
আজীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসউদ সাঈদী
মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সন্তানরা নিজেদের গ্রহণযোগ্য করে নতুন রূপে সমাজে ঢুকতে রাস্তা করে করে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও অ্যাক্টিভিস্টদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ। সেই অভিযোগ এর সত্যতা মিললো আজীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসউদ সাঈদী পিরোজপুরের জিয়ানগরের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে। এমনকি বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ প্যারেড পরিদর্শন করে ছবি তিনি নিজের ফেসবুকে আপলোড করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্তরা বলছেন, আমরা অনেক আগে থেকেই দেখে আসছি, জামায়াতের মধ্যে চিহ্নিত মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তির পর তারা পরিশুদ্ধ দল হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা যেন নতুন রূপে সমাজে ঢুকে পড়তে না পারে, তার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে। তৃণমূলেও সরকার ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির নজরিদারি বাড়াতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধী ও তাদের সন্তানদের সামাজিকভাবেই রুখতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে চেয়ারম্যান পদে দাঁড়িয়ে বিজয়ী হয়েছেন মাসউদ সাঈদী। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলের সমর্থন পাওয়া মাসুদ ২১ হাজার ৭৭ ভোট পেয়েছেন। মাসউদ তখনই নির্বাচনে জয়লাভ করেন, যখন গণহত্যা, ধর্ষণ, ধর্মান্তরের বাধ্য করার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের নায়েবে আমির সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার প্রসিকিউটর শাহেদুর রহমান বলেন, ‘একদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের কাজ হচ্ছে, আরেকদিকে জামায়াত নিশ্চুপ বসে আছে, এটা ভাবার কিছু নেই। তারা দলীয় মানবতাবিরোধী অপরাধী নেতাদের ফাঁসির অপেক্ষায় আছে বলা যায়। কারণ এরপর সমাজে তারা নিজেদের পরিশুদ্ধ দল হিসেবে প্রচার করে ওই মওদুদীবাদকে ছড়ানোর কাজটি করতে পারবে বলে মনে করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা একইরকম মানসিকতা লালন করেই সেই আদর্শকে সঙ্গে নিয়েই বড় হয়েছেন। ফলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের বিজয় উৎসবের মতো জায়গায় উপস্থিত থাকার স্পর্ধা সামাজিকভাবেই রুখতে হবে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য গোপন করে প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করায় সাতক্ষীরার জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মুনসুর আহমেদকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে করা রিট খারিজ করে ১৫ ডিসেম্বর বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন এবং বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামকে ঋণখেলাপি দাবি করে হাইকোর্টে এ রিট করেন মনসুর। নজরুলের ঋণখেলাপের বিষয়ে হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে স্থগিতাদেশ ও রুল জারি ছিল। সেই বিষয়টি গোপন করে নজরুলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন মনসুর। এ কারণে তাকে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।gggg
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মহিলাদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক আলোচনা সভা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানে জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক পত্মী মিসেস সেলিনা আফরোজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মিসেস রিফাত আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি জেলা পুলিশ সুপার পত্মী মিসেস মেহের নিগার আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পত্মী শাহানাজ বুলবুল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পত্মী রঞ্জণা ম-ল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পত্মী শারমিন আক্তার সোমা, জাতীয় মহিলা পরিষদ জেলা শাখার চেয়ারম্যান মমতাজুন নাহার ঝর্ণা, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আফসানা কাওছার, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদিকা কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথী, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, সহকারী কমিশনার কমিশনার (ভুমি) মনিরা পারভীন, বিবি খাদিজা, সাদিয়া আফরিন, কাউন্সিলর অনিমা রাণী ম-ল, সাহানা মুহিত প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এ্যাড. ফরিদা আক্তার বানু।
নিজস্ব প্রতিবেদক: যথাযোগ্য মর্যাদায় ও উৎসবমূখর পরিবেশে সাতক্ষীরায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির শুভসূচনা করা হয়। এরপর সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। একইসাথে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও পতাকা উত্তোলন করা হয়। এদিকে, জেলাবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে সাতক্ষীরা ষ্টেডিয়ামে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রিফাত আমিন ও সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন,সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশমূল হক, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ প্রমুখ। এরপর, মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত, পুলিশ, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে ষ্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও শরীর প্রর্দশনী, রক্তদান কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী সাঁতার প্রতিযোগিতা, ভলিবল প্রতিযোগিতা, মুক্তযোদ্ধা বিষয়ক চলচিত্র প্রদর্শনী, আলোকসজ্জা, পুরষ্কার বিতরনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসচীর আয়োজন করা হয়। অপরদিকে, তালা উপজেলার খলিশখালি ইউনিয়নের পার-মাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় সহ¯্রাধিক কন্ঠে জাতীয় সংগীত।
সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের আলোচনা সভা