সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন সিঁড়ির উদ্যোগে রোভার স্কাউটদের মিলনমেলাউপকূলবাসীর পানি দিবসে কলসবন্ধনশ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

received_18583084777915251আমির হোসেন খান চৌধুরী/হাসান হাদী: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানার পলাতক আসামি সাতক্ষীরার কুখ্যাত রাজাকার এম. আবদুল্লাহিল বাকি(১০৩)কে অবশষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ কিছুক্ষণ আগে তাকে তার নিজ বাসভবন সদর উপজেলার আলীপুরের বুলারাটী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন মোল্লা বাকীকে গ্রেফতারের বিষয়টি ডেইলি সাতক্ষীরাকে নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২.৩০টায় তাকে তার বাড়ি সদর উপজেলার বুলারাটি গ্রামের নিজ বাড়িতে ঘেরাও করে রাখে পুলিশ। তার বয়স একশো বছরের উর্দ্ধে থাকায় পুলিশ তাকে তখনই গ্রেফতার না দেখিয়ে নজরবন্দী করে রাখে।
আজ রাত ১০টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হবে। আগামিকাল রোববার সকালে তাকে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে হাজির করা হবে।
গতকাল সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক জানিয়েছিলেন, আবদুল্লাহিল বাকিকে তার বাড়িতে পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে। তিনি জানান, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তাকে সতর্কতার সাথে রোববার ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, এম, আবদুল্লাহেল বাকি মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবনালের গ্রেফতারি পরোয়ানার পলাতক আসামি।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-০১ গত ৮ মার্চ বাকীসহ সাতক্ষীরার তিন রাজাকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃত ওই তিন রাজাকারকে অবিলম্বে আটকের দাবিতে গত ১২মার্চ সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করে সাতক্ষীরার মুক্তিযোদ্ধা-জনতা। বাকীর বিরুদ্ধে একাত্তরে একাধিক হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ আছে। বাকী তৎকালীন সাতক্ষীরা মহাকুমার রাজাকার বাহিনীর প্রধান ছিলেন।

বাকীর নৃশংসতার বর্ণনা

মহান মুক্তিযোদ্ধা ইমাম বারী সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়ার সন্তান। ১৯৭১ সালে যশোরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া অবস্থায় যুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ছিলেন যুদ্ধকালীন গঠিত বাংলাদেশ নৌ-কমান্ডের প্রথম ব্যাচের যোদ্ধা। তিন মাসের ট্রেনিং শেষে তাদেরকে ৪টি গ্রুপে ভাগ করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য সাফল্য ‘অপারেশন জ্যাকপট’র জন্য পাঠানো হয়। মংলায় ৮টি জাহাজ বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয়ার পর ইমাম বারী ও তার দল ফিরছিলেন সাতক্ষীরার দিকে। পথিমধ্যে ১৭ আগস্ট  ১৯৭১ ভোর রাতে বুধহাটা বেতনা নদীতে তাদের নৌকা ঘিরে ফেলে আলিপুরের কুখ্যাত রাজাকার বাকীর নেতৃত্বাধীন বাহিনী। নদীর দুই পাড় দিয়ে ক্রমান্বয়ে গুলি করতে থাকলে এক পর্যায়ে গুলি শেষ হয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধাদের। ফলে তাদেরকে আটক করতে সমর্থ হয়।
রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমাম বারী ৭১’ সালের সেই দুর্বিসহ স্মৃতি তুলে ধরেন এই প্রতিবেদকের কাছে, “প্রথমেই আব্দুল্লাহিল বাকী রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাদের নৌকায় উঠেই কোন কথা বলার আগেই তার কাছে থাকা থ্রি নট থ্রি রাইফেল তাক করে সুঠামদেহী মুক্তিযোদ্ধা যশোরে আফতাফকে সরাসরি বুকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ আফতাফ আর্তনাদ করে নদীতে পড়ে ভেসে যায়। শহিদ আফতাফের লাশ আর পাওয়া যায়নি। এরপর আমাদের ৫ জনকে আব্দুল্লাহিল বাকীর দল চোখ বেঁধে নদীর পাড়ে একটি একতলা বাড়িতে আটকে রাখে। কয়েক ঘণ্টা ধরে আমাদের নিষ্ঠুর নির্যাতন চলতে থাকে। এরপর পলাশপোলের রোকনুজ্জামান খান এসে আমাদের দলের সিরাজকে দেখে উত্তেজিত হয়ে উঠল। সে সিরাজকে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে গিয়ে বেড়িবাঁধের ওপর দাঁড় করিয়ে রাইফেল তুলে বুকে গুলি করলো রোকন খান। শহিদ হলেন সিরাজ।
এরপর রোকন একটি লাঠি দিয়ে আমার মাথায় বাড়ি মেরে বলল তুইও আছিস এই দলে, আগে জানলে তো তোকেই মেরে ফেলতাম। এরপর কীভাবে যেন সাতক্ষীরায় পাকিস্তানি মিলিটারির কাছে খবর যায় আমাদের আটক হওয়ার। ফলে আমাদেরকে একটি হলুদ রঙের গাড়িতে করে সাতক্ষীরা ডায়মন্ড হোটেলের টর্চার সেলে এনে আটকে রাখা হয়। পথিমধ্যে ধূলিহর থেকেও কয়েকজনকে তুলে আনা হয়। ডায়মন্ড (স্টার হোটেলও বলা হতো) হোটেলে আমাদেরকে পিলারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। অনেককে ঘরে ঝুলানো হুকের সঙ্গে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হতো। এই হোটেলের অনেকগুলো রুমে অসংখ্য যুবতী মেয়েকেও আটকে রাখা হয়েছিল। যাদেরকে নিয়মিত ধর্ষণ করত পাকিস্তানি সৈন্য ও রাজাকাররা।”
তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে আটকে রাখাকালীন একদিন খালেক ম-ল ও টিক্কা (জহুরুল) এসে কয়েকজন আটক মুক্তিযোদ্ধাকে তুলে নিয়ে যায়। অন্য রাজাকাররা আমাদের জানায় তাদেরকে বিনেরপোতায় হত্যা করা হবে। এরপর একদিন আমাদেরকে যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর আস্তানায় পাঠানো হয়। যশোরের শংকরপুর যেখানে বর্তমানে বাসস্ট্যান্ড সেখানে আটকে রাখা হয়। সেখান থেকে একদিন ভোর বেলা যখন সৈনিকেরা প্যারেড করছিল তখন আমরা পালিয়ে আসি এবং পুনরায় যুদ্ধে যোগ দেই। সে আরেক ইতিহাস।’
এছাড়াও বাকীর অসংখ্য নৃশংসতার প্রমাণ মিলেছে মামলার তদন্তকালে। এই কুখ্যাত রাজাকার শিরোমণির গ্রেফতার হওয়ায় এখন তার ফাঁসির রায়ের জন্য প্রহর গুণছে সাতক্ষীরার অসংখ্য শহিদ পরিবার ও নির্যাতিত মুক্তযোদ্ধাগণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

16199ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের সেহারা গ্রামে তৌফিকা খাতুন  নামে স্কুল ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করেছে। সে নলতা ইউনিয়নের সেহারা গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে খানজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী তৌফিকা খাতুন (১৪)।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় ভাত খাওয়ার শেষে তার দাদির সাথে প্লেটের এঁটো পানি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। দাদীর সাথে প্রতিদিন রাতে একসাথে ঘুমালেও এই দিন রাগ করে দাদির বালিশ কাঁথা বাহিরে বের করে দিয়ে রাত নয়টায় দরজা বন্ধ করে দিয়ে শুয়ে পড়ে। শনিবার সকাল আটটায় তৌফিকা ঘুম থেকে না ওঠায় বাড়ির লোকজন ডাকাডাকি করতে থাকে। ভিতর থেকে কোন সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দেখে অভিমানী মেয়ে রশি দিয়ে তার নিজ কক্ষে আড়ার সাথে ঝুলে আছে। সংবাদ পেয়ে কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক নেওয়াজ মোহাম্মদ খান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক বাবুল আক্তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থল থেকে তৌফিকার নিথর দেহ মাটিতে নামান এবং সাথে সাথে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ মর্গে না পাঠিয়ে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-৭ তারিখ ১৮-০৩-২০১৭)ইং খ্রিঃ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xwwwধুলিহর প্রতিনিধি : দেশের উন্নয়নে সকলে এগিয়ে আসুন। দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দুর করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশের মানুষ শান্তিতে রয়েছে। বিশৃঙ্খলাকারীদের কোন স্থান এদেশে হবে না। ধর্মের নামে মানুষ হত্যা এটার বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। ২০১৮ সালের মধ্যেই পদ্মাসেতু নির্মাণ শেষ হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় উন্নয়নের মহাসড়কে দুরন্ত গতিতে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হতে মোটেও বাকি নেই। বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে প্রাণপণ লড়ে যাচ্ছে। দেশে আজ বিদুৎ বা সারের জন্য কোন হাহাকার নেই। বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নের কারণেই দেশের সব উন্নয়ন সহজতর হয়েছে।
শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেলারডাঙ্গা কেন্দ্রীয় বটতলা ঈদগাহ ময়দানে চেলারডাঙ্গা, ঘলঘলিয়া ও এল্লারচর এর নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি একথা বলেন। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নিলিপ কুমার মল্লিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলাম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার ও জেলা কৃষকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এস,এম রেজাউল ইসলাম, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার ও ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম মিঠু ও ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপি মেম্বার রেজাউল করিম মঙ্গল, কুরবান আলী, কালিদাস সরকার, ৬নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি হুমায়ন কবির, ব্রহ্মরাজপুর ইউপির সাবেক মেম্বার খোরশেদ আলম, ব্রহ্মরাজপু ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হোসেন লিটন, ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এ,এস,আই সৈয়দ আলী, মোঃ মোখলেছুর রহমান, মোঃ আব্দুল জব্বার মিস্ত্রী, মোঃ আব্দুস সালাম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক, মোঃ ফারুক হোসেন, ডাঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ নুরুজ্জামান প্রমূখ।
বিদ্যুৎ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ১৫টি ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে চেলারডাঙ্গা, ঘলঘলিয়া ও এল্লারচর এলাকার ২২৯ জন গ্রাহককে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ সুইচ চেপে বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এনফোর্সড কোডিনেটর মহিদুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

23মহান শহীদ দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্রের ছবি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জুতা বানিয়ে বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে ই-কমার্সভিত্তিক মার্কিন প্রতিষ্ঠান জাজল (Zazzle)। বিষয়টি নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ফেসবুকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন অনেকে।

মহান শহীদ দিবস ও স্বাধীনতা দিবসকে ব্যবহার করে তারা এমন উদ্যোগ নেয়। সোশাল মিডিয়ায় কেউ প্রতিবাদ জানাচ্ছে; আবার কেউ কেউ জাজলের বিরুদ্ধে সরাসরি রিপোর্ট করতে বলছে। ফেসবুকে তারা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন।

রেজা সিদ্দিক লিখেছেন, এরা কারা? বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে এমন ব্যবসা করছে? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। সম্প্রতি ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে কিছু পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল অ্যামাজন। নানা প্রতিবাদের মুখে পরে অ্যামাজন তা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

মো. জাহাঙ্গীর আলম বাবর লিখেছেন, ‘এটি উস্কানি নয় প্রতিবাদ: সামর্থের মধ্যে প্রতিবাদ, বাবর আলীর প্রতিবাদ। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা , লাল-সবুজের পতাকা, জাতীয় পতাকার অবমাননা করে পায়ে…’

রাব্বি চৌধুরী লিখেছেন, লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের মূল্য কোথায়? আসুন আমাদের বিবেককে জাগ্রত করে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই।’ তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, বাংলাদেশে এমন পণ্য সমীচীন কি কখনো?’

রেজা সিদ্দিক নামে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করে লিখেছেন, ‘এরা কারা? বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে এমন ব্যবসা করছে? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ই-কমার্স সাইট অ্যামাজনে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়েও পণ্যের বিজ্ঞাপণ করেছিল। এরপর প্রতিবাদের মুখে অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ তা সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এ ক্ষেত্রে ভারত সরকারও জোরালো ভূমিকা রেখেছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1489839822স্পোর্টস ডেস্ক : শততম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৬৮ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। দুই উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশের সামনে ১৩৯ রানের লক্ষ্য রেখেছে হেরাথের দল। আগামীকাল সকালে আবার ব্যাটিংয়ে নামবেন ২৬ রান করা দিলরুয়ান পেরেরা ও ১৬ রানে অপরাজিত থাকা সুরঙ্গা লাকমল।

আজ শনিবার টেস্টের চতুর্থ দিন পর্যন্ত ভালো অবস্থা ছিল শ্রীলঙ্কার। একটা সময় এক উইকেটে ১৪০ ছিল লঙ্কানদের স্কোর। তবে লাঞ্চ থেকে ফিরেই দিনটা বাংলাদেশের করে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরপর তিন উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের বিপদে ফেলে দেন শ্রীলঙ্কাকে। এরপর বাংলাদেশের প্রধান বাধা সেঞ্চুরিয়ান দিমুথ করুনারত্নেকে ফিরিয়ে দেন সাকিব আল হাসান। ১২৬ রান করেন করুনারত্নে। এরপর হেরাথ আউট হলে জয়ের সুবাস পেতে থাকে মুশফিকের দল। তবে সুরঙ্গা লাকমল ও দিলরুয়ান পেরেরার অদ্যম মানসিকতায় শেষ পর্যন্ত কিছুটা হলেও লড়াইয়ে টিকে আছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য যে আরো বড় হবে, সেটা তো বলাই বাহুল্য। তবে কাল সকালের সেশনে বাকি দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে ঐতিহাসিক শততম টেস্টে বাংলাদেশের জয়টা খুবই সম্ভব।

আজ চতুর্থ দিনের শুরুতেই মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেট হারিয়েছেন উপুল থারাঙ্গা। মিরাজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪০ বলে ২৬ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। এর আগে বিনা উইকেটে ৫৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে স্বাগতিকরা। থারাঙ্গা যখন আউট হন, শ্রীলঙ্কার রান তখন ৫৭।

এরপর করুনারত্নে ও কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে এগিয়ে চলে শ্রীলঙ্কার স্কোর। লাঞ্চে যাওয়ার আগে এই দুজন স্কোরে ৮০ রান যোগ করেন।

বিরতির পরই খেলায় ফিরে আসে বাংলাদেশ। একে একে তিন উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টারের সর্বপ্রথম শিকার হন কুশল মেন্ডিস। এরপর দীনেশ চান্দিমাল ও চতুরঙ্গ ডি সিলভাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ। মাঝে সাকিব ফিরিয়ে দেন গুনারত্নেকে।

এর আগে গতকাল সাকিব আল হাসানের শতক ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অর্ধশতকে কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ৩৩৮ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে অলআউট হওয়ার আগে ৪৬৭ রান করে মুশফিকের দল। সাকিব ১১৬, সৈকত ৭৫, সৌম্য সরকার ৬১, মুশফিক ৫১ ও তামিম ইকবাল ৪৯ রান করেছেন।

গতকাল প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন সাকিব ও মুশফিক। মধ্যাহ্নভোজের আগে শ্রীলঙ্কার চেয়ে মাত্র ২২ রানে পিছিয়ে ছিল মুশফিকের দল। বিরতি থেকে ফিরে মুশফিক আউট হলেও লঙ্কান বোলারদের হতাশ করেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। গতকাল ২ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আজ ৫০ রান যোগ করেন। হাফ সেঞ্চুরি করার পরই ফিরে যান এই ব্যাটসম্যান। লাকমলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫২ রান করেন মুশি।

এরপর উইকেটে এসে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সৈকত। দলীয় ৪২১ রানে সান্দাকানের বলে চান্দিমালকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সাকিব। এরপর সৈকত ও মিরাজ মিলে আরেকটা ভালো জুটি বাঁধেন। তবে ব্যক্তিগত ২৪ রানে মিরাজ আউট হওয়ার পর ভেঙে যায় বাংলাদেশের প্রতিরোধ। পরের বলে মুস্তাফিজকেও ফেরান হেরাথ। এরপর ৭৫ রানে হেরাথের বলে সৈকত স্টাম্পিং হলে ৪৬৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

32স্পোর্টস ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে খেলতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শনিবার দুপুরে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্যে শুভাগত হোম চৌধুরী, নুরুল হাসান ও সানজামুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন টাইগার এই অধিনায়ক।

কলম্বোতে চলছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়া ১৬ সদস্যের মধ্যে ১২ জনই আছেন টেস্ট স্কোয়াডে। তাই বাকি চার জন- মাশরাফি বিন মুর্তজা, শুভাগত হোম চৌধুরী, নুরুল হাসান ও সানজামুল ইসলাম স্কোয়াডে যোগ দিতে আজ ঢাকা ছাড়েন।

চলতি মাসের ২৫ তারিখে ডাম্বুলায় শুরু হবে লঙ্কানদের বিপক্ষে টাইগারদের রঙিন পোশাকের লড়াই। ডাম্বুলাতেই সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে ২৮ মার্চ। ১ এপ্রিল সিরিজের শেষ ওয়ানডে কলম্বোর এসএসসিতে।

১৬ সদস্যের ওয়ানডে স্কোয়াড: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান রুম্মন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শুভাশীস রায়, সানজামুল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী ও নুরুল হাসান সোহান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৫ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ২ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

keshabpur-18-03-17
কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলার নেহালপুর গ্রামে কাদার বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শনিবার বিকালে ওই বিলের জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। জমির মালিক সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নে নেহালপুর গ্রামের কাদার বিল এক সময় জলাবদ্ধতা ছিল। জলাবদ্ধতার কারণে বিলটিতে কোন ফসল না হওয়ায় ঐ বিলের জমির মালিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করত। ২০০৬ সালে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ঐ বিলের চারপাশ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে মাছ চাষের পাশাপাশি ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার ফলে কাদার বিলের ১ হাজার ৩ শত বিঘা জমিতে ধানের বাম্পার ফলন হয়। তখন থেকে কাদার বিলের জমির মালিক ও কৃষকদের মুখে হাসি ফোটে। কাদার বিল থেকে সেচের মাধ্যমে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করে দেওয়ার শর্তে হারি ছাড়াই ঘের ব্যায়সায়ীরা মাছ চাষ করে। তবে ২০১৫ সাল থেকে বিঘা প্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ক্যানালের জমি বিঘাপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে হারি প্রদানের শর্তে ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ডিট করে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ পৃথক ভাবে কাদার বিলে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করা ব্যবস্থা করার শর্তে মাছ চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে বিলটিতে ধানের অবস্থা অত্যান্ত ভালো এবং ব্যাপক ধান উৎপন্নের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নেহালপুর গ্রামের মৃত তরফ দফাদারে ছেলে মোহাম্মদ আলী দফাদার, ওমর দফাদারের ছেলে রাশেদ দফাদার, শওকত দফাদারের ছেলে হাফিজুর দফাদার, জোহর দফাদারে ছেলে হোসেন দফাদার ও মিয়াজার দফাদারের ছেলে শোকর দফাদার কাদার বিল নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে অদ্যবধি নানামুখি ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার চেষ্টারও অভিযোগ-সহ ঘের ব্যাবসায়ীদের নিকট মোটা অংকের টাকা চাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। বিলটিতে যাতে আবারও জলাবদ্ধতা হয় সে জন্য তারা ঐ এলাকার বিপদের বন্ধু ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদকে বিতাড়িত করার পায়তারা করছে। তাদের বিরুদ্ধে আবারও বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে শনিবার বিকালে কাদার বিলপাড়ে জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে জমির মালিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নেহালপুর গ্রামের আরশাদ আলী দফাদার, আবুল হোসেন, হাফিজুর দফাদার, জনাব আলী, মাষ্টার আজিজুল হক, সামাদ শেখ, বারিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক মোড়ল, রহিম দফাদার, লুৎফর দফাদার, আব্দুর রশিদ শেখ, জব্বার আলী শেখ, এসমাইল শেখ, মাষ্টার এস এম আবু তাহের, মফিজুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন দফাদার প্রমুখ। সমাবেশে বক্তরা জমির মালিকদের একত্রিত হয়ে কাদার বিলের সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest