সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্তসাধারণ সম্পাদকদের বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাতক্ষীরায় আম সংগ্রহ শুরু : সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা চাষিদেরসাতক্ষীরার বদরতলা-টু-ব্যাংদহা রোডে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য শ্যামনগরে ২০ লাখ টাকার দাবিতে অপহৃত পশু চিকিৎসক  দু’দিন পর মুক্ত : আটক-৩

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় জামায়াতের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
অযৌক্তিকভাবে সরকার কর্তৃক জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াত ইসলামী জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের (জজকোর্ট এলাকায়) জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী
মাওলানা আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, সারাদেশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মাধ্যমে জাতিকে অন্ধকারে রেখে অবৈধ সরকার অযৌক্তিকভাবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং অবিলম্বে এই গন বিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন দেশে আজ দুর্নীতির মহোৎসব। তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষের উপর চাপানোর ব্যবস্থা করছে। তিনি আরো বলেন যে, অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম না কমালে জনগণকে সাথে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকমীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় প্রতিপক্ষের হামলায়  চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় খেশরা ইউনিয়নের কুলপোতা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাশ সানা (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

বিকাশ সানা খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌরসভার বাসিন্দা ও তালার কুলপোতা গ্রামে জমি কিনে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। খেশরা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য নিমাই সানা জানান, পারিবারিক অতি ক্ষুদ্র বিষয়কে কেন্দ্র করে গত শনিবার (৭ আগস্ট) বিকালে বিকাশ সানা ও প্রতিবেশী মৃত লক্ষীকান্ত ম-লের ছেলে রবীন্দ্র নাথ ম-লের সাথে ঝগড়া হয়।

ঝগড়ার এক পর্যায়ে রবীন্দ্র নাথ ম-ল ধারালো কোদাল দিয়ে নিমাই সানার মাথার নীচে ঘাড়ের কাছে কোপ মারে। এতে মারাত্মক আহত বিকাশ সানাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সাতক্ষীরা হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থার অবনতি হলে শনিবার রাতেই চিকিৎসকরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃতের লাশ পোস্ট মর্টেমের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। এ বিষয়ে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খাঁন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি কিন্তু কেউ বিষয়টি নিয়ে থানায় আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য জাফলংয়ের খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি উপজেলার জাফলং এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামের কাদের মোল্লার কন্যা ভুক্তভোগী মোছাঃ রিপা পারভীন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি উপজেলার জাফলং এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে খোকন মিয়া (২৯) একজন নারী পাচার কারী দলের সদস্য, নারী লোভি ও বাটপাট প্রকৃতির।

আমার সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় খোকন মিয়ার আনুমানিক ২০২০ সালে। দীর্ঘ তিন বছর কথা বলার সুবাধে আমাদের মধ্যে তৈরি হয় বন্ধুত্ব। খোকন মিয়া কাজ করত তখন মালেয়শিয়ার একটি কোম্পানিতে। পরবর্তীতে খোকন মিয়া আমাকে মালেয়শিয়ায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বিবাহসহ বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখাতে থাকে। আমি তার কথায় রাজি হয়ে বাংলাদেশে তার বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাই। সে প্রথমে বলে আমার বাড়ী সিলেটে।

সিলেটে কোথায় বাড়ী ? সেখানকার ঠিকানা জানতে চাইলে সে বলে আমার বাড়ী নেত্রকোনায়। ঠিকানার এই গরমিলের কারনে আমার মনে সন্দেহের সৃষ্ঠি হতে থাকে। এরপর আমি বিষয়টি আমার পরিবারসহ আতœীয় স্বজনদের জানাই। আমার পরিবার ও স্বজনরা একে একে তার ব্যবহারকৃত মোবাইল ০০৬০১৯৮৩৯২৩১৯ নাম্বারে কথা বলার চেষ্টা করে এবং সে বিভিন্ন সময় তার পরিচয় বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে থাকে। তার কথা অনুযায়ী সর্বশেষ তার বাড়ীর ঠিকানা নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি থানার জাফলং এলাকায় দিয়ে থাকে। তার বাড়ির ঠিকানায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় খোকন মিয়া একজন নারী পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। আমি খোকন মিয়ার প্রতারণার কথা জেনে তার কাছে জিজ্ঞাসা করতেই সে আমাকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায গালিগালাজ করে।

বিষয়টি আমি আমার পরিবারের কাছে জানালে তার সাথে যোগাযোগ না করার পরামর্শ দেয় আমার পরিবার। পরবর্তিতে আমার হোয়াট্সঅ্যাপ নাম্বারে রেকর্ড এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজসহ জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সে বলে সে মালেশিয়া থাকলে কী হবে বাংলাদেশে তার নারী পাচারকারী চক্রের যে সদস্যরা রয়েছে তাদের দিয়ে আমার মান সম্মান নিয়ে এমনভাবে টানাটানি করবে যাতে আমি আর বাইরে বেরোতে পারবেনা তার ব্যবস্থা করবে বলে হুমকি প্রদান করে। বর্তমান আমিচরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ, সহকারী পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক হলেন সাতক্ষীরার শোভন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সম্পাদক পদ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোঃ আনিম ইরতিজা(শোভন)।

তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায়।

সোমবার রাতে সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তাকে এ পদায়ন করা হয়।

৩১ জুলাই রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে বিভিন্ন সময়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদেরকে চিঠির মাধ্যমে পদায়ন করা হয়।

এর আগে শোভন হল ছাত্রলীগের উপ-পাঠাগার সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২ মেয়াদে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার বড় চাচা ডি.এম.সিরাজুল ইসলাম কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক(১৯৯৬),কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক(২০০৪)ও বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

শোভনের বাবা মোঃ মনিরুল ইসলাম কালিগঞ্জ উপজেলার ৪নং দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমানে তিনি উক্ত ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পরপর ২ মেয়াদে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।শোভনের নানা মোঃ ছহিল উদ্দীন সরদার একজন মুক্তিযোদ্ধা।

শোভন সদালাপী ও নিরহংকারী।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য যে কোন সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

শোভন দেশরতœ শেখ হাসিনার ভিশন ও মিশন নিয়ে কাজ করতে চান।১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল শহীদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে ৪ বছরের প্রেম : ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করে বিয়ে করলেন প্রেমিকা

আসাদুজ্জামান : ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ৪ বছরের প্রেম। অতঃপর প্রেমকে বাস্তবে রুপদিতে সুদুর ভারত থেকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামে আসা প্রেমিকা বহ্নিশিখা ঘোষের। নিজের চেয়ে কম বয়সী এবং কম শিক্ষিত প্রেমিককে বিয়ে করতে প্রথমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করেন তিনি।

এরপর দীর্ঘদিনের প্রেমিক মুন্নাকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছেন বহ্নিশিখা ঘোষ ওরফে ফারজানা ইয়াসমিন। বিষয়টি এলাকায় ব্যপক ভাবে আলোচিত হয়েছে। এতিম ও দরিদ্র প্রেমিকের মাতাসহ এলাকার মানুষদের সহযোগিতায় ভালভাবে দিন কাটাচ্ছেন বহ্নিশিখা ঘোষ ওরফে ফারজানা ইয়াসমিন (২৭) ও ইব্রাহীম হোসেন ওরফে মুন্না (২৫) দম্পত্তির।

কিন্তু এলাকার একটি কুচক্রী মহলের দফায় দফায় হুমকি ও হয়রানীতে তাদের দাম্পত্য জীবনে এখন নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
ফারজানা ইয়াসমিন ওরফে বহ্নিশিখা ঘোষ জানান, তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তার পিতার নাম বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ। তার বাড়ি কোলকাতার ব্যারকপুরের তালপুকুর এলাকায়। তিনি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

প্রায় ৪বছর আগে ফেসবুকে তার পরিচয় হয় তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের মৃত. রেজাউল ইসলাম আকুঞ্জির ছেলে ইব্রাহীম হোসেন মুন্নার সাথে। পরিচয়রে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন প্রেম করার পর বহ্নিশিখা নিজ ইচ্ছাতেই পাসপোর্টের মাধ্যমে তালার জেঠুয়া গ্রামে আসেন। এরপর গত ২৮/০৩/২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে বহ্নিশিখা ঘোষ নাম পরিবর্তন করে ফারজানা ইয়াসমিন নাম গ্রহন করেন। পরে প্রেমিক মুন্নাকে মুসলিম আইনে রেজিষ্ট্রি বিয়েসহ আরও একটি অ্যাফিডেভিট করে বিয়ে করেন।
ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, মুসলিম হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি আর কখনও ভারতে ফিরে যাবোনা। এদেশে স্থায়ী ভাবে থাকার জন্য নাগরিকত্ব পেতে সরকারের নিকট আবেদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, স্বামী মুন্নার সংসারে আমি সুখে শান্তিতে ছিলাম। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের সহযোগিতায় আমার পিতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ ও পুলিশ অফিসার দুই মামা প্রতিনিয়ত আমাকে এবং আমার স্বামীর পরিবারকে হয়রানীসহ হুমকি প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে আমিসহ আমার স্বামীর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, বিয়ের পর জেঠুয়া গ্রামে স্বামীর সাথে দেড় মাস সংসার করে আমি কোলকাতায় আমার পিতার বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে যেয়ে পিতা ও মাতাকে বিয়ের কথা জানালে তারা আমার স্বামীকে তালাক প্রদানের জন্য চাঁপ দিতে থাকে। আমি রাজি না হওয়ায় আমার পিতা ও মাতাসহ ভারতের পুলিশ অফিসার মামা বিকাশ পাল, গোবিন্দ পাল ও অপর মামা শম্ভুনাথ পাল ব্যপক ভাবে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা আমাকে পিটিয়ে ও জোর করে ওষুধ সেবন করিয়ে আমার গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেন। তাদের অত্যাচর সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ্যাবস্থায় আমি আবারও বেনাপোল দিয়ে জেঠুয়া গ্রামে স্বামীর বাড়িতে চলে আসি। এখানে থাকাকালে এলাকার একটি কুচক্রী মহল আমার ও আমার স্বামীর পরিবারের কাছে অনৈতিক দাবী করতে থাকেন। আমরা সেই দাবী পুরন না করায় এ চক্রটি ক্ষুব্ধ হয়ে ভারতে আমার পিতার সাথে যোগাযোগ করেন। তারা আমার পিতার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তারপর থেকে তারা আমার পরিবারকে এখানকার পুলিশ প্রশাসন’র নাম ভাঙ্গিয়ে হয়রানী করাসহ হুমকি প্রদান করে আসছেন। এমনকি আমার স্বামীর বিরুদ্ধে হয়রানীকর ও মিথ্যা বক্তব্য প্রদানের জন্য তারা আমাকে চাঁপ দিয়ে আসছেন। এসব বিষয়ে প্রতিকার পেতে এবং দ্রুত নাগরিকত্ব পেতে অসহায় নব-মুসলিম গৃহবধু ফারজানা ইয়াসমিন সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে ফারজানার স্বামী মুন্না জানান, আমি বয়সে ছোট ও লেখাপড়ায় কম হলেও ফারজানা ইয়াসমিন আমাকে প্রচন্ড ভালবাসতো। সেইভাবে সে ভারত থেকে এদেশে আসে এবং আমাকে বিয়ে করে। তাকে নিয়ে আমি খুবই সুখে রয়েছি। কিন্তু আমাদের এই এলাকাসহ সাতক্ষীরার কতিপয় ব্যক্তিরা বিভিন্ন বড় বড় পরিচয় দিয়ে আমাকেসহ আমার মা রুবিনা বেগম, মামা. ফারুক হুসাইন এবং নিকট আত্মীয়দের নানাবিধ হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া ওইসকল কূচক্রী মহল আমাদের হয়রানী করার জন্য নানান অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের কারনে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ ও তালা থানা পুলিশ আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২/৩দিন আগে থানায় নিয়ে আসেন। পরে আমাদের মধ্যে খারাপ কিছু না পাওয়ায় এবং ঘটনার সবকিছু জেনে পুলিশ আমাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। স্থানীয় কুচক্রী মহল ও ভারতের শশুরবাড়ির লোকদের হুমকি, হয়রানী ও অপপ্রচারের ঘটনার প্রতিকার পেতে সফল প্রেমিক মুন্না আকুঞ্জি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, কামালনগর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র আনারুল ইসলাম রনি।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি গত ২০১৯ সালে সাতক্ষীরার রসুলপুর মৌজায়, খতিয়ান নং, ডিএস ৪৮৪, এস এ ৪৪৯ নং খারিজ মতে ৪৪৯/২০ নং খন্ড যার হোল্ডিং ২২৩৭. বুজরাত ১৮২৬ নং ডিপি ১০৬৬ নং খতিয়ানে দাগ নং সাবেক ১৬৮২, হাল ৩১৪ দাগে বিলান ৬১ শতকের মধ্যে এস এ রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারেশের কাছ থেকে ২.৬৮ শতক জমি অপ্রত্যাহার যোগ্য রেজিস্ট্রি পাওয়ার অব এ্যাটর্নী গ্রহণ করে ভোগদখল শুরু করি।

এর আগে একই দাগের অন্য শরিকদের নিকট থেকে ওই দাগের সম্পত্তি (২.৬৮ শতক বাদে) ক্রয় করেন কুলিয়া গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর পুত্র এমাদুল ইসলাম। পরবর্তীতে আমি ওই সম্পত্তির শরিকদের নিকট থেকে ২.৬৮ শতক সম্পত্তি ক্রয় করি।

সম্প্রতি এমাদুল ইসলাম উক্ত ৬১ শতক সম্পত্তি পুরোটাই অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে দেং ১৬৩/২১ নং মামলায় ১৫১ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপরও পুরো ৬১ শতক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করলে আমরা বাধা দিলে এমাদুলগং ডিবি পুলিশের অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ আগস্ট ২২ তারিখে বৃহস্পতিবার ডিবি কার্যালয়ে বসাবসি হলেও সেখানে কোন সমাধান হয়নি। অথচ ০৪ আগস্ট ২২ তারিখে বহু লোকজন ভাড়া করে এমাদুল ইসলাম সেখানে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। আমি ৪ আগস্ট ২২ তারিখে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশের এস আই হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ বন্ধ করার জন্য বলেন এবং সন্ধ্যায় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। কিন্তু তারা পুলিশের কথা উপেক্ষা করে কাজ করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সহযোগি আব্দুল করিম এর ব্যবহৃত ০১৭৪০ ৯৬১০৮০ নাম্বারে এমাদুল ইসলাম বিকাল ৩.২৬ মিনিটে ০১৯৩৯ ০২৪২৩৩ নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে বলে“তোদের এত বড় সাহস পুলিশ নিয়ে গেছিস, গরম ডিম দেবো, তোদের নামে একডজন মামলা দেবো, প্রয়োজনে দুই কোটি টাকা খরচ করবো, রনির জমিতে যেতে বল। তারপর দেখ কয়টা মামলা লাগে”। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। দীর্ঘ ১০ বছর পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত সম্পত্তি অবৈধভাবে কালো টাকার প্রভাবে দখলের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে ওই প্রবাসী এমাদুল ইসলাম। অথচ আমি আওয়ামীলীগের কর্মী হয়েও আমাকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে যাচ্ছে। তিনি অবৈধ দখলদার এমাদুলের কবল থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি রক্ষা এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকির হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির পাইথালীতে অচেতন করে দুঃসাহসিক চুরি

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে জানালার গ্ৰীল খুলে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার গভীর রাতের কোন এক সময়ে পাইথালী গ্ৰামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবঃপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ময়নুদ্দীন সরদার (ময়না মাস্টার) এর বাড়ির সদস্যদের অচেতন করে জানালার গ্ৰীলের স্ক্রু খুলে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

তবে এ রিপোর্ট লেখা অবদি অচেতনাশকের ক্রিয়ায় ময়না মাস্টার এবং উনার সহধর্মিণী অচেতন অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এ ঘটনায় কি পরিমান নগত অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ অন্য জিনিস পত্র নিয়ে গেছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ময়না মাস্টারের ছোট মেয়ে মুক্তা জানান, চোরচক্রটি বাড়ির প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করে সম্ভবত অচেতন করা স্প্রের মাধ্যমে বারান্ডায় গ্ৰীলের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা তার পিতা-মাতাকে অচেতন করে ঘরের পিছনের দিকের জানালার কাঠের ফ্রেমের সাথে স্ক্রু দিয়ে আটকানো গ্ৰীল খুলে ভিতরে প্রবেশ করে।

রাতে তার ভাই বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় ঘুমিয়ে ছিলো। সে আরও বলে, তার মা সুস্থ হয়ে না উঠা পর্যন্ত কি পরিমান নগত অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ অন্য জিনিস পত্র নিয়ে গেছে তার সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব হবে না। তবে ঘরের আলমারিতে তার শিক্ষিকা বোনের ১লক্ষ্য টাকা ও ৫ ভরি সোনার গহনা ছিলো সে গুলো খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে বাড়িতে কাজ করার জন্য লোকজন এসে অনেক ডাকাডাকির পরে গেট না খোলায় তারা অচেতন করার বিষয়টি জানাতে পারে। পরবর্তীতে জানালার গ্ৰীল খুলে চুরির বিষয়টি জানতে পারে।

শনিবার সকালে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিহাব হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন উপজেলাবাসী এ চক্রের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর কাছে। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নগদ একাউন্ট থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় নগদ একাউন্ট থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামিলা খাতুন প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, পৌরসভার বাঁকাল পাটনিপাড়া মোড়ে তামান্না বস্ত্রালয় নামের প্রতিষ্ঠান থেকে ০১৯১৯৫১১৭৮৬ নাম্বারে নগদ একাউন্ট খোলেন বাঁকাল জেলেপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের স্ত্রী জামিলা খাতুন।

তিনি লেখাপড়া না জানার কারনে একাউন্টের পিন নম্বর জানেন তামান্না বস্ত্রালয়ের মালিক আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র মিজানুর রহমান। ওই একাউন্টে ভাতার ৬ হাজার টাকা আসলে ২৯/৬/২০২২ তারিখ বেলা ০২.৫২ মিনিটে মিজানুর রহমান তার নগদ ০১৮৫৪৮৭২৯৯৯ নাম্বারে ক্যাশ আউট করে নেয়।

কিন্তু তিনি কয়েকবার ভাতার টাকার বিষয়ে মিজানুর রহমানের কাছে গেলে তিনি বলেন কোন টাকা আসেনি। শুধু জামিলা খাতুন ই নন ইতোপূর্বে আরো অনেকের বয়স্ক ভাতার প্রথম চালানের ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মিজানুর রহমান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান বলেন, আমি কারো কোন টাকা নেয়নি। জামিলার বয়স্ক ভাতা টাকা আসেনি। ফাও অভিযোগ করেছে জামিলা।

নগদ এর পাবলিক রিলেশন অফিসার(হেড অফিস) দেবব্রত মুখাার্জির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলেই সাথে সাথেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নগদ এধরনের অপরাধ কোন ভাবেই মেনে নেবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest