
নিজস্ব প্রতিবেদক: মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মঈনুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিসট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা বাস মিনিবাস, মাইক্রোবাস, কোচ মালিক সমিতির সভাপতি ও দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সদর সার্কেল আতিকুল হক, পৌর কাউন্সিলর আব্দুস সেলিম, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় বক্তারা বলেন, এটি বিজয়ের মাস। আমাদের দেশ দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পরে স্বাধীন হয়েছে। সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক ভাল অবস্থানে আছে। ২০১৩ সালের পর সাতক্ষীরাকে এক শ্রেনীর কুচক্রী মহল অশান্ত করেছিল। জেলা প্রশাসনের কল্যানে আমরা সাতক্ষীরা বাসী সেখান থেকে মুক্ত হতে পেরেছি। বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা একটি শান্ত জেলা হিসাবে পরিচিত। এ জেলা এখন অপার সম্ভবনার জেলা। খেলাধুলা, মৎস্য থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি উৎপাদনশীল জিনিসপত্র এখানে পাওয়া যায়। সাতক্ষীরা জেলা থেকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে চিরতরে নির্মল করতে হবে। বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলছে। এদেশে আর যাতে কোন অপশক্তি আসতে না পারে সে লক্ষে সরকার কে সহযোগীতা করতে হবে। এ বিজয়ের মাসে আমাদের লক্ষ হওয়া উচিত একটি জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ মুক্ত একটি সোনার বাংলা গড়া। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে আমরা পেয়েছি স্বাধীন রাষ্ট্র।

নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্য দিনের মত গণসংযোগ না করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত কলারোয়ার সোনা বাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের গ্রেফতারের খবর শুনে গণসংযোগ বাতিল করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। রোববার সকালে তিনি ১ম জেলা আইনসৃঙ্খলা সভায় এ বিষয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এরপর কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের আয়োজনে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের মুক্তি ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রাথী ন্জরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারন করা একজন আওয়ামীলীগের সৈনিক। আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কনো মানুষের বিপদের কথা শুনে বিপদ উদ্ধার করা না পর্যন্ত স্থির থাকে না। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আর জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ মনোনিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান ষড়যন্ত্র মুলকভাবে জেল হাজেতে থাকবে আর আমি ঘরে বসে থাকব তা হয় না। বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে আমি এ ধরনে শিক্ষা পাইনি। যতদিন পর্যন্ত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির মুক্তি না হয় ততদিন আপনাদের আন্দেলনের সাথে আছি থাকব। প্রতিবাদ সভায় তার সাথে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান,সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, বাঁশদাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, শহর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়ন, যুবলীগনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

