সর্বশেষ সংবাদ-

এবারের পিইসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য দেখা যায়।

এবছর পিইসি পরীক্ষায় ২৮,৩০,৭৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে মোট ২৭,৮৮,৪৩২ জন উত্তীর্ণ হয়। পাশের হার মোট ৯৮.৫১%। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১২,৭০,২২২ জন ছাত্র। শতকরা হিসেবে যা ৪৫.৫৫%। এবং ছাত্রী শতকরা ৫৪.৪৫%। সংখ্যায় যা ১৫,১৮,২১০ জন। পিইসিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যায়ও এগিয়ে ছিলো ছাত্রীরা।

পিইসিতে গড় পাশের হারের দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাশের হার ৯৮.৪৪% এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯৮.৫৬%

ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাতে ২,৫৭,৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণে ছাত্ররা বেশি এগিয়ে থাকলেও গড় পাশের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা। পরীক্ষা  ১,২৫,১৬০ জন ছাত্র উত্তীর্ণ হয়। শতকরা হিসেবে যা ৫০.৭১%। এবং ১,২১,৬৫৮ জন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়। শতকরা হিসেবে যা ৪৯.২৯%।  তবে গড় পাশের ক্ষেত্রে ছাত্রদের পাশের হার ৯৫.৬৩% এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯৬.০৮%।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1482994901পেএসসি, জেএসসি জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পরীক্ষার ফলাফল হস্তাস্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এবছর পিইসিতে শিক্ষার্থী পাশের হার ৯৮.৫১%, জেএসসিতে পাসের হার ৯২.৩৩%, ইবতেদায়ীতে পাসের হার ৯৫.৮৫%।

পিইসির ফলাফলে পাশের হার বিবেচনায় এবছর এগিয়ে রয়েছে বরিশাল বিভাগ। সেখানে পাশের হার ৯৯.০৯% । সর্বনিম্ন পাশের হার সিলেট বিভাগে, ৯৭.২৫ %।

ইবতেদায়ীতে পাশের হার বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ। সেখানে পাশের হার ৯৮.০৩%। এবং সর্বনিম্ন পাশের হার সিলেট বিভাগে, ৯২.০৪%।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফল তুলে দেওয়ার পার নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, দেশ এখন শিক্ষায়, জ্ঞানে, বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছে। রিলিফ খেয়ে দেশ চালানোর দিন এখন দু;স্বপ্ন। সেই জায়গায় দেশ আর নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে আমরা নতুনভাবে দেশ গড়ে তুলবো। ২০২১ সালের মধ্যে সেই লক্ষ পূরণ করবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

_93165165_mash2

জয়ের আশা জাগিয়েও হেরে গেলো বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ড সফরে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ জিততে হলে বাংলাদেশকে ২৫২ রান করতো হতো।

কিন্তু বাংলাদেশ ১৮৪ রানে অলআউট হয়ে শেষ পর্যন্ত হেরে যায় ৬৭ রানে।

ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জয় নিশ্চিত হলো নিউজিল্যান্ডের।

অথচ ২২ ওভার শেষে বাংলাদেশের দলীয় রান ছিলো ২ উইকেটে ১০৫।

এর পর বাকী সব ব্যাটসম্যান মিলে যোগ করে ৭৯ রান।

ওপেনার ইমরুল কায়েস সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেছেন।

নিউজিল্যান্ডের উইলিয়ামসন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পেয়েছেন।

মূলত ১০৫ রানে সাব্বির রহমানের বিদায়ের পর ধ্বস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে।

দুর্ভাগ্যবশত রান আউটে তার বিদায়ের পর খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি সাকিব আল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেন।

পরে তাদের পথ ধরেন অন্যরাও।

এর আগে নেলসনের স্যাক্সটন ওভাল স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

দলীয় শূন্য রানে প্রথম উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত নীল ব্রুমের অপরাজিত শতরানের সুবাদে ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ২৫১ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

মাশরাফি পেয়েছেন তিন উইকেট। আর তাসকিন আহমেদ ও সাকিব আল হাসান পেয়েছেন দুটি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩০ রানের মাথায় তামিম ইকবালের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ দলে এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে তিনজন খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়েছে। এরা হলেন মুশফিকুর রহিমের ইনজুরির কারণে দলে জায়গা পাওয়া নূরুল হাসান।

বাকী দুজন হলেন তানভীর হায়দার ও শুভাশীষ রায়।

এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিলো ৭৭ রানে।

৩১শে ডিসেম্বর শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc02798-copyমাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও পুরুস সদস্য পদে যারা জয়লাভ করেছেন তাদের তালিকা নিম্মে দেওয়া হলো : চেয়ারম্যান পদে : চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম (মটর সাইকেল) পেয়েছেন (১২ কেন্দ্রে ) ৬৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ (আনারস) পেয়েছেন ১৭৮ ভোট। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে : সংরক্ষিত মহিলা ১ নম্বর ওয়ার্ড : রোকেয়া মোসলেম উদ্দিন (ফুটবল) ১৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রাজিয়া সূলতানা দুলালী (হরিণ)৮০ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ড : এ্যাড: শাহনাওয়াজ পারভীন (মাইক) ৪২ ভোট পেয়ে এগিয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সাবিয়া হোসেন টেবিল ঘরি) ৩৫ ভোট। এই ওয়ার্ডে ১টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত। সংরক্ষিত ৩ নম্বর ওয়ার্ড : রোজিনা পারভিন (দোয়াত কলম) ৪৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বি দিপালী রানী ঘোষ (ফুটবল) ৪৬ ভোট পেয়েছেন। এই ওয়ার্ডে ১টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত। সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ড : শিল্পিরানী মহালদার (হরিণ) ১১৪ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি খালেদা আয়ুব (দোয়াত কলম) ৭০ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত ৫ নম্বর ওয়ার্ড : মাহাফুজা সুলতানা (দোয়াত কলম) ৫৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মুরশীদা পারভীন (হরিণ) পাপড়ি ৩৯ ভোট পেয়েছেন। এই ওয়ার্ডে ১টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রয়েছে। সদস্য (পুরুষ ) : ১ নম্বর ওয়ার্ড : শেখ আমজাদ হোসেন (ঘুড়ি) ২৫ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আলিমুর রহমান সরদার (টিউবওয়েল) ১৯ ভোট পেয়েছেন। ২ নম্বর ওয়ার্ড : মতিউর রহমান গাজী (অটো রিক্সা) ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল জব্বার (টিউবওয়েল) ১৭ ভোট পেয়েছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ড : ওবায়দুর রহমান (তালা) ৩২ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মারুফ হোসেন (হাতি) ২৬ ভোট পেয়েছেন। ৪ নম্বর ওয়ার্ড : মনিরুল ইসলাম (টিউবওয়েল) ২৭ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম মোস্তফা (তালা) ১৬ ভোট পেয়েছেন। ৫ নম্বর ওয়ার্ড : সৈয়দ আমিনুর রহমান (অটোরিক্সা) ৩১ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল আনিস খান চৌধুরী বকুল (টিউবওয়েল) ২৪ ভোট পেয়েছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ড : উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভোট স্থগিত। ৭ নম্বর ওয়ার্ড : আসাদুর রহমান (তালা) ৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মিলন কুমার ঘোষ (হাতি) পেয়েছেন ১১ ভোট। ৮ নম্বর ওয়ার্ড : নুরুজ্জামান (তালা) ৩২ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফিরোজ কবির (টিউবওয়েল) ২৩ ভোট পেয়েছেন। ৯ নম্বর ওয়ার্ড : উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভোট স্থগিত। ১০ নম্বর ওয়ার্ড : ডালিম কুমার ঘরামী (তালা) ২০ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম মোস্তফা (হাতি) ১৯ ভোট পেয়েছেন। ১১ নম্বর ওয়ার্ড : এম.এ আব্দুল হাকীম (হাতি) ৩৯ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জিএম মতিয়ার রহমান (ক্রিকেট ব্যাট) ২৫ ভোট পেয়েছেন। ১২ নম্বর ওয়ার্ড : মো. মহিতুর রহমান (তালা) ৩০ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আনন্দ মন্ডল (অটোরিক্সা) ১৭ ভোট পেয়েছেন। ১৩ নম্বর ওয়ার্ড : দেলোয়ার হুসাইন (টিউবওয়েল) ৩৯ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ওমর সাকি ফেরদৌস (হাতি) ২১ ভোট পেয়েছেন। ১৪ নম্বর ওয়ার্ড : উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভোট স্থগিত। ১৫ নম্বর ওয়ার্ড : মীর জাকির হোসেন (টিউবওয়েল) ৫১ ভোট পেয়ে জয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস (হাতি) পেয়েছেন ২৭ ভোট। ১২ টি কেন্দ্রের ফলাফল গননা শেষে জেলা রিটানিং অফিসার জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অপ্রতিম: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম দলীয় প্রার্থী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট গণনা শেষে জেলা নির্বাচন অফিসের একটি বিশেষ সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, জেলার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী  জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ আনারস প্রতীক নিয়ে ১৭৮ ভোট পেয়েছেন।
এর আগে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করার কথা সাংবাদিকদের জানান। স্থগিতকৃত কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনের ৯নং ওয়ার্ডের শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হলরুম, ৬নং ওয়ার্ডের দেবহাটা উপজেলার সখিপুর খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজ কেন্দ্র ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা হারুনার রশীদ কলেজ কেন্দ্র। স্থগিতকৃত তিনটি কেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা মাত্র ২’শ ৭জন।
তবে, স্থগিতকৃত ভোট কেন্দ্রের ভোট দ্বারা চেয়ারম্যান পদের ফলাফল পরিবর্তন হওয়ার আর কোন সম্ভবনা না থাকায় নজরুল ইসলামকে বেসরকারিভাবে বিপুলভোটে নির্বাচিত বলা যায়।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা  জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভাকে ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ডে বিভক্ত করে সীমান নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৫টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে ভাগ করা হয়। জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হন মোট ১০০ জন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ২জন, পুরুষ সদস্য পদে ৭৯ জন এবং সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্য পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটারের সংখ্যা মোট ১০৫১ জন। এর মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকায় এ নির্বাচনে ৮’শ ৪৪ জন ভোটারের মধ্যে ৮’শ ২৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এবং বাকি ১৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।
সদস্য পদে বিজয়ী ও এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের নাম ও প্রাপ্ত ভোট সংখ্যাসহ বিস্তারিত সংবাদ আসছে…………

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

muncur-ahamed-copyঅপ্রতিম: বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ডেইলি সাতক্ষীরা’র হাতে এসে পৌঁছেছ । এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০ ভোটের মধ্যে ৬৯ ভোট পেয়েছেন মটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মুনসুর আহমেদ ১০। আশাশুনির প্রতাপনগর কেন্দ্রে নজরুল ইসলাম ৬৯, মুনসুর আহমেদ ১১। ভোট্ কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল কেন্দ্রে নজরুল ইসলাম ৫১, মুনসুর আহমেদ ১০। উপজেলার বামনখালিতে নজুরল ইসলাম ৫২, মুনসুর আহমেদ ৪। কালিগঞ্জ তারালী কেন্দ্রে নজরুল ইসলাম ৪৬, মুনসুর আহমেদ ২১।  ভাদড়া নজরুল ইসলাম ৪৮, মুনসুর আহমেদ ১৬। বিষ্ণুপুর নজরুল ইসলাম ৩৮, মুনসুর আহমেদ ২৬।  গোনাকরকাটী নজরুল ইসলাম ৬৯, মুনসুর আহমেদ ১১ । তালা নজরুল ইসলাম ৫৯, মুনসুর আহমেদ ২১। ঝাউডাঙ্গা নজরুল ইসলাম ৬৪ মুনসুর আহমেদ ১৪ । শ্যামনগর নজরুল ইসলাম ৫২, মুনসুর আহমেদ ১৩।
অর্থাৎ ১২টির মধ্যে ১১টি কেন্দ্রে নজরুল ইসলাম মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬০৭ ভোট আর মুনসুর আহমেদ পেয়েছেন ১৫৭ ভোট। ১টি কেন্দ্রের ফলাফল এখনও আমাদের হাতে আসেনি। স্থগিত কেন্দ্র ৩টি ভোট আছে ২০৭টি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dsc02773 মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় উৎসবমূখর পরিবেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৬। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে জেলার ১২টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। যা বিরতিহীনভাবে চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হলেও চলছে ভোট গণনার কার্যক্রম। এদিকে ভোট চলাকালীন সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন ও জেলা তথ্য অফিসার শাহনেওয়াজ করিম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মুনসুর আহমেদ ও মো. নজরুল ইসলামসহ সদস্য প্রার্থীরা।
এ সময় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন ও পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন প্রিdsc02777জাইডিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভোটের বিষয়ে আলোচনা করেন।
প্রতিটি জেলায় একজন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ১৫ জন সাধারণ এবং পাঁচজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ভোট হচ্ছে। সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন হলেও জেলা পরিষদ আইনে প্রত্যক্ষ ভোটের বিধান নেই। জেলার অন্তর্ভুক্ত পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভোটে জেলা পরিষদের নতুন প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ভোটকেন্দ্র পুলিশ, ব্যাটলিয়ন আনসার ও আনসার ভিডিপির সদস্য রয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার এএইচএম কামরুল হাসান জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। জেলায় চেয়ারম্যান পদে দু’জন, সাধারণ সদস্যের ১৫টি ওয়ার্ডে ৭৫জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যের ৫টি পদে ১৯জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলার ১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।  কেন্দ্রগুলো হলো, ৬নং ওয়ার্ডের দেবহাটা উপজেলার খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ কলেজ কেন্দ্র, ৯নং ওয়ার্ডের শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হলরুম কেন্দ্র ও ১৪নং ওয়ার্ডের পাটকেলঘাটা হারুন-উর-রশীদ কলেজ কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা যথাক্রমে ৭৭জন, ৬৫জন ও ৬৫জন।  ফলশ্রুতিতে ১২টি কেন্দ্রে ৮৪৪জন ভোটার আজকের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ। ৬১টি জেলায় এক যোগে এই নির্বাচন আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণের সময়। ভোট দেবেন স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।ইসি সচিব মুহাম্মদ আবদুল্লাহর মতে, নির্বাচনটি অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা পরিষদ প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।ইতোমধ্যে বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২১ জন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচত হয়েছেন। এতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ৩৯ জেলায় ১শ ৪৬ জন।সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১শ ৬৬ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই হাজার ৯শ ৮৬জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৮০৬ জন প্রার্থী।জেলা পরিষদের ৬১ জেলায় ৬৩ হাজার ১শ ৪৩ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৮ হাজার ৩শ ৪৩ জন এবং নারী ভোটার ১৪ হাজার ৮শ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৮শ ৩৬টি। আর কক্ষ থাকছে এক হাজার ৮শ ৩০টি। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।এ নির্বাচনে আটটি পর্যবেক্ষক সংস্থার তিন হাজার ২শ ২৫ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে ইসি।১৯৮৮ সালে এইচ এম এরশাদের সরকার প্রণীত স্থানীয় সরকার (জেলা পরিষদ) আইনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়ার বিধান ছিল। পরবর্তীতে আইনটি অকার্যকর হয়ে পড়ে। ২০০০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচিত জেলা পরিষদ গঠনের জন্য নতুন আইন করে।এরপর ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকার ৬১ জেলায় আওয়ামী লীগ জেলা পর্যায়ের নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয়। অনির্বাচিত এই প্রশাসকদের মেয়াদ শেষেই ডিসেম্বরে নির্বাচন হচ্ছে।২০ নভেম্বর তিন পার্বত্য জেলা বাদে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest