সর্বশেষ সংবাদ-
বন্ধন টেলিমিডিয়া ও শিল্পী সংসদের আয়োজনে স্মৃতি চারন ও দোয়ারমজানের পবিত্রতা রক্ষায় নগ্নতা বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিলআহলে হাদীছ যুব সংঘ সাতক্ষীরার মাহে রামাযানের পবিত্রতা রক্ষায় র‌্যালিসাতক্ষীরা সদর বিআরডিবি ইউসিসিএর বার্ষিক সাধারণ সভাসঙ্গীতা মোড়ে নিউ ভ্যারাইটি স্টোরের উদ্বোধনশেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় খালাস সাবেক সাংসদ হাবিব : সাতক্ষীরায় আনন্দ মিছিলকালিগঞ্জে ভার্মি কম্পোষ্ট ব্যবহারে স্থানীয় কৃষকদের সাথে এডভোকেসি সভাবাঁচতে চায় আশাশুনির অসহায় কৃষক জাহাঙ্গীরসাতক্ষীরায় মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে এবি পার্টির পথসভাতৃতীয় স্বাধীনতার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি-আশাশুনিতে জামায়াত নেতা মুজিবুর রহমান

সরকার পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাবুলিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সরকার পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাবুলিয়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এঘটায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী মনিন্দ্র নাথ ভারতী সেনা বাহিনীর সাতক্ষীরা কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাবুলিয়া গ্রামের মৃত রাম গোপাল ভারতীর পুত্র মনিন্দ্র নাথ ভারতী পৈত্রিক সূত্রে বাবুলিয়া বাজারস্থ সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণ বসবাস করে আসছিলাম।

কিন্তু এলাকার মৃত তকিম মোল্যার পুত্র চিহ্নিত চাঁদাবাজ হোসেন আলী অবৈধভাবে মনিন্দ্র নাথের সম্পত্তি দখলের চক্রান্ত করে। একপর্যায়ে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর আইন শৃৃঙ্খলা বাহিনীর অবনতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে উক্ত সম্পত্তিতে থাকা ঘরবাড়ি এবং তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে গুড়িয়ে দেয়।

সে সময় ওই প্রতিষ্ঠানে থাকা ৫ লক্ষাধিক টাকা মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এরপরও হোসেন আলী মনিন্দ্র নাথ কে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে অফ সিজন  তরমুজ চাষে সফলতা

বিএম আলাউদ্দীন আশাশুনি:
আশাশুনি উপজেলায় অফ সিজনে তরমুজ চাষ করে কৃষক মেহদী হাসান সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। স্বল্প খরচ করে স্বল্প সময়ে অফ সিজন তরমুজ চাষ করে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করায় এলাকার কৃষকরা তরমুজ চাষে ঝুকতে শুরু করেছে।

আশাশুনি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এলাকায় অসময়ে অধিক ফলন সম্ভব ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করে আসছিলেন। কৃষি বিভাগ এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের আওতায় আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নে এই প্রথম বারের মত উচ্চ মূল্য ফসল প্রদর্শণী (অফ সিজন তরমুজ) চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করে। দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই তরমুজের ফলন পাওয়া যায়।

কৃষি কর্মকর্তা ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অনুধাবন করতে পেরে অন্যান্য কৃষকদের মধ্যে কুল্যার কৃষক মেহদী হাসান ৫০ শতক জমিতে এই ব্লাক জায়েন্ট জাতের তরমুজ চাষ করেন। তরমুজ চাষাবাদে তার সর্ব সাকুল্যে খরচ হয় ২৫ হাজার টাকা। কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় পরামর্শ্ব ও সহযোগিতা নিয়ে কৃ্ষক মেহদী হাসান কাজে নিয়োজিত থেকে চাষাবাদ করেন। এবং আশাপ্রদ ফলন পেয়ে লাভবান হয়েছেন।
কৃষক মেহদী হাসান জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ্ব নিয়ে অসময়ে তরমুজ উৎপাদন করে লাভবান হওয়ার আশায় বুক বেধে কাজ করেছি। মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে তরমুজ উঠাতে পেরে লাভের মুখ দেখতে পেয়ে দম ছেড়ে শান্তি পেয়েছি। প্রথম চালানে আমি ক্ষেত থেকে ১২ শ’ কেজি তরমুজ উঠাই। প্রত্যেকটি তরমুজ ৫/৭ কেজি থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়েছে। ৪০ টাকা কেজি দরে ক্ষেত থেকে পাইকারী হিসেবে তরমুজ বিক্রয় করে ৪৮ হাজার টাকা পেয়েছি। এতে আমার খরচ উঠে ২৩ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। ক্ষেতে এখনও যে ফল আছে তা বিক্রয় করে অন্ততঃ আরও ৫০/৬০ হাজার টাকা পাব ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, কৃষি কর্মকর্তা স্যারেরা নিয়মিত খোঁজ কবর নিয়ে থাকেন। তাদের পরামর্শ্বে রোগ বালাই দমন করে ভালভাবে চাষ করতে পেরে আমি লাভবান হতে পেরেছি। অসময়ে বড়বড় তরমুজ, দেখতে সুন্দর ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় তরমুজের চাহিদা অনেক বেশী।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম জানান, আমরা পরীক্ষামূলক ভাবে এবছর আশাশুনিতে এসএসিপি রেইনস প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মত উচ্চ মূল্য ফসল প্রদর্শণী (অফ সিজন তরমুজ) চাষের উদ্যোগ গ্রহন করি। এবছর প্রায় ২২ হেক্টর জমিতে অফ সিজন তরমুজ চাষ হয়েছে। ফলনও ভাল হয়েছে। মাঠ থেকে পাইকারী ৪০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রয় হচ্ছে। প্রথম চাষের কারণে খরচ একটু বেশী হয়ে থাকে। সে তুলনায় কৃষকরা তরমুজ বিক্রয় করে যথেষ্ট লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে খরচ কমে আসবে। তখন লাভের পরিমাণও বেড়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তিসহ ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মিথ্যা মামলায় ৭০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সাংসদ ও কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ সকল রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তিসহ ৫ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলারোয়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ৫ দফা দাবীতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারন সম্পাদক পরিষদ শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবী গুলোর মধ্যে রয়েছে, ২০০২ সালে কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনার ১২ বছর পর কলারোয়া থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে মনগড়া মিথ্যা চার্জশীট দাখিল করেন। যার প্রেক্ষিতে বিতর্কিত চার্জশিট ও মিথ্যা স্বাক্ষর ভিত্তিতে আদালত সাবেক এমপি হাবিবসহ ৫০ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে। নি¤œ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দী বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। ইতোমধ্যেই এই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত চারজন বিএনপি নেতা কর্মী কারা কর্তৃপক্ষের অবহেলায় মৃত্যুবরণ করেছে। সাবেক এমপি হাবিবসহ ৪৬ জন বিএনপি নেতাকর্মী অদ্যবধি কারা ভোগ করে চলেছে। অবিলম্বে কারাবন্দি বিএনপি নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে মামলায় ১২ বছর পর যাদের কাছ থেকে আলামত হিসেবে অস্ত্র জব্দ করা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করার দাবী জানানো হয়। কারন অস্ত্র আইনে উল্লেখ রয়েছে যাদের কাছ থেকে আলামত উদ্ধার হবে তারাই আসামী হবে, এছাড়া ইংরেজী ২১৫ সালের ১৪ জুলাই ও আরবী ২৭ রমজান তারিখে কলারোয়া সেনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও জোড়া খুনের মামলা পূনারাজ্জীবত করে এর সাথে সম্পৃক্ত আওয়ামীলীগ নেতাদের গ্রেপ্তারসহ আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়। ২০১৩ সালের ৫ মার্চ উপজেলা পরিরষদ ভাইস চেয়ারম্যান কার্যালয়ে বোমা প্রস্তুতকালে নিজেদের তৈরী বোমা বিস্ফোরিত হয়ে শুকুর আলী নামে একজন মারা যায়। আহত হয় আরো তিনজন। এ ঘটনায় জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়।

এছাড়া ২০০০ সালের ৫ অক্টোবর বন্যায় প্লাবিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সড়ক পথে কলারোয়া আসার সময় পথিমধ্যে ঝাউডাঙ্গা কলেজের সামনে পৌছালে কলারোয়া আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার গাড়ি বহরে হামলা চালায় ও নেত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষন করে। যে কারনে তিনি সেখান থেকে বিবিসিতে সাক্ষাৎকার দিয়ে ঢাকায় ফিরে যান। এরপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ও পুলিশ প্রশাসন সম্মিলিতভাবে কলারোয়া চৌরাস্তায় নির্মিত সভামঞ্চে হামলা চালায়, ভাংচুর করে ও পুলিশ প্রশাসন রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এরপর তারা ৪৬ বিএনপি নেতা-কর্মীর নামে জননিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে। পরে আদালত থেকে তারা জামিনে মুক্তি পাই। এ ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তসাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের এবং সকল প্রতিষ্ঠান থেকে দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ মুক্ত করার জোর দাবী জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, পৌর বিএনপির আহবায়ক মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা যুবদলের প্রধান সমন্বয়ক আইনুল ইসলাম নান্টা, জেলা কৃষক দলের সাবেক আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, শহর বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম সজীব, কলারোয়া উপজেলার বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ মিয়া, সাধারন সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, যুবদল নেতা সবুজ, পারভেজ, পলাশ, মোশরাফ, মোতাহার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি তারিকুল হাসান বলেন, শেখ হাসিনার গাড়ীবহর হামলার মিথ্যা মামলায় ফরমেয়শী রায়ে ৭০ বছরের কারাভোগ করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সাংসদ হাবিবসহ ৪৬ নেতা-কর্মী। ইতিমধ্যে চার জন কারান্তরীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেছেন। তাদেরকে জেলখানায় শারিরীক নির্যাতন করায় তারা বিনাচিকিৎসায় মৃত্যু বরন করেছেন। তিনি এই হত্যার পিছনে জেল কৃর্তৃক্ষকে দায়ী করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রিশমাইল এলাকা থেকে এক গ্রাম্য চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করেছে সেনা সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ত্রিশমাইল এলাকা থেকে হাসানুর রহমান নামের এক গ্রাম্য চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করেছে সেনা বাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার ত্রিশমাইল নামক এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হাসানুর রহমান (৩২) নগরঘাটা ইউনিয়নের চকেরকান্দা গ্রামের ওজিয়ার রহমানের ছেলে।

নিহতের পরিবার জানায়, হাসানুর একজন গ্রাম্য চিকিৎসক। পোড়ার বাজারে তার একটি চেম্বার রয়েছে। কে বা করা তার চেম্বারে একটি দা রেখে যায়। সন্ধ্যায় স্থানীয় দূর্বৃত্তরা তার চেম্বার থেকে ধরে নিয়ে তরুন সংঘ নামের একটি ক্লাবে আটকে রাখে। এরপর রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে ত্রিশমাইল নামক স্থানে ফেলে রেখে যায় তারা। ভোরে হাসানুরের মরদেহ উদ্ধার করে সেনা বাহিনীর সদস্যরা।

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাজীব সরদার জানান, সকালে উপজেলার ত্রিশমাইল এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালা উপজেলা সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার মেজর কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টহলরত আবস্থায় নগরঘাটা ইউনিয়নের ত্রিশমাইল এলাকা থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর চক্ষুসেবা নিশ্চিত করতে মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর চক্ষুসেবা নিশ্চিত করতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরে বাইপাসে মনপুরা ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টে দ্যা ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের আয়োজনে মতবিনিময় সভা উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ইউনিয়ন সমাজকর্মী সাদ্দাম হোসেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দ্যা ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা আজমিরা জামান,গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজার মেরাজুল ইসলাম, গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের কনসালটেন্ট আজহারুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিবন্ধী ও নারীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য চক্ষু পরীক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষার জন্য ভিশন চার্ট প্রদান করা হয় এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য চশমা ও চক্ষু অপারেশন ফ্রী করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বাগদা চিংড়ি চাষীদের মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটায় “নিরাপদ মৎস্য পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ” শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের আওতায়, বাগদা চিংড়ি চাষীদের উত্তম মাছ চাষ অনুশীলনের আলোকে
মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষিন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় টাউন শ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে বেসরকারি সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। বাস্তবায়নে নওয়াবেকী গগণমুখী ফাউন্ডেশন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দেবহাটা উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন, ফ্রিল্যান্সার মশিউর রহমান পলাশ, এ ভি সি এফ মেহেদী হাসান, লিড ফার্মার মো. ফিরোজ শাহ আলম সহ বাগদা চিংড়ি চাষী প্রশিক্ষণার্থীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ইজি বাইকের ধাক্কায় ইঞ্জিনভ্যান উল্টে গিয়ে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে সদর উপজেলাধীন সাতক্ষীরা-বৈকারী সড়কের কাশেমপুর ইটভাটার কাছে এই ঘটনা ঘটে।
নিহাতের নাম তারক চন্দ্র দাস (৬০)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ি ইউনিয়নের বাবুলিয়া গ্রামের মৃত পাচু দাসের ছেলে।

পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, তারক চন্দ্র দাস সহ তার আরো দুই সঙ্গী একটি ইঞ্জিন ভ্যানে বাবুলিয়া থেকে সাতক্ষীরার দিকে আসছিলেন। পথিমধ্যে সদর উপজেলাধীন সাতক্ষীরা-বৈকারী সড়কের কাশিমপুর ইটভাটার কাছে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইক তাদের ইঞ্জিনভ্যানকে ওভারটেক করার সময় ধাক্কা দেয়। এতে ইঞ্জিনভ্যান রাস্তার উপর উল্টে গিয়ে গুরুতর আহত হন তারক দাস। তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণ পর মারা যায়।

সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডাঃ আক্তার মারুফ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণ পর মারা যান তারক দাস।

সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সিটি কলেজের দুর্নীতিবাজ-লুটেরা অধ্যক্ষ ড. মোঃ শিহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন কলেজটির শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ।

সোমবার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষক ও কর্মচারিবৃন্দের স্বাক্ষরযুক্ত আবেদনপত্র কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ুন কবিরের কাছে জমা দেন শিক্ষকরা।

শিক্ষক-কর্মচারিদের স্বাক্ষরিত সেই আবেদনপত্র সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ড. মোঃ শিহাবুদ্দিন প্রায় কোটি টাকা অর্থ তছরূপ করেছেন।

চরম অনিয়ম-বিশৃংখলার মাধ্যমে কলেজকে দলীয়করণ ও শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করে একনায়কতান্ত্রিকভাবে কলেজ পরিচালনা করে আসছিলেন। সর্বশেষ ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ১০৪ জন শিক্ষার্থীর ভর্তির সোনালী সেবার সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাত করে তাদের ভর্তি একেবারেই অনিশ্চিত করে ফেলেছে। এই অবস্থায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সকল শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে জরুরি সভা আহবান করা হয়। সেখানে সর্বসম্মতভাবে অধ্যক্ষ ড. মোঃ শিহাবুদ্দিনের পদত্যাগ করানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এদিকে অধ্যক্ষ ড. মোঃ শিহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরাও। তারা অধ্যক্ষের পতদ্যাগের সাথে-সাথে তার দুর্নীতির বিচার ও যথাযোগ্য শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest