অনলাইন ডেস্ক: পুষ্টিতে ভরপুর পালং শাক নিয়মিত রাখা চাই খাদ্য তালিকায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। ভিটামিন এ, বি২, সি, ই, কে, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, কপার ও প্রোটিন পাবেন এই একটি শাক থেকেই।
পালং শাক খেতে পারেন রান্না করে। আবার সালাদ, স্যুপ অথবা জুস করেও খাওয়া যায় মজাদার এই শাক। জেনে নিন সুস্থতার জন্য পালং শাক কেন জরুরি-
- ফ্যাট ও কোলেস্টেরল মুক্ত পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন যা শারীরিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি চুল, নখ ও ত্বকও ভালো রাখে।
- পালং শাকে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা ব্রেনের সুস্থতায় কাজ করে।
- পালং শাকে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও বেটা ক্যারোটিন হৃদযন্ত্রকে রোগমুক্ত রাখে।
- পালং শাকে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান লিভার সুস্থ রাখে।
- পালং শাক ভিটামিন সি এর চমৎকার উৎস। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- ভিটামিন কে হাড়ে শক্তিশালী রাখে।
- চোখের সুস্থতায়ও পালং শাক অতুলনীয়।
- পালং শাকে থাকা পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
তথ্য: বোল্ডস্কাই

অনলাইন ডেস্ক: ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসর শুরু হলেও বৃষ্টির কারণে সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বরের ম্যাচগুলোকে আগের সূচির ফাঁকা স্থানে বিন্যাস করা হয়েছে।
স্পোর্টস ডেস্ক: শেষ ধাপের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে মুস্তাফিজুরের। গত ১ নভেম্বর থেকে তিনি বোলিং শুরু করেছেন। রোববার তৃতীয় দিনের মতো বোলিং করেছেন এই কাটার মাস্টার।
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। রবিবার এক টুইট বার্তায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এ উদ্বেগের কথা জানান।
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান, দেশবরেণ্য শিশু চিকিৎসক ও সমাজসেবক জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের মরদেহ ঢাকা থেকে যশোর হয়ে সাতক্ষীরায় এসে পৌঁছেছে। আর কিছুক্ষণ পর সকাল ১০টায় তার নামাযে জানাযা রসুলপুর ফুটবল মাঠ তথা রসুলপুর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল তদন্তে কোনো অপরাধের প্রমাণ পায়নি দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই)।
‘বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা, নয়নের অঙ্গ যেমন নয়নের পাতা’। মাত্র কিছুদিন আগে নিজের জীবন চরিতে একথা লিখবার পর তিনিই বলেছেন ‘ কানাডা থেকে মেয়ে ডাকে , ডাকে নাতি নাতনিরা । সে সময় কই যে বিশ্রাম নেবো। বিশ্রাম নেবো একবারই। শেষ বিশ্রামের জায়গাটিও যে তৈরি হয়ে আছে’। একজন সফল মানুষের এই অভিব্যক্তি আমাদের কর্তব্য কাজের শিক্ষা দেয়। শিক্ষক হিসাবে তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন শিশুদের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসার। ‘আজকের দিনের শিক্ষকরা যেমন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের একগাদা বই চাপিয়ে দিয়ে বাড়িতে পড়ে সব লেখা ও পড়ার কাজ শেষ করে আসার তাগিদ দেন। আমাদের সময়ে বই ছিল কম। সন্ধ্যায় পড়ালেখা। সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে পড়ালেখা। এরপর দিবাভাগে স্কুলে শিক্ষকদের সান্নিধ্যে, বাকি সময় কেটেছে খেলাধুলা আনন্দ ফুর্তি করে। এতেই আমাদের লেখাপড়া হয়ে যেতো। এখন তার উপদেশ ‘ শিশুদের পিঠের ভারি ব্যাগ নামিয়ে নিন। অল্প সংখ্যক বই দিন , ওদের রিক্রিয়েশনের সুযোগ দিন । ওরা সুস্থ থাকবে’। বইয়ের ভারে ওদের কুঁজো করে ফেলবেন না।
