সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

একরামুজামান জনিঃ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক, সাফজয়ী সাবিনা খাতুনের উদ্যোগে সাতক্ষীরায় শীতার্ত প্রতিবন্ধী,এতিম,নিঃসন্তান ও জলাবদ্ধতার ভিতরে বসবাস করা অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র, সবুজ চুলা ও হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার সকালে খানপুর মডেল সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয় মাঠে সাংবাদিক নাজমুল শাহাদাৎ জাকিরের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র, সবুজ চুলা ও হুইল চেয়ার বিতরণ করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের বোন শিরিনা খাতুন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম,

৫নং ওয়ার্ড শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম আবুল কালাম আজাদ, সবুজ চুলার উদ্ধাবক মোস্তাক আহমেদ সিদ্দিকী, শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহারুল ইসলাম, ৫ নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাকির হোসেন সহ আরো অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে হাত-পা বেঁধে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে তাদের দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিশুর দাদা হোসেন আলী গাজী শনিবার রাতে বাদী হয়ে তালা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২০, তাং ২৯/০১/২৩।

গ্রেপ্তারকৃতরা আড়ংপাড়া গ্রামের সাদেক গাজীর ছেলে ও ঘেরমালিক জাকির গাজী (৪৫) ও ঘেরের কর্মচারী সোহেল ফকির (২০)।

এবিষয়ে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম জানান, টাকা চুরির অপবাদে শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো এক আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আড়ংপাড়া গ্রামে (কুলিন্দার বিলে) জাকির গাজীর ঘের এক হাজার টাকা চুরির অপবাদে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন। এ সময় তার পিতাকে মোবাইল ফোনে কিশোরের আর্তচিৎকার শোনান তাঁরা। আহত ওই কিশোরের বাড়ি তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কলাপোতা গ্রামে। সে তেরছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় ট্রাকের ধাক্কায় আয়ুব আলী (৫৫) নামে এক মটরসাইকেল আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের মদনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আয়ুব আলী তালা উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামের মৃত নব আলীর ছেলে।

জানা গেছে, রবিবার দুপুরে বাড়ি থেকে সাতক্ষীরা যাওয়ার পথে মদনপুর এলাকায় মটরসাইকেল আরোহী আয়ুব আলীকে একটি দ্রুতগামী ট্রাক ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী রেজাউল করিম সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সড়কে দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের সাথে মটরসাইকেলের  মুখোমুখি সংঘর্ষে মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি শনিবার রাত ৯টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার ধানখালী গার্লস স্কুল সংলগ্ন রাস্তার উপরে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া যুবক উপজেলার কালিঞ্চি গ্রামের মাজেত গাজীর পুত্র।

স্থানীয়রা জানায়, ২৮ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার সময় ধানখালি রাস্তার উপরে দাড়িয়ে একটি ট্রাক ধান লোড করছিল। এসময় অপর দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটি লাল রংঙের পালসার মটরসাইকেল ট্রাকের সাথে ধাক্কা দিয়ে মটরসাইকেল থাকা দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেদী হাসানকে মৃত ঘোষণা করে। নিহতের সাথে থাকা অলিউল্লাহ নামের অপর আরোহীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রথমে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে, আশ্রান প্রকল্পের বাসিন্দাদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কেক কাটা শেষে পুরস্কার বিতরণ সহ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

দশ পেরিয়ে এগারোতে পদার্পন, সবার সাথে এশিয়ান টেলিভিশন’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে।

২৮ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১০ সদরের ইসমাইলপুর স্টুডিয়াম মাঠে এশিয়ান টেলিভিশন শ্যামনগরে উপজেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মারুফ এর আয়োজনে। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কাটেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আতাউল হক দোলন। পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাইদুজ্জামান সাঈদ,

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা আয়ুব ডলি, শ্যামনগর থানার অফিসার পিংকু ও সিডিও ইয়ুথ টিমের উপজেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য আনিছুর রহমান মিলন, সদর ইউনিটের সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য সিয়াম, জামাল বাদশা, নাইম প্রমূখ্য সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সারাদিন ব্যাপী ইসমাইলপুর স্টুডিয়াম মাঠে আশ্রান প্রকল্পের বাসিন্দাদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনা করে শ্যামনগর উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিডিও। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এমন ব্যতিক্রম আয়োজন করে এশিয়ান টিভির পরিবারকে অতিথি সহ স্থানীয়রা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল শ্যামনগর উপজেলা, কালিগঞ্জ উপজেলা, আশাশুনি উপজেলা, দেবহাটা উপজেলা, তালা উপজেলা, কলারোয়া উপজেলা ও কলারোয়া পৌর কমিটি বিলুপ্তি ঘোষনা করা হয়েছে।

উক্ত কমিটি গুলোর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে জেলা কৃষক দলের আহবায়ক সালাউদ্দীন লিটন ও সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: আপনি ভালো হয়ে যান ভাই, আপনি ভালো হয়ে যান। আপনার কিন্তু হিসেব কিতেব অন্য রকম হয়ে যাবে। আপনি সুস্থ হুয়ে যান আপনার হিসেব কিতেব আমি ক্লিয়ার করে দেবান। আপনি এখন অসুস্থ, আপনার এখন কিচ্চু বোলতিচ নে, আপনি সুস্থ্য হলি আপনার ক্লিয়ার করে দেবো আমি.. তাই আপনার কোন বাপ আছে- কোন পীর সাহেব আছে…… ভাই আপনি বাঁচবেন না আল্লার কিরে। আল্লার কিরে আপনি বাঁচবেন না। আপনি মুরে যাবেন। আপনি শোনেন- আপনি যতই কেরামতি খাটান- আপনি নিঃস্ব ফকির হুয়ে যাবেন। মুরে যাবেন আপনি। আপনি আমার বাইরি গিলে আপনি মুরে যাবেন। দ্যাখেন- আমি কিন্তু এখনো বাড়িত্তে বাইরি যাইনি, কৈখালী ছাড়িনি বলো…… আপনি যদি বাঁচতি চান তো, আমাগের লাইনে আসেন। আপনি বাঁচতি পারবেন না। আমার হিসেব করা হয়ে গেছে- আপনি বাঁচতি পারবেন না। আপনি বাঁচতি পারবেন, ভিআইপি মর্যদার উপর থাকবেন, না হলে বাঁচতি পারবেন না। শোনেন আপনার বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হচ্ছে। মামলা হুয়ে গেছে ঢাকায়। ওই মামলায় দুই/ একদিনের ভিতরে আপনরার ওয়ারেন্ট আসবে। বাস্তব কথা- আমার বুলেচ বুলে আমি আপনার বোলতিচ। এ নিয়ে অনেক হাইকোর্ট -মোট সব জায়গায় এ হচ্ছে। ওর চাইতে আমি বোলতিচ কি আপনি এভাবে না মুরে আপনি আমাগের কথা শোনেন। আপনার সবকিছু সল্ভ হুয়ে যাব্যান। আমাদের- বিশেষ করে আমার – শোনেন- আপনি কাল স্কুলে আইসতেছেন না! আসেন তারপর……

উপরোক্ত কথাগুলো শ্যামনগর উপজেলা কৈখালী শামসুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য আলী মর্ত্তুজা মোবাইল ফোনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল বাসার (৫৫) কে তার আত্মহত্যার দু’দিন আগে বলেছিলেন। যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফোনালাপে হুমকির বিষয় স্পষ্ট হওয়ায় জেলার সচেতনমহলসহ স্থানীয়রা আলী মর্তুজা ও চেয়ারম্যান আব্দুর রহিমকে দোষারোপ করে শাস্তির দাবী করেছেন।

তাছাড়া, মৃত্যুর আগে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির আলোচনা সভায় নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সামনে এই আলী মর্ত্তুজা প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারকে শারিরিকভাবে লাঞ্চিতও করেছিলেন। শুধু তাই নয়, স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে আলী মর্ত্তুজা- রহিম চেয়ারম্যান গ্রুপের দুশ্চরিত্রা জনৈক মারুফা খাতুনের আবেদন নিয়োগ বোর্ড কর্তৃক বাতিল হলে তাকে দিয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করিয়ে সৎ ও নিষ্ঠাবান প্রধান শিক্ষকের চরিত্র হনন করা হয়।
আবার সেই মামলা উঠিয়ে নেয়া এবং অন্যান্য বাবদ ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করা হয়েছিল স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদকে দিয়ে। অবশ্য ওই ৫০ লাখ টাকার ৫ লাখ টাকা ইতোমধ্যে তিনি (প্রধান শিক্ষক) আত্মসম্মানের কথা চিন্তা করে পরিশোধ করেছিলেন বলে ফোনালাপে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অথচ, এমন একটি চাঞ্চল্যকর মামলার আসামীরা সকলে জজকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। জামিনে মুক্ত হয়েই আসামীরা প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি অব্যহত রেখেছে।

এদিকে, প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের আপন ভাগ্নী জামাই আব্দুল মান্নানকে সহকারী প্রধান শিক্ষক না করাতে তিনিও মামা শ্বশুরের বিরুদ্ধে গিয়ে আলী মর্ত্তুজা- রহিম চেয়ারম্যান গ্রুপের সাথে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। সময়ে অসময়ে মান-অপমান করে। একপর্যায়ে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরাও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। অবশেষে একঘরে হয়ে পড়েন প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার। এদিকে গত ১৮/১২/২০২২ ইং তারিখে অপারেশ হওয়ায় ডাক্তারের নির্দেশনা মোতাবেক নতুন কমিটির কাছে শিক্ষক আবুল বাশার এমাসের (২৬/১২/২০২২ থেকে ২৫/০১/২০২৩ ইং) চিকিৎসা ছুটির আবেদন করলেও তা না মঞ্জুর করে উল্টো সভাপতি শেখ আব্দুর রহিম ০২/০১/২০২৩ ইং তারিখে দুই বছর পূর্বে নিয়োগ হওয়া ল্যাব সহকারী, অফিস সহায়ক, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে পূর্ব নির্ধারিত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। মোট কথা, প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের আত্মহত্যার প্ররোচনায় যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তারা সকলেই একযোগে কেউ চাঁদার টাকা চেয়ে, কেউ জীবননাশের হুমকি দিয়ে, কেউ অপহরনের ভয় দেখিয়ে, কেউ অপমানমূলক কথা বলে, কেউ চাকরী খেয়ে ফেলানোর ভয় দেখিয়ে, কেউ পূর্বের কমিটির দেয়া নিয়োগের হিসেব চেয়ে তাকে উত্যক্ত করতে থাকে। সর্বশেষ, স্কুলের অভিভাবক সদস্য আলী মর্ত্তুজা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার একদিন পর্ইে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে বুধবার (৪জানুয়ারী রাতে) মৃতের স্ত্রী মোছা. নুরুন্নাহার পারভীন বাদী হয়ে শ্যানগর থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় স্কুলের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, যাদবপুর গ্রামের শেখ মোমিন আলীর ছেলে কমিটির অভিভাবক সদস্য আলী মোর্তুজা, একই গ্রামের মোস্তফা আলী গাজীর স্ত্রী অভিভাবক সদস্য মারুফা খাতুন, পশ্চিম কৈখালি গ্রামের জমির গাজীর ছেলে অভিভাবক সদস্য জাকির গাজী, সাহেবখালি গ্রামের শেখ নওশের আলীর ছেলে স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ সালাহউদ্দিন, একই গ্রামের বাহার আলী গাজীর ছেলে সমাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষক আব্দুল মান্নান ও বৈশখালি গ্রামের মতিউল্লাহ সরদারের ছেলে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক আব্দুল মজিদকে আসামী করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম স্কুলের সভাপতি থাকাকালীন ২০২১ সালে অফিস সহায়ক, আয়া, নৈশপ্রহরী ও ল্যাব সহকারি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার। আবেদন বিধি মোতাবেক না হওয়ায় আয়া পদে জনৈক মারুফা খাতুনের আবেদনপত্র বাতিল করেন নিয়োগ বোর্ড। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বর্ণিত আসামীদের সহযোগীতায় মারুফা খাতুন প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের নামে মিথ্যা ধর্ষণের চেষ্টা ও টাকা আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন। জামায়াত নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম স্কুলের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারকে হয়রানি করা শুরু করেন। এ দিকে, বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে শিক্ষক আব্দুল মজিদ, সহকারি শিক্ষক সালাহউদ্দিন, শিক্ষক আব্দুল মান্নান, অভিভাবক সদস্য মারুফা খাতুন ও জাকির হোসেনের যোগসাজসে বর্তমান সভাপতি আব্দুর রহিম ও অভিভাবক সদস্য আলী মোর্তুজা প্রধান শিক্ষকের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন। প্রধান শিক্ষক তাদেরকে সম্প্রতি পাঁচ লাখ টাকাও দেন। বাকী ৪৫ লাখ টাকার জন্য আলী মোর্তুজাসহ অন্যান্যরা প্রধান শিক্ষককে চাপসৃষ্টি ও মেরে ফেলার হুমকি অব্যাহত রাখায় তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেএম রেজাউল করিম শনিবার (২৮ জানুয়ারি) জানান, দায়েরকৃত মামলায় ইতোমধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে অন্য আসামী মারুফা খাতুন মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় তার অবস্থান নির্নয় করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রধান শিক্ষক আত্মহত্যার পরোচনার বিষয়ে স্কুলের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রধান শিক্ষক খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। হেড স্যারের মত চরিত্রবান একজন মানুষকে আত্মহত্যায় বাধ্য করায় নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটিই দায়ী। বিশেষ করে আলী মর্তুজা ও মারুফা খাতুন সবচেয়ে বেশী দায়ী। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা প্রতিনিধি :  দেবহাটায় সরকারী বন্দোবস্তকৃত জমি জোরপূর্বক দখলের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবে ২৮ জানুয়ারী, ২৩ ইং সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলার ঘলঘলিয়া গ্রামের মৃত দাউদ আলীর ছেলে রুহুল আমিন।
তিনি বলেন, তার পিতা দাউদ আলীর নামে ০৭ নং ঘলঘলিয়া রহিমপুর মৌজার এসএ ০১ নং খতিয়ানের ১৪৭৪, ১৫০৭, ১৫৭৬, ১২১৪, ১২৫৪, ১৪১৪ ও ১৮ নং দাগে ১ একর ৫০ শতক জমি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কর্তৃক ১৫৬/১৯৭৭-১৯৭৮ নং বন্দোবস্তকৃত কেসের মাধ্যমে বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে তার পিতার নামে ৪-১-১৯৭৮ সালে ৩৬ নং কবুলিয়ত দলিল সম্পাদিত হয়। সেসময় থেকে তারা উক্ত জমিতে বসতঘর নির্মান করে ও সবজি এবং মৎস্য চাষ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। এরপরে বর্তমান আরএস রেকর্ডে ৪৬৪ নং খতিয়ানের ২৩, ৩১২৮, ৩৩৫৩, ৩৪৪৭, ৩৪৮০, ৩৫০৮ ও ৩৫৮৯ দাগে মোট ১ একর ৪৬ শতক জমি বিলান শ্রেনী হিসেবে তার পিতার নামে রেকর্ড হয়। ঘলঘলিয়া রহিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রুহুল আমিন, ঘলঘলিয়া গ্রামের ইসলাম মোল্লার ছেলে আমির হোসেন, একই গ্রামের আফছার আলীর ছেলে মিন্টু, একই গ্রামের মৃত নেছারউদ্দীন সরদারের ছেলে নজরুল ইসলাম ও রতেœশ্বরপুর গ্রামের আফাজউদ্দীন মোড়লের ছেলে শাহাবুদ্দীন মোড়লসহ এলাকার একটি কুচক্রীমহল তাদের মাথাগোজার ঠাই এই জমিটুকু কুক্ষিগত করতে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ষড়যন্ত্র করে আসছে। তারা তাদের বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দেয়। পরে তারা গত ইং ২১-১০-২০২০ তারিখে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় এমন কাজ আর করবেনা মর্মে মুচলেকা দেয়।
এরপরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের দপ্তরে একটি অভিযোগ দিলে তিনি সেটা তদন্ত করার জন্য দেবহাটায় প্রেরন করেন। দেবহাটা তহশিলদার ও এসি ল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার তদন্ত করে তাদের ( সাংবাদিক সম্মেলনকারী রুহুল আমিন) এর পক্ষে রিপোর্ট দেন। এছাড়াও ঐ কুচক্রীমহলটি যুগ্ম জেলা জর্জ আদালত, সাতক্ষীরাতে তাদের নামে ১৩/১৯ নং একটি মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে।
বিজ্ঞ আদালত গত ২১-০৩-২০২১ ইং তারিখে ১৫নং আদেশবলে উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেন। এভাবে ঐ কুচক্রীমহলটি একের পর এক তাদেরকে হয়রানি করে চলেছে। গত শুক্রবার একটি ছাগলকে কেন্দ্র করে মিথ্যা অজুহাত দিয়ে শত্রæতামূলক আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রুহুল আমিন তার স্ত্রী শাহানারা খাতুনকে ব্যাপক মারপিট করে। পরে তাকে সখিপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এবিষয়ে তিনি দেবহাটা থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে থানায় মামলা রেকর্ড হয় এবং রুহুল আমিনকে আটক করে। তিনি ঐসব ষড়যন্ত্রকারী কুচক্রীমহলটির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন ও তারা যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারেন তার সুব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest