কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘পিতা দিয়েছে স্বাধীনতা, কন্য দিয়েছে দেশ, শেখ হাসিনার হাতে যদি থাকে দেশ, পথ হারাবেনা বাংলাদেশ’। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উৎযাপন উপলক্ষে বীর মুুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্র্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে পবিত্র কুরআন তেলয়াতের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নিবার্হী অফিসার উত্তম কুমার রায়ের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সুখী, সমৃৃদ্ধি বাংলাদেশ গঠনের লক্ষে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার ও মুুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ইতিহাস এবং মুুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আতœত্যাগের কথা স্মরণ করে আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এড মোস্তফা লুতফুল্লাহ এমপি। এ সময় তিনি বলেন, এ দেশের মাটিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোন ঠাঁই হবে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা। আর এই স্বাধীনতাকে আমরা কোন অপশক্তির কাছে নত হতে দেব না। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ার ময়না, নব নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, যুুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন, আব্দুল গফ্ফার, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, ডেপুটি কমান্ডার আবুল হোসেন গাজী, সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলি গাজী, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, আব্দুর রউফ, এড আলি আহম্মদ, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল হাসান,থানার এস আই রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্র্মকর্তা ডাক্তার এএসএম আতিকুজ্জামান, কৃষি কর্র্মকর্র্তা মহাসীন আলি, বিআরডিবি কর্মকর্তা আব্দুল গফুর, আরডিও কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মন্ডল, মৎস্য কর্মকর্তা নিপেন্দ্র কুমার বিশ্বাস, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা তাহের মাহমুদ সোহাগ, ডাক্তার মেহের উল্লাহসহ সকল দফতরের কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তার পরিবারের সদস্যবৃৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে সকল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী ও বিতরণ করা হয়।

ডেস্ক: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ফল পাওয়া যায় গ্রীষ্মকালে। আর গরমের ফল মানেই রসালো ফল। আম, জাম, কাঁঠাল, তরমুজ, লিচু সবই রসালো ফল।
হলিআর্টিজানে বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পর এবার সিলেট বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটল। জঙ্গিদের তৎপরতা কমে গেছে বলে প্রশাসন বক্তব্য দিলেও সিলেটের শিববাড়ির ঘটনার পর যেন আবার নড়েচড়ে বসছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। জঙ্গিদের অপতৎপরতা রুখে দিতে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্ক বার্তা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেশের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নেওয়া হয়েছে সর্বাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে রোববার ভোরে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির শুভ সুচনা হয়। এরপর সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মোঃ মহিউদ্দীন ও পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন সাতক্ষীরা ষ্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে পুলিশ, বিএনসিসি ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সমম্বয়ে দৃষ্টি নন্দন মার্চপাস্ট,শরীরচর্চা প্রদর্শনী ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সেখানে সালাম গ্রহণ করেন, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা সদর (২) আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, তালা-কলারোয়া (১) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। এরপর সেখানে রক্তদান কর্মসূচি ছাড়াও শহিদ আঃ রাজ্জাকের মাজার জিয়ারতসহ অন্যান্য শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাজার জিয়ারত, পৌরসভা দিঘীতে হাঁসধরা ও সাতার প্রতিযোগিতা, উপজেলা অডিটরিয়ামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
হাসান হাদী : জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা শহরে এক বিশাল আলোর মিছিল করেছে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা।
৩২৪ রানের বিশাল স্কোর গড়ার পরই বোঝা গিয়েছিল এই ম্যাচে জিততে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দায়িত্বটা ছিল শুধু বোলারদের। সেই কাজটা খুব সুন্দরভাবেই পালন করলেন বোলাররা। মাশরাফির নেতৃত্বে মোস্তাফিজ, মেহেদী মিরাজ, সাকিব আল হাসানরা নিজেদের উজাড় করে দিলেন ডাম্বুলার রণগিরি স্টেডিয়ামে। যার ফলে ৪৫.১ ওভারে ২৩৪ রানেই অলআউট স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।
সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানা ‘আতিয়া মহল’ ঘিরে অভিযান চলাকালে সন্ধ্যা ও রাতে দুই দফা বোমা বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখা, সদর উপজেলা শাখা ও পৌর আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যাকান্ড ছিল চরম নিষ্ঠুর ও জাতি-বিদ্বেষী গণহত্যা। যে-কোনো সংজ্ঞা বিচারে ২৫ মার্চ হত্যাকান্ড ছিল জাতি-বিদ্বেষী নিষ্ঠুর গণহত্যা। অপারেশন সার্চলাইট নামে ২৫ মার্চ রাত থেকে শুরু হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বাঙালি নিধন। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে তাদের হাতে ৩০ লক্ষ বাঙালি প্রাণ হারান, প্রায় ৩ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ঘটে, লক্ষ লক্ষ ঘর-বাড়িতে আগুন দিয়ে তা ভস্মীভূত করা হয়, ১ কোটি মানুষ জীবনের শঙ্কা নিয়ে প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেয়। পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাকা- ছিল নির্বিচার, জাতি ও ধর্ম বিদ্বেষী।’