেরেছেন মমিনুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4নিউজ ডেস্ক: প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় উঠে এসেছে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার ও ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান। চীনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান হুরুন গ্লোবাল বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকায় বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে সালমান এফ রহমানের নাম উঠে এসেছে।

হুরুন গ্লোবাল বলছে, বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ ধনকুবের রয়েছেন দুই হাজার ২৫৭ জন। ৬৮ দেশের শীর্ষ ধনকুবেরদের এই তালিকায় বাংলাদেশি হিসেবে সালমান এফ রহমান রয়েছেন ১৬৮৫তম অবস্থানে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার বলে হুরুন গ্লোবাল জানিয়েছে।

হুরুন গ্লোবালের চেয়ারম্যান হুজওয়ার্ফ বলেছেন, বিশ্বের সম্পদ কুক্ষিগত হচ্ছে ধনকুবেরদের হাতে। তবে ধনকুবেরদের জন্য এটি আরেকটি ভালো বছর। তালিকার ১০৩৭ ধনকুবেরের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়া চলতি বছরের ধনকুবের তালিকায় যোগ হয়েছে নতুন ৩৪৩ মুখ। তবে এর মধ্যে ৭৪০ জনের সম্পদের পরিমাণ কমে গেছে। এছাড়া গত বছরের তালিকায় থাকা ২৭৬ জন তাদের জায়গা হারিয়েছেন।

এছাড়া ধনকুবের রাজধানী হিসেবে তালিকায় উঠে এসেছে বেইজিং। হুরুন গ্লোবালের ওই তালিকায় ৬০৯ ধনকুবের নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে চীন; দ্বিতীয় স্থানে যুক্তরাষ্ট্র (৫৫২ ধনকুবের)। হুজওয়ার্ফ বলেছেন, বিশ্বের অর্ধেক ধনকুবের রয়েছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে।

গত বছর আরব আমিরাত থেকে ১৬ জন ধনকুবেরের নাম উঠে এলেও এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ২১। দেশটির অবস্থান ১৯। জিসিসিভুক্ত অন্য দেশগুলো থেকে কোনো ব্যক্তি এই তালিকায় জায়গা পায়নি।

তালিকায় থাকা শীর্ষ ১০ ধনীর ৮ জনই যুক্তরাষ্ট্রের। মাইক্রোসফটের প্রধান বিল গেটস এ বছরও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হিসেবে তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন। তার সম্পদের পরিমাণ ৮১০০ কোটি ডলার।

এরপরই আছেন ওয়ারেন বাফেট, জেফ বেজশ, আমানসিও ওর্তেগা, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ, লেরি ইলিসন, কার্লোস স্লিম হেলু ও তার পরিবার, ডেভিড কোচ, চার্লস কোচ ও মাইকেল ব্লুমবার্গ। তবে শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায় এ বছর নতুন কোনো মুখ জায়গা পায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

03আমিনুর রশিদ সুজন : আলিপুর ইউনিয়নের সকল গ্রামবাসীকে বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে হবে। মনে রাখতে হবে বাল্য বিবাহ একটি মেয়েকে সুন্দর জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আপনারা তাদেরকে লেখাপড়া করান। লেখাপড়া তাদের উজ্বল ভবিষ্যতকে নিশ্চিত করবে। এছাড়াও আপনাদেরকে মাদক থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ মাদক একটি জাতি, সমাজ ও দেশকে ধ্বংস করে দেয় এমনকি দেশের উন্নয়নকে বিঘিœত ঘটায়।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামে হত দরিদ্রদের মাঝে সুলভ মূল্যে কার্ডের মাধ্যমে চাউল বিতরন কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ব্যক্তবে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন বলেন। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নূর হোসেন সজল এর সভাপতিত্বে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমানে সার্বিক সহযোগিতায় ও খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং আলিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুজিত কুমার মুখার্জি, আলিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ছোট, আলিপুর ইউনিয়ন আ’লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সাহারুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, আলিপুর সেন্ট্রাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান ও ইমরুল কবির।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য আতাউর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল্লাহ, আবুল কাশেম ও পুলিশিং ফোরাম এর ওয়ার্ড সভাপতি বদিউজ্জামান বাবলু প্রমুখ। উল্লেখ্য সপ্তায় ৩দিনের ব্যবধানে ১০টাকা কেজি হারে জন প্রতি ৩০ কেজি চাউলের বস্তা বিতরণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01 নিজস্ব প্রতিবেদক : মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন লিয়াঁেজা কমিটির নেতৃবৃন্দ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটির আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে ঘণ্টাব্যাপী সমাবেশ শেষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি ও লিয়াজো কমিটির আহবায়ক মোঃ রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য সচিব বিএম শামছুল হক, সহ-সভাপতি আব্দুল জব্বার, মিজানুর রহমান, আব্দুল হক, আমিনুর রহমান, সহ-সম্পাদক ঈদুজ্জামান ইদ্রীস, আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মনোরঞ্জন মন্ডল, আবুল কাশেম, জেলা সম্পাদক মোঃ শফিউদ্দীন, প্রধান শিক্ষক আব্দুল রকিব, আজাহারুল হক, শাহজাহান আলী, সহকারী শিক্ষক নাজমুজ শাহাদাত পলাশ, আশরাফুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, বর্তমান বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাবহিকতা অব্যহত রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আমরা চাকরির নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিকভাবে বৈষম্যের শিকার। শুধু শিক্ষকরা নয় শিক্ষার্থীরাও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। সরকারি স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় ৬৭৯৮ টাকা আর বেসকারি স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের বার্ষিক ব্যয় ১৯৪৮ টাকা। স্বাধীন সার্বভৌম দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষা জীবনেই সরকার থেকে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। এটি একজন শিক্ষার্থীর জন্য খুবই বেদনাদায়ক। সরকারি-বেসরকারি সকল পর্যায়ের চাকরিজীবীদের কমবেশি বার্ষিক প্রবৃদ্ধি থাকলেও এমপিও-ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কোনো বার্ষিক প্রবৃদ্ধি নেই। একবার শিক্ষকতায় প্রবেশ করলে অবসর গ্রহন পর্যন্ত ঐ একই পদে কর্মরত থাকতে হয়। পদোন্নতির সুযোগ নেই। বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের 02বেতন স্কেলে এমপিও পেলেও বেসকারি স্কুরের প্রধান শিক্ষক সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেলে এমপিও পান না। এ বৈষম্যমুলক অবস্থায় কর্মরতদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা বিরাজ করছে। বর্তমান সরকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের তথা ক্ষুধা- দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশের নাগরিকদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে মানব সম্পদে পরিণত করার জন্য আগামী অর্থ বছরের মধ্যে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
তালা প্রতিনিধি : বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে সাতক্ষীরা তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর নিকট স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে তালা উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এর পূর্বে তালা ডাক-বাংলা চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাতীয়করণ লেয়াজোঁ কমিটির তালা উপজেলা শাখা আহবায়ক আনন্দ মোহন হলদার, সদস্য সচিব মুকুন্দ কুমার রায়, শিক্ষক মতিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীর হাসান, জুলফিকার আলী, আবু তালেব, হাফিজুর রহমান,  নিছার আলী, রতœা রানী চন্দ্র, শ্যামল চৌধুরী, আলমগীর হোসেন, মালি মোসলেম উদ্দিন, আমিনুর রহমান প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, সারা দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ শিক্ষক কর্মচারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৭ ভাগ পাঠদানে নিয়োজিত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আমরা চাকরির নিরাপত্তা মর্যাদা ও অর্থনৈতিকভাবে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest