
চাম্পাফুল প্রতিনিধি: চাম্পাফুল আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে ২৪ জানুয়ারি সকাল ৯ টা থেকে ৯৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। প্রধান অতিথি কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের অনুমতিক্রমে ২৪ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুবোধ কুমার মন্ডল, আল. জামাল উদ্দীন সানা, চাম্পাফুল প্রেসক্লাবের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুর রহমান, সাবেক শিক্ষক জগন্নাথ পাল, আজিজুল হাকিম, আবুল কালাম, চাম্পাফুল স.প্রা.বির প্রধান শিক্ষক শেখ শাহেদ নওয়াজ, ডাঃ আবুবক্কার সিদ্দিক, আব্দুল হামিদ মোল্যাসহ অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুষ্ঠানের সভাপতি স.ম. আবুল খায়েরের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর বিদ্যালয়ের স্কাউটস্ ও গার্লস গাইড কর্তৃক কুচকাওয়াজ প্রদর্শন হয়। সকাল ১০:১৫ টার সময় ক্রীড়া অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন হয়। সব শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।



হাবিবুর রহমান হবির সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি শের আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা, জেলা বিএনপির শাহীনুর রহমান, নুরে আলম সিদ্দিকী, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, সদর থানা ছাত্রদলের আনারুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম বাবুল, ফারুক, সোহেল, ইসমাইল, আল মাসুম রাজ প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠানে আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা ও তার পরিবারের সকলের সু-স্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
ইতিহাস ও ঐতিহ্য ডেস্ক: আজ ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস। ঊনসত্তরের এই গণ-অভ্যুত্থান ছিল বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক। জাতির মুক্তি সনদ খ্যাত ৬ দফা এবং পরবর্তীতে ছাত্র সমাজের দেয়া ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল এ গণঅভ্যুত্থান। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরাচারী আইয়ুব খানকে জনতার দাবি মেনে নিতে বাধ্য করে।