সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তিন গৃহবধুসহ ৪ জনকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে এক গৃহবধুর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৬টায় আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের কাপসন্ডা এলাকায় এঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, কাপসন্ডা গ্রামের শাহাজান আলীর স্ত্রী সালমা খাতুন, আব্দুর রহমানের পুত্র রহমত সরদার, মনিরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বেগম এবং মোহাম্মাদ আলীর কন্যা খাদিজা খাতুন।

ভুক্তভোগীরা জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার মৃত নাজির আলী গাজীর পুত্র আলী বক্স এবং তার পুত্রদের সাথে শাহাজান আলীগংয়ের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ১ আগস্ট মঙ্গলবার ভোরে আলী বক্স গাজীর নেতৃত্বে তার পুত্র শিমুল গাজী, আব্দুল্লাহ গাজী, হযরত আলী গাজী এবং তার ভাই মাওলা বক্সসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শাহাজান আলীদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর, লুটপাট করতে থাকে। এতে বাধা দেওয়া তাদের অতকির্ত মারপিট করে এসময় সালমা খাতুন, সেলিনা বেগম, খাদিজা খাতুন এবং রহমত আলী আহত হয়। এছাড়া সালমা খাতুনের স্বামী-শ^শুর রেনুপোনার ব্যবসা করে। ফলে ঘরে থাকা ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় উল্লেখিত ব্যক্তিরা। উক্ত সময়ে বাড়িতে অন্যন্যা পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগ বুঝেই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সেলিনা বেগম। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন।

আহতদের মধ্যে সালমা খাতুনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের শ^শুর মনিরুল ইসলাম উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ে মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় একটি এজাহার দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শ্রান্তি বিনোদনের জন্য কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই কর্মচারি রাশেদুল ইসলাম খান ও মো. আরিফ বিল্লাহ। কতৃপক্ষের কাছে পরিবারকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার অজুহাত দেখালেও তাদের দু’জনই বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।
প্রথমজন চেক জালিয়াতির মামলায় বিচারিক আদালতের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মসমর্পন করে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে জেল খাটছেন গত রোববার থেকে। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়ে ২৭ জুলাই থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী।
অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ দুই কর্মচারী শ্রান্তি বিনোদনের ছুটির নামে কারাগারে আটক থাকা সত্ত্বেও নিশ্চুপ কতৃপক্ষ। বরং কারান্তরীণ হওয়ায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে অনুপস্থিত দুই কর্মচারীর বদলী ‘ডিউটি’ করানো হচ্ছে অন্যদের দিয়ে।

জানা যায়, ২৩ জুলাই ঢাকার মিরপুরের একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক আরিফ বিল্লাহ। চাকরি পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া আরিফকে নিয়োগ বাণিজ্য ও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার মোবাইল ফোনে স¤প্রতি অনুষ্ঠিত কয়েকটি দপ্তরের প্রশ্নপত্রসহ আরও কিছু নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়াদীর প্রমান পায় অভিযান পরিচালনাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তার হয়ে তিন দিন ডিবি হেফাজতে থাকার পর গত ২৭ জুলাই আরিফকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়। তবে আটকের পর তিন দিন পর্যন্ত হেফাজতে থাকার সময় সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আদালত রিমান্ড না মঞ্জুর করে আরিফকে কারাগারে প্রেরণ করেন। শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের ইসমাইল হোসেনের ছেলে আরিফ মাত্র ১০ বছরের চাকরি জীবনে উপজেলা সদরের বাদঘাটা মৌজায় কোটি টাকার তিনটি প্লটের মালিক হয়েছেন। এছাড়া দুটি বাড়িসহ প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন নিয়োগ বানিজ্য আরও চাকুরীর প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িয়ে।

এর আগে চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় ২৬ জুন সাতক্ষীরা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত পুর্বের জামিন বাতিল করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী মেডিকেল অফিসার রাশেদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে। বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে কোনভাবে কারাজীবন এড়ানোর সুযোগ না পেয়ে গত ৩০ জুলাই তিনি আত্মসমর্পন করে কারাগারে ঢুকেছেন উচ্চ আদালতে জামিন আবেদনের সুযোগ নিতে। জানা যায় শুরুতে সাজার বিষয়টি গোপন রেখে তিনি কর্মস্থলে দিব্যি দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রতারণার ঘটনায় জানাজানি হলে গত ৮ জুলাই থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এসময় শুরুতে ১৫ দিনের ছুটির আবেদন করলেও গত ২৪ জুলাই দ্বিতীয়বার ছুটির আবেদন জমা দেন।

এসব বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান জানান ছুটির আবেদন করে উভয়ে অনুপস্থিত। তারা কারাগারে রয়েছে কিংবা সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন এসব তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞ আদালতের কোন নির্দেশনাও পায়নি। তবে আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়ে ইতোমধ্যে সিভিল সার্জন স্যারকে বিষয়টি জানিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে আয়েশা খাতুন (৬০) নামের এক বয়স্ক বিধবা মহিলার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা
হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টার দিকে আশাশুনির ফকরাবাদ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ
উদ্ধার করে পুলিশ।আয়েশা খাতুন আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে বালিশ চাঁপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে,এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এদিকে, পুলিশ নিহতের ছেলে রমজান আলী (৩২) ও ছেলে বউ মিনারা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আয়েশা খাতুন ফকরাবাদ গ্রামের মৃত আক্কাস মোল্যার স্ত্রী। মামলার বাদি নিহতের ভাই মোন্তাজুল ইসলামের
স্ত্রী রাশিদা খাতুন জানান, আক্কাছ মোল্যার মৃত্যুর পর থেকে আয়েশা খাতুন ছেলের সংসারে থাকতেন।
খাওয়া দাওয়া নিয়ে প্রায়ই ছেলে বউ তাকে বকাঝকা ও মারপিট করতো। বুধবার সকালে তার ছেলে রমজান ও
বউমা মিনারা খাতুন তার সাথে প্রথমে বকাঝকা ও পরে মারপিট শুরু করে।

গণ্ডগোলের এক পর্যায়ে তারা বালিশ চাঁপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে দেয়। এরপর তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে চিৎকার করতে থাকলে প্রতিবেশি শিল্পী খাতুনসহ অন্যরা এগিয়ে এসে ওড়ানা কেটে তাকে আড়া থেকে নামান। তৎক্ষনাৎ স্থানীয় এক চিকিৎসককে ডাকা হলে  তিনি পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার বাদি নিহতের ভাই মোন্তাজুল ইসলাম জানান,ভাগ্নে ও ভাগ্নে বউয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ
ছিলেন আমার বোন।বোনকে হত্যা করে আড়ায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা
করেছেন,আমরাতো সেটা দেখিনি। তবে বোনের মৃত্যুর সংবাদে

ভাগ্নে পালিয়ে যাচ্ছিল। একপরযায়ে পাশের রামনগর গ্রাম থেকে জনতা তাকে আটক করে পুলিশে
সোপর্দ করে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম পিপিএম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থানে গিয়ে
সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে,
পারিবারিক কলহে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। এঘটনায় নিহতের ভাই মোন্তাজুল ইসলাম বাদি হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা করেছেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে সঠিকভাবে জানা যাবে,তার মৃত্যুর কারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনার প্রান্তিক মানুষের যাপিত জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘নোনা পানি’। বেঙ্গল ক্রিয়েসন্ লি: প্রযোজিত ও সৈয়দা নিগার বানু পরিচালিত ‘নোনা পানি’ চলচ্চিত্রটি সমগ্র বাংলাদেশে বিকল্প প্রদর্শনীর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাতক্ষীরায়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাতক্ষীরার আয়োজনে আগামি ৫ আগস্ট ২০২৩, শনিবার, বিকাল ৪টায় একাডেমির মিলনায়তনে সিনেমাটি দেখানো হবে।
‘নোনা পানি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক বলেন- ‘নোনা পানি’ টিমের জন্য এটা খুবই আনন্দের যে, সাতক্ষীরায় সিনেমাটি দেখানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ সিনেমাটি দেখে গল্পের সাথে নিজেদের যুক্ত করতে পারবেন কারণ ‘নোনা পানি’ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে। এছাড়া সিনেমাটির বেশ কিছু অংশ নকিপুর জমিদার বাড়ি, শ্যামনগর যশোরেশ^রী মন্দিরে শুট করা হয়েছিল।’

‘নোনা পানি’ সিনেমাটি রোম্বা, দশপাই, কৃষ্ণা নামে তিনজন প্রান্তিক মানুষের গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে। রোম্বা, স্বামী পরিত্যক্ত মা, যার পেশা নদী থেকে চিংড়ির রেণু সংগ্রহ করা। দশপাই, সে নারী না পুরুষ তাই নিয়ে ধন্ধ কাটে না গ্রামের মানুষের। গ্রামের মেয়েদের নাক কান ফুটিয়ে জীবন নির্বাহ করা দশপাইয়ের মুক্ত পৃথিবী হলো একটি রেডিও। অন্য দিকে যাত্রাদলের কৃষ্ণা টিঁকে থাকার লড়াইয়ে জয় পরাজয়ের মুখোমুখি।

এই তিনটি চরিত্র ছাড়াও এদের চারপাশে আরো বহু চরিত্র রয়েছে, সিনেমাটিতে উঠে এসে তাদের কথা। সব চরিত্রই চায় গ্রামে থিতু হতে, চায় আত্মপরিচয়। এই আকাঙ্খাকে মর্যাদা দিতে গিয়ে তারা কখনো কখনো নিজ নিজ জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে চায়। ছুঁড়ে ফেলতে চায় অসহায়ত্বের ঘেরাটোপ। এসব চরিত্র নিয়েই গড়ে উঠেছে চলচ্চিত্র ‘নোনা পানি’। এই সিনেমা’র সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিনেমাটিতে এ অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা ও লোক গান ব্যবহার করা হয়েছে।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাতক্ষীরার আয়োজনে ‘নোনা পানি’ সিনেমাটির প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত। আগে আসলে আগে সীট বরাদ্দ ভিত্তিতে প্রদর্শনীটি ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকলের উপস্থিতি কামনা করছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ , ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা সোমবার (৩১ জুলাই) বিকালে দেবহাটা বিবিএমপি সরকারী ইনস্টিটিশন মাঠে, দেবহাটা উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে। ট্রাইব্রেকারে কুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় বালকদের ৩-১ গোলে ঘলঘলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ছেলেরা উপজেলা চ্যাম্পিয়ান কাপ ছিনিয়ে নেন।

অপরদিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে। দেবহাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকাদের ১-০ গোলে সখিপুর দিঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়েরা উপজেলা চ্যাম্পিয়ান কাপ ছিনিয়ে নেন ।

উক্ত খেলায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে. প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মনি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান সবুজ, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলী মোর্তজা মোঃ আনোয়ারুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আজহারুল ইসলাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা বৃন্দ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করে অভয়ারন্য এলাকায় মাছ ধরার অভিযোগে সাত জেলেকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে সুন্দরবনে নিরাপত্তা টহল দেওয়ার সময় সাতক্ষীরা রেঞ্জের স্মার্ট প্যাট্টল টিমের সদস্যরা সুন্দরবনের আগুনজালা নামক স্থান হতে মালামাল সহ জেলেদের আটক করে।

এসময় জেলেদের ব্যবহৃত ৫০লাখ টাকা মূল্যের ১টি ফিশিং ট্রলার, মাছ ও জাল সহ আনুসঙ্গিক মালামাল জব্দ করে স্মার্ট প্যাট্টল টিমের সদস্যরা।

আটক সাত জেলে হলেন- পাইকগাছা থানার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মজিদ সরদার, সুনিল বিশ্বাসের ছেলে সোনা বিশ্বাস ও সুশান্ত বিশ্বাস, বাগেরহাট সদর এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে সেলিম হাওলাদার, খুলনা সদরের করিম গাজীর ছেলে আক্কাজ ও জামির হোসেন ও রহিম গাজীর ছেলে বাচ্চু গাজী।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম কে এম ইকবাল হোসেন চৌধুরী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অবৈধভাবে মাছ ধরার অভিযোগে জেলেদের আটক করে বন আইনে (সিওআর) ১৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ৩২ জামায়াত ও শিবিরকর্মী পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। গতকাল সোমবার(৩১ জুলাই) দিনভর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় আমতলা এলাকায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই বিশাল ঝটিকা মিছিল বের করে জামায়াত। এরপর তারা নাশকতার চেষ্টা করছিলো। পরে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম জানান, আজ গ্রেপ্তার আসামীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্যের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের নায়েবে আমির পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার মৃত. ঈমান আলীর পুত্র মাও: মোস্তাফিজুর রহমান, ধুলিহরের জিয়ালা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র ধুলিহর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইয়াছিন আলী, রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আবু বাক্কারের পুত্র ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ওসমান গণি,মিয়াসাহেবের ডাঙ্গী গ্রামের আ: মাজেদের পুত্র ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল হান্নান, মৃগীডাঙ্গা গ্রামের মৃত সমির উদ্দীন সরদারের পুত্র বৈকারী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রবিউল ইসলাম, গাজীপুর গ্রামের আব্বাস আলী গাইনের পুত্র ঘোনা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ গাইন, কাথন্ডা গ্রামের মৃত গাজী আতিয়ার রহমানের পুত্র কাথন্ডা জামায়াতের সেক্রেটারী ওহিদুজ্জামান, ঘোনা গ্রামের মৃত আকবর সরদারের পুত্র ঘোনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি সাঈদুজ্জামান মিঠু গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত কেছমত আলী সরদারের পুত্র ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য জিহাদ সরদার, গদাঘাটা গ্রামের মৃত মোকছেদুর রহমানের পুত্র শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের কার্যকরি সদস্য রেজাউল ইসলাম,
কামারসাইসা গ্রামের মৃত ঈমান আলী গাজীর পুত্র বাঁশদহা ইউনিয়ন জামায়াতের সদস্য গোলাম মোস্তফা, সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া ঢালীপাড়া গ্রামের মৃত রাজ্জাক ঢালীর পুত্র ১নং ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী খাইরুল ইসলাম, ভাড়–খালি গ্রামের মৃত কামাল উদ্দীন মোড়লের পুত্র জামায়াত কর্মী আলমগীর হোসেন, মাগুরা মোল্লাপাড়া গ্রামের আইনুদ্দীন মোল্ল্যার পুত্র সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ ছাত্র শিবিরের সাবেক সেক্রেটারী মোনজেল হোসেন, গোবিন্দকাটি গ্রামের আরশাদ আলী দফাদারের পুত্র ওয়ার্ড জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী মো: আইয়ুব আলী, একই গ্রামের মৃত শেখ আব্দুর রউফের পুত্র জামায়াত কর্মী আব্দুর মো: আব্দুল হান্নান, বালিতা গ্রামের নুর আলী গাজীর পুত্র জামায়াত কর্মী শের আলী, দক্ষিণ ফিংড়ী গ্রামের মৃত শেখ মোহাম্মদ আলীর পুত্র জামায়াতকর্মী শেখ আকবর আলী, একই সিরাজুল ইসলামের পুত্র জামায়াত কর্মী হুসাইন কবির, ছয়ঘরিয়া কালিয়ানি গ্রামের মৃত আকবর আলীল পুত্র জামায়াত কর্মী আশরাফ আলী, পলাশপোল জজকোর্ট এলাকার আব্দুল ওয়াজেদের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম, পাটকেলঘাটা গ্রামের শহিদুল ইসলামের পুত্র জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমান, মোচড়া গ্রামের মৃত রহিম বক্স সরদারের পুত্র বল্লি ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম,সাতক্ষীরা সদরের মৃত শহর আলী মোল্লার পুত্র খলিলনগর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ইউনুছ আলী বুলু, দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের মৃত মোক্তার সরদারের পুত্র ইদিস সরদার, ওলিউর রহমানের পুত্র আব্দুল্লা আল মাহমুদ, মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত ইউসুছ আলীর পুত্র সাতক্ষীরা পৌর ২নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির আব্দুল রহমান, পাটকেলঘাটার দুধলাই গ্রামের মৃত খাদেমগাজীর পুত্র জামায়াত সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী রেজাউল করিম নুনু, গনেশপুর গ্রামের সুজায়েত আলী সরদারের পুত্র জামায়াত সদস্য কাদের সরদার, পাঁচপাড়া গ্রামের মৃত অজিয়ার রহমানের পুত্র শামসুজ্জামান, মানিকহার গ্রামের মৃত আনিছ উদ্দীনের পুত্র জামায়াত কর্মী রিয়াজ উদ্দীন শেখ, সরুলিয়া গ্রামের মৃত মেসের ঢালীর পুত্র জামায়াত কর্মী হালিম ঢালীসহ মোট ৭৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন প্রচারনায় মতবিনিময় সভা করেছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম।

১ আগস্ট সোমবার বিকালে ঝাউডাঙ্গা বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস।
উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, আওয়ামী লীগের সদস্য সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান।

জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, সদস্য মহাদেব সাহা, আসাদুজ্জামান আসাদ, মশিয়ার রহমান ঈদুল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমরেন্দ্র নাথ, সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামী আওয়ামী সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদ রানা।
এসময় নজরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামীলীগের সরকারের সময়ে দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে। তা স্বাধীনতা পরবর্তীতে সময়ে আর কোন সরকারের সময়ে হয়নি। আজ সারের জন্য কৃষককে জীবন দিতে হয় না। দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে পুনরায় নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest