নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্মাণ শ্রমিক নেতার রেকর্ডীয় বাড়িঘর ভাংচুর ও অবৈধভাবে দখল চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় পাটকেলঘাটা চৌরাস্তা মোড়ে ৭টি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সহ-সভাপতি শেখ ফারুক হোসেন, শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, আবু সেলিম, তালা উপজেলা নির্মান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু দাউদ, লাবসা ইউনিয়ন ভূমিহীন সমিতির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্রমিকরা রক্ত পানি করে জীবিকা নির্বাহ করে। টাকায় শ্রমিক নেতা সুজাউদ্দীন কুমিরায় মাত্র ২শতক জমি ক্রয় করে বাড়িঘর ও দোকান নির্মাণ করেছেন।

কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান তার ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে বাড়িঘর ও দোকান ভাংচুর করে অবৈধভাবে দখল করেছেন। শ্রমিকের সম্পত্তির উপর থেকে কু নজর সরিয়ে না নিলে শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান আজিজুরের চেয়ার থেকে সরিয়ে দেবে। এবিষয়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা না পাওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

বিলম্বে শ্রমিক নেতার সম্পত্তি দখল বুঝিয়ে দেওয়া না হলে শ্রমিকরা বসে থাকবে না। কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিক নেতার সম্পত্তি উদ্ধার করা হবে। চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানকে জুতাপেটা করে উৎখাত করা হবে বলে হুশিয়ারি প্রদান করেন বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা: কামরুজ্জামানের বিদায়ে এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মানববন্ধন ও কালো পাতাকা প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের গেটের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ মারুফ হোসেন।

সাতক্ষীরাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত প্রতিবাদী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রভাষক আমিনুর রহমান, জিল্লুর রহমান, ডা: প্রকাশ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিকস সার্জেন্ট ড্যাব নেতা ডাঃ এএইচএমএস কামরুজ্জামান ক্রয় কমিটির মাধ্যমে হাতিল ফার্ণিচার কোম্পানীর সঙ্গে গোপন চুক্তি মাফিক মেডিকেল কলেজের ৫০ লাখ টাকার ল্যাব যন্ত্রপাতি, এসি মেশিন ও আসবাবপত্র কিনে ওই অধ্যক্ষ চলে যাওয়ার পর ইনটেক অবস্থায় অন্যত্র বিক্রি করেন ডাঃ কামরুজ্জ্ামান।

এ ছাড়া ওই হাতিল কোম্পানীর কাছ থেকে কমিশন বাবদ তিনি লুটেছেন বহু টাকা। এমন একজন দূর্ণীতিবাজ ডাঃ কামরুজ্জামানের অবসরে যাওয়া নিয়ে মেডিকেল কলেজের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শামছুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মেডিকেল কলেজের এক্সাম হলে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বহু টাকা খরচ করে রাজকীয় কায়দায় বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসুচির সাথে কালো পতাকা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা অবিলম্বে ওই দুর্নীতিবাজ ডা: কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় ইউএনও আসার খবরে দাখিল পরীক্ষার শিক্ষার্থী সেজে প্রক্সি দেওয়ার সময় দৌড়ে পালালেন হাজীপুর জনাব আলী দাখিল মাদ্রাসা নারী শিক্ষক। সোমবার সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গুনাকরকাটি দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে এঘটনা ঘটেছে। ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌছে প্রক্সি দেওয়া নারীকে না পেয়ে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা গেছে, হাজীপুর জনাব আলী দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করানো হয় লিপিকা নামের এক শিক্ষার্থীকে। কিন্তু লিপিকার পরিবর্তে নিয়মিত প্রক্সি দিয়ে আসছিলেন উক্ত মাদ্রাসার নারী শিক্ষক বাকড়া এলাকার সাবেক সুপার মৃত সোরবাব আলীর কন্যা হেনা খাতুন। বিষয়টি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নজরে আসলে শুরু হয় সমালোচনা। সোমবার কৃষি শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ানুর রহমান কেন্দ্রে যান। কিন্তু ইউএনও আসার খবর পেয়ে আগেই কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান ওই নারী শিক্ষক হেনা খাতুন।
এবিষয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ানুর রহমান বলেন, প্রক্সির খবর পেয়ে কেন্দ্র পৌছে মেয়েটিকে পাওয়া যায়নি। তিনি ওই মাদ্রাসার শিক্ষক কিনা সেটি আমার জানা নেই। তবে কেন্দ্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছি নিয়মিত আইনে মামলা দায়ের করা জন্য।
এবিষয়ে কেন্দ্র সচিব নৈকাটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইমদাদুল এর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে হক সোমবার সন্ধ্যায় একাধিবার ফোন দিলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাতীয়তাবাদী কৃষকদল সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও পৌরশাখার কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে।

২৬ সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সালাউদ্দীন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি স্বাক্ষরিত এক পত্রে উক্ত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ট্রাক ও মোটর সাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে কৃষ্ণ দাস (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শ্যামনগর-নওয়াবেঁকী সড়কের চুনারব্রীজ নামক স্থানে এদূর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কৃষ্ণ দাস উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামের অশোক দাসের পুত্র।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যবসায়িক কাজে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল যোগে কৃষ্ণ নওয়াবেঁকী বাজারে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মাছ ভর্তি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো- ট- ২২-৮৪৭৯) সাথে তাদের মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রাক চাপায় কৃষ্ণ দাস ঘটনাস্থলে নিহত হয়। তবে, এ সময় ঘাতক ট্রাক চালক দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে মোটর সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ট্রাকটি সিটকে পার্শ্ববর্তী মৎস্য ঘেরের মধ্যে পড়ে যায়।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় টমেটো ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে ৩ সন্তানের জনক মোঃ ইছাক আলি খা (৬০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামে। তিনি আলিপুর গ্রামের মৃত নামদার খার ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বাড়ি সংলগ্ন টমেটো ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ লাইনে সমস্যা দেখা দিলে তিনি ঠিক করার চেষ্টা করেন। এসময় মেইন সুইজ অফ না করেই কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ হালিমুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন থানার অফিসাররা ঘটনাস্থলে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আটদিন বয়সী শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ শে সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে চিকিৎসারত অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

মৃত ছোট্ট ওই শিশুটির নাম আয়েশা। জন্মের সময়ই মাকে হারায় সে।

আয়েশার স্বজনরা জানিয়েছেন, জন্মের সময় মাকে হারালেও আয়েশা স্বভাবিক-সুস্থ্যই ছিলো। জন্মের অষ্টম দিনে এসে তার শরীরের রং স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা হাসাটে মনে হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। আয়েশা রক্তশূণ্যতায় ভুগছেন জানিয়ে সে চিকিৎসক তাদেরকে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। স্থানীয় সেই চিকিৎসকের পরামর্শে গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ০৬টার দিকে শিশু আয়েশাকে ইসলামী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির শারিরীক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান আয়েশার তেমন কোন সমস্যা নেই রক্তশূণ্যতার কারণে তার শরীরের রং হাসাটে হয়ে গেছে। হাসপাতালে তিন দিন ভর্তি রেখে রক্ত দিলেই সে আবারও সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কথামতো রক্তের ব্যাবস্থা করা হয় কিন্তু ইসলামী হাসপাতালের কেউ ওই শিশুকে ক্যানোলা পরাতে পারবেনা বলে জানায়। ফলে বাধ্য হয়ে শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে ক্যানোলা পরিয়ে আনা হয়। তারপরও শিশুটির শরীরে রক্ত সঞ্চালন করার জন্য হাসপাতালের কোন চিকিৎসক বা নার্সরা পাশে আসেনি।

শিশু আয়েশার বাবা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি গ্রামের ক্ষেত্রপাড়ার বাসিন্দা আনারুল গাজী বলেন, হাসপাতালের স্টাফরা রক্তের কথা বলার সাথে সাথে আমরা রক্তের ব্যবস্থা করি। তারা সদর হাসপাতাল থেকে ক্যানোলা পরিয়ে আনতে বললে আমরা তাও করি। কিন্তু রক্ত ও ক্যানোলা রেডি করার পর কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ইসলামী হাসপাতালের কোন চিকিৎসক বা নার্স আমার বাচ্চার পাশে আসেনি। আমি বারবার নিচতলা থেকে উপরতলা পর্যন্ত হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে ছুটে গিয়ে আমার বাচ্চাটাকে দেখার অনুরোধ করেছি তবুও তারা আমার বাচ্চার পাশে আসেনি।

শিশু আয়েশার মামা রাসেল রেজা বলেন, রাত সাড়ে দশটার দিকে যখন আয়েশা ধীরে-ধীরে নিস্তেজ হতে থাকে তখন আমি চিৎকার করে কান্না করতে থাকি। আমার কান্না শুনে সেসময় হাসপাতালের অন্য রোগী ও রোগীর স্বজনেরা ছুটে আসে। তখন হাসপাতালের স্টাফরা তড়িঘড়ি করে ছুটে এসে আয়েশাকে রক্ত ও অক্সিজেন দিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনেন। ছাড়পত্র দিয়ে বলেন বাচ্চার অবস্থা গুরুতর সাতক্ষীরা মেডিকেলে অথবা খুলনায় নিয়ে যান। ততক্ষণে আয়েশা মারা গেছে।

তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবহেলা করে আমার ছোট্ট আয়েশাকে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরার এডমিন আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাচ্চার মৃত্যু হয়নি। সদর হাসপাতাল থেকে আয়েশাকে ক্যানোলা পরিয়ে নিয়ে আসার সময় ফাইল সেখানে ফেলে আসে তার স্বজনরা। ফাইল নিয়ে আমাদের হাসপাতালে পৌঁছাতে তাদের দেরি হয়ে যায়। সে কারণে শিশুটির শরীরে রক্ত দিতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া বাচ্চার শরীরের অবস্থা তেমন ভালো ছিলনা ।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ হুসাইন সাফায়েত বলেন, ইসলামী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় শিশু মৃত্যুর বিষয়টি আমি শুনেছি। এবিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তারপরও আমি সাধারণ ভাবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : ‘দূষণ, দখলমুক্ত ও প্রবাহমান নদী চাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা অঞ্চলের নদ-নদী রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এই মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জোলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, গণফোরাম নেতা আলী নূর খান বাবলু, কলেজ ছাত্র তারিক ইসলাম, নারী নেত্রী আশুরা খাতুন, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সমন্বয়ক হাবিবুল হাসান, বারসিক কর্মকর্তা মাহিদা মিজান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দখল দূষণ আর নাব্যতা সংকটে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। নদ-নদীর অপমৃত্যু হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। দুর্বিসহ হয়ে পড়ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সেই সাথে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি খাদ্য সংকটও তৈরি হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় ৪৩টি নদী ছিল। এখন বেঁচে আছে মাত্র ৭টি। নদী জীবন্ত একটি সত্ত্বা। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণ ছাড়াও মানব সৃষ্ট কারণে নদ-নদী প্রাণ হারাচ্ছে। নদী দখল বন্ধ করতে হবে। নদী-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দিয়েই কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা যেতে পারে।
বক্তারা এ সময় সাতক্ষীরা অঞ্চলের নদ-নদী রক্ষার দাবিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest