সর্বশেষ সংবাদ-
সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডেএবিপার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার মাসিক মতবিনিময় সভাআশাশুনিতে সুদ কারবারির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ৭ আসামি গ্রেপ্তারদেবহাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষাসাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার : ৬টি মোবাইল জব্দদেবহাটায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভাসাতক্ষীরা সরকারি কলেজে শিক্ষার্থী জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধনবিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবি 

_________আরিফ মাহমুদ : কলারোয়ায় দু:স্থ মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৪৯জন দূ:স্থ মহিলাদের এ সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
২১দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বৃহষ্পতিবার সকালে কলারোয়া উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এলজিইডি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

9eqWon_bonaবনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি। দেরিতে মেডিকেল টেস্ট করানোর কারণে এমনটা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের কাছে ওই দুই তরুণীর ফরেনসিক টেস্টের (শারীরিক পরীক্ষা) রিপোর্ট হস্তাস্তর করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ।

এ সময় তিনি বলেন, ওই দুই তরুণীর মেডিকেল টেস্ট দেরিতে করানোয় স্পামে বীর্যের অস্তিত্ব মেলেনি।

এর আগে, গত ২৮ মার্চ রাতে রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে ধর্ষণের ঘটনার ৪০ দিন পর গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা করে নির্যাতিতা এক তরুণী। পরদিন ৭ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই দুই তরুণীর ফরেনসিক টেস্ট (শারীরিক পরীক্ষা) সম্পন্ন হয়।

ওই মামলার ৫ আসামি সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, বিল্লাল হোসেন, সাদনান ও সাকিফ। সবাই গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Fz9ZYa_baseজাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টায় বাজেট উত্থাপন শুরু করেন তিনি। দেশের ৪৬তম, ও আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭তম এবং অর্থমন্ত্রীর একাদশ বাজেট প্রস্তাব এটি।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট সাক্ষর করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা থেকে ২৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা থেকে আগামী বাজেটের আকার বেশি প্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটে ব্যয় মেটাতে সরকারি অনুদানসহ আয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। মোট ঘাটতি ১ লাখ ৬ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে (এডিপি) ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ধরা হয় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। সরকারের অর্থায়নে অভ্যন্তরীন ব্যবস্থা থেকে ঋণ ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা।

উন্নয়ন বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগে ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এরপরই বরাদ্দ পেয়েছে বেশি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ। স্থানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

প্রস্তাবিত অনুন্নয়ন বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সরকারের সুদ পরিশোধে, ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এরপরই বরাদ্দ পেয়েছে বেশি শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ। সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। এবং পেনশন অবসর ভাতায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

IMG_20170601_111035
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম তহমিনা খাতুন (১৯)। সে কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের ঈমান আলি সরদারের কন্যা ও যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার রাজবাড়ি গ্রামের মনিরুল ইসলামের স্ত্রী। দেয়াড়া ইউপি মেম্বর তোজাম্মেল হোসেন জানান, দুই বছর আগে মনিরুল ইসলামের সাথে তহমিনা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার স্বামী তাকে যৌতুকের দাবীতে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতো। মেয়ের সুখের কথা ভেবে তার বাবা তাকে তিন দফায় ১ লাখ টাকা যৌতুকও দেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে জামাই মনিরুল শশুর বাড়িতে এসে বলে সে তার স্ত্রীকে আর নির্যাতন করবেনা এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যাবে। এক পর্যায়ে সে সেখানে রাত্রি যাপন করে। এর পর ভোর রাতে সে তার স্ত্রীকে ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে মনিরুল পালিয়ে যেয়ে তার শাশুড়ির কাছে ফোন করে বলে আপনার মেয়ের কি হয়েছে দেখেন। তখন তার শ্বাশুড়িসহ স্থানীয় লোকজন ঘরে যেয়ে দেখে তহমিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় ওড়না পেচানো ছিল। এবং মুখ দিয়ে রক্ত বাহির হচ্ছিল। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনাটি প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। তিনি আরো জানান, ঘাতক মনিরুলকে আটকের চেষ্ট চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01এম.শাহীন গোলদার: সাতক্ষীরা জেলা শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের ¯্রােতস্বীনি প্রাণসায়র খাল আজ অস্তিত্ব সঙ্কটে।
খালের দুই মুখে অপরিকল্পিতভাবে স্লুইস গেট নির্মাণ, দুই তীর জবরদখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতি স্থাপন করা, খালের মধ্যে বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা ফেলাসহ নানা কারণে খালটি জেলা শহরের মানুষের কাছে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। খালের পানির দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ দূষিত হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন তথ্যে পাওয়া য়ায়, ১৮৬৫ সালে অবিভক্ত বাংলার সাতক্ষীরার জমিদার প্রাণনাথ রায় শিক্ষার প্রসার ঘটাতে পি এন হাইস্কুল এন্ড কলেজ এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রাণসায়ের খাল খনন করেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খেজুরডাঙ্গি থেকে সাতক্ষীরা শহর হয়ে এল্লারচর পর্যন্ত এ খালের দূরত্ব প্রায় ১৩ কিলোমিটার। প্রথমাবস্থায় এ খাল চওড়া ছিল ২০০ ফুটের বেশি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সে সময় বড় বড় বাণিজ্যিক নৌকা এসে ভিড় জমাতো এ খালে। এর ফলে সাতক্ষীরা শহর ক্রমশ সমৃদ্ধশালী শহরে পরিণত হয়।
আর ১৯৬৫ সালের প্রথম দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণের নামে খালের দুই প্রান্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড স্লুইস গেট নির্মাণ করে। এতে খালে স্বাভাবিক জোয়ার-ভাটা বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি বদ্ধ খালে পরিণত হয়।
এরপর জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ৯২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় ১০ কিলোমিটার খাল সংস্কারের টেন্ডার পায় ঢাকার মেসার্স নিয়াজ ট্রেডার্স। ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর তারা খাল খনন শুরু করে। কিন্তু অভিযোগ আছে যে, নামমাত্র খনন করে প্রকল্পের সিংহভাগ টাকাই লোপাট করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। খাল খননের নামে খালের দুই ধারে শত শত গাছ কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে খালটি বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে পরিণত হয়েছে।
খালের দুই ধারে অবৈধ দখলদাররা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসভবন তৈরি করেছে। খালের পানি পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। খালের দু’পারে বসবাসের অবস্থা নেই।02
সাতক্ষীরা শহরের স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান মাসুম ও আলী নূর খান বাবলু বলেন, এই করুণ অবস্থার অবসান ঘটিয়ে খালটির হারানো যৌবন ফিরিয়ে দেয়ার দাবি সাতক্ষীরা শহরবাসীর। অবিলম্বে খালের দুই ধার পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। প্রাণসায়র খালের সিংহভাগ অংশ সাতক্ষীরা পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হলেও পৌর কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারি নেই।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রেকৌশলী বি এম আব্দুল মোমিন বলেন, প্রাণসায়র খাল সংস্কারের জন্য ৫ বছর আগের শিডিউলের সঙ্গে বর্তমানের শিডিউলের মিল না থাকায় ঠিকাদারা কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। খালটি জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় বিধায় চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র আলহাজ তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, প্রাণসায়ের খাল আজ মৃতপ্রায়। আগামী ৩-৪ দিন পরে কচুরি পানা পরিষ্কার করা হবে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রায় অর্ধেক দখল মুক্ত করা হয়েছে। বাকিটা দখলমুক্ত করতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রাণসায়ের খাল রক্ষার্থে মাইকিং করে ইতিমধ্যে পৌরবাসীকে জানানো হয়েছে, যাতে কেউ কোনো ময়লা আবর্জনা খালের ভেতরে না ফেলেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন বলেন, জরুরিভাবে প্রাণসায়র খাল খননের চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। বরাদ্দ চেয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষেকে জানানো হয়েছে। আর বরাদ্দ পেলেই  দ্রুত সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতের একজন কর্মীসহ ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকাল থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৮০ বোতল ফেনন্সিডিল ও ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা ০৫ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dTLsHB_3নিষিদ্ধের তালিকায় শুধু বিধিনিষেধ নয়। অনেক সময় ভাল ভাল বিষয়ও নিষেধের আড়ে পড়ে। তাই বলে কি খাবারও?

বিশ্বের কয়েকটি দেশে কিছু খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই, এই তথ্যটি আপনার কাজে আসবে, বিশেষ করে যখন আপনি সেই স্থানগুলিতে ভ্রমণ করবেন।

১। সমুচা: সমুচা নিষিদ্ধ সোমালিয়ায়। এই মজাদার খাবারটি নিষিদ্ধ হওয়ার কারণটিও বেশ অদ্ভুত। সমুচার চেহারার সাথে দেশটির সন্ত্রাসী গোষ্টী ‘আল-শাবাব’-এর চিহ্নের সঙ্গে মিলে যায়। এ কারণেই ২০১১ সালেসোমালিয়ায় এটি নিষিদ্ধ করা হয়।

২। টমেটোর সস: সব সুস্বাদু খাবার খাওয়ার জন্য ফ্রান্সে খাদ্যদ্রব্যগুলি পছন্দের তালিকায় সবার উপরে। খাবারের স্বাদ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে কারনে ফ্রান্সের সরকার ২০১১ সালে টমেটো কেচাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। আর এটি ফ্রান্সের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমেটো কেচাপ নিষিদ্ধ।

৩। কিন্ডার জয়: চকলেট বাচ্চাদের পছন্দের খাবার হলেও, এর বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। বিশাল আকারের চকলেট কিন্ডার এগস নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে। মূলত স্বাস্থ্যগত সচেতনতার জন্যই ১৯৩৮ সালে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। কারন সরকার মনে করে, এই বিশাল আকৃতির চকলেট বাচ্চাদের স্বাস্থ্যর জন্য বেশ ক্ষতিকর।

৪। চুইংগাম: চুইংগাম সিঙ্গাপুরে নিষিদ্ধ। কারন সিঙ্গাপুর পরিষ্কার পরিচ্ছনাতার জন্য বিখ্যাত একটি দেশ। মানুষ চুইংগাম চিবুনোর পর তা যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ নোংরা করে বিধায় এটি ১৯৯২ সালে সিঙ্গাপুরে নিষিদ্ধ করা হয়।

৫। কাঁচা দুধ: যুক্তরাষ্ট্রের ২২টি রাজ্যে ও কানাডায় কাঁচা দুধ ও ডেইরি পণ্য বিক্রি করা নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞাটির প্রকৃত কারণ হল এই পণ্যগুলিতে উপস্থিত যেসব কীটনাশকগুলি থাকে, সেটা লিস্টারিয়াসিস, ই-কোলি এবং খাদ্য বিষক্রিয়া হতে পারে।

৬। হ্যাগিস: স্কটল্যান্ডের বিখ্যাত এ খাবারটি যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ। এটি মূলত ভেড়ার হৃৎপিণ্ড, লিভার ও ফুসফুসের সঙ্গে বিভিন্ন মসলা মিশিয়ে তৈরি করা হয়। আপনি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই এটি সম্পর্কে জানা উচিত। যে হ্যাগিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অবৈধ খাদ্য।

৭। গরুর মাংস: ভারতে বসবাসরত মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, একটি গরু বধ করা এবং ধর্ষণ করা একটি অপরাধমূলক কাজ। তাই ভারতের বহু স্থানে ধর্মীয় কারণে গরুর মাংস নিষিদ্ধ। সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2EEk3b_happyবিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলিউডের কিং শাহরুখ খানের, এই খবরই এখন দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। প্যারিসে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কিং খানের।

শুধু তাই নয়, ফ্রান্সের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি নাকি শাহরুখ খানের মৃত্যুর খবর নিয়ে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে, এই খবর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে হৈ হট্টগোল। তবে এই খবরের সত্যতা নিয়ে যে কেবল ধন্দই রয়েছে তাই নয়, শাহরুখ খানের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া নিয়ে সোশ্যাল মাধ্যমেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। টুইটার থেকে ফেসবুক সব জায়গাতেই এই খবর এবং তার নিন্দা।

উল্লেখ্য এর আগেও নানান সময়ে নানান সেলিব্রিটিদের মৃত্যুর ভুয়ো খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এবার এই ‘ধাপ্পাবাজি’র খবরের শিকার হলেন স্বয়ং বলিউডের কিং শাহরুখ খান। খবর-২৪ঘন্টা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest