কে এম রেজাউল করিম : দেবহাটায় নতুন জাতের ফল ড্রাগন চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার চকমোহাম্মাদালীপুর গ্রামের সৈয়দ রিয়াসাদ আলীর পুত্র আকবর আলী। মাত্র ১ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষে তার খরচ হচ্ছে ১ লক্ষ টাকা। তার বাগান থেকে ড্রাগন ফল বিক্রি করে ব্যাপক টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। এচাষে চারা লাগানোর পর শুধু জৈব সার ব্যবহার করে অনেকটা বিনা খরচে ফলন পাবেন মনে করছেন তিনি। তার এ চাষ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলার পাশাপাশি ভাগ্য বদল হতে শুরু করার কথা শুনে অনেকই ড্রাগন চাষে অগ্রহী হয়েছেন। প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ আসেন তার ড্রাগন বাগান দেখতে। সৈয়দ আকবর আলী জানান, আগে তিনি ধান, পাট, সরিষা, মুসুরের মতো গতানুগতিক চাষাবাদ করতেন। কিন্তু তাতে তেমন লাভ হতো না। এক পর্যায়ে পেঁপে-পেয়ারা চাষ শুরু করেন। তাতেও খরচের তুলনায় লাভ কম। তারপর পোকামাকড় ও রোগ বালাইয়ের কারণে এসব ফসল চাষ নিয়ে যখন বিপাকে ছিলেন সেই সময়ে কুমিল্লা অঞ্চলের ভালুকা থেকে ড্রাগন ফলের চারা সংগ্রহ করেন তিনি। বিভিন্ন কৃষিবীদদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ১বিঘা জমি নির্বাচন করে ড্রাগন বাগান গড়ার পরিকল্পনা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে ১শত টাকা মূল্যে শতাধিক ড্রাগন চারা এবং সিমেন্টের পিলার নিয়ে বাগান তৈরি করেন। ক্ষেত তৈরি, গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করতে তার মাত্র ৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আগামী বছর থেকেই গাছে ড্রাগন ফল অসতে শুরু করবে আশাকরেন তিনি। বর্তমান বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকার বেপারীরা বাগান থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে ফল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাজারেও ড্রাগন ফলের বেশি চাহিদা সৃষ্টি না হলেও বাইরে এর ব্যপক চাহিদা রয়েছে। ফল পাওয়ার পর্যন্ত সর্বমোট ১ লক্ষাধক টাকা খরচ হবে জানান। তিনি আরো জানান, নতুন ফলে লাভ বেশি হওয়ার কথা শুনে অনেকে আসেন তার বাগান দেখতে। দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিমউদ্দীন বলেন, মেক্সিকান এ ফল বর্তমানে এশিয়ার চায়না, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কা ব্যাপক চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া ড্রাগন ফল চাষ উপযোগি। প্রচ- খরায় সেচ ও জৈব সার দেয়া ছাড়া ড্রাগন চাষে কোনো বাড়তি খরচ নেই। রোগবালাই মুক্ত ড্রাগন গাছ একবার লাগালে শুধু পরিচর্যা করলে ৩০ থেকে ৪০ বছর একনাগাড়ে ফল দেয়। এ ফল চাষ অত্যন্ত লাভজনক। ড্রাগন ফল মিষ্টি ও হালকা টক জাতীয় স্বাদের হয়ে থাকে। এ ফলে নানা পুষ্টিগুণ রয়েছে। বিশেষ করে এ ফল ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্ত চাপ, কোলেস্টেরল ও শরীরের চর্বি কমায়। যে কারণে বাজারে ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরাতে অনেক উন্নয়ন হলেও এখনো অনেক কিছুই অসম্পূর্ণ রয়েছে। আর তাই সার্বিক উন্নয়নে সকলকে মিলে মিশে কাজ করার আহবান জানালেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রখ্যাত শল্য চিকিৎসক ডাঃ আ. ফ. ম রুহুল হক এমপি। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।
নিজস্ব প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ বহুড়া গ্রামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কেরালকাতা ইউপির প্রাক্তন চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পর্যায়ের শীর্ষ বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে প্রতিরক্ষা, ঋণ, মহাকাশ, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের মোট ২২টি চুক্তি ও চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : অরুণোদয়ের তরুণ আলোয় এসো আলোকিত হই স্লোগানে প্রথম বারের মত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সোনারগাঁ লোকশিল্প যাদুঘর এ বার্ষিক বনভোজন আয়োজিত হল।
দ্যালয়ের প্রভাষক কাজী ফারুক হোসেন, সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিন প্রমুখ।