প্রেস বিজ্ঞপ্তি: “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্য, সুন্দর ও গনতন্ত্রের বিজয় পতাকা আমরাই উড়াব” এই স্লোগানে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ৩৮পাউন্ড কেক কেটে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। গতকাল বিকেলে রক্সি হল সংলগ্ন বনানী মার্কেট চত্বরে জেলা ছাত্রদল কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এইচ আর মুকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোদেচ্ছেরুল হক হুদা, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাক আয়নুল ইসলাম নান্টা, শহর যুবদলের সভাপতি আলী শাহিন, যুবনেতা নজরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনজুরুল মোরশেদ মিলন, আবেদুর হক মুন্না, মোঃ নাছির উদ্দিন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম কল্লোল, শেখ আরিফুর রহমান আলো, শহর ছাত্র দলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনি, সাধারন সম্পাদক মোঃ সুমন রহমান, সদর ছাত্রদলের সভাপতি আনরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেসর উদ্দিন মনি, জেলা ছাত্র দলের দপ্তর সম্পাদক ও সদর যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান সজীব সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাধারণ সম্পাদক মির্জা রনি, সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, সরকারি পলিটেকনিক কলেজের সভাপতি সুমন রহমান, সাধারণ সম্পাদক কমল খান, সিটি কলেজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল, জাকিরুল ইসলাম সদর থানা ছাত্রদলের সংগঠনিক সম্পাদক মন্টুসহ জেলার ৭টি থানার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক জেলার সকল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দলের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, সরকারের দুশাসনের বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ডাকে দ্বিধাদ্বন্দ্বভুলে আমরা সকলেই আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ঝাপিয়ে পড়ব।

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামাবাদ দাখিল মাদ্রাসা কাম সাইক্লোন সেল্টারটির শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় ক্লাস করছেন। যে কোন সময় ধ্বসে পড়তে পারে ভবনটি। ১৯৯৩ সালে কারিতাস কর্তৃক নির্মিত ভবনটি আজ অত্যন্ত পরিত্যক্ত অবস্থা হলেও ঝুঁকির মুখে ক্লাস করতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের। ভবনটি এখনই পরিত্যক্ত করা না হলে যে কোন সময় অনেক বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে ৩৭৬ জন শিক্ষার্থীসহ শিক্ষকবৃন্দ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সাইক্লোন সেল্টারটির ২য় তলার নিচের অংশ ভেঙে ভেঙে পড়ে যাচ্ছে এবং সাথে সাথে রড বেরিয়ে গেছে। উপরে উঠার সিড়ির দু পাশে রেলিং না থাকায় উপরে উঠতে গিয়ে ঝুকির মধ্যে থাকতে হয় শিক্ষার্থী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে। তাছাড়া সিড়িটিও অত্যন্ত ঝুকির মধ্যে। মাদ্রাসাটির সুপার মাওলানা মাজেদ বলেন, “আমরা ছেলে মেয়েদের নিয়ে খুব ঝুঁকির মধ্যে আছি,আমাদের অন্য একটি ভবন থাকলেও সেটি ঝড়ের কবলে পড়ে ছাউনি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ায় সেখানেও ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা,বিগত দিনে অনেক পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হলেও এবং উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করলেও এর কোন সুরাহা হয়নি” মাদ্রাসাটির অন্যান্য শিক্ষকেরা বলেন, “এখনি ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা না করা হলে যে কোন সময় বিপদ ঘটতে পারে, সুতরাং যে কোন কল্যাণকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এলাকাবাসিরা জানান, “এটি একটি আশ্রয় কেন্দ্র হলেও এটা এখন দুর্ঘটনার স্থান হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে, সুতরাং এখনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ”।
