সর্বশেষ সংবাদ-

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে স্মারক সম্মানানার ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচছা জানিয়ে সংবর্ধিত করা হয়েছে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য, অথৈ ইন্টারন্যাশনাল এর সত্ত্বাধিকারী, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. মশিউর রহমানকে। শনিবার সকালে প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে (মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন) অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংবর্ধিত মো. মশিউর রহমান।

সংবর্ধিত প্রধান অতিথি মশিউর রহমান বলেন, “সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ (তৃতীয় নয়ন)। ভালো কাজের প্রশংসা ও খারাপ কাজের গঠনমূলক সমালোচনা করে বাস্তবভিত্তিক রিপোর্ট করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব। আপনাদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে সমাজের যাবতীয় অসঙ্গতি দৃশ্যমান হয়, সমাজের সঠিক চিত্র উঠে আসে।” প্রধান অতিথি এসময় আরও বলেন, “কলারোয়া প্রেসক্লাবের সকল ভালো কাজের সাথে অতীতে যেমন ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।” কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহ.সভাপতি প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লিটন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল হোসেন, নির্বাহী সদস্য প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল, সদস্য তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ফারুক হোসেন, আ. রহমান, তরিকুল ইসলাম, চন্দনপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আমিনুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাদ উল্লাহ, চান্দুড়িয়া সীমান্ত সম্প্রীতি সংঘর সভাপতি কুদ্দুস হোসেনসহ সংগঠনের লিমন হোসেন, শান্ত, ইজাজ, আরিফসহ অন‍্যান‍্য সদস‍্য বৃন্দ।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংবর্ধনা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু। অনুষ্ঠান শেষে সংবর্ধিত প্রধান অতিথির হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
উপকূল দিবসে জলবায়ু বিপন্ন উপকূল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও ন্যায্যতার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে র‌্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১২নভেম্বর) সকাল ১০ টায় শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুরস্থ আলাউদ্দিন মার্কেটে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন বারসিক প্রতিনিধি রুবিনা খাতুন।

উপকূলীয় প্রেসক্লাবের আয়োজনে পিকে এস এফ ও এনজিএফ,পরিবেশ উন্নয়ন ক্লাব, সিডিও ,সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম ও বারসিকের সহযোগিতায় আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক সাইদুজ্জামান সাইদ, শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জি এম আকবর কবীর।

উপকূলের কথা তোমরা কি শুনতে পাও না শ্লোগানের বক্তারা বলেন, উপকূল বাঁচলে বাচঁবে দেশ। উপকূলকে বাদ দিয়ে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী হলো ধনী দেশগুলো। কিন্তু দায় নিতে হচ্ছে বাংলাদেশের। কার্বন নিঃসরণ না কমানো যায় তাহলে আমরা ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়বো। এমন ভাবে চলতে থাকলে দেখা যাবে একটা সময় আমরা টিকে থাকতে পারবো না।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় এলাকায় ঝুকি দিন দিন বাড়ছে। উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হচ্ছে। এই এলাকার মানুষ তাদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহনকারী ধনী রাষ্ট্রগুলো জানতে চাই আমাদের দাবী মানতে হবে। আমাদের ক্ষতিপুরন দিতে হবে। প্রানের নিরাপত্তা চাই। সেই সাথে উপকূলের মানুষের অধিকার ও নায্যতার দাবী তুলে ধরতে উপকূল দিবস পালনের মধ্য দিয়ে সরকারের কাছে দাবী জানাই উপকূল দিবস কে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

এর আগে উপকূল দিবস উপলক্ষে একটি সুবিশাল র‌্যালি নীলডুমুর বাজার ঘুরে এসে বনবিভাগ অফিসের পাশে নদীর পাড়ে মানববন্ধন করেন। আলোচনা সভা শেষে উপকূল বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে জারী গান অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, উপকূল দিবসে স্থানীয় জনগোষ্টি কয়েকটি দাবী জানান, সেগুলো হচ্ছে ১২নভেম্বরকে উপকূল দিবস ঘোষনা করতে হবে। টেকসই ভেড়ীবাধ তৈরি করতে হবে সেই সাথে বাঁধ তৈরিতে স্থানীয়দের মতামত নিতে হবে। জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য দায়ী ধনী দেশগুলোর নিকট থেকে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ আদায় ও কম কার্বন নির্ভর জীবনযাপনে বাধ্য করা। নদী ভাঙন রোধে নদীর গভীরতা বাড়াতে হবে। উপকূলের উন্নয়নে আলাদা বোর্ড গঠন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক: দেশে মূল্যস্ফীতি গত কয়েক বছরে সর্বোচ্চ। আয় কমেছে মানুষের। বেড়েছে ব্যয়। অনেক নিত্যপণ্যের দাম নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে। বিভিন্ন প্রসাধনীর দামও আকাশচুম্বী। এর মধ্যে দুর্ভিক্ষ ও বৈশ্বিক মন্দার শঙ্কা খোদ সরকারপ্রধানের মুখে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থাসহ বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে খাদ্য সংকটে পড়া দেশের তালিকায়ও রয়েছে বাংলাদেশ, যা বাড়তি চাপ তৈরি করেছে সব শ্রেণির মানুষের। এর মধ্যে দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের দামও বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে। সব মিলে ওষ্ঠাগত জনজীবন।

খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগ এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের সংখ্যা কিছুটা বেশি। সেখানে বাইসাইকেল মেরামতকারী জালাল মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমনিতে সংসার চলছে না আগের মতো। এক ছেলে স্কুল বাদ দিয়ে দোকানে লেগেছে। সঞ্চয় দূরের কথা, এখন প্রতি মাসে ধার করছি। পাওনাদারের তাগাদায় একরকম পালিয়ে বেড়াতে হয় মাস শেষে। এর মধ্যে দুর্ভিক্ষের খবরের পর থেকে ঘুম হয় না।’

তিনি বলেন, ‘এখন এ পরিস্থিতিতে অন্য কার কী ক্ষতি হচ্ছে জানি না। তবে আমার সন্তানের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলো। সেটা পোষাবো কীভাবে? আমিও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছি, সেটা না হয় একসময় ঠিক হয়ে যাবে।’

ওই এলাকায় জালাল মিয়ার মতো আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুরবস্থা ও দুশ্চিন্তার কথা জানা যায়। শুধু সেখানেই নয়, দেশে গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি থাকায় সবখানে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তাদের বেশি ভোগাচ্ছে। শুধু প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নয়, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষও চাপে আছেন।

তারা বলছেন, পরিস্থিতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যে যার মতো মানিয়ে চলার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন খাতে নানাভাবে নিজেদের খরচ কাটছাঁট করছেন। কেউ দামি খাবার খাওয়া কমিয়েছেন, কেউবা বন্ধ রেখেছেন পোশাক কেনা। আবার কেউ বাসা পাল্টিয়ে খরচ সাশ্রয় করছেন।

সিপাহীবাগ এলাকায় কথা হয় সালাউদ্দিন আহমেদ নামে একজনের সঙ্গে। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের এ চাকরিজীবী বলেন, ‘ছেলেমেয়ে পল্লীমা একাডেমিতে পড়ে। শুরু থেকে স্কুলের পাশে চৌধুরীপাড়া এলাকায় থাকতাম। সেখানে বাসাভাড়া বেশি। সেজন্য এখন এ এলাকায় এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘তাতেও হিসাব মেলে না মাস শেষে। সেজন্য বাজার খরচ ও ঘোরাফেরা কমিয়ে দিতে হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে বাবা-মায়ের। গ্রামে তাদের খরচ পাঠাতে পারছি না আগের মতো।’

বিগত কয়েক মাসে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্ল্যাসিফিকেশন (আইপিসি) ছাড়া আরও কিছু খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংস্থা বলছে, ২০২৩ সালে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে পারে অনেক দেশ। বৈশ্বিক এ মন্দার কবলে পড়লে বিশ্বের ৩৫ কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়বে। এসব সংস্থার খাদ্য সংকটের তালিকায় নাম আছে বাংলাদেশেরও।

সাধারণ মানুষ বলছে, গত কয়েক মাসে বাজারে কোনো সুখবর নেই। মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকে বৈশ্বিক পণ্যবাজারে দামের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে দেশের বাজারে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও পড়েছে। এতে কয়েক দফা বাড়ে নিত্যপণ্যের দাম। দুর্ভিক্ষের খবরের পর আবারও দফায় দফায় পণ্যের দাম বাড়ছে, যা এখন অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।

বাজারের তথ্যও বলছে এমন কথা। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, বিগত এক বছরের ব্যবধানে বাজারে আটার দাম ৭৯ শতাংশ বেড়েছে। মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ৮ শতাংশ। একইভাবে ময়দার দাম বছর ব্যবধানে ৬৪.৭৭ শতাংশ এবং মাসের ব্যবধানে ১৬ শতাংশ বেড়েছে।

চালের দাম বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৬ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রধান দুটি খাদ্যশস্যের দাম বাড়ায় দারুণ চাপে পড়েছে মানুষ। বাংলাদেশের বাজারে দুটি পণ্যের দামই দাঁড়িয়েছে ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আগে মানুষ চালের দাম বাড়লে বিকল্প হিসেবে আটা-ময়দা বেছে নিতো। এবছর সে সুযোগও নেই। আটার দামও অত্যন্ত চড়া। এমনকি চালের দামকে ছাড়িয়ে গেছে আটা-ময়দার দাম।

অন্যদিকে টিসিবির তথ্য আরও বলছে, বাজারে সয়াবিন তেলের দাম এখন গত বছরের তুলনায় সাড়ে ২১ শতাংশ বেশি। আর চিনির দাম বেড়েছে সাড়ে ৪৫ শতাংশ। চিনির ক্ষেত্রে গত একমাসেই দাম বেড়েছে ২১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর এক কেজি চিনির দাম ৮০ টাকার মধ্যে থাকলেও সেটি এখন ১১৫ টাকা।

বাজারের তথ্য আরও বলছে, বিগত এক বছরে মসুর ডালের দাম ২৬ শতাংশ, অ্যাংকর ডালের দাম ৪৭ শতাংশ, রসুনের দাম ৫০ শতাংশ, শুকনা মরিচের দাম ১১৫ শতাংশ, আদার দাম ১৩০ শতাংশ, গুঁড়ো দুধের দাম ৩৭ শতাংশ, লবণের দাম ১৫ শতাংশ, ফার্মের ডিমের দাম ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

এসব বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক এম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট থেকে শুরু করে ডলারের সংকট হয়েছে সেটা সত্য। তবে সেসব কারণ দেখিয়ে যে হারে পণ্যমূল্য বাড়ানো হয়েছে সেটা বেশি।’

তিনি বলেন, ‘বাজারের এ অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এখন হুট করেই তৈরি হয়নি। করোনা পরিস্থিতির পর থেকেই আস্তে আস্তে হচ্ছে, কিন্তু সেটা সরকার আমলে নেয়নি, যা এখন চরম আকার ধারণ করেছে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’

সাবেক কৃষি সচিব ড. আনোয়ার ফারুক বলেন, ‘আমদানিনির্ভর পণ্যগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। কিন্তু তেল, চিনি, ডাল ও আটা-ময়দার কোনো বিকল্প নেই। সেজন্য এমন গুরুত্বপূর্ণ যেসব পণ্য আমদানি হয়, সেগুলো যেন ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থা দরকার। প্রয়োজনে সরবরাহ ঠিক রাখতে যেখানে ডলার সংকট রয়েছে, তাদের সাধ্যমতো সাপোর্ট দিতে হবে। যেন তারা সুবিধামতো পণ্য আমদানি করতে পারে। তাহলে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে।’

বাজার বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যসহ অনেক পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দেশের বাজারে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা, পরিবহন খরচ ও বিদেশি মুদ্রার বিনিময় হারের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব রয়েছে বাজারে। পাশাপাশি একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সরবরাহ ঘাটতির সুযোগ নিচ্ছেন। দুর্ভিক্ষের খবর পুঁজি করে তারা পণ্য মজুত ও অযাচিতভাবে দাম বাড়াচ্ছে।

বাজারে পণ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে বিকল্প আমদানির উৎস খোঁজার চেষ্টা, খাদ্যে ভর্তুকি বাড়ানো ও দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর পরিসর বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 দেবহাটা  প্রতিনিধি :  দেবহাটায় মোহনা টিভির ১৩ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বর্নাঢ্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মোহনা টিভির দেবহাটা উপজেলা প্রতিনিধি আর.কে.বাপ্পার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ১১ নভেম্বর শুক্রবার, ২২ ইং সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাব চত্বর থেকে র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে।
পরে রিপোটার্স ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ ওবায়দুল্লাহ। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোহনা টিভির দেবহাটা উপজেলা প্রতিনিধি আর.কে.বাপ্পা। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আলী, সহকারী অধ্যাপক জাফর ইকবাল, দেবহাটা রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ অহিদুজ্জামান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আকতার হোসেন ডাবলু, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান কাজল,
সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম,  দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, সহ-সভাপতি মজনুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবীর হোসেন লিয়ন, রিপোটার্স ক্লাবের কার্য্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম, ব্যবসায়ী শওকত হোসেন লাচ্চু প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দেবহাটায় কর্মরত বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা মোহনা টিভির আগামী পথচলা সার্থক কামনা করে সংবাদ, বিনোদন, খেলাধুলাসহ সকল স্তরে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে বলে উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন তাই সমাজের ও দেশের কল্যানের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
এছাড়া মিডিয়া দেশের উন্নয়ন তথা সমাজ থেকে সকল অন্যায় দূর করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে সাংবাদিকদেরকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রেরন করার জন্য আহবান জানান এবং আগামীতে এই সফলতা ধরে রেখে মোহনা টিভির শতবর্ষ পালন হোক এই কামনা করেন। শেষে অতিথিবৃন্দ কেক কেটে মোহনা টিভির জন্মদিনকে বরন করেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদরের বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুষ্ঠু নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে একটি কুচক্রি মহল।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২১ অক্টোবর ওই মাদ্রাসায় আয়া ও ল্যাব এসিস্টেন্ট মোট দুইটি পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই নিয়োগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে মাদ্রাসা ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তুলেছেন এলাকাবাসী।

এব্যাপারে মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব এড. এস, এম, হাসানউল্লাহ জানান, আমি দীর্ঘদিন এই মাদ্রাসার নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সভাপতি নির্বাচিত হয়ে মাদ্রাসার জায়গা বাড়ানোসহ বহুতল ভবন নির্মাণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি। গত ২১ অক্টোবর মাদ্রাসায় যোগ্যতার ভিত্তিতে যথা নিয়মে দুইটি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন ও নিজেদের ফায়দা লুটতে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ওই অপপ্রচারের নিন্দা জানায়।

মাদ্রাসার সুপার মোঃ রমজান আলী জানায়, মাদ্রাসায় যোগ্যতার ভিত্তিতে দুইটি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজি প্রতিনিধি হুসাইন মোহাম্মাদ ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, এছাড়া মাদ্রাসার বিদ্যুৎসাহী সদস্য রবিউল ইসলাম, দাতা সদস্য মোঃ আইউব আলীসহ ম্যানেজিং কমিটি সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে ওই নিয়োগ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল নিজের ফায়দা লুটতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এমনকি মাদ্রাসার সভাপতি একজন আর ওই ষড়যন্ত্রকারী আরেকজনকে সভাপতি দাবী করে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। যাকে সভাপতি দাবী করা হচ্ছে তিনি একজন সদরের জনপ্রতিনিধি। প্রকৃত পক্ষে তিনি এ মাদ্রাসার কেউ নয়। তিনি এঘটনায় ওই ষড়যন্ত্রকারীর শাস্তির দাবী জানান।

সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান জানায়, বকচরা আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সঠিক নিয়মে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এখানে কোন অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা মোহনা টেলিভিশন ১৩ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বাষিকী পালিত হয়েছে।

মোহনা টেলিভিশন সাতক্ষীরা দর্শক ফোরামের আয়োজনে শুক্রবার সকাল ১০ টায় ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, মোহনা টিভি সাতক্ষীরার দর্শক ফোরামের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ।

প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপি, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ আর টিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রাম কৃষ্ণ চক্রবর্তী, আখড়াখোলা মাদ্রাসার সুপার আব্দুল্লাহ, বিজনেস বাংলাদেশের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জামাল উদ্দীন, ভোরের কাগজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মশিউর রহমান ফিরোজ প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, মোহনা টিভি’র সাতক্ষীরা আব্দুল জলিল। সঞ্চালনায় ছিলেন, দৈনিক ঢাকা টাইমসের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও ডেইলি সাতক্ষীরার বার্তা সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন।

এসময় বক্তারা বলেন, মোহনা টেলিভিশন দর্শকের মন যুগিয়ে ১৩টি বছর পার করেছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে টেলিভিশনের দর্শক কিছু কমলেও মোহনা টেলিভিশন দর্শক কমেনি। মোহনা টেলিভিশন স্বাধীনতার স্বপক্ষে থেকে বস্তুনিষ্ঠ এবং তথ্য নির্ভর সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। আগামীতেও এভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি বর্তমানে শ্রীলঙ্কা উপকূলের অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘণীভূত হতে পারে। এর বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৬ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে শীত পড়েছে। ভোর রাতে কুয়াশাও পড়ছে। তবে, মধ্যাঞ্চল ও অন্যান্য অঞ্চলে শীত আসতে কিছুটা সময় লাগবে। দক্ষিণাঞ্চলে শীত পড়বে আরও পরে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২ দশমিক চার, রাজশাহীতে ১৯ দশমিক ছয়, রংপুরে ২০ দশমিক পাঁচ, ময়মনসিংহে ১৯ দশমিক তিন, সিলেটে ১৯ দশমিক চার, চট্টগ্রামে ২১ দশমিক দুই, খুলনায় ২১ দশমিক শূন্য এবং বরিশালে ১৯ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্তমানে চিকিৎসকরা প্রাইভেট ক্লিনিকে বেশী সময় দিচ্ছে। শুধু টাকার পেছনে ছুটলে হবে না। রোগীদের আন্তরিক হয়ে সেবা দিতে হবে, আপনারা চিকিৎসক হওয়ার আগে সেবা করার উদ্দেশ্য নিয়েই এ পেশায় যোগ দিয়েছেন এমনটি বলেন স্বাস্থ্যসচিব ড. মু: আনোয়ার। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালটিতে জেনারেল সার্জন, নাক কান গলা, চর্ম যৌন, শিশু বিশেষজ্ঞ ছাড়াও আরও অনেক পদেই চিকিৎসক শূন্য রয়েছে। এখানে চিকিৎসক দিলে অনেকে থাকতে চান না।

তারপরও যেসব চিকিৎসক সংকট রয়েছে সেগুলো এখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় তিনি হাসপাতাল কতৃপক্ষকে নষ্ট সিটিস্ক্যান মেশিন মেরামত করার নির্দেশনা দেন। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন তিনি।

পরিদর্শনকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. সবিজুর রহমান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফয়সাল আহম্মেদ, চিকিৎসক হাফিজুর রহমান, আসাদুজ্জামান, জয়ন্ত কুমার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, আ.লীগ নেতা ডা. সুব্রত ঘোষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest