সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বৈচিত্র্য, আন্তঃনির্ভরশীলতা ও বহুত্ববাদী সমাজ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

বারসিক শ্যামনগর রিসোর্স সেন্টারে সংস্থাটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে কর্মএলাকার ৬ জন যুব ও ১৫ জন কর্মী অংশ নেন।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারসিক পরিচালক এবিএম তৌহিদুল আলম। সোমবার শেষ হওয়া দু’দিনব্যাপী এ কর্মশালায় মানব সমাজ, বৈচিত্র্য, বৈচিত্র্যের সাথে আত্তীকরণের সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, আন্তঃনির্ভরশীলতা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও বহুত্ববাদী সমাজ, সমাজবদ্ধতা, বহুত্ববাদী সমাজ গঠন, বহুত্ববাদী সমাজের নৈতিক মূল্যায়ন, বৈচিত্র্য এবং আন্তঃনির্ভরশীলতার সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামানঃ আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভা দুই গ্রুপের হাতাহাতির মধ্য দিয়ে শেষ মুহুর্তে পন্ড হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় শহরের আমতলা এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপির উদ্যোগে উক্ত প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
প্রস্তুতি সভায় দুঃখ প্রকাশ করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। তিনি এ সময় নিজেদের মধ্যে সকল দ্বিধাদ্বন্দ ভুলে যে কোন মূল্যে খুলনা বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার আহবান জানান।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি আসার পর শান্তিপূর্নভাবে সভা চলছিলো। এসময় সাতক্ষীরা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের একটি বক্তব্যকে ঘিরে বিএনপির একটি পক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এসময় তারা আব্দুল আলিমকে আক্রমন করার চেষ্টা করলে তা দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।
জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক তারিকুল হাসান জানান, আব্দুল আলিমের দায়িত্ব জ্ঞানহীন বক্তব্যের জেরে আজকে কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে এমন অঘটন ঘটলো। আব্দুল আলিম তার বক্তব্যে বলেছেন, অবস্থা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে আমান হত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তার এই বক্তব্যের পরপরই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তিনি আগামীতে দায়িত্বশীল নেতাদের আরও সংযত আচরণের পরামর্শ দেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন, এটা উল্লেখ করার মতো তেমন বিষয় নয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে সামান্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহ কমিটির সদস্য সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন, নির্বাহী কমিটির সদস্য ডাঃ শহিদুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রউফ, শেখ তারিকুল হাসান, হাবিবুর রহমান হাবিব, মৃনাল কান্তি রায় প্রমুখ।
উল্লেখ্য ঃ সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি স্পষ্টত দু’ভাগে বিভক্ত। একটির নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি জেলে যাওয়ার পর ওই অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা বিএনপির যুগ্নআহবায়ক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ ও তারিকুল হাসান। অপরগ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ও সদস্য সচিব আব্দুল আলিম। এই দু’গ্রুপের দ্বন্দ্ব বেশ পুরনো। অতীতে এই দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে শিল্পকলা একাডেমিতে খুন হন জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান। বর্তমানে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি গুলো দু’গ্রুপের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় পালন করতে দেখা যায়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যদের ছেলে-মেয়ে যারা এস.এস.সি-২০২২ পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে তাদের সংবর্ধণা প্রদান করা হয়েছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে উক্ত সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট প্রদান করেন, প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

এ সময় তিনি বলেন, সাতক্ষীরার ছেলে মেয়েরা সর্বক্ষেত্রেই ভালো করছে। তারা লেখাপড়ায় ভালো, সংস্কৃতিতে ভালো, খেলাধূলায় ভালো। জাতীয় ও আন্তজার্তিক পর্যায়েও সাতক্ষীরার ছেলে মেয়েরা অনেক ভালো অবদান রাখছে। এটা আমরা সবজায়াগায় গর্বের সাথে বলতে পারবো। সর্বক্ষেত্রেই সাতক্ষীরার মানুষের অবদান রয়েছে। আমাদের জেলায় অনেক নামী দামী লোক জন্ম গ্রহন করেছেনে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন, খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ, ড. বিধান চন্দ্র রায়, শংকর রায় চৌধুরী, সেকেন্দার আবু জাফর, জালাল উদ্দীন হাশেমী প্রমুখ।

তিনি বলেন, বিধান চন্দ্র এক সময় পশ্চিম বাংলার মূখ্য মন্ত্রী ছিলেন। শংকর রায় চৌধুরী ভারতের একজন বাঙালী সেনা প্রধান ছিলেন। তিনি চাকুরী থেকে অবসরে যাওয়ার আগে তার মাকে নিয়ে তার দেশের বাড়ি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউরশ্রীপুর ঘুরে গেছেন। তার মা তাকে তাদের বাস্তভিটা চিনিয়ে দেন। তিনি এ সময় বলেন, মানুষ মাত্রই ভুল হয়। আমিও একজন মানুষ, আমি অনেক কাজে মধ্যে থাকি তাই আমারও অনেক ভুল হতে পারে । তবে সেই ভুলটা আপনারা আমাকে ভালোভাবে শুধরে দেবেন। তিনি আরো বলেন, সকল সাংবাদিকদের অংশ গ্রহনে এই প্রেসক্লাব আরো ভালো হতে পারে সুন্দর হতে পারে। সাংবাদিকদের দাবীর মুখে তিনি প্রেসক্লাবের সংকট নিরসনে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। সাংবাদিকদের সন্তানরা ভালো রেজাল্ট করায় তিনি অত্যান্ত খুশী ও আনন্দিত হয়ে মেধাবী এসব সন্তানদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাতক্ষীরার মানুষের মান সম্মানইজ্জত যাতে অকারনে নষ্ট না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। ভালো মানুষের পাশে থাকতে হবে, তাদের সহযোগিতা করতে হবে। তিনি এ সময় সাতক্ষীরার উন্নয়নের সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপীর সভাপতিত্বে এসময় সেখানে আরো বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হাবিবু রহমান হাবিব, সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কালিদাস রায়, সাবেক সাধারন সম্পাদক মোজাফফর রহমান, প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইদুজ্জামান ইদ্রিস, দপ্তর সম্পাদক ফরিদ আহমেদ ময়না, কার্যনির্বাহি সদস্য মোকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, সাংবাদিক রেজাউল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি প্রমুখ। এ সময় সেখানে প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে এমপি রবির উদ্যোগে সেখানে শতাধিক অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী খামারে মাছের পরিবর্তে চাষ করা হচ্ছে ধানের। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাষীদের বিভিন্ন মৎস্য চাষে উদ্বুদ্ধ করার কথা থাকলেও সেখানে মাছের পরিবর্তে ধান চাষ হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক মৎস্যচাষী।

সাতক্ষীরা চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী খামার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে সাতক্ষীরা শহরের অদূরে এল্লারচরে ১৫০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে ২৩টি ছোট বড় পুকুর রয়েছে। পুকুরগুলোতে চাষীদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রদর্শনী করা হয়। প্রতি বছর প্লান অনুযায়ী বিভিন্ন কম্পোনেন্টে মাছের পোনা উৎপাদন, কিশোর গলদা চাষ, নতুন চাষীদের উদ্বুদ্ধ করতে নানা বিষয়ে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার চাষী প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু এবারই প্রথম ২৩ টি পুকুরের মধ্যে ৭টি পুকুরে ধান চাষ করা হয়েছে। এতে চাষীরা রীতিমত হতাশ হয়েছেন। অথচ কোটি কোটি টাকা খরচ করে সরকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের জন্য এ খামার পরিচালনা করে যাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন চিংড়ী চাষ প্রদর্শনীতে যদি ধান চাষ হয় তাহলে কৃষি অধিদপ্তর কি করবে।

সাতক্ষীরার মৎস্যচাষী মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার চাষীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেন খামারটিতে। সেখানে যদি ধান চাষ হয় সেটি মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উদ্যোগ ব্যাহত করতেই এধরনের কাজ করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সাতক্ষীরার নাগরিক নেতা অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী বলেন, এল্লারচরে প্রতিষ্ঠিত খামারটি জেলার একমাত্র চিংড়ী প্রসেস কেন্দ্র সেখানে ধান চাষ হওয়া মোটেও ভালো কিছু নই। সাতক্ষীরা জেলাবাসীর পক্ষ থেকে এবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

এবিষয়ে সাতক্ষীরা চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী খামারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ইছাহক আলী বলেন, এবছর খরার কারনে ৭টি পুকুরে পানি ছিলো না। আমাদের চিংড়ী চাষ করতে হলে ৫ ফুট পানি থাকার প্রয়োজন থাকলেও এ বছর কোন পানিই ছিলো না। যে কারনে পরীক্ষা মূলকভাবে ধান চাষ করা হয়েছে। তবে এধরনের কোন প্লান বা নির্দেশনা মৎস্য অধিদপ্তরের রয়েছেন কি না এমন প্রশ্নের কোন জবাব দিতে পারেননি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, চিংড়ী চাষ প্রদর্শনী খামারে চিংড়ী চাষ হবে। সেখানে ধান চাষের কোন প্লান নেই। কিন্তু তিনি এবার পরীক্ষা মূলকভাবে করেছেন। এটি তিনি নিজ দায়িত্বেই করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: আইনজীবী এবং মানবাধিকারকর্মী আবুল হোসাইন রাজন। পুরান ঢাকার বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন ২২ জানুয়ারি। এরপর থেকে নিখোঁজ তিনি। পরে রাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ করে তার পরিবার। কোথাও হদিস মিলছিল না।

রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, ২২ জানুয়ারি মগবাজারের আদদ্বীন হাসপাতালের সামনে থেকে রাজনকে তুলে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানতে পারেন—তার ছেলে হাতিরঝিল থানা হেফাজতে রয়েছে।

খবর পেয়ে ২৩ জানুয়ারি রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন যান হাতিরঝিল থানায়। সেখানে নিজের পরিচয় দিয়ে ছেলে রাজন সম্পর্কে জানতে চান তিনি। কিন্তু, থানা থেকে জানানো হয়—রাজন নামের কাউকে আটক করা হয়নি। এর পরদিন, অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি স্ত্রী শামীমা সুলতানা হাতিরঝিল থানায় যান। তাঁকেও জানানো হয়, ‘এ নামের কেউ থানায় নেই’। তারপর তিনি পুরান ঢাকার বাসায় চলে যান।

হাতিরঝিল থানা থেকে তথ্য না পেলেও হাল ছাড়েনি রাজনের পরিবার। হাতিরঝিল থানার সামনে একজন ব্যক্তিকে রাখা হয়, যিনি রাজনের খোঁজ রাখেন। নজর রাখেন পুলিশের গতিবিধির ওপর। ওই ব্যক্তি রাজনকে নিয়ে থানা থেকে পুলিশের গাড়িতে করে বের হতেও দেখেছেন। এ দাবি রাজনের ছোটভাই মহিউদ্দিন খানের। একই দাবি শামীমাও করেছেন।

গণমাধ্যমের কাছে পুরো ঘটনা বর্ণনা দেন রাজনের বাবা ইসমাইল হোসেন ও স্ত্রী শামীমা সুলতানা ও ভাই মহিউদ্দিন খান। ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমি থানায় গিয়ে কথা বলেছি। পুলিশ বলেছে, রাজনকে আটক করা হয়নি।’

শামীমা সুলতানা বলেন, ‘২৪ জানুয়ারি আমি থানায় যাই। পুলিশ বলে রাজন থানায় নেই। পরে আমি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নম্বরে কল দিই। আমি উনাকে বলি, আপনার হেফাজতে আমার স্বামী আছেন। আমি উনার সঙ্গে দেখা করতে চাই। উনি জানান, এ নামের কেউ তো থানায় নেই। এরপর লাইনটা কেটে দেন।’

শামীমা সুলতানা আরও বলেন, ‘এরপর ২৬ জানুয়ারি আমার স্বামীর জন্য খাবার আর কাপড়-চোপড় নিয়ে পুনরায় হাতিরঝিল থানায় যাই। সে সময় ডিউটি অফিসার ছিল ফয়সাল। এসব নিয়ে কথা হচ্ছিল তাঁর সঙ্গে। তিনি বললেন, রাজন নামের কেউ নেই। এই ফাঁকে আরেকজন পুলিশ অফিসার এসে বলে উঠলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ, এ নামের একজন আছে তো! পরে তাঁকে ডিউটি অফিসার ধমক দেন।’

শামীমা বলতে থাকেন, ‘এরপর ফয়সাল কেমন যেন অভিনয় করছিলেন। রেজিস্ট্রি খাতা খুঁজছিলেন, যে রাজন আছে কি-না দেখতে। তারপর ফয়সাল ওই পুলিশকে বলেন, এই তুমি কী বলো? থানায় এ নামের কেউ নেই। ঠিক সেই সময় আমার স্বামী ডিউটি অফিসারের পেছনের আরেকটি রুম থেকে বলে ওঠে— ফয়সাল স্যার, আমি এখানে আছি। আমি নিজেই এ কথা শুনেছি। আমার হ্যাজবেন্ড আমাকে দেখতে পাননি, কিন্তু আমার কণ্ঠ শুনতে পেয়েছেন।’

শামীমা আরও বলেন, ‘এরপর ফয়সাল আমাকে বললেন, আপনি চলে যান। উনি এখানে নেই। কত স্পষ্ট ডকুমেন্ট, অথচ আমাদের সঙ্গে এগুলো করা হলো। তারপর আমি চলে আসি’

রাজনের স্ত্রী বলেন, ‘এরপরও আমি থানায় যাই। কিন্তু, সব সময় পুলিশ অস্বীকার করেছে। সর্বশেষ রোববার (২৯ জানুয়ারি) একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আমার স্বামীকে আদালতে তোলে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। এখন কোথা থেকে বের হলেন তিনি? এটা কেমন আইন? আটকের পর আদালতে হাজির না করে সাত দিন আটকে রাখা হলো। তাঁর যদি অপরাধ থাকে, আইন অনুযায়ী সাজা হোক। গতকাল যখন আমি আদালতে স্বামীকে পাই, তখন তিনি বলছিলেন, তাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।’

রাজনের ছোটভাই মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘আমরা শুনেছি, আমার ভাই থানায় আছেন। কিন্তু, পুলিশ বলেছে নেই। আমার বাবা ৩০ বছর পুলিশের চাকরি করেছেন। তিনি হতাশ। যে রাষ্ট্রের জন্য সারাজীবন ব্যয় করলেন, সেই রাষ্ট্রের পুলিশ তার পরিবারের সঙ্গে এমন আচরণ করল। যাই হোক, আমরা একজন লোক রেখেছিলাম থানা এলাকায়। যার দায়িত্ব ছিল, সবকিছুর ওপর নজর রাখা। তিনি হাজতখানার ভেতরে থেকে আমার ভাইয়ের একটি ছবিও তোলেন। তারপরও পুলিশ অস্বীকার করে।’

সাত দিন ধরে নিখোঁজ থাকা আইনজীবী আবুল হোসাইন রাজনকে গত শনিবার রাতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রোববার দুপুরে আদালতে হাজির করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাঁকে। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডের বিষয়ে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

আটকের পর দীর্ঘদিন আদালতে না তোলার অভিযোগ প্রসঙ্গে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আজিমুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি একটু গ্রামে ছিলাম। এ ব্যাপারে কিছু জানি না।’

এ ব্যাপারে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘রাজনের পরিবারের যে অভিযোগ, আসলে এ ধরনের কিছু ঘটেনি। গত শনিবার রাতে তাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি, রোববার সকালে আদালতে পাঠিয়েছি। ওরা থানার হাজতখানার এডিট করা ছবি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সাত দিন হাজতখানায় আসামি রাখার কোনো স্কোপ আছে? তারা নিখোঁজের অভিযোগ করছে। তারা কী কোনো জিডি বা এ ব্যাপারে অভিযোগ করছে? তারা যদি জানে, সাত দিন রাজনকে থানায় আটকে রাখা হয়েছে, তাহলে থানার কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তো আমরা ফাইন্ড আউট করতে পারতাম। তারা যে কাহিনী বলছে, তা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’

ওসির বক্তব্যের ব্যাপারে রাজনের স্ত্রী শামীমা সুলতানা ও তার বাবা ইসমাইল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। তখন শামীমা বলেন, ‘ওসির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ ছাড়া থানার হাজতখানার ছবি আছে। আরও সব ডকুমেন্ট আমাদের কাছে আছে। তারপরও যদি পুলিশ এসব বলে, আমরা কার কাছে যাব?’

জিডির প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে শামীমা বলেন, ‘আমাদের সোর্সের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত ছিলাম, আমার স্বামী পুলিশ হেফাজতে আছে। কিন্তু আমার বুঝতে পারিনি যে পুলিশ অস্বীকার করতে করতে এতদূর নেবে। তাই জিডি করা হয়নি।’

যে মামলায় আবুল হোসাইন রাজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আসাদ বিন আব্দুল কাদিরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

0 মন্তব্য
1 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সর্বশ^ বিক্রয় করে পুত্রের চাকুরির জন্য এক অর্থলোভী শিক্ষককের হাতে ৬লক্ষ টাকা তুলে দিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছেন অসহায় এক পিতা। চাকুরি তো হয়নি উল্টো টাকাটাও ফেরত না দিয়ে তাল বাহানা করে যাচ্ছেন পর সম্পদ লোভী ওই শিক্ষক। চাকুরি বা টাকা ফেরত না পেয়ে বার বার আকুতি জানালেও মন গলেনি শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির পুত্র বহেরা এ.টি এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর সম্পদলোভী শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবিরের। মিথ্যা আশ^াসে একের পর এক বাহানা করে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে অসহায় পরিবারটি টাকা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী অসহায় পিতা মাহমুদপুর গ্রামের আব্দুল গফুর শেখের পুত্র কলিমুল্লাহ শেখ জানান, তার পুত্র হাবিবুল বাসার কম্পিউটার বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে বেকার ছিলো। সম্প্রতি বহেরা এ.টি এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির পুত্র জাহাঙ্গীর কবির। তার সাথে সু সম্পর্ক থাকায় উক্ত বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬লক্ষ টাকা দাবি করে। কলিমুল্লাহ শেখ একমাত্র পুত্রের জন্য নিজের জমি বিক্রয় করে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে ৫লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে জাহাঙ্গীর কবিরের কাছে তুলে দেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুত্র হাবিবুল বাসারকে চাকুরি না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললেও টাকা না দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। উপায়ন্তর হয়ে ভুক্তভোগী কলিমুল্লাহ শেখ আইনজীবীর মাধ্যমে একটি লিগ্যাল নোটিশও প্রদান করেছেন। কিন্তু নোটিশ প্রাপ্তিরপরও টাকা ফেরতের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগী কলিমুল্লাহ শেখ।
পুত্রকে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতেই সর্বশ^ বিক্রয় করে তুলে দিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছেন তিনি। চাকুরি তো হয়নি এমনকি টাকাটাও ফেরত পাওয়া নিয়ে রয়েছে সংশয়। তিনি এবিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর কবির টাকা গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, হাবিবুল বাসারকে নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যে তার পিতা আমাকে একটি লিগ্যাল নোটিশও পাঠিয়েছে। দ্রুত বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ বঙ্গবন্ধু
স্মৃতি পাঠাগারে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবানে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের
সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলী’র সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “সংগঠনকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। দলের মধ্যে কোন্দল থাকলে দল ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
দলকে সুসংগঠিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়নের ধারা
অব্যাহত রাখতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে
এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

বর্ধিত সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একে ফজলুল হক।
বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ডা. মুনসুর আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক এনছান বাহার বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম মোর্শেদ, মো. আসাদুজ্জামান অসলে, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফি উদ্দিন শফি, শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও আগরদাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, বাশদহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মো.  মফিজুর রহমান, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শওকাত আলী, কুশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তায়জুল ইসলাম প্রমুখ।

বর্ধিত সভায় সকল ভেদাভেদ ভুলে দলকে শক্তিশালী করতে ইউনিয়ন
ও ওয়ার্ডে বর্ধিত সভা করে দলকে সুসংগঠিত করার আহবান জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দু’টি মামলায় সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমানউল্লাহ আমানসহ দুজন।

সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল -৩ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডলের আদালতে সোমবার তারা এ সাক্ষ্য দেন। এনিয়ে ২৩ জন সাফাই সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষীর সংখ্যা দাড়ালো ৭ জনে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সাফাই সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগে ১৬ জানুয়ারী সোমবার ও ১০ জানুয়ারি যথাক্রমে ৪ ও ১ জন সাফাই সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাফাই সাক্ষীরা হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ,সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের পক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্ঠা,ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান। এছাড়া আসামী গোলাম রসুলের পক্ষে সাক্ষ্য দেন কলারোয়ার মোবারক আলী।

সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ জানান, সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় সাতক্ষীরার স্পেশাল ট্রাইবু্যুনাল-৩ এর বিজ্ঞ বিচারক বিশ^নাথ মন্ডলের আদালতে আসামী পক্ষের সাফাই সাক্ষী শুরু হয়। আসামী পক্ষে আমানউল্লাহ আমানসহ দুজন সাফাই সাক্ষী দিয়েছেন। এ মামলায় ২৩ জন সাফাই সাক্ষী দেবেন বলে আসামীপক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের কাঠগোড়ায় কারাগার থেকে আনা ৩৯ জন আসামী হাজির ছিলেন। নয় জন্য পলাতক রয়েছেন। ইতিমধ্যে দুইজন কারাবন্দি অবস্থায় মারা গেছেন।

আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, এ্যাড. আব্দুল মজিদ(২), অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু,শাহানা আক্তার বকুল প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু প্রমুখ।
প্রসঙ্গত,২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টায় তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কলারোয়ায় দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস (সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগের ১ ডজন নেতা-কর্মী আহত হন। এঘটনায় করা হামলা মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তালা-কলারোয়ার বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন নেতা-কর্মীকে চার থেকে ১০ বছর মেয়াদে সাজা প্রদান করেন সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবির। এছাড়া গত ১৪ জুন অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর দুটি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest