সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তা

66666আব্দুল জলিল: ৩ বছর ৭ মাস ১২ দিন অনুপস্থিত থেকে ও সাতানি কুশখালি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক অসিকুর রহমান চাকরিতে বহাল  আছেন। তবে কিভাবে বহাল আছেন তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি মাদ্রাসা সুপার, সাবেক ও বর্তমান পরিচালনা কমিটির সভাপতিগণ।
পরিচালনা কমিটির সদস্যদের অভিযোগ, মাদ্রাসা সুপার সরকারি নিয়ম নীতির প্রতি তোয়াক্কা না করে তার ভাইকে আজও স্বপদে রেখে বেতন উত্তোলন করছেন। সম্প্রতি এব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য কুরবান আলি।
খোজখবর নিয়ে জানা যায়, ২০০৭ সালের জনুয়ারি মাসের ১ তারিখে সাতানি কুশখালি দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক অসিকুর রহমান কাজ করার জন্য বৈধভাবে সৌদি আরব যান। তিনি সেখানে ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত কাজ করেন। তার অনুপস্থিতিতে চাকরি হতে অপসারণ সংক্রান্ত কাগজপত্র ২০০৮ সালের ২৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আপিল এ্যান্ড আরবিট্রেশন কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়। সভায় কাগজপত্র পর্যালোচনা করে অপসারণ প্রক্রিয়া সঠিক বিবেচিত হওয়ায় সর্ব সম্মিতিক্রমে চাকরি থেকে অপসারণের অনুমোদনের সুপারিস করা হয়। সাথে সাথে তার সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ের প্রাপ্য ভাতা পরিশোধসহ বরখাস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসার ড. মো: হাফিজুর রহমান মাদ্রাসা সুপার বরাবর একটি পত্র প্রেরণ করেন। যার ফলে ২০০৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মাওলানা ওসিকুর রহমানকে স্থাযী ভাবে বরখাস্ত করা হয়।
মজার ব্যাপার হল মাদ্রাসা সুপার বরখাস্তের কোন কাগজপত্র মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাঠাননি। উল্টো নতুন করে রেজুলেশন তৈরি করে পুনরায় ২০১১ সালের ১৫ জানুয়ারি তাকে স্বপদে বহাল করেন। মাদ্রাসা সুপার মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একের পর এক মন গড়া রেজুলেশন তৈরি করে চাচাত ভাই ওসিকুর রহমানের চাকরিতে বহাল রাখার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওসিকুর রহমানকে কাগজ পত্র বৈধ করার জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি চাকরিতে বহাল করার বৈধ কোন কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। নিয়ম অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ২ বছরের বেশি রকè শিক্ষক প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলে তিনি স্থায়ীভাবে চাকরি হারাবেন। অথচ অসিকুর রহমান ৩ বছর ৭ মাস ১২ দিন কর্তৃক্ষের বিনা অনুমতিতে প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন। স্থায়ীভাবে বরখাস্ত হওয়ার পরও কোন শক্তির বলে অসিকুর রহমান স্বপদে বহাল আছেন এবং সুপার কোন ক্ষমতা বলে বরখাস্তের কাগজপত্র বোর্ডে পাঠাননি এই বিষয়টি অভিভাবক, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ও সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে।
শিক্ষক অসিকুর রহমান জানান, নিয়ম আছে সরকারি শিক্ষকরা ২ বছর আর বেসরকারি শিক্ষরা ৫ বছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকতে পারেন। সে কারণে কর্তৃপক্ষ তাকে স্বপদে বহাল রেখেছেন। তিনি যতদিন অনুপস্থিত ছিলেন ততদিন পর্যন্ত বেতন ভাতা গ্রহণ করেননি।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য জাকির হোসেন ও কুরবান আলি জানান, শুনেছি মেডিকেল দেখিয়ে অসিকুর রহমানকে চাকরিতে বহাল করেছে। সুপার নিজে রেজুলেশন করে তাদের নিকট থেকে স্বাক্ষর করে নেন।
সাতানি কুশখালী দাখিল মাদ্রাসার সুপার নজরুল ইসলাম জানান,  মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আবু রায়হান ও সদস্য কুরবান আলি ক্ষমতা প্রয়োগ করে অসিকুর রহমানকে মাদ্রাসায় স্বপদে বহাল রাখতে বাধ্য করেছিলেন। সে কারনে অসিকুর রহমান আজও চাকরিতে বহাল আছে। সাবেক সভাপতি তাকে কাগজপত্র বোর্ডে পাঠাতে দেননি।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি আবু রায়হান জানান,  আরপিটিশন বোর্ড অসিকুর রহমানকে সাসপেন্ড করার অডার দেয়। এসব কাগজপত্র গোপন করে রাখেন সুপার। তারা যখন জানতে পারেন তখন ব্যবস্থা নিতে চাইলে সুপার মিটিং না দিয়ে রেজুলেশন কাগজে সহি করে নেয়। এর পর তারা আর মিটিং করতে পারিনি। ক্ষমতা থেকে তারা সরে এসেছেন। তিনি বলেন নতুন কমিটি এর ব্যবস্থা নেবেন। তিনি বলেন দুনীতি গ্রস্থ সুপার নিজে যা ইচ্ছা তাই করে। তবে তিনি জানান সভাপতি থাকাকালীন সময় পর্যন্ত (এক বছর আগে) অসিকুর রহমান কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেননি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম মোরশেদ জানান, তিনি মাত্র কয়েক মাস সভাপতি হয়েছেন। দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার পরও কিভাবে অসিকুর রহমান স্বপদে বহাল আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর জবাব দিতে পারবে সরকার ও সাবেক সভাপতি। কোন ব্যবস্থা নেবেন কি না জানতে চাইলে তিনি কোন জবাব দেননি।
সাতক্ষীরা জেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সম্প্রতি তিনি একটি অভিযোগ পেয়েছেন। সরেজমিনে তদন্ত করবেন। তিনি আরো বলেন, আরবিট্রেশন বোর্ড যদি কাউকে বরখাস্ত করে এবং তিনি যদি কোর্টে কোন মামলা না করেন তবে তার যোগদান আইনসম্মত হয় না। তবে কমিটি যদি তাকে ছুটি দিয়ে থাকে এবং ছুটি নিয়ে তিনি যদি যান এবং ২ বছরের বেশি অবস্থান করেন তবে সেটি ব্রেক অব সার্ভিস হিসেবে গণ্য হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_69978404_1482732359অনলাইন ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের ৩৪১ রান টপকে জয়ের কাছে যেতে পারল না মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। প্রথম ওয়ানডেতে ৭৭ রানের হার দিয়ে সিরিজ শুরু করল সফরকারীরা।

ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে ৩৪২ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা দেখেশুনেই করেছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। মারার বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে, ছাড়ার দেওয়ার পর ছেড়ে দিয়ে প্রথম ৭ ওভারে দুজন তোলেন ৩০ রান। কিন্তু অষ্টম ওভারে টিম সাউদির একটি শর্ট বল ইমরুলের ব্যাটের কানায় লেগে জমা পড়ে উইকেটকিপার লুক রনকির গ্লাভসে। ২১ বলে ২ চার ও এক ছক্কায় ইমরুল করেন ১৬। বাংলাদেশের স্কোর তখন ১ উইকেটে ৩৪।

প্রথম ওয়ানডেতে হতাশই করলেন বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার। জেমস নিশামের বলে মিড অফে কেন উইলিয়ামসনকে ক্যাচ দেওয়ার আগে সৌম্যর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান। একই ওভারে ডাক মেরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহও। তখন ৪৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ।

৩ উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন তামিম। তবে সেটিও খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৮তম ওভারে নিশামের বলে তামিম মিচেল স্যান্টনারকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেল ভেঙে যায় ৩৩ রানের জুটি। ৫৯ বলে ৫ চারে তামিম করেন ৩৮।

এরপর মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে দলকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলেন সাকিব। ২৭তম ওভারে স্যান্টনারের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৫০ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি। পরের ওভারে লোকি ফার্গুসনকে লন অনের ওপর দিয়ে আছড়ে ফেলেন গ্যালারির দর্শকদের মাঝে। কিন্তু পরের বলে আবার ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মিড উইকেটে সাউদির হাতে ধরা পড়েন সাকিব। ৫৪ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাকিব ৫৯ করে ফেরার সময় বাংলাদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ১৪৪।

সাতে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন সাব্বির রহমান। ফার্গুসনের বলে বোল্টকে ক্যাচ দেওয়ার আগে এক ছক্কায় সাব্বির করেন ১৬। তবে মোসাদ্দেক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে দলের স্কোর ২০০ পার করেন মুশফিক। দুজন দলকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু ৩৮তম ওভারে স্যান্টন্যারের বলে কঠিন একটি সিঙ্গেল নিতে গিয়ে ডাইভ দিয়ে চোট পান মুশফিক। ফিজিওর সেবাশুশ্রূষা নিয়ে একটি বল খেলার পর আর মাঠে থাকতে পারেননি টেস্ট অধিনায়ক। ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ৪৮ বলে ৪২।

এর আগে টম ল্যাথামের ১৩৭ আর কলিন মানরোর ৮৭ রানের সুবাদে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেটে তোলে ৩৪১। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে ১৯৯০ সালে শারজায় দুই দলের প্রথম দেখায় কিউইরা ৪ উইকেটে করেছিল ৩৩৮।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_638619357_1482730545অনলাইন ডেস্ক: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ঘন কুয়াশার কারণে নয় ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ১২টায় বন্ধ হওয়ার পর সোমবার সকাল ১০টায় ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন রাসেল জানান, রোববার রাত ৯টার পর কুয়াশা বাড়তে শুরু করে। রাত সাড়ে ১২টায় ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

“সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় কুয়াশা কেটে গেলে আবার ফেরি চলাচল শুরু করে।” ফেরি বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটে শতাধিক কোচসহ তিন শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছিল বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00000অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন খান আরেফিনের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

গতকাল এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নৃবিজ্ঞান চর্চা ও শিক্ষায় ড. আরেফিনের অবদান স্মরণ করে বলেন, তার ইন্তেকালে নৃবিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক এবং প্রগতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তার অবদানের কথা দৃঢ়তার সাথে স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অধ্যাপক আরেফিন শনিবার বিকেলে ঢাকার লালমাটিয়ার বাসায় ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।

ড. আরেফিন ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অধ্যাপক হিসেবে অবসর নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পরে তিনি ‘ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’ এ প্রো-ভিসি হিসেবে যোগ দেন।

নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক আরেফিন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার ও শিক্ষার আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তার ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক বোরহানুদ্দিন খান জাহাঙ্গীর এবং অপর এক ভাই ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।-বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1482665053অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা দিয়েছেন খুব বেশি সময় হয়নি। এর মধ্যে অর্ধেকই কাটিয়েছেন ইনজুরির সঙ্গে লড়তে লড়তে। কিন্তু এর মধ্যেই ‘মুস্তাফিজুর রহমান’ নামটি যেন শিহরণ জাগায় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে। সদ্যই শুরু হওয়া ক্রিকেট ক্যারিয়ারে যেখানেই গেছেন, সেখানেই সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ এই বাঁহাতি পেসার। বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সফরেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ‘ফিজ’। বাংলাদেশ দলে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজার মতো তারকারা থাকলেও ঘুরেফিরে বারবারই সবার নজর চলে যাচ্ছে ‘ফিজের’ দিকে। তাঁকে নিয়েই সরগরম হয়ে আছে নিউজিল্যান্ডের গণমাধ্যম।

গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়ে কাঁধে চোট পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। তারপর থেকে মাঠের বাইরেই থাকতে হয়েছে তাঁকে। খেলতে পারেননি আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে। কিছু সময়ের জন্য সবার দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেও আবার দাপুটে ভঙ্গিতেই ব্যাট-বলের লড়াইয়ে ফিরে এসেছেন মুস্তাফিজ। নিউজিল্যান্ড একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে দুই উইকেট নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বরূপে ফেরার। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে তিনিই যে নিউজিল্যান্ডের অন্যতম হুমকি হয়ে উঠতে পারেন, সেটাই এখন বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেশটির গণমাধ্যমগুলোতে। ‘স্টাফ’ পত্রিকার এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ‘উপমহাদেশের পেসারদের সাধারণত বেশ কষ্টই করতে হয় নিজের প্রতিভার প্রমাণ করতে। কিন্তু বাংলাদেশের এই পেস সেনসেশন এখন পর্যন্ত নিজেকে ব্যতিক্রমী হিসেবেই প্রমাণ করেছেন।’

চোট কাটিয়ে মুস্তাফিজের ফিরে আসাটা বাংলাদেশকে অনেকখানি এগিয়ে দিয়েছে এমন মন্তব্য করা হয়েছে নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের একটি প্রতিবেদনে। নিউজিল্যান্ডের কোচ মাইক হেসোন তো মুস্তাফিজকে এ সময়ের অন্যতম সেরা বোলার হিসেবেই আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে খুবই ভালো করেছিল। এই মুহূর্তে সে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। কাজেই তাকে খুব সাবধানে খেলতে হবে।’

নিউজিল্যান্ডকে এখন পর্যন্ত মুস্তাফিজের মুখোমুখি হতে হয়েছে মাত্র একবারই। সেই ম্যাচে কিউই ব্যাটসম্যানদের বেশ ভালোই নাকাল করেছিলেন ফিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চার ওভার বল করে মাত্র ২২ রান দিয়ে নিয়েছিলেন পাঁচটি উইকেট। এবারের সফরেও তিনি এ ধরনের নজরকাড়া নৈপুণ্য দেখাতে পারবেন কি না, তা দেখার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন বাংলাদেশের সমর্থকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1482664846ফিচার ডেস্ক: আদিকাল থেকেই রূপচর্চায় ফুল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কোনো ফুল ত্বক উজ্জ্বল করে, কোনোটা শুষ্কতা দূর করে আবার কোনোটা ব্রণ দূর করতে কার্যকর। বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে তিনটি ফুলের প্যাক তৈরির পদ্ধতি ও ব্যবহারের উপায় দেওয়া হয়েছে। একনজরে চোখ বুলিয়ে নিন।

গোলাপ ফুল
ত্বকের কালচে দাগ দূর করে উজ্জ্বল করতে গোলাপ ফুল খুবই উপকারী। কয়েকটি গোলাপের পাঁপড়ি গুঁড়ো করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বেলি ফুল
যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তারা মুখে বেলি ফুল লাগাতে পারেন। কয়েকটি বেলি ফুল সেদ্ধ করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার আপনার ক্রিমের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে লাগান। এই ফুল আপনার ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করবে।

জবা ফুল
ব্রণের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করতে চাইলে জবা ফুল মুখে লাগাতে পারেন। জবা ফুলের পাপড়ি বেটে চালের পানি ও সামান্য তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, পরদিন সকালে আপনার ব্রণ পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1482655694অনলাইন ডেস্ক: বলিউডে আমির খানের ছবি মানেই বক্স অফিসের নড়েচড়ে বসা। আর এই নড়েচড়ে বসার একমাত্র কারণ নতুন নতুন রেকর্ডের জন্য অপেক্ষা। অতীতে আমিরের মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর পরিসংখ্যান তাই বলে। গত ২৩ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে আমির খানের বহুল আলোচিত ‘দঙ্গল’ ছবিটি। মহাবীর ফোগতের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটিতে আমির খান অভিনয় করেছেন একজন কুস্তিগীরের চরিত্রে।

১২৫ কোটি রুপি  ব্যয়ে নির্মিত ‘দঙ্গল’ প্রথম দিনে সমগ্র ভারতে ৪৩০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। বলিউড বক্স অফিস এর তথ্য মতে, দ্বিতীয় দিনে ছবিটি প্রায় ৬৪ কোটি রুপি আয় করেছে। অন্যদিকে, বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া এক হাজার প্রেক্ষাগৃহ থেকে আয় করেছে চার দশমিক দুই মিলিয়ন ডলার।

ভারতে ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোট বাতিলের প্রভাব ছবিটির ওপর পড়বে বলে অনেকে আশঙ্কা করলেও প্রেক্ষাগৃহগুলোতে সাধারণ দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সেই আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করেছে।

এদিকে বলিউড ছবির সব থেকে বড় অনলাইন বুকিং সংস্থা বুক মাই শো দাবি করেছে, ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া অন্য ছবির তুলনায় ৪০ শতাংশ আগাম টিকিট বিক্রি হয়েছে দঙ্গলের। সেই সঙ্গে সব থেকে দ্রুত ১০ লাখ টিকিট বিক্রি হয়েছে।

বলিউড চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা থেকে আরম্ভ করে সাধারণ দর্শক মনে করছেন, আমির খানের দঙ্গল বক্স অফিস রিপোর্টে বড় চমক আনবে। এটি আগের সব ছবিকে পেছনে ফেলে দেবে। এখন দেখার বিষয় তাঁদের প্রত্যাশা কতটুকু পূরণ করতে পারে ‘দঙ্গল’। তবে আগামী কিছুদিন যে ভারত দঙ্গলময় থাকবে সেটা বলে দেওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_93123652_777b1298-2d9e-4f57-ab21-68b3f990a2a5অনলাইন ডেস্ক: ভারতে গত মাসে রাতারাতি ৫০০ ও হাজার রুপির নোট বাতিলের পেছনে সরকারের আসল উদ্দেশ্য কী, সেই বিতর্ক ক্রমেই নাটকীয় মোড় নিচ্ছে।

বিরোধীরা ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছেন, এই পদক্ষেপে কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়াই আদৌ সফল হয়নি – তাই সরকার এখন ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ বা নগদহীন লেনদেনের কথা বলে মানুষের নজর ঘোরাতে চাইছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার মাসিক রেডিও ভাষণে ক্যাশলেস সোসাইটির জন্য নানা পুরস্কার ঘোষণা করে সেই বিতর্ককেই আরও উসকে দিয়েছেন।

কিন্তু ভারত কি সত্যিই এমন লেনদেনের জন্য প্রস্তুত – না কি সরকারের আসল উদ্দেশ্যটাই সম্পূর্ণ আলাদা?

ভারতে কালো টাকার খুব কম অংশই নগদে রাখা হয় – ফলে বড় অঙ্কের নোট বাজার থেকে তুলে নিয়ে কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়াই আদৌ লড়া সম্ভব নয়, এ নিয়ে গত মাসেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন দেশের বহু অর্থনীতিবিদ।
এখন দেখা যাচ্ছে, মানুষের কষ্ট করার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির বেঁধে দেওয়া ৫০ দিনের সময়সীমা যখন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে – তখন তার নিজের মুখেও কালো টাকার বদলে বেশি শোনা যাচ্ছে ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ার কথা।
রোববার তার ‘মন কি বাত’ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো দেশ জুড়ে এখন লোকের মুখে মুখে একটাই প্রশ্ন, একটাই চর্চা – ক্যাশলেস কী জিনিস, কীভাবে ক্যাশ বা নগদ ছাড়াও বেচাকেনা সম্ভব সবাই তা এখন শিখতে উৎসুক!”

“আজ বড়দিনের উপহার হিসেবে সরকারও এই ক্যাশলেসে উৎসাহ দিতে দুটো প্রকল্প ঘোষণা করছে, যে ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল বা মোবাইল পেমেন্ট করবেন তারা আয়করে ছাড় পাবেন, একইভাবে রোজ লটারির মাধ্যমে পনেরো হাজার ক্রেতার অ্যাকাউন্টেও জমা পড়বে হাজার রুপির ইনাম,” জানান তিনি।
ভারতের বিরোধী দলগুলো মনে করছে, এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যত মেনে নিচ্ছেন যে কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়াই মোটেও সফল হয়নি – তার বদলে সরকার এখন নগদবর্জিত লেনদেনের ওপরেই গুরুত্ব আরোপ করতে চাইছে।
কংগ্রেস ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী তো সরাসরি অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের পেমেন্টকে উৎসাহ দিয়ে সরকার কিছু কর্পোরেট সংস্থাকে সুবিধে পাইয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলছেন, “ক্যাশলেস করার মানে হল প্রতিটা লেনদেনে বিশেষ কয়েকটা লোককে ফায়দা লোটার ব্যবস্থা করে দেওয়া। যেমন, মোবাইল ওয়ালেট পেটিএম তো আমি বলব পে টু মোদি। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে তিনি ধ্বংস করে ফেলছেন – বিশেষ করে গরিব মানুষ, চাষী, দিনমজুর বা মেহনতি জনতাকে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে।”
Iক্যাশলেসে কার ফায়দা, সেটা অন্য প্রশ্ন – কিন্তু অর্থনীতিবিদ রতন খাসনবিশ মনে করেন কালো টাকা নয়, একেবারে প্রথম থেকেই সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতে হাজার হাজার কোটি টাকার নগদ লেনদেনের অধিকাংশকে ট্যাক্স স্ক্রটিনির আওতায় নিয়ে আসা – এবং সেই সঙ্গে রুগ্ন ব্যাঙ্কগুলোতে মূলধনের পরিমাণ বাড়ানো।
কিন্তু সেটা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কালো টাকার বিরুদ্ধে জেহাদকেই সামনে তুলে ধরতে হয়েছে বলে অধ্যাপক খাসনবিশের ধারণা।
তিনি বলছেন, “যেটা খুব সচেতনভাবে করা হয় তা হল প্রথমে এমন একটা ন্যারেটিভ রাখা হয়েছিল যেটা মানুষ খাবে। খেয়াল করে দেখুন আপনি যদি বাজারে কারেন্সির জোগান কমাতে চান তাহলে আগে কোনওভাবে আগের কারেন্সি তুলে নিতে হবে। ভারতে ষোলো লক্ষ কোটি টাকার নগদ লেনদেন বন্ধ করতে গিয়ে আপনি যদি ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের বলেন টাকা দেওয়া সম্ভব নয় কারণ টাকা আসছে না – সেই গল্প মানুষ খাবে না, ব্যাঙ্কে ভাঙচুর হয়ে যাবে!”
“ফলে এর জন্য মানুষকে আগে প্রস্তুত করতে হবে। আর তার শ্রেষ্ঠ উপায় হল লোককে বোঝানো সীমান্তে দাঁড়িয়ে সেনারা দেশের জন্য প্রাণ দিচ্ছে, তুমি না-হয় কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়তে কদিন লাইনে দাঁড়িয়ে একটু কষ্ট করলে!” বলেন তিনি।
“এর সঙ্গে একটা ন্যাশনাল হইচই ও দেশাত্মবোধক সুড়সুড়ি সবই জুড়ে দেওয়া হল – যাতে মানুষ এই জিনিসটা ধরে নেন এই টাকাগুলো এখন হাত থেকে চলে যাচ্ছে ঠিকই – কিন্তু শিগগিরি নতুন টাকা আবার হাতে চলে আসবে!” বলছিলেন রতন খাসনবীশ।
সেই নতুন টাকা আজও আসেনি – এবং ভারতে অনেক বিশেষজ্ঞই এখন মনে করছেন নতুন নগদের জোগান সীমিত রাখা হচ্ছে ইচ্ছে করেই, কারণ সেটা সরকারের এক বৃহত্তর পরিকল্পনা বা গেমপ্ল্যানের অংশ।
তবে যে দেশে এখনও প্রায় চল্লিশ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই, সেখানে এভাবে কড়া দাওয়াই দিয়ে সমাজকে ক্যাশলেস করার এক্সপেরিমেন্ট আদৌ সফল হবে কি না, সে প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest