সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরা সদরে ৫ হাজার ৭শ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণসাতক্ষীরা শহর থেকে তরুণ চিকিৎসক ও নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

photo-1489839822স্পোর্টস ডেস্ক : শততম টেস্টে দারুণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৬৮ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। দুই উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশের সামনে ১৩৯ রানের লক্ষ্য রেখেছে হেরাথের দল। আগামীকাল সকালে আবার ব্যাটিংয়ে নামবেন ২৬ রান করা দিলরুয়ান পেরেরা ও ১৬ রানে অপরাজিত থাকা সুরঙ্গা লাকমল।

আজ শনিবার টেস্টের চতুর্থ দিন পর্যন্ত ভালো অবস্থা ছিল শ্রীলঙ্কার। একটা সময় এক উইকেটে ১৪০ ছিল লঙ্কানদের স্কোর। তবে লাঞ্চ থেকে ফিরেই দিনটা বাংলাদেশের করে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরপর তিন উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের বিপদে ফেলে দেন শ্রীলঙ্কাকে। এরপর বাংলাদেশের প্রধান বাধা সেঞ্চুরিয়ান দিমুথ করুনারত্নেকে ফিরিয়ে দেন সাকিব আল হাসান। ১২৬ রান করেন করুনারত্নে। এরপর হেরাথ আউট হলে জয়ের সুবাস পেতে থাকে মুশফিকের দল। তবে সুরঙ্গা লাকমল ও দিলরুয়ান পেরেরার অদ্যম মানসিকতায় শেষ পর্যন্ত কিছুটা হলেও লড়াইয়ে টিকে আছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য যে আরো বড় হবে, সেটা তো বলাই বাহুল্য। তবে কাল সকালের সেশনে বাকি দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে ঐতিহাসিক শততম টেস্টে বাংলাদেশের জয়টা খুবই সম্ভব।

আজ চতুর্থ দিনের শুরুতেই মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেট হারিয়েছেন উপুল থারাঙ্গা। মিরাজের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪০ বলে ২৬ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। এর আগে বিনা উইকেটে ৫৪ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে স্বাগতিকরা। থারাঙ্গা যখন আউট হন, শ্রীলঙ্কার রান তখন ৫৭।

এরপর করুনারত্নে ও কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে এগিয়ে চলে শ্রীলঙ্কার স্কোর। লাঞ্চে যাওয়ার আগে এই দুজন স্কোরে ৮০ রান যোগ করেন।

বিরতির পরই খেলায় ফিরে আসে বাংলাদেশ। একে একে তিন উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টারের সর্বপ্রথম শিকার হন কুশল মেন্ডিস। এরপর দীনেশ চান্দিমাল ও চতুরঙ্গ ডি সিলভাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ। মাঝে সাকিব ফিরিয়ে দেন গুনারত্নেকে।

এর আগে গতকাল সাকিব আল হাসানের শতক ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অর্ধশতকে কলম্বো টেস্টের প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ৩৩৮ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে অলআউট হওয়ার আগে ৪৬৭ রান করে মুশফিকের দল। সাকিব ১১৬, সৈকত ৭৫, সৌম্য সরকার ৬১, মুশফিক ৫১ ও তামিম ইকবাল ৪৯ রান করেছেন।

গতকাল প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন সাকিব ও মুশফিক। মধ্যাহ্নভোজের আগে শ্রীলঙ্কার চেয়ে মাত্র ২২ রানে পিছিয়ে ছিল মুশফিকের দল। বিরতি থেকে ফিরে মুশফিক আউট হলেও লঙ্কান বোলারদের হতাশ করেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। গতকাল ২ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আজ ৫০ রান যোগ করেন। হাফ সেঞ্চুরি করার পরই ফিরে যান এই ব্যাটসম্যান। লাকমলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৫২ রান করেন মুশি।

এরপর উইকেটে এসে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন সৈকত। দলীয় ৪২১ রানে সান্দাকানের বলে চান্দিমালকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সাকিব। এরপর সৈকত ও মিরাজ মিলে আরেকটা ভালো জুটি বাঁধেন। তবে ব্যক্তিগত ২৪ রানে মিরাজ আউট হওয়ার পর ভেঙে যায় বাংলাদেশের প্রতিরোধ। পরের বলে মুস্তাফিজকেও ফেরান হেরাথ। এরপর ৭৫ রানে হেরাথের বলে সৈকত স্টাম্পিং হলে ৪৬৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

32স্পোর্টস ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে খেলতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শনিবার দুপুরে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্যে শুভাগত হোম চৌধুরী, নুরুল হাসান ও সানজামুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন টাইগার এই অধিনায়ক।

কলম্বোতে চলছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। ওয়ানডে দলে ডাক পাওয়া ১৬ সদস্যের মধ্যে ১২ জনই আছেন টেস্ট স্কোয়াডে। তাই বাকি চার জন- মাশরাফি বিন মুর্তজা, শুভাগত হোম চৌধুরী, নুরুল হাসান ও সানজামুল ইসলাম স্কোয়াডে যোগ দিতে আজ ঢাকা ছাড়েন।

চলতি মাসের ২৫ তারিখে ডাম্বুলায় শুরু হবে লঙ্কানদের বিপক্ষে টাইগারদের রঙিন পোশাকের লড়াই। ডাম্বুলাতেই সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে হবে ২৮ মার্চ। ১ এপ্রিল সিরিজের শেষ ওয়ানডে কলম্বোর এসএসসিতে।

১৬ সদস্যের ওয়ানডে স্কোয়াড: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান রুম্মন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শুভাশীস রায়, সানজামুল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী ও নুরুল হাসান সোহান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৮ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৫ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৭ জন, শ্যামনগর থানা ২ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

keshabpur-18-03-17
কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুর উপজেলার নেহালপুর গ্রামে কাদার বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শনিবার বিকালে ওই বিলের জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। জমির মালিক সূত্রে জানাগেছে, কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নে নেহালপুর গ্রামের কাদার বিল এক সময় জলাবদ্ধতা ছিল। জলাবদ্ধতার কারণে বিলটিতে কোন ফসল না হওয়ায় ঐ বিলের জমির মালিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করত। ২০০৬ সালে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যায়ে ঐ বিলের চারপাশ দিয়ে ভেড়িবাঁধ নির্মাণ করে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে মাছ চাষের পাশাপাশি ধান চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার ফলে কাদার বিলের ১ হাজার ৩ শত বিঘা জমিতে ধানের বাম্পার ফলন হয়। তখন থেকে কাদার বিলের জমির মালিক ও কৃষকদের মুখে হাসি ফোটে। কাদার বিল থেকে সেচের মাধ্যমে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করে দেওয়ার শর্তে হারি ছাড়াই ঘের ব্যায়সায়ীরা মাছ চাষ করে। তবে ২০১৫ সাল থেকে বিঘা প্রতি ৫ হাজার টাকা এবং ক্যানালের জমি বিঘাপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে হারি প্রদানের শর্তে ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদে ডিট করে ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদ পৃথক ভাবে কাদার বিলে সেচের মাধ্যমে বিল থেকে পানি অপসারণ করে ধান চাঁষ করা ব্যবস্থা করার শর্তে মাছ চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে বিলটিতে ধানের অবস্থা অত্যান্ত ভালো এবং ব্যাপক ধান উৎপন্নের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু নেহালপুর গ্রামের মৃত তরফ দফাদারে ছেলে মোহাম্মদ আলী দফাদার, ওমর দফাদারের ছেলে রাশেদ দফাদার, শওকত দফাদারের ছেলে হাফিজুর দফাদার, জোহর দফাদারে ছেলে হোসেন দফাদার ও মিয়াজার দফাদারের ছেলে শোকর দফাদার কাদার বিল নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে অদ্যবধি নানামুখি ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার চেষ্টারও অভিযোগ-সহ ঘের ব্যাবসায়ীদের নিকট মোটা অংকের টাকা চাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। বিলটিতে যাতে আবারও জলাবদ্ধতা হয় সে জন্য তারা ঐ এলাকার বিপদের বন্ধু ঘের ব্যাবসায়ী ডি.এম ময়না, নজরুল ইসলাম ও আসাদকে বিতাড়িত করার পায়তারা করছে। তাদের বিরুদ্ধে আবারও বিলের ভেড়ী বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতার সৃষ্টির পায়তারা ও ঘেরের মাছ লুট করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে শনিবার বিকালে কাদার বিলপাড়ে জমির মালিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। সমাবেশে জমির মালিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নেহালপুর গ্রামের আরশাদ আলী দফাদার, আবুল হোসেন, হাফিজুর দফাদার, জনাব আলী, মাষ্টার আজিজুল হক, সামাদ শেখ, বারিক শেখ, আব্দুর রাজ্জাক মোড়ল, রহিম দফাদার, লুৎফর দফাদার, আব্দুর রশিদ শেখ, জব্বার আলী শেখ, এসমাইল শেখ, মাষ্টার এস এম আবু তাহের, মফিজুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন দফাদার প্রমুখ। সমাবেশে বক্তরা জমির মালিকদের একত্রিত হয়ে কাদার বিলের সকল প্রকার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ : শান্তি সমতা সুশাসনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ নূরুল আম্বিয়া। জাসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি সরদার কাজেম আলী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, স্থায়ী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ খালেদ, করিম সিকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খোকন, সাতক্ষীরা জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর ছিদ্দিক, পৌর কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নাসির, তালা উপজেলার সভাপতি দেবাষীস দাস, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম হেলাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

rape
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : গণধর্ষণের এক সপ্তাহ পর থানায় মামলা হলেও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদানের পর বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষিতা ওই গৃহবধুকে আসামিরা অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মহিবুল হাসানের কাছে জবানবন্দি দেওয়ার পর তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের সুজনশাহ গ্রামের এক দিনমজুর জানান, উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের দলিত সম্প্রদায়ের এক গৃহবধু  (২৭) গত ১০ মার্চ শুক্রবার দুপুর দুটার দিকে তারই এলাকার একটি বোরো খেতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে হরিহরনগর গ্রামের ইমান আলী শেখের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৫), একই গ্রামের সামছুদ্দিন গোলদারের ছেলে রফিকুল গোলদার (৫০), শেখ নুনুবাচার ছেলে আজমারুল ইসলাম(৩৬) তার গলায় দা ধরে পার্শ্ববর্তী বিল্লাল হোসেনের শ্যালো মেশিন ঘরে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে তিনজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে ফল ভাল হবে না জানিয়ে ধর্ষকরা চলে যায়। বিষয়টি গৃহবধু তাৎক্ষণিকভাবে স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজনকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান রাজীব আহম্মেদ রাজু, ইউপি সদস্য ছিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ফারুক হোসেন পিণ্টুসহ কয়েকজনকে অবহিত করেন। ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি শালিসের মাধ্যমে মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে থানায় যেতে নিষেধ করেন। এরপরপরই ধর্ষক ও তাদের লোকজন কিছু টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে ওই গৃহবধুর উপর চাপ সৃষ্টি করেন। চেয়ারম্যান কোন শালিস না করে ধর্ষণের আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করছেন বুঝতে পেরে গত বুধবার ধর্ষিতা বাদি হয়ে উপরোক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ৯(৩) ধারায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ পরদিন অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে শুক্রবার দুপুরে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদের মাধ্যমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও আদালতে পাঠানো হয়। এ সময় ধর্ষিতার সঙ্গে ছিলেন তার শ্বাশুড়ি ও বড় ছেলে (৭)। সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে বিকেল চারটার দিকে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মহিবুল হাসান তার ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে তাকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।
খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান রাজীব আহম্মেদ রাজু জানান, তিনি ধর্ষণের ঘটনায় শালিস করতে চাননি। উভয়পক্ষকে ডেকে বিস্তারিত ঘটনা জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ধর্ষিতার বাবা ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন জানান, শুক্রবার বিকেলে আদালত থেকে ছেড়ে দেওয়ার পর সে, তার ছেলে ও শ্বাশুড়ি বাড়ি বা কোন আত্মীয়ের বাড়িতে ফেরেনি। আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রভাবশালী আসামি ও তার স্বজনরা বাড়ি ফেরার পথে কোন এক স্থান থেকে তাদেরকে অপহরণ করে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য রোববার এফিডেফিড করে নেওয়ার জন্য জিম্মি করে রেখেছে। শনিবার বিকেল তিনটার দিকে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হাসান মাসুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি বিশ্রামে আছেন, সন্ধ্যার পর যোগাযোগ করুন। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান হফিজুর রহমান জানান, ভিকটিমের আদালত থেকে বাড়ি না ফেরার বিষয়টি তার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20170318_124438-1-1
কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ায় খুুলনা রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান (বিপিএম-পিপিএম) বলেছেন, জঙ্গিদের মূল উদ্দেশ্য হল ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কিছু সরল যুবককে সংগঠিত করে মানুষ হত্যা, সমাজের বিশৃৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এবং দেশের অর্থনীতিকে বিনষ্ট করা। পুলিশ জীবন বাজি রেখে জঙ্গিদের মোকাবেলা করছে। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব নয়। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। মাদক ও জঙ্গিবাদের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গিকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার সকাল ১১টায় পবিত্র কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে পাইলট হাইস্কুল ফুটবল ময়দানে কলারোয়া থানা পুলিশ প্রশাসনের আয়োজনে জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন (পিপিএম) এর সভাপতিত্বে সমাবেশে ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান আরও বলেন, ২০১৩ সালে এই কলারোয়াতে জামায়াত-জঙ্গিরা নাশকতা চালিয়ে নিরিহ ৪ জন মানুুষকে হত্যা করেছিল। পিতার কাছে সবচেয়ে বড় কষ্ট হল পুত্রের লাশ। সেই পিতার সামনে পুত্রকে হত্যা করেছিল জামায়াত সন্ত্রাসীরা। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পথ শান্তির পথ না, ইসলামের পথ না। এই পথ কখনও মানুষের কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব জনশক্তি রপ্তানিতে শতকারা ৬০ভাগ সেটি হল বাংলাদেশ। এই দেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যম আয়ের শান্তিপূর্ন দেশ। আমরা বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলতে চাই। কারণ আমরা এ দেশকে ভালবাসি দেশের মানুষকে ভালবাসি। দেশের কল্যাণে কাজ করার ব্রত নিয়েই পুলিশের দায়িত্ব পালন করি। এছাড়া মাদকের ভয়াবহ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে কিশোর তরুন সমাজ। যে বয়সে পড়াশুনা ও খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার কথা। সেই বয়সে তাদেরকে স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক দুরে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। এসব মাদকের নেশায় আক্রান্ত হয়ে অন্ধকার জীবনে ধাবিত হচ্ছে অগণিত তাজা প্রাণ। মাদক নেশা গ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও যুবকদের মধ্যে বেশির ভাগ নানান পেশাজীবি পরিবারের সন্তান। যাদের বয়স ১৫থেকে ৩৫ বছর। জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে ৯০দিনের একটি কর্র্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্র্মসূচির বিশেষ অভিযানে যে সকল পুলিশ সদস্য আন্তরিক ও নিষ্ঠার সহিত কাজ করবে এবং মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে তাদেরকে কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে। এই বিশেষ অভিযানে মাদকাসক্তি ব্যক্তি, মাদক ব্যবসায়ী যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় তাহলে তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতাসহ পুর্র্নবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চরণ করে ডিআইজি মনিরুজ্জামান বলেন কোন পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদকের বিষয়ে প্রমান পাওয়া গেলে তাৎক্ষনিকভাবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুুর রহমান (বিপিএম) সাবেক সাংসদ বিএম নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার আরিফুল হক, মেরিনা  আক্তার, উপজেলা নিবাহী কর্র্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনুু, জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জোৎসা আরা, অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, শিক্ষাবিদ এম এ ফারুক,  শিক্ষার্র্থী সামিউর রহমান, আসমা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যানগন শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবুু, আবুল কালাম, শেখ ইমরান হোসেন, মাস্টার নূরুল ইসলাম, আফজাল হোসেন হাবিল, এসএম মনিরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, আলহাজ্জ্ব আব্দুল হামিদ সরদার, আসলাম খান, মাহবুবুর রহমান মফে, রবিউল হাসান, থানার ওসি ইমদাদুল হক শেখ, (ওসি তদন্ত) আক্তারুজ্জামান, এসআই ইয়াছিন আলী, পিন্টু লাল দাস, অমিত কুমার, গোলাম আজম, সেলিম রেজা, রফিকুল ইসলাম, এএসআই রতন হাজরাসহ থানা পুুলিশের সকল কর্র্মকর্র্তাবৃন্দ প্রমুখ। সমগ্র সমাবেশ পরিচালনা করেন সাংবাদিক অসীম চক্রবর্র্তী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 ক্যাপশন : সাতক্ষীরায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাই মুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

সাতক্ষীরায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাই মুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাই মুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সদর উপজেলা মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সলিডারিডাড, উত্তরণ, ইসলাম এন্টারপ্রাইজ ওবিএফডিএপিয়িএ এর আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঢাকা উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং পরিচালক সৌমেন সাহা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক নিত্য রঞ্জন বিশ্বাস, সলিডারিডাড কান্ট্রি ম্যানেজার সেলিম রেজা হাসান, উপ-পরিচালক রপ্তাণী আনোয়ার হোসেন খান ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল প্রমুখ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আমজাদ হোসেন, আম চাষি সাইফুল হাসান খোকন মুজিবুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিসার শামিউর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest