স্বাস্থ্য ও জীবন: গ্রামের মেয়েদের দিনের শেষে পানি ভর্তি কলসি নিয়ে ঘরে ফেরার দৃশ্য খুবই পরিচিত। সেই কলসি হয় মাটির তৈরি নয় তামার। নানী-দাদীদের সময় থেকে চলে আসছে এ ঐতিহ্য। বর্তমানে আমরা পানি সংরক্ষণে নানা ধরনের ফিল্টার ব্যবহার করি।
তবে আধুনিক সমাজে তামার কলসিতে পানি সংরক্ষণ সেকেলে মনে হলেও নতুন করে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মিলেছে। নানা ধরনের রোগ-ব্যাধির মুক্তি দেয় এই পদ্ধতি। এভাবে পানি সংরক্ষণ করলে পানিতে মিশে থাকা বিভিন্ন অণুজীব, শৈবাল, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। যা মানুষকে অনেকটাই সুস্থ রাখে। সকালে ঘুম থেকে উঠে তামার পাত্রে রাখা এক গ্লাস ঠান্ডা পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তামার গ্লাসে পানি পান করলে শরীরে ১১ টি উপকার হয় বলে গবেষণায় জানা যায়।
১. হজম শক্তি বাড়ায়।
২. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৩. দ্রুত সুস্থতা লাভে সহায়তা করে।
৪. বয়সের ছাপ কমায়।
৫. হৃৎপিন্ডকে সুস্থ রাখে এবং প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে।
৬. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
৭. রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৮. শরীরে থাইরয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৯. বাতের ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
১০. ত্বকের উজ্বলতা এবং মসৃণতা বৃদ্ধি করে।
১১. রক্তশূণ্যতা কমায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর দেশ হিসেবে পাঠকের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। লন্ডনভিত্তিক ট্রাভেল গাইড বিষয়ক ওয়েবসাইট রাফ গাইডস বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর দেশের এ তালিকা প্রকাশ করেছে।
তা রয়েছে। দেশটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিক দিয়েও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এ ছাড়া বৈচিত্র্যময়তা দেশটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। দেশটিতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বাস। দেশটির কয়েক হাজার দ্বীপে এদের বাস।
বিনোদন ডেস্ক: শুধু নাচ-অভিনয় নয়, রূপ দিয়েও সবাইকে মুগ্ধ করেছেন বলিউড নায়িকা মাধুরী দীক্ষিত। কিন্তু বয়স তো আর বসে থাকে না। সময় তার ছাপ রেখে গেছে চেহারায়। মাধুরীর সেই চেহারাটা কেমন তা জানতে বলিউড প্রেমীদের আগ্রহের কমতি ছিল না। মেকআপ ছাড়া তাদের ক্যামেরাবন্দী করাই মুশকিল। ঘর থেকে তারা মেকআপ ছাড়া বেরই হন না।
ন্যাশনাল ডেস্ক: বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গৌরবোজ্জল অধ্যায়। বাংলা ভাষার প্রতি নি।স্বার্থ ভালোবাসা থেকে বায়ান্নর ভাষা সংগ্রামীরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বুলেটের সামনে নিজেদের বুক পেতে দিয়েছিলেন। তখনকার সময়ের ছাত্র-শিক্ষক-জনতার বুকের সেই রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রাণের বাংলা ভাষার অধিকার। প্রায় দেড় যুগ আগে থেকে ভাষা শহীদদের বিরল এই আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে সারাবিশ্বের মানুষ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম এই ভাষা সংগ্রামীদের সম্পর্কে কতোটুকু জানতে পারছে? বিশেষ করে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ালেখা করা শিক্ষার্থীদের অবস্থা একেবারেই নাজুক। দু:খজনক হলেও সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ফেসবুকে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলেক্ষ্যে রাজধানীর একটি ‘স্বনামধন্য’ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের একটি ব্যানার আমরা লক্ষ্য করেছি। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে ভাষা শহীদদের ছবির বদলে দেওয়া হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের ছবি! এর মানে হচ্ছে, ইংরেজি মাধ্যমের ওই স্কুলের শিক্ষক ও দায়িত্বশীলরা বায়ান্নর ভাষা শহীদ এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের কাউকেই চেনেন না! আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে তারা শিক্ষার্থীদের কী শেখাচ্ছেন তা এই ঘটনা থেকে সহজেই বুঝা যায়। তবে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়, বরং এর আগে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার স্মরণে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলের ব্যানারে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বেগম রোকেয়া হলের’ শিক্ষার্থীরা দিয়েছিল আরেক মহীয়সী নারী নুরজাহান বেগমের ছবি! সেখানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত থাকলেও তারা শিক্ষার্থীদের এই ভুলের বিষয়ে কিছু বলেননি। আমরা মনে করি, বিষয়গুলো ইংরেজি মাধ্যম স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিছক ভুল নয়, বরং জাতি হিসেবে আমাদের নিজস্ব আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার সীমাহীন উদাসীনতার বহি:প্রকাশ। পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর পাঠ্যবইয়ে আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস বাদ দিয়ে তাদের নিজস্ব পাঠ্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতার লাগাম শক্ত হাতে টেনে ধরতে হবে বলেও আমরা মনে করি। তাছাড়া আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীরা যে ইংরেজিটা ভালোভাবে শিখছে সেটাও কিন্তু আমরা অনেক ক্ষেত্রে দেখছি না। এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বের সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেবে দেখা উচিৎ বলে আমরা মনে করি। একইসঙ্গে ভাষার মাসে ওই ভুলের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। ওই স্কুলে পড়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে আমাদের জাতিসত্তার গৌরবোজ্জল ইতিহাস সম্পর্কে তাদেরকে জানতে বাধ্য করতে হবে। তারা কোন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এই ব্যানার করালেও নিজেরা কোনভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না। এটা কোনভাবেই ব্যানার তৈরির দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভুল বলে গণ্য হতে পারে না।
বিনোদন ডেস্ক : মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ডুব’ (নো বেড অব রোজেস) চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পত্রিকা ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
অনলাইন ডেস্ক : চলমান সিরীয় গৃহযুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ক্ষতিকর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যুক্তরাষ্ট্র নিজেই দুই দফায় ডিপ্লেটেড ইউরেনিয়াম নামের এইসব অস্ত্র ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে। পেন্টাগন সূত্রকে উদ্ধৃত করে ইয়ারওয়ারস এবং ফরেন পলিসি জানিয়েছে, আইএসবিরোধী বিমান অভিযানে ওইসব রাসায়নিক ফেলা হয়েছে। ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের সময় ব্যবহৃত এই অস্ত্রগুলো ক্যানসার আর জন্মত্রুটির কারণ হয়েছিল বলে অভিযোগ আছে। ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ডে বিষ্ময় প্রকাশ করেছে ইউরেনিয়াম অস্ত্র নিষিদ্ধে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট।
আশাশুনি ব্যুরো: দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে আশাশুনি টু ঘোলা সড়কের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার কাজ। আগামী ২ মাসের মধ্যে সড়কের কাজ হবে বলে আশাবাদী ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা।
দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার সূবর্ণাবাদ মহাশ্মশানে শ্রী শ্রী শ্মশান কালীপূজা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, পল্লীবিদ্যুৎ এর জেনারেল ম্যানেজার বাবু রবীন্দ্র নাথ দাশ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়নআওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক বিধান চন্দ্র বর্মন, শিক্ষক পরিমল গাতীদার, বাবু কৃষ্ণ পদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এসময় জেলা পরিষদের নর্ব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বলেন, আমাকে নির্বাচিত করে আপনারা কৃতজ্ঞ করেছেন। আমি আপনাদের ঋণ শোধ করতে সকল ধর্মের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। সাতক্ষীরার প্রত্যেকটি ধর্মের মানুষ তাদের ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে আমার পরিষদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করব। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সহযোগিতা করুন।