সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরায় জেলা বিএনপির দোয়াজেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপি

_92962267_a19a96bd-ad3b-477f-a9e3-d5294d518bbfঅনলাইন ডেস্ক: কন্যা সন্তানের পরিবর্তে পুত্র সন্তান লাভের জন্য কিভাবে গর্ভধারণ করতে হবে তার উপায় বাতলে দিয়ে ভারতের একটি পত্রিকা কিছু পরামর্শ দিয়েছে।
ভারতের কেরালা রাজ্যের একটি পত্রিকায় বলা হয়েছে যেসব মহিলা পুত্র সন্তানের মা হতে চায়, তাদেরকে ছয়টি পরামর্শ মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে।
এ পরামর্শগুলোর মধ্যে বলা হয়েছে – সন্তান-সম্ভবা মহিলাদের প্রচুর খাওয়া-দাওয়া করতে হবে এবং ঘুমানোর সময় পশ্চিম দিকে মুখ রেখে শুতে হবে। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এসবের কোন ভিত্তি নেই।
ভারতের সমাজে অনেকেই সন্তান হিসেবে ছেলেদের জন্য বেশি আকাঙ্ক্ষা করেন।
লন্ডনের পোর্টল্যান্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: সাজিয়া মালিক বলেন, ” কন্যা কিংবা পুত্র সন্তানের জন্য গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত বিষয়। এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোন পন্থা নেই।”
কেরালার পত্রিকাটির স্বাস্থ্য বিষয়ক পাতায় এ পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মা হতে ইচ্ছুক নারীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে তারা যেন অবশ্যই সকালের নাস্তা করেন এবং সপ্তাহের কয়েকটি নির্দিষ্ট দিনে যখন পুরুষের স্পার্ম জোরালো তাকে তখন যেন যৌন-সঙ্গম করে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন পুরুষের স্পার্ম জোরালো হবার সাথে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের কোন সম্পর্ক নেই। বিজ্ঞানের ভাষায় স্পার্ম যদি Y ক্রোমোজোম বহন করে তাহলে সেটি পুত্র সন্তান হবে।
কেরালা প্রদেশে এ পত্রিকাটির প্রকাশিত নিবন্ধের কড়া সমালোচনা করছেন অনেকে।
ভারতীয় লেখক গীতা আরাভামুদান এ বিষয়টিকে ‘হাস্যকর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ” সরকার এবং এনজিওদের নানা পদেক্ষেপ স্বত্বেও এ ধরনের চিন্তা-ধারা যে বাড়ছে এ নিবন্ধ তারই প্রমাণ।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

budijibe-dibosআজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বুঝতে পেরেছিল, পরাজয় তাদের অনিবার্য। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীরা বেঁচে থাকলে এ মাটিতে ওরা বসবাস করতে পারবে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশ আবার ফুলে ফলে ভরে উঠবে। তাই পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাহীন ও পঙ্গু করতে দেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিদের রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়।

বাঙালি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাঘন দিনটি বিনয় এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে একাত্তরে শহীদ শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে জাতি। একই সাথে এবারও জাতির প্রত্যাশা, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা হত্যা করেছে এবং যারা বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে আছে অথবা পলাতক আছে তাদের বিচারের রায কার্যকর করে, দেশকে কলংক মুক্ত করা হবে।

সকালে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে বধ্যভূমিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন জালিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।

এছাড়া বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

কর্মসূচি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অপর্ণ করবেন। এর পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

সকাল ৭টা ১০ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং ৭টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। এ ছাড়াও সকাল সাড়ে ৮টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

এছাড়াও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ, জাতীয় পার্টি, জাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, গণফোরাম, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, বাংলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, সম্মলিত সাংস্কৃতিক জোট, সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম- মুক্তিযুদ্ধ’৭১, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ৩২ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার  রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে সাতক্ষীরা থানা ১৩ জন, কলারোয়ায় ৬ জন, তালায় ৩ জন, কালিগঞ্জে ৩ জন, শ্যামনগরে ১ জন, আশাশুনিতে ৩ জন, দেবহাটায় ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ  ২ জনকে আটক করেছে। এছাড়া, ৬৪ পিচ ইয়াবা বড়ি ও ১০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামালা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-bgb-picture-1
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্ত থেকে ৬৩০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা। বুধবার ভোর রাতে সীমান্তের নটির জঙ্গল এলাকা থেকে তলুইগাছা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা এ ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলের মুল্য ২লাখ ৫২ হাজার টাকা। সাতক্ষীরা ৩৮ বিজিবির তলুই গাছা ক্যাম্পের সুবেদার হুমায়ূন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাবিলদার আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে বিজিবি একটি টহল দল নটির জঙ্গল এলাকায় অভিযান চালায় । এসময় বিজিবি উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ৬শ ৩০ বোতল ফেনসিডিল ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photos-1নিজস্ব প্রতিবেদক: মাত্র কিছুদিন আগেই লক্ষ লক্ষ টাকার জাকমকপূর্ণ জেলা ক্রীড়া সংস্থা নির্বাচন প্রত্যক্ষ করল সাতক্ষীরাবাসী। অন্যদিকে সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গন যখন মোস্তাফিজ, সৌম্য, সাবিনা, শিপলুদের সাফল্যে সারাদেশে ঈর্ষণীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে তখনই জানা গেল এক ভয়ংকর দুঃসংবাদ। টাকার অভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ মেয়েদের ফুটবলে ওয়াকওভার দিয়ে ফিরে এসেছেন সাতক্ষীরা দল। আর এ জন্য একে অপরকে দায়ী করেছেন সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান ও টিম লিডার আকবর আলী। প্রশ্ন উঠেছে, যে জেলার ক্রীড়া সংস্থা নির্বাচনে লক্ষ লক্ষ টাকা ছড়াছড়ি আর প্রদর্শনী দেখল সাতক্ষীরাবাসী সেই জেলার কিশোরীদের একটি ফুটবল দল জাতীয় পর্যায়ে খেলতে গিয়ে ফিরে আসল সামান্য ১০টি হাজার টাকার জন্যÑ কি হচ্ছে সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনে!
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা ছিল সাতক্ষীরা দলের। কিন্তু তার আগেই সেমিফাইনালে অয়াকওভার দিয়ে ফিরে আসার বিষয়টি সাতক্ষীরার ক্রীড়া অঙ্গনকে রীতিমত হতাশ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষতিয়ে দেখার প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ঠরা।
জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যসোসিয়েশনের সভাপতির নির্দেশে অনূর্ধ্ব-১৪ মেয়েদের ফুটবলে সেমিফাইনালে যাতে না খেলতে হয় সে জন্য দলটি ইচ্ছে করেই গ্রুপ পর্বে হেরে গিয়েছিল খাগড়াছড়ি দলের কাছে। তারপরও তারা ফাইনাল খেলার সুযোগ পেয়েও তাদের কাছে খরচের টাকা না থাকায় জেলা ফুটবল এ্যসোসিয়েশনের সভাপতির নির্দেশে একবুক ব্যাথা ও বেদনা নিয়ে তাদের মাতৃভূমি সাতক্ষীরায় ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের কোচ আকবর আলী জানান, তার প্রতিষ্ঠিত শহরের চালতে বাজার সংলগ্ন জ্যোতি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্টানে ১৩ জন নারী ফুটবলার বর্তমানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তারা জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ সহ বিভিন্ন খেলায় অংশ গ্রহন করেছেন। তিনি তাদের ভরন পোষনসহ তার বাড়িতে থাকার খাওয়ার ব্যবস্থাও করে তাদের রেখে দিয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠান থেকে সাবিনা, সুরাইয়া, রওশন ও মাছুরা জাতীয় ফুটবলে, পাখি ও দোলা জাতীয় কাবাডিতে, রিক্তা, মুক্তা, আরিফা ও সালমা খোখো জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। শুধু তাই নয় ১০০ মিটার স্প্রিটএ বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী খেতাব প্রাপ্ত শিরিন আকতারও তার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। আবার তার প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে অনেক নারী বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিও করছেন।
তিনি আরো জানান, জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ টুর্নামেন্টের জন্য ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছিল সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ)। এর মধ্যে ২৫ হাজার টাকা অংশগ্রহণ ফি বাবদ দিয়েছিল ফুটবল ফেডারেশন (ঢাকা) থেকে। বাকি ১৫ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ৫ হাজার টাকা দেন সাতক্ষীরা জেলা ডিএফএর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খাঁন। পরে বাকি টাকা চাইলে তিনি টাকা ম্যানেজ করা যাচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দেন এবং তাদের খারাপ খেলে হেরে বাড়ি ফিরে আসার পরামর্শ দেন। এতে মনের কষ্টে কাঁদতে কাঁদতে ১০ ডিসেম্বর ফিরে আসেন কোচ আকবর আলীসহ তার নারী ফুটবলাররা। আর এ কারনে ১২ তারিখের খেলায় সাতক্ষীরার বিপক্ষে ওয়াকওভার পায় ময়মনসিংহ। সামান্য ১০ হাজার টাকার জন্য যাদের কারণে জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ মেয়েদের ফুটবলে সাতক্ষীরা দল অংশগ্রহণ করতে পারেনি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরার ক্রীড়ামোদীরা।
নারী ফুটবলার ফারজানান সুলতানা, সারাবান জহুরা, তামান্না সুলতানা ও পারভিন সুলতানা জানান, আমরা এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হবো এই মনোবল নিয়েই আমরা খেলা করছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই আমাদের স্যার (কোচার আকবর আলী)) আমাদের জানান, আমার কাছে আর কোন খরচের টাকা নাই তাই বাধ্য হয়ে আমাদের সেমিফাইনালে অংশ গ্রহন না করেই চলে যেতে হবে। শুধু মাত্র খরচের টাকার অভাবে আমাদের বাধ্য হয়ে মনের কষ্টে কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসতে হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য আরিফ হাসান প্রিন্স জানান, সামান্য টাকার জন্য আমাদের নারী ফুটবলাররা সেমিফাইনালে না খেলে চলে আসবেন এটা আমাদের জন্য খুবই দুঃখ জনক। তিনি আরো জানান, সাতক্ষীরা জেলা ডিএফএর নেতারা তাদের চেয়ার ঠিক রাখার জন্য একের পর এক অনিয়ম-দুর্নীতি করেই চলেছেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা ডিএফএর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খাঁন তার বিরদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, টিম লিডার আকবর আলী আমাদেরকে জিম্মি করে অনেক টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি অতিরিক্ত টাকা দাবি করায় আমরা তা দিতে না পারায় তিনি টিম নিয়ে ঢাকা থেকে ফিরে এসেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এ,কে,এম মহিউদ্দীন জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। টাকার অভাবে এভাবে ঢাকা থেকে না খেলে ফিরে আসার আগে আমাকে জানানো উচিত ছিল।এটি খতিয়ে দেখা হবে এবং ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আজ খেলছেন মুস্তাফিজ!

কর্তৃক Daily Satkhira

3-1স্পোর্টস ডেস্ক: আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে বর্তমানে অস্টেলিয়ায় ১০ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আর এই ক্যাম্প দেশটির জনপ্রিয় লিগ বিগ ব্যাশের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সিডনি সিক্সার্সের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

অস্টেলিয়ার নর্থ সিডনি ওভালে আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি। আর এই ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘদিন পর ইনজুরি কাটিয়ে ক্রিকেটে ফিরছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। মোস্তাফিজের খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোচ হাথুরুসিংহে।

আজকরে এই প্রস্তুতি ম্যাচ এগারো জনের অধিক ক্রিকেটারকে যাচাই করবেন কোচ। যেসব ক্রিকেটার এ ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন না, তারা যথারীতি অনুশীলন করবেন ব্ল্যাকটাউনের ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস পার্কে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_92949717_kolkata_tipu_sultans_mosque3অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সম্বন্ধে কটূক্তি করার অভিযোগে ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতিকে ঢিল মেরে বাংলা ছাড়া করার ফতোয়া দিয়েছেন কলকাতার এক ইমাম।
পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক এবং বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন যে যদি তারা চাইতেন, তাহলে মমতা ব্যানার্জীর ‘চুলের মুঠি ধরে’ দিল্লি থেকে বার করে দিতে পারতেন ।
নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিল ঘোষণার বিরুদ্ধে পর পর কয়েকবার দিল্লিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। সে প্রসঙ্গেই বিজেপি নেতা ঐ বক্তব্য দেন।
মি. ঘোষের ওই মন্তব্যেই ক্ষিপ্ত হয়ে কলকাতার বহু পুরনো টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম নুরুর রহমান বরকতি এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে তার ঐ ফতোয়া ঘোষণা করেন।

পরে মি. বরকতিবলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী একজন নারী। তার সম্বন্ধে যে কথা দিলীপ ঘোষ বলেছেন, তার বিরুদ্ধেই আমি ফতোয়া জারি করেছি। উনাকে ছোট ছোট পাথর বা ঢিল ছুঁড়ে বাংলার বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি ওই ফতোয়ায়। নারীদের প্রতি অসম্মানের এটাই সাজা হওয়া উচিত।”

কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদ একটি প্রাচীন মসজিদ এবং সেখানকার শাহী ইমাম মি. বরকতির যথেষ্ট প্রভাব আছে মুসলমান সমাজের ওপরে। তবে তিনি মাঝে মধ্যেই রাজনৈতিক মন্তব্যও করে থাকেন। ঘটনাচক্রে মি. বরকতি যখন এই ফতোয়ার ঘোষণা দেন, সে সময়ে তার পাশে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ইদ্রিস আলি।

“মমতা ব্যানার্জীর মতো একজন ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিবিদ, সৎ জীবনযাপন করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তিনি, তার সম্বন্ধে যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে তো প্রশ্ন ওঠে মি. ঘোষ রাজনৈতিক নেতা নাকি গুণ্ডা?” প্রশ্ন শাহী ইমামের।

এই ফতোয়া জারির বিষয়ে অনেকবার চেষ্টা করেও বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি মি. দিলীপ ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় নি। তবে রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “মি. বরকতির জানা উচিত এখানে শরিয়তের আইন চলে না। পাথর ছুঁড়ে শাস্তি দেওয়ার রীতি পশ্চিমবঙ্গে নেই বা তাঁর অনুগামীদের ক্ষমতা থাকে, তাহলে একটা পাথরও ছুঁড়ে দেখুন না তাঁরা! বাংলার মানুষ ওই পাথরের পরিবর্তে কেউ রসগোল্লা ছুঁড়বে না।”

মি. ভট্টাচার্য বলেন, তার দলের রাজ্য সভাপতি মমতা ব্যানার্জীর সম্বন্ধে যে মন্তব্য করেছেন, তার রাজনৈতিক বিরোধিতা হতেই পারে, কিন্তু তার জন্য মানুষকে উস্কানি দেওয়া যায়না।
টিপু সুলতান মসজিদের শাহী ইমামের গ্রেপ্তার দাবী করেছেন মি ভট্টাচার্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_92952294_mikhail_gorbachevঅনলাইন ডেস্ক:অবিভক্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচফ বলেছেন, রক্তাক্ত এক গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। পরমাণু অস্ত্রধর একটি দেশে বিপজ্জনক রক্তপাত এড়াতে ২৫ বছর আগে তিনি ক্ষমতা ছেড়েছিলেন।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে পড়ার সময় তিনি ছিলেন দেশের প্রেসিডেন্ট।
২৫ বছর পর গুরুত্বপূর্ণ সেই অধ্যায় সম্পর্কে মস্কোতে বিবিসির সংবাদদাতা স্টিভেন রোজেনবার্গের সাথে কথা বলেন মি গর্বাচফ।
শীতল যুদ্ধ শেষ করার জন্য সে সময় পশ্চিমাদের বাহবা কুড়িয়েছিলেন এই নেতা। তাকে নোবেল শান্তি পুরকার দেওয়া হয়। স্ন্কিন্তু এখন তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার জন্য অনুশোচনা করেন।
“সেটি ছিল অভ্যুত্থান…বিশ্বাসঘাতকতা…অপরাধ। দেশকে গৃহযুদ্ধের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমাদের মত একটি পারমানবিক অস্ত্রধারী দেশে ক্ষমতার লড়াই, বিভেদ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে আপনি তা কল্পনাও করতে পারবেন না…অমি রক্তপাত এড়াতেই পদত্যাগ করেছিলাম।”
৮৫ বছরের মি গার্বাচফ এখন পশ্চিমা বিশ্বের কড়া সমালোচক হয়ে উঠেছেন।
তিনি বলেন, তিনি নিশ্চিত ভ্লাদিমির পুতিনকে দুর্বল করার জন্য পশ্চিমা দেশগুলো উঠেপড়ে লেগেছে।

“পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোকে এ ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমি নিশ্চিত বিবিসিকেও সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে .. তারা পুতিনকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চায়।”

মি গর্বাচফ বলেন, পশ্চিমাদের এই নীতির কারণেই পুতিন দিন দিন রাশিয়ানদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছেন। “৮৬ শতাংশ মানুষ পুতিনকে সমর্থন করেন।”

মি পুতিন কি কখনো কোনো পরামর্শের জন্য তার দ্বারস্থ হন? এই প্রশ্নে মি গার্বাচফ বলেন, “সে (পুতিন) সব কিছু জানে.. আসলে সব মানুষই তার মত করে কাজ করতে চায়।”

তার হাত দিয়েই সোভিয়েত ইউনিয়ন শেষ হয়েছিলো, কিন্তু এখনো ঘরে বসে সোভিয়েত আমলের পুরনো গান শোনেন মিখাইল গর্বাচফ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest