সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শ্রমিকরা। ভোমরা স্থল বন্দরের ৪টি ইউনিয়নের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে। কিন্তু শ্রমিকরা নির্ধারিত মজুরী পাচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে ৪টি ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের  যোগসাজোসে লেবার ঠিকাদার এই মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। উপরোন্ত ভোমরা হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং- খুলনা ১৭২২, ভোমরা বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং- খুলনা  ১৯৬৪ এর নির্বাচন হয়েছে ২০১২ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারি এবং ভোমরা স্থল বন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং- খুলনা ১১৫৫ ও ভোমরা স্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং রেজিঃ নং- ১১৫৯এর নির্বাচন হয়েছিল ইং-২৮ এপ্রিল ২০১২সালে। এ পর্যন্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইউনিয়নের নির্বাচন না দিয়ে ২০১৫ সালে কাগজ কলমে ভূয়া একটি নির্বাচন দেখিয়ে ৪টি ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে থাকার বিরুদ্ধে নির্বাচনের দাবীতে যুগ্ম শ্রম পরিচালক খুলনা বিভাগ বয়রা খুলনা এর নিকট ৪টি ইউনিয়নের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শ্রমিকদের পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তর থেকে সহকারি পরিচালক কনক রাণী ঘোষ সোমবার সকাল ১০টায় তদন্তে আসলে ৪টি ইউনিয়নের ৫ শতাধিক  শ্রমিক ভূয়া নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবীতে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করে। তদন্তকারি কর্মকর্তার নিকট ২০১৫ সালের ভূয়া নির্বাচনের সঠিক কোন কাগজপত্র দেখাতে ব্যার্থ হয়। এছাড়া ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসরাইল গাজীসহ ভোমরা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোনাজাত আলী ও অধিকাংশ ইউপি সদস্যগণ ভোমরা স্থলবন্দরের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষাসহ বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখার স্বার্থে ২০১৫ সালের ভূয়া নির্বাচন বাতিল করে ৪টি শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠানের লিখিত দাবি জানান। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা সদর ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এবং নব-নির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম এই ৪টি হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের  নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সুপারিশ করেছিলেন। তদন্তকারি কর্মকর্তা ৪টি ইউনিয়নের সাধারণ সদস্য স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের নিকট জিজ্ঞাসা করেন যে, উল্ল্যেখিত ৪টি শ্রমিক ইউনিয়নের ২০১২ সালের গোপন ব্যালটের নির্বাচনের পরে আর কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে কিনা। তখন সকলে এক বাক্যে বলেছেন যে, ২০১২ সালের পরে আর কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নাই। এসময় তদন্তকারি কর্মকর্তা উত্তেজিত ও বিক্ষ¦ুর্দ্ধ শ্রমিকদেরকে আশ্বস্ত করেন যে, আমি সঠিক কাজটিই করবো এবং নির্বাচনের ব্যাপারে আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। যারা নির্বাচন চাইছে তাদের বিরুদ্ধে একটি  স্বাথোন্বেষী মহল মামলা হামলার হুমকি প্রদর্শণ করে চলেছে। দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে সমাধান করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব। এভাবে যদি ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় এ ধরনের বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংঙ্খা করছে সাধারণ শ্রমিক ও সচেতন মহল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_93969066_suranjitস্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখনও পর্যন্ত প্রভাব রেখে যাওয়া রাজনীতিবিদের অন্যতম ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

রাজনীতিক হিসেবে সর্বশেষ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য পদে থাকলেও দীর্ঘ কেরিয়ারে ছিলেন নানা ভূমিকায়।

সুপরিচিত এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৪৫ সালে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। রাজনৈতিক কেরিয়ারে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

এমন কী মুক্তিযুদ্ধের আগে ১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জোয়ারের সময়েও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি থেকে মাত্র ২৫ বছর বয়সে নির্বাচিত হয়েছিলেন এই রাজনীতিবিদ।

নব্বই-এর দশকের শুরুতে তিনি যোগ দেন আওয়ামী লীগে।

“তিনি যখন পার্লামেন্টে বক্তৃতা করতেন, সকল সদস্য সেটা তন্ময় হয়ে শুনতেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নাম সব সময় লেখা থাকবে। একজন মহান নেতাকে আমরা হারালাম, তার শূন্যতা পূরণ হওয়া অত সহজ নয়”, বলছিলেন আওয়ামী লীগের আরেক সিনিয়র নেতা তোফায়েল আহমেদ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশ গ্রহণ করা এই রাজনীতিকের একটি অন্যতম পরিচয় ছিল সংবিধান এবং আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে।

মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একজন কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন তিনি।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন সেন্ট্রাল ল কলেজ থেকে।

অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ মানুষের মাঝে বেশি পরিচিত ছিলেন সংসদে তার চাতুর্যপূর্ণ এবং রসাত্মক বক্তব্যের জন্য। রাজনীতিবিদ হিসেবে বিপক্ষের নেতাদেরও সমীহ পেয়েছেন তিনি।

জাতীয় সংসদে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ এবং সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক এবং একে অপরকে কটাক্ষ করার ঘটনা ঘটনা ঘটেছে বহুবার।

“আমরা একই দলে কখনো কাজ করিনি, কিন্তু আমাদের বন্ধুত্ব থেকে গেছে। সত্যিকার অর্থে রাজনীতিবিদ বলতে যেটা বোঝায়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সেই রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম। স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় প্রতিটি সংসদে তিনি ছিলেন, এটিই প্রমাণ করে যে তিনি একজন জনপ্রিয় একজন জাতীয় নেতা ছিলেন”। ‘বন্ধু সুরঞ্জিতের’ মৃত্যুর পর প্রতিক্রিয়ায় বলেন মি. আহমেদ।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ষাটের দশকে ছাত্রজীবন থেকেই জড়িত ছিলেন বামপন্থী রাজনীতির সাথে।

সে সময় থেকে দীর্ঘদিন একসাথে রাজনীতি করেছেন বামপন্থী নেতা পঙ্কজ ভট্টাচার্য। তিনি বলছিলেন, সে সময় নাট্য-অভিনেতা হিসেবেও খ্যাতি ছিল মি. সেনগুপ্তের।

“হলগুলোর নাটকের প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ নাটকে সুরঞ্জিত অভিনয় করেছিল একাধিকবার। আমরা ঠাট্টা করে বলতাম, অভিনেতা থেকে নেতা হয়ে গেছো তুমি”।

পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সবসময়ই বড় ভূমিকা রেখেছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন তিনি।

পরে ২০১১ সালে রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও কয়েক মাসের মাথায় সহকারীর অর্থ কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করে পদত্যাগপত্র দেন। পরে ছিলেন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে।

মৃত্যুকালে জাতীয় সংসদে আইন বিচার এবং সংসদ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন মি. সেনগুপ্ত।

বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের মরদেহে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার।

রোববার খুব ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ৭১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন মি. সেনগুপ্ত। বিকেলে সংসদ প্রাঙ্গনে তার মরদেহে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদেরা।

তার নিজ দল ছাড়াও মি. সেনগুপ্তের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিএনপি, জাতীয় পার্টি-সহ বৃহৎ সকল রাজনৈতিক দলের নেতারা। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1648175576_1486340800ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের কাছে চ্যাপেল-হ্যাডলি তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে হেরে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিং নিয়ে বিপাকে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া।

সিরিজ হারে দুই রেটিং কমেছে অসিদের। ফলে শীর্ষস্থান হারানোর দ্বারপ্রান্তে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয়স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে তাদের রেটিং এখন সমান ১১৮। তবে ভগ্নাংশের হিসাবে এগিয়ে থেকে এখনো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া।

তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ জিতে গেলেই এককভাবে শীর্ষস্থান দখলে নিবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ইতিমধ্যে প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়ারা।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ২ রেটিং বেড়েছে নিউজিল্যান্ডের। ফলে ভারতকে টপকে র‌্যাঙ্কিং তালিকায় তৃতীয়স্থানে উঠে এসেছে কিউইরা। ১১২ রেটিং নিয়ে চতুর্থস্থানে নেমে গেছে ভারত। ৯১ রেটিং নিয়ে সপ্তমস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_2045484226_1486350744ডেস্ক: আফগানিস্তানে তুষারধসে এক গ্রামে ৫০ ব্যক্তিসহ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। গত কয়েকদিনের অব্যাহত ভারী তুষারপাতের ফলে এ তুষারধসের ঘটনা ঘটেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দেশটির প্রধানত উত্তরাঞ্চলীয় এবং মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে তিন দিনের ভারী তুষারপাতের পর তুষারধস আঘাত হানে। এতে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া, রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধারকর্মীরা যেতে পারছেন না।

তুষারধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা নুরিস্তান প্রদেশে ঘটেছে। এ প্রদেশের একটি গ্রামেই অন্তত ৫০ ব্যক্তি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওমর মোহাম্মদ। অন্যান্য এলাকায় অন্তত ৫৪ ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ১৬৮টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং শতশত গৃহপালিত পশু মারা গেছে।

খারাপ আবহাওয়া এবং গভীর তুষারের কারণে ত্রাণ তৎপরতা চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ত্রাণকর্মীরা বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোতে পৌঁছাতে পারছেন না। সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1257696832_1486313986সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে দৈনিক সমকালের সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেয়র (সদ্য বহিষ্কৃত) হালিমুল হক মিরুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রবিবার রাতে রাজধানীর শ্যামলী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে রাতেই সিরাজগঞ্জ নেয়া হচ্ছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ও সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিরাজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির রমনা জোনাল টিম ও সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির সমন্বয়ে একটি যৌথ দল ইন্সপেক্টর দীপক দাসের নেতৃত্বে মিরুকে গ্রেফতার করে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দক্ষিণের উপ-কমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ জানান, সাংবাদিক শিমুল গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই মেয়কে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছিল। মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে মেয়রের অবস্থান শনাক্ত করে তাকে রাজধানীর শ্যামলী মোড় থেকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় মোটরসাইকেলে চড়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।

গ্রেফতারের পর মেয়র হালিমুল হক মিরুকে সিরাজগঞ্জ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে শাহজাদপুর পৌর মেয়র মিরুর শটগানের গুলিতে আহত শিমুল শুক্রবার মারা যান।

নিহত শিমুলের স্ত্রী কামরুন্নাহার বাদী হয়ে মেয়রসহ ১৮ জনকে আসামি করে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে সাতজনকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন মিরুসহ আটজন গ্রেপ্তার হলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরা সড়কের ফুলতলা থেকে বিজিবি’র বাঁশকল পর্যন্ত সড়কের দু’ ধারের জেলা পরিষদের জায়গা ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে দখলমুক্ত করে ইজারা গ্রহীতাদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। রোববার ভোমরা এলাকার ১৪ জন ইজারাগ্রহীতা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর এ আবেদন করেছেন। ভোমরা গ্রামের আনারুল ইসলাম, এবাদুল হক, আব্দুল খালেক ও জালালউদ্দিনসহ ১৪ জন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক বরাবর এক আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে তারা ভোমরা থেকে আলীপুর সড়কের দু’ ধারের ভোমরা মৌজার ১/১ খতিয়ানের ১৮৪৫ ও ১৭৮৮ দাগের জেলা পরিষদের জমি একসনা বন্দোবস্ত নিয়ে ভোগদখল করে আসছেন। ১৯৮১ সালের ১২ আগস্ট ভোমরা -সাতক্ষীরা সড়কের ফুলতলা-বাঁশকল পর্যন্ত ভোমরা মৌজার দক্ষিণ পাশের এ একর ৬০ শতক জমি শহরের কাটিয়ার জনৈক আবুল হোসেন তৎকালিন মহকুমা প্রশাসকের কাছ থেকে চাষ করার জন্য বাংলা ১৩৭৬-১৩৮১ সাল পর্যন্ত লীজ নেয়। দু’ দিন না যেতেই ১৪ আগষ্ট ওই জমি অবৈধভাবে সাবেক তহশীলদার গোলাম মোস্তফা ও জিন্নাত আলীর কাছে রেজিষ্ট্রি কোবালা (৭৬৯৪/৮১ ও ৭৬৯৫/৮১) মূলে ৮০ শতক করেন বিক্রি করেন আবুল হোসেন। ১৯৮৯ সালের ৪ ডিসেম্বর তাদের কাছ থেকে ওই জমি কেনেন ভোমরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, রোকেয়া ও আফছার আলী, অছিয়া, মাসুরাসহ কয়েকজন। শহীদুল ইসলাম ওই জমি গনি সরদারসহ কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। জেলা পরিষদের ওইসব জমি নিজেদের নামে রেকর্ড করার জন্য ৩০ ধারায় আবেদন করেও ভূমিদস্যুরা প্রভাব খাটিয়ে জেলা পরিষদ কর্মকর্তা ও তাদের আইনজীবীদের অনুপন্থিত দেখিয়ে নিজেদের নামে রেকর্ড করান। এ সময় সেটেলমেন্ট অফিস ওই জমির (এক একর ৬০ শতক) জন্য বিএস ৯৯১ নং খতিয়ান খোলে। তারা আরো জানান, সারা দেশে জেলা পরিষদের জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ায় তা নিজেদের অনুকুলে ফিরিয়ে আনার জন্য ২০০৫ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পেয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি ভূমি কমিশনারদের চিঠি দেওয়া হয়।এ ছাড়া অনিয়মের মধ্যে জমির মালিকানা পাওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা(৩৫৮/১৫) করা হয়। একইসাথে ওই রাস্তার উত্তর ও দক্ষিণ পাশের জেলা পরিষদের অব্যবহৃত সকল জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানী ১৪৯/১৫ নং মামলা করা হয়। তবে কৃষি বা জলাশয় দেখিয়ে স্থানীয় কমপক্ষে ২০ জনের নামে ২০১৫ সাল থেকে এক বছরের জন্য নামমাত্র টাকায় বন্দোবস্ত দেয় জেলা পরিষদ। ডিসিআর পেয়েই তারা অনেকে জমির দখল বুঝে নেন। এমন এক পরিস্থিতিতে গত ২৪ জানুয়ারি বা তার পরবর্তী সময় থেকে ইজারা গ্রহীতাদের মাছ লুট করে পুকুরে মাটি ফেলে বা টিনের শেড দিয়ে রাখা জমিতে পিলার নির্মাণের মাধ্যমে পাকা ভবন নির্মানের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রফিকুল ইসলামের ছেলে সহিংসতা মামলার জেলখাটা আসামি মিজানুর রহমান মিণ্টু, জেলা যুবলীগের এক শীর্ষ নেতা বিভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে যে কোন মূল্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার হুমকি দিয়ে চলেছেন। একসনা ইজারা গ্রহীতারা জানান, সরকারিভাবে ডিসিআর পেলেও তাদেরকে জমি থেকে উচ্ছেদ করে দখল পাকাপাকি করার চেষ্টা চালাচ্ছে রফিকুল, শহীদুল, আকবর আলীসহ একটি মহল। গত পহেলা ফেব্রুয়ারি সকালে তারা জেলা পরিষদ প্রশাসককে অবহিত করলে তিনি সার্ভেয়ার পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। বিষয়টি জানানো হলে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এ ব্যাপারে ভোমরার সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম দলিল মূলে কিনে খাজনা পরিশোধ করা জমিতে ভবন নির্মাণে কোন বাধা নেই বলে জানান। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহাবুবর রহমান জানান, রোববার তারা ১৪জন ইজারা গ্রহীতার আবেদন পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে জরুরি সভা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে গত বৃহষ্পতিবার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সার্ভেয়রকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি নিশ্চিত করেন। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদের তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে তাদেরকেই। সেক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। তবে এ ধরনের নির্মাণ কাজ জেলার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য হুমকি স্বরুপ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ২ শতাধিক আইনজীবীদের আবেদনে প্রেক্ষিতে জেলা আইনজীবী সমিতির তলবি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টায় জেলা আইনজীবী ভবনে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. আব্দুল মুজিদ-২ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে সংগঠনের সভাপতি এড. আব্দুল মুজিদ-২ তার বক্তব্যে বলেন, ১৮৭২ সালে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির প্রতিষ্ঠত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে এই সংগঠনটি পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু কোন দিন তলবি সভার প্রয়োজন হয়নি। এছাড়া গঠনতন্ত্রেও এধরনের তলবি সভার বিধান নেই। যে কারণে এসভা বাতিল করা হলো। এরপর হৈ চৈ শুরু হলে সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে সেটি শান্ত করা হয়। তবে আগামি বুধবার সিনিয়র আইনজীবীদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা করার প্রস্তাব দেন সংগঠনের সভাপতি এড. আব্দুল মুজিদ-২। এদিকে একাধিক আইনজীবী জানান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রায় ২ শতাধিক আইনজীবী এ তলবী সভার আবেদন করেন। কিন্তু যে কারণে সভা আহ্বান করা হয়েছিল সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন অনেক আইনজীবী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, এড. ওসমান গণি, এড. স.ম সালাউদ্দিন, এড. আব্দুল লতিফ, এড, আবু বকর, এড. সরদার আমজাদ হোসেন, এড. আবুল হোসেন-২, এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, এড. শাহানাজ পারভীন মিলি, এড. আকবর আলী, এড. শামসুদ্দোহ খোকন, এড. রেজাউল ইসলাম, এড. আশরাফুল আলম, এড. ইখলেছার আলী বাচ্ছু, এড. নিজাম উদ্দীন, এড. অহেদুজ্জামান, এড. বসির বাবু, এড. শাহানুজ্জামান শাহীন, এড. নুর মোহাম্মদ, এড. আব্দুস সোবহান মুকুল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

SAMSUNG CAMERA PICTURES

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেছেন নূর আহমেদ মাসুম। তিনি বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দিন হাসানের কাছ থেকে দায়িত্বভার বুঝে নেন। নবাগত ভূমি কর্মকর্তা পূর্বের কর্মস্থল সাতক্ষীরা থেকে একই জেলার মধ্যে কালিগঞ্জ উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। রবিবার প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। বিদায়ী ভূমি কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা নড়াইল জেলা সদরে বদলী হলে নবাগত ভূমি কর্মকর্তা নূর আহমেদ মাসুম কালিগঞ্জ উপজেলায় যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলায় বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest