সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

audience-1
প্রেসবিজ্ঞপ্তি : দেশের শীষ অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের ‘বছরজুড়ে দেশঘুরে: সুন্দরবনে পর্যটন’ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেছেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুন্দরবনকে তুলে ধরার ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে যত প্রচারণা দরকার তা করতে হবে। একইসঙ্গে পর্যটনের উপকারিতা বিষয়ে স্থানীয় জনগণকে বুঝিয়ে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে এবং সর্বস্তরের সচেতনতা বাড়াতে হবে। শনিবার সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে সুশীলনের টাইগার পয়েন্ট গেস্ট হাউসের রাজা প্রতাপাদিত্য কনফারেন্স হলে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরার পর্যটন নিয়ে এ বিশেষ আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে বাংলানিউজের এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ এনামুল কবীর, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম ফিরোজ, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা সালাউদ্দিন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনিছুর রহিম, শ্যামনগর আতরজান মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, সুশীলনের প্রধান নির্বাহী মোস্তফা নূরুজ্জামান, সিকান্দার আবু জাফর ফাউন্ডেশনের পরিচালক সৈয়দ জুনায়েদ আকবর, প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের ম্যানেজার (এডমিন অ্যান্ড স্টেট) মোসলেহ উদ্দীন তুহিন, শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, সুন্দরবন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল, বরসা রিসোর্ট এন্ড ট্যুরিজমের ম্যানেজার আমানউল্লাহ আমান, সুন্দরবন মালঞ্চ ট্যুর গাইডের সভাপতি ফারুক হোসেন, নীলডুমুর ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, সুন্দরবন আদিবাসী সংস্থার প্রধান নির্বাহী কৃষ্ণ চন্দ্র মুন্ডা। সভায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী বন বিভাগের পাস সহজ করতে ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা যায় কি-না সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে আলোচনা করবেন উল্লেখ করে বলেন, সুন্দরবনে প্রবেশ করতে গেলে পাস কার্ডের প্রয়োজন হয়। এটি কীভাবে সহজ করা যায় সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাংলানিউজের এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন বলেন,  এতো দুর্গম এলাকায় পর্যটন নিয়ে কাজ করা কঠিন। আলমগীর হোসেন পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থান বা স্পটগুলোতে এমন কিছু নির্দেশনা লিখে রাখা দরকার, যে কোথায় কী করবেন, কী করবেন না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বোঝাতে হবে, যারা ঘুরতে যাচ্ছেন, তারা যেন সুন্দরবন বিপন্ন হয় এমন কিছু না করেন। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ বলেন, সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানুষকে সুন্দরবনে ঘোরার জন্য খুলনা থেকে অনুমতি নিয়ে আসতে হয়। এটা খুবই কষ্টজনক। এ নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দুই-তিন দিন ঘুরে পর্যটক হিসেবে অনুমতি পাই। অনুমতি পেলেও বলা হলো, গার্ড প্রস্তুত নেই। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ এনামুল কবীর বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিল্প পর্যটন। এ শিল্পকে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের চিন্তা-ভাবনা কাজে লাগানো দরকার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম ফিরোজ বলেন, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে পর্যটনের প্রসার করতে গিয়ে যেন প্রকৃতির ক্ষতি না হয়। বিশেষ করে যারা সুন্দরবনে বেড়াতে যান, তাদের অনেকই ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ মানেন না। এতে সুন্দরবনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়। এজন্য কোড অব কন্ডাক্ট মেনে চলতে ট্যুরিস্টদের সচেতন করা জরুরি। একইসঙ্গে ন্যাচারকে আনডিস্টার্বড রেখে পর্যটন কেন্দ্র করা দরকার। পর্যটন শিল্প নিয়ে প্রচার-প্রকাশনা নেই মন্তব্য করে সাতক্ষীরার (কালিগঞ্জ) সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মির্জা সালাউদ্দিন বলেছেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অনলাইনের মাধ্যমে পর্যটন সম্ভাবনাকে দারুণভাবে প্রচার করা যায়। সেই ভূমিকা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম রাখছে। আমার বিশ্বাস বাংলানিউজ পর্যটন বিকাশে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মির্জা সালাউদ্দিন বলেন, সাতক্ষীরা অঞ্চলের পর্যটনে বড় বাধা যোগাযোগ ব্যবস্থা। এছাড়া এখানে পর্যটকদের জন্য হোটেল নেই বললেই চলে। এ অঞ্চলে মাত্র দু’টি হোটেল রয়েছে। এটাও পর্যটনে বাধা। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ও মুন্সিগঞ্জকে পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা উচিৎ বলে দাবি জানান। পর্যটকদের সুবিধার জন্য সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবন সংলগ্ন মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন করার দাবি জানান জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনিছুর রহমান। আতরজান মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আশেকে এলাহী বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবিকার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। জেলে, মৌলেরা বনের ভেতরে প্রবেশ করে বা সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার হয়। মুক্তিপণের টাকা দিয়ে ফিরে আসার পরেও অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে পারে না। এ অবস্থায় পর্যটকদের বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে। কেবল দেশি পর্যটক নয়, বিদেশিদের কথাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সুন্দরবন মালঞ্চ ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক হোসেন সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয় শিক্ষিত তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইকোট্যুর গাইড হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। সড়ক পথে সাতক্ষীরা থেকে খুলনা প্রায় ৬ ঘণ্টার রাস্তা। খুলনা থেকে সুন্দরবনে যাওয়ার পাস আনা-ই সাতক্ষীরার পর্যটনে বড় বাধা বলে মনে করেন বরসা রিসোর্টের ব্যবস্থাপক আমান উল্লাহ আমান। নীলডুমুর ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম বলেন, বিশেষত শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত রেঞ্জ অফিস বন্ধ থাকে। ফলে বনে প্রবেশের অনুমতিপত্র নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় পর্যটকদের। বিকল্প ব্যবস্থায় রেঞ্জ অফিস যদি সব সময় খোলা রাখা যায়, তাহলে এই অঞ্চলে পর‌্যটন শিল্প আরও বিকশিত হবে। পর্যটন বিকাশে মুন্ডা সম্প্রদায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়ে সুন্দরবন আদিবাসী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণপদ মুন্ডা বলেন, আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, নাচ-গান আছে। এসব নাচ-গানের মাধ্যমে আমরাও ট্যুরিস্টদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন কাজ করতে পারি। মুন্ডা সংস্কৃতির জন্য একটু প্রশিক্ষণ দিলেই এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্বাগত বক্তব্যে বাংলানিউজের চিফ অব করেসপন্ডেন্টস সেরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, নিউজ করতে গিয়ে ১৪ দিন ঘুরেও স্পট শেষ করতে পারিনি। কিন্তু এর আগে লোকজন গিয়ে স্পট খুঁজে পেতেন না। মূল আলোচনা পর্ব শুরুর আগে বাংলানিউজ টিম গত ১০ দিন সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের জেলাগুলোর যেসব স্পট ঘুরে রিপোর্ট করেছে, প্রজেক্টরের মাধ্যমে তার একটি প্রেজেন্টশন তুলে ধরেন সিনিয়র আউটপুট এডিটর জাকারিয়া মন্ডল, চিফ অব করেসপন্ডেন্টস সেরাজুল ইসলাম সিরাজ ও অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর আসিফ আজিজ। বাংলানিউজের এ আয়োজনের সহযোগিতা করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, সুশীলন, বরসা রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম, এএফসি হেলথ লিমিটেড, ফরটিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউট, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি খুলনা, নিউ বসুন্ধরা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ও প্রিমিয়ার সিমেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাবেক সফল জেলা পরিষদ প্রশাসক এম মুনসুর আহমেদ শনিবার দিনব্যাপী জেলার আশাশুনি উপজেলার বড়দল, আনুলিয়া, খাজরা, প্রতাপনগর, আশাশুনিসদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর ও মেম্বরদের সাথে তার আনারশ প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী মতবিনিময় করেন। নির্বাচনী প্রচারনায় সফর সঙ্গী হিসাবে ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদস্য আব্দুল হামিদ, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদ মেহেদী, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। আ’লীগ নেতা ডা. মুনসুর, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, সাতক্ষীরা পৌর ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, পৌর আ’লীগ নেতা খন্দকার আরিফ হোসেন প্রিন্স, সাবেক কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা জি এম অহিদ পারভেজ, সাতক্ষীরা শহর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পদক শফিকুজ্জামান পারভেজ, জেলা তরুণলীগের সভাপতি কর্ণেল বাবু, তৌহিদ, আজিম, প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শাহীন, চেয়ারম্যান শেখ রিয়াজ, এনামুল হোসেন, প্রশান্ত সরকারসহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময় কালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম মুনসুর আহমেদ বলেন, উন্নয়নের যাত্রাকে অব্যহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত আনারস প্রতীকধারী প্রার্থীকে ভোট দিন। বক্তারা আরোও বলেন, মুনসুর আহমেদের বিকল্প কোন পথ নেই। তিনি বার বার নির্বাচিত সংসদ এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জেলা পরিষদ নির্বাচনে দল থেকে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। অতএব আমাদের কর্তব্য হবে দলের স্বার্থে মুনসুর আহমেদকে সমর্থন করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

m
নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে ১৯৯৫ সালে জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হই। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আপনাদের কল্যাণে কাজ করেছি। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উন্নয়ন সম্প্রসারণে কাজ করবো। ২০০৪ থেকে এখন পর্যন্ত পরপর দুবার জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলকে সংগঠিত করার সুযোগ পেয়েছি। আপনারা যদি আমাকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি আপনাদের মতামতের ভিত্তিতে সবাইকে সাথে নিয়ে নিরাপদ, আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ সাতক্ষীরা নির্মাণ করতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে আমি নিরপেক্ষ, সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আপনাদের সেবা করবো।’ শনিবার সকাল থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম তার নির্বাচনী প্রতিক মটরসাইকেল নিয়ে চম্পাফুল, তারালী, দক্ষিণ শ্রীপুর, বিষ্ণপুর ও রতনপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ভোটারদের সাথে মতবিনিময়সভা, গণসংযোগ ও পথসভায় এসব কথা বলেন। নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শেখ ওহেদুজ্জামান, কুশলী ইউপি চেয়ারম্যান সুমন, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব মো. আব্দুল মান্নান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবীব অয়ন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, যুগ্ম আহবায়ক তুহিনুর রহমান তুহিন, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আবদুর রশিদ, শিবপুর ইউপি মেম্বার খলিলুর রহমান, যুবলীগ নেতা ছিদ্দিকুর রহমানসহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য যে, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ মো. নজরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, নির্বাচকমন্ডলী সচেতন লোক। আগামী ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে অত্র এলাকার উন্নয়নের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে নজরুল ইসলামকে ভোটাররা নির্বাচিত করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ittfak
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও সূধী সমাবেশের মধ্য দিয়ে পালিত হল দৈনিক ইত্তেফাকের এগিয়ে চলার ৬৪তম বর্ষ পালন। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ইত্তেফাকের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনির স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষ পালন অনুষ্ঠানটি। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু আহমেদের সভাপতিত্বে অড়ম্বরপুর্ন এই কেক কাটা ও সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রানালয়ে উপ-সচিব এ,এন, এম মইনুল হোসেন, পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারী, সাবেক সাধারন সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, মোস্তাফিজুর রহমান উজ্বল প্রমুখ। এ সময় সেখানে বিভিন্নœ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামসহ এদেশের সকল আন্দোলনে দৈনিক ইত্তেফাকের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তারা বলেন, ইত্তেফাক এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ সকল আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। পত্রিকাটি এখনও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এবং গণমানুষের কথা তুলে ধরেন। বক্তারা এ সময় পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

police-lg20161224133151রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকার আশকোনা হাজি ক্যাম্পসংলগ্ন জঙ্গি আস্তানার অভিযান শেষ হয়েছে। অভিযান শেষে ২ জনের লাশ পড়ে থাকার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশের দাবি, এদের মধ্যে একজন জঙ্গি সুমনের স্ত্রী, অন্যজন জঙ্গি তানভিরের ছেলে।

এর আগে আজ দুপুর ১টার দিকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের প্রধান সারওয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, জঙ্গি সুমনের স্ত্রী ও জঙ্গি তানভীর কাদেরের ছেলেকে বারবার আত্মসমর্পণের কথা বলা হয়েছিল। তাঁরা রাজি হননি। পরে পুলিশ ওই ফ্ল্যাটে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে। ওই দুজন গ্রেনেড দিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালান। এতে তাঁরা আহত হয়েছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বাড়িটিতে থাকা জঙ্গি ইকবালের শিশুসন্তানকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল দিবাগত রাত থেকে বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) সদস্যরা। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াত, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সকালে ওই বাড়ি থেকে দুই মেয়েশিশুকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন দুই নারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_583107790_1482568453অনলাইন ডেস্ক: পুলিশের কাউন্টার টোরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, আশকোনার যে বাড়িটিতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে সেই ফ্ল্যাটটির ভেতরে এত বেশি এক্সপ্লোসিভ রয়েছে যে আমরা ভেতরে ঢুকতে পারছি না। ওই ফ্ল্যাটটির ভেতরে এখনও একজন রয়েছে। সে আহত না নিহত আমরা বলতে পারছি না। আমাদের বম্ব ডেসপোজাল ইউনিট ভেতরে ঢোকার পর এ বিষয়ে জানাতে পারবো।
শনিবার ঘটনাস্থলে এক তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে রাজধানীর আশকোনায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ওই বাড়িটিতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের সিটিটিসি ইউনিটের সোয়াত টিম।
মনিরুল জানান, বাড়িটি থেকে এখন পর্যন্ত চারজন আত্মসমর্পণ করেছে, দু’জন এখনও ভেতরে আছে। তাদের আমরা বারবার আত্মসমপর্ণের আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তারা শোনেনি। তারপর একজন মহিলা এগিয়ে এসে সুইসাইডাল ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে তার মৃত্যু ঘটে। একটি শিশুও তখন ওই বিস্ফোরণে আহত হয়। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, বাড়িটির ভেতর থেকে আরেকটা ছেলে সর্বশেষ ১৫-২০ মিনিট আগে গুলি ও গ্রেনেড ছুড়েছে। এতে আমাদের কয়েকজন সদস্য আহত হন। আমরাও তখন আত্মরক্ষার্থে কাউন্টার অ্যাটাক করেছি। সে ভেতরে পড়ে আছে। সে আহত নাকি নিহত এখনও নিশ্চিত নয়।
তিনি বলেন, বাড়িটির ভেতর এত বেশি এক্সপ্লোসিভ রয়েছে যে আমরা ভেতরে ঢুকতে পারছি না। আমাদের বম্ব ডেসপোজাল ইউনিট ভেতরে ঢুকলে পরবর্তী আপডেট দিতে পারবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

road-accident

নাজমুল হক, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: তালার মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় মির্জাপুর মোড়ে এঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে সাতক্ষীরা গামী একটি পিকআপ পিছন দিক থেকে একটি ব্যাটারী চালিত ভ্যানে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে ২ নিহত হয় এবং ভ্যানচালকসহ ১ মহিলা আহত হয়। নিহতরা হলেন, তালার মুড়াকুলিয়া গ্রামের আবুল কাশেম শেখের ছেলে ই¯্রাফিল(২৭) ও তালার কলিয়া গ্রামের জিল্লার হোসেনের শিশু কন্যা জুঁই(৬)। তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছগির মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

58970_1525338781166_3929884_nসাতক্ষীরাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত দিনে অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য। যদিও এ নির্বাচনে শুধুমাত্র জেলায় স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই ভোট দিবেন, কিন্তু জেলার ২২ লক্ষ মানুষের উৎকণ্ঠা এই নির্বাচনকে ঘিরে। কারণ একের পর এক রিটের মঞ্চায়ন চলছে এই নির্বাচন নিয়ে।

আমাদের মহান সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের সকল স্তরে নিযুক্ত কর্তৃপক্ষের উপর নির্বাচিত কর্তৃপক্ষের অস্তিত্বের সুষ্পষ্ট বিধান থাকলেও বহুদিন ধরে সকল সরকার এর লঙ্ঘন করে আসছে। নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও জেলা পরিষদের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অবশেষে আমরা পেতে যাচ্ছি নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান এবং তার সদস্যদের।

এদিকে সাতক্ষীরাকে জেলা পরিষদ নির্বাচন যেন যথাসময়ে না হয় সে চেষ্টার কোন কমতি রাখছে না একটি চক্র। সম্ভবত নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত একটি পক্ষ পেছন থেকে এই কলকাঠি নাড়ার কাজটি করছেন। দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমাদের গভীর আস্থা রয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি সাধারণ মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে সকল প্রতিবন্ধকতা সত্বেও ২৮ ডিসেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন জেলা পরিষদ প্রশাসন পাবে সাতক্ষীরা জেলাবাসী।

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest