সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

02মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘শেখ হাসিনার মমতা, বয়স্কদের জন্য নিয়মিত ভাতা’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা পৌর এলাকাকার বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপ-বৃত্তির চেক বিতরণ-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রাঙ্গণে সাতক্ষীরা পৌরসভা ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করছেন। যারা সমাজে সুবিধা বঞ্চিত ও অবহেলিত তাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করছে সরকার। এসময় ১শ ২৮ জনকে বয়স্কভাতা, ৩৬ জনকে প্রতিবন্ধীভাতা ও ১শ ৫১জনকে প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তির চেক ও বই বিতরণ করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা ও পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, পৌর-০২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌল্লা সাগর প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. আব্দুস সেলিম, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথী, মহিলা কাউন্সিলর অনিমা রাণী মন্ডল, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল আলম বাবু, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহিনুর রহমান শাহিন, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুল ইসলামসহ শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা ও পৌরসভার কর্মকর্তারা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01আসাদুজ্জামান : ভারত থেকে অবৈধভাবে নদী পথে দেশে প্রবেশকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কালিঞ্চি নদী থেকে ৮ বাংলাদেশীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি ভারতীয় গরু, ৪টি সিম ও ৪০ রুপি উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার ভোরে শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন পূর্ব কৈখালী কালিঞ্চি নদীর পাড় থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের ভামিয়া গ্রামে রঞ্জন আউলিয়ার ছেলে সাগর আউলিয়া, ধুমঘাট গ্রামের প্রনব জোয়ার্দ্দারের ছেলে জয়ন্ত জোয়ার্দ্দার, রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের গোলাব্দী শেখের ছেলে আফছার শেখ, আবু বক্কার সিদ্দিক গাজীর ছেলে কাশেম গাজী এবং কৈখালী ইউনিয়নের পূর্ব কৈখালী গ্রামের ছলেমান গাজীর ছেলে রহিম গাজী, পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মান্দার সানার ছেলে আজিবার সানা, কছিমুদ্দীন গাজীর ছেলে আতিয়ার গাজী ও সামছুর শেখের ছেলে ফিরোজ শেখ।

বিজিবির কৈখালী বিওপির কমান্ডার সুবেদার আদিল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ১৯৭৩ সালের পাসপোর্ট আইনে শ্যমানগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতের একজন কর্মীসহ ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার সাতটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়,সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ১০ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয় ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1463914088এস,এম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : কালিগঞ্জে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পালিত হয়েছে মুসলমানদের সৌভাগ্যের রজনী পবিত্র শবেবরাত।

সারাবিশ্বের ন্যায় কালিগঞ্জের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ নানা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করছেন।

মহিমান্বিত এ রজনীতে মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সারা বিশ্বের মুসলমানদের মতো কালিগঞ্জে ও বিশেষ মোনাজাত ও দোয়াখায়ের অনুষ্ঠিত হয়।

সৌভাগ্যের এ রজনীতে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধসহ সর্বস্তরের মুসলমানগণ কোরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এবাদত-বন্দেগী পালন করেছন।

এ রজনী উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষেরা বৃহস্পতিবার নফল রোজাও পালন করেছেন। বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে রাতভর চলেছে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ মাহফিল, অন্যান্য এবাদত-বন্দেগী ও বিশেষ মোনাজাত।

ধর্মপ্রাণ মুলমানদের বিশ্বাস, মহিমান্বিত এ রাতেই মহান আল্লাহতায়ালা মানুষের ভাগ্য অর্থাৎ তার নতুন বছরের ‘রিজিক’ নির্ধারণ করে থাকেন।

রাতব্যাপি এবাদত, বন্দেগী, জিকির ছাড়াও পবিত্র এ রাতে মৃত পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেন। তাই এ রাতে কবরস্থানগুলোতে মুসল্লিদের ভীড় দেখা যায়।

মহিমান্বিত এ রজনী ভাবগম্ভীর পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালনের লক্ষ্যে উপজেলা এলাকার মসজিদগুলোতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে ছিল ওয়াজ মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, হামদ্, না’ত, নফল ও তাহাজ্জুদের নামাজ ও আখেরী মোনাজাত।

এ রাতের বিশেষ অনুষঙ্গ কবর জিয়ারতের পাশাপাশি মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে মসজিদে মসজিদে এশার নামাজের পর থেকেই দফায় দফায় ওয়াজ মাহফিল, জিকির ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে বাদ ফজর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর রহমত কামনায় মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পবিত্র লাইলাতুল বরাতের সমাপ্তি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

man-u20170512090419প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে ম্যানইউয়ের অবস্থান ছয়ে। শীর্ষ চারে না থাকলে এবারও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা হবে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তবে ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতলে সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে পারবে রেড ডেভিলসরা। আর সেই পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা। শেষ চারের দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে ড্র করেও দুই লেগ মিলে ২-১ গোলে সেল্টা ভিগোকে হারিয়েছে মরিনহোর শিষ্যরা।

দলের গুরুত্বপূর্ণ তারকারা ইনজুরিতে থাকলেও প্রথম লেগে ১-০ গোলের জয়ে কিছুটা স্বস্তিতে মাঠে নামে ম্যানইউ। আর ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় বলের নিয়ন্ত্রণ প্রথম থেকেই নিয়ে আক্রমণ করে খেলতে থাকে রেড ডেভিলসরা। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ১৭ মিনিটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন ফেলাইনি। মার্কাস র্যারশফোর্ডের ক্রসে হেডে বল জালে জড়ান বেলজিয়ামের এই তারকা।

ম্যাচের ৮৫ মিনিটে রনকাগলিয়া সমতায় ফেরে সেল্টা। তবে ফাইনালে উঠতে আর একটি গোল প্রয়োজন ছিল সফরকারী দলটির। ম্যাচের শেষ দিকে সুযোগও পেয়েছিল তারা। তবে স্ট্রাইকার ইয়ন গিদেত্তি খুব সহজ সুযোগ নষ্ট করায় ফাইনালে খেলার স্বপ্ন শেষ হয় সেল্টার।

এদিকে দিনের অপর ম্যাচে ফ্রান্সের লিওঁয়ের কাছে ৩-১ গোলে হেরেও দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে জয় দিয়ে ফাইনালে উঠেছে আয়াক্স। আগামী ২৪ মে স্টকহোমে হবে ইউরোপা লিগের ফাইনাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Azhar20170511221839মিসবাহ-উল হক আর ইউনিস খানের বিদায়ী সিরিজকে নিজের করে নিয়েছেন আজহার আলি। দ্বিতীয় টেস্টের মত তৃতীয় টেস্টে এসেও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি। ডমিনিকার উইন্ডসর পার্কে শান মাসুদ আর ইউনিস খানের উইকেট দ্রুত হারালেও বাবর আজম এবং আজহার আলির ব্যাটে বড় স্কোরের দিকেই এগিয়ে চলছে পাকিস্তান।

বৃষ্টির কারণে প্রথমদিন পুরো খেলা হয়নি। প্রায় ২১ ওভার কম খেলা হয়েছে। না হয় প্রথম দিনই হয়তো সেঞ্চুরি তুলে নিতে পারতেন আজহার। যে কারণে ৮৫ রানেই প্রথমদিন ক্রিজ ছেড়ে যেতে হয়েছে আজহারকে। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরিটা তুলে নিয়েছেন তিনি। এর আগে ব্রিজটাউন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৫ রান করেছিলেন আজহার।

২৬৬ বল খেলে ৭টি বাউন্ডারি এবং ২টি ছক্কায় সেঞ্চুরি পূরণ করেন আজহার। এ রিপোর্ট লেখার সময় তিনি উইকেটে রয়েছেন ১২২ রানে। তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন মিসবাহ-উল হক ৮ রানে। দলীয় রান ৯৯ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৭।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494508689যাঁরা একাত্তর জানেন, তাঁরা সবাই বলবেন, যে ধর্ষণ করত সে-ই লুট করত। কেউ ধর্ষণ করে চলে যেত না। যাওয়ার সময় ঘটি-বাটি, সোনা-দানা যা হাতের কাছে পেত তা নিয়ে যেত। সেটা পাকিস্তান আর্মি হোক অথবা রাজাকার হোক। ওই চিত্র এখনো পাল্টায়নি। লুটেরা আর ধর্ষক দুইটাই পাষণ্ড, জানোয়ার, বিশ্বাসঘাতক ও রাজাকার। বাংলাদেশ এদের দখলে!

২. সারা দেশে অনেকেই বনানীর হোটেলে দুটি মেয়ের ‘ধর্ষণ’ নিয়ে কথা বলছে। কেউ কেউ এর মধ্যে কেবল যৌন নির্যাতন খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা কেবল আসামি পরিচয় ধারণকারী নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাদের পারিবারিক, সামাজিক ও ক্ষমতার পরিচয়। তাদের বাপ ও পরিবারের সামর্থ্য আছে এই বড়লোকি জীবনযাপন নিশ্চিত করার। বিপদে পড়লে রক্ষা করার।

৩. যে আসামিদের নাম বলা হচ্ছে, তাদের অর্থনীতি চিনিয়ে দেয় এরা হচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষমতাবানগোষ্ঠীর সদস্য। এই ক্ষমতাবান গোষ্ঠী সে যে দলেরই হোক, যা খুশি করার কমবেশি অধিকার রাখে। কিন্তু এদের ধরা যাচ্ছে না। পুলিশের ভূমিকা এতটাই হাস্যকর হয়ে গেছে, মানবাধিকার কমিশন পর্যন্ত প্রতিবাদ করেছে।

পুলিশের কাছ থেকে কেউ কিছু আশা করে না। কারণ সবাই জানে, পুলিশ চাইলেই অপরাধীদের ধরতে পারবে। কিন্তু এই চাওয়াটা হতে হবে। সেটা তৈরি করতে প্রশাসনিক আদেশ, ইচ্ছা লাগে। সেটা এখনো সম্ভবত রান্না হচ্ছে। তাই তাদের ধরা হচ্ছে না। তাদের রক্ষা করার মতো টাকা-পয়সা তাদের বাবা-মায়ের আছে।

৪. আমাদের দেশে রাজাকারি নির্যাতনটা ক্ষমতাবান শ্রেণি করেই যাচ্ছে। কারণ, তাদের শাস্তি দেওয়ার কেউ নেই। একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা ছিল। কিন্তু এখন দেশ তো কমবেশি রাজাকারদেরই হাতে। এখানে আর অপরাধ করে শাস্তি পেতে হয় না। দেশ এখন রাজাকারের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

৫. যে লোকটি ব্যাংকের টাকা লুট করে, বিদেশে পাচার করে, দুর্নীতি করে, সে লোকটাকে রাজাকার কেন বলা হয় না, এটা বড় প্রশ্ন। এই কারণেই বলা হয় না কারণ, তাহলে তো আমরা অনেকেই রাজাকার হয়ে যাব। একাত্তর সালে বেশির ভাগ রাজাকার ছিল গরিব মানুষ। কিন্তু তাদের হাতে যখন অস্ত্র উঠে যায়, তখন তারা ধর্ষক ও ডাকাতে পরিণত হয়। পরিস্থিতিই মানুষের চরিত্র নির্ধারণ করে। দেশের এমন অবস্থা, যেকোনো ক্ষমতাবান মানুষের পক্ষে লুটেরা হওয়া সহজ। তাই বেশির ভাগ বড়লোকই এই রাজাকার শ্রেণির হয়ে গেছে।

ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে অনেকেই আক্রোশ প্রকাশ করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। কেউ কেউ আবার অভিযুক্তদের পক্ষে। তাদের যুক্তি, ওই মেয়েরা হোটেলে গেল কেন? ধরা গেল অপরাধটা তাদের। কিন্তু তাতে করে ধর্ষণের অপরাধ, ভিডিওচিত্র ধারণ করার অপরাধটা বাদ পড়ে যায় কী করে? যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, তারা নির্দোষ হলে এতদিনে ধরা দিয়ে বিচারের সামনে দাঁড়াত। তার কিছুই হয়নি।

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম শত্রু জঙ্গিদের পুলিশ একের পর ফেলে দিচ্ছে। কিন্তু দু-তিনজন অপরাধীকে পুলিশ ধরতে পারছে না সেটা কী করে হয়? যে অশুভ ধ্বনিটা শুনছি সেটা হচ্ছে, এরা সবাই শাসক শ্রেণির অংশ। তাদের তো আবার কোনো জবাবদিহিতা নেই। অতএব সামাজিক গণমাধ্যম ছাড়া মানুষ তার রাগ আর ক্ষোভ নিয়ে আর যাবে কই?

বাংলাদেশ এমন দেশ, যেখানে সব কিছুই শেষ হয়ে যায়, কোনো প্রতিষ্ঠানই গড়ে ওঠে না কেবল রাজাকারি ছাড়া। গ্রামের মানুষ পিটিয়ে যাদের মেরেছে একাত্তর সালে, তাদের সন্তানরাই এখন আমাদের জমিদার।

লেখক আফসান চৌধুরী : সাংবাদিক ও গবেষক

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494505086কন্ডিশনিং ক্যাম্প, প্রস্তুতি ম্যাচ সবই হলো। এবার এলো লড়াইয়ের অপেক্ষা। আজ ডাবলিনে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ম্যাচে আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে আইরিশদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আসুন মূল লড়াইয়ের আগে কিছুটা স্মৃতিকাতর হই। ওয়ানডেতে এর আগের সাক্ষাৎগুলোতে বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের পরিসংখ্যানের দিকে খানিকটা চোখ বুলাই।

এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে আয়াল্যান্ডের সঙ্গে সাতবার সাক্ষাৎ হয়েছে বাংলাদেশের। যার মধ্যে পাঁচটিতেই জয়ের দেখা পেয়েছে লাল-সবুজের দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্রিজটাউনে দুই দলের প্রথম সাক্ষাতে হেরেছিল বাংলাদেশ। আইরিশদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ হারটি হয় বেলফাস্টে ২০১০ সালে। সেদিন সেঞ্চুরি করে একাই বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নেন উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড। এরপর অবশ্য ক্রিকেটের নবীনতম এই দেশটির বিপক্ষে আর হারেনি বাংলাদেশ।

দুদলের সাত লড়াইয়ে সর্বোচ্চ রানের স্কোরটি বাংলাদেশের। ২০০৮ সালে মিরপুরে তামিমের শতকে ৭ উইকেটে ২৯৩ রান করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ রানের স্কোরটি ২৪৩ রানের। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই রান করে আয়ার‍ল্যান্ড।

দুদলের মধ্যে সর্বনিম্ন রানের স্কোরটি আয়ারল্যান্ডের। ২০০৮ সালে মিরপুরে এই রান করে আয়ারল্যান্ড। সেদিন ৪২ রানে ৫ উইকেট নেন ফরহাদ রেজা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডটি ১৬৯ রানের।

দুদলের সাত সাক্ষাতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন তামিম ইকবাল। ৭ ম্যাচে ৪৮ গড়ে ৩৪০ রান করেন টাইগার ওপেনার। দেশ দুটির মুখোমুখি লড়াইয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও তামিমের। ২০০৮ সালে মিরপুরে ১২৯ রান করেন তামিম। আইরিশদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে দুটি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশ। তামিম ছাড়াও অপর শতরানটি করেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। আয়ারল্যান্ডের হয়ে একমাত্র শতকটি করে উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড (১০৮)। সবচেয়ে বেশি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শাহরিয়ার নাফীস (৩)। আয়ারল্যান্ডের পোর্টারফিল্ড একটি শতক ছাড়াও দুটি অর্ধশতক করেন টাইগারদের বিপক্ষে।

ওয়ানডেতে দুদলের লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন সাকিব আল হাসান (১১)। এরপর রয়েছেন ল্যাঙ্গফোর্ড স্মিথ (৯)। ৮ উইকেট নিয়ে পরের তিনটি নাম শফিউল, ট্রেন্ট জনস্টন ও আবদুর রাজ্জাক।

আগামী ২৪ মে পর্যন্ত এই সিরিজ চলবে। প্রতিটি দল প্রত্যেকের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১ জুন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest