নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত দঃুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে গৃহ নির্মানের জন্য ঢেউ টিন এবং গৃহ মেরামতের জন্য অর্থ চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সকালে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা ডিজিটাল কনফারেন্স রুমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢেউ টিন ও চেক বিতরণ করেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বরাদ্ধকৃত ১ শ’ ১৭ জন ক্ষতিগ্রস্থ দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে গৃহ নির্মানের জন্য ১ শ’ ৩২ বান ঢেউ টিন এবং গৃহ মেরামতের জন্য বান প্রতি ৩ হাজার টাকার অর্থ চেক বিতরণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সকালে সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সদর উপজেলা ডিজিটাল কনফারেন্স রুমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ঐচ্ছিক তহবিল হতে অনুদানের চেক বিতরণ করেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। তাই বিভিন্ন অনুদান বিতরণের মাধ্যমে অসহায় মানুষদের কর্মমুখি ও স্বাবলম্বী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন’। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল হতে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ৪৮ জন অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে এ অনুদানের চেক বিতরণ হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা অফিসার্স ক্লাবে সমাজসেবা অধিদফতরের আয়োজনে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিস সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের সহকারি পরিচালক হারুন-অর রশিদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শহিদুর রহমান প্রমুখ। ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত ৪২ জনকে ৫০ হাজার টাকা করে ২২ লক্ষ টাকা বিতরণ করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ শুরু হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বারদের সাথে কুশল বিনিময় করে সাতক্ষীরা পৌরসভা থেকে এ গণসংযোগ শুরু করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম। এসময় তার সাথে ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর সভাপতি শেখ সাইদ, সদর থানা যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সংগঠনিক সম্পাদক গনেশ চন্দ্র মন্ডল, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নানসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সমর্থকগণ। গণসংযোগ কালে তিনি বলেন,আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বুকে ধারন করে দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগ করে আসছি। জেলা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন ও করছি। উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছিল। পরবর্তীতে আমি দলের সিদ্ধান্তে এমপি ও উপজেলা নির্বাচন করেনি। কিন্তু এবারের জেলা পরিষদের নির্বাচনেও দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি, তাপরও আমি আপনাদের ভালাবাসায় নির্বাচন করছি। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করছে তা বিগত কোন সময়ে হয়নি। তাই আমার লক্ষ নেত্রীর এ উন্নয়নের ছোয়া আপনাদের দৌড়গড়ায় পৌছে দেওয়া। আমি আপনাদের ভালবাসার কাছে হেরেগেছি আপনারা যে আমাকে এত ভাল বাসেন তার প্রমান আমার ডাকে আপনাদের উপস্থিতি। আমি আশা করি আপনারা আপনাদের ভোটের মাধ্যমে আমাকে নেত্রীকতৃক জেলা পরিষদের সেবা পৌচে দিতে সুযোগ করে দিবেন। আমি একবারের জন্য হলেও নেত্রীর উন্নয়নের সেবা আপনাদের কাছে পৌছে দিতে আপনাদের দোয়া, আর্শীবাদ, সমার্থন ও ভোট কামনা করছি। তিনি ভোমরা ইউনিয়ন, দেবহাটা ইউনিয়ন, নওয়াপাড়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন।
তালা প্রতিনিধি: কালের স্বাক্ষী বাঙালি জাতির স্বাধীনতা যুদ্ধে রক্ত ঢেলে দেওয়া অমর স্মৃতি সাতক্ষীরা তালা উপজেলার পারকুমিরার বধ্য ভূমি আজও অরক্ষিত। স্বাধীনতা অর্জনের ৪৫ বছর পদার্পণ হলেও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২৩ এপ্রিল শুক্রবার পাক হানাদার বাহিনী নির্মম নির্যাতন চালিয়ে একসাথে ৭৮ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করে। হত্যার পর তাদেরকে একই কবরে মাটি চাপা দেয়। যুদ্ধের অমর স্মৃতি রক্ষণাবেক্ষণের এখনো হয়নি। বর্তমান স্থানটি নির্বাচন করে তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্বারস্থ হয়ে মাত্র ৪ টন গমের টাকায় মাটি ভরাট করেছে। এর আগে বদ্ধ ভূমি ছিল কৃষকের চাষাবাদের জমি। হাটি হাটি পা পা করে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস তথা পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের কথা আজ আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার মুখে মুখে। যে উদ্দেশ্যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে উদ্দেশ্য আজ অনেকটা সফলতার মুখ দেখেছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি রাজাকার গোষ্ঠী বাংলার মাটি থেকে অনেকটাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়েছে। আজ ৭১-এর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সূর্য সন্তান হিসেবে বর্তমান প্রজন্ম গর্বিতভাবে সম্মান করে। বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখলেও তপ্ত বুলেটের আঘাতে রক্তে লটিত শহীদদের স্মৃতি কেন রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না এটি সাধারণ জনমনে প্রশ্ন। তালা উপজেলার পারকুমিরার ৭৮ শহীদের গণকবর রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় নিশ্চিহ্ন হতে পারে বলে সুধী মহলের ধারণা। ১৯৯২ সালে ২৪ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বধ্য ভূমিতে পা রেখে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা শেষে পর একটি স্মৃতিফলক উন্মোচন করে। ফলকটিও আজ বিবর্ণ হয়ে অনেকটাই বিলীনের পথে। তালা উপজেলার আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে গণকবরটি রক্ষণাবেক্ষণে আন্তরিকতার অভাব নেই। ইতি মধ্যে এলজিইডি’তে প্রায় কোটি টাকা মূল্যে স্মৃতিসৌধের অনুমোদন হলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে টাকা না থাকায় বাস্তবায়নে সম্ভব হচ্ছে না। তবে অতি দ্রুত ৭৮ শহীদের গণকবর তালা উপজেলা তথা দক্ষিণবঙ্গের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য স্মৃতিসৌধ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।