সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে অবাঞ্চিত ঘোষনাসাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল:  ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ সাতক্ষীরা জেলার জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সংকট নিরসনে করনীয় শীর্ষক গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় প্রাথমিক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: জনরোষে অভিযুক্ত নারীর মৃত্যুআশাশুনিতে গাঁজাসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতারদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার সাতক্ষীরার সন্তান সাইদুর রহমানসাতক্ষীরা কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় মৎস্যঘের থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার: পরিবারের দাবি হত্যাসাতক্ষীরায় ফাইনাল খেলা দেখে ফেরার পর আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যুসাতক্ষীরায় বেসরকারি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান: তিন প্রতিষ্ঠানে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা

ন্যাশনাল ডেস্ক : কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে টানা দুই দফা শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন বিএনপি নেতা মনিরুর হক সাক্কু। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শপথ পর্ব শেষে এই ঘটনা ঘটে।

গত ৩০ মার্চের ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে হারান সাক্কু। দুই মাসের বেশি সময় পর বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শপথ নিতে যান তিনি।

সাক্কু বলেন, ‘তার ৭০ বছর বয়স। তিনি একজন সিনিয়র লোক। তিনি প্রধানমন্ত্রী। আল্লাহ তাকে সম্মান দিয়েছেন, এ কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তিনি আমাকে সম্মান করেছেন, এ কারণে আমিও তাকে সম্মান করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী শপথের পর কী বলেছেন, জানতে চাইলে সাক্কু বলেন, “আজকে শপথ গ্রহণের পর তিনি আমাকে অনেক উপদেশ দিয়েছেন, সুন্দরভাবে কাজ করতে বলেছেন। বলেছেন, ‘আমি কাজ করাতে চাই, এখানে কোনো দল নাই’।”

সাক্কু প্রথম মেয়র হন ২০১২ সালে। আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খানকে হারিয়েই সে সময় তিনি জনপ্রতিনিধি হন। এরপর পাঁচ বছরে তিনি কুমিল্লায় বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেন। তবে বেশ কিছু প্রকল্প মেয়াদকালে শেষ করতে পারেননি তিনি।

সাক্কু জানান, অসমাপ্ত প্রকল্পের বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, জাইকাসহ তিনটি বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। এগুলোতে যেন সরকার সহযোগিতা করে।’

প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন, জানতে চাইলে সাক্কু বলেন, ‘তিনি বলেছেন, তুমি কাজ কর, আমার সব সহযোগিতা পাবে।’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন সাক্কুর স্ত্রী আফরোজা জেসমিন টিটলিও। তিনিও তার স্বামীর মত প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন।

এ সময় কক্সবাজার সফরে গিয়ে প্রধামন্ত্রীর সমুদ্র দর্শনের কথা উল্লেখ করেন টিটলি। বলেন, এই ছবি তিনি দেখেছেন এবং তার ভাল লেগেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মুচকি হাসেন।

গত শনিবার কক্সবাজার সফরে যান প্রধানমন্ত্রী। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধনের পর সফরসঙ্গীদেরকে নিয়ে তিনি সমুদ্র দর্শনে যান। এ সময় সমুদ্রের পানিতে প্রধানমন্ত্রীর পা ভেজানোর ছবি প্রকাশ হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং এই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1কেএম রেজাউল করিম
দেবহাটা উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা জসীমউদ্দীন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা বিষ্ণপদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা হারুন আর রশীদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এছমোআরা বেগম, সমবায় কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, বিআরডিপি কর্মকর্তা ইসরাইল হোসেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়কারী শিরিনা সুলতানা, বন কর্মকর্তা মিলন সরকার প্রমূখ। সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিতে দেবহাটা উপজেলা কে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। একই সাথে দেবহাটা উপজেলার শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, কৃষি, মৎস্য, সামাজিক ভাবে এগিয়ে নিতে প্রত্যেক দপ্তরের পক্ষ থেকে মতামত উপস্থাপনের পাশাপাশি উপজেলায় ভিক্ষুক মুক্ত, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ডিজিটাল হাজিরাসহ নানামুখী সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

32233মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সাথে  ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেছে সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকালে নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সাংসদের মুনজিদপুরস্থ বাসভবনে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির সভাপতি বাবুরাম  বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুবোল বিশ্বাস, সহ-সভাপতি ভৈরব দাস, সদস্য যাদব বিশ্বাস, সনজিত কুমার, সুভাষ চন্দ্র রায়, পরিমল কান্তি বিশ্বাস, রাজকুমার, সুকুমার বিশ্বাস, স্বপন কুমার ও বাপ্পি বিশ্বাসসহ সাতক্ষীরা সেলুন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

retrtrrtতরিকুল ইসলাম লাভলু : বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কালিগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমাণ্ড কালীগঞ্জ উপজেলা ইউনিট আয়োজিত নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান – ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ, ফ, ম রুহুল হক এমপি, প্রধান বক্তা হিসেবে সাতক্ষীরা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এস, এম জগলুল হায়দার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ্ব শেখ অহেদুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দীক, মির্জ সালাউদ্দীন, কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক, মো. আব্দুল হাকিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের তাদের পূর্বসূরিদের আত্মত্যাগে উদ্ভাসিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড গড়ে তোলার উদ্বাত্ত আহবান জানান এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ePz4Yg_follআমরা শুনে আসছি ফল খাওয়ার পর পানি খেতে নেই। এমন কথাটাই আমরা ছোটবেলা থেকে মায়েদের বড়দের মুখে এই কথাটা শুনে বড় হয়েছি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলে সব ফল নয় কিছু কিছু ফল খাওয়ার পর পানি খাওয়া উচিত নয়। আসুন জেনে নিন এর পিছনের বৈজ্ঞানিক কারণ সমূহ।

কলম্বিয়া এশিয়া, গাজিয়াবাদের নিউট্রিশনিস্ট অদিতি শর্মা জানালেন, যে সব ফলে জলের পরিমাণ বেশি, অর্থাৎ জলীয় ফলের সঙ্গে বা খাওয়ার ঠিক পরেই পানি খাওয়া উচিত নয়। যেমন তরমুজ, ফুটি, খরমুজ, শশা, কমলালেবু, কাকড়ি, আনারস, বাতাবি লেবু বা স্ট্রবেরির মতো ফল খেলে তার পর পানি খাওয়া উচিত নয়।

পিএইচ মাত্রা
হজমের জন্য শরীরের নির্দিষ্ট পিএইচ মাত্রার প্রয়োজন। যে সব খাবারে পানি রয়েছে তার সঙ্গে যদি আবার পানি খাওয়া হয় তা হলে পিএইচ মাত্রা কমে যায়। ফলে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফাইবার ও পানি থাকার কারণে পেঁপে বা ফুটি জাতীয় ফল খালি পেটে খেতে বারণ করা হয়। কারণ এর ফলে পিএইচ মাত্রা কমে যেতে পারে। দিল্লির শালিমার বাগ ফর্টিস হাসপাতালের নিউট্রিশনিস্ট সিমরন সাইনি জানাচ্ছেন, খালি পেটে এই সব ফল খেলে তা পৌষ্টিকতন্ত্রে পৌঁছনোর আগেই খাদ্যনালীতেই পরিপাক শুরু হয়ে যায়। এর পর পানি খেলে শরীরের পিএইচ মাত্রা কমিয়ে দিয়ে তা হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। এতে খাবার হজম না হওয়ায় শরীরে পুষ্টির জোগান দেওয়ার বদলে তা টক্সিনে পরিণত হয়।

ডায়েরিয়া
শশা বা তরমুজ যদি সঠিক নিয়ম মেনে খাওয়া হয় তা হলে তা হজমে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এই সব ফল মলত্যাগে সাহায্য করে। যদি এই সব ফলের সঙ্গে পানি খাওয়া হয় তা হলে সেই প্রক্রিয়া অতি সক্রিয় হয়ে গিয়ে ডায়েরিয়া হয়ে যেতে পারে।

টিপস
অদিতি জানাচ্ছেন, বিপদ এড়াতে কোনও খাবারের সঙ্গেই পানি না খাওয়া ভাল। পানি উত্‌সেচক পাতলা করে দিয়ে হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। তাই খাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর পানি খাওয়াই ভাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1494473130ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ভরতপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে প্রচণ্ড ঝড়ে দেয়াল ধসে পড়ে ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৮ জন।

গতকাল বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে ১১ পুরুষ, সাত নারী ও চার শিশু রয়েছে বলে রাজস্থানের পুলিশ সুপার অনিল তাঙ্ক জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেয়ালটি ৯০ ফুটের মতো লম্বা এবং ১২ থেকে ১৩ ফুট উঁচু ছিল।

পুলিশ বলছে, ভরতপুর জেলায় গতকাল বুধবার রাতে একটি বাড়ির ‘ওয়েডিং হলে’ অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় ওই অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের লোকজন ওই দেয়ালসংলগ্ন একটি ছাউনির নিচে আশ্রয় নেন। কিন্তু হঠাৎ করেই দেয়ালটি ধসে পড়ে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক অলক বশিষ্ঠ পিটিআইকে বলেন, দেয়ালের সামনের অংশ ও ছাউনি ধসে পড়ে লোকজন আটকা পড়েন।

দেয়াল ধসে নিহতের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি আহতদের সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজশাহীতে জঙ্গি আস্তানায় নিহত ৬, দুই শিশু উদ্ধার

fdae48407248cd7bf84ae47db4e13341-5913fd4e00f31রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের বেণীপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বাড়ির ভেতরে পাঁচ জন আত্মঘাতী হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিস্ফোরণের সময় আহত ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবদুল মতিন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছেন। গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।নিহত আবদুল মতিনের বাড়ি গোদাগাড়ির মাটিকাটা ইউনিয়নেই।

জঙ্গিদের ঘটানো বিস্ফোরণে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ওই বাড়ি থেকে দুটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোর থেকে ওই বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওই আস্তানায় শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘ভোর থেকেই ওই বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ওই বাড়ির ভেতর থেকে একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে আমাদের দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার বেণীপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানায় নিহত পাঁচ জনের মধ্যে চারজন একই পরিবারের। তারা হলেন সাজ্জাদ, তার স্ত্রী বিলি, ছেলে আল আমিন, ও মেয়ে কারিমা। এছাড়া সোহেল নামে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এছাড়া দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জঙ্গি আস্তানা থেকে দুটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলো জুবায়ের (৫) ও দেড় মাসের শিশু আফিয়া। তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর সুমাইয়া নামে এক নারী আত্মসমর্পণ করেছে। শিশুদুটিf07565d7cdae99dc4b1bd366f6cba615-5913e1a156863 তারই বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুমাইয়া অনেকক্ষণ নিহত জঙ্গিদের লাশের পাশে বসে ছিল। তাকে পুলিশ আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালেও  প্রথমে সাড়া মেলেনি। তবে সে শিশু জুবায়েরের কোলে অপর শিশুকে দিয়ে বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেয়।

গোদাগাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুর আলম মুন্সী জানান, বৃহস্পতিবার (১১ মে) ভোর থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বেণীপুর গ্রামে ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ। সকাল পৌনে ৮টার দিকে ওই আস্তানায় শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বাড়ির ভেতরে পাঁচ জঙ্গি আত্মঘাতী হয়। এ সময় বিস্ফোরণে আহত  ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আবদুল মতিন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এছাড়া বিস্ফোরণে আহত দুই পুলিশকে রাজশাহী মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।

ধানক্ষেতের মাঝখানে টিনের ওই বাড়িটির আশপাশের আর কোনও ঘরবাড়ি নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1491813338640আশাশুনি ব্যুরো : মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই আশাশুনির বিভিন্ন ইউনিয়নে শুরু হয়েছে পানির সংকট। সংশ্লি¬ষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রয়োজনের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত, নদীর নাব্যতা হ্রাস ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
নানা কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় কম বৃষ্টি, নদীর নাব্যতা হ্রাস, নদীর উৎস মুখ বাধাগ্রস্ত হওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের তুলনায় স্তরে পানি না জমা অন্যতম। এর ফলে বিভিন্ন উৎপাদক নলকূপ সমূহের পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এছাড়া এর প্রভাব পড়ছে টিউবওয়েলের ওপর। এ কারণে টিউবওয়েল থেকেও মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পাচ্ছে।
আশাশুনিতে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলায় গ্রামের পর গ্রাম মিলছে না পানের উপযোগী পানি। তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে পানির সংকট। উপজেলা সদরে রয়েছে সুপেয় পানির সংকট। উপজেলার অধিকাংশ জায়গায় পানির স্তর নিচে নামতে শুরু করেছে। ফলে নলকূপে পানি উঠানো কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ অনুপযোগী পানি পান করে আক্রান্ত হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগে। উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার পরিবারের লোক সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ। এর মধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ সুপেয় পানি পান থেকে বঞ্চিত।
আশাশুনির পানিকে স্থান বিশেষ শূন্য দশমিক ৫ থেকে শূন্য দশমিক ৯ মিলি লিটার কেলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া রয়েছে পরিসংখ্যান অনুযায়ী আশাশুনি উপজেলায় পানি শুধু পান অনুপযোগী নয় ব্যবহার অনুপযোগী রয়েছে। আশাশুনি উপজেলার খাল বিল, হাওড়, পুকুর, সর্বত্র লোনা পানি তুলে অপরিকল্পিকত ভাবে চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে।।এতে সমগ্র এলাকায় পানি, মাটি, এবং পরিবেশ হয়ে পড়ছে দূষিত। ফলে আশাশুনির মানুষ মাইলের পর মাইল পেরিয়ে পানি সংগ্রহ করছে। সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামগুলোর অবস্থা আরো করুণ। তথ্যানুযায়ী, আশাশুনির গভীর নলকূপের ক্ষেত্রে নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত পানির স্তর দ্রুত নামতে থাকে। ফলে অধিকাংশ পানি নলকূপ দিয়ে উঠে না। এ কারণে উপজেলার অধিকাংশ মানুষ পান করতে বাধ্য হয় অনুপযোগী পানি। পানিতে স্বাভাবিক লবণাক্ততার ১ থেকে ৩ হাজার মিলোসিস সেন্টিমিটার। বাংলাদেশের প্রতি ১০০ মিলিমিটার পানিতে সর্বোচ্চ  চারটি কেলিফার্ম ব্যাকটেরিয়া গ্রহণযোগ্য। জেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের রিপোর্ট অনুযায়ী উপজেলার ৯০ ভাগ নলকূপের পানিতে গ্রহণ যোগ্যতা মাত্রার চেয়ে অধিক আর্সেনিকের উপস্থিতি রয়েছে আশাশুনির দক্ষিণ অঞ্চলের অবস্থা আরও খারাপ।
আশাশুনি উপজেলার মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়না গাঁটের টাকা খরচ করে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা। অথচ আশাশুনির যে দিকে চোখ যায় পানি আর পানি, অফুরান্ত পানি। তবে তা ব্যবহার অনুপোযোগী, অপেয় লবণাক্ততা। আশাশুনির প্রতাপনগর, খাজরা, শ্রীউলা ,অনুলিয়া, শোভনালি, কাদাকাটি, বড়দল এলাকার অধিকাংশ লোকের পানি সংগ্রহ করতে হয় ১০ হতে ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে। এরা সপ্তাহে  দুই দিন কলস কিংবা জারিক্যানে ভরে পানি সংগ্রহ করে থাকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অফিস সূত্রে জানা যায় মতে মাত্রারিক্ত আর্সেনিক,আয়রন,লবনাক্ততা এবং ব্যকটেরিয়া যুক্ত পানি পান করলে হৃদরোগ, যৃকত রোগ, ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মারোগসহ বিভিন্ন কঠিন ও জটিল রোগ হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest