সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাআঙ্গুল : গার্লস স্কুলে ভর্তি নিচ্ছে না প্রধান শিক্ষকজাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য সচিব এবং সদস্য -এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বিবৃতিদিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের বাগান বাড়ির চার শতাধিক গাছ কেটে ক্ষতিসাধনআগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটিসুন্দরবনে টহল চলাকালে ডাকাত সন্দেহে গুলিবর্ষণ-অস্ত্র উদ্ধারতালা প্রেসক্লাব নির্বাচন: সভাপতি সেলিম- সম্পাদক ফারুক জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানA Guide to Understanding N1 Casino Deposit Bonus Terms and Conditionsসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিПодробный ggbet review для оценки всех аспектов казино

ক্রীড়া ডেস্ক: কিউই পেসারদের দাপটে ৬৬ রানে সাত উইকেট হারানোর পরই অস্ট্রেলিয়ার হারটা নিশ্চিত হয়ে যায়। তবে এত সহজে হারটা মানতে রাজি হননি মার্কাস স্টয়নিস। সপ্তম উইকেটে জেমস ফকনারকে নিয়ে যোগ করেন ৮১ রান। ফকনারের অবদান সেখানে মাত্র ২৫ রান। প্যাট কামিন্সকে নিয়ে করলেন ৪৮ আর মিচেল স্টার্ককে নিয়ে স্কোরে যোগ করেন ৩০ রান। তবে জয় থেকে তখনও ৬০ রান দূরে অস্ট্রেলিয়া। জস হ্যাজেলউডকে নিয়ে অসম এক লড়াইয়ে নামলেন স্টয়নিস। ৯৩ বলে ৯৮ রানে অপরাজিত অজি অলরাউন্ডার। সবার চোখ স্টয়নিসের শতকে, তবে তখনো জয় নিয়ে ভাবছেন তিনি। বোল্টকে ৪৪তম ওভারের চতুর্থ বলে লং অনের উপর ছয় মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার সঙ্গেই প্রথম অস্ট্রেলীয় হিসেবে একই ম্যাচে তিন উইকেট ও সেঞ্চুরি করলেন স্টয়নিস। পরের বলে মিড অফের ওপর দিয়ে আরেকটি ছয়। শেষ বলে এক রান নিয়ে স্ট্রাইক নিজের কাছেই রাখলেন তিনি। টিম সাউদির পরের ওভারে দুটি ছয় ও এক চার। ফিরিতি ওভারে আবার সাউদিকে জোড়া ছক্কা মেরে দলকে একেবারে জয়ে কাছে নিয়ে আনেন স্টয়নিস। ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে স্টয়নিসকে স্ট্রাইক দিতে চেয়েছিলেন হ্যাজেলউড। তাই কিছুটা এগিয়ে এসেছিলেন অজি পেসার। সাউদির ইয়র্কার লেন্থের বলটা ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন স্টয়নিস। বল ধরেই স্টাম্পে ছুড়ে মারলেন উইলিয়ামসন। আর তাতেই জয়ের স্বপ্নটা ভেঙে গেল অস্ট্রেলিয়ার। তখন জয় থেকে মাত্র ছয় রান দূরে অজিরা। এর আগে অকল্যান্ডে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে নেইল ব্রুমের ৭৩, মার্টিন গাপটিলের ৬১ ও জেমস নিশামের ৪৮ রানে ভর করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। বল হাতে ৪৯ রানে তিন উইকেট নেন মাকার্স স্টয়নিস। জবাবে ট্রেন্ট্র বোল্ট, টিম সাউদি ও লকি ফার্গুসনের বোলিং তোপে মাত্র ৬৭ রানে ৬ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর শুরু স্টয়নিসের ব্যাটিং বীরত্ব। ১১৭ বলে ১১টি ছয়ে ১৪৬ রান করলেও দলকে জেতাতে পারেননি এই অলরাউন্ডার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: একটি শিশুকে পূর্ণভাবে গড়ে তোলার জন্য মা-বাবার ভূমিকাই প্রধান। তার হাঁটাচলা থেকে শুরু করে কথা বলা, নিয়মানুবর্তিতা, পড়াশোনা, ঘরের টুকিটাকি কাজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের উৎসাহ তাকে অনুপ্রেরণা জোগায়। শিশুর সঙ্গে আপনি কেমন ব্যবহার করবেন? মনে রাখবেন, আপনার আচরণের ওপর নির্ভর করে আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ। কখনো কখনো দায়িত্বশীল মা-বাবাও এ ব্যাপারে ভুল করে থাকেন। তাঁদের ভুলের জন্য নষ্ট হতে পারে সন্তানের জীবন। আপনার শিশুর সঙ্গে আচরণ কেমন হওয়া উচিত তা নিচে আলোচনা করা হলো। এক. খুব বেশি কিংবা খুব কম প্রশংসা করবেন না : ‘তুমি তোমার ময়লা কাপড়চোপড় বালতিতে রেখেছ? বাহ কী সুন্দর! তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ভালো ছেলে।’ কোন কাজে কী ধরনের উৎসাহ দিতে হবে তা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। অনেক সময় বাবা-মা এসব খেয়াল করেন না। এতে একটি ভালো কাজ করে শিশুটি যদি সামান্য ধন্যবাদ পর্যন্ত না পায়, মানসিকভাবে সে দুর্বল হয়ে পড়ে। আপনার শিশু কোনো ভুল করলে তার সমালোচনা না করে বরং সুন্দরভাবে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। আপনি যদি শিশুর খুঁত ধরে বেড়ান তাহলে ভবিষ্যতে নিজেকে দাঁড় করাতে সে ব্যর্থ হবে। তবে খেয়াল রাখবেন অতিরিক্ত প্রশংসাও শিশুর জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত প্রশংসা শিশুকে ভুল পথে চালিত করে। যতটুকু প্রশংসার প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই করবেন, বেশি কিংবা কম। কোনোটাই নয়।  দুই.  মাঝেমধ্যে শিক্ষকসুলভ আচরণ করুন: স্যাটেলাইটের যুগে আপনার শিশু এমন কোনো ছবি দেখতে চাইতে পারে, যা তার দেখা উচিত নয়। সে বলতে পারে তার বন্ধুরাও এসব দেখছে, তবে সে কেন দেখতে পারবে না? আপনি সরাসরি তাকে গাইড করুন। প্রথমেই যদি আপনি নতি স্বীকার করেন তার চাহিদা আরো বেড়ে যাবে এবং শিগগিরই সে নষ্ট হয়ে যাবে। যদি আপনার শিশুর বোঝার মতো বয়স হয় এবং রীতিনীতি সম্পর্কে প্রশ্ন করার বুদ্ধি জন্মায় তবেই তাকে যুক্তি প্রদর্শন করুন। তিন. কখনোই উত্তেজিত হবেন না: শিশুর সঙ্গে কথা বলার সময় কখনো চিৎকার করে কথা বলবেন না। তারা যদি নিজেদের মধ্যে মারামারি করে, আপনি শান্ত অথচ দৃঢ় স্বরে তাকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার শিশু যদি কান্না করে তাকে ধমক দেবেন না। আপনার আচরণ তার নরম মনে গেঁথে থাকে। মনে রাখবেন শিশুদের সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে কথা বললে শিশুর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। চার. শিশুকে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন করুন: আপনি নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে আপনার শিশুর মধ্যে ব্যক্তিত্ব আনুন। মুখ গোমরা করে রাখা, অন্যের সঙ্গে ঝগড়া করা, অন্যের ব্যাপারে নাক গলানো প্রভৃতি বাজে অভ্যাস থেকে তাকে বিরত রাখুন। সে কোনো কাজে ভুল করলে তা ধরিয়ে দিয়ে কিভাবে সংশোধন করতে পারে তা শেখান। সমবয়সীদের সঙ্গে ‘হ্যালো’ বলে শুভেচ্ছা বিনিময়, বয়স্কদের সালাম দেওয়া, ভুল করলে ‘দুঃখিত’ বলে দুঃখ প্রকাশ করা প্রভৃতি আদবকায়দা তাকে শিখিয়ে দিন। পোশাকের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে তাকে সচেতন করুন। তার শোয়া, ওঠাবসা কেমন হবে তাকে তা শেখান। পাঁচ. একটি পছন্দনীয় কৌশল বেছে নিন: শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা যদি কিছু শেখে, দেখেই শেখে। আপনি যা করবেন আপনার শিশুও তা করার চেষ্টা করবে। আপনার শৃঙ্খলাবোধ দেখে তারাও শৃঙ্খলাপ্রিয় হয়ে উঠবে। আপনি যদি মেজাজ গরম করেন, আপনার শিশুও চেষ্টা করবে আপনার মতো হতে। তাই আপনি নিজে এমন একটি কৌশল বেছে নিন, যা থেকে আপনার শিশু নিজেকে আপনার মতো করে গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। ছয়. শাস্তি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন: প্রকৃত অর্থে নিয়মানুবর্তিতা হলো শেখার বিষয়। কঠোর আচরণ বা শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে তা আদায় করা যায় না। অনেক বাবা-মা তাদের শিশুকে শাস্তি দিয়ে থাকেন, এটা মোটেই উচিত নয়। শিশুরা বুঝতে পারে না কোন কাজটি ঠিক, কোন কাজটি ঠিক নয়। আপনি তাদের শেখান। শিশুদের শাস্তি প্রদান করলে হিতে বিপরীত হয়। শিশুকে মারধর করবেন না। বিশিষ্ট মনোচিকিৎসা বিশেষজ্ঞ জেমস উইনডেল বলেন, ‘এমন কোনো ভুল নেই যার জন্য শিশুদের শাস্তি দেওয়া চলে না। কিন্তু আপনি সর্বদা আপনার শিশুর সঙ্গে সুন্দর, মানবিক ও ক্ষমাসুন্দর আচরণ করুন।’ শিশুকে যদি শাস্তি দিতেই হয়, তাকে মারধর না করে অন্যভাবে শাস্তি দিন। যেমন :  আপনার শিশু যদি স্কুলে যাওয়ার সময় গাড়ি মিস করে, তাহলে সন্ধ্যায় তাকে বেশি করে হোমওয়ার্ক দিন। দেখবেন বেশি পড়াশোনার ভয়ে সে ঠিকই পরের দিন থেকে চেষ্টা করবে তাড়াতাড়ি স্কুলের বাস ধরতে।  সাত.  শিশুকে খেলাধুলা করতে বলুন : খেলাধুলায় শরীর সতেজ থাকে। শিশুকে খেলাধুলা করতে বলুন, এতে তার আলস্য কেটে যাবে। সুস্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম প্রয়োজন। খেলাধুলা করা চমৎকার ব্যায়াম। আট. ভালো কাজের জন্য পুরস্কার দিন:  আপনার শিশু যদি কোনো ভালো কাজ করে, তার জন্য তাকে পুরস্কার দিন। তাকে একটি সুন্দর বই, আইসক্রিম কিংবা একটি সুন্দর পোশাক কিনে দিতে পারেন। এতে তার ভেতর উৎসাহ সৃষ্টি হবে। সে অনুপ্রেরণা পাবে কাজ করতে।  নয়. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শেখান: আপনার শিশুকে কখন গোসল করতে হবে, কখন হাত-পা ধুতে হবে তা বলুন। সকালে ও রাতে দুবার তাকে দাঁত ব্রাশ করতে বলুন। নখ কাটতে বলুন, নখে যাতে ময়লা না জমে সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিন। তার বাথরুমটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বলুন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা বাথরুম তৈরি করুন। দশ. শিশুকে সহনশীল হতে বলুন : আপনার স্কুলপড়ুয়া ছেলে আপনাকে এসে বলল, তার বন্ধু তাকে মেরেছে। আপনি সে ক্ষেত্রে বলতে পারেন, ‘তুমি নিশ্চয়ই এমন কিছু করছ যা তাকে প্ররোচিত করে তুলেছিল তোমাকে মারতে।’ আপনার শিশুকে আপনি সহনশীল হতে শেখান। সে যদি কারো সঙ্গে অসদাচরণ করে তাকে তা বোঝান। তাকে সব সময় মাথা ঠান্ডা রাখতে বলুন। তার কাছ থেকে যেন অন্যরা শিখতে পারে সে ব্যাপারে তাকে জ্ঞান দিন। আপনার সমর্থন আপনার সন্তানদের শান্ত রাখবে। যখন তারা জানবে আপনি তাদের পাশেই আছেন, তারা চমৎকার অনুভূতি অনুভব করবে। প্রত্যেক বাবা-মায়েরই উচিত তাদের সন্তানের দিকে লক্ষ রাখা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

index
নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জামাতের আমির শহিদুল ইসলাম কে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাতে তার নিজস্ব বাড়ি থেকে আটক করা হয়। সে কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ঘোলা গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মাদের ছেলে এবং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর।
শ্যামনরগর থানা ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শহীদুলের নামে ৭টি নাশকতার মামলা রয়েছে। সে দীঘদিন পলাতক ছিলো। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1485617228ভিসা ছিল। ছিল অন্যান্য কাগজপত্রও। তারপরও নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে নামার পর আটক করা হয় দুই ইরাকিকে। বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ওই ঘটনা ঘটে। কিন্তু ইরাকের ওই দুই নাগরিক তা মানতে নারাজ। তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সাতটি দেশ হচ্ছে সিরিয়া, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও সোমালিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখে ওই সাতটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিপজ্জনক’, ‘সন্ত্রাসপ্রবণ’ এবং  ‘দেশটির জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’।

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এ-সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশে সই করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী আগামী ৯০ দিন ইরাকের কোনো নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ওই দিনই নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে নামেন দুই ইরাকি। বিমানবন্দরেই তাঁদের আটক করা হয়।

কিন্তু বাদ সেধেছেন দুই ইরাকির আইনজীবীরা। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন। আইনজীবীদের দাবি, বৈধ কাগজপত্র নিয়েই ওই দুই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। আইনজীবীরা দাবি করেন, এঁদের আটক রাখা আইনত অবৈধ।

ট্রাম্পের ওই নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে ওই দুই ইরাকির আইনজীবীরা শরণার্থীদের পক্ষে দাঁড়াবেন বলে জানা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

katia
নিজস্ব প্রতিবেদক : কাটিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় আলহাজ্ব মেহের আলী সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কাউন্সিলর শেখ সফিক উদ দৌলা সাগর প্রমুখ। সভায় বার্ষিক আয় ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সহ-সভাপতি টুটুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক আহম্মদ আলী, দপ্তর সম্পাদক বেলাল সরদার, অর্থ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সদস্য মতিয়ার রহমান বাবু, আব্দুল গফুর, আবুল কাসেম। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শেখ ওলিউয়ার রহমান। পরে সমিতির আয়োজনে এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pic-palashpole-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : পলাশপোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের নবীণ বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা সৈনিকলীগের সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন, শাহীদ হাসান রেবু, বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক শামীমুর রহমান, সিনিয়র শিক্ষক সুদর্শন ব্যানার্জী, মঙ্গল কুমার পাল, আনোয়ারুল হাসান, ইসরাইল আলম, সুরাইয়া পারভীন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সহকারী শিক্ষক কানিজ ফাতেমা। সভায় শেষে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পলাশপোল বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব শাহাদৎ হোসেন। সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক বিদায়ী শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

sam_4839-copy-large
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ৩দিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০১৭ এর সমাপনী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এ সময় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিানা বাঙালী জাতির ভাগ্যোন্নয়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবে রুপ দিয়ে চলেছেন এ জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। বর্তমান সরকার সবার মাঝে ডিজিটাল বার্তা পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে ডিজিটাল মেলার আয়োজন করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন নয় এখন বাস্তব। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, জেলা শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সাতক্ষীরা পলিটেকিিনক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জি.এম আজিজুর রহমান, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোদাচ্ছের আলী, জেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আফসানা কাওসার, বিটিসিএল’র কর্মকর্তা শোকর আনা, জেলা তথ্য অফিসার শাহনেওয়াজ করিম, বি.আর.টি’এ’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারি পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী, এনডিসি মো. আবু সাঈদ, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, সদর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ। সাতক্ষীরায় ৩দিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০১৭ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ডিজিটাল সেবায় অনন্য অবদানের জন্য সদর উপজেলা প্রশাসন শ্রেষ্ঠ স্টলসহ ২টি প্ররস্কার পেয়েছে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত ও মোশারেফ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bridge-bypass-road
পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে শিবসা ব্রীজ। বহু লোকের হতাহতের স্বাক্ষী হয়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না। আর কত জীবন ও পঙ্গুত্ব বরণ করলে কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে। হতভাগ্য এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার সোলাদানা, গড়ইখালী, লতা, দেলুটি ও লস্কর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী দাকোপ থনার লাখ লাখ মানুষের চলাচলের কথা বিবেচনা করে সরকার ১৯৯৫ সালের ৮ এপ্রিল সাবেক স্পীকার শেখ রাজ্জাক আলী পাইকগাছা পৌরসদরে কোল ঘেষে বয়ে যাওয়া শিবসা নদীর উপর শিবসা ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যা ২০০৪ সালে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। তৈরি করা হয় ব্রীজের দু’পাড়ে দুটি বাইপাস সড়ক। ব্রীজের উপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ইঞ্জিন চালিত ভ্যান, নছিমন, করিমন, মাহিন্দ্র, ট্রেগার সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। শতশত মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল চলাচল করে থাকে। কিন্তু ব্রীজে ওঠার দু’পাড়ে রাস্তার পাশ দিয়ে রোড গার্ড না থাকায় এবং ব্রীজের দু’পাড়ের বাইপাস সড়কের বেহাল দশার কারণে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা লেগেই আছে। যাত্রী বোঝাই পরিবহন ব্রীজের উপর উঠতে গিয়ে অনেক সময় উল্টে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। আবার কখনও রাস্তার উপর থেকে প্রায় ১৫/২০ হাত নিচে গাড়ী পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় গাড়ীগুলো প্রায় ৩/৪ রশি দুরে যাত্রীদের নামিয়ে খালি গাড়ী ব্রীজে ওঠে এবং যাত্রীরা পায়ে হেটে ব্রীজের উপর যেয়ে গাড়ীতে ওঠে। এক্ষেত্রে যাত্রীবাহী গাড়ীগুলো অপর পাড়ে পৌছে নামতে যেয়ে উল্টে যায়। এছাড়া ব্রীজের উঠতে রাস্তার পাশে নছিমন, করিম ও মটরসাইকেল যেনতেনভাবে রাখার কারণে চলন্ত পরিবহনগুলো ব্রীজের উপর উঠতে হিমশিম খেতে হয়। এ কারণেও দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয় যাত্রী সাধারণের। ইতিপূর্বে ফনিন্দ্র নাথ (আমীন), ময়নুদ্দীন গাজী, ইট বোঝায় গাড়িতে উল্টে অজ্ঞাতনামা শিশুসহ মারা যায় কয়েকজন, পঙ্গুত্ববরণ করে অনেকে। তবুও ব্রীজ ও রাস্তা নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই। ব্রীজের দু’পাড়ের বাইপাস সড়কে বড় বড় গর্তে পরিণত হলেও সংস্কারের কোন গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। যে কারণে ব্রীজটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এদিকে নদীতে পলি জমে ভরাট হওয়ার কারণে যেমনি খেয়া পারাপার বন্ধ হয়েছে, তেমনি জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্রীজের ওপারের লাখো জনগণ জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্রীজের উপর দিয়েই চলাচল অব্যাহত রেখেছে। যে কারণে দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত মানুষের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষসহ কারোর কোন খেয়াল নাই। ভূক্তভোগী জনগণ তাদের জীবনের ঝুকি কমানোর জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest