সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি  কলকাতায় আগুনে পুড়ে সাংবাদিকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক৪০০ বছরের শ্যামসুন্দর মন্দির রক্ষায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের উদ্যোগ : হবে বৈজ্ঞানিক প্রি-ডকুমেন্টেশনদেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধে শেয়ারিং মিটিংসাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরায় এনজিও পরিচালন ব্যবস্থায় সুশাসন জোরদারকরণ শীর্ষক কর্মশালাসাতক্ষীরায় সরকার বিরোধী মিছিলের প্রস্তুতিকালে ৪ যুবলীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তারদেবহাটায় গাঁজাসহ ২ জন ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ ৩ জন আটকবাংলাদেশ নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের সাথে বাপা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতির বড় বোনজামাইয়ের মৃত্যু,প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের ব্যানারে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ কেন্দ্রীয় কৃষকদল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অসত্য মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি।

২৩ মার্চ ২০২৩ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মো: সালাউদ্দীন লিটন ও সদস্য সচিব মো: রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত একপত্রে উক্ত কথিত সভার প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, গত ২২ মার্চ ২০২৩ তারিখে সম্পূর্ণ শিষ্টাচার বর্হিভূত ভাবে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের ব্যানারে কথিত প্রতিবাদ সভার আড়ালে কতিপয় নিস্ক্রিয় কয়েকজনকে ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কিছুকর্মী যারা কোন দিন কৃষকদলের সাথে জড়িত ছিল না তাদের কে সাথে নিয়ে জেলা কৃষকদলের সাবেক আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপন বক্তব্য প্রদান করেন।

তার বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ও যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবসহ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও মান হানিকার বক্তব্য প্রদান করেন। যা সম্পূর্ণ দলীয় পরিপন্থি। আমরা জেলা বিএনপি ও কৃষকদলের সৎ ও কর্মীবান্ধব নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এহেন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া উক্ত আলোচনায় কৃষকদলের যে সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে দল বিচ্ছিন্ন উক্ত আহসানুল কাদির স্বপনকে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানে সহায়তা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এ.আই.ইউ.বি.) এর মেধাবী শিক্ষার্থী সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান মো: আল মুজাহিদ নাঈম ২০২৩ সালে “কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সি.এস.ই)” ডিপার্টমেন্ট থেকে সফালতার সাথে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছে। তার ডিপার্টমেন্টে রেকর্ড পরিমান নাম্বার অর্জন করায় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাকে  “Magna Cum Laude”  একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ুপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

গত ১৯ মার্চ, ২০২৩ অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এ.আই.ইউ.বি.) এর ২১ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নাঈমকে একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড মেডেল পরিয়ে দেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এ.আই.ইউ.বি.) ফ্যাকাল্টি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির ডিরেক্টর প্রোফেসর ডক্টর দীপ নন্দী এবং অ্যাসোসিয়েট ডিন মশিউর রহমান।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এআইইউবি-এর ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. কারমেন জেড লামাগনা। ২১তম সমাবর্তনে বিভিন্ন অনুষদের মোট ৪ হাজার ৭২২ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়।

আল মুজাহিদ নাঈম সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামের মো: ওবায়দুল্লাহ ও খলসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তহমিনা খাতুনের বড় ছেলে। নাঈম সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক, এটিএন বাংলার স্টাফ রিপোর্টার, ভয়েস অব সাতক্ষীরার সম্পাদক এম কামরুজ্জামানের ভাগ্নে। নাঈম তার এই ভালো ফলাফলের জন্য পিতা-মাতা, স্কুল, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং সকলের কাছে দোয়া চেয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ-শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে বুধবার (২২ মার্চ) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডি.বি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবীনবরণ ও ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আলাউদ্দীন। বেদনা-বিধূর পরিবেশে অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা স ম শহিদুল ইসলাম।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউপির ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো: আব্দুল হাকিম, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ লুৎফর রহমান, ধুলিহর ইউপির সাবেক সদস্য সমাজ সেবক আব্দুল মান্নান, জাপা নেতা জাহাঙ্গীর কবির, সামশুর রহমান সোনা, ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো: আবুল খায়ের, ডিবি ইউনাইটেড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল হাই, স্ট্যান্ডার্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: রইচউদ্দীন বিশ্বাস, ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডি.বি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো: আব্দুল হামিদ বাবু, অভিভাবক সদস্য রবীন্দ্র কর্মকার, মিয়ারাজ হোসেন, অভিভাবক গৌর চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ। সহকারী শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুজিত কুমার মন্ডল, শিক্ষক প্রতিনিধি মো: নজিবুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মো: হাফিজুল ইসলাম, অরুন কুমার মন্ডল, দেবব্রত ঘোষ, কনক কুমার ঘোষ, পরীক্ষার্থী মাহিরা আফরিন, শিক্ষার্থী তামান্না সুলতানা, ফারজানা ফায়িজা, কমলিকা ঘোষ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং প্রধান অতিথিকে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তোমাদের যোগ্য সৈনিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ প্রেমিক, অসাম্প্রদায়িক সুনাগরিক হিসেবে আলোকিত মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। নিজেদের মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। বক্তারা দেশের সেবায় মানবতার সেবক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেবহাটা ফুটবল মাঠে বুধবার  সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত উক্ত খেলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের দল ৬ বল হাতে রেখেই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে নিলো।
খেলায় বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাদের দল প্রথম ইনিংসের ১৬ ওভারে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে। পরে সাবেকরা ব্যাট করে ৬ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌছে যায়। দেবহাটা ক্রিকেট ষ্টেডিয়ামে সাবেক এবং বর্তমান ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে এই মিলনমেলা ঘটে।
খেলায় সাবেক নেতাদের মধ্যে রাশিদুল, হাবিবুর রহমান সবুজ, হাফিজুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান সোহাগ, ফয়জুল্লাহ এবং বর্তমান নেতাদের মধ্যে মিঠু, কল্লোল, ইমরান, রায়হান ও তন্ময়সহ প্রমুখ অংশগ্রহণ করে।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সৈয়দালীপুর এলাকার শহিদ শেখ রাসেল ভূমিহীন পল্লীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট ও ভূমিহীনদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শতশত ভূক্তভোগি ভূমিহীন। হামলাকারি ভমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভূমিহীনদের খাস জমি ফেরত দেয়ার দাবিতে বুধবার (২২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ চত্তরে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্যামনগর উপজেলা ভূমি অফিসের আওতাধীন নুরনগর ও নকিপুর তপশীলদারের অধীনে সৈয়দালীপুর, ভবানিপুর, মানিকপুর, কল্যাণপুর ও বাদঘাটা মৌজার ৩৮ একর ৫৪ শতক জমি পিউ ৯৮/৭২ এর ১৫১ এইচ ধারা মোতাবেক শ্যামনগর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাংলাদেশ সরকারের অনুকূলে খাস করেন। পরবর্তীতে ওই জমি ২০০৪ সালের ১৭ মার্চ ৩৮টি অসহায় দরিদ্র ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ইজারা দিয়ে দখল প্রদান করেন। সেই থেকে ভূমিহীনরা উক্ত খাস জমিতে ঘর-বাড়ি, রান্না ঘর, গোয়ালঘর, একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ নির্মাণ করে ও কিছু অংশ জমিতে মৎস ঘের করে শান্তিপূর্নভাবে ভোগ দখল করে আসছিল। উক্ত জমির মধ্যে সৈয়দালীপুর মৌজার বি, এস- ১৪৬, ১৪৯ এর এস,এ ৭২, ৭৩, ৭৪, দাগে ২৯ একর ২৮ শতক জমি রয়েছে। এনিয়ে এলাকার চিহিৃত ভূমিদস্যু বাধঘাটা গ্রামের মৃত এলাই বক্স গাজীর ছেলে আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ওরফে গুলি গফুর ও তার ছেলে আলমগীর হোসেন একাধিক আদালতে মামলা করে হেরে যায়। এরপর তারা পেশি শক্তির বলে ওই সরকারি খাস সম্পত্তি জরদখলের পায়তারা শুরু করে।

বক্তারা আরো বলেন, আদালতের রায় পক্ষে নিয়ে শহিদ শেখ রাসেল ভূমিহীন পল্লীতে ৩৮টি দরিদ্র ভূমিহীন পরিবার শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করতে থাকেন। কিন্তু আব্দুল গফুর এর হুকুমে তার ছেলে আলমগীর হোসেন, বাধঘাটা গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে জুলফিকার, সৈয়দালীপুর গ্রামের দেড়ো মোহাম্মাদ গাজীর ছেলে আতাউর রহমানের নেতৃত্বে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টার দিকে ৪০/৫০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শহিদ শেখ রাসেল ভূমিহীন পল্লীতে বসবাসকারি সৈয়দালীপুর মৌজাধীন ২৮টি ভূমিহীন পরিবারের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়। এসময় তারা ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়।

হামলাকালে সেখানে অবস্থিত পাঞ্জেগানা মসজিদটিও ভেঙে গুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর থেকে উচ্ছেদের শিকার ২৮টি ভূমিহীন পরিবার মানবতার জীবন যাপন করছে তারা শ্যামনগর উপজেলার সৈয়দালীপুর এলাকার শহিদ শেখ রাসেল ভূমিহীন পল্লীতে হামলাকারি ভমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভূমিহীনদের খাস জমি ফেরত দেয়ার দাবি জানান। একই সাথে সেখানে ভূমিহীনদের শান্তিপূর্ণ বসবাসের পরিবেশ সৃষ্টি করতে স্থানীয় প্রশাসন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কৃর্তপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, শহিদ শেখ রাসেল ভূমিহীন পল্লীর আত্তাফ হোসেন, আলী হোসেন, অজিয়ার রহমান, শাহজাহান আলী, অজিয়ার রহমান, আবু সাইদ, মোঃ আব্বাস আলী, মমতাজ বেগম, রমেছা খাতুন প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মানব পাচার প্রতিরোধে পাচার বিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়ার আশরাফ আলী এর বাড়িতে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠক আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন সংরক্ষিত মহিলা মেম্বর মমতাজ বেগম।

একটি সমন্বিত কর্মসূচি প্রকল্পের আলোকে মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন রাইটস যশোর, আইওএম প্রজেক্ট, সাতক্ষীরা এর ডেস্ক অফিসার, মো: আছের আলী। রাইটস যশোর (মানবাধিকার সংগঠন) এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর কারিগরি সহযোগিতায় মাঠ পর্যায়ে সামগ্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয় ।

উঠান বৈঠকে তিন(৩) শ্রেণির মানুষের সমাবেশ ছিল। তার মধ্যে প্রায় ২০-২৫ জন ছিল বিদেশ থেকে পাচারের শিকার হয়ে ফেরত আসা বাংলাদেশী মানুষ, তার পরিবার এবং সম্ভাব্য বিদেশ গমন নারী জনগোষ্ঠী। উঠান বৈঠকে বিশেষভাবে মানব পাচার, চোরাচালান, নিরাপদ অভিবাসন, নিরাপদ অভিবাসনের ধাপসমূহ ও মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শনী করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইটস যশোরের প্রোগ্রাম অফিসার মো: ইমরুল শাহেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে সাতক্ষীরায় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বাদ আছর বাংলাদেশ আহলে হাদীছ যুবসংঘ সাতক্ষীরা সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে আগত হাজারো মানুষের কণ্ঠে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন, করতে হবে। দিনের বেলায় হোটেল রেস্তোরা বন্ধ করুন, করতে হবে। সুদ-ঘুষ- লটারী বন্ধ করুন, করতে হবে শ্লোগানে সাতক্ষীরার আকাশ বাতাস মুখরিত হয়।

র‌্যালি শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা সাংগঠনিক জেলার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুজ্জামান ফারুক, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ আহলে হাদীস যুব সংঘের তথ্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মাও: মুজাহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি মুহা: নাজমুল আহছান, সহ-সভাপতি মাসুদ বিন আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামানসহ আহলে হাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আহলে হাদীছ যুবসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও কর্মীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণসহ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারক লিপি প্রদান করেন সাতক্ষীরা জেলা বাকশিসের নেতৃবৃন্দ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা বাকশিসের সভাপতি অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, বাকশিসের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল গফফার, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, জেলা বাকশিসের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, জেলা বাকশিসের কোষাধ্য শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক নূর মোহাম্মাদ পাড়, প্রভাষক বাসুদেব সিংহ, ভৈরব চন্দ্র দাস।

স্মারকলিপিতে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাড়ী ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান, নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ডিগ্রি, অর্নাস ও মাস্টার্স কোর্সে পাঠদানকারী শিক্ষকসহ বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভূক্ত করা, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা প্রদানের পরিবর্ততে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ পেনশন প্রথা চালু করা,সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া, চাকুরিতে যোগদানের তারিখ থেকে চাকুরিকাল গণনা করা, ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সকল প্রভাষক বৃন্দকে জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের পরিবর্তে পূর্বের ন্যায় সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি বহাল রাখা, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে বেসরকারি শিক্ষকদের ৩৫% প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া, ইউনোস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষাখাতে জিডিপি’র ৬% এবং জাতীয় বাজেটের ২০% বরাদ্দ করা এবং ডিগ্রি স্তরের এমপিও ক্ষেত্রে ২টি বিভাগের শর্ত শিথিলের সুপারিশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest