সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় লিগ্যাল এইড কার্যক্রম বিষয়ে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়৯০ দশক ছাত্রদল প্লাটফর্ম এর সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in België

hassinnaনিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ুর প্রভাবে যে অভিবাসন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে সেটি সমাধান করতে না পারলে আমরা এসজিডির লক্ষ্য অর্জন করতে পারব না। গত বছর প্যারিসে যে ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তা এখন বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

মঙ্গলবার মরক্কোর বাব ইগলিতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২২) উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন নামে পরিচিত কপ-২২-এর এই বৈঠকে বাংলাদেশসহ ১১৫টি দেশের ৮০জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং সিনিয়র মন্ত্রীরা অংশ নিয়েছেন।

এসময় তিনি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়নে জলবায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট অভিবাসন সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে আমরা যে অঙ্গীকার করেছি তা বাস্তবায়ন করতে না পারলে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। বিশ্বকে নিরাপদ করতে ও আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে আমাদের সমানভাবে দায়িত্ব নিয়ে অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ নিজস্ব তহবিল থেকে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে সর্বপ্রথম ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট গঠন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ের মতো জলবায়ু সম্পৃক্ত অধিক ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্য অর্জন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5987_1বিশেষ ডেস্ক: পুরুষের শার্টের বোতাম খোলা-লাগানোর ব্যবস্থা থাকে ডানদিকে আর নারীর শার্টে থাকে ঠিক তার উল্টো অর্থ্যাৎ বাঁমে। কিন্তু কেন এমন থাকে? এ ব্যাপারে বিভিন্ন তত্ত্ব প্রচলিত আছে। আছে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি। জেনে নিন এমন কিছু যুক্তি যা নিয়ে হয়ত কখনোই ভাবা হয়নি-

নেপোলিয়ান বোনাপার্টের যে কোনো ছবিতেই দেখা যায়, তার ডান হাত কোর্টের ভিতরে ঢোকানো। এটা তখনই হয়, যদি কোটের বোতাম বাঁদিক থেকে ডানদিকে খুলতে হয়। বলা হয়, মেয়েদের ডানহাতও নাকি সেভাবেই থাকত। যার জন্য অনেকেই নেপোলিয়ানকে নিয়ে হাসাহাসি করতেন। তা নেপোলিয়ানের কানেও গিয়েছিল। এর পর তাঁরই নির্দেশে মেয়েদের জামার বোতাম বাঁ-দিকে করে দেওয়া হয়।

পুরুষরা সাধারণত নিজের জামা নিজেই পরে এসেছেন। তা তিনি রাজা-মহারাজাই হোন, বা অতি সাধারণ কেউ। কিন্তু, সম্পন্ন পরিবারের মেয়েদের জন্য বাড়িতে দাসী থাকতেন। তাঁরাই জামা পরিয়ে দিতেন। যেহেতু সেই দাসীদের বেশির ভাগই ডানহাতি বলে ধরে নেওয়া যায়, তাদের সুবিধার জন্যই মেয়েদের জামার বোতাম বাঁদিকে রাখাই দস্তুর।

রাজাই হোক বা সেনানি, তাদের ডান হাতে ধরতে হয়েছে তলোয়ার। খালি বলতে বাঁ হাত। বাঁ হাতে বোতাম খোলাপরার সুবিধার জন্যই জামার বোতাম বসানো হত ডান দিকে।

আর নারীদের ক্ষেত্রে বাচ্চাকে যেহেতু বাঁদিকে ধরতে হয়, তাই ডান হাত খালি থাকে। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় ডান হাতে বোতাম খুলতে হয়। সেক্ষেত্রে বোতাম ডানদিকে থাকলে খুলতে কষ্ট হতো। তা মাথায় রেখেই বাঁদিকে বোতাম বসানো হয়।

পুরুষরা ঘোড়া নিয়ে ছুটলে রাস্তার বাঁদিক ঘেঁষেই যেতেন, যাতে ডান দিকে তলোয়ার চালাতে সুবিধা হয়। সেই তলোয়ার গোঁজা থাকত বাঁ-কোমরে। বের করার সময় তলোয়ার যাতে জামা বা কোটের বোতামের খাঁজে আটকে না যায়, তার জন্যই বোতাম বসানো হতো ডানদিকে। মেয়েরা যখন ঘোড়ায় চড়ত বা এখন বাইকে বসেন, দুটো পা-ই সাধারণত বাঁদিকে থাকে। শার্টের ভিতরে যাতে হাওয়া না ঢুকতে পারে, তার জন্যই বোতাম বসানো হয় বাঁদিকে।

আরো একটি তত্ত্ব হল, মেয়েরা যে পুরুষদের থেকে কোনও অংশে কম নন, তা বোঝানোর জন্যই পুরুষের মতো জামা পরেছেন। তার পরেও বৈচিত্র্যর কথা ভেবে পরিকল্পিতভাবেই মেয়েরা জামার বাঁদিকে বোতাম বসিয়েছেন।

দর্জিকে একসঙ্গে নারী-পুরুষের জামা বানাতে হত। পুরুষ ও নারীদের জামা যাতে মিশে না যায়, চট করে আলাদা করে নেওয়ার সুবিধার জন্যই এ ব্যবস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

6স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি বছর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে একটি ম্যাচেও হারেনি ব্রাজিল। আটটি ম্যাচে মাঠে নেমে ২টিতে ড্র করেছে। আর জিতেছে ছয়টিতে। সর্বশেষ আজ সকালে পেরুর বিপক্ষে জয় পেয়েছে ২-০ গোলে।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এটা তাদের টানা ষষ্ঠ জয়। আর পেরুর বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়। প্রথম দেখায় পেরুকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল সেলেকাওরা।

এ জয়ের ফলে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখল ব্রাজিল। ১২ ম্যাচের ৮টিতে জয়, ৩টিতে ড্র ও ১টিতে হার নিয়ে তাদের সংগ্রহ ২৭ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা উরুগুয়ের সংগ্রহ ২৩ পয়েন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

45-1স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে কলম্বিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। মেসি নিজে করেছেন একটি গোল। পরে লুকাস পাতো ও আনহেল দি মারিয়াকে দিয়ে করিয়েছেন আরো দুটি গোল। মেসির ছন্দে ফেরার দিনে আর্জেন্টিনাও লাতিন অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ফিরল সঠিক পথে।

চার দিন আগে বেলো হরিজন্তে খেলতে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচটিতে নেইমারের ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল আর্জেন্টাইনরা। এতে ব্যাকফুটে চলে যায় তারা। ব্রাজিলের ধাক্কা সামলে উঠতে মরিয়া মেসিরা আজ জয় পেয়েছে। কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কঠোর অনুশীলনও করেছিলেন মেসি-ডি মারিয়ারা। ফলও পেয়েছেন তাতে।

১৬ নভেম্বর বুধবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টায় কলম্বিয়ার মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটি তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অনেকটা বাঁচা-মরার ম্যাচ। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে হারলেই বিশ্বকাপের যোগ্যতা পর্ব থেকে একরকম ছিটকে যেতো মেসিরা! আগামী বিশ্বকাপের আসরে নিজেদের দেখতে কলিম্বয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এদগার্দো বাউজার দল।

এদিকে ইনজুরির কারণে জাতীয় দলের হয়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই ফিরেছেন তিনি। আজ রাজকীয় প্রত্যাবর্তন হলো মেসির!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

arrনিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১০ জন, কলারোয়া থানা থেকে ০৬ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে আটক করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক :

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে নবান্ন উৎসব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন, জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও সদর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিবর্গসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পিঠা উৎসবে অংশ নেয়। কবি জীবনানন্দ দাশ লিখেছেন, আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়/হয়তো মানুষ নয় হয়তো শঙ্খচিল শালিখের বেশে;/হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে। কবির এই বাংলায় আজ সেই দিন। অগ্রহায়ণ, নবান্ন উৎসব। শস্যভিত্তিক এই লোক উৎসবে আজ মেতে উঠবে পুরো বাংলা। নতুন ফসল ঘরে তোলা উপলক্ষে বাংলার কৃষকরা এই উৎসবটি পালন করে থাকে। বাড়ির আঙিনাগুলো আজ নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠবে। নতুন ধানের চাল দিয়ে তেরি হবে পিঠা, পায়েস, ক্ষীরসহ হরেক ধরনের খাবার। নবান্ন উৎসবের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি হিসেবে হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সদর উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন (সজল), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকি প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত সকল অতিথিদের মাঝে পিঠা প্রদান করা হয়। এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক পত্মী সেলিনা আফরোজ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক পত্মী সেলিনা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পত্মী শাহনাজ বুলবুল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পত্মী রঞ্জনা মন্ডল, এমপি পত্মী নাসরিন খান লিপি, শিক্ষক মঞ্জুরুল হক,তৃপ্তি মোহন মল্লিক, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, মনিরুজ্জামান মুন্নাসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য মুশফিকুর রহমান মিল্টন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

moniruzzaman
প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সব্যসাচী আবৃত্তি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা, আবৃত্তি শিল্পী, বিশিষ্ট ছোট গল্পকার ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মনিরুজ্জামান ছট্রু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দ্রুত রোগ মুক্তি কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন কবি শ্রভ্র আহমেদ, স.ম তুহিন, মন্ময় মনির, তুপ্তি মোহন মল্লিক, ছড়াকার নাজমুল হাসান, সরদার গিয়াস উদ্দিন, আমিনুর রশীদ, এম এ জলিল, হাফিজুর রহমান মাসুম, আব্দুর রহমান, দিলরোবা রোজ, মাহমুদ ইসলাম ও মর্নিং সান প্রি- ক্যডেট স্কুলের অধ্যক্ষ এবং সব্যসাচী আবৃত্তি সংসদের দপ্তর সম্পাদক শেখ আমিনুর রহমান কাজলসহ সহ বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

15-11-16-1
বাবুল আক্তার, পাইকগাছা: পাইকগাছার বেহাল ও জরাজীর্ণ রাস্তাটির নাম কেকচিবুনিয়া কেয়ারের রাস্তা। প্রভাবশালী ঘের মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রাস্তাটি লীজ ঘেরের ফাঁড়িতে পরিণত হয়েছে। জন দূর্ভোগ চরম সীমার নিচে। চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্র“তি উপেক্ষিত। জনপ্রতি সহ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গ্রামের হাজারও জনগণ। সরজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের বাসাখালী ওয়াপদা রাস্তা হতে হোগলারচক গ্রামের ভিতর দিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার কেকচিবুনিয়া কেয়ারের রাস্তা। ৮০ দশকের দিকে উপরে ১২ ফুট এবং তলদেশ ২৪ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট রাস্তাটি তৈরি হয়। তৈরির পর থেকে বাসাখালীর হোগলারচক, আমিরপুর, বাইনবাড়িয়া, কুমখালী সহ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার লোকজন চলাচল করত। কিন্তু ৯০ দশকের দিকে রাস্তাটির দু’পাশে গড়ে ওঠে প্রভাবশালীদের মৎস্য লীজ ঘের। বেহাল ও জরাজীর্ণ হয় রাস্তাটি। লীজ ঘেরের পানির তুফানে কেয়ারের রাস্তা ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে তলনিতে ঠেকেছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে রাস্তাটি এখন লীজ ঘেরের ফাঁড়িতে পরিণত হয়েছে। ফলে জন চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় অত্র এলাকাবাসীর দূর্ভোগ চরম সীমার নিচে পৌছে গেছে। প্রতিনিয়ত মৎস্য লীজ ঘেরের উপচে পড়া পানির আঘাতে কেয়ারের রাস্তাটি বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও নজরদারী না থাকায় যেমনি রাস্তাটির অস্তিত্ব সংকটে তেমন এলাকাবাসী সহ শিক্ষার্থীদের চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে অত্র এলাকার জনগণকে পাইকগাছা সদরে প্রায় ১০ কিলোমিটার বেশি গড়ইখালী নতুবা শুড়িখালী ঘুরে আসতে হচ্ছে। এতে যাতায়াত খরচও প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। কেয়ারের রাস্তার পাশে মফিজুল ইসলাম টাকু, গণি সানা, বিজন বাইন, প্রদীপ বাইন, জাকির সানা, নান্টু সরদার সহ একাধিক মৎস্য লীজ ঘের রয়েছে। ইউপি নির্বাচন সহ সকল নির্বাচনে প্রার্থীরা জয়ী হয়ে উক্ত রাস্তা সংস্কারের প্রতিশ্র“তি দিলেও নির্বাচন পরবর্তী আর ফিরে তাকায় না বলে অভিমত দিয়েছেন জনদূর্ভোগ কবলিত এলাকাবাসী। উক্ত ওয়ার্ডের সদস্য হান্নান গাজী বলেন, আমার নির্বাচনী ওয়াদা ছিল রাস্তা সংস্কারের। সে মোতাবেক আমি আন্দোলন করে যাচ্ছি। চেয়ারম্যানকে বারংবার বলছি। দেখা যাক কতদুর করতে পারি। ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস জানান, কয়েকবার কেয়ারের রাস্তাটি সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী ঘের মালিকরা লীজ ঘের থেকে পানি না সরানোর কারণে মাটি পাওয়া যায়নি। তাদের সাথে বারংবার আলোচনা হলেও সাড়া মেলেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest