সর্বশেষ সংবাদ-
সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সায়াবিন তেল খেতে হবে– সাতক্ষীরায় এডভোকেসি সভায় বক্তারাদেবহাটায় এসিল্যান্ডের উপস্থিতিতে ৪৮ ক্যারেট ক্যামিক্যাল মিশ্রিত আম বিনষ্ট‘আমাদের দুর্ভাগ্য একজন দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ এখনও রাষ্ট্রপতি’বুধহাটা দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিমকে তাড়াতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে  হয়রানির অভিযোগকালীগঞ্জের নলতায় সড়ক ও জনপদ থেকে উচ্ছেদের পরেও পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িকসাতক্ষীরায় তিন দিনব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনসারা দেশে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতKeuntungan Menggunakan Bonus Istana Casino untuk Meningkatkan Peluang MenangIemesli, kāpēc Spinight online kazino ir tik populārs Latvijas tirgūΗ πλήρης καθοδήγηση για το Buran Casino no deposit bonus και τις προσφορές του

শ্যামনগর প্রতিনিধি : উপজেলার ৭৫ নং নকিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ইউনিসেফ এর অর্থায়নে দরিদ্র ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে স্কুল ইউনিফর্ম ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে অংশগ্রহণ করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি ও ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড. জহুরুল হায়দার বাবু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি রেজওয়ানুল আজাদ নিপুন সহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে পনের জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস এবং ১১০ জন শিক্ষার্থীকে খাতা কলম বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নাসিমবিল্লাহ নামের এক শিশুকে তার বিমাতা ভাই গলা টিপে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা ১১টার দিকে কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের আটুলিয়া গ্রামে। নিহত নাছিম বিল্লাহ (০৬) আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী গাজির ছেলে। এ ঘটনায় দুপুরে  সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকারী সৎ ভাই রাসেল পালিয়ে গেছে। এলাকাবাসি ও নিহতের খালা নাসরিন সুলতানা জানান, বিগত ৫ বছর আগে আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী তার বড় বউ হামিদা খাতুনকে তালাক দেয়। হামিদার এই ঘরে রাসেল ও লামিয়া নামের দুটি সন্তান রয়েছে। ্হামিদা তাদের নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। কিছুদিন পর হামিদা অন্য জায়গায় বিয়ে করে ঘর সংসার করে আসছিল। সম্প্রতি রাসেল প্রায় সময় তার ছোট মা নাছিমা খাতুনের কাছে বেড়াতে যায় এবং দুই ২/১ দিন থাকার পর আবার চলে আসে। রাসেল তার মায়ের নিকট যাওয়া-আসার পর থেকে প্রায় সময় খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তার ছোট মায়ের (সৎ মা নাছিমার) সাথে গোলযোগ করে এবং অশ্রব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নাসিমকে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। এরই জের ধরে ছোট মা নাছিমা খাতুন বাড়ির পাশ্ববর্তী পটলের খেতে গেলে রাসেল তার সৎ ভাই নাসিমকে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে গলা টিপে হত্যা করে দরজায় তালা মেরে পালিয়ে যায়। পরে বেলা ১২ টার দিকে নাছিমের মা পটলের ক্ষেত থেকে ফিরে ছেলেকে খুঁজতে থাকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘরের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখতে পায় তার ছেলেকে গলাটিপে হত্যা করে কাপড় রাখার আলনা পেছনে লুকিয়ে রেখেছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিযৈ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত শিশুটির মা নাছিমা খাতুন জানান, রাসেলের মায়ের ষড়যন্ত্রে আমার ছেলেকে রাসেল এভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় রাসেল ও তার মা হামিদা খাতুরের বিচার দাবি করেন তিনি। খোরদো পুলিশ ফাঁিড়র ইনচার্জ হাসানুজ্জামান হাসান জানান,লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত ) আখতারুজ্জামান জানান, খবর পেয়েই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াত-শিবিরের ২ কর্মীসহ ৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৯ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৮ জন, তালা থানা ৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ৩ জন, শ্যামনগর থানা ১ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের তারালী বিএসএফ ক্যাম্পে আটক তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলা কাকডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ সাব পিলার  ৩ এর নিকট পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার ইন্দরকানি উপজেলা সদরের মোক্তার আলী মোল্যার ছেলে জাকির মোল্যা (৪০),খুলনা জেলার পাইকগাছা  উপজেলার কেণা খালি গ্রামের মৃত বল্লোবের  স্ত্রী সলক (৬৫) একই জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বনিধোয়াকোলা গ্রামের মৃত কার্তিক মন্ডলের ছেলে সোনা মন্ডল (৪৫)। কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিওপি’র ন্যান্স নায়েক মোখলেছুর রহমান জানান, গত শনিবার ভোরে উক্ত ব্যক্তিরা কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে তারালী বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ওই ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে  উপজেলার কাকডাঙ্গা বিওপিতে পত্র প্রেরন করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদেরকে হস্তান্তর করে।  পরে তাদের থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে থানার ওসি তদন্ত আখতারুজ্জামান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

bgb-bsfনিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তের বিপরীতে ভারতের তারালী বিএসএফ ক্যাম্পে আটক তিন বাংলাদেশীকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলা কাকডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ১৩/৩ সাব পিলার ৩ এর নিকট পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের  হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তরকৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার ইন্দরকানি উপজেলা সদরের মোক্তার আলী মোল্যার ছেলে জাকির মোল্যা (৪০), খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার কেণা খালি গ্রামের মৃত বল্লোবের  স্ত্রী সলক (৬৫) একই জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার বনিধোয়াকোলা গ্রামের মৃত কার্তিক মন্ডলের ছেলে সোনা মন্ডল (৪৫)।
কলারোয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী কাকডাঙ্গা বিওপি’র ন্যান্স নায়েক মোখলেছুর রহমান জানান, গত শনিবার ভোরে উক্ত ব্যক্তিরা কলারোয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে তারালী বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় ওই ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করে উপজেলার কাকডাঙ্গা বিওপিতে পত্র প্রেরন করেন। শনিবার সন্ধ্যায় ওই সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদেরকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের থানা পুলিশে সোর্পদ করা হয়।
এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে থানার ওসি তদন্ত আখতারুজ্জামান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়াimagesয় নাসিমবিল্লাহ নামের এক শিশুকে তার বিমাতা ভাই গলা টিপে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার বেলা ১১টার দিকে কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের আটুলিয়া গ্রামে। নিহত নাছিম বিল্লাহ (০৬) আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী গাজির ছেলে। এ ঘটনায় দুপুরে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মেরিনা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকারী সৎ ভাই রাসেল পালিয়ে গেছে।
এলাকাবাসী ও নিহতের খালা নাসরিন সুলতানা জানান, বিগত ৫ বছর আগে আটুলিয়া গ্রামের হাসেম আলী তার বড় বউ হামিদা খাতুনকে তালাক দেয়। হামিদার এই ঘরে রাসেল ও লামিয়া নামের দুটি সন্তান রয়েছে। হামিদা তাদের নিয়ে অন্যত্র চলে যায়। কিছুদিন পর হামিদা অন্য জায়গায় বিয়ে করে ঘর সংসার করে আসছিল। সম্প্রতি রাসেল প্রায় সময় তার ছোট মা নাছিমা খাতুনের কাছে বেড়াতে যায় এবং দুই ২/১ দিন থাকার পর আবার চলে আসে। রাসেল তার মায়ের নিকট যাওয়া-আসার পর থেকে প্রায় সময় খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তার ছোট মায়ের (সৎ মা নাছিমার) সাথে গোলযোগ করে এবং অশ্রব্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নাসিমকে মেরে ফেলার হুমকী দেয়।
এরই জের ধরে ছোট মা নাছিমা খাতুন বাড়ির পাশ্ববর্তী পটলের খেতে গেলে রাসেল তার সৎ ভাই নাসিমকে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে গলা টিপে হত্যা করে দরজায় তালা মেরে পালিয়ে যায়। পরে বেলা ১২ টার দিকে নাছি444444মের মা পটলের ক্ষেত থেকে ফিরে ছেলেকে খুঁজতে থাকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘরের তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দেখতে পায় তার ছেলেকে গলাটিপে হত্যা করে কাপড় রাখার আলনা পেছনে লুকিয়ে রেখেছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিযৈ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহত শিশুটির মা নাছিমা খাতুন জানান, রাসেলের মায়ের ষড়যন্ত্রে আমার ছেলেকে রাসেল এভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় রাসেল ও তার মা হামিদা খাতুরের বিচার দাবি করেন তিনি।
খোরদো পুলিশ ফাঁিড়র ইনচার্জ হাসানুজ্জামান হাসান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আখতারুজ্জামান জানান, খবর পেয়েই সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় সৎ মা হামিদা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-19275সরকারি সংস্থায় চাকরি পাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের গুলিতে নিহত সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুলের স্ত্রী নূরুন নাহার খাতুন। সরকারি ওষুধ কোম্পানি এসেনশিয়াল ড্রাগসে তার চাকরির নিশ্চয়তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। দুই-তিন দিনের মধ্যে নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার রাতে শিমুলের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে যান স্বাস্থমন্ত্রী নাসিম। এ সময় শিমুলের স্ত্রীক কর্মসংস্থানের কথা জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে বিরোধের জেরে মেয়র হালিমুল হক মিরুর বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়। এ সময় গুলিতে আহত হন সমকালের শাজহাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল। পরদিন মারা যান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক শিমুল যে গুলিতে আহত হয়েছিলেন তা ছুড়েছিলেন মেয়র মিরু। এরই মধ্যে তাকে আসামি করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।  মেয়র মিরুর দুই ভাইসহ বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও আত্মগোপনে আছেন মিরু।

শিমুলের মৃত্যুর পর তার আর্থিক দুর্দশার কথা জানা যায়। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা জানান, খুবই সাধারণ জীবনযাপনকারী সাংবাদিক শিমুলের মৃত্যুতে বিপাকে পড়ে গেছেন তার স্বজনরা। তিনি পরিবারের সদস্যদের জন্য কিছু রেখে যেতে পারেননি।

শিমুলের ১২ বছর বয়সী ছেলে সাদী মোহাম্মদ শাহজাদপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে ছাত্র।  চার বছরের মেয়ে তামান্না এখনও তেমন কিছু বুঝে উঠার ক্ষমতা অর্জন করেনি।

সাদামাটা শিমুলের সম্বল বলতে নানির দেওয়া দুই শতক জমির উপর তোলা একটি টিন শেড ঘর ছিল। পাশাপাশি পৈত্রিক দুই বিঘা আবাদী জমি থেকে আসা আয়ের পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় যা আসতো, তা দিয়েই চলতো সংসার।

এই অবস্থায় শিমুলের মৃত্যু এক অর্থে দিশেহারা করে দেয় পরিবারটিকে। তার স্ত্রী নুরুন্নাহার গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এও জানিয়েছেন যে, একদিনের খাবার কিনে খাওয়ার মতো অর্থও ঘরে নেই।

শিমুলের পরিবার এখন কীভাবে বাঁচবে-এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী যান তার বাড়িতে। তিনি পরিবারকে এক লাখ টাকা অনুদান দেন। এই আর্থিক অনুদান আর শিমুলের স্ত্রীকে চাকরি দেয়ার আশ্বাসে এক ধরনের স্বস্তি পায় শিমুলের পরিচিতজনরা।

শিমুল হত্যার বিচার হবেই-এমন নিশ্চয়তাও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় একজন সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে- এটা খুবই দুঃখজনক। হত্যাকারী যত ক্ষমতাধরই হোক না কেন- তাকে ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।’

এলাকাবাসী মন্ত্রীর কাছে পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমুল হক মিরুর বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়। তখন নাসিম বলেন, ‘ইতিমধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শিগগির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সাংসদ হাসিবুর রহমান স্বপন, মন্ত্রী পত্নী বেগম লায়লা নাসিম, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) আবুল হাসনাত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলীমুল রাজীব প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexনিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুইজন জামায়াত কর্মীসহ ৩৮ জনকে আটক করেছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, সাতক্ষীরা সদর থানায় থেকে ১৯ জন, কলারোয়া থানায় ০৮ জন,তালা থানায় ০৩ জন,কালিগঞ্জ থানায় ০৩ জন, শ্যামনগর থানায় ০১ জন, আশাশুনি থানায় ০২ জন, দেবহাটা থানা থেকে ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে পুলিশ ০১ জনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest