সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু বিশ^ নেতাদের দরবারে সাহায্য চায়নি। তিনি বলেছিলেন অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন। অস্ত্র প্রতিযোগিতার অর্থ দিয়ে লেখা পড়া, স্বাস্থ সেবা ও দারিদ্রতা বিমোচন করুন। তিনি ছিলেন বিশ^ নেতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সারা পৃথিবীর শোষিত দুঃখী মানুষের পক্ষে ছিলেন। তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাঙালী জাতির ভাগ্যন্নোয়নে ও দেশের কল্যাণে এবং দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।”

তিনি আরো বলেন, ওয়েবসাইটে প্রকাশ হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় যদি কোন অমুক্তিযোদ্ধার নাম থাকে তবে তা তদন্ত করে বাদ দেওয়া হবে।’’। নির্বাচন নিয়ে ভাবার কিছু নেই। আমরা গনতান্ত্রিক দল। প্রতি পাঁচ বছর পরপর আমরা নির্বাচনে আসি। জনগন রাষ্ট্রের মালিক, তাদের কাছে আমরা পরীক্ষার সম্মুখীন হবো। আমরা যেভাবে জনগনের পাশে থেকেছি তাতে আশা করি জনগন আমাদের বিবেচনায় নিবেন’’।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড’র সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেবরঞ্জন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

এর আগে সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ও ফলক উন্মোচন করেন। পরে ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ৭০ হাজার ৮১৯ টাকা ব্যয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নব-নির্মিত ৩ তলা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
খুলনার আঠারোমাইল থেকে পাইকগাছা হয়ে কয়রা পর্যন্ত সড়কের ৩৪টি পয়েন্টে বাঁক সরলীকরণের কাজ চলছে। এর মধ্যে তালা সদরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের বাঁকটিও সরলীকরণের অওতার মধ্যে। কিন্তু সম্প্রতি এই বাঁকটি সরলীকরণের ক্ষেত্রে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবী, তালা সদরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের বাঁকটিও সরলীকরণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভেয়ার প্রথম একটি মাপ জরিপ করে সরলীকরণের সীমানা নির্ধারণ করে। এতে বাঁকটি সুন্দরভাবে সরলীকরণ সম্ভব হতো। কিন্তু হঠাৎ অদৃশ্য কোন এক শক্তির ইশারায় সার্ভেয়ার দ্বিতীয়বারের মত মাপ জরিপ করে নতুন সীমানা নির্ধরণ করে। এর ফলে সেই সরলীকরণ আর হবে না। মোড়টি আগের মত থেকে যাবে।

এ বিষয়ে তালা মহাল্লা পাড়ার বাসিন্দা খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন রঞ্জু বলেন, বাঁক সরলীকরণের জন্য প্রথম মাপটি সঠিক ছিলো। ঐ সার্ভেয়ার দ্বিতীয়বার কার বুদ্ধিতে কার প্ররোচনায় মাপ দিলেন জানি না। কিন্তু এবার যা হয়েছে তাতে বাঁক বাঁকের মতই থেকে যাবে। সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। বাঁকটি সঠিক নিয়মে সরলীকরণের জন্য যা যা করার তাই করবো।

এ বিষয়ে সাবেক বণিক সমিতির সভাপতি কাজী গাউছুল হক মারুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাঁকা রাস্তাকে আরো বাঁকা করার হটকারি সিদ্ধান্তকে মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।

খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগের (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান জানান, একবারই মাপ হয়েছে। যারা বলছে ২ বার মাপ হয়েছে সেটা তাদের ভুল ধারণা। সরকারের যথাযথ নিয়ম মেনেই আমরা বাঁক সরলীকরণের কাজ করে যাচ্ছি।
##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের পায়রাডাঙ্গায় অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য আজিজুর ও রাজাকারপুত্র শফিকুল কর্তৃক অসহায় নিরিহ মানুষকে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন, সদরের পায়রাডাঙ্গা গ্রামের মৃত রাজাউল্লাহ’র পুত্র রবিউল সরদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা শিবপুর ইউনিয়নের পায়রাডাঙ্গা এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলাম।

সম্প্রতি একই এলাকার মৃত. জালাল উদ্দীনের পুত্র সেনা সদস্য আজিজুর রহমান অবসর গ্রহণ করে এলাকায় এসেছেন। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে দিশেহারা করে তুলেছে। বিশেষ করে গত ইউপি নির্বাচনে মেম্বর পদে ভোটে অংশগ্রহণ করেন আজিজুর রহমান। ভোটে পরাজিত হওয়ার পর যারা তার বিরোধীতা করেছিল তাদের হয়রানিসহ নানান অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

তার সাথে যুক্ত হয়েছে তারই চাচাতো ভাই রাজাকার মৃত. আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র শফিকুল ইসলাম। বিভিন্ন বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই সব মিথ্যা মামলায় আটকের ভয় দেখিয়ে এলাকার অসহায় নিরিহ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এদের মধ্যে ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী মোল্যাকে মারপিট করে উল্টো তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, নির্বাচনের পর মসজিদ থেকে ওহাব, মান্নানসহ অনেক মুসুল্লীদের বের করে দেওয়া, তবিজরের বাড়িঘর ভাংচুর, গাছপালা কেটে নিয়ে উল্টো তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এছাড়া বাড়ি থেকে আতাউর কে ধরে নিয়ে মারপিট করে মিথ্যা নাশকতা মামলায় জড়িয়ে দেয়া। প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে ইসরাফিলের নিকট থেকে প্রায় ৭০ হাজার, আক্তারের নিকট থেকে ৫০ হাজার ,আস্কারের নিকট থেকে ১লক্ষ, কালামের নিকট থেকে ৮০ হাজার, সাজ্জাদ হোসেনের নিকট থেকে ১লক্ষ ,ইসলামের নিকট থেকে ৭০ হাজার, অহিদুলের কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা এবং সবুজ মোল্লার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাত করে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর স্থানীয় আব্দুস সালাম ও কালামের বাড়ি ভাংচুর করে প্রায় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। পায়রা ডাঙ্গা বিলে আজিজুলের একটি দেড় বিঘার মৎস্য ঘের রয়েছে। ঘেরটি লীজ দিয়েছে স্থানীয় আব্দুল ওহাব দফাদারের কাছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ওহাব দফাদারের ঘেরে লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির সবজি গাছ রাতের আধারে কে বা কারা কেটে দেয়। এবিষয়ে ওহাব দফাদার বলেন, গভীর রাতে কে বা কারা কেটেছে আমি দেখিনি। সুতরাং কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো। অথচ এবিষয়টিকে পুঁিজ করে এবং নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে পুত্র কবির হোসেন এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে আজিজুর। যার ঘেরে ক্ষতি হয়েছে তিনি কোন অভিযোগ না করলেও অতি উৎসাহি হয়ে আজিজুর থানায় অভিযোগ করে আমাদের দিশেহারা করে তুলেছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তাদের টাকা ফেরত দেওয়াসহ এলাকায় শান্তি স্থাপনের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির বিবাদমান দ্বন্দ্বের জেরে নাশকতার মামলার আসামী হয়েছেন শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা মামলার অন্যতম স্বাক্ষী এড. আজহারুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের আইন সম্পাদক এড. ওসমান গনিসহ ৯ আইনজীবী।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন সাতক্ষীরা জজকোর্টের জিপি এড. শম্ভু নাথ সিংহ। যার সদর থানার মামলা নং-৫৪।

যদিও উক্ত মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী আইনজীবীরা। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এ মামলা দেওয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগী এড. সাহেদুজ্জামানসহ আইনজীবীরা দাবি করেছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, তিনি সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক এবং সরকারি কৌশুলী। সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সাধারণ সভা আহ্বান করে চিঠি বিতরণ করছিলেন তিনিসহ আহবায়ক কমিটির সদস্য এড. মোজাহার হোসেন কান্টু, এড. নিজাম উদ্দীন, এড. সৈয়দ এখলেছার আলী বাচ্চু এবং এড. শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি। এ সময়ে এড. আমিনুর রহমান চঞ্চল, এড. সাহেদুজ্জামান সাহেদ, সাঈদুর রহমান সাঈদ, এড. সাঈদুজ্জামান জিকো, এড. আরিফুর রহমান আলো, এড. ওসমান গনি, এড. আজহারুল ইসলাম, এড. আব্দুল খালেক ও এড. রাশেদুজ্জামান সুমনসহ এড. শাহ আলমের নির্দেশে নীচ তলায় বোর্ডে থাকা আইনজীবীদের নাম মুছে দেন এবং অফিসে ভাংচুর করেন। এছাড়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মহড়া প্রদর্শণ করেন। এঘটনায় এড. শম্ভু নাথ সিংহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৫(৩)/২৫ডিএসসহ ১৪৩/ ১৪৮/ ৪৯/ ১২৭ /৫০৬(২)/১৪/১০৯ পেনাল কোডের ধারা দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে এড. শাহ আলম জানান, এজেন্ডা বহির্ভূত ভাবে অ্যাডঃ শম্ভু নাথ সিংহ (জি,পি) আহবায়ক কমিটির ৩ জনকে সংসদ সদস্যদ্বয়সহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারে অনুমতি ব্যতিত তাদেরকে বাদ দিয়ে সেখানে একজনকে অর্ন্তভুক্ত করে এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্য্যনির্বাহী কমিটির বোর্ডে ৫ জনের নাম তালিকা ভুক্ত করেন। যার প্রতিবাদে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবীগণ ফুশে উঠেন এবং ওই বোর্ড থেকে নাম মুছে ফেলেন। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ ক্ষমতায় আইনে কোন ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করতে পারে না। কিন্তু এড. শম্ভু কিভাবে বাদী হলেন সেটি জানা নেই। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতায় আইনের মামলা হয় সরকারি,আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধন করলে। অথচ বার একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তিনি অবিলম্বে ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এদিকে, আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত দুই আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ দেখা গেছে। ইতোমধ্যে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দাও জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কায়ুম বলেছেন, মামলাটিকে নাশকতার মামলা বলা যাবে না। এটিকে আন্ত:ঘাত মূলক মামলা বলা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পৌর এলাকার বাঁকাল সরদারপাড়া নব উদয়ন সংঘের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নব উদয়ন সংঘের নিজস্ব কার্যালয়ে এক জরুরী সভায় সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে এ কমিটি গঠন করা হয়।

এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল-আমিন হোসেন ফয়সাল এবং মোঃ তাসদিকুর রহমান তমালকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ রায়হান হোসেন, মোঃ শাহাবুদ্দীন আহমেদ, মোঃ সবুজ হোসেন, মোঃ আল-আমিন, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ ফজর আলী, মোঃ পারভেজ, মোঃ শরিফুল ইসলাম, মোঃ শাহাদাৎ, জয়নাল আবেদিন আফজাল প্রমুখসহ ক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবার প্রতিবেশীদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন ফুটবল কন্যা সাবিনা খাতুন। শনিবার দুপুরে তার সবুজবাগ নিজস্ব বাসবভনাস্থ প্রতিবেশীদের আয়োজনে প্রাণ ঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয় গোল মেশিন খ্যাত সাবিনা খাতুনকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক সুনিল কুমার মন্ডল, নিত্যনন্দ আমিন, অসিম কুমার দাশ, এ্যাড মামুন, এ্যাড দুর্গা সরকার, এড. দিলিপ কুমার বাছাড়, অসীম দাশ সোনা, প্রভাষক শরবিন্দু মন্ডল, আশিশ, মুন্নি, বিকাশ চক্রবর্তী, আব্দুস সালাম, সিরাজুল, সমীর কর্মকার, ঝুমুর চক্রবর্তী, চঞ্চলা মন্ডল, স্বপ্না মন্ডল, মমতারাণী মন্ডলসহ এলাকাবাসী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়।

সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় সংলগ্ন ম্যানগ্রোভ সভাঘরে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা পার্টির সভাপতি কমরেড মহিবুল্লাহ মোড়ল।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি।
জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফাহিমুল হক কিসলুর পরিচালনায় বর্ধিত সভায় উপজেলা, জেলা, ইউনিয়ন কমিটি, ওয়ার্ড কমিটি ও সেল কমিটির সদস্যরা প্রত্যেক ইউনিট থেকে বক্তব্য রাখেন এবং রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। জেলা গণসংগঠনের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ শেষে প্রত্যেক ইউনিয়নে কর্মীসভার তারিখ নির্ধারণ ও বিভিন্ন সাংগঠনিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড সাবীর হোসেন, কমরেড আবেদুর রহমান, কমরেড ময়নুল হাসান, কমরেড স্বপন কুমার শীল, কমরেড নাসরীন খান লিপি, কমরেড আব্দুর রউফ মাস্টার, কমরেড রফিকুল ইসলাম, কমরেড অজিত কুমার রাজবংশী, কমরেড মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, কমরেড নির্মল সরকার, কমরেড হিরন্ময় মন্ডল, কমরেড শিব পদ গাইন,কমরেড জলিল মোড়লসহ জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২২ এ বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের গৌরবময় অর্জনে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও তার মা মমতাজ বেগমকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ও দুপুর দুটোয় সাতক্ষীরা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রাশেদ রেজা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বিভাগের সাতক্ষীরার সহকারি পরিচালক মাসরুবা দিলরুবা, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খান, আন্তজার্তিক রেফারী তৈয়ব হাসান বাবু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, জেলা ফুটবল এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ আবু নাসের, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স, সাবিনা ও মাছুরার কোচ প্রয়াত আকবর হোসেন স্ত্রী রেহেনা আক্তার প্রমুখ।

এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাবিনা ও তার মাকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরন করার পর বিশেষ উপহার দেওয়া হয়। ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় সাবিনার হাতে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা ও সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি’র পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকার উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয় সাবিনার হাতে।

অনুষ্ঠানে সাবিনা খাতুন অভাব অনটন প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যেভাবে নিজেকে জাতীয় স্তরের নারী ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন সে সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ বক্তব্য দেন। এ ছাড়া অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ভারতকে হারোনের অভিজ্ঞতার কথাু তুলে ধরেন। তিনি তার ফুটবল জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পিছনে কোচ প্রয়াত আকবর আলী , বড় বোন সালমা, বাবা ও মায়ের অবদান অনস্বীকার্য বলে উল্লেখ করেন। একইসাথে কোচ আকবর আলীর প্রতিষ্ঠিত জ্যেতি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি যাতে মাথা উচু করে দাড়িয়ে থাকতে পারে সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সাবিনা জেলা প্রশাসকের কাছে নারীদের ফুটবল খেলার জন্য একটি মাঠ, তার নিজের বাড়িতে ঢোকার জন্য রাস্তাটি সংস্কার ও নিজের বোনের চাকুরির দাবি করেন।

মমতাজ বেগম বলেন, তার মেয়ে সাবিনা যেভাবে প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে তেমনটি যাতে অন্য কোন নারী ফুটবলারের ভাগ্যে না জোটে তার জন্য সকলের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি বলেন, সাবিনা ও মাছুরা শুধু সাতক্ষীরার নয় সারা বাংলাদেশকে বিশ্বের ইতিহাসে নতুন জায়গায় দাড় করিয়েছে। তিনি সাতক্ষীরার নারী ফুটবলারদের জন্য সবধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, সাবিনা সাতক্ষীরাকে সংবর্ধিত করেছে। মাছুরা সাতক্ষীরায় এলে দুজনকেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বড় আকারে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
এদিকে শনিবার দুপুর দুটোয় জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সাবিান ও তার মাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। সাবিনাকে ক্রেস্ট এর পাশাপাশি নগদ ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest