সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ধুমঘাট‌ অন্তাখালি‌ এলাকায় ঈশ্বরীপুর‌ ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় সরকারি জায়গার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার ১২টার দিকে ঈশ্বরীপুর‌ ইউনিয়ন ধুমঘাট‌ অন্তাখালি‌ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ধুমঘাট‌ অন্তাখালি‌ গ্রামের মৃত্যু নূর আলী গাজী পুত্র ইয়ারাব গাজী মালয়েশিয়া প্রবাসী’র স্ত্রী
স্থানীয় কাঠ ব্যাবসায়ী আব্দুল হোসেন,
বাক্কার, নেছার, দের দিয়ে ক্লিনিক মোড় থেকে ধুমঘাট গামি‌ অন্তাখালি‌ এলাকায় রাস্তার পাশে সরকারি জায়গার গাছ কাটে।

এ ব্যাপারে ইয়ারাব গাজী মালয়েশিয়া প্রবাসী’র স্ত্রী কাছে সরকারি জায়গার গাছ কাটছেন কেনো জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে পাঁচিল দেওয়া হবে। আমি আমাদের চেয়ারম্যান এর কাছে বলেছি। তিনি কাটতে বলেছেন। তিনি আরো জানান, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা মুনজির‌ আহাম্মেদ এসে আমাদের গাছ সরাতে নিষেধ করে দিয়েছে। এবং জমির কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে যেতে বলেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ স্বামী দেশের বাইরে (মালয়েশিয়া) থাকায় স্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে রাস্তার পাশে সরকারি জায়গার গাছ কাটে নিচ্ছে। তিনি কাউকে তোয়াক্কা করে না, সবাইকে ম্যানেজ করে ফেলতে পারে তার বাবার বাড়ি বংশীপুর।

ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মুনজির‌ আহাম্মেদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি সরজমিনে গিয়ে তাদের গাছ সরাতে নিষেধ করে দিয়েছি তাদের অফিসে আসতে বলেছি, মাপ জরিপ শেষ যদি সরকারি জায়গা গাছে হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঈশ্বরীপুর‌ ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিএম শুকুর আলী কাছে আপনার নির্দেশে সরকারি জায়গার গাছ কাটা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তাদের গাছ কাটার জন্য বলবো কেনো, আমি দেখে তাদের নিষেধ করেছি, তারপরেও যদি তারা এ কাজ করে থাকে তাহলে ভূমি অফিস তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় একইদিনে দুই কিশোরী ও এক বালকের বাল্যবিবাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল কুদ্দুস এ আদেশ জারী করেন।
রবিবার তাদেরকে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, শুক্রবার দুপুরে তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কলিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং শতদল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ের খবর শোনা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে জাতপুর ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই অশোক কুমার তালুকদার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মীবৃন্দ সেখানে হাজির হয়। এ সময় তারা বিয়ে বন্ধ রাখে এবং রবিবার তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার অঙ্গীকার করেন।
এদিকে একইদিন তালা সদর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামে পাশাপাশি দুই ছেলে মেয়ের বাল্যবিবাহের কথাবার্তা চলার অভিযোগ পেয়ে মহিলা বিষয়ক অফিসের টিম ঘটনাস্থলে হাজির হয়। এ সময় অভিভাবকদের ছেলে মেয়ে ও বয়সের কাগজপত্রসহ রবিবার অফিসে আসতে বলা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কিশোর কিশোরী ক্লাবের দুই  আবৃত্তি শিক্ষক খাদিজা লিমা এবং আনিছা খাতুন।
তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রুহুল কুদ্দুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে আমন ধান ঘরে তোলার পর আগাম তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অধিক লাভের আশায় তারা এ তরমুজ চাষ করছেন। তবে বীজ ও স্যারের দাম বেশি থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় এবছর কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে  তরমুজ করছেন কৃষকরা। আগামী মার্চ/এপ্রিল মাসেই তরমুজ বাজারে পাওয়া যাবে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কেউ কেউ চারাগাছের পরিচর্যা করছেন, কেউবা পানি সেচ দিচ্ছেন, কেউবা আবার মাটির সাথে সার মিশাচ্ছেন। সবমিলিয়ে তরমুজ ক্ষেতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
খুটিকাটা গ্রামের কৃষক নীলকমল মন্ডল জানান, বাজারে যার তরমুজ যত আগে উঠবে, তার লাভ ততো বেশি হবে। তাই আগে-ভাগেই তরমুজ চাষ শুরু করেছি। তবে সারের দাম একটু বেশি। এবার ১.৫ একর জমিতে আগাম চাষ করার প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রতি বিঘা জমিতে সার ঔষধ খরচ হবে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। বীজের দাম বেশি থাকায় খরচের পরিমানটা একটু বেশি হতে পারে। বীজ ও সারের দাম সহনীয় রাখার দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া প্রতিবছরের ন্যায় এবারও তরমুজ চাষে ভাল লাভবান হবো বলে আশা করছি।
অত্র এলাকায় নীলকমল মন্ডল ছাড়াও কামাল হোসেন, আলমাদানী, প্রনয় মন্ডল, সূর্য মন্ডল, ইফতেখার আলী, ব্রজেন মন্ডল, আইয়ুব আলী ও আব্দুল মাজিদও এ বছর তরমুজ চাষ করছেন।
তরমুজ চাষীরা জানান, কৃষি অফিসার আমাদের কে সব সময় পরামর্শ ও নানান ভাবে সহযোগিতা করছেন। আমাদের তরমুজ চাষ দেখে এ এলাকায় নতুন নতুন তরমুজ চাষী তরমুজ চাষের উদ্যোগ নিয়েছেন।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (গোবিন্দপুর ব্লক) শামসুর রহমান বলেন, অনেক কৃষকই আগাম তরমুজ চাষ করছেন। ভাল ফলনের লক্ষে এসব চাষীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর শ্যামনগর সর্বদা তরমুজ চাষীদের সাথে আছে। এখানে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল মিষ্টি পানির সমস্যা। তবে অত্র এলাকায় চলতি মৌসুমে কয়েকটি মিষ্টি পানির পুকুর খনন করা হয়েছে। আশাকরা যাচ্ছে এসকল পুকুরে মিষ্টি পানির সরবরাহ থাকলে আগামীতে তরমুজের আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে। এ বছর অত্র ইউনিয়নে ২৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ প্রতিনিধি :

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কতৃক বাস্তবায়নাধীন “১০০ টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন ” শীর্ষক প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনের লক্ষে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলাধীন নবনির্মিত শ্যামনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এর সচিব আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন।

শুক্রবার ১০ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২ টায় শ্যামনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এসে পৌঁছায় তিনি।

সচিব আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান  শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মোঃ আক্তার হোসেন, শ্যামনগর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আবুল খায়ের মোহাম্মদ বাহাউদ্দীন, সাতক্ষীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর নির্বাহী প্রকৌশলী রিংকন বিশ্বাস,  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর এর সহকারী প্রকৌশলী হাসিব শেখ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান খান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মধু ট্রেডার্স এর প্রোপাইটার শফিকুল ইসলাম মধু প্রমুখ।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা খুলনা সড়কের বিনেরপোতা এলাকায় দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক হাফেজের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো দুইজন।

মারা যাওয়ার হাফেজ জুবায়ের হোসেন সাতক্ষীরা শহরের ইটগাছা গ্রামের শেখ কবিরুজ্জামানের পুত্র।

শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের বিনেরপোতা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সাতক্ষীরার ইটাগাছার শেখ কবিরুজ্জামানের ছেলে হাফেজ শেখ জুবায়ের সহ আরো দুইজন একটি মোটর সাইকেলে সাতক্ষীরা থেকে খুলনা অভিমুখে রওনা হয়। পথিমধ্যে বিনেরপোতা এলাকায় পৌছালে সামনের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাফেজ জুবায়েরকে মৃত ঘোষণা করেন।

এঘটনায় আহত তালা উপজেলার পাটকেলঘাটার তরিকুল ইসলাম ও রাহাতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তরিকুল ইসলামের অবস্থার আরো অবনতি ঘটায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফখরুল আলম জানান, নিহতের পরিবারের লিখত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হাফেজ শেখ জুবায়ের হোসেনের মরদেহ তার পিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ব্যতিক্রম এই পৃথিবীতে একটু সুখের আশায়, চলো মোরা জীবন তরী হাওয়ার উপর ভাসাই ‘-এভাবেই লেখা ছিল শিক্ষা সফরের ব্যানার। শিক্ষা সফরে গিয়ে হারিয়ে গেলো সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী মোঃ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ সৈকত হোসেনের প্রাণ।

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) স্কুলের পক্ষ থেকে শিক্ষা সফরে যায় তারা। শিক্ষা সফরের নির্ধারিত স্থান ছিল রূপসা সেতু, টুঙ্গিপাড়া, ভাঙ্গা গোল চত্বর ও কালনা সেতু। ৬টি বাসে স্কুলের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষকরা শিক্ষা সফরের যাত্রা শুরু করেন। বিভিন্ন স্থান দর্শন শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌছায় ভাঙ্গা গোল চত্বরে। সেখানে বাস থেকে নেমে যে যার মতো মোবাইল ফোনে ছবি তুলতে থাকতে থাকে। সবার মতো সৈকত হোসেন (১৬) সেলফি তুলতে ওঠে ব্রিজের উপর। ব্রিজের কিনারায় দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে ২০-২৫ ফুট নিচে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার সৈকত হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বল্লী মোঃ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ডাবলু বলেন, দশম শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার মেধাবী ছাত্র মোঃ সৈকত হোসেন এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী। সে আখড়াখোলা গ্রামের গফফার মোড়লের ছেলে। একই বর্ণনা দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জামিলুজ্জামান জামিল। তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থী সৈকত হোসেনের মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্কুলের শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়েছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিয়াউর বিন সেলিম যাদু বলেন, দুর্ঘটনার খবর শোনা মাত্রই খোঁজ নিয়েছি। সকালে নিহত ছাত্রের বাড়িতে গিয়েছি। জুম্মার নামাজের পর স্কুল মাঠে জানাজা হওয়ার কথা।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকারের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. জামালউদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কেটে আসবাবপত্র বানিয়ে তা ঢাকার শ্যামলী বাসায় পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহষ্পতিবার ওইসব আসবাবপত্র তিনি তার গাড়ির চালক আমিনুল ইসলাম ও ম্যাকানিক সুরত আলীর মাধ্যমে নিজ নামে সুন্দরবন ক্যুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারি জানান, গত বছরের ৩০ আগষ্ট খামারবাড়ির উপপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন ড.জামালউদ্দিন। নির্ধারিত গেষ্ট হাউজে না উঠে তিনি অফিসেরই একটি ভবনে বসবাস শুরু করেন।

তারা আরো জানান, এক মাস আগে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষের পেছন দিক থেকে তিনি মোটা ও সারি দুটি জাম গাছ ও দুটি মেহগনি গাছ কেটে বাসভবনের পাশের একটি ঘরে রেখে দেন। চারটি গাছের দাম ৪ লাখ টাকার নীচে হবে না । পরে ম্যাকানিক সুরত আলী ও তার গাড়ি চালক আমিনুল ইসলামকে দিয়ে পাটকেলঘাটা থেকে মিস্ত্রী এনে খাট, সোফা সেট, টি টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করেন। বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ওইসব ফার্ণিচার সুরত আলীর মাধ্যমে ভ্যানযোগে সুন্দরবন ক্যুরিয়ার সার্ভিসে সাইফুল ইসলাম, আগরগাঁও বিএনপি বাজার, শ্যামলী, ঢাকা তার বাসার ঠিকানায় পাঠান। বুকিং স্লিপে প্রেরক হিসেবে ড. জামালউদ্দিনের নাম লেখা হয়েছে। বুকিং খরচ নেওয়া হয়েছে ২০৭০ টাকা।

অধিদপ্তরের অফিসের সামনের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি সাইফুল ইসলাম, বাহার আলীসহ কয়েকজন জানান, কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে উপপরিচালক ড. জামালউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, এর কৈফিয়ত আপনাদের কাছে দেবনা। প্রশ্ন করার অধিকার আপনাদের কে দিল। এটা আপনাদের একতেয়ারে পড়ে না।
সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস সাতক্ষীরা শাখা সূত্রে জানা গেছে, কৃষিবিদ ড. জামাল উদ্দিন শ্যামলীর ঠিকানায় যে আসবাবপত্র বুকিং করেছেন তা হলো, খাট একটা, সোফাসেট একটা, সাইড বক্স একটা, টি টেবিল একটা।
কৃষি বিভাগের একটি সূত্র জানায়,এখনো জামালউদ্দীনের বাসায় ১টি বক্স খাট,তিনটি সোফা সেট ও কয়েকটি টেবিল রয়েছে,যেটি তিনি পর্যায়ক্রমে ঢাকায় পাঠাতেন।
এ ব্যাপারে ড. জামালউদ্দিনের গাড়ির চালক বলেন, তিনি স্যারের নির্দেশে সুন্দরবন ক্যুরিয়র সার্ভিসে ওইসব আসবাবপত্র বুকিং দিয়েছেন।
একইভাবে খামারবাড়ির ম্যাকানিক সুরত আলী বলেন, উপপরিচালক স্যারের নির্দেশে তিনি খামারবাড়ি থেকে ভ্যানে করে ওইসব আসবাবপত্র সুন্দরবন ক্যুরিয়র সার্ভিসে পৌছে দিয়েছেন। তবে আসবাবপত্র তৈরির জন্য পাটকেলঘাটা থেকে যে মিস্ত্রী কাজ করেছিলো, তাদের নাম তিনি জানেন না।
সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. জামালউদ্দিন বলেন, অফিসের গাছের কিছু ডাল দীর্ঘদিন পড়ে ছিলো। সেগুলোর সাথে আরো কিছু গাছ কিনে অফিসের জন্য কিছু আসবাবপত্র বানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন মেয়ে জামায় এসে সেগুলো পছন্দ করায় তারা দাম দিয়ে সেগুলো কিনে নিয়েছে। তবে প্রকারন্তরে তিনি সব স্বীকার করে বলেন,তার ভুল হয়ে গেছে। এটা এটতা স্পর্শকাতর হবে বুঝতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, অফিসের কিছু স্টাফ দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকতো। অফিস করত না। আমি যোগদান করার পর সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে। এটি ওই চক্রান্তেরই অংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ
সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “ফেসবুকই নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ” শিরোনামে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় কলেজের হল রুমে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটর ছিলেন ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহঃ অধ্যাপক প্রদ্যুত কুমার বিশ্বাস। ইংরেজি বিভাগের সহঃ অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাসের পরিচালনায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ও ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহঃ অধ্যাপক মোস্তাক আহমেদ,

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহঃ অধ্যাপক লুৎফর রহমান, ক্রীড়া শিক্ষক ও জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ফিফা রেফারি তোয়েব হাসান শামসুজ্জামান। প্রতিযোগিতায় শারাবান তহুরার নেতৃত্বাধীন শামীম রেজা ও মৌরিন সুলতানার দল চ্যাম্পিয়ন হয়। রানারআপ হয় নরেজ জুলকারনাইনের নেতৃত্বাধীন কাব্য ভঞ্জ চৌধুরী ও আদনান ওয়ালিদের দল। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় করেন কলেজের রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest