সর্বশেষ সংবাদ-
জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিসাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন Ako používať roobet paysafecard pre maximálne pohodlie a bezpečnosťMilyen hatással van a kaszinó keverési eljárás a játékélményreশ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা

full_558063755_1486223777জলের তলায় লুকিয়ে রয়েছে আরও একটা মহাদেশ! সেটা আবার আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের সমবয়সী! ভারত মহাসাগরের মরিশাস দ্বীপের তলায় রয়েছে সেই মহাদেশ। সম্প্রতি জোহানেসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানীর গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।

জোহানেসবার্গের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লেউইস অ্যাশওয়াল জানান, ওই মহাদেশের সৃষ্টি হয়েছে আজ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে। অন্যান্য মহাদেশের মতো এক সময়ে পৃথিবীর স্থলভাগই ছিল সেটি। কিন্তু ২০ কোটি বছর আগে গন্ডোয়ানা ল্যান্ড বিভক্ত হওয়ার সময় তা পানির তলায় চলে যায়। গন্ডোয়ানা ল্যান্ড থেকে আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টার্কটিকা এবং ভারত ভূখণ্ড একে একে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভারত মহাসাগরের সৃষ্টি করে। আগ্নেয়গিরির লাভা জমে তৈরি হয় ভারত মহাসাগরের মাঝে মরিশাস দ্বীপও। আর সেই মরিশাস দ্বীপটির নীচেই চাপা পড়ে যায় এই বিস্তীর্ণ ভূভাগ। তার পর থেকে যা মহাসাগরের তলাতেই রয়েছে।

লেউইস আরো জানান, মরিশাস দ্বীপে জির্কন নামে এক খনিজের সন্ধান মিলেছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই খনিজ ৩০০ কোটি বছরের পুরনো। যেখানে মরিশাসের বয়স অনেকটাই কম। যত গভীরে যাওয়া হয়েছে, ততই ওই খনিজের পরিমাণ বেড়েছে। তা থেকেই মরিশাস দ্বীপের নীচে জলের তলায় মহাদেশ রয়েছে বলে নিশ্চিত হন বিজ্ঞানীরা।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালেও ভূবিজ্ঞানীরা একবার এই খনিজের সন্ধান পেয়েছিলেন মরিশাসে। কিন্তু তখন উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে বিজ্ঞানীদের এই দাবিতে কেউ আমল দেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

61c784f2bee130c891cb7d39fcf971d3-588c8aa8c1efeআমরা জানি প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে দূরে থাকা যায় বিভিন্ন রোগ থেকে। তবে জানেন কি প্রতিদিন দুটি খেজুর খেলেও থাকতে পারবেন সুস্থ? খেজুরে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানান ধরনের পুষ্টিগুণ।

কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত প্রতিদিন দুটি করে খেজুর খেলে কী হবে জেনে নিন-

  • দুটি খেজুর সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন পেস্ট করে খেয়ে ফেলুন। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে।
  • কিছু গবেষণা থেকে জানা গেছে, প্রতিদিন খেজুর খেলে এ থেকে পাওয়া পটাসিয়াম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় প্রায় ৩৯ পারসেন্ট।
  • হজমের গণ্ডগোল থেকে মুক্তি দিতে পারে খেজুর।
  • প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
  • খেজুরে থাকা পটাসিয়াম মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য জরুরি।
  • কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলেও আপনাকে সাহায্য করতে পারে খেজুর। রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। খেজুরও খেয়ে নিন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।

তথ্য: বোল্ডস্কাই

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1486191537অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যানসার তৈরির একটি বড় কারণ। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। যেসব খাবার ক্যানসার তৈরি করে এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ।

১. পরিশোধিত মিষ্টি জাতীয় খাবার

এই ধরনের খাবার দেহের ইনসুলিনের পরিমাণকে বাড়িয়ে দেয় এবং ক্যানসারের বৃদ্ধি বাড়িয়ে দেয়। এই ধরনের খাবার প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. লাল প্রক্রিয়াজাত মাংস

লাল প্রক্রিয়াজাত মাংসের ভেতর লবণ বেশি থাকে। এতে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

৩. ধূমায়িত খাবার

ধূমায়িত প্রক্রিয়াজাত খাবারে বিষাক্ত পদার্থ থাকে। এগুলো অস্বাস্থ্যকর। এই ধরনের খাবার ক্যানসার বৃদ্ধি বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪. পটেটো চিপস

গবেষণায় বলা হয়, পোটেটো চিপস ওভারি, প্রোস্টেট, স্তন ও অন্ত্রের ক্যানসার তৈরি করে। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি। এটি কোলেস্টেরল ও অন্যান্য রোগ তৈরি করে।

৫.  সাদা ময়দা

পরিশোধিত ময়দার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে কার্ব থাকে। বেশি পরিমাণ কার্ব খেলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এটি শরীরের সুগারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

suronjit-sen-guptaবিশিষ্ট পার্লামেন্টিরিয়ান, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি পরলোকগমন করেছেন। ভোর ৪টা ২৪ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীর্ঘদিন ধরেই তিনি নানা রোগে ভুগছিলেন। সর্বশেষ শুক্রবার অসুস্থতাবোধ করায় তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে সবকিছুই প্রস্তুত ছিল। শনিবার রাতে শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। ভোর ৪টা ২৪ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

১৯৪৬ সালে সুনামগঞ্জের আনোয়ারাপুরে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জন্ম। প্রথম জীবনে বামপন্থী রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া আওয়ামী লীগের এ নেতা  দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম জাতীয় সংসদসহ মোট সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১৯৯৬ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সুরঞ্জিত রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে নিজের সহকারীর অর্থ কেলেঙ্কারির দায় মাথায় নিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। যদিও তা গ্রহণ না করে সে সময় তাকে মন্ত্রী হিসাবে রাখেন শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_5080-copyনিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদরের নলকুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার নলকুড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রতি বছরের ন্যায় নলকুড়া ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা কমিটির আয়োজনে নলকুড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. সাইফুল হাসান খোকনের সভাপতিত্বে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সারা জীবন কাজ করেছি বলেই জেলার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বানিয়েছে। যারা আমাকে জেলার উন্নয়নে চেয়ারম্যান পদে তাদের মহা মূল্যবান ভোট দিয়ে ঐ আসনে বসিয়েছেন। তাদের আশার প্রতিফলন ঘটিয়ে জেলার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করবো। আমার চাওয়া পাওয়ার আর কিছুই নাই। আমি শুধু মানুষের ভালবাসা ও দোয়া চাই।
ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদিস থেকে তাফসির বয়ান করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মোফাচ্ছিরে কোরআন চ্যানেল আরটিভি’র ইসলামী আলোচক হযরত মাওলানা মো. মাসউদুর রহমান নাটোর, বিশেষ বক্তা হিসেবে ওয়াজ মাহফিলে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদিস থেকে তাফসির বয়ান করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মোফাচ্ছিরে কোরআন বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির ঢাকা মহানগর দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক ও চ্যানেল আরটিভি’র নিয়মিত ইসলামী আলোচক হাফেজ মাওলানা মো. মনোয়ার হোসাইন মোমিন নলকুড়া। এছাড়াও স্থানীয় ওলামায়েকেরাম গন তাফসির বয়ান করেন। এ সময় ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রশিদ, লাবসা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. মুস্তাফিজুর রহমান শাহনওয়াজ, এড. সিরাজুল ইসলাম, লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. গোলাম কিবরিয়া বাবু, জেলা যুবলীগের সদস্য সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, ইউছুফ সুলতান মিলন, নলকুড়া ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ আমিনুর হোসেন, সাবেক সভাপতি মো. জিয়াদ আলী, শেখ শফিকুল ইসলামসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।  এ সময় নলকুড়া ফোরকানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ২ জন হাফেজকে পাগড়ি প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ। মাহফিলের সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নলকুড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1486181660আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সম্প্রতি একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ১৩ ব্যক্তি ও ১২টি কোম্পানি। তারা বিভিন্নভাবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত আছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান আগুন নিয়ে খেলছে। তারা বুঝতে পারেনি প্রেসিডেন্ট ওবামা তাদের প্রতি কতটা দয়া দেখিয়েছিলেন। আমি দেখাতে পারব না।’

তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে একটুও টলেনি ইরান। তারা জানিয়েছে, ‘এক অনভিজ্ঞ ব্যক্তি’ হুমকি দিচ্ছে। এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত রোববার একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় ইরান। তখন ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের ওপর একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটরদের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, ‘সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা থেকে শুরু করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মতো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য ইরানের নেতাদের চাপে রাখতে হবে।’

ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফিন হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় বলেন, ‘আমরা  অনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3অনলাইন ডেস্ক: চাঁদের মাটিতে প্রেমিকার নাম লিখে দেওয়ার কথা বলিউডি প্রেমিকদের মুখে শোনা গিয়েছে বহু হিন্দি গানেই। কিন্তু এই বার সেই প্রতিশ্রুতি সত্যি করে তোলার সুযোগ মিলছে। তবে সেটা শুধু ভারতীয়দের জন্য। একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে শুরু হয়েছে একটি বিশেষ প্রকল্প, যার অধীনে নামমাত্র মূল্যে যে কেউ চাঁদের মাটিতে নাম লিখিয়ে নিতে পারেন।

বেঙ্গালুরু-নির্ভর এরোস্পেস স্টার্টআপ টিম ‘ইন্ডাস’ ভারতের প্রথম বেসরকারি সংস্থা হিসেবে চাঁদে মহাকাশযান পাঠানোর প্রোজেক্ট নিয়েছে। গুগল লুনার-এক্স প্রাইজের অন্তর্গত এই স্টার্টআপ নিজেদের প্রোজেক্টের জন্য অর্থসংগ্রহের উদ্দেশ্যে মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়ে চাঁদের মাটিতে নিজের নাম লেখানোর সুযোগ খুলে দিয়েছে সাধারণ মানুষের সামনে।

কী ভাবে সুযোগ নেওয়া যাবে এই প্রোজেক্টের? ২০১৭-র ২৮ ডিসেম্বর ইসরোর পিএসএলভি রকেট পাড়ি দেবে চাঁদের উদ্দেশে। এই রকেট যাত্রার মাধ্যমেই সূচনা হবে ইন্ডাস প্রোজেক্টের। ৩.৮৪ লক্ষ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ২০১৮ সালের ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে, অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারি সেই মহাকাশযান অবতরণ করবে চাঁদে। যাঁরা ৫০০ টাকা দিয়ে চাঁদের মাটিতে নাম লেখাতে আগ্রহী, খুদে খুদে অক্ষরে তাঁদের নাম খোদাই করা একটি অ্যালুমিনিয়াম পাত রাখা থাকবে সেই মহাকাশযানে। সেই পাতটিই রেখে আসা হবে চাঁদের মাটিতে।

এই প্রোজেক্টে ইতিমধ্যেই হাজার দশেক ভারতীয় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করিয়ে ফেলেছেন। সংস্থার আশা, প্রায় ১৪ লক্ষের মতো মানুষ এই প্রোজেক্টে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন, এবং এর ফলে ৭০ কোটি টাকা তুলে ফেলতে পারবে তারা। কিন্তু এত মানুষ হঠাৎ চাঁদের মাটিতে নাম লেখাতে আগ্রহী হচ্ছেন কেন?

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, হুজুগে মানুষ এমনিতেই কিছু রয়েছেন। তা ছাড়া সংস্থাটির তরফে এমন ভাবে এই প্রোজেক্টের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে যে, অনেকেরই ধারণা হচ্ছে যে, ৫০০ টাকা দিয়ে বুঝি চাঁদের মাটিতে জমি কেনা যাচ্ছে। কারণ চাঁদের কোনও প্লটে নিজের নাম লিখিয়ে ফেলা মানেই সেই জমি আমার হয়ে গেল, এমন ভুল ধারণায় ভুগছেন অনেকেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

744আশরাফুল ইসলাম মিলন (৩৫) ১৮ পারা কুরআনে হাফেজ। কিন্তু নিজেকে মিলন চক্রবর্তী পরিচয় দিয়ে চার বছর আগে বিয়ে করেছেন এক হিন্দু মেয়েকে।

হাফেজ মিলন সদর উপজেলা চেঙ্গারডাঙ্গা গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। গলায় ব্রাহ্মণের পৈতা পরে পুরোহিত সেজে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন বাড়িতে পূজা-অর্চনা করছিলেন। এ পর্যন্ত তিনি এক ডজনেরও বেশি হিন্দু বিয়ে পড়িয়েছেন। এভাবে প্রতারণা ও অর্থ হাতানোর ব্যবসা করায় মঙ্গলবার রাতে ডিবি পুলিশ তাকে আটক করেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মিলন এসব তথ্য স্বীকার করা ছাড়াও নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। ডিবি জানায়, আটক মিলনের কাছ থেকে মোবাইলের একাধিক সিম ও সেট পাওয়া গেছে। তিনি পুলিশের কাছে ইসলাম ও সনাতন ধর্মের দুধরনের পরিচয় ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন।

মাগুরা ডিবি পুলিশের এস আই সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, আটক মিলন চেঙ্গারডঙ্গী গ্রামের চয়ন বিশ্বাস নামের এক যুবককে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে চাকরি না পেয়ে চয়ন বিশ্বাস ডিবি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে মিলনকে শ্বশুর বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের এক মামলায় মিলনকে আদালতে নেওয়া হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এসআই মো. সালাহউদ্দিন বলেন, আপাতত তার বিরুদ্ধে একটা মামলা দেওয়া হয়েছে। গভীর তদন্তের জন্য রবিবার তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হবে। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিলন ১৮ পারা কুরআনে হাফেজ। তার আসল নাম আশরাফুল ইসলাম মিলন। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঞ্চন নগর গ্রামের মৃত লুত্ফর রহমানের ছেলে তিনি। সেখানে তার আগের স্ত্রী ও এক সন্তানও রয়েছে। ভারতে যাতায়াতের সূত্র ধরেই মাগুরা সদরের চেঙ্গারডাঙ্গা গ্রামের বিকাশ বিশ্বাসের সঙ্গে তার পরিচয় ও তাদের বাড়িতে যাতায়াত শুরু হয়। পরে ২০১৩ সালে হিন্দু ব্রাহ্মণ পরিচয়ে তার মেয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী মিতা বিশ্বাসকে বিয়ে করে তিনি শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

আটক মিলনের পাসপোর্ট উদ্ধার করে দেখা গেছে, গত তিন বছরে তিনি ৫০ বার ভারতে গেছেন। তাছাড়া ভারত ও বাংলাদেশে তার নামে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এস আই সালাহউদ্দিন বলেন, তিনি বড় কোনো অপরাধী চক্রের সদস্য কিনা, কোনো অপরাধ করে আত্মগোপনে রয়েছেন বা কোনো অপরাধ সংগঠনের জন্য এখানে অবস্থান কিনা- তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest