সর্বশেষ সংবাদ-

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলা মাসিক আইন-শৃংখলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আইন-শৃংখলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির’র সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মো. সবিজুর রহমান, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, কলারোয়া পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম বুলবুল,

দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকতার হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন,

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অজিত কুমার সরকার, জেলা হিন্দু বৈদ্ধ্য খ্রিস্ট্রান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিশ^জিৎ সাধু, পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার সহকারি পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা মামলার অগ্রগতি, মাদক ও চোরাচালান মামলায় দ্রুত জামিন বন্ধে পাবলিক প্রসিউকিটরদের কার্যকর ভূমিকা, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তর অগ্রগতি, পৌর এলাকার জানজট নিরসনে শহরের পৌরসভার অন্তভূক্ত ইজিবাইকসহ অন্যান্য যানের কালার চিহ্নিতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা রশিদ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
ভোমরায় কথিত আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির নামে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন শুরু হয়েছে। উক্ত চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন। একই সাথে উক্ত চাঁদা না দেওয়ার জন্য সকল সিএন্ডএফ সদস্যগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক বরাবর ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাকছুদ খান স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়েছে, ১২ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাকক্ষে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার এর সভাপতিত্বে ও সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠুর সমন্বয়ে কথিত ভোমরা আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি কর্তৃক অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন বন্ধকরণ বিষয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকছুদ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম আমির হামজা, সাংগঠনিক, বন্দর, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দিপংকর ঘোষ, অর্থ সম্পাদক মোঃ আধু মুছা, কার্যকরী সদস্য আশরাফুজ্জামান আশু।

উক্ত সভায় উপস্থিত সকলের পক্ষ থেকে জোর দাবী জানানো হয় যে, কথিত ভোমরা আমদানি রপ্তানিকারক সমিতি’র নামে অবৈধভাবে যে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আরো দাবী জানানো হয় যে, উক্ত বিষয়ে এমপি, ডিসি, এসপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে অবহিত করা হবে। অন্যথায়, এ কারণে ভোমরা স্থলবন্দরে কোন ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তার কোনপ্রকার দায়ভার গ্রহণ করা হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী সুকুমার দাস কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী পাটকেলঘাটার এলাকার বাসিন্দা।

গোপন সংবাদের ১২ নভেম্বর রাতে পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালী এলাকায় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে ১টি ওয়ান শুটার গান, ৪ রাউন্ড গুলি ও ১টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

১৩ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরার কোম্পানি কমান্ডার মেজর দয়াল জানান, র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের উদেশ্যে অবস্থান করছে। এমন খবরে র‌্যাব সদস্যরা পাটকেলঘাটা থানাধীন খলিশখালী এলাকায় আভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রসহ সুকুমার দাস(৬৫) কে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে অস্ত্র গুলি এবং মোবাইল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে পাটকেলঘাট থানায় করে আসামীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনির কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাষ্টদ্রোহী মামলার আসামী জামায়াত ক্যাডার বদিউজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, আশাশুনি কাদাকাটি গ্রামের মরহুম আলহাজ¦ দাউদ হোসেনের পুত্র একেএম ফজলুল হক। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কাদাকাটি ইউনিয়নের কাদাকাটি গ্রামে ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার কিছু গুনি মানুষ প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টির জমিদাতা ছিলেন আমার পিতা।

অত্র বিদ্যালয়ে আমি প্রথম ব্যাচের ছাত্র ছিলাম। অত্র বিদ্যালয় থেকে ইতোপূর্বে বহু শিক্ষার্থী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষকসহ বহু সরকারি-বেসরকারি পেশায় নিয়োজিত আছেন। কিন্তু ২০১৩ সালে চিহ্নিত জামাত ক্যাডার বদিউজ্জামান প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে গেছে। শিক্ষাদানের পরিবর্তে প্রধান শিক্ষক এখন নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। ফলে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়টির দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম নষ্ট হচ্ছে। হাতিয়ে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা।

গ্রামে বহু শিক্ষিত ছেলে বেকার থাকা সত্ত্বেও গোপনে চাকরির বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই অন্য এলাকা থেকে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ২০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে প্রধান শিক্ষক নিজেই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এছাড়া ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ঝাড়–দার মো: জোহর আলীকে ২ মাস আগে অবসর দিয়ে তার ছিলে মো: সাইফুল্লাহকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ৩লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক বদিউজ্জামান সাতক্ষীরা পৌর ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর। তার বিরুদ্ধে রাষ্টদ্রোহী ও নাশকতার মামলার যথাক্রমে ৩৮, জি আর ৮৩/১৩, তাং- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, মামলা নং- ৪০, জি আর ২৯১/১৪, তারিখ- ১২ এপ্রিল ২০১৪। তিনি জামায়াতের সংগঠনের উচ্চপদে জড়িত থাকার কারনে সময়মত স্কুলে আসেন না। আসলেও সর্বোচ্চ এক ঘন্টা স্কুলে উপস্থিত থাকেন। সাতক্ষীরা শহরসহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিদ্যালয়ে গোপনে মিটিং করে বলে এলাকাবাসী ধারনা করছেন।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মূল্যবান মেহগনি গাছ উধ্বর্তন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই বিক্রয় করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। আমার বিশ^স্ত সূত্রে জানাতে পারলাম স্কুলের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে পুরাতন রড বিক্রয় ও স্কুল গৃহের ছাদ পুরাতন রড দিয়ে ঢালাই দিয়েছেন। তিনি ঐতিহ্যবাহী কাদাকাটি আরার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য নির্বাচনে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পারভীন সুলতানা এর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, আত্মীকরণ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কাকবাসিয়া গ্রামের মৃত কোমরউদ্দীন গাজীর ছেলে মোঃ শামছুর রহমান গাজী এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দূর্নীতির মাধ্যমে পারভীন সুলতানা কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম নষ্ট হওয়া শুরু করে।

বর্তমান প্রতিষ্ঠানটি দূনীতি গ্রস্থ প্রতিষ্ঠান হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আমারা এলাকার ছেলে মেয়েদের অবিভাবক হিসাবে নিরবে তাকিয়ে থাকতে পারছিনা।

কোন অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই পারভীন সুলতানা থার্ড ক্লাস থাকা সত্বেও সার্টিফিকেট জাল জালিয়াতি করে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পেয়েছেন। তার স্বামী শিহাবুদ্দীন এর সহায়াতায় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির কোন সদস্যকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ বোর্ড গঠন করে তিনি সহকারি প্রধান শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পান। মোঃ রেজাউল করিম বাদী হয়ে পারভীন সুলতানার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় দেওয়ানী আদালতে ১৩৫/২০০২ নং মামলা দয়ের করেন। উক্ত মামলায় পারভীন সুলতানাকে অবৈধ এবং অযোগ্য ঘোষনা করা হয়।

শামছুর রহমান গাজী আরো বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পারভীন সুলতানা ১৩৫/২০০২ নং মামলার রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আপিল ২৬/১১ নং মামলা দায়ের করলে আদালত তার আফিল খারিজ করেন। পরবর্তিতে পারভীন সুলতানা উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা-জজ ২নং আদালতে মিস ০৩/২০১৭ নং মামলা দায়ের করে অদ্যবধি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আমরা অবিভাবক এবং গ্রামবাসীরা লক্ষ্য করছি অনিয়ম, দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতা ছাড়া স্বাভাবিক ভাবে তিনি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত করছে না। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু শুন্য পদ আছে। সেখোনে নিয়োগ বানিজ্য করার লক্ষে তিনি নিজের ছেলেকে প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য বানানোর জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তিনি সম্পূর্ন গোপন করে নামে মাত্র পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সমস্ত পত্রিকাগুলো একাই ক্রয় করেন। যার কারনে ওইদিন প্রকাশিত পত্রিকাটি বাইরে প্রকাশ করতে না দিয়ে দূনীতির পথ অবলম্বন করে তার ছেলে ইয়ামিনকে দাতা সদস্য তৈরি করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শামছুর রহমান দাতা সদস্য হওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার কাছে কয়েকবার খোজখবর নেন। কিন্তু তিনি এই দাতা সদস্য হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ন গোপন করেন। পরবর্তীতে ৫ নভেম্বর আমরা অবিভাবকরা জানতে পেরেছি যে, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য করা হয়েছে অবৈধভাবে নিয়োগকৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার ছেলে মোঃ ইয়ামিনকে। কোন নোটিশ ও প্রচার প্রচারনা ছাড়াই কি করে তিনি দাতা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। তিনি দূনীতি, অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার উর্দ্ধে থেকে বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পরিচালিত হোকা সেই আশা ব্যক্ত করে স্বচ্ছতার সাথে দাতা সদস্য গঠন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জোর দাবি জানান। একই সাথে তিনি কাকবাসিয়া বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য পদটি বাতিল করে সকলের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় দাতা সদস্য গঠনে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় দুই দিন ব্যাপি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২২ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার বেলা ১১ টা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বেলুন ও ফেসন্টুন উড়িয়ে উক্ত ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, সিভিল সার্জন সবিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খান,

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ-জোহরা, সদর ভুমি কর্মকর্তা আজাহার আলীসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

এ বছর এ ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় জেলা পুলিশ, ভুমি অফিস, বিআরটি, স্কুল, কলেজ, ব্যাংক, কৃষি বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মোট ৪৬টি স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাকপ্রতিবন্ধী স্বামীসহ মারপিটের প্রতিকার চেয়ে মামলা করায় বিপাকে পড়েছেন এক অসহায় গৃহবধু। প্রতিবন্ধী স্বামী এবং সন্তান নিয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে পথে পথে ঘুরছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর গ্রামে।

পর সম্পদলোভী ও পরনারী আসক্ত দেবর এবং ভাসুরপুত্রের মুর্হুমূহু হুমকিতে বাড়িতে ফিরতে পারছেন নাই ওই দম্পত্তি।

জানাগেছে, আনুমানিক ৫ থেকে ৬ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে শ্যামনগর উপজেলার আ: সবুর ঢালীর পুত্র বাকপ্রতিবন্ধী আইয়ুব আলীর সাথে বিবাহ হয় সাতক্ষীরা শহরের গড়েরকান্দা গ্রামের হাবিবুর রহমানের কন্যা হোসনেয়ারার। বিবাহের পর থেকে হোসনেয়ার বাকপ্রতিবন্ধী স্বামীকে শান্তিপূর্ণভাবে সংসার করে আসছিলেন। কিন্তু স্বামী প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরনারী আসক্ত দেবর ইউসুফ আলী প্রায়ই হোসনেয়ারাকে কু প্রস্তাব দিতো।

এতে রাজি না হওয়ায় ইউসুফ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। এর জেরে প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় হোসনেয়ারাসহ তার স্বামী আইয়ুব আলীকে গালি গালাজকরাসহ মারপিট করতে থাকে। এ নিয়ে হোসনেয়ারা প্রতিবাদ করার ওই প্রতিবন্ধী আইয়ুব আলীর নামীয় ১০ কাঠা জমিসহ ভিটেবাড়ী থেকে উচ্ছেদের চক্রান্ত করতে থাকে ইউসুফ এবং বিভিন্ন কৌশলে বাকপ্রতিবন্ধী আইয়ুব আলীর কাছ থেকে লিখে নেওয়ার চেষ্টাও করে।

কিন্তু স্বামীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হোসনেয়ারার প্রতিবাদের কারনে সেটি সম্ভব হয়নি। ফলে সুচতুর ইউসুফ কৌশলে তার পিতা-মাতা এবং ভাইপোকে ম্যানেজ করে বাকপ্রতিবন্ধী ভাইসহ তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার একপর্যায়ে গত ৪ নভেম্বর ২২ তারিখে পরিকল্পিতভাবে বাকপ্রতিবন্ধী ভাই এবং তার স্ত্রীর উপর হামলা করে। এসময় ইউসুফ আলী অসৎ উদ্দেশ্যে ভাইয়ের স্ত্রী হোসনেয়ার পরনের জামা কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। ইউসুফের সাথে তার ভাইপো খালিদ হাসান, পিতা আব্দুস সবুর, ননদ রাবেয়া খাতুন, ভাসুরের স্ত্রী সালেহা বেগমসহ কতিপয় ব্যক্তি বাকপ্রতিবন্ধী আইয়ুব আলী এবং তার স্ত্রী হোসনেয়ারা খাতুনকে বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। সে সময় হোসনেয়ারার গলাই থাকা সোনার চেইন, কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এছাড়া এনিয়ে বাড়াবাড়ি করলে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে ইউসুফ আলী। এঘটনায় উপায়ন্তর হয়ে শ্যামনগর থানায় অসহায় হোসনেয়ারা খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০৬, তাং – ০৫/১১/২০২২।

মামলার খবর পেয়ে উল্লেখিত ইউসুফ আলী, খালিদ হাসানগং আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বাকপ্রতিবন্ধী আইয়ুব আলী ও তার স্ত্রীকে প্রকাশ্যে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করতে থাকে। জীবনের ভয়ে অসহায় হোসনেয়ারা স্বামী সন্তান নিয়ে বাড়ীতে ফিরতে পারছেন না। একমাত্র সন্তানসহ প্রতিবন্ধী স্বামীকে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।
অসহায় হোসনেয়ারা জানান, স্বামী বাক প্রতিবন্ধী হলেও বংশীপুরের একটি মাছের কাটায় কাজ করে সংসার পরিচালনা করেন। কিন্তু বাড়ি ফিরতে না পারায় বর্তমানে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের। তিনি ওই ইউসুফ আলী এবং খালিদ হাসানসহ অন্যান্য আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির পাশাপাশি যাতে স্বামী সন্তান নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এবিষয়ে মামলার প্রধান আসামী ইউসূফ আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মারপিটের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি মারপিটের ঘটনার পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছি।

তারা বাড়িতে উঠতে পারছে না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলা যখন করেছে তখন এত সহজে তো বাড়ি উঠতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার করা যেত। কিন্তু সেটি না করে তারা মামলা করেছে। আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি। এখন বললেই তো আর বাড়িতে উঠতে দেওয়া যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে সংগঠনে বিশেষ বর্ধিত সভা শহরের টাউন গার্লস হাই স্কুলে ১২ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বাশিপের সদস্য, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক এম সুশান্তের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমানের পরিচালনায় বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান আবুল কালাম, জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ জাহিরুল ইসলাম, পাল শুভাশিস, মন্ময় মনির, পার্থ সারথি সেন, মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা হাফিজুর, অধ্যাপক আকবর হোসেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সিরিয়া সুলতানা নাইস, সদর উপজেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান সিরাজ, অধ্যাপক ইউনুস আলী খান, প্রদীপ পাল, অধ্যাপক আব্দুল গফফার, সঞ্জয় সরকার, শফিকুল ইসলাম, দেবব্রত মন্ডল, ইয়াহিয়া ইকবাল, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সূর্যকান্ত রায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন, উজ্জ্বল কান্তি শর্মা, আবু সাঈদ, অধ্যক্ষ সর্দার রমেশ চন্দ্র, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, রুমা খাতুন, মীর আবু সুফিয়ান, সুকুমার রায়, নির্মল চন্দ্র বৈরাগী, অধ্যাপক ননীগোপাল, মাওলানা জাফরুল্লাহ, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সুপার রমজান আলী, মাওলানা আব্দুল্লাহ, খন্দকার আনিসুর রহমান, মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমান পলাশ, আনোয়ার হোসেন, কামরুজ্জামান রিকো, আমিনুর রহমান ।

বর্ধিত সভায় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর ২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বলেন, সকল শিক্ষকদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হতে হবে। দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অনন্য। স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ কে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest