সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

দেশের খবর: আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মী আবুল হোসাইন রাজন। পুরান ঢাকার বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন ২২ জানুয়ারি। এরপর থেকে নিখোঁজ তিনি। পরে রাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করে তার পরিবার। কোথাও হদিস মিলছিল না।

রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ২২ জানুয়ারি মগবাজারের আদদ্বীন হাসপাতালের সামনে থেকে রাজনকে তুলে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানতে পারেন—তার ছেলে হাতিরঝিল থানা হেফাজতে রয়েছে।

খবর পেয়ে ২৩ জানুয়ারি রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন যান হাতিরঝিল থানায়। সেখানে নিজের পরিচয় দিয়ে ছেলে রাজন সম্পর্কে জানতে চান তিনি। কিন্তু, থানা থেকে জানানো হয়—রাজন নামের কাউকে আটক করা হয়নি। এর পরদিন, অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি স্ত্রী শামীমা সুলতানা হাতিরঝিল থানায় যান। তাঁকেও জানানো হয়, ‘এ নামের কেউ থানায় নেই’। তারপর তিনি পুরান ঢাকার বাসায় চলে যান।

হাতিরঝিল থানা থেকে তথ্য না পেলেও হাল ছাড়েনি রাজনের পরিবার। হাতিরঝিল থানার সামনে একজন ব্যক্তিকে রাখা হয়, যিনি রাজনের খোঁজ রাখেন। নজর রাখেন পুলিশের গতিবিধির ওপর। ওই ব্যক্তি রাজনকে নিয়ে থানা থেকে পুলিশের গাড়িতে করে বের হতেও দেখেছেন। এ দাবি রাজনের ছোটভাই মহিউদ্দিন খানের। একই দাবি শামীমাও করেছেন।

গণমাধ্যমের কাছে পুরো ঘটনা বর্ণনা দেন রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন ও স্ত্রী শামীমা সুলতানা ও ভাই মহিউদ্দিন খান। ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমি থানায় গিয়ে কথা বলেছি। পুলিশ বলেছে, রাজনকে আটক করা হয়নি।’

শামীমা সুলতানা বলেন, ‘২৪ জানুয়ারি আমি থানায় যাই। পুলিশ বলে রাজন থানায় নেই। পরে আমি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নম্বরে কল দিই। আমি উনাকে বলি, আপনার হেফাজতে আমার স্বামী আছেন। আমি উনার সঙ্গে দেখা করতে চাই। উনি জানান, এ নামের কেউ তো থানায় নেই। এরপর লাইনটা কেটে দেন।’

শামীমা সুলতানা আরও বলেন, ‘এরপর ২৬ জানুয়ারি আমার স্বামীর জন্য খাবার আর কাপড়-চোপড় নিয়ে পুনরায় হাতিরঝিল থানায় যাই। সে সময় ডিউটি অফিসার ছিল ফয়সাল। এসব নিয়ে কথা হচ্ছিল তাঁর সঙ্গে। তিনি বললেন, রাজন নামের কেউ নেই। এই ফাঁকে আরেকজন পুলিশ অফিসার এসে বলে উঠলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, এ নামের একজন আছে তো! পরে তাঁকে ডিউটি অফিসার ধমক দেন।’

শামীমা বলতে থাকেন, ‘এরপর ফয়সাল কেমন যেন অভিনয় করছিলেন। রেজিস্ট্রি খাতা খুঁজছিলেন, যে রাজন আছে কি-না দেখতে। তারপর ফয়সাল ওই পুলিশকে বলেন, এই তুমি কী বলো? থানায় এ নামের কেউ নেই। ঠিক সেই সময় আমার স্বামী ডিউটি অফিসারের পেছনের আরেকটি রুম থেকে বলে ওঠে— ফয়সাল স্যার, আমি এখানে আছি। আমি নিজেই এ কথা শুনেছি। আমার হ্যাজবেন্ড আমাকে দেখতে পাননি, কিন্তু আমার কণ্ঠ শুনতে পেয়েছেন।’

শামীমা আরও বলেন, ‘এরপর ফয়সাল আমাকে বললেন, আপনি চলে যান। উনি এখানে নেই। কত স্পষ্ট ডকুমেন্ট, অথচ আমাদের সঙ্গে এগুলো করা হলো। তারপর আমি চলে আসি’

রাজনের স্ত্রী বলেন, ‘এরপরও আমি থানায় যাই। কিন্তু, সব সময় পুলিশ অস্বীকার করেছে। সর্বশেষ রোববার (২৯ জানুয়ারি) একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আমার স্বামীকে আদালতে তোলে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। এখন কোথা থেকে বের হলেন তিনি? এটা কেমন আইন? আটকের পর আদালতে হাজির না করে সাত দিন আটকে রাখা হলো। তাঁর যদি অপরাধ থাকে, আইন অনুযায়ী সাজা হোক। গতকাল যখন আমি আদালতে স্বামীকে পাই, তখন তিনি বলছিলেন, তাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।’

রাজনের ছোটভাই মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘আমরা শুনেছি, আমার ভাই থানায় আছেন। কিন্তু, পুলিশ বলেছে নেই। আমার বাবা ৩০ বছর পুলিশের চাকরি করেছেন। তিনি হতাশ। যে রাষ্ট্রের জন্য সারাজীবন ব্যয় করলেন, সেই রাষ্ট্রের পুলিশ তার পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণ করল। যাই হোক, আমরা একজন লোক রেখেছিলাম থানা এলাকায়। যার দায়িত্ব ছিল, সবকিছুর ওপর নজর রাখা। তিনি হাজতখানার ভেতরে থেকে আমার ভাইয়ের একটি ছবিও তোলেন। তারপরও পুলিশ অস্বীকার করে।’

সাত দিন ধরে নিখোঁজ থাকা আইনজীবী আবুল হোসাইন রাজনকে গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রোববার দুপুরে আদালতে হাজির করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাঁকে। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডের বিষয়ে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

আটকের পর দীর্ঘদিন আদালতে না তোলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আজিমুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি একটু গ্রামে ছিলাম। এ ব্যাপারে কিছু জানি না।’

এ ব্যাপারে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘রাজনের পরিবারের যে অভিযোগ, আসলে এ ধরনের কিছু ঘটেনি। গত শনিবার রাতে তাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি, রোববার সকালে আদালতে পাঠিয়েছি। ওরা থানার হাজতখানার এডিট করা ছবি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সাত দিন হাজতখানায় আসামি রাখার কোনো স্কোপ আছে? তারা নিখোঁজের অভিযোগ করছে। তারা কী কোনো জিডি বা এ ব্যাপারে অভিযোগ করছে? তারা যদি জানে, সাত দিন রাজনকে থানায় আটকে রাখা হয়েছে, তাহলে থানার কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তো আমরা ফাইন্ড আউট করতে পারতাম। তারা যে কাহিনী বলছে, তা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’

ওসির বক্তব্যের ব্যাপারে রাজনের স্ত্রী শামীমা সুলতানা ও তার বাবা ইসমাইল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। তখন শামীমা বলেন, ‘ওসির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ ছাড়া থানার হাজতখানার ছবি আছে। আরও সব ডকুমেন্ট আমাদের কাছে আছে। তারপরও যদি পুলিশ এসব বলে, আমরা কার কাছে যাব?’

জিডির প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে শামীমা বলেন, ‘আমাদের সোর্সের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত ছিলাম, আমার স্বামী পুলিশ হেফাজতে আছে। কিন্তু আমার বুঝতে পারিনি যে পুলিশ অস্বীকার করতে করতে এতদূর নেবে। তাই জিডি করা হয়নি।’

যে মামলায় আবুল হোসাইন রাজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আসাদ বিন আব্দুল কাদিরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

0 মন্তব্য
1 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সর্বশ^ বিক্রয় করে পুত্রের চাকুরির জন্য এক অর্থলোভী শিক্ষককের হাতে ৬লক্ষ টাকা তুলে দিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছেন অসহায় এক পিতা। চাকুরি তো হয়নি উল্টো টাকাটাও ফেরত না দিয়ে তাল বাহানা করে যাচ্ছেন পর সম্পদ লোভী ওই শিক্ষক। চাকুরি বা টাকা ফেরত না পেয়ে বার বার আকুতি জানালেও মন গলেনি শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির পুত্র বহেরা এ.টি এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর সম্পদলোভী শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের। মিথ্যা আশ^াসে একের পর এক বাহানা করে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে অসহায় পরিবারটি টাকা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী অসহায় পিতা মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুল গফুর শেখের পুত্র কলিমুল্লাহ শেখ জানান, তার পুত্র হাবিবুল বাসার কম্পিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে বেকার ছিলো। সম্প্রতি বহেরা এ.টি এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির পুত্র জাহাঙ্গীর কবির। তার সাথে সু সম্পর্ক থাকায় উক্ত বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬লক্ষ টাকা দাবি করে। কলিমুল্লাহ শেখ একমাত্র পুত্রের জন্য নিজের জমি বিক্রয় করে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে ৫লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে জাহাঙ্গীর কবিরের কাছে তুলে দেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুত্র হাবিবুল বাসারকে চাকুরি না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললেও টাকা না দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। উপায়ন্তর হয়ে ভুক্তভোগী কলিমুল্লাহ শেখ আইনজীবীর মাধ্যমে একটি লিগ্যাল নোটিশও প্রদান করেছেন। কিন্তু নোটিশ প্রাপ্তিরপরও টাকা ফেরতের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী কলিমুল্লাহ শেখ।
পুত্রকে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতেই সর্বশ^ বিক্রয় করে তুলে দিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছেন তিনি। চাকুরি তো হয়নি এমনকি টাকাটাও ফেরত পাওয়া নিয়ে রয়েছে সংশয়। তিনি এবিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবির টাকা গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, হাবিবুল বাসারকে নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে তার পিতা আমাকে একটি লিগ্যাল নোটিশও পাঠিয়েছে। দ্রুত বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ বঙ্গবন্ধু
স্মৃতি পাঠাগারে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের
সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলী’র সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “সংগঠনকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। দলের মধ্যে কোন্দল থাকলে দল ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
দলকে সুসংগঠিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত রাখতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে
এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

বর্ধিত সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একে ফজলুল হক।
বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ডা. মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক এনছান বাহার বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম মোর্শেদ, মো. আসাদুজ্জামান অসলে, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফি উদ্দিন শফি, শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও আগরদাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, বাশদহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মো.  মফিজুর রহমান, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শওকাত আলী, কুশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তায়জুল ইসলাম প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় সকল ভেদাভেদ ভুলে দলকে শক্তিশালী করতে ইউনিয়ন
ও ওয়ার্ডে বর্ধিত সভা করে দলকে সুসংগঠিত করার আহবান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমানউল্লাহ আমানসহ দুজন।

সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল -৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডলের আদালতে সোমবার তারা এ সাক্ষ্য দেন। এনিয়ে ২৩ জন সাফাই সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষীর সংখ্যা দাড়ালো ৭ জনে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগে ১৬ জানুয়ারী সোমবার ও ১০ জানুয়ারি যথাক্রমে ৪ ও ১ জন সাফাই সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাফাই সাক্ষীরা হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ,সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের পক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্ঠা,ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান। এছাড়া আসামী গোলাম রসুলের পক্ষে সাক্ষ্য দেন কলারোয়ার মোবারক আলী।

সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ জানান, সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইবু্যুনাল-৩ এর বিজ্ঞ বিচারক বিশ^নাথ মন্ডলের আদালতে আসামী পক্ষের সাফাই সাক্ষী শুরু হয়। আসামী পক্ষে আমানউল্লাহ আমানসহ দুজন সাফাই সাক্ষী দিয়েছেন। এ মামলায় ২৩ জন সাফাই সাক্ষী দেবেন বলে আসামীপক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের কাঠগোড়ায় কারাগার থেকে আনা ৩৯ জন আসামী হাজির ছিলেন। নয় জন্য পলাতক রয়েছেন। ইতিমধ্যে দুইজন কারাবন্দি অবস্থায় মারা গেছেন।

আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, এ্যাড. আব্দুল মজিদ(২), অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু,শাহানা আক্তার বকুল প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু প্রমুখ।
প্রসঙ্গত,২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এঘটনায় করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবির। এছাড়া গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি:
আনন্দমূখর পরিবেশে মা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার (২৯ জানুয়ারি) সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ওই পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন।

ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডিবি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সেবক শেখ আব্দুল আহাদ, জেলা জাতীয় পার্টির নেতা কানাই লাল সাহা।

বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক্ষক মোঃ নজিবুল ইসলাম, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অরুণ কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক এস এম শহীদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলো সপ্তম শ্রেণীর কমলিকা ঘোষ, অষ্টম শ্রেণীর তাসনিয়া সুলতানা, নবম শ্রেণীর তানজিলা খাতুন, দশম শ্রেণীর তৃষা দাস ও এস এস সি পরীক্ষার্থী মাহিরা আফরিন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আলোকিত সমাজ গঠনে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নারী শিক্ষার বিকাশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে মা ফাউন্ডেশন মেধাবীদের পুরস্কৃত করছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া সমাজের দুস্থ নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মা ফাউন্ডেশন কাজ করে। বক্তারা মা ফাউন্ডেশনের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পক্ষ থেকে সদর সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় এমপি রবি’র নিজস্ব বাসভবনে উপস্থিত হয়ে নেতৃবৃন্দ এ সাক্ষাত করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম, জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মীর আজহার আলী শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক শেখ তৌহিদ হাসান ও সদস্য সচিব মো: জিল্লুর রহমান,

সদর উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক মো: জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম আহবায়ক ইকরামুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব মো: সাব্বির হোসেনসহ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দি ন্যাশনাল এ্যাসোসিয়েশন অব এপেক্স ক্লাবস অব বাংলাদেশ এর আয়োজনে গত ২৭ ও ২৮ জানুয়ারী কক্সবাজারের হোটেল সী প্রিন্সেস ৪৭ তম ন্যাশনাল কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে “সেবা ও সৌহার্দ্যের স্বীকৃতি স্বরুপ এপেক্স ক্লাব অব সাতক্ষীরার ( ইউসি) প্রেসিডেন্ট এপে. অতুল কুমার ঘোষকে বর্ষসেরা এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এপে. রুহুল মইন চৌধূরী ও ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট এপে. আব্দুল মতিন শিকদারের নিকট থেকে তিনি এ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা :
বাংলাদেশ স্কাউট্স, সাতক্ষীরা জেলা রোভারের আয়োজনে বার্ষিক সাধারণ সভা ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সভায় জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মইনুল ইসলাম মঈন।

সভায় জেলা রোভারের কোষাধ্যক্ষ ও সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের রোভার গ্রুপ সম্পাদক মো: আবু তালেব এর সঞ্চালনায় সভায় বিগত সাধারণ সভার সিদ্ধন্ত ও অত্র সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন জেলা রোভারের সম্পাদক ও হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্জ মো: আসাদুজ্জামান।

সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা রোভারের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, জেলা বাকশিস এর সভাপতি ও তালার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, সীমান্ত আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ ও জেলা শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, জেলা রোভারের কমিশনার ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্জ মো: ইমদাদুল হক, ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতি প্রমূখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের সাবেক সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর আলহাজ্জ মো: মনিরুজ্জামান, সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোল্লা সাবীর হোসেন, হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ ড. শিহাব উদ্দীন, দেবহাটা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো: হাফিজুর রহমান সহ সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন কলেজ,মাদ্রাসা ও ইন্সটিটিউট এর প্রধান, রোভার স্কাউট লিডার সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন জেলা রোভারের সহ-সভাপতি এস এম আব্দুর রশিদ ও গীতা পাঠ করেন মুন্সিগঞ্জ কলেজের আর এস এল দিনেশ চন্দ্র।

অত্র বার্ষিক সাধারণ সভায় সাতক্ষীরা জেলা রোভারের কার্যক্রমকে বিভিন্ন আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি ভালুকা চাঁদপুর কলেজের অধ্যক্ষকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নিরীক্ষা কমিটি গঠিত হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- নবজীবন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ মো: রফিকুল ইসলাম, সরকারি খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা কলেজের প্রভাষক ও আর এস এল মো: মনিরুজ্জামান (মহসিন), সীমান্ত আদর্শ কলেজের আর এস এল মফিজুল ইসলাম ও তালার নাংলা পি এস জে ফাজিল মাদ্রাসার আর এস এল শিরিন সিদ্দীকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest