12345আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনির কুঁন্দুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাশ রুমের অভাবে কাশ পরিচালনা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। টিনের ঘর ও জরাজীর্ণ কক্ষে প্রতিকূলতা ও জীবনের মায়া ত্যাগ করে কাশে বসে কাশ করতে হচ্ছে শিশুদের। উপজেলার পুরাতন স্কুলগুলোর মধ্যে এই বিদ্যালয় একটি। ১৯৪০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত। এই বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিপির উচ্চ পদে কর্মরত এবং দেশ-বিদেশে বহু প্রতিষ্ঠান ও বিভাগে কৃতিত্বের সাথে চাকুরীরত আছেন। বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে সরকারিকরণ করা হয়। এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করে স্কুল চলে এসেছে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ১৯৯৬ সালে ৪ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন সরকারিভাবে নির্মীত হয়েছিল। পরবর্তীতে কাশ পরিচালনায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় সরকারি ভাবে ২ কক্ষ বিশিষ্ট আরেকটি ভবন নির্মান করা হয় ২০০২ সালে। এরপর কাশ সুষ্ঠুভাবে চলে আসলেও গত ৬ মাস পূর্বে পুরনো ভবণটি (৪ কক্ষ বিশিষ্ট) পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে ভবনটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। গাছ তলা আর খোলা মাঠে কাশ পরিচালনা করতে করতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা কান্ত হয়ে পড়লে এসএমসি সদস্য, শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকার মানুষ বাধ্য হয়ে ২ কক্ষ বিশিষ্ট টিনের বেড়া ও টিনের ছাউনি দিয়ে একটি ঘর নির্মাণ করেছেন। তাতেও কক্ষ সংকট কাটেনি। কক্ষ সংকটের পাশাপশি টিনের ঘরে রৌদ্রের তাপে ঘর্মাক্ত ও মারাক্তক অস্বস্তি নিয়ে এবং বর্ষার সময় বৃষ্টি ঝরা টিনের বিকট শব্দের কারনে শুনতে না পাওয়ার অসহ্য পরিবেশে কাশ চালান হচ্ছে। অপরদিকে ২০০২ সালে নির্মিত দু’কক্ষের বিল্ডিংটি (একটি কক্ষ কাশ ও আরেকটি অফিস হিসাবে ব্যবহৃত) ইতিমধ্যে হয়ে পড়েছে জীর্ণশীর্ণ। ঝুঁকি আর নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। স্বনামধন্য বিদ্যালয়টি ২৪০ জন ছাত্রছাত্রীর পদভারে আনন্দঘন পরিবেশে চলার কথা, সেটি এখন শিক্ষাদানের পরিবেশ বঞ্চিত হয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে। শিশু বান্ধব প্রাইমারী স্কুল পরিচালনার জন্য সরকার ও শিক্ষা বিভাগ যখন এগিয়ে চলেছে, তখন কক্ষ সংকটে মাঠে কিংবা গাছ তলায় বসে কাশ পরিচালনা আর রোদ-গরমের সাথে যুদ্ধ করে এবং বৃষ্টির মৌসুমে প্রকৃতির বিকট শব্দের একাকার পরিবেশে কাশ পরিচালনার ঘটনা সত্যি বেমানান।  জেলা প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন এ দাবি এলাকাবাসী সকলের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান বানচালের চেষ্টায় কুচক্রী মহল!

00000নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আগামী ৬ ও ৭ এপ্রিল বৃহস্পতি এবং শুক্রবার বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের মিলন মেলা কে বানচাল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এক শ্রেণির কুচক্রী মহল বলে কানাঘুশা হচ্ছে এলাকায়। ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিদ্যালয়টির প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সাতক্ষীরা-৩ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্জ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, আমরা যারা এই প্রতিষ্ঠান থেকে লেখা পড়া শেষ করেছি এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি তারা এক সাথে মিলিত হবার প্রচেষ্টা করছি যাতে বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা আমাদের দেখে ভালভাবে পড়া লেখা করতে উৎসহি হয়। সেই সাথে সোনার বাংলা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে ভুমিকা রাখতে পারে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমদের অঞ্চলের কিছু কুচক্রী মহল যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না যারা জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করে এলাকার উন্নয়ন চায় না এমন এক শ্রেণির মহল ঐতিহ্যবাহী নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান বন্ধ এবং বানচাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, অবিভক্ত বাংলার খুলনা জেলাধীন সাতক্ষীরা মহুকুমার কালিগঞ্জ থানার নলতা গ্রামের জমিদার বাবু ভঞ্জ চৌধুরী ১৯১৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করেন। পরে অবিভক্ত বাংলার সহকারী ডিরেক্টর হযরত সাহসুফী আলহাজ্জ খানবাহাদুর আহছান উল্লাহ (রহ:) কতৃক বিদ্যালয়টির ছাত্র সংগ্রহ,হোষ্টেল নির্মাণ,বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ সহ বহু উন্নতি সাধিত হয় ।১৯১৯ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক বিদ্যালয় স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে ।১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন বিখ্যাত শিক্ষাবিদ বাবু জ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ১৯৪৩ সাল থেকে বাবু বিজয় নাথ মুখার্জি এবং বাবু তারাপদ মুখার্জি ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। দেশ বিভাগের পর অত্র প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বভার গ্রহনের জন্য হযরত পীর কেবলা আলহাজ্জ মো: দরবেশ আলীকে অনুরোধ করেন। ফলশ্রুতিতে ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত আলহাজ্জ মোহা: দরবেশ আলী অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার প্রচেষ্টায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলা তথা বাংলাদেশের মধ্যে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

555555নিজস্ব প্রতিবেদক : শিবপুর ইউনিয়নের খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক প্রাথমিক ও ৫ম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে স্কুলে পাঠগ্রহণ করছে। যে কোন সময় ঝুকিঁপুর্ণ ভবনটি ধ্বসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা করছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ১৮নং খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯২৫ ইং সনে স্থাপিত হয়। ১টি ভবন দিয়েই স্কুলের যাত্রা শুরু হয়েছিল। পুরাতন ভবনটি জরাজীর্ণ হওয়ায় ২০০৬-০৭ অর্থ বছরে এল.আই.জিডির বাস্তবায়নে ও পি.ডি.পি-২ এর আওতায় নতুন একটি ভবন নির্মিত হয়। স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৬১ জন। ফলে নতুন ভবনে ছাত্রছাত্রীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় পুরাতন ভবনে প্রাক প্রাথমিক ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাস নিতে হয়। তাছাড়া শিক্ষকরা নতুন ভবনে অফিস না করে পুরাতন ভবনে অফিস করে যাতে করে নিজেরা ঝুঁকির মধ্যে থেকেও ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ স্থানে কাস করাতে পারে। কিন্তু খানপুর গ্রামের ও পাশ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চলের সকল ধর্মের মানুষের একমাত্র শিক্ষার জায়গা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি, একারনে ছাত্রছাত্রীদের নতুন ভবনে সংকুলান না হওয়ায় পুরাতন ভবনে প্রাক প্রাথমিক ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাস  নেওয়া হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন ভবনে ৯০ জনের ও বেশি শিক্ষার্থীকে পাঠদান করা হচ্ছে। এ সময় ওই ভবনের বিমে ফাটল দেখা যায়। এ ছাড়া ভবনের প্লাষ্টারও খসে পড়তে দেখা যায়। তিন কক্ষের কাস রুম ও এক কক্ষের অফিস রুম এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ  কাস রুমে ছাত্র-ছাত্রীদের কাস করাচ্ছে। বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বৃষ্টি হলেই বাজাতে হয় ছুটির ঘণ্টা। অনেক সময় বৃষ্টিতে বারান্দায় আবার অন্যান্য সময় মাঠে অথবা গাছতলায় ছাত্রছাত্রীদেরকে শিক্ষকদের কাস করাতে হয়। প্রতিটি কক্ষের ছাদ ও পিলারের লোহার খাঁচা ও রড দৃশ্যমান। এসব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন মেরামত কিংবা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে দুর্ঘটনাসহ শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। এসময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলে, ‘কাস করতে ভয় লাগে। কিন্তু স্যাররা কাস করতে বলে তাই কাস করি।’ একই শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বলে, ‘স্যারদের জন্য কাস করছি। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে স্যাররাই দায়ী থাকবেন।’ তবে বিদ্যালয়ের প্রধান জাকির হোসেন বলেন, বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

11111ধুলিহর প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলে শনিবার বিকেলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, সদর থানা আ’লীগের সভাপতি এস,এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল ও ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলিপ কুমার মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম মাগরেব, ইউপি মেম্বর রেজাউল করিম মঙ্গল প্রমূখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল। এসময় অতিথিবৃন্দ ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিভিন্ন পুরষ্কার বিতরণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক মুকুল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

55555গাজী আল ইমরান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাঃগোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামনগর থানার এস আই আঃকালাম,এস আই সোহেল রানা ও এ এস আই তরিকুলের নেতৃত্বে শনিবার রাত ১০ টায় মৌতলা খানপুর মধ্যোবর্তী এলাকা থেকে একটি মটর সাইকেল কে সন্দেহ করে ধাওয়া শুরু করে, উক্ত মটর সাইকেল পুলিশের উপস্হিতি বুঝতে পেরে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় অত:পর পুলিশের হাতে ধরা পড়লে তাকে তল্লাশি  করে ১০ বতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।এরপর আসামী কে শ্যামনগর থানায় নিয়ে আসা হয়, আসামির নাম মোঃ সাগর হোসেন অরফে ছবির (২২), পিং- আবু বক্কার গাজি, সাং- মহেশপুর, রতনপুর থানা কালিগঞ্জ।আটকৃত গাড়ির নং সাতক্ষীরা হ-১২-১১৬২।রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা ‌দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

444নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর থানা পুলিশের অভিযানে এক জামায়াত ক্যাডারকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত জামায়াত ক্যাডার ঘরচালা গ্রামের কওছার আলী সরদারের ছেলে জুলফিকার আলী(৪৫)। শনিবার বিকালে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের সরকারবিরোধী নাশকতায় সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে জানিয়েছে পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্যা জুলফিকারকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

232324কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় ‘দুর্নীতি হলে শেষ, নিজে বাঁচবো বাঁচাবো দেশ, সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দুর্নীতি প্রতিরোধ সপ্তাহ-২০১৭ (২৬ মার্চ-১ এপ্রিল) উদযাপন উপলক্ষে ৭ম অর্থাৎ শেষ দিন শনিবার বেলা ১১ টায় কলারোয়া সরকারি প্রাইমারি স্কুল অডিটোরিয়ামে দুর্নীতি বিরোধী শপথনামা পাঠ করানো হয়। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত এ শপথনামায় সততা সংঘের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সবখানেই দুর্নীতি বিরোধী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। শপথপূর্ব সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রফেসর আবু নসর। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান। উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান চান্দুুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার মেহের উল্লাহ, বোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদরুর রহমান, মাস্টার মনিরুজ্জামান, মাস্টার উত্তম কুমার পাল, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান ও মিসেস লতিফা আক্তার, সদস্য জাহিদুর রহমান খান চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান পলাশ, উৎপল কুমার সাহা, সততা সংঘের পক্ষে সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওমর সাদত, পুরবী রায় প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু। অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে সততা সংঘের সদস্যদের দুর্নীতি বিরোধী শপথনামা পাঠ করানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

32232323কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় নছিমনের সাথে সংঘর্ষে এক মোটর সাইকেল চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কয়লা বাজারের নিকটে ঘটে। নিহত মটরসাইকেল চালক মাছ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম (৪৫)।  সে পৌরসভার ঝিকরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম ঝন্টুর (সাবেক মেম্বারের) ছেলে এবং পৌর কাউন্সিলর মেজবাহউদ্দীন লিলুর ভাতিজা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার দিকে রেজাউল ব্যবসায়ীক কাজ শেষ করে মটরসাইকেল যোগে কলারোয়া আসার পথে কয়লা বাজার পার হয়ে মসজিদ সংলগ্ন মোড়ে দ্রুতগামী নসিমনের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে তার বুকে ও মাথায় মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা রেজাউলকে উদ্ধার করে দ্রুত কলারোয়া হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃতে্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। এদিকে রেজাউলের মৃতে্যুর সংবাদ মূহুর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে দেখার জন্যে এক নজরে ঝিকরা গ্রামে লোকজন ভিড় করেন। সেখানে এক বেদনাদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রোববার সকালে মরুহুমের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জাননো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest