প্রতীকি ছবি

                                প্রতীকি ছবি

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪১ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় দুটি প্রাইভেটকার ও ১৩ বোতল ফেন্সিডিলস উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা থানা ২০ জন, কলারোয়া থানা  ৭ জন, তালা থানা ৪  জন, কালিগঞ্জ থানা ৩ জন, শ্যামনগর থানা ২ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা এলাকা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,  আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dসাতক্ষীরা প্রতিনিধি : র‌্যালি শিশু সমাবেশ কেককাটা আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ৯৮ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস।
দিবসটি পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ ও জেলা মহিলা লীগ পৃথক কর্মসূচি হাতে নেয়। এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মশিয়ার রহমান মশু প্রমুখ।
শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহিদ আবদুর রাজ্জাক পার্কে এসে শেষ হয়। পরে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর জীবন আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে আলোচনা সভা, শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা, পুষ্টি ও খাদ্য সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা আ.লীগের উদ্যোগে রেড ক্রিসেন্ট অফিসে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গ্রেফতারের পূর্ব মুহূর্তে রাজাকার বাকী।

গ্রেফতারের পূর্ব মুহূর্তে রাজাকার বাকী।

আমির হোসেন খান চৌধুরী/হাসান হাদী : সাতক্ষীরার সবচেয়ে নৃশংস মানবতাবিরোধী অপরাধী আলীপুর বুলারাটীর রাজাকার এম আব্দুল্লাহিল বাকী(১০৩)-কে নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।
বাকী বাড়িতে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুর ১.০০টার দিকে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পুলিশ তার বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর উইনিয়নের বুলারাটী গ্রামে যান তাকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে । এসময় পুলিশের সাথে উপস্থিত ছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শহিদ পরিবারের সন্তান আমির হোসেন খান চৌধুরী এবং এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে সার্বিকভাবে সহায়তাকারী সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক হাসান হাদী।
আজ শুক্রবার ও আগামিকাল শনিবার ছুটির দিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল ছুটিতে থাকবেন বিধায় বাকীকে এই মুহূর্তে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, আব্দুল্লাহিল বাকী সাতক্ষীরায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অসংখ্য হত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগে নেতৃত্ব দেয়। তার নৃশংসতার কথা শুনলে এখনও আতকে উঠে মানুষ।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এর আগে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থা মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল, আব্দুল্লাহিল বাকী, খান রোকনুজ্জামান ও জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কার বিরুদ্ধে ৭টি মিানবতাবিরোধী অপরাধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে।  এর মধ্যে খালেক শন্ডল কারাগারে আটক থাকলেও বাকিরা পালিয়ে ছিল। গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল-০১ এই ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

dearaসরদার কালাম, খোর্দ্দো, কলারোয়া: কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজারে রোড ক্রসিং বৈদ্যুতিক তারের হুমকির মুখে চলতি পথযাত্রী এবং স্থানীয় জনগণ।
দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজার রোড ক্রসিং বৈদ্যুতিক তারের কারণে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্তÍ হচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায়ী, দূরবর্তী যানবাহন চালক ও স্থানীয় বৈদ্যুতিক মিটার মালিকেরা। বর্তমান সাফল্যময় আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে অনেক কাজ সংস্কার ও নির্মিত হয়েছে দেয়াড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। তার ভিতরে উল্লেখ্য কোটি টাকা ব্যয়ে খোরদো থেকে কাশিয়াডাংগাসহ বিভিন্ন সংযোগমুখী রাস্তা সংস্কার। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খোরদো ব্রিজ এবং সেই সাথে চলছে কোটি টাকা বরাদ্দের দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজার কেন্দ্রিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের কাজ। কিন্তু চলমান কিছু সমস্যা থাকায় ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ জনগণ। দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজার ব্যবসায়ী মহল ও যানবাহন চালকেরা রোড ক্রসিং এর বৈদ্যুতিক তারের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। তারা বলেন-বাজারের বিভিন্ন টার্নিং মোড় চিপা এবং আকারে ছোট থাকায় ভারি যানবাহন- ট্রাক, বাস, মিনিবাস, ট্রলি, ইঞ্জিন ভ্যান, নছিমন এবং ছোট বড় যানবাহনের চলাচলকে ব্যহত করছে। দিনে ও রাতে চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যানবাহন চালকেরা ও স্থানীয় চতুর্পাশের ব্যবসায়ী এবং চলতি পথিক। সেই সাথে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত খোরদো চাকলা ব্রিজের মান ক্ষুণœ হচ্ছে। ক্ষুণœœ করছে খোরদো বাজার সহ ব্রিজের মুখের রোড ক্রসিং জীবননাশক বৈদ্যুতিক তার। যেটা দিনে গভীর রাতেও ভারি উঁচু যানবাহন চলাচলকে ব্যাহত করছে। খতিগ্রস্ত হয়ে মাসুল গুনতে হচ্ছে দিনের পর দিন যানবাহনে ছেড়ে দেওয়া মিটার সহ তারের মিটার মালিক ব্যবসায়ীদের। সেই সাথে কম্পিত থাকতে হয় শর্ট সার্কিটের ভয়ে মিটার মালিক সহ সাধারণ পথিক ও চালকদের। বিশেষ করে খোরদো ব্রিজ নির্মাণের পর দূরবর্তী যোগাযোগ সহজতর হয় বটে, কিন্তু ব্রিজটি নির্মাণের পরে উঁচু হয়েছে পুরাতন রাস্তা ছাড়া চার থেকে পাঁচ ফুট। যার কারণে ব্রিজ সংলগ্ন সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বৈদ্যুতিক খুটি নিচুঁ হয়েছে। এবং সেই বৈদ্যুতিক খুটি থেকে মিটারের তার নিচুঁ অবস্থায় রোডক্রসিং করার কারণে চলতি যানবাহন একাধিক বার মিটারসহ বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে লাইনচ্যুত করে খোলা রাস্তায় ফেলে রেখে যায় দিনে বা গভীর রাতেও। যেটা খুবই বিপজ্জনক এবং আশংকাজনক অবস্থায় থাকতে হয় ব্যবসায়ী মহল ও চলতি পথিকেরা জানান। বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় খোরদো ব্যবসায়ীদের তেমনি তেমনি আতংকিত শর্ট সার্কিটের ভয়ে থাকেন যানবাহন চালক ও পথচারীরা। দীর্ঘদিন এই প্রাণনাশক বৈদ্যুতিক তার রোড ক্রসিং থাকায় দিনের পর দিন ধরে ব্যবসায়ী মিটার মালিক ও যোগাযোগের চলাচলকে বিঘিœত করছে বলে অভিযোগ করেছেন যানবাহন চালকেরা। সেই সাথে আতংকিত স্থানীয় দোকানদারসহ স্থায়ী অস্থায়ী বসবাসরত জনগণ, এবং চলতি পথিক শার্ট সার্কিটের ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। অতিশয় দুঃখের সাথে প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী জনগণ যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাদের আখের গোছাতে ব্যস্ত কিন্তু জনকল্যাণমূলক এ সকল কাজের দিকে কোনো নজর নেই। তাই অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষসহ সরেজমিনে তদন্ত করে এসকল সমস্যা সমাধানের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি কামনা করছেন দেয়াড়া ইউনিয়নের খোরদো বাজারসহ সকল ভুক্তভোগী জনগণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image_114977ডেস্ক:আজ ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

জাতি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করবে। দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়াতেও প্রতিবারের মত বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকাল দশটায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণসহ বাদ জুম্মা দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন।

এ ছাড়াও শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা, গ্রন্থমেলা, সেলাই মেশিন বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং একই স্থানে অনুষ্ঠিত ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে আলোকচিত্র পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ এবং পরের দিন ১৮ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সস্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন শুক্রবার সারাদেশে ৬০ হাজার ৩৮২ স্থানে কুরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাস্তবায়নাধীন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় প্রাক্-প্রাথমিক, বয়স্ক ও সহজ কুরআন শিক্ষার মোট ৫৯,৯৬৮টি কেন্দ্রে এবং ইসলামিক মিশনের আওতায় ১৯টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও ৩৯৫টি মক্তবে শুক্রবার সকাল ৯.০০ টায় এ কর্মসূচি পালিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৭টায় উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সকাল সাড়ে দশটায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আলোচনা সভা।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ আবাসিক হলের মসজিদ ও উপাসনালয়ে দোয়া প্রার্থনা। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

জেলা ও উপজেলা সদরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ডিএফপি ও গণযোগাযোগ অধিদফতরের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সপ্তাহব্যাপী ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী দূতাবাসসমূহে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।সারাদিন ধরেই বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের রেকর্ড বাজানো হবে। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে সারাদেশে বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিকগুলো প্রকাশ করবে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকেটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হন। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।

তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যূত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন।

তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ধাপে ধাপে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বাঙালি জাতির ওপর নানা নির্যাতন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর বহু আকাক্সিক্ষত বিজয় ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

বিংশ শতাব্দীতে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে যারা বিশ্বনন্দিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের অন্যতম।

সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সংগ্রামে অবদান রাখার জন্য তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদের জুলিও কুরি পদকে ভূষিত হন।

বিবিসি’র এক জরীপে তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী নির্বাচিত হন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু যখন বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে শুরু করেন ঠিক সেই মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি ও কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি তাঁর ধানমন্ডির বাসভবনে কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্যে ৫ জনের ফাঁসির রায় ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কার্যকর করা হয়। এর মধ্যদিয়ে জাতির ইতিহাসের অন্ধকার যুগের অবসান ঘটে।

বিশ্ব গণমাধ্যমের চোখে বঙ্গবন্ধু ক্ষণজন্মা পুরুষ। অনন্য সাধারণ এই নেতাকে ‘স্বাধীনতার প্রতীক’ বা ‘রাজনীতির ছন্দকার’ খেতাবেও আখ্যা দেয়া হয়। বিদেশী ভক্ত, কট্টর সমালোচক এমনকি শত্রুরাও তাদের নিজ নিজ ভাষায় তাঁর উচ্চকিত প্রশংসা করেন।

বিগত বিংশ শতাব্দীর কিংবদন্তী কিউবার বিপ্লবী নেতা প্রয়াত ফিদেল ক্যাস্ট্রো বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

ক্যাস্ট্রো বলেন, ‘আমি হিমালয়কে দেখেনি, তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি ছিলেন হিমালয় সমান। সুতরাং হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা আমি লাভ করেছি। ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় জোট-নিরপেক্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ক্যাস্ট্রোর সাক্ষাত ঘটে।

শ্রীলংকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মণ কাদির গামা (নৃশংস হত্যার শিকার) বাংলাদেশের এই মহান নেতা সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়া গত কয়েক শতকে বিশ্বকে অনেক শিক্ষক, দার্শনিক, দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক, রাজনৈতিক নেতা ও যোদ্ধা উপহার দিয়েছে। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান সবকিছুকে ছাপিয়ে যান, তাঁর স্থান নির্ধারিত হয়ে আছে সর্বকালের সর্বোচ্চ আসনে।-বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

17309বিনোদন প্রতিবেদক: হাসিবুর রেজা কল্লোল পরিচালিত ‘সত্তা’ ছবির ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডে ট্রেলারটি ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

সোহানী হোসেনের ‘মা’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত ‘সত্তা’ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও পাওলি দাম। আরও অভিনয় করছেন- নাসরিন, রিনা খান, ডন, কাবিলা, শিমুল খানসহ অনেকে।

তরঙ্গ এন্টারটেইনমেন্টের প্রযোজনায় ছবিটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন ফেরদৌস হাসান। সংগীত পরিচালনা করেছেন বাপ্পা মজুমদার। ছবিতে থাকছে মোট ছয়টি গান।গানে কণ্ঠ দিয়েছেন মমতাজ, সামিনা চৌধুরী, কনা, মিলা প্রমুখ। সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছিল ‘সত্তা’ ছবির অফিসিয়াল পোষ্টার। হাতে আঁকা পোষ্টারটি সর্বমহলে বেশ প্রশংসিত ও আলোচনারও জন্ম দিয়েছিল।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

virat-anushkaবিনোদন ডেস্ক: মাছের তেলেই মাছ ভাজা! বিরটকে তো কখনো সামনাসামনি পাবেন না, তাই বিরাটের প্রেমিকা অনুষ্কাকেই বলে দিলেন, ‘আমি বিরাটকে ভালবাসি’। টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো-এর এক প্রতিযোগী মালবিকা সুন্দর এভাবেই জনসমক্ষে জানালেন তার ‘বিরাট প্রেমের’ কথা। বিরাটকে প্রেম নিবেদন, সেটাও আবার বলিউড ডিভা অনুষ্কা শর্মার সামনে, সবার চোখ কপালে ওঠার মত অবস্থা, কী বলবেন বিরাটের প্রেমিকা! অনুষ্কার উত্তর এল, ‘আমি বিরাটকে জানিয়ে দেব’। (মুক্তি পেল ‘বাহুবলী টু’-র ট্রেলর, চোখ সরাতে পারবেন না!)

জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ইন্ডিয়ান আইডলে নিজের আসন্ন ছবির প্রচারের জন্য এসেছিলেন অনুষ্কা। ‘ফিলোরির’ প্রচার করতে এসে যে বিরাটের জন্য ‘প্রেম প্রস্তাব’ নিয়ে ফিরতে হবে তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি তিনি! তবে এটাই অনুষ্কা, এমনই তাঁর ব্যক্তিত্ব। কোন রাখঢাক না করেই মালবিকাকে কথা দিলেন, বিরাটের প্রতি তার ভালবাসার কথা পৌঁছে দেবেন তিনি নিজেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই তাঁর অসুখ বিশুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ , লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। এসবে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে। আজ আমরা জানবো তুলসী পাতা সম্পর্কে।

তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক।

চলুন জেনে নেয়া যাক তুলসী পাতা সম্পর্কেঃ

১। জ্বরঃ তুলসীপাতা সবথেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবে তা হল জ্বর। চায়ে তুলসীপাতা সেদ্ধ করে সেই পাণীয় যদি পান করেন, তবে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আপনার পরিবারের কারুর জ্বর হলে তাকে তুলসীপাতা এবং দারুচিনি মেশানো ঠান্ডা চা পান করালে জ্বর সেরে যাবে দ্রুত।

২। গলার ব্যাথাঃ সামান্য গরম জলে তুলসীপাতা দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়ে, সেই জল দিয়ে গার্গল করলে বা জল পান করলে আপনার গলার ব্যাথা দ্রুত সেরে যাবে।

৩। সর্দি ও কাশিঃ সর্দি-কাশি প্রায় প্রত্যেকটি মরসুমের খুব সাধারণ একটি অসুখ যা সবাইকে সমস্যা দেয়। এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে গেলে তুলসীপাতা ৫ মিনিট চিবিয়ে রসটি গিলে নিন। তাহলে এই সমস্যার হাত থেকে সহজেই সমাধান পেয়ে যাবেন।

৪। ত্বকের সমস্যাঃ মাঝে মধ্যেই ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা আপনাকে জর্জরিত করে তোলে। ত্বকে বিভিন্ন মরসুমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যায়। সেই সমস্যা সমাধানের একটি সহজ ও অন্যতম উপায় হল তুলসীপাতার পেস্ট লাগান। তুলসীপাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি কমে যায়।

৫। কিডনির সমস্যাঃ তুলসীপাতা আপনার কিডনীর বেশ কিছু রোগের সমাধান করে দিতে পারে। তুলসীপাতার রস প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, কিডনীতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। যদি কিডনীতে স্টোন জমে যায় তবে তুলসীপাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে সেই স্টোন মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest