সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় কমিউনিটি শিশুদের জন্মদিন উদযাপনআশাশুনিতে ৮শ লিটার পেট্রোল জব্দ: ১০হাজার টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলΟδηγός για αρχάριους στο Casino Spinfest και πρώτα βήματα επιτυχίαςMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

21294614322427_1255930097774768_8072381574902845469_nবিনোদন ডেস্ক: চিত্রনায়িকা বুবলীর নতুন ছবি ‘অহংকার’র জন্য গানে কণ্ঠ দিলেন তারই বড় বোন নাজমিন মিমি। এই গানে কণ্ঠ দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে বুবলী বলেন, আমি ভাবতে পারিনি আপুর কণ্ঠের গানে আমি ঠোঁট মেলাচ্ছি। অনেক পরে জেনেছি বিষয়টি। মিমি একজন পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী, এর আগে প্লেব্যাকেও কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানান বুবলী। বুবলী বলেন, আপু তো ২০০৩ সাল থেকেই অনেক ছবিতে গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। বোন বলে বলছি না, আমিও আমার বোনের ভক্ত। আপু শাকিব খানের অনেক ছবিতেও কণ্ঠ দিয়েছেন।
বিষয়টি আমার কাছে অনেক রোমাঞ্চকর। এই গানটি সারা জীবনের জন্য এক অমূল্য স্মৃতি হয়ে থাকবে আমাদের দুই বোনের কাছে। এই গানের রেকর্ডিং শেষ হয়েছে সম্প্রতি। মিমির সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান। গানের সুর-সংগীত করেছেন গানের নন্দিত মানুষ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। মিমি আমি প্রায় ৫০০ চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছি। এর আগে শাহাদাত হোসেন লিটনের পরিচালনায়, শাকিব ভাই অভিনীত অনেক ছবিতে গেয়েছি। উনি গান ভীষণ পছন্দ করেন। আর এবারে যখন শুনেছি বুবলীর জন্য গানটি তারপর বিস্মিত হয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

img_20170201_1900222-largeনিজস্ব প্রতিবেদক: সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন মারুফের মৃত্যুতে ঝাউডাঙ্গা আ’লীগ অফিসে স্মরণ ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাস্টার তারকনাথ পাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন “সততা, সাহসী, উদ্যমী ও দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন আফজাল হোসেন মারুফ। তার ঋণ কখনো শোধ হবার নয়। তিনি আরো বলেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে আ’লীগকে জয়ের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে”। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রভাষক হাসান মাহমুদ রানা, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মইনুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ঝাউডাঙ্গা বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন প্রমুখ। এসময় বক্তারা মরহুম আফজাল হোসেন মারুফের শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মো. রমজান আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, আ’লীগ নেতা প্রভাষক আশরাফুজ্জামান বাবলু, জেলা যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন সাজুসহ ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগ নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আফজাল হোসেন মারুফের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc02927-copyনিজস্ব প্রতিবেদক: পঞ্চমী তিথিতে অজ্ঞতার অন্ধকার দুর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরনে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ প্রাঙ্গনে শীতের রুক্ষতা এবং নির্মতায় সমগ্র প্রকৃতি যখন বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে প্রকৃতি থেকে শীত তখন জানাচ্ছে বিদায়ের বারতা। শীতের শেষে বসন্তের আগমনীর মহেন্দ্রক্ষনে ধরিত্রী উচ্ছসিত এমন এক আনন্দ ঘন মনোরম পরিবেশে বিদ্যাদাত্রী শ্রী শ্রী সরস্বতী দেবীর চরনে জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ভক্তি ও অঞ্জলি দেয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবু সাঈদ, পূজা উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক বিশ্বাস সন্তোষ কুমার, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক ডাঃ দীপক কুমার ঘোষ, অরুণ সরকার, মিহির কুমার মন্ডল, বিধান চন্দ্র দাস ও উত্তম সাহাসহ সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আবাদেরহাট বাজারে এবার বৃদ্ধা রউফুননেসাকে মারপিট করে দোকান থেকে বের করে দিয়ে দখল করে নিয়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার আত্মীয় স্বজন। বাধা দিতে গিয়ে তাদের হাতে মার খেয়েছেন বৃদ্ধার দুই বিবাহিত মেয়ে আমেনা ও তহমিনা। চোখের নিমেষে দোকান ও সম্পদ হারিয়ে থানা পুলিশের আশ্রয় নিয়েও নিজ দোকান দখলে নিতে পারেননি তারা। বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে সদর উপজেলার আবাদেরহাট বাজারে। ঘটনার পর দখলদাররা দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। অপরদিকে রউফুননেসা ও তার দুই মেয়ে দোকান উদ্ধারের আবেদন নিয়ে এদিক ওদিক ছুটাছুটি করছেন। বৃদ্ধা রউফুননেসা জানান সকাল ৭ টায় তিনি তখনও ঘর খোলেন নি। এ সময় বাইরে থেকে দোকানের সাটারে সজোরে আঘাত করতে থাকে ওরা। দরজা না খোলায় তারা ভেঙ্গেচুরে দোকানে উঠে পড়ে। শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের শওকত আলি ও তার স্বজনরা লাঠিসোটা নিয়ে দোকানে ঢুকে ভাংচুর শুরু করে। এ সময় তারা দোকানের সব মালামাল বস্তা পুরে বের করে নিয়ে রউফুননেসাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। কান্নাকাটি করে বাধা দেওয়ায় তাকে কিছুক্ষন বাইরে বেধে রাখা হয়। খবর পেয়ে তার দুই মেয়ে আমেনা খাতুন ও তহমিনা খাতুন ঘটনাস্থলে এলে তাদেরকেও মারধর করে চুলের মুঠো ধরে তাড়িয়ে দেয় শওকত তার ভাই কওছার আলি, মুজিবর রহমান, শাহজাহান আলি, শফিকুল ইসলাম ও সোহাগসহ ভাড়াটেরা। রউফুননেসা জানান স্বামী ইসমাইল গাজির রেখে যাওয়া এই দোকান স্বামী ও ছেলের মৃত্যুর পর তিনি ভাড়া দেন। ১৬ বছর ধরে ভাড়ায় থাকার পর গত এক বছর যাবত তিনি নিজেই দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। ওই দোকানেই তিনি রান্নাবান্না  করে বসবাস করতেন। তার বড় মেয়ে মেহেরুননেসার জামাই মনিরুল জালজালিয়াতি করে কাগজপত্র তৈরি করে তা বিক্রি করে দেয় বলে জানতে পারেন। এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে। একইভাবে তারা বাড়ির ও বিলের জমিও জালিয়াতি করে নিয়েছে বলে জানান রউফুননেসা। তবে এ ব্যাপারে শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শওকত আলি মারধর করা এবং মালামাল লুট করার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন রউফুননেসা তার মেয়ে মেহেরুননেসা রোগগ্রস্থ হওয়ায় তার মেয়ের জামাই মনিরুল ইসলামকে ওই দোকান দানপত্র করে দেয়। সম্প্রতি  মনিরুল  দোকানটি কওছার আলির মেয়ে খাদিজা খাতুন লাকির কাছে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। আজ বুধবার তারা ক্রয়কৃত দোকান দখলে নিয়েছেন। দোকানের ক্রেতা লাকি শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শওকত আলির ভাতিজি। রউফুননেসা ও তার অপর দুই মেয়ে আমেনা খাতুন ও তহমিনা খাতুন জানান  লাকির চাচা শওকত আলি বেশ কিছুদিন ধরে আমাদের ভাড়াটিয়াকে ঘর ছেড়ে দিতে বলছিলেন। চাপের মুখে ভাড়া গ্রহিতা ঘর ছেড়ে আমাদের মাকে বুঝিয়ে দিয়ে যান। আওয়ামী লীগের বড় নেতা হওয়ায়  আজ শওকত আলি ও তার লোকজন দোকানটি জোর করে দখল করে নিয়েছে। তারা জানান তাদের মুদি দোকানে মুদি মালামাল ছাড়াও শাড়ি, জুতা বিক্রি হতো। নগদ টাকাসহ সব কিছুই লুট করে নিয়েছে তারা। ছেলের মৃত্যুর পর থেকে ওই ঘরেই বৃদ্ধা মা রউফুননেসা সব সময় থাকতেন ও দোকান চালাতেন। দোকানে শওকত ও তার স্বজনরা তালা ঝুলিয়ে আশপাশে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে দোকান দখল করে নেওয়ার পরই আজ  রউফুননেসা সাতক্ষীরায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। সদর থানার এসআই আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে যান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন যেয়ে দেখলাম শওকত সাহেবরা দখলে রয়েছেন। তারা দখলে থাকলে আমার ক্ষমতা নেই নামানোর। বলেছি বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc05248নিজস্ব প্রতিবেদক: সদর উপজেলার ধুলিহর সাহেব বাড়ী মোড় এলাকায় গত রোববার ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা-কর্মী কর্তৃক জোরপূর্বক জমি ও ঘর দখলের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সরোজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।
এ সময় তিনি উপস্থিত লোকজনের কাছে প্রকৃত ঘটনা অবগত হয়ে তাৎক্ষণিক দলীয় সকল ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেন। এছাড়া ওই জমি ও ঘরে কেউ যাতে অবস্থান করতে না পারে ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জকেও তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। অপরদিকে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (বাবু সানা), ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরদার ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুছ ছালামের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস, এম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আ‘লীগের সভাপতি আবু সাঈদ, সদর থানা আ‘লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক স,ম জালাল উদ্দীন, সদর থানা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত রোববার ব্রহ্মরাজপুর বাজারে সাহেববাড়ি মোড় এলাকার সন্তোষ দাসের পুত্র মোহন দাসের চল্লিশ বছরের ভোগ দখলীয় বসবাসকৃত ঘর-বাড়ি ও জমি ধুলিহর ইউনিয়নের কতিপয় সরকার দলীয় নেতাদের ইন্ধনে প্রকাশ্যে ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা জোরপূর্বক তাদেরকে বের করে দিয়ে দখলে নেয়। এরপর সেখানে তারা দলীয় ব্যানার, ফেষ্টুন ও সাইনবোর্ড টানিয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন যুবলীগের কার্যালয় বানিয়ে রাতভর সেখানে পিকনিকও করা হয়। এসব বিষয় নিয়ে ভূক্তভোগী সন্তোষ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে তিনি তাদেরকে সুষ্ঠভাবে সমাধানের  আশ্বাস দেন। এই সমস্ত ঘটনায় মঙ্গলবার বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় খবরটি প্রকাশিত হয়। এরপর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তার এ সিদ্ধান্তকে সাতক্ষীরার সকল শ্রেণি পেশার মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

mp-robi-1-copyআজ দুপুর ২টা ৩০মিনিটে বিটিভি ও বিটিভি ওয়াল্ডে সাতক্ষীরা ০২ আসনের নির্বাচনী এলাকার বিগত ৩ বছরের উন্নয়নমূল কর্মকান্ড নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো প্রচার হবে। এতে জেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও জেলার সামগ্রীক উন্নয়ন বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রামাণ্য চিত্রটি বিটিভি, বিটিভি ওয়াল্ড এ প্রচার করা হবে।  সাতক্ষীরাবাসীকে প্রামাণ্যচিত্রটি দেখার জন্য আহবান জানানো হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bnp-pপ্রেস বিজ্ঞপ্তি: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কালিগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন সোহেলকে দেখতে গেলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। গতকাল বিকালে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে দেখতে যান তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের জেলা সভাপতি এইচ আর মুকুল, সদর থানা ছাত্রদলের সভাপতি আনারুল ইসলাম, সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আগরদাড়ি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান, আসাদুর রহমান, ইসমাইল হোসেন প্রমখ।
উল্লেখ্য, কালিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতি ও মথুরাশপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন সোহেল গত সোমবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জের কারবালার মোড় নামক স্থানে মোটর সাইকেলে দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sscনিজস্ব প্রতিবেদক: আজ থেকে শুরু এস এস সি, দাখিল ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষা ২০১৭। এ বছর জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ হাজার ৩ শত ৪৮ জন। পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে থাকবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা চলাকালে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন-১৯৮০ কঠোর ভাবে প্রয়োগ করার সিন্ধান্ত এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের ২’শ গজের মধ্যে জন সাধারনের প্রবেশ সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ করার জন্য ফৌঃ কাঃ বিধির ১৪৪ ধারা করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ফোর্স নিয়োগ করা, পরীক্ষা কেন্দ্রের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখা, পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশে মাইক ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এবছর জেলায় মোট ২৩টি এসএসসি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৫ শত ২৯ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় মোট ৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১শত ৪৫ জন এবং দাখিল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৬ শত ৭৪ জন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ৫৫জন, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১ শত ০৫ জন, নবারুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৫০ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পর্যায়ে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩শত ১২ জন। দাখিল পর্যায়ে সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ০৫জন। কলারোয় উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় কলারোয়া জি কে এম কে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯শত  ৬৭জন, সোনাবাড়িয়া সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ শত ১১ জন, খোর্দ্দ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ৩০জন, কলারোয়া গার্লস পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭শত ৯৩ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) কলারোয়া জি কে এম কে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ শত ৬১ জন। দাখিল পরীক্ষায় কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫শত ৫১ জন। তালা উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় তালা সরকারি বি,দে মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা  ১ হাজার ৮৩ জন, কুমিরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৭০ জন, খলিশখালী মাগুরা এস সি কলেজিয়েট ইনস্টিটিউট পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৬৬জন, আমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৮৫ জন, এস এস সি (ভোকেশনাল) কুমিরা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ শত ২৫ জন, দাখিল পরীক্ষায় তালা আলিয়া মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ শত ৬৩ জন, পাটকেলঘাটা আল আমিন ফাজিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ৬৯জন। আশাশুনি উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় আশাশুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত ৭৯ জন, দরগাপুর এস কে আর এইচ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪শত ৩৮জন, বুধহাটা বি বি এম উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ০৪ জন, বড়দল আফতাব উদ্দীন কলেজিয়েট স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ১১জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ জন। দাখিল পরীক্ষায় আশাশুনি দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৯২ জন, গুনাকরকাটি আজিজিয়া খাইরিয়া কামিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ শত ১৮ জন। কালিগঞ্জ উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ২ শত ৬৫ জন, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৩৭ জন, চাম্পাফুল আ: প্র: চ: মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ শত ৪৫ জন। এস এস  সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় কালিগঞ্জ পাইলট কমিউনিটি হাইস্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ শত ৭৪। দাখিল পরীক্ষায় কালিগঞ্জ নাছরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ শত ৭৯ জন, নলতা আহসানিয়া দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২শত। দেবহাটা উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় দেবহাটা বি বি এম পি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ২২জন, পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শত ৫৭ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় আহসানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১শত ০৮জন। দাখিল পরীক্ষায় কুলিয়া এলাহী বকস দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১শত ৯৮ জন। শ্যামনগর উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষায় নকিপুর এইচ সি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ শত ৬৪জন, নওয়াবেকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ শত ৯১ জন, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ শত ০১ জন। এস এস সি (ভোকেশনাল) নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১শত ৪৯ জন। দাখিল পরীক্ষায় শ্যামনগর কেন্দ্রিয় মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত ৯৯ জন। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীন বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার্থে প্রতিটি কেন্দ্রে ১জন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে এবং উপজেলা ভিত্তিক এডিসিদের ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরোও বলেন, প্রশ্নগুলো পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছানোর পর সেখান থেকেও যেন প্রশ্ন হলের বাইরে না যায় সে ব্যাপারে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কোন প্রশ্ন যেন ফাঁস না হয়। পরীক্ষায় যেন কোন ধরনের প্রশ্ন ফাসের ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থানে থাকবে। পরীক্ষা যাতে নকল, দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest