সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ডদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু পোনা খালে অবমুক্ত

ফেসবুকে ৪ বছরের প্রেম : ভারত থেকে বাংলাদেশে এসে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করে বিয়ে করলেন প্রেমিকা

আসাদুজ্জামান : ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ৪ বছরের প্রেম। অতঃপর প্রেমকে বাস্তবে রুপদিতে সুদুর ভারত থেকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামে আসা প্রেমিকা বহ্নিশিখা ঘোষের। নিজের চেয়ে কম বয়সী এবং কম শিক্ষিত প্রেমিককে বিয়ে করতে প্রথমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করেন তিনি।

এরপর দীর্ঘদিনের প্রেমিক মুন্নাকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছেন বহ্নিশিখা ঘোষ ওরফে ফারজানা ইয়াসমিন। বিষয়টি এলাকায় ব্যপক ভাবে আলোচিত হয়েছে। এতিম ও দরিদ্র প্রেমিকের মাতাসহ এলাকার মানুষদের সহযোগিতায় ভালভাবে দিন কাটাচ্ছেন বহ্নিশিখা ঘোষ ওরফে ফারজানা ইয়াসমিন (২৭) ও ইব্রাহীম হোসেন ওরফে মুন্না (২৫) দম্পত্তির।

কিন্তু এলাকার একটি কুচক্রী মহলের দফায় দফায় হুমকি ও হয়রানীতে তাদের দাম্পত্য জীবনে এখন নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
ফারজানা ইয়াসমিন ওরফে বহ্নিশিখা ঘোষ জানান, তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। তার পিতার নাম বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ। তার বাড়ি কোলকাতার ব্যারকপুরের তালপুকুর এলাকায়। তিনি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

প্রায় ৪বছর আগে ফেসবুকে তার পরিচয় হয় তালা উপজেলার জেঠুয়া গ্রামের মৃত. রেজাউল ইসলাম আকুঞ্জির ছেলে ইব্রাহীম হোসেন মুন্নার সাথে। পরিচয়রে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমজ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন প্রেম করার পর বহ্নিশিখা নিজ ইচ্ছাতেই পাসপোর্টের মাধ্যমে তালার জেঠুয়া গ্রামে আসেন। এরপর গত ২৮/০৩/২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে অ্যাফিডেভিট করে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে বহ্নিশিখা ঘোষ নাম পরিবর্তন করে ফারজানা ইয়াসমিন নাম গ্রহন করেন। পরে প্রেমিক মুন্নাকে মুসলিম আইনে রেজিষ্ট্রি বিয়েসহ আরও একটি অ্যাফিডেভিট করে বিয়ে করেন।
ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, মুসলিম হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি আর কখনও ভারতে ফিরে যাবোনা। এদেশে স্থায়ী ভাবে থাকার জন্য নাগরিকত্ব পেতে সরকারের নিকট আবেদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, স্বামী মুন্নার সংসারে আমি সুখে শান্তিতে ছিলাম। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের সহযোগিতায় আমার পিতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ ঘোষ ও পুলিশ অফিসার দুই মামা প্রতিনিয়ত আমাকে এবং আমার স্বামীর পরিবারকে হয়রানীসহ হুমকি প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে আমিসহ আমার স্বামীর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, বিয়ের পর জেঠুয়া গ্রামে স্বামীর সাথে দেড় মাস সংসার করে আমি কোলকাতায় আমার পিতার বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে যেয়ে পিতা ও মাতাকে বিয়ের কথা জানালে তারা আমার স্বামীকে তালাক প্রদানের জন্য চাঁপ দিতে থাকে। আমি রাজি না হওয়ায় আমার পিতা ও মাতাসহ ভারতের পুলিশ অফিসার মামা বিকাশ পাল, গোবিন্দ পাল ও অপর মামা শম্ভুনাথ পাল ব্যপক ভাবে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা আমাকে পিটিয়ে ও জোর করে ওষুধ সেবন করিয়ে আমার গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেন। তাদের অত্যাচর সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ্যাবস্থায় আমি আবারও বেনাপোল দিয়ে জেঠুয়া গ্রামে স্বামীর বাড়িতে চলে আসি। এখানে থাকাকালে এলাকার একটি কুচক্রী মহল আমার ও আমার স্বামীর পরিবারের কাছে অনৈতিক দাবী করতে থাকেন। আমরা সেই দাবী পুরন না করায় এ চক্রটি ক্ষুব্ধ হয়ে ভারতে আমার পিতার সাথে যোগাযোগ করেন। তারা আমার পিতার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তারপর থেকে তারা আমার পরিবারকে এখানকার পুলিশ প্রশাসন’র নাম ভাঙ্গিয়ে হয়রানী করাসহ হুমকি প্রদান করে আসছেন। এমনকি আমার স্বামীর বিরুদ্ধে হয়রানীকর ও মিথ্যা বক্তব্য প্রদানের জন্য তারা আমাকে চাঁপ দিয়ে আসছেন। এসব বিষয়ে প্রতিকার পেতে এবং দ্রুত নাগরিকত্ব পেতে অসহায় নব-মুসলিম গৃহবধু ফারজানা ইয়াসমিন সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে ফারজানার স্বামী মুন্না জানান, আমি বয়সে ছোট ও লেখাপড়ায় কম হলেও ফারজানা ইয়াসমিন আমাকে প্রচন্ড ভালবাসতো। সেইভাবে সে ভারত থেকে এদেশে আসে এবং আমাকে বিয়ে করে। তাকে নিয়ে আমি খুবই সুখে রয়েছি। কিন্তু আমাদের এই এলাকাসহ সাতক্ষীরার কতিপয় ব্যক্তিরা বিভিন্ন বড় বড় পরিচয় দিয়ে আমাকেসহ আমার মা রুবিনা বেগম, মামা. ফারুক হুসাইন এবং নিকট আত্মীয়দের নানাবিধ হুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া ওইসকল কূচক্রী মহল আমাদের হয়রানী করার জন্য নানান অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের কারনে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ ও তালা থানা পুলিশ আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২/৩দিন আগে থানায় নিয়ে আসেন। পরে আমাদের মধ্যে খারাপ কিছু না পাওয়ায় এবং ঘটনার সবকিছু জেনে পুলিশ আমাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। স্থানীয় কুচক্রী মহল ও ভারতের শশুরবাড়ির লোকদের হুমকি, হয়রানী ও অপপ্রচারের ঘটনার প্রতিকার পেতে সফল প্রেমিক মুন্না আকুঞ্জি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, কামালনগর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র আনারুল ইসলাম রনি।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি গত ২০১৯ সালে সাতক্ষীরার রসুলপুর মৌজায়, খতিয়ান নং, ডিএস ৪৮৪, এস এ ৪৪৯ নং খারিজ মতে ৪৪৯/২০ নং খন্ড যার হোল্ডিং ২২৩৭. বুজরাত ১৮২৬ নং ডিপি ১০৬৬ নং খতিয়ানে দাগ নং সাবেক ১৬৮২, হাল ৩১৪ দাগে বিলান ৬১ শতকের মধ্যে এস এ রেকর্ডীয় মালিকের ওয়ারেশের কাছ থেকে ২.৬৮ শতক জমি অপ্রত্যাহার যোগ্য রেজিস্ট্রি পাওয়ার অব এ্যাটর্নী গ্রহণ করে ভোগদখল শুরু করি।

এর আগে একই দাগের অন্য শরিকদের নিকট থেকে ওই দাগের সম্পত্তি (২.৬৮ শতক বাদে) ক্রয় করেন কুলিয়া গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর পুত্র এমাদুল ইসলাম। পরবর্তীতে আমি ওই সম্পত্তির শরিকদের নিকট থেকে ২.৬৮ শতক সম্পত্তি ক্রয় করি।

সম্প্রতি এমাদুল ইসলাম উক্ত ৬১ শতক সম্পত্তি পুরোটাই অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে দেং ১৬৩/২১ নং মামলায় ১৫১ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপরও পুরো ৬১ শতক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করলে আমরা বাধা দিলে এমাদুলগং ডিবি পুলিশের অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ আগস্ট ২২ তারিখে বৃহস্পতিবার ডিবি কার্যালয়ে বসাবসি হলেও সেখানে কোন সমাধান হয়নি। অথচ ০৪ আগস্ট ২২ তারিখে বহু লোকজন ভাড়া করে এমাদুল ইসলাম সেখানে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করে। আমি ৪ আগস্ট ২২ তারিখে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশের এস আই হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের কাজ বন্ধ করার জন্য বলেন এবং সন্ধ্যায় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। কিন্তু তারা পুলিশের কথা উপেক্ষা করে কাজ করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সহযোগি আব্দুল করিম এর ব্যবহৃত ০১৭৪০ ৯৬১০৮০ নাম্বারে এমাদুল ইসলাম বিকাল ৩.২৬ মিনিটে ০১৯৩৯ ০২৪২৩৩ নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং খুন জখমের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে বলে“তোদের এত বড় সাহস পুলিশ নিয়ে গেছিস, গরম ডিম দেবো, তোদের নামে একডজন মামলা দেবো, প্রয়োজনে দুই কোটি টাকা খরচ করবো, রনির জমিতে যেতে বল। তারপর দেখ কয়টা মামলা লাগে”। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। দীর্ঘ ১০ বছর পৌর ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত সম্পত্তি অবৈধভাবে কালো টাকার প্রভাবে দখলের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে ওই প্রবাসী এমাদুল ইসলাম। অথচ আমি আওয়ামীলীগের কর্মী হয়েও আমাকে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে যাচ্ছে। তিনি অবৈধ দখলদার এমাদুলের কবল থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি রক্ষা এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানির হুমকির হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির পাইথালীতে অচেতন করে দুঃসাহসিক চুরি

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে জানালার গ্ৰীল খুলে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার গভীর রাতের কোন এক সময়ে পাইথালী গ্ৰামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবঃপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ময়নুদ্দীন সরদার (ময়না মাস্টার) এর বাড়ির সদস্যদের অচেতন করে জানালার গ্ৰীলের স্ক্রু খুলে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

তবে এ রিপোর্ট লেখা অবদি অচেতনাশকের ক্রিয়ায় ময়না মাস্টার এবং উনার সহধর্মিণী অচেতন অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এ ঘটনায় কি পরিমান নগত অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ অন্য জিনিস পত্র নিয়ে গেছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ময়না মাস্টারের ছোট মেয়ে মুক্তা জানান, চোরচক্রটি বাড়ির প্রাচীর টপকে ভিতরে প্রবেশ করে সম্ভবত অচেতন করা স্প্রের মাধ্যমে বারান্ডায় গ্ৰীলের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা তার পিতা-মাতাকে অচেতন করে ঘরের পিছনের দিকের জানালার কাঠের ফ্রেমের সাথে স্ক্রু দিয়ে আটকানো গ্ৰীল খুলে ভিতরে প্রবেশ করে।

রাতে তার ভাই বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় ঘুমিয়ে ছিলো। সে আরও বলে, তার মা সুস্থ হয়ে না উঠা পর্যন্ত কি পরিমান নগত অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ অন্য জিনিস পত্র নিয়ে গেছে তার সঠিক তথ্য দেয়া সম্ভব হবে না। তবে ঘরের আলমারিতে তার শিক্ষিকা বোনের ১লক্ষ্য টাকা ও ৫ ভরি সোনার গহনা ছিলো সে গুলো খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। সকালে বাড়িতে কাজ করার জন্য লোকজন এসে অনেক ডাকাডাকির পরে গেট না খোলায় তারা অচেতন করার বিষয়টি জানাতে পারে। পরবর্তীতে জানালার গ্ৰীল খুলে চুরির বিষয়টি জানতে পারে।

শনিবার সকালে ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন বুধহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সিহাব হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন উপজেলাবাসী এ চক্রের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর কাছে। ###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নগদ একাউন্ট থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় নগদ একাউন্ট থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামিলা খাতুন প্রতিকার চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, পৌরসভার বাঁকাল পাটনিপাড়া মোড়ে তামান্না বস্ত্রালয় নামের প্রতিষ্ঠান থেকে ০১৯১৯৫১১৭৮৬ নাম্বারে নগদ একাউন্ট খোলেন বাঁকাল জেলেপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের স্ত্রী জামিলা খাতুন।

তিনি লেখাপড়া না জানার কারনে একাউন্টের পিন নম্বর জানেন তামান্না বস্ত্রালয়ের মালিক আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র মিজানুর রহমান। ওই একাউন্টে ভাতার ৬ হাজার টাকা আসলে ২৯/৬/২০২২ তারিখ বেলা ০২.৫২ মিনিটে মিজানুর রহমান তার নগদ ০১৮৫৪৮৭২৯৯৯ নাম্বারে ক্যাশ আউট করে নেয়।

কিন্তু তিনি কয়েকবার ভাতার টাকার বিষয়ে মিজানুর রহমানের কাছে গেলে তিনি বলেন কোন টাকা আসেনি। শুধু জামিলা খাতুন ই নন ইতোপূর্বে আরো অনেকের বয়স্ক ভাতার প্রথম চালানের ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মিজানুর রহমান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান বলেন, আমি কারো কোন টাকা নেয়নি। জামিলার বয়স্ক ভাতা টাকা আসেনি। ফাও অভিযোগ করেছে জামিলা।

নগদ এর পাবলিক রিলেশন অফিসার(হেড অফিস) দেবব্রত মুখাার্জির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলেই সাথে সাথেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নগদ এধরনের অপরাধ কোন ভাবেই মেনে নেবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরায় সাদ্দামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোমরা ট্রান্সপোর্ট এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবৈধ চাঁদাবাজীর দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল ৫ টায় ভোমরা বন্দর এলাকায় ডাম্পার চালকদের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ভোমরার ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি এবাদুল ইসলাম গাজীর সভাপতিত্বে ও আলমগীর হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ভোমরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম।

বক্তব্য দেন ভোমরা স্থলবন্দর ট্রান্সপোর্ট মালিক সমবায় সমিতি লিঃ (রেজিঃ নং- ৮৬) এর সহ-সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ভোমরা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সভাপতি হাফেজ বিল্লাল হোসেন, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান, ডাম্পার চালক বকুল হাসান, ফয়সাল খান চৌধুরী, রিপন হোসেন বাবু, আনারুল ইসলাম প্রমূখ। এসময় বক্তারা বলেন, ভোমরা স্থবন্দরে কোন অবৈধ চাঁদাবাজী করতে দেয়া হবে না। ভোমরা স্থলবন্দরকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে অবৈধ চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাদ্দাম হোসেন মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছেন। এসময় বক্তারা অবিলম্বে সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশু মারা গেছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের ভড়ভোড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওই শিশুর নাম ফারহানা (৭)।

পুকুরে ডুবে মারা যাওয়া ফারহানা সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার সালখালি গ্রামের ফজর আলী সরদারের মেয়ে।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নিকট আত্মীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশু ফারহানা উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নে নানার বাড়ি ভড়ভোড়িয়া টানে গ্রামে বেড়াতে আসে। আজ শুক্রবার দুপুরে শিশু ফারহানা নানার বাড়ির একটি পুকুরের পাশের খেলা করছিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে পুকুরের পাশে খেলতে না দেখে শিশুটির নানি খোঁজাখুঁজি শুরু করে।

খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পুকুরের পানির নিচ থেকে শিশুকে উদ্ধার করে স্বজনেরা। পরে স্বজনেরা এসে পুকুর থেকে শিশুটাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহেলী আফরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থানাঘাটায় পীর শাহ মিয়া সাহেবের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা সদরের থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির আয়োজনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ জুলাই শুক্রবার জুম্মা বাদ থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেব মাদ্রাসা ও এতিমখানা চত্বরে পীর শাহ মিয়া সাহেবের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলাম।

থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন, পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা এড. আকবর আলী, জেলা ভুমিহীন সমিতির সহ সভাপতি শেখ শওকত আলী, সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা সহ-সভাপতি মানবাধিকার কর্মী শেখ ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান,

সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, লাবসা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি শেখ রিয়াজুল ইসলাম, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, শেখ ফজলু হক, বেল্লাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, হেলাল উদ্দিন, মগবুল হোসেন, আব্দুর সবুর, মহব্বতসহ স্থানীয় মুসলিমগন প্রমুখ। দোয়া মাহফিলের শেষে স্থানীয়দের সর্বসম্মতিক্রমে সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সরদার নজরুল ইসলামকে সভাপতি, শেখ ফারুক হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ও শেখ রিয়াজুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট থানাঘাটা পীর শাহ মিয়া সাহেবের সম্পত্তি রক্ষার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয় এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

তালা প্রতিনিধি ::
তালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

তালা উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগে শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপত্বি করেন তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রুহুল কুদ্দুস, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাঁপড়ী। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখে তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মীর জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়নুল ইসলাম প্রমূখ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest