পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপিজিপি প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সকালে গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, সহকারী কৃষি উন্নয়ন অফিসার আহম্মদ আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ শেখ জাকির হোসেন লিটন, প্যানেল চেয়ারম্যান-২ জগন্নাথ দেবনাথ, সদস্য আব্দুল হাকিম, মোঃ জবেদ আলী গাজী, মনিরা বেগম, সুফিয়া বেগম, শহিদুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য সঞ্জয় সরকার, ভক্ত মন্ডল, আলেয়া বেগম, তহমিনা বেগম, রেজাউল ইসলাম, মাহফুজুল হক, আলাউদ্দিন সরদার, পূর্ণিমা ঘোষ, আবুল কালাম আজাদ, বিবেক ধর, মোবারেক ঢালী, পলাশ ঘোষ, সুরজিত রায়, তারক মন্ডল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

west-indies-bangladesh-cric
পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মালেক (৪২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার চরমলই গ্রামের মৃত আলী আহম্মেদের ছেলে। জানা গেছে, শনিবার সকালে মালেক বাড়ীর পাশে গাছের ডালপালা কাটার সময় অসাবধানতা বশতঃ বিদ্যুতের তারের সাথে স্পৃষ্ট হয়ে আহত হলে মূমুর্ষ অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

22-10-16-1
পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী, শ্যালকসহ ৪জন আটক। এ ঘটনায় থানায় মামলা। আসামীদের পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে। থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারী সদ্য এলপিআর-এ যাওয়া আশাশুনির মৃত আজিজ সানার ছেলে রেজাউল ইসলাম (৫৮) শুক্রবার সকালে স্ত্রী পলিকে নিয়ে পাইকগাছা পৌরসভার ভাড়াটে বাসা থেকে মালামাল নিয়ে গদাইপুরের মেলেকপুরাইকাটিস্থ নতুন বাড়িতে ওঠে। বিকেলে নতুন বাড়িতে ওঠার পর অচেতন অবস্থায় রেজাউলকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃত দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার পিরোজপুরের হারুন আল-কবির সানা বাদী হয়ে জায়গা-জমি, দাম্পত্য কলহ ও পেনশনের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রেজাউলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে স্ত্রী পলি বেগম, শ্যালক রনি, দু’ভ্যান চালক জাহাঙ্গীর ও মফিজুলকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। যার নং- ১৯, তাং- ২১/১০/২০১৬। ওসি মারুফ আহম্মদ জানান, ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রত্যেকের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

imranডেস্ক রিপোর্ট:পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির আদালত।

পাকিস্তান টেলিভিশন (পিটিভি) কার্যালয়ে হামলা চালানোর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ইমরানসহ মোট ৭০ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালত অনেক দিন আগেই তাদের গ্রেফতার করতে বলার পরও পুলিশ এতদিন কেন ওই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে পারেনি সে প্রশ্ন তুলে পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনাও করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এরপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আবারও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

কেন গ্রেফতারের নির্দেশ
আর্থিক কেলেঙ্কারিতে পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নাম জড়ানোর ফলে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল ইমরান খানের দল পিটিআই এবং তাহিরুল কাদরির দল পাকিস্তান আওয়ামী তেহরিক (পিএটি)। সেসময় ইসলামাবাদে তুমুল বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

২০১৪ সালে আন্দোলন চলার সময় পাকিস্তান সচিবালয়ের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পাকিস্তান টেলিভিশনের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। ওই সময় পিটিভি’র কর্মীদের অফিস থেকে বের করে দেয়ার ফলে কিছুক্ষণের জন্য পিটিভি নিউজ ও পিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচারও বন্ধ হয়ে যায়।

ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাতেই ইমরান খান, তাহিরুল কাদরিসহ মোট ৭০ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয় পাকিস্তানের আদালত। কিন্তু দীর্ঘদিন কেটে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ইমরান খান, তাহিরুল কাদরি এবং আরও ৬৮ জনকে গ্রেফতার করতে হবে। ওইদিন তাদেরকে আদালতে হাজির করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিsakib5পোর্ট: সাকিব আল হাসানের পাঁচ উইকেট শিকারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জয়ের আশা জাগালেও তৃতীয় দিনশেষে শঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৮ রানে সফরকারীদের ৮ উইকেট তুলে নিয়েছে টাইগার বোলাররা। তবে ২ উইকেট হাতে রেখে ইংলিশদের লিড দাঁড়িয়েছে ২৭৩ রানে।

ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে করা ২৯৩ রানের জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৪৮ রানে। ২৭৩ রানের লিড নিয়ে ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন ক্রিস উকস ও স্টুয়ার্ট ব্রড।

তৃতীয় দিনের শুরুতে ব্যাট হাতে বাংলাদেশ ধসে পড়লেও বল হাতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। শুরুতেই ইংলিশদের দ্বিতীয় ইনিংসের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেয় তারা।

৪৫ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। সফরকারীদের বিপর্যয়ের শুরু প্রথম ইনিংসের নায়ক অভিষিক্ত মেহেদী হাসান মিরাজ।

অধিনায়ক কুককে ফেরান মিরাজ। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়ার আগে কুক করেন ১২ রান। তিন নম্বরে নামা জো রুটকে এলবির ফাঁদে ফেলে দ্রুতই ফিরিয়ে দেন সাকিব।

আর এই উইকেটের মধ্য দিয়ে সাদা পোশাকে ১৫০ উইকেট স্পর্শ করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিবের দ্বিতীয় শিকারে সাজঘরে ফেরেন বেন ডাকেট। মুমিনুল হকের তালুবন্দি হন ১৫ রান করা ইংলিশ ওপেনার।

৬২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা ইংল্যান্ড ইনিংসে প্রাণ ফেরান বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্ট্রো। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৭ রান তুলে খাদের কিনারা থেকে দলকে উদ্ধার করেন তারা। বাংলাদেশের সামনে দেয়া হয়ে দাঁড়ানো এই জুটি ভাঙেন কামরুল ইসলাম রাব্বী। বেয়ারস্ট্রোকে(৪৭) সরাসরি বোল্ড করে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট উইকেট তুলে নেন তিনি। এরপর স্টোকসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব। ফেরার আগে দল বাঁচানো ৮৫ রানের মহামূল্যবান ইনিংস খেলেন তিনি।

স্টোকসের পর আদিল রশিদকে আউট করে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৫তম বার ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। দিনশেষে সাকিবের  বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৭৯ রানে ৫ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
Diet soda

Diet soda

ডেস্ক রিপোর্ট: অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়া বা ডায়াবেটিসের ভয়ে পছন্দের চিনিযুক্ত কোমল পানীয়টি ছেড়ে চিনিমুক্ত বিকল্পটি বেছে নেন। তাদের অনেকেই মনে করেন, এতেই ডায়াবেটিস ও স্থূলতা থেকে অনেকটা বেঁচে যাওয়া সম্ভব।

কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, এই ‘ডায়েট’ পানীয় তার চিনিযুক্ত জাতভাইয়ের মতো একইরকম ক্ষতিকর। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন এই পানীয় মাত্র দু’গ্লাস করে পান করলেই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ডায়েট কোক, ডায়েট পেপসি, ফ্যান্টা জিরোর মতো ক্যালরিবিহীন কোমল পানীয়গুলো মানুষকে আরও ক্ষুধার্ত করে তোলে; যার ফলে মানুষ আরও বেশি চিনিযুক্ত স্ন্যাক্স খেতে অস্থির হয়ে উঠে।

আরও সন্দেহ করা হচ্ছে, আর্টিফিশিয়াল সুইটনার বা কৃত্রিম উপায়ে খাবার মিষ্টি করার উপাদানগুলো পাকস্থলিতে থাকা উপকারি ব্যাক্টেরিয়ার কার্যকলাপ ব্যাহত করে। এ কারণে মানবদেহে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইন্সটিটিউটের প্রধান গবেষক জোসেফিন লফেনবর্গ বলেন, ডায়েট পানীয় ‘ক্ষুধাকে ত্বরান্বিত করে’, যার ফলে ওজন

বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এছাড়া আর্টিফিশিয়াল সুইটনার দেহের ফ্যাট টিস্যু ও পাকস্থলির ব্যাক্টেরিয়ার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে। এর ফলে মানবদেহের গ্লুকোজ সহ্য করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা ‘টাইপ টু’ ডায়াবেটিসের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের গবেষণাদলটি ২ হাজার ৮৭৪ জন ব্যক্তির ওপর পরীক্ষা চালান। গবেষণার জন্য এক বছর ধরে তাদের পানীয় গ্রহণের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, যারা দিনে দুই বা তার চেয়ে বেশি মিষ্টি পানীয় গ্রহণ করেছেন তাদের মধ্যে ‘টাইপ টু’ ডায়াবেটিস হওয়ার প্রবণতা অন্যদের থেকে প্রায় আড়াই (২.৪) গুণ বেশি। এই পানীয়ের মধ্যে রয়েছে চিনিযুক্ত প্রচলিত কোমল পানীয় এবং ডায়েট কোকের মতো কৃত্রিমভাবে মিষ্টি পানীয়।

অন্যদিকে, দিনে ৫টি বা তার বেশি চিনিমুক্ত কোমল পানীয় এ ধরণের ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে সাড়ে ৪ গুণ।

গবেষণাটি থেকে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এসেছেন, কৃত্রিম উপায়ে মিষ্টি পানীয় চিনিযুক্ত পানীয়ের মতোই ক্ষতিকর। কেননা, প্রতিদিন ২শ’ এমএল চিনিযুক্ত পানীয় পান ‘টাইপ টু’ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২১ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। আর ডায়েট পানীয়ের ক্ষেত্রে তা ১৮ শতাংশ।

‘ইউরোপিয়ান জার্নাল অব এন্ডোক্রাইনোলজি’তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

pmডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে এখন পুরোপুরি দারিদ্রমুক্ত করতে চাই। আগে দেশে দারিদ্রের হার ছিলো ৯৭ ভাগ, আজ আমরা সেটাকে ২২ ভাগে নামিয়ে এনেছি। এমন পর্যায়ে দেশকে নিয়ে যেতে চাই যে সেখানে দরিদ্র বলে কেউ থাকবে না। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১৪৬৬ ডলার। এই আয় এত বাড়াবো যেন এদেশে আর কেউ কখনো দরিদ্র না হয়।’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলে।

এসময় তিনি আরো বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীদের আমি আহবান জানাবো, আপনারা স্ব স্ব এলাকায় কতজন নি:স্ব-রিক্ত মানুষ আছে তাদের তালিকা দিন। আমরা তাদের জন্য বিনা পয়সায় ঘর করে দিবো। তাদের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের। বাংলাদেশ থেকে আমরা পুষ্টিহীনতা দূর করবো। সমগ্র দেশের মানুষ সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয় সেই চেষ্টা করবো। সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করবো।’

অতীতের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাচীনতম সংগঠনগুলোর একটি আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের জন্যই আজ আমরা বাঙালি হিসেবে পরিচয় পেয়েছি। বাংলা ভাষায় কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। আওয়ামী লীগই বাংলার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এই অর্জন এনে দিয়েছে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর ছয় দফা, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ। সব সমস্যার মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে মুক্তি এনে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।’

“এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। বাংলার মানুষ তার কথা মেনে নিয়েছিলো। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেরই মিত্র শক্তির কাছে পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পন করেই। সবাই সহযোগিতা করেছিলো বলেই বিজয় অর্জন সহজ হয়েছিলো। ৮১ সালে আমাকে সভানেত্রী নির্বাচিত করে আওয়ামী লীগ। জনসমর্থনে আমি দেশে ফিরে আসি। আমি আওয়ামী লীগের কাছে কৃতজ্ঞ। দেশে ফিরে সেই সময় দেশের আনাচে কানাচে আমি ঘুরে বেড়াই। আমি দেখেছি মানুষ না খেয়ে থাকে। কুড়েঘরে থাকে। বাবার কাছে যে শিক্ষা আমি পেয়েছিলাম, সেই শিক্ষা নিয়েই আমি কাজ শুরু করি। গ্রামের মানুষের ভালোবাসাই আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে মায়ের স্নেহ, বাবার স্নেহ, ভাইয়ের স্নেহ।”

আওয়ামী লীগের বর্তমান কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একটি মানুষও যেন না খেয়ে না থাকে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। অবকাঠামোগত উন্নয়নের ব্যাপক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি আমরা। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে মাইক্রোক্রেডিট নয় মাইক্রো সেভিংস কার্যক্রম শুরু করছি। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন না। বিনা জামানতে ২ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারছে যুবকরা। যেন তারা কিছু করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। দেশব্যাপি ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। কৃষিকাজকে যান্ত্রিকীকরণ করছি যেন আবার সবাই কৃষিতে ফিরে। নারী অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।  প্রতিটি নির্বাচনে নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছি। বাংলাদেশই বিশ্বের একমাত্র সংসদ যেখানে স্পিকার, দলীয় প্রধান, বিরোধী দলীয় প্রধান নারী।’

ভবিষ্যতের স্বপ্নের কথা তুলে তিনি বলেন, ‘দ্রুত পদক্ষেপের কারণে দেশে ৭ ভাগ থেকে বনায়ন ১৩ ভাগে উন্নয়ন করা হয়েছে। সেটাকে বিশ ভাগে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ হবে। বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ দেশ হবে। সেজন্য বলেছি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এই ভূখণ্ড কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে পারবে না। দক্ষিণ এশিয়া হবে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন। সেটাই হবে বাংলাদেশও। তাই উন্নয়ন ব্যবস্থায় নজর দিয়েছি।’

“কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য থাকবে না। রাজধানী থেকে একেবারে গ্রামের ঘর পর্যন্ত যোগাযোগ থাকবে সেজন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকেও নজর দিচ্ছি আমরা। আমরা চাই সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়। তার প্রমাণ পেয়েছেন আজকের সম্মেলনেও। বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো আজকের এই আয়োজনে এসেছে এবং তাদের বক্তব্য দিয়েছেন।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
Exif_JPEG_420

Exif_JPEG_420

প্রেসবিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় ছেলে মাকছুদুর রহমান তোতার (২৪) সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মা সাজিদা বেগম। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় লিখিত বক্তব্যে সাতক্ষীরা শহরের গড়েরকান্দা গ্রামের জুম্মান আলী সরদারের স্ত্রী সাজিদা বেগম বলেন, তার সাত মেয়ে ও তিন ছেলের মধ্যে সবার ছোট মাকছুদুর রহমান তোতা সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স পাশ করেছে। গত ১৬ অক্টোবর‘১৬ তারিখে বাড়ি থেকে এশার নামায পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয় সে। এরপর তার ফোনে বারবার কল করা হলেও রিসিভ করেনি। পরদিন থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ ঘটনায় তারা সাতক্ষীরা সদর থানায় ডায়েরি করা হয়েছে। ডায়েরি নম্বর ৭৯৫/১৬। মাকছুদুর রহমান তোতার মা বলেন, তার ছেলের কোন সাংগঠনিক যোগাযোগ নেই। খেলাধূলা ও সংস্কৃতি চর্চায়ও তার অংশ গ্রহণ ছিল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছেলের সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেদিন থেকে সে নিখোঁজ হয়, সেদিন থেকেই তার কোন ছবি বা পরিচয়পত্র পাওয়া যাচ্ছে না। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, তোতার বাবা মো: জুম্মান আলী সরদার, বড়ভাই ওহিদুল ইসলাম, মেঝ ভাই ইদোল ইসলাম, সেঝ বোন আছমা খাতুন ও ভগ্নিপতি ফারুখ হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest