সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার শিয়ালডাঙ্গায় বসতঘরে আগুন : ২ লক্ষ টাকার ক্ষতিদেবহাটায় তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ মানুষসাতক্ষীরায় সরকারি গোরস্থান বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধনখাস জমি উদ্ধার পূর্বক ভ‚মিহীনদের মধ্যে বন্টনের দাবিতে সভাবাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমরা আপোষহীন: জামায়াত নেতা ডাঃ তাহেরদেবহাটায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের সমাপনীইছামতি নদী থেকে জালে ধরা পড়লো বিশাল এক কচ্ছপসার্চ কমিটি বাতিলের দাবিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির বিক্ষোভসাতক্ষীরার পৌর এলাকায় শনিবার সকাল ৫টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবেতারেক রহমানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য ও সাইদুরের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ

imageভিন্ন স্বাদের সংবাদ: ফোনটা এসেছিল রাত এগারোটা নাগাদ। একটা রিং হতেই ডিউটি অফিসার তড়িঘড়ি রিসিভার তুলেছিলেন, ‘‘নমস্কার, কোতোয়ালি থানা…।’’
ফোনের ও প্রান্ত কিছুক্ষণ চুপ। তারপর জড়ানো গলায় ভেসে এল, ‘‘দু’টো দিশি আর এক প্যাকেট ডালমুট, পাঁচ মিনিটের মধ্যে।’’ বহরমপুর দমকলে ফোনটা এসেছিল আরও রাতে।
টেলিফোনের পাশে বসে খবরের কাগজটা উল্টেপাল্টে দেখছিলেন এক কর্মী। ফোনের ও প্রান্তে মহিলা কন্ঠ, ‘‘পুড়ে সব ছারখার হয়ে গেল। শিগ্‌গির আসুন।’’ দমকল কর্মীর গলায় ষোলো আনা উদ্বেগ, ‘‘কোথায় আগুন? এলাকাটা বলুন…।’’ উত্তর এল, ‘‘মনে আগুন লেগেছে। পারবেন নেভাতে?’’-আনন্দবাজার।
কৃষ্ণনগর জেলা সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসকের মোবাইলটা বেজে উঠেছিল রাত একটায়। এত রাতে ফোন? রোগীর অবস্থা কি খারাপ? ধড়মড়িয়ে উঠে ফোনটা রিসিভ করতেই ও প্রান্ত থেকে এক তরুণী জানতে চেয়েছিলেন, ‘‘প্রেম-জ্বরের ওষুধ মিলবে, ডাক্তার?’’এমন ফোনের গুঁতোয় দুই জেলা জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব।
পুলিশকর্মী গলা চড়িয়েছেন, ‘‘তোর কী করি দ্যাখ!’’ দমকলকর্মীর অনুনয়, ‘‘জরুরি নম্বর। এটাকে নিয়ে মজা করবেন না প্লিজ।’’ চিকিৎসকের দাওয়াই, ‘‘আপনার জন্য আরও বিপদে পড়তে পারে রোগী ও তাঁর বাড়ির লোকজন।’’ কিন্তু ওই পর্যন্তই! কাজের কাজ কিস্যু হয়নি।
কৃষ্ণনগরের জেলা হাসপাতালের দু’টি ক্যাম্পাসে একাধিক জায়গায় বোর্ড টাঙিয়ে প্রচার করা হয়েছে একটি মোবাইল নম্বর। চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্যই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে মাস কয়েক আগে। কিন্তু কাজের থেকে অকাজের ফোনই সেখানে বেশি আসছে বলে অভিযোগ।জেলা হাসপাতালের এক কর্তার আক্ষেপ, ‘‘মানুষ আর কবে সচেতন হবে বলুন তো?’’
পুলিশ ১০০, দমকল ১০১ এর মতো টোল ফ্রি নম্বরগুলোও চালু হয়েছিল নিখরচায় জরুরি পরিষেবা দেওয়ার জন্য। অথচ সেই সুবিধারও চূড়ান্ত অপব্যবহার করেছেন কিছু লোকজন। কিন্তু ফোনগুলো থানায় কিংবা দমকলে আসছে কী ভাবে?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টোল ফ্রি ১০০ নম্বর ডায়াল করলেই ফোন চলে যাওয়ার কথা স্থানীয় থানায়। যেহেতু ওই নম্বর টোল ফ্রি, তাই যে কেউই যখন তখন মোবাইল কিংবা ল্যান্ডফোন থেকে এ ভাবে ফোন করে বিরক্ত করছে। একই ভাবে ১০১ ডায়াল করলেই সেই ফোন যাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার দমকল দফতরে।
বহরমপুর থানার এক পুলিশকর্মী বলছেন, “ধরুন, প্রথম ফোনটা এল অমুক জায়গায় গোলমাল। ঠিক তার পরের ফোনটা এল পঞ্চাশ টাকা রিচার্জ করে দেওয়ার জন্য। কাজের সময় এ সব কারও ভাল লাগে?”
দিনকয়েক আগে করিমপুর দমকলে ফোন এসেছিল। রাতেই। না কোনও আবেদন-নিবেদন নয়। নিখাদ জরুরি গলায়, ‘‘ফায়ার স্টেশন? আগুন লেগেছে। তাড়াতাড়ি আসুন।’’ মুহূর্তে সেই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছিল দমকলের গা়ড়ি। কিন্তু কোথায় আগুন? দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে ছিল পাড়া।
অতএব পালে বাঘ পড়ার গল্প মাথায় রেখেও ছুটতে হচ্ছে পুলিশ কিংবা দমকলকে। দমকল ও পুলিশ কর্তাদের কথায়, ‘‘তাছাড়া উপায় কী বলুন? সত্যিই যদি বিপদ ঘটে যায় তার দায় কে নেবে?’’
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায় বলছেন, “হাসপাতালের এই ফোন নম্বরকে জীবনদায়ী নম্বর হিসাবেই ভাবা দরকার। সকলের কাছে আমাদের অনুরোধ এর অপব্যবহার করবেন না।’’
দমকল ও থানার ল্যান্ড নম্বরে কলার লাইন আইডেন্টিফিকেশন (সিএলআই) লাগানো থাকে। সেই নম্বরের সূত্র ধরেও কিছু কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এই প্রবণতা কমেনি। কিন্তু এমন ফোনের কারণ কী? নদিয়া জেলা পুলিশের এক কর্তা জানাচ্ছেন, কেউ ফোন করেন নিছক মজার জন্য। কেউ আবার বিব্রত করেই আনন্দ পান। কিন্তু তার পরিণতি যে কী হতে পারে, সে সম্পর্কে তাঁদের ন্যূনতম সচেতনতা থাকলে এমনটা তাঁরা করতেন না।
বহরমপুর দমকলের ওসি সুখেন সরকারও বলছেন, “থানা-পুলিশ করেও বিশেষ লাভ হয়নি। মানুষ সচেতন না হলে এই বদ অভ্যাস বন্ধ করা কঠিন।”
তবে মনোবিদরা এই প্রবণতাকে এত সহজে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মনস্তত্ত্ব বিভাগের প্রধান রঞ্জন ভট্টাচার্য জানাচ্ছেন, তিনটে কারণে মানুষ এমন ফোন করে থাকেন—

১) একাকীত্ব বা নিঃসঙ্গতা থেকে অনেকে ফোন করে থাকেন। এর পিছনে মানসিক অবসাদ অন্যতম কারণ।

২) কারও দেওয়া ভুল তথ্যের জেরে সোরগোল পড়ে গেল। তখন সেই মানুষটি আনন্দ পান এই ভেবে যে, তিনি গুরুত্ব পেলেন। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় নার্সিসিস্টিক পার্সোন্যালিটি ডিসঅর্ডার।

৩) অসামাজিক কারণেও অনেকে ফোন করে থাকেন।

রঞ্জনবাবু বলছেন, ‘‘উপযুক্ত চিকিৎসা ও সচেতনতাই এর একমাত্র দাওয়াই।’’ সেই ওষুধ যতদিন না পড়ছে ততদিন কে নেভাবে মনের আগুন?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

14364913_622051224631505_6318178349079637024_nস্বাস্থ্য ও জীবন: বাংলাদেশের অল্প কিছু এলাকায় লাইনের গ্যাস রয়েছে। বাকী সব এলাকার মানুষই এলপিজি বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করে রান্নার কাজে। এটি এখন একটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু একটু অসাবধানতার কারনেই ঘটতে পারে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরণের ফলে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, হতে পারে প্রাণহানি। তাই আমাদের সব সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

গ্যাস লিক হলে কী করবেন?
সিলিন্ডারের গ্যাস খুবই বাজে গন্ধযুক্ত। কোন অংশ লিক হলেই এই বাজে গন্ধ দ্রুত আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এমন উৎকট গন্ধ পেলেই সাবধান হয়ে যান। কোন প্রকার আগুন জ্বালানো যাবে না এই সময়। পাশাপাশি বাসার বিদ্যুৎ লাইনের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন। বাসার সকল দরজা, জানালা খুলে দিন যাতে বাতাস যাতায়াত করতে পারে। সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করুন এবং সেফটি ক্যাপ লাগান।

কীভাবে আগুন নেভাবেন?
যদি সিলিন্ডারে আগুন লাগে, আতঙ্কিত না হয়ে নেভানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। প্রথমে দ্রুত একটি সুতি কাপড় (লুঙ্গি জাতীয় কাপড়) দিয়ে পুরো সিলিন্ডারটি ঢেকে দিন। আগুন হাতে কিংবা শরীরে লাগবে না। তারপর দ্রুত রেগুলেটর ঘুরিয়ে সিলিন্ডারটি বন্ধ করে ফেলুন। দেখবেন আগুন নিভে যাবে।

শরীরে গ্যাস লাগলে
আর কিছু বিষয় জেনে রাখা খুবই প্রয়োজন। যদি সিলিন্ডারের গ্যাস শরীরের কোথাও লাগে তাহলে ওই স্থান ২০ মিনিট পানি দিয়ে ধুতে হবে। যদি কাপড়ে লাগে তাহলে ওই কাপড় দ্রুত খুলে ফেলতে হবে। চোখে লাগলে পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলতে হবে। আর যদি কোনভাবে শরীরে আগুন লেগে যায়, তাহলে শরীরের সব জামা-কাপড় খুলে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে। যতটা দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যেতে হবে। আগুনে পুড়ে যদি শরীরে ফোস্কা পড়ে তা ভুলেও তুলে ফেলবেন না। এতে ঐ স্থানে ইনফেকশন হতে পারে।

সাবধানতা অবলম্বন
সিলিন্ডারের গ্যাস বিস্ফোরণের ফলে মারাত্বক দূর্ঘটনা হতে পারে। তাই নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে সিলিন্ডার লিক হচ্ছে কি না। এই পরীক্ষা করার জন্য পানিতে সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে ফেনা তৈরি করুন। এই ফেনা রেগুলেটর, হোস পাইপ, ভাল্ব ইত্যাদিতে লাগান। যদি কোন স্থানে সাবান পানির ফোঁটা বড় হতে দেখা যায় তাহলে বুঝবেন ঐ স্থান লিক হয়ে গ্যাস বের হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে তখন। সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণ রোধে আপনাকে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। কখনো গ্যাসের চুলায় রান্না তুলে দিয়ে অন্যত্র যাবেন না। খাবারে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। রান্নার সময় আপনার পড়নের কাপড়ের দিকেও সাবধান দৃষ্টি রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ম্যানচেস্টারে বাংলাদেশি ইমাম জালাল উদ্দিনকে হত্যায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। দণ্ডিত মোহাম্মেদ হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে ইমামকে হত্যায় সহযোগিতার প্রমাণ মিলেছে। রোগ নিরাময় ও নানা সমস্যা সমাধানে তাবিজ দেওয়ায় ৭১ বছর বয়সী এই ইমামকে হত্যা করা হয় বলে আদালতের রায়ে উঠে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের পিছনে আইএসের আদর্শ কাজ করেছে বলে এতে বলা হয়।
গত ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যায় ম্যানচেস্টারের রচডেলের একটি শিশু পার্কে হামলার শিকার হন জালাল উদ্দিন। তার মাথা ও মুখে একাধিক জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়।
আদালতে বলা হয়, নামাজ আদায়ের পর মসজিদ থেকে এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খেয়ে হেঁটে বাসায় ফেরার পথে ওই ইমামের ওপর হামলা হয়।
প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে রচডেলে যাওয়া ইমাম জালাল উদ্দিন অসুস্থতা ও অশুভকে তাড়াতে ইসলামী পন্থায় তাবিজ দিয়ে ওই এলাকায় বেশ পরিচিত হয়ে ওঠেন।
কিন্তু এই তাবিজ সংক্রান্ত বিষয়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেই তার ওপর হামলা হয় বলে জানানো হয় প্রসিকিউশনের ভাষ্যে। বলা হয় ২১ বছর বয়স্ক মোহাম্মদ হোসেন সাঈদী ও ২৪ বছরের আব্দুল কাদির তার ওপর হামলা চালায়। হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পর যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে তুরস্কে যান কাদির। পরে সেখান থেকে তিনি সিরিয়া যান বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।
দণ্ডিত মোহাম্মদ সাঈদীর বিরুদ্ধে ইমামকে হত্যায় সহযোগিতার প্রমাণ মিলেছে এবং তাকে ন্যূনতম ২৪ বছর সাজা ভোগ করতে হবে জানানো হয়। নিহত জালাল উদ্দিনের পারিবারিক বন্ধু হারাস রফিক বলেন, ”এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে যুক্তরাজ্য এবং পুরো পৃথিবী জুড়ে এ মুহূর্তে ইসলামের ভেতরেই যেন একটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যারা আধ্যাত্মিক পন্থায় তাবিজের মাধ্যমে মানুষের রোগ সারায় তাদের একশ্রেণীর মানুষ অপছন্দ করতে শুরু করেছে। এদেরকে তারা প্রকৃত মুসলিম বলে মনে করছে না।”
প্রসিকিউটর আদালতে বলেন, “জালাল উদ্দিন রোগ সারাতে যে ইসলামি পন্থা চর্চা করতেন আইএস সেটাকে ‘ব্ল্যাক ম্যাজিক’ হিসেবে দেখে এবং তারা মনে করে, যারা এর চর্চা করে তাদের কঠিন শাস্তি, এমনকি মৃত্যু প্রাপ্য।”
ঘটনার পর গোয়েন্দারা সাঈদীকে তার রচডেলের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর তার মোবাইলে জালাল উদ্দিনের মৃত্যুর দৃশ্য পান। এ সময় তার বাসা থেকে আইএসের প্রচারের অনেক কিছু উদ্ধার করা হয়। আদালতে উপস্থাপিত একটি ছবিতে জালালিয়া মসজিদের বাইরে আইএসের পতাকার মতো একটি পতাকা ধরে সাঈদীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

e0a686স্বাস্থ্য ও জীবন: আদা ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর ভাবাই যায় না। সুস্বাদু রান্নার জন্য রান্না ঘরে আদা চাই-ই চাই। কিন্তু আদা শুধু খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়ায় না, এক টুকরো আদা পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়িয়ে জীবনও বদলে দিতে পারে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না তো! তাহলে দেরি কেন আসুন প্রতিবেদন পড়ে জেনে নেই নিয়মিত আদা খেলে কি হয়?
* নিয়মিত আদা খেলে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ে। সহজেই স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে আদা।
* প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে ভরপুর আদা। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাস করলে ছোটখাটো অনেক রোগের হাত থেকেই মুক্তি মেলে।
* দুর্বল লাগছে? কারণ, যাই হোক এক টুকরো আদা খেয়ে নিন। অনেকটা শক্তি পাবেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, জানুন দুর্বলতার কারণ।
* অম্বলের কারণে বুক জ্বলার সমস্যা? ২ কাপ জলে এক টুকরো ছেঁচে গরম করে চায়ের মতো তৈরি করে পান করুন।
* বমিভাব বা বমি হচ্ছে? আদা কুচি চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পাবেন।
* আদার রস ব্যথা কমাতেও ওষুধের মতো কাজ করে। যেখানে আঘাত সেখানে লাগাতে পারেন আদার রস। এমনকি আদার রস পান করলেও ব্যথা কমে।
* ক্ষুধামান্দ্যে ভুগছেন? তা হলে চিবিয়ে অথবা রস করে আগে আদা খেয়ে নিন। আধা ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষুধামান্দ্য দূর হবে এবং খাবারে রুচি ফিরবে।
* গলা খুশখুশ কমাতেও উপকারী আদা। ঠান্ডা লেগে কাশি হলেও আদা গলা স্বাভাবিক রাখতে কাজে লাগে।
* আদা হজমের সমস্যায় খুব ভাল কাজ করে। প্রতিদিন সকালে এক কাপ আদা-চা পান করলে গোটা দিন অম্বল বা হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন আপনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

14322328_621969441306350_3402963400386701767_nডেস্ক রিপোর্ট: ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের বাসিন্দা সিমোন ও’ কানে। পেশায় টেলিকম ইঞ্জিনিয়ার। স্ত্রীর নাম লিয়েন্ড্রা। আর নিজের স্ত্রীকে নিয়েই অদ্ভুত এক ঘটনার জন্ম দিলেন সিমোন।
অনলাইনে রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে জানালেন, স্ত্রীকে বিক্রি করে দিবেন। বিজ্ঞাপনের ভাষাটিও অন্যরকম। যেখানে লেখা হয়েছে- নাম- লিয়েন্ড্রা। বয়স- ২৭। স্ট্যাটাস- ব্যবহৃত স্ত্রী। তবে এখনও তার মধ্যে অনেক কিছু বাকি রয়েছে। ভালো গুণ- রান্না ভালোই পারেন। তবে অনেক সময় তা খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। খারাপ গুণ- কোনো জিনিস চাইলে তা না পাওয়া পর্যন্ত শান্ত হন না।
বিক্রির কারণ- স্ত্রীকে নিয়ে আমি সম্পৃক্ত। এবারে তার জীবনে অন্য কেউ আসা প্রয়োজন। শর্ত- একবার কিনে নিলে তা আর ফেরত নেয়া হবে না। অনলাইনে এমন বিজ্ঞাপন দেখে চমকে উঠেছেন অনেকে। অনেকে আবার আহ্লাদে আমোদিত কিন্তু কেন এমন কাণ্ড ঘটালেন সিমোন? অভিযোগ, স্ত্রীর জ্বালায় নাকি ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তিতে থাকতে পারেন না। অফিস থেকে রোজ ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরতেন।
আর বাড়িতে পা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লিয়েন্ড্রা চিৎকার জুড়ে দিতেন। যে কোনো ছোটখাটো বিষয় নিয়েই চিৎকার-চেঁচামেচি জুড়ে দেন। দিন কয়েক আগেও এমন ঘটনার পর ভয়ঙ্কর বিরক্তিতেই নাকি এই কু-বুদ্ধিটা মাথায় খেলে। দেরি না করে অনলাইন কেনাবেচার সাইটে বউ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে দেন।
একবার হাতবদল হলে তা যে আর ফেরত নেয়া হবে না সে শর্তও খোলসা করে লিখে দেন। বিস্ময়কর ভাবে সত্যি সত্যিই বেশ সাড়া মেলে বিজ্ঞাপনে। ‘ইচ্ছুক’ বেশ কয়েকজন সিমোনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মাত্র দুদিনের মধ্যে দরাদরিতে ‘দাম’ ওঠে ৫৮ লাখ ১১ হাজার ৮৯ টাকা!
ইতিমধ্যেই বিজ্ঞাপনটি নজরে পড়ে যায় অনলাইন সংস্থাটির। সঙ্গে সঙ্গে বাদ দিয়েও দেয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে যায়। স্বামীর এই কীর্তিতে কর্মক্ষেত্রে চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় লিয়েন্ড্রাকে।
প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত, দুই সন্তানের মা, লিয়েন্ড্রা বলছেন, ‘আমাকে শুধু বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে তাই নয়, আমার খুব বাজে একটা ছবিও আপলোড করেছে। ওকে আমার খুন করে ফেলতে ইচ্ছে করছিল।’ আর এত কাণ্ড ঘটালেন যিনি, সেই সিমোনের বক্তব্য, নেহাত মজা করেই তিনি নাকি এসব করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7ডেস্ক রিপোর্ট: মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১২ সালে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ইলিয়ট ট্রুডোকে মরণোত্তর ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’-য় ভূষিত করা হয়। দীর্ঘদিন পর বাবার সম্মাননা পুরস্কারটি জাস্টিন ট্রুডোর হাতে তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এসময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী একেএম মোজাম্মেল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
মন্ট্রিয়লে পঞ্চম বৈশ্বিক তহবিল পুনর্গঠন সম্মেলনে যোগদানের জন্য বর্তমানে উত্তর আমেরিকার দেশটিতে সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মাননা হস্তান্তরের পর পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের কাছে ব্রিফিংয়ে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসময় বলেন, মহান মুক্তির সংগ্রামের দিনগুলোতে বিশ্বের গুটিকয় বিশ্বনেতা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, ট্রুডো ছিলেন তাদের অন্যতম।
“পিয়েরে ট্রুডো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলেছেন. আর কানাডা ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম কয়েকটি দেশের একটি, এসময় স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।
এছাড়াও জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের পক্ষে পিয়েরে ট্রুডোর সরাসরি অবস্থান গ্রহণের কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী এসময় কানাডার সকল নাগরিকের সুখী আনন্দময় জীবন প্রত্যাশা করেন। এবং জাস্টিন ট্রুডোর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তিনি আরও প্রত্যাশা করেন দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বের সম্পর্ক দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পাবে।
এর আগে শেখ হাসিনা ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিয়লের হায়াত রিজেন্সিতে অনুষ্ঠেয় রিপ্লেসমেন্ট সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে বিকেলে একই হোটেলে অন্যান্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে সম্মেলনের মিনিস্ট্রিয়াল প্লেজিং মোমেন্টের আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় অংশ নেন তিনি।
হায়াত রিজেন্সি মন্ট্রিয়লে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর কানাডার প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্ব তহবিলের নির্বাহী পরিচালক মার্ক দাইবালের সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় দিনের সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
একই দিনে ‘রিমোভিং বেরিয়ার্স টু হেলথ থ্রো এম্পাওয়ারিং উইমেন অ্যান্ড গার্লস অ্যান্ড রিচিং দ্য মোস্ট মার্জিনালাইজড’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা-১ এবং ‘এনগেজিং অ্যান্ড মোবিলাইজিং ইয়ুথ টু মিট দ্য সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা-২-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী ও কানাডার গভর্নর জেনারেল ডেভিড জনস্টনের যৌথ আয়োজনে আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্ন ভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1474035075ডেস্ক রিপোর্ট: স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় রাজধানী ঢাকার বেশির ভাগ রাজপথ। তারপর সেই পানিবন্দি রাজপথের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে পোস্ট করি আমরা। সেই সঙ্গে অনুন্নত দেশের সেবার মান আর অব্যবস্থাপনার জন্য হা-হুতাশ করি।

তবে এবার হা হুতাশ করছেন বিশ্বের উন্নততম দেশ যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের বাসিন্দারা। কারণ প্রবল বৃষ্টির কারণে তাঁদের রাজপথও তলিয়ে গেছে পানিতে। আর সেই পানিবন্দি শহরের ছবি ফেসবুক বা টুইটারে পোস্ট করে তাঁরাও হতাশা প্রকাশ করছেন।

হাফিংটন পোস্ট জানায়, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় মধ্যরাত থেকেই প্রবল বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয় উত্তর লন্ডনে। আজ শুক্রবার সকাল নাগাদ সেই বৃষ্টির কারণে ডুবে যায় শহরের বেশির ভাগ রাস্তা। জমে থাকা পানির কারণে ট্রেন ও টিউবগুলোর শিডিউলে বিপর্যয় ঘটে। ফলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাবে বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হয়।

আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের গণমাধ্যম স্ট্যান্ডার্ড ডট সিও ডট ইউকে জানিয়েছে, কিছু কিছু এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শহরের বহু রাস্তায় পানি ভেঙেই চলতে দেখা গেছে বেশ কিছু ব্যক্তিগত যানবাহনকে। আবার সাউথ হ্যারোর নর্থহল্ট রোডের অবস্থা এমন ছিল যে সেটি পুরোটাই পানিতে তলিয়ে ছিল। হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির কারণে ভেঙে পড়ে নিষ্কাশনব্যবস্থা।

এসব রাস্তার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে কেউ কেউ সেখানে সুইমিং পুল তৈরি হয়েছে বলে ঠাট্টাও করেছেন।

আবহাওয়া অফিস আরো জানিয়েছে, মধ্য লন্ডন ও দক্ষিণ-পূর্ব লন্ডনেও আবহাওয়ার এমন বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া অফিসের একজন মুখপাত্র স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, এসব এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাতের বিষয়ে আগে থেকেই সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন তাঁরা। গোটা লন্ডনে নয়, তবে কিছু কিছু স্থানে এমন প্রবল বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1474027266ডেস্ক রিপোর্ট: ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নৃশংসতা থেকে বেঁচে যাওয়া নাদিয়া মুরাদ জাতিসংঘের মানবপাচার বিষয়ক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে মানবপাচারের ভয়াবহতা নিয়ে  মানুষকে সতর্ক করবেন তিনি।
২০১৪ সালে নাদিয়ার বয়স যখন ১৯ বছর, তখন ইরাকে আইএস তাঁদের গ্রাম দখল করে নেয়। অমুসলিম ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের নারী হিসেবে তাঁকেও আইএসের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। নিজের চোখের সামনেই বাবা ও ভাইকে হত্যা হতে দেখেছেন। আইএসের কাছে তিন মাস বন্দি থাকা অবস্থায় তাঁকে নির্যাতন ও বেশ কয়েকবার ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে। যখন তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তখন জ্ঞান হারানোর আগ পর্যন্ত তাঁকে ছয় ব্যক্তি ধর্ষণ করে।
নাদিয়া শেষ পর্যন্ত আইএসের কাছ থেকে পালাতে সক্ষম হন। এরপর তিনি জার্মানিতে আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেই তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন।
দুই বছর পর বর্বর ওই নির্যাতনের শিকার হওয়া নাদিয়া আজ জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত। আজ শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, ‘রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় নাদিয়া মানবপাচার বন্ধ এবং পাচারের শিকারদের সীমাহীন দুর্দশার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করবেন।’
এর আগে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় নাদিয়া তাঁর জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
নাদিয়ার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, তিনি এখন গণহত্যা, নির্যাতন ও  মানবপাচার থেকে নারী ও শিশুদের রক্ষা করে তাদের জীবন গড়ায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় নিয়েছেন। জাতিসংঘে তাঁর বর্তমান অবস্থান তাঁকে এ লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest