photos-arreast-1
নিজস্ব প্রতিবেদক: মোহনপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় ৩৬ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার মোহনপুর থেকে তাদের দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানায় এসআই মোমরেজ বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। গেফতারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের আব্দুর রউফ সরদারের ছেলে জাহিদ হাসান ও ইসমাইল হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি ফিরোজ হোসেন মোল্যা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে মাদক মামলার আসামি নাসির ও কুদ্দুসকে গ্রেফতারে সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে যান এসআই মোমরেজসহ সঙ্গীয় ফোর্স। এসময় মাদক ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে তিনিসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে আসামীরা পালিয়ে যায়। তিনি আরো জানান,এ ঘটনায় এসআই মোমরেজ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার দুপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া দিবস এবং আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ-১৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা,জয়িতাদের সম্মাননা ও চেক বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উক্ত দিবস পালন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানার সভাপতিত্বে ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএমডি মোস্তাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, আশাশুনি প্রেসক্লাব উপদেষ্টা একেএম এমদাদুল হক,উপজেলা চেয়ারম্যান পতিœ রুপি সালমা। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষিকা কামরুন্নাহার কচি, প্রাক্তন শিক্ষক চিত্তরঞ্জন ঘোষ,পাথেয় সংস্থার পরিচালক পারভীন সুলতানা লিপি, প্রশিক্ষক শারমিন সুলতানা, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান, বাহবুল হাসনাইন, জয়িতা জোহরা খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৫জন জয়িতাকে স্মৃতিরানী সরদার (অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী) জোহরা খাতুন (শিক্ষার উপরে) করুনা রানী (সফল জননী) শ্বাশতী রানী সরকার (সমাজ উন্নয়ন) তাছলিমা খাতুন (নির্যাতনের বিভিশিখা মুছে ফেলে নতুনভাবে জীবন শুরু) কে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয় এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৫২জন মহিলাকে ৫লক্ষ ৫৩ হাজার টাকার ঋনের চেক বিতরণ করা হয়।  অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম রোকেয়ার জীবনি থেকে শিক্ষা নিয়ে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1kalam-copy
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ২০১৬-২০১৭ সালের বার্ষিক নির্বাচনে (সম্মিলিত প্রেসক্লাব উন্নয়ন পরিষদ) কালাম-বারী পরিষদ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ অর্জন করে জয়লাভ করেছে। ১৩ টি পদের বিপরীতে ১২ টি পদে তারা জয়লাভ করেছেন। বাকি একটি পদে (সহ-সভাপতি) মনোনয়নে ত্রুটি হওয়ায় শেখ আবদুল ওয়াজেদ কচির মনোনয়নটি বতিল হয়। নির্বাচনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব হলরুমে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। মোট ৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচন কমিশনার জানান, সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ৩৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী পেয়েছেন ২৮ ভোট। সহ-সভাপতি পদে কালিদাশ কর্মকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল বারী ৩৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম কমরুজ্জামান পেয়েছেন ২৮ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ৩৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল জলিল পেয়েছেন ২৯ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রবিউল ইসলাম ৩৪ ভোট জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহীন গোলদার পেয়েছেন ৩১ ভোট। সাহিত্য সম্পাদক পদে শহিদুল ইসলাম ৩৬ ভোট জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিনুর রশিদ পেয়েছেন ২৯ ভোট। অর্থ সম্পাদক পদে ফারুক মাহবুবুর রহমান ৩৬ ভোট জয়লাভ করেছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদ হোসেন পেয়েছেন ২৭ ভোট। দপ্তর সম্পাদক পদে আহসানুর রহমান রাজীব ৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করছেন। তার নিকটতম শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না পেয়েছেন ২৯ ভোট। এছাড়া নির্বাহি সদস্য পদে অসীম বরণ চর্ক্রবর্তী, আশরাফুল ইসলাম খোকন, এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান, মোশারফ হোসেন ও এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস জয়লাভ করেছেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট নূর আহমেদ মাছুম। তাকে সহযোগিতা করেন, জেলা তথ্য অফিসার শেখ শাহনেওয়াজ করিম ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ফারাজি বেনজির আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

20161209_110204
কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও মাও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শ্রেষ্ঠ ৫ জন জয়িতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈন উদ্দিন হাসান। কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুশীলনের উপ-পরিচালক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টু, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সোহরাওয়ার্দী পার্ক কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহীম, লেডিস ক্লাবের সম্পাদিকা ইলাদেবী মল্লিক, সাফল্য অর্জনকারী নারী জেবুন্নাহার খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, নির্বাহী সদস্য আবু হাবিব, সাংবাদিক আরাফাত আলী ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন, নলতা হাসপাতাল হেল্থ ফাউন্ডেশনের সুপার ভাইজার আকবর আলী খান টিপু. বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক সম্পা গোম্বামী। অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালে উপজেলায় ৫ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। তারা হলেন দক্ষিণশ্রীপুর ইউনিয়নে অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী জয়িতা জেবুন্নাহার খাতুন, মথুরেশপুর ইউনিয়নে শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জকারী জয়িতা রাবেয়া খাতুন, মৌতলা ইউনিয়নে সাফল্য অর্জনকারী জননী জয়িতা জহুরা খাতুন, ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যামে জীবন পরিচালনা করেছেন যে জয়িতা যমুনা বসাক এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন জয়িতা আমেনা খাতুন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধায়নের ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সুপার ভাইজার জয়দেব দত্ত। এসময় উপজেলার বিভিন্ন নারী সংগঠন, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3
নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘আসুন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হই।’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেটস্থ শহিদ আলাউদ্দিন চত্বরে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ড. এম মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দন্ত চিকিৎসক ডাঃ আবুল কালাম বাবলা, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি প্রফেসর শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, মুর্শিদা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন আহমেদ, কার্যকরি সদস্য অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, মো. আব্দুর রব ওয়ার্ছী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ‘দুর্নীতি শুধু আমাদের দেশে নয়! সমগ্র বিশ্বে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর অন্যতম হচ্ছে জনগণের মধ্যে নৈতিকতা বোধ জাগিয়ে তোলা। দুর্নীতি রোধ করতে হলে সমাজের সকলকে সচেতন হতে হবে।’ এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জিএম শফিউল আলম, আহ্ছানিয়া মিশন মাদ্রাসার শিক্ষক সাইফুল আলম ছিদ্দিকী, মো. আব্দুল আজিজ, ইব্রহিম খলিল, সাইফুল ইসলামসহ জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের নূরনগর এলাকা থেকে বনদস্যু নোয়া মিয়া ভাই বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আব্দুল মজিদ ভাঙ্গিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোরে উপজেলার নুরনগর বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত বনদস্যু রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামে মৃত মফেজ ভাঙ্গীর ছেলে। শ্যামনগর থানার এস,আই বিশ্বজিৎ কুমার অধিকারী ও এস,আই আরিফ জানান, দীঘর্দিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি শেষে পরিবারের সাথে দেখা করতে এসেছে বনদস্যু মজিদ এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে নূরনগর বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক বনদস্যু মজিদ ভাঙ্গি পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নোয়া মিয়া ভাই বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক বনদস্যু আব্দুল মজিদকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: চা না হলে অনেকের চলেই না। জ্বরের বিরুদ্ধে চা কিন্তু দারুণ কার্যকর। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টাতে হুটহাট করে ভাইরাসজনিত জ্বরে পড়তে পারেন। যেকোনো বয়সের যে কারও এ জ্বর হঠাৎ চলে আসে। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাজারে এ ধরনের জ্বরের অনেক ওষুধ আছে। কিন্তু ভাইরাসজনিত জ্বর থেকে সুরক্ষায় কিছু হারবাল উপাদান আছে, যা খেলে এ ধরনের জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ধরনের মৌসুমি সংক্রমণ থেকে প্রতিকার পাওয়ার কিছু উপায় জেনে নিন:ধনে চা: মৌসুমি জ্বর হলে ধনের চা তৈরি করে খেতে পারেন। এতে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান আছে, যা প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এতে থাকা ভিটামিন ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।তুলসি চা: ভাইরাস জ্বর নিয়ে তুলসি পাতার চা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার হয়ে আসছে। কারণ, এতে নানা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। এ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও জার্মিডিক্যাল ও ফাংগিসিডালের উপস্থিতির কারণে ভাইরাল জ্বরে তুলসী পাতার চা দারুণ কার্যকর।আদা চা: হঠাৎ ভাইরাস জ্বরে পড়লে আদা চা অবশ্যই খাবেন। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রদাহ ও বেদনানাশক গুণও রয়েছে আদায়। শুধু তা-ই নয়, জ্বর কমাতেও ভালো কাজ করে আদা। আদা চা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।মেথি চা: মেথিতে আছে ডিওসজেনিন, স্যাপোনিনস, অ্যালকালয়েডসের মতো নানা উপাদান, যা সংক্রমণ ঠেকাতে পারে। এ সময় ভাইরাস জ্বর হলে মেথির চা খেলে কাজে লাগবে। নিয়মিত মেথি খেলে সর্দি-কাশি পালায়। লেবু ও মধুর সঙ্গে এক চা-চামচ মেথি মিশিয়ে খেলে জ্বর পালাবে। মেথিতে মিউকিল্যাগ নামের একটি উপাদান আছে, যা গলাব্যথা সারাতে পারে। অল্প পানিতে মেথি সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গড়গড়া করলে গলার সংক্রমণ দূর হয়। হারবাল চা: হারবাল চায়ে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। জ্বর হলে এই চা উপকারী। শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়ার শক্তি জোগায় হারবাল চা। দিনে দুই বা তিনবার গরম চা আপনাকে অনেকটা আরাম দিতে পারে চাইলে চায়ের মধ্যে লেবুর রস বা লবঙ্গজাতীয় জিনিস যোগ করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: খাবার শরীরের শক্তি বাড়ায়। খাবার খেয়েই আমরা জীবনধারণ করি। তবে না বুঝে খেলে বা ভুলভাবে খেলে খাবারই আবার শরীরের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে। তাই খাবার সময়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট ডেমিক মিডিয়া জানিয়েছে পাঁচটি খাবার খাওয়া সময়ের কথা।   ১. কলা খাওয়ার সময়  দুপুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বক ভালো করে। রাত মিউকাস তৈরি করে এবং হজমে সমস্যা করে। ২. আপেল খাওয়ার সময় সকাল রক্তের সুগার ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রাত হজমে অসুবিধা হয় এবং পাকস্থলীর এসিড বাড়ায়। ৩. দই খাওয়ার সময় রাত হজম দ্রুত করে। সকাল খালি পেটে খেলে পাকস্থলীতে অনেক বেশি এসিড তৈরি হয়। ৪. টমেটো খাওয়ার সময় সকাল  হজম ভালো করে এবং বিপাক বাড়ায়।রাত রাতে টমেটো খেলে পাকস্থলী ফুলে যায়।৫. বাদাম খাওয়ার সময় দুপুর রক্তের সুগারের ঝুঁকি কমায়। রাত ওজন বাড়িয়ে দেয়। ৬. কমলা খাওয়ার সময় সকালের নাস্তা পাকস্থলীর সমস্যা তৈরি করে এবং গ্যাসট্রিকের সমস্যা বাড়ায়। সকালের পর হাল্কা নাস্তার সময় হজম ভালো করে এবং বিপাক ক্ষমতা বাড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest