সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে ইজিবাইকের ওপর: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারীসাতক্ষীরায় উপজেলা পর্যায়ে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সমাবেশশ্যামনগরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি সেবা প্রাপ্তির মানোন্নয়নে পাবলিক হেয়ারিংগভীর রাতে গাবুরায় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ‌দাফন সম্পন্নগাজী নজরুলের ফাঁ*সির দাবিতে উত্তাল শ্যামনগরসাতক্ষীরায় যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিলগণপিটুনিতে মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক বাবুবিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

333232মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো অন্যতম ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউট। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং খেলাধুলায় অংশ নেন এ কলেজের শিক্ষার্থীরা। সাতক্ষীরা শহরের লাবসা এলাকায় ২.০৫ একর জমির উপর ২০০২/২০১৪ সালে নির্মিত হয় সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউট। এ জেলার কারিগরী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমানসহ শিক্ষকমন্ডলী। সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউট ক্যাম্পাসটি অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। এ কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধির জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে কলেজের অধ্যক্ষ। কম্পিউটার, ইলেকট্রনিকস, এনভায়রনমেন্ট ও আরএসি বিভাগে বর্তমানে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম শিফটে মোট ছাত্র-ছাত্রী ৫৯৯জন এবং ২য় শিফটে মোট ছাত্র-ছাত্রী ৫৯৭ জন। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ২৯ জন শিক্ষক ও ২৮ জন কর্মচারী কর্মরত আছে। সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউটে অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান ১৬ এপ্রিল ২০০৭ সালে যোগদান করেন। তিনি যোগদান করার পর থেকে এ কলেজের সাহিত্য-সাংস্কৃতি, ক্রীড়া ও বিভিন্ন জাতীয় কর্মসূচিতে এ প্রতিষ্ঠান সাফল্য অর্জন করে চলেছে। এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের আয়োজন করা হয় এ কলেজ ক্যাম্পাসে। ২০১৪ সালে কম্পিউটার বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৩ জন। পাশের হার ১০০%। ইলেকট্রনিক্স বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬৭ জন। পাশের হার ৯৮.০৫%। আরএসি বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬২ জন। পাশের হার ৯৫.৬১%। এনভায়রনমেন্ট বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৫ জন। পাশের হার ৯৬.৩৬%। ২০১৫ সালে কম্পিউটার বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৩ জন। পাশের হার ১০০%। ইলেকট্রনিক্স বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬৭ জন। পাশের হার ছিল ৯৮.০৫%। আরএসি বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬২ জন। পাশের হার ৯৫.৬১%। এনভায়রনমেন্ট বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৫ জন। পাশের হার ৯৬.৩৬%। ২০১৬ সালে কম্পিউটার বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮২ জন। পাশের হার ৯১.৪৬%। ইলেকট্রনিক্স বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮৪ জন। পাশের হার ৯৪.০৪%। আরএসি বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭৭ জন। পাশের হার ৯৭.৪০%। এনভায়রনমেন্ট বিভাগে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৯ জন। পাশের হার ৮৯.৮৩%। কলেজের শিক্ষার্থী রুমানা ইয়াসমিন, স্বপ্না পাল, কামরুল ইসলামসহ শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের কলেজের লেখা পড়ার মান অনেক ভালো এবং অধ্যক্ষ স্যারসহ সকল স্যারেরা আন্তরিকতার সাথে পাঠদান করান। কিন্তু আমাদের কালেজের একটি প্রধান সমস্যা হলো কলেজের হোস্টেল নেই। এছাড়া একটি খেলার মাঠ ও মসজিদ নির্মাণ আবশ্যক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি.এম আজিজুর রহমান বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে পরিচালিত হয়। আগামী দিনেও এ কলেজের শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

edbf642aa7813fc3142b2a32347ea3db-592b8b9b7fe2bআসাদুজ্জামান : ঘূর্ণিঝড় মোরার সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় সাতক্ষীরায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জেলাব্যপী বিশেষ করে উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির সব ইউনিয়নে  মাইকিং করে জনগনকে সতর্ক রাখার কাজ শুরু হয়েছে। শ্যামনগরে ২০০০ এবং আশাশুনিতে ১৩০০ স্বেচ্ছাসেবীকে সতর্ক রাখা হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে ওষুধপত্র রিজার্ভ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন  উপজেলায় পৃথক মেডিকেল টীম গঠন করা হয়েছে। শুকনো খাবার এবং প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য যানবাহন বিশেষ করে নৌযান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাইক্লোন সেন্টারগুলি এবং বিভিন্ন স্কুল কলেজ খোলা রাখা হয়েছে। এই দুই উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি আপাততঃ বাতিল করা হয়েছে। বিপদ সংকেত আরও বৃদ্ধি পেলে  গ্রামবাসীকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন জানান সুন্দরবনে মাছ ও মধু আহরনকারীদের দ্রুত উপকূলে ফিরে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে। জেলার ১৩২টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রয়েছে। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান জানান আজ  স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সব ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বরকে নিজ নিজ এলাকার জনগনকে সতর্ক রাখার পাশাপাশি তাদের সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা জানান তার এলাকার সব সাইক্লোন সেন্টার খোলা রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে গ্রামবাসীকে সরিয়ে নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

azn0bw_72দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এর নাম রাখা হয়েছে ‘মোরা’। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’-র কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ‘সাত নম্বর বিপদ সংকেত’ দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সোমবার (২৯ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রবিবার (২৮ মে) সকাল ৯টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কি. মি. দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৪৫ কি. মি. দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮০ কি. মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কি. মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ১৮ ঘণ্টায় আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মোরার ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। যা বৃদ্ধি পেয়ে ৮৮ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। সাগর উত্তাল রয়েছে।

আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪/৫ ফুট বেশি উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছিলেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাগর তীরের আট দেশের আবহাওয়া দফতর ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের তালিকা থেকে ক্রম অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা হয়। নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে ‘মোরা’ (MORA)। এটি থ্যাইল্যান্ডের প্রস্তাবিত নাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1471421270প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মারুফ হাসান মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলী স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কলারোয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হারুন অর রশিদ চাকরিতে চলে যাওয়ায় সভাপতি পদ শূন্য থাকায় সংগঠনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এমতাবস্থায় আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ায় বর্তমান কলারোয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো, অচিরেই কেন্দ্রিয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1470464455নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ১০১ বোতল ফেনন্সিডিল ও চার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ০৮ জন, কলারোয়া থানা ০৬ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৬ জন, দেবহাটা থানা ০২ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00ডি এম রেজাউল করিম : সাতক্ষীরার দেবহাটায়  ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ট্রাক মালিক রফিকুল ইসলাম নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাক হেলপারসহ তিন জন আহত হয়েছেন।
সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর পানিরকল নামকস্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত রফিকুল ইসলাম কালিগঞ্জ উপজেলার কাশিমপুর বাজারগ্রামের আরশেদ আলির ছেলে।
দেবহাটা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের জানান, ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে কারেন্টের খুটি ও পরে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাক মালিক রফিকুল নিহত হন। এঘটনায় ট্রাক হেলপার ও দুইজন পথচারিসহ তিন জন আহত হয়েছেন। তিনি আরো জানান, নিহতের লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

R73wSQ_18671268অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং পানীয় শিশুদের দাঁতের ক্ষয়রোগের কারণ হতে পারে। উচ্চ মাত্রায় শর্করা সমৃদ্ধ খাবার যা শিশুদের মধ্যে দাঁতের ক্ষয়রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
যেসব শিশুরা বেশি পরিমাণে সোডা পান করে তাদের মধ্যে দাঁতের ক্ষয়রোগ ও মেদবহুলতার প্রবণতা দেখা যায়। এতে শিশুদের পরবর্তী জীবনে, অস্টিওপরোসিস ও ডায়াবেটিসের দিকে ঠেলে দেয়। শিশুদের সেইসব খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলা উচিৎ যা তাদের দাঁতের ক্ষয় করে। আসুন জেনে নেই সেইসব খাবার ও পানীয় গুলোর নামঃ

১। জুসঃ
জুসে প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে যা শিশুদের দাঁতের ক্ষয়রোগের কারণ। চিনি বা শর্করা দাঁতের পক্ষে ক্ষতিকর। যে ব্যাকটিরিয়াগুলি শর্করা খেয়ে থাকে, সেগুলিই দাঁতে ক্যাভিটির সৃষ্টি করে। এই ব্যাকটিরিয়াগুলি মাড়ির ক্ষেত্রেও অস্বস্তির সৃষ্টি করে যা পরে অনেক রকমের মাড়ির রোগ সৃষ্টি করে।

২। সোডাঃ
সোডা পান করলে, দাঁতের এনামেলকে তুলে ফেলতে পারে। মেদবহুলতা ও অসুস্থ দাঁতের সাথে সোডা জড়িত। এটি দাঁতের ক্ষয় ও ক্যাভিটির ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।

৩। চকলেটঃ
চকলেটে প্রচুর পরিমাণে শর্করা জাতীয় পদার্থে পরিপূর্ণ। এগুলো অনেক সময় ধরে দাঁতে লেগে থেকে, এবং ব্যাকটিরিয়াদের পথ সুগম করে। এই ব্যকটিরিয়াগুলি সুগার খেয়েই বেঁচে থাকে আর পরিবর্তে দাঁতের ক্ষয়রোগ ও মাড়ির রোগ সৃষ্টি করে।

৪। কিশমিশঃ
এটি এমন খাদ্য পদার্থ যা আপনার সন্তানের দাঁতের পক্ষে একদমই নিরাপদ না। এটি সুগারে পরিপূর্ণ এবং সহজেই শিশুর দাঁতের সাথে লেগে যায়, যা শিশুদের দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। ব্যাকটিরিয়াগুলি কিশমিশে উপস্থিত চিনির ওপর নির্ভর করে থাকে এবং দাঁতের ক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1495944465নয় বছরের সাজাভোগের পর বাড়ি ফিরলেন ইন্দোনেশিয়ায় মাদক বহনের দায়ে অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক চ্যাপেলে করবি। তিনি ‘গাঞ্জা কুইন’ বা ‘গাঁজার রানী’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন।

বিবিসি জানায়, যাবজ্জীবন সাজার শাস্তির নয় বছর তিন মাস ২৯ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর শনিবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দিয়েছে ইন্দোনেশীয় সরকার।

মুক্তি পেয়ে অস্ট্রেলিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে চড়ে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রদেশের রাজধানী ব্রিসবেনে পৌঁছান চ্যাপেলে করবি। সেখানেই তাঁর বাড়ি।

৪৮ বছর বয়সী চ্যাপেলে পেশায় ছিলেন একজন বিউটি থেরাপিস্ট। ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালি বিমানবন্দরে সার্ফিং গিয়ারে লুকিয়ে ৪ দশমিক ২ কেজি মারিজুয়ানা (গাঁজাজাতীয় মাদকদ্রব্য) বহনের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি। পরের বছর তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় দেশটির সরকার।

তবে করবি বারবার বলেছেন, তিনি দোষী নন। কেউ তাঁর ব্যাগের সার্ফিংয়ের সরঞ্জামে ষড়যন্ত্র করে মাদক ঢুকিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার আদালত তাঁর এই দাবি আমলে নেয়নি।

২০০৫ সালে করবির বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার আদালতে সাজা ঘোষণার পর অনেক অস্ট্রেলীয়ই মনে করেছিলেন, কঠোর এই সাজার মাধ্যমে করবির প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। এই সাজা ঘোষণা অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল।

সাজা পাওয়া চ্যাপেলে করবিকে নিয়ে ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় একটি তথ্যচিত্র বানান খ্যাতনামা নির্মাতা জ্যানিং হসকিং। ওই তথ্যচিত্রে তাঁকে প্রথম ‘গাঁজা রানী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

এদিকে, অস্ট্রেলীয় এই মাদকসম্রাজ্ঞীকে ফেরত পাঠানোর আগে ইন্দোনেশিয়ায় শত শত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিবিসির প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা করবিকে তাঁর বোন সাংবাদিকদের ক্যামেরা থেকে আড়াল করে গাড়িতে তুলছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest