সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই দিন ব্যাপি আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতামে দিবস উপলক্ষে সদর উপজেলা ইমারত নির্মাণ টাইলস ও মোজাইক শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালিশ্যামনগরে কালবৈশাখীর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে গাজী শাহ আলমসাতক্ষীরায় মে দিবসে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি  অধিকার বঞ্চিত বাংলাদেশের চা শ্রমিকরাসাতক্ষীরার উপকূলে এখনো বৈষম্যের শিকার নারী শ্রমিকরাBonus offline nei giochi mobile: guida etica e tecnica per giocare senza reteসুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’

444444444মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : ‘ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার অঙ্গ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের সপ্তাহব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ প্রাঙ্গনে সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজের অধ্যক্ষ এ.কে.এম সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটে। আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশের সুনাগরিক হিসেবে নেতৃত্ব দেবে। শিক্ষার্থীদের সব সময় মনে রাখতে হবে লেখা পড়া শিখে সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা। আগামী দিনে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে তোমাদেরকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা দিবা নৈশ কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য শেখ নুরুল হক, কলেজের উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান, অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক মোস্তাক আহম্মেদ ও ছাত্রদের মধ্যে মিহির কুমার দে প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজের শিক্ষক তৈয়েব হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4543422355মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতীরার শহর বাইপাস সড়কের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের আয়োজনে সাতীরা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন সড়কের পাশে এ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
এসময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি সাতক্ষীরার বাইপাস সড়কের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে সাতক্ষীরা জেলাবাসীর সামগ্রীক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে এবং যানজটমুক্ত ও নান্দনিক শহরে পরিণত হবে। তিনি আরো বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি সাতক্ষীরার বাইপাস সড়ক এখন স্বপ্ন নয় বাস্তবে পরিণত হতে যাচ্ছে। এটি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে কাজ শেষ হবে এবং সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ মানুষের দীর্ঘ স্বপ্ন পূরণ হবে।’
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাতীরা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জরুল করিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাসকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. মো. আবুল কালাম বাবলা, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, ঠিকাদার কাজী মোজাহেরুল হক, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান শাহনেওয়াজ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ, ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ১২.৩৫০ কিলোমিটারের এ বাইপাস সড়কে ৩৭টি কালভার্ট স্থাপন করা হবে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানান বাইপাস সড়ক নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বাইপাস সড়কটি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হতে বিনেরপোতা ভায়া সরকারি পলিটেকনিক কলেজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, শফিকুল আলম বাবু, ফারহা দিবা খান সাথী, কাজী ফিরোজ হাসান, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল হক নান্টু, মীর মহী আলম, তাঁতী লীগের সভাপতি মীর শাহীন, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pic-college-768x403হাসান হাদী : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক লম্পট মোঃ আসাদুজ্জামান(৯১২৭)-কে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বদলি করা হয়েছে। গত ২৩ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতেমা তুল জান্নাত স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করার সুবিধা নিয়ে একের পর এক ছাত্রীদের ব্লাকমেইলকারী নারীলোলুপ লম্পট আসাদুজ্জামান সম্প্রতি এক নারী এনজিওকর্মীসহ ধরা পড়েন। তার বাড়ি যশোর জেলার বাগআঁচড়ায়। ইতিপূর্বে এই শিক্ষক অসংখ্য ছাত্রীর সাথে অশালীন আচরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ছাত্রী।
লম্পট আসাদুজ্জামন ২ সন্তানের জনক। তার কন্যা উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং পুত্র ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।00000000000000000 ছেলে-মেয়ে নিয়ে তার স্ত্রী বাগআঁচড়াতেই থাকেন। আর সেই সুযোগে আসদুজ্জামান একের পর এক বিভিন্ন মেয়ের সর্বনাশ করে যাচ্ছেন। এই আসাদুজ্জামান তার ঘনিষ্ঠদের নিজের মোবাইলে থাকা বিভিন্ন মেয়ের ছবি দেখিয়ে বলেন, “আমিতো প্লে-বয়, আমার ৬০/৬২টা ডার্লিং সবসময় থাকে।”
গত ১১ মার্চ আসাদুজ্জামান এক এনজিওকর্মীকে নিয়ে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল খুলনা রোড মোড়ের কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৫ম তলার চিলেকোঠায় ভাড়া করা রুমে নিয়ে ফূর্তি করছিলেন। ইতিপূর্বেও ওই শিক্ষক সেখানে অনেক মেয়েকে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একে একে বিষয়টি জানাজানি হলে সর্বপ্রথম ডেইলি সাতক্ষীরায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

নারীসহ ধরা খেলেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রধান লম্পট আসাদুজ্জামান

যদিও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ প্রশাসন ক্ষিপ্রতার সাথে আটক শিক্ষক ও মেয়েটিকে নিয়ে পুলিশ পৌঁছানোর পূর্বেই সরকারি কলেজে চলে যায়। তবে, পরবর্তীতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আসাদুজ্জামানকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বদলি করে।
তার বদলির আদেশে বলা হয়েছে ২৭ মার্চ ২০১৭ তারিখের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হবেন। অন্যথায় একই তারিখ অপরাহ্ণে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে বলে গণ্য হবেন।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ আসাদুামানের বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_95387846_mediaitem95387843যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে বাংলাদেশে মত প্রকাশের অধিকারকে আরও খর্ব করার চেষ্টা জোরদার করেছে সরকার।

এমনকি সরকার ফেসবুককে ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছে বলেও এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলির নামে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয় ,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে সহিংসতাকে উস্কে দেয়ার বিষয়টি মোকাবেলা করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ কিন্তু প্রায়শই শৃঙ্খলা রক্ষার চেয়ে সমালোচনা বন্ধ করাই হয় রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

এতে বলা হয় যখন ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা অনেকেই খুন হয়েছেন। কিন্তু মত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষার বদলে সরকারের পক্ষ থেকে বরং সতর্ক করে বলা হয়েছে ধর্মীয় অনুভূতিতে যেনো আঘাত না দেয়া হয়।

এমনকি সরকার প্রায়ই প্রিন্ট ও ডিজিটাল মিডিয়াও উপরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে বলেও অভিযোগ করা হয় ওই বিবৃতিতে।

ফেসবুকে ‘মজা লস’ নামক একটি ব্যঙ্গাত্মক পেজ -এর পরিচালকের বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী পোস্ট দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আবার গত বছর সেপ্টেম্বরে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে দিলীপ রায় নামে একজন ছাত্রের বিরুদ্ধে।

এখন বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ফেসবুককেই সরাসরি সেন্সরশিপ আরোপের ভূমিকায় নিতে চাইছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য ফেসবুককে আলাদা নিয়মাবলী নির্ধারণের প্রস্তাবের কথা বলেছেন, যা তার মতে দেশের সংস্কৃতি, প্রথা, ইতিহাসকে সুরক্ষা দেবে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়াকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

ফেসবুক ২০১৩ সাল থেকেই কিছু কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ করছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ফেসবুক কিছুদিন বন্ধও রাখা হয়েছে। সরকারী কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে ফেসবুক কর্মকর্তাদের।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বাংলাদেশের প্রসঙ্গে বললেও তাদের বিবৃতিতে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও বাংলাদেশের সাথে সে উদ্ধৃতির সরাসরি কোন সম্পর্ক নেই। মি: জাকারবার্গের যে উক্তিটি হিউম্যান নাইটস ওয়াচ ব্যবহার করেছে সেটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

এতে মিস্টার জাকারবার্গ বলেন, “অপ্রয়োজনীয় ও অতিমাত্রায় সরকারী হস্তক্ষেপ থেকে আমাদের কমিউনিটিকে সুরক্ষা দিতে আমরা লড়াই করছি”

মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে প্রস্তাবিত নির্দেশনাগুলো আইন বহির্ভূত হতে পারে এবং অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে যা ফেসবুককে যারা মত প্রকাশের প্লাটফরম হিসেবে ব্যবহার করে তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

“এখন এটি ফেসবুকের উপর নির্ভর করবে যে তারা সরকারের প্রস্তাবনাগুলো প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য লড়াই করবে কি-না”।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

54557778আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় জেএমবির পলাতক সদস্য সেলিমুজ্জামান বাবু ওরফে সেলিম বাবু ওরফে টাক বাবুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার রাতে তাকে তার বাড়ি শহরের ইটাগাছা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেলিম বাবু (৪৫) শহরের ইটাঁগাছা এলাকার তমিজউদ্দিনের ছেলে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্যা জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে তাকে তার বাড়ির কাছ থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, সেলিম  জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ জেএমবির একজন সক্রিয় সদস্য ও জেলা পুলিশের তালিকাভূক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে ব্রাক ব্যাংকে ডাকাতি, নাশকতা ও সহিংসতার চারটি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: পরিচ্ছন্ন ত্বকই ভালো ত্বক। ব্রণ, ফুসকুড়ি বা কালচে দাগ ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। তাই কিছু বিষয় নিয়মিত মেনে চললে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখা সম্ভব। মাখুন সানস্ক্রিন : এই মৌসুমে ত্বকের সবচেয়ে বড় শত্রু সূর্য। কড়া রোদ ত্বকের বারোটা বাজাতে যথেষ্ট। তাই বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে। তাই বলে শুধু মুখের ত্বকে মাখলেই চলবে না, শরীরের যতখানি অংশ খোলা থাকবে, সেখানেই সানস্ক্রিন মেখে নিন। কয়েক ঘণ্টা পরপর শরীরের যে অংশে রোদ পড়ছে, সেখানে ব্যবহার করুন।ব্যায়াম: শখের বশে এক টুকরো পিৎজা খেয়ে ফেললেও তার ফল আপনার শরীরে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে ধরা দেবে। মানে শরীর মুটিয়ে যেতে থাকবে। যার প্রভাবে আপনার মুখের মাংসও বেড়ে যাবে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর যেদিন এমন ফ্যাটযুক্ত খাবার খাবেন, সেদিন আরেকটু বাড়িয়ে নিন ব্যায়ামের সময়। বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় হবে, আপনার ত্বক থাকবে ভালো। মেকআপ না তুলে ঘুমাবেন না:  অনুষ্ঠান থেকে বাসায় ফিরেই ক্লান্ত লাগলেও কষ্ট করে মেকআপ তুলে নিন। মেকআপসহ ঘুমালে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে। তাই যতই ক্লান্তি আসুক, মেকআপ তুলে তারপর ঘুমাতে যান। ব্রণে হাত দেবেন না : মুখে ব্রণ দেখা দিলে কখনোই হাত দিয়ে খুটবেন না। এতে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। অনেক সময় সারা মুখে ক্ষত হয়ে যায়। কালো কালো দাগ পড়ে তা স্থায়ী হয়ে যেতে পারে মুখে। তার বদলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ঠিকমতো ব্যবস্থা নিলে দাগ ভালো হয়ে যাবে। ঠিকমতো খাবার খান: নিয়ম করে তিনবেলা খাবার খান। বাড়তি তেল বা ভাজাপোড়া কম খাওয়াই ভালো। ডায়েটে থাকলেও ফলমূল ও সবজি অবশ্যই খাবার তালিকায় রাখুন। রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্রীড়া ডেস্ক: লিওনেল মেসির ওপর চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা। এরপর প্রথম ম্যাচেই বলিভিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরে গেল আর্জেন্টিনা। রাশিয়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে ১৪ ম্যাচ শেষে ২২ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে আর্জেন্টাইনরা। বিশ্বকাপে খেলতে হলে শীর্ষ চারের মধ্যে থাকতে হবে। পঞ্চম স্থানে থাকলেও একটা সম্ভাবনা থাকে। প্লে অফ খেলে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ পাবে তারা। তবে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে আর্জেন্টিনা সেরা পাঁচে থাকতে পারবে কি না তা নিয়েও রয়েছে ঘোর সংশয়। লিওনেল মেসির চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা যেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ারই বার্তা দিচ্ছে। চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে একটি ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। বাকি আরও তিন ম্যাচ। এ তিন ম্যাচের একটি কঠিন প্রতিপক্ষ উরুগুয়ের বিপক্ষে (৩১ আগস্ট, ২০১৭), তাদেরই মাঠে। অর্থাৎ অ্যাওয়ে ম্যাচ। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে অ্যাওয়ে ম্যাচে আর্জেন্টিনার কী অবস্থা হয়, সেটা ইতোমধ্যেই সবার জানা হয়ে গেছে। পেরু (৫ অক্টোবর, ২০১৭) আর ভেনেজুয়েলার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭) বিপক্ষে আর্জেন্টাইনরা খেলবে ঘরের মাঠে। এর মধ্যে ভেনেজুয়েলার বিশ্বকাপে খেলতে পারবে না যে তা নিশ্চিত হয়ে গেছে। ১৪ ম্যাচ শেষে পেরুর পয়েন্ট ১৮। বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা এখনও টিকে রয়েছে তাদের। ঘরের মাঠে এই দলটির মোকাবেলা করলেও মেসিহীন আর্জেন্টিনা মানসিকভাবেই থাকবে অনেক পিছিয়ে। হিগুয়াইন, ডি মারিয়া কিংবা আগুয়েরোদের এই দলটির বিপক্ষেও জেতা হবে খুব কঠিন। ধরা যাক, ঘরের মাঠে পেরু এবং ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে সহজেই জয় পেল আর্জেন্টিনা। অপরদিকে পয়েন্ট টেবিলে তাদের ওপরে থাকা কলম্বিয়া, চিলি এবং উরুগুয়েও বসে থাকবে না। তাদেরও ম্যাচ আছে এর মধ্যে। চিলি নিজেদের মাঠে খেলবে প্যারাগুয়ে এবং ইকুয়েডরের বিপক্ষে। বলিভিয়ার মাঠে গিয়ে খেলবে এক ম্যাচ। এর মধ্যে দুই ম্যাচ জিতলেও তারা থাকবে আর্জেন্টিনার ওপরে।কলম্বিয়া এর মধ্যে নিজেদের মাঠে খেলবে ব্রাজিল এবং প্যারাগুয়ের বিপক্ষে। আবার ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলবে তাদের মাঠে গিয়ে। এর মধ্যে দুই ম্যাচ জিতলেও তারা থাকবে আর্জেন্টিনার ওপর। অন্যদিকে উরুগুয়ে তো এক ম্যাচে নিজেদের মাঠেই স্বাগত জানাবে আর্জেন্টিনাকে। আরও দুই ম্যাচে খেলবে তারা প্রতিপক্ষের মাঠে গিয়ে। একটি প্যারাগুয়ে এবং অন্যটি ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে। আর্জেন্টিনা এই তিন ম্যাচে যদি অবস্থানের পরিবর্তন করতে না পারে তাহলে বিশ্বকাপে খেলার জন্য শেষ ম্যাচই হবে তাদের জন্য ভাগ্য নিয়ন্ত্রক। ওই ম্যাচেই হয়তো ফিরবেন মেসি; কিন্তু যে বলিভিয়ার লাপাজে গিয়ে, উচ্চতা সমস্যার কারণে হেরে এসেছে আর্জেন্টিনা, তেমনই আরেকটি শহর কুইটোতে গিয়ে খেলতে হবে মেসিদের। স্বাগতিক ইকুয়েডরের বিপক্ষে ওই ম্যাচটি বলিভিয়ার চেয়ে কোনো অংশেই কম কঠিন হবে না। এবার আসা যাক, মেসির উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতিতে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কেমন করেছিল আর্জেন্টিনা? বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছিলেন মেসি। এর মধ্যে ৫টিতে জিতেছে আর্জেন্টিনা এবং হেরেছে একটিতে। তাকে ছাড়া আলবিসেলেস্তেরা খেলেছে আট ম্যাচ। এর মধ্যে জিতেছে মাত্র একটিতে। তিনটিতে ড্র করেছে। হেরেছে বাকি চারটিতে। টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলা (২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং টানা দুই বছরে দুটি কোপা আমেরিকা ফাইনাল) আর্জেন্টিনা কী তাহলে রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলতেই পারবে না? পরিসংখ্যান বলছে মেসি যদি দলে থাকেন, তাহলে এই দলটিকে হারানো যে কারও পক্ষে কঠিন। মেসি থাকলে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে অন্তত তিনটিতে তো জিতবেই আর্জেন্টিনা, এটা চোখ বন্ধ করে বলা যেতো। তাহলে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন নিয়ে প্রশ্নই ওঠার সুযোগ থাকতো না। কিন্তু মেসিছাড়া আর্জেন্টিনা দলটি যে পুরোপুরি ছন্নছাড়া, তা সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায়। চিলির বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের পর দলটির কোচ এদগার্দো বাউজা বলেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা আর মেসি নির্ভর নয়।’ কিন্তু বলিভিয়া প্রমাণ করে দিল, আর্জেন্টিনা কতটা মেসি নির্ভর। চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে এসেছিল, যখন আপিল করার সুযোগ ছিল না আর্জেন্টিনার সামনে। কারণ, একটু পরই বলিভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামতে হয়েছিল তাদেরকে। বাকি তিন ম্যাচ নিয়ে আপিল করবে আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশন। এই আপিলে যদি মেসির শাস্তি কমানো না হয়, তাহলে ভবিষ্যৎবাণী করাই যায়, আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ খেলা গভীর শঙ্কায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

45565নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘খেলাধূলায় থাকলে মন সুস্থ সবল সারাক্ষণ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০১৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে  বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. আলমগীর কবীর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, ভারতীয় রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কানাই সেন, সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নাছরিন বানু, সহকারী প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার মন্ডল, ইমামুল মুসলেমীন দাদু, সাবেক শিক্ষক তৃপ্তি মোহন মল্লিক, ভারতের কবি সাধন কুমার ঘোষ, সদস্য ছড়াকার নাজমুল হাসান, শেখ শফিউল্লাহ মনি, এনামুল কাদির বুলবুল, মাহফুজার রহমান, এ সময় সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক আফজাল হোসেন ও শিক্ষক শেখ আলমগীর হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest