কলারোয়া প্রতিনিধি :  ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর, এই দিনে পাকিস্থান নামক রাষ্ট্র থেকে মুক্তি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাক-হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে কলারোয়া উপজেলাকে মুক্ত করে কলারোয়ার দামাল ছেলেরা। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বিশ্ব মানচিত্রে নতুন ‘স্বাধীন বাংলাদেশ’  প্রতিষ্ঠার ১০দিন আগে পাকহানাদার বাহিনি ও তাদের এদেশীয় দোসরদের কবল থেকে  মুক্ত হয় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ জনপদটি। কলারোয়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ একাত্তরের অগ্নিঝরা এইদিনে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে কলারোয়াকে মুক্ত করে। এই দিনে স্বাধীন দেশের পতাকা উড়ে কলারোয়ার মাটিতে। পাকিস্থানী সেনা ও তাদের দোসরদের ধ্বংসযজ্ঞে ক্ষত-বিক্ষত এই দিনে মুক্তিকামী মানুষের উল্লাসে মুখরিত হয়। জানাগেছে, ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিলো কলারোয়া উপজেলা। পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমনে কলারোয়ায় সর্ব প্রথম শহীদ হন উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের আফছার সরদার। পরে  এপ্রিল মাসে পৌর সদরের বেতনা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের পার্শ্ববর্তী পালপাড়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধাতাকারী পাক বাহিনীর এ দেশিও দোসরদের সহায়তায় পাকিস্থানের সৈন্যরা সেখানে হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে নিরস্ত্র ৯ জনকে গুলি করে হত্যা করে। কলারোয়া উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্থান সেনাদের কয়েকটি সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে ১৮সেপ্টেম্বর সীমান্তবর্তী বালিয়াডাঙ্গা যুদ্ধে ২৯ জন পাকিস্থান সেনা নিহত এবং ১৭ জন স্বাধীনতাকামী বাংলা মায়ের বীর সন্তান শহীদ হন। এর আগে ১৭সেপ্টেম্বর কাকডাঙ্গার যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনের মুখে পাকিস্থান সেনারা কাকডাঙ্গা ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হয়। ২৭ আগস্ট চন্দনপুর এলাকা পাকিস্তান বাহিনী মুক্ত হয়। অক্টোবরের শেষের দিকে মুক্তিযোদ্ধারা শার্শা উপজেলার বাগআচঁড়ায় দু:সাহসিক হামলা চালিয়ে ৭জন পাক হানাদারকে হত্যা করে। মায়ের ভুমিকে রক্ষা করার জন্য এভাবে একের পর এক সফল অপারেশনের মধ্যে দিয়ে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার পর পাক বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করেছিল কলারোয়া কে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখ যুদ্ধ ও পাকিস্থানি সৈন্যদের নির্বিচারে গণহত্যা দেশের অন্যান্য স্থানের মত করারোয়াতেও গণহত্যা চালিয়েছিলো। গণহত্যার পর ওই সব মানুষের মরদেহ মাটিতে গর্ত করে এক চাপা দেয় পাকিস্থানি নরপশু ও তাদের এদেশীয় দোসররা। কলারোয়ার কয়েকজন জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা জানান, কলারোয়া উপজেলায় ৯টি গণকবরের অস্থিত্ব খুঁেজ পাওয়া গেছে। যার অধিকাংশই পড়ে আছে অযতœ আর অবেহলায়। এর মধ্যে কলারোয়া পৌরসদরে উত্তর মুরারীকাটি পাল পাড়ায় (৯ জন), কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ফুটবল মাঠের দক্ষিণে(৫), সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের মঠমন্দির এলাকায় (৩) সোনাবাড়ীয়া মোড়ে (৩), ভাদিয়ালীতে (৪), যুগিখালী ইউনিয়নের বামনখালী ঘোষ পাড়ায় (৩), চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া বাজারে (২) কেঁড়াগাছি ইউপি’র বালিয়াডাঙ্গা বাজারে (৭) ও পার্শ্ববতী শার্শা উপজেলার জামতলা বাজারের সন্নিকটে (৫)। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জানাগেছে, কলারোয়া উপজেলার ৩৪৩ জন কৃতি সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ  গ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে এ অঞ্চলে প্রবাসী  সংগ্রাম পরিষদের সদস্য এম সিএ মমতাজ আহম্মেদ, শেখ আমানুল্লাহ, বিএম নজরুল ইসলাম, ৭১ এর রনাঙ্গনে যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দীন, শ্যামাপদ শেঠ প্রমুখ গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া পাকহানাদার মুক্ত হয়। এদিকে কলারোয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো: পাইকগাছায় বাজার কমিটির দেয়া সরকারি জায়গায় টোঙ ঘর বাঁধাকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, ভাংচুর, মারপিট। থানায় চাঁদাবাজী মামলা দায়ের। আসামি আটক নেই। মামলা সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার বয়ারঝাপা গ্রামের কৃষ্ণপদ মন্ডলের পুত্র স্বপন কুমার মন্ডল মৎস্য ব্যবসা করার জন্য সোলাদানা বাজার কমিটির নিকট থেকে রাস্তার স্লোভে টোঙ ঘর বাঁধার জন্য একটি জায়গা নেয়। উক্ত জায়গায় ঘর বাঁধার সময় একই এলাকার নীলকৃষ্ণ সানার পুত্র বিধান-যুগোলসহ তাদের লোকজন স্বপনের নিকট ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। স্বপন ২০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করে এবং বাকী টাকা দিতে পারবে না বলে জানালে বিধান-যুগোলরা স্বপনকে মারপিট করে তার ঘর বাঁধার সরঞ্জাম নদীতে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় স্বপন বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় বিধান-যুগোল এবং বিশ্বজিত ও অমৃত মন্ডলের নামে চাঁদাবাজী আইনে মামলা দায়ের করেছে। যার নং- ০৩, তাং- ০২/১২/২০১৬। পুলিশ এখনও কোন আসামী গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : খুলনার পাইকগাছায় একাধিক মামলার আসামি গোলক চন্দ্র মন্ডলকে সোমবার দুপুরে পৌর সদর পুলিশ আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। থানা সূত্রে জানা যায়, উক্ত গোলকের নামে পাইকগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং চাঁদাবাজীর অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা রয়েছে। ধৃত গোলক উপজেলার খালিয়ারচক গ্রামের মৃত গোবিন্দ মন্ডলের পুত্র। ওসি (তদন্ত) এস,এম, জাবীদ হাসান জানান, ধৃত আসামির নামে উক্ত দুটি মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : পাইকগাছার কাশিমনগরের একটি ইটের ভাটা এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এক ডাকাত আটক, অন্যরা পালিয়ে গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশী তৈরি লোহার রড, দা, ছুটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার গভীর রাতে। আটক ডাকাত ডুমুরিয়া থানার চুকনগর গ্রামের কাদের গাজীর পুত্র শহিদুল গাজী (২৮)। এ ঘটনায় থানায় ডাকাতি মামলা হয়েছে। জানাযায়, গত কয়েকদিন ধরে পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার গভীর রাতে কপিলমুনি এলাকায় অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিমনগর জনৈক আতিয়ারের ইট ভাটা সংলগ্ন এলাকায় ডাকাতি প্রস্তুতিকালে পুলিশ হানা দিয়ে একজনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করলেও ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ধৃত শহিদুলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক জানা যায়, রেজাকপুর গ্রামের মৃত রহমত আলী শেখের পুত্র হাবিল শেখ আন্তঃ ডাকাত দলের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি সংগঠিত করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে এদিনও ১০/১২ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাত দলকে ঐক্যবদ্ধ করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ওসি (তদন্ত) এস,এম, জাবীদ হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নজিস্ব প্রতবিদেক : জলোর স্থগতি ইউনয়িন পরষিদ নর্বিাচনরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যানদরে শপথ অনুষ্ঠতি হয়ছে।ে সোমবার দুপুরে জলো প্রশাসনরে আয়োজনে জলো প্রশাসকরে সম্মলেন কক্ষে এ শপথ বাক্য পাঠ করান জলো প্রশাসক আবুল কাশমে মো. মহউিদ্দনি। এ সময় জ1লো প্রশাসক আবুল কাশমে মো. মহউিদ্দনি নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যানদরে উদ্দশ্যেে বলনে, কে ভোট দয়িছে,ে কে ভোট দয়েনি সটো আসল কথা নয়। জনগণরে ভোটে নর্বিাচতি হয়ছেনে এটাই বড় কথা। তাই সবোর মন মানষকিতা নয়িে কাজ করতে হব।ে  সততা ও নষ্ঠিার সাথে ভালবাসা দয়িে কাজ করলে আগামীতে ভোট চাইতে হবনো জনগণ ভালবসেে ভোট দবে।ে স্বাগত বক্তব্য রাখনে স্থানীয় সরকার বভিাগরে উপ-পরচিালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম। জলোর ৫টি ইউনয়িন পরষিদরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যান শপথ বাক্য পাঠ করনে দবেহাটা উপজলোর ০২নং পারুলয়িা ইউনয়িন পরষিদরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, কলারোয়া উপজলোর ১০নং কুশোডাঙ্গা ইউনয়িন পরষিদরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যান মো. আসলামুল আলম, একই উপজলোর ০৮নং করোলকাতা ইউনয়িন পরষিদরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যান শখে আব্দুর রহমি ও তালা উপজলোর ৪নং কুমরিা ইউনয়িন পরষিদরে নব-নর্বিাচতি চয়োরম্যান মো. আজজিুল ইসলাম। শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে উপস্থতি ছলিনে কলারোয়া উপজলো চয়োরম্যান শখে ফরিোজ আহমদে স্বপন, তালা উপজলো চয়োরম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজলো নর্বিাহী অফসিার ফরদি আহমদে ও জলো নর্বিাচন অফসিার এ.এইচ.এম কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

road-large
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক কমিশনার আব্দুর রকিব সরদারের নামে রাস্তার ফলক উন্মোচন করা হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে তিনটায় শহরের উত্তরকাটিয়া এলাকায় এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র আব্দুস সেলিম, পৌর কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, সৈয়দ মাহমুদ পাপা, শাহীনুর রহমান শাহীন, শফিকুল আলম বাবু, মহিলা কাউন্সিলর ফারহা দিবা খান সাথী, অনিমা রানী মন্ডল, জ্যোসনা আরা, লাবসা ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া বাবুসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, আব্দুর রকিব সরদার ১৯১২ সালে সদর উপজেলা লাবসা ইউনিয়নের রাজনগর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতায় আজাদ অফিসে চাকুরি করতেন। দেশ বিভাগের পর তিনি সাতক্ষীরায় এসে ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৫০ দশকের দিকে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহের ঠিকাদারি করতেন। ১৯৬৪ সালে তিনি সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কমিশনার ছিলেন। ১৯৮০ সালের ৮ মার্চ বার্ধক্য জনিত কারণে নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

drr
নিজস্ব প্রতিবেদক: পিআইএইচআরএস প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রতিবন্ধী স্বাস্থ্য কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আবুল হোসেন। ডিজএ্যাবল বল্ড রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড রিসার্চ এসোসিয়েশন (ডিাআরআরএ) এর পরিচালনায় ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সিবিএম এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, প্রতিবন্ধী স্কুলের পরিচালক সাংবাদিক এম. রফিক, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর আবুল কাশেম, থেরাপিস্ট মাসুদা আক্তার, মনিরুজ্জামান প্রমুখ। সভায় প্রতিবন্ধীদের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রতিবন্ধীদের জন্য ২টি বেড ও আলাদা টিকিট কাউন্টার স্থাপনের আবেদন জানানো হয়। এর প্রেক্ষিতে বক্তারা বলেন, আমরা সদরের ৩৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিবন্ধীদের জন্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য বলেছি। তাছাড়া সদর হাসপাতালে প্রতিবন্ধীদের জন্য ২টি বেড ও আলাদা টিকিট কাউন্টারের বিষয়ে সিভিল সার্জন এ অবহিত করার আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

laskar
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ১৯৮৮ সালের বাকাল ইসলামপুর চরের ভূমিহীন আন্দোলন, ১৯৯৮ সালে কালীগঞ্জের বাবুরাবাদ. ২০০৫ সালে চিংড়িখালি ও বৈরাগীর চকের ভূমিহীন আন্দোলন, ২০০৪ সালে ভবদাহ আন্দোলন, ২০০৮ সালে দেবহাটার নোড়ার চারকুনি ভূমিহীন আন্দোলন, কপোতাক্ষ বাঁচাও আন্দোলন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বেতনা বাঁচাও আন্দোলনসহ সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য আন্দোলন করে গিয়েছেন সাইফুল্লাহ লস্কর। তার নেতৃত্বে সরকারি খাস জমি একের পর এক হাতছাড়া হওয়ায় ভূমিদস্যু বসির আহম্মেদ, মিঠু খান, মহব্বত মীর, মোজাম চেয়ারম্য্না, ইউসুফ আব্দুল্লাহ, শহীদ চেয়ারম্যানসহ একটি স্বার্থান্বেষী মহল পুলিশের সঙ্গে পরিকল্পনা করে সাইফুল্লাহ লস্করকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তার হত্যা মামলায় সিআইডি পুলিশ কর্মকর্তা এসএম মনিরুজ্জামান, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই নজরুল ইসলাম ও ভূমিদস্যুদের বাঁচাতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। আইনি প্রক্রিয়ায় ওইসব হত্যাকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সাইফুল্লাহ লস্করের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জেলা ভূমিহীন উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের শহীদ মিনার পাদদেশে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠণের সভাপতি আব্দুস সাত্তার। বক্তব্য রাখেন ন্যাপ এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি হায়দার আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী সাঈদুর রহমান, জেলা ভূমিহীন উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ,সহসভাপতি মোকলেছুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠণিক সম্পাদক আবুল হোসেন খোকন, সদর শাখার সভাপতি শহীদুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ি সকল খাসজমি ভূমিহীনদের মাঝে বন্দোবস্ত প্রদানের দাবি জানান। সভার শুরুতেই মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সকাল ৮ জেলা ভূমিহীন উন্নয়ন সংগঠণের নেতৃবৃন্দ মরহুমের কাটিয়াস্ত বাড়িতে যেয়ে তার কবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া আক্তারের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তার পরিবারের খোঁজ খবর নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest