ফয়জুল হক বাবু: সাতক্ষীরায় চক্ষু সেবা কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নের লক্ষে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের আয়োজনে হাসপাতালটির ক্যাম্পাসে উক্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল সাতক্ষীরা জেলার ব্যবস্থাপক মোঃ মিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের ডাইরেক্টর ডাঃ তৌহিদা বেগম।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, শ্যামনগর সরকারি মহসিন কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম ওসমান গনী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবু সাইদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক শিক্ষকবৃন্দ।
মত বিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেই সাথে চক্ষু সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত প্রকাশ করেন। পরে গ্রমীন চক্ষু হাসপাতালের পক্ষ থেকে উপস্থিত শিক্ষকদের ফ্রী চক্ষু পরিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কারামুক্ত সভাপতিকে ফুল দিয়ে বরণ অনুষ্ঠানের সংবাদে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ১নং যুগ্ম আহবায়ক আসিফ মাহমুদ রিপন কে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক উল্লেখ করে সমাজের আলো পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা। রিপন ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক নন, সে যুগ্ম আহবায়ক। উক্ত সংবাদের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদল।
গতকাল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত একপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক রাজিউল ইসলাম রাজু ও সদস্য সচিব মেহেদী হাসান দীপ্ত।
আসিফ মাহমুদ রিপন ওই কমিটির ১নং যুগ্ম আহবায়ক। কিন্তু তাকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক হিসেবে উপস্থাপন করার পেছনে গভীর চক্রান্ত থাকতে পারে। কলেজ ছাত্রদলকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্রকারীরা এধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে মনে করি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় কোভিড-১৯ মহামারীসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুই হাজার ৯৭৬ জন উপকারভোগীদের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার নগদ অর্থ বিতরন করা হয়েছে।
সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) এর আয়োজনে কলারোয়া উপজেলা অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-১ (তালা+কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার রুলী বিশ^াসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এসডিএফ যশোর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ হেদায়েত উল্লাহ, কলারোয়া থানার অফিসার ইসচার্জ নাসির উদ্দীন মৃধা, এসডিএফ’র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান, ক্লাসটার ইনচার্জ শাহজাহান সিরাজ, দুলাল কৃষœ মজুমদার, মাহবুবুল আলম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাস্টার শেখ শাহজাহান আলী শাহিন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের দুই হাজার ৯৭৬ জন উপকারভোগীদের মাঝে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার নগদ অর্থ বিতরন করা হয়। এনিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত ৩৫০ টি গ্রামের ৩৮ হাজার ২৭১ জন উপকারভোগীর মাঝে ৫ হাজার টাকা করে সর্বমোট ২০ কোটি ৯৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা বিতরন করা হয়েছে।
বক্তারা বলেন, দরিদ্র ও অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, কোভিড-১৯ এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়া এবং প্রকল্প এলাকা গ্রামীন উদ্যোক্তাদের সহায়তাকরন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য যা বাংলাদেশ সরকারের রুপকল্প ২০৪১, এসডিজির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমুহ ও ৮ম পঞ্চবার্ষির্কি পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্র অর্জনে সহায়তা করবে।##
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ার দক্ষিণ মুরারীকাটি কালী মন্দির মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১জুলাই) বিকেলে সাতক্ষীরা-১আসনের তালা-কলারোয়ার সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ওই কালী মন্দিরের মাঠ সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন-কলারোয়া পৌর সভার মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন, দিতী খাতুন, দক্ষিণ মুরারীকাটি পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রনজিৎ কুমার মন্ডল, আমেরিকান প্রবাসী ও সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম মল্লিক,
৭নং ওয়ার্ড আ,লীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার মন্ডল, নিমাই চন্দ্র হোড়, কাশিয়াডাঙ্গার ইউপি সদস্য আলী মাহমুদ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন-অহনা পোদ্দার। অতিথিরা তাদের বক্তব্য মুরারীকাটি কালী মন্দির সংস্কার, দূর্গা মন্দির সংস্কার, কালী মন্দির প্রবেশ রাস্তা সংস্কার, পানি নিষ্কাশন, ফসলী মাঠ ও ড্রেন নির্মাণের দাবী করেন
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের নকল নবিস সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার রেজিষ্ট্রি অফিসের তৃতীয় তলায় সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু বিরতীহিনভাবে চলে বেলা সাড়ে ১ টা পর্যন্ত।
এবার নির্বাচনে ১০৫ জন ভোটারের মধ্যে ১০৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
৯টি পদের বিপরীতি সভাপতি পদে ৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মীর মোর্তজা হাসান লিটু। তার প্রতিক ছিলো দোয়াত কলম মার্কা। নিকটতম প্রার্থী চেয়ার প্রতিকের আমানুর রহমান সুমন পেয়েছেন ২৭ ভোট।
সাধারন সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন জেসমিন নাহার, সহসভাপতি পদে উভয় ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন রফিকুল ইসলাম ও মো: সাইফুল্লাহ। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবু রায়হান,
সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির আলম, কোষাধ্যক্ষ মো: শরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমান, সাহিত্য ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অনল কৃষœ রায়, কার্যকরি সদস্য খুরশিদ আলম, সদস্য ময়নুদ্দিন ও অলোক বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন পরিমল চন্দ্র, সহকারি প্রিজাইডিং এর দায়িত্ব পালন করেন প্রদিপ কুমার, পলিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও পংকজ কুমার হালদার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন জেলা নকল নবিস সমিতির সভাপতি নাজমুস জামান সুমন ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব এর দায়িত্বে ছিলেন জেলা নকল নবিস সমিতির সম্পাদক লাভলু হোসেন।
আশাশুনি উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ। গত ১৬ জুলাই ২২ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ^জিত সাধু ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন স্বাক্ষরিত একপত্রে রাশেদ সরোয়ার শেলিকে সভাপতি ও মতিলালকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট আশাশুনি উপজেলা কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
উক্ত কমিটির ১নং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ। এছাড়া তিনি শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে গতকাল নব নির্বাচিত উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক নজরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন।
এসময় জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বসির আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মিথ্যা মামলাসহ অত্যাচার নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শিক্ষক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে মো: শাহিদুজ্জামান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারী। ১৯৯৪ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম বাঁশদহে প্রতিষ্ঠিত হয় শহীদ স্মৃতি কলেজ।
প্রতিষ্টার পর থেকে সুনাম আর সম্মানের সাথে পায়ে পায়ে এগুতে থাকে এ শিক্ষা নিকেতনটি। কিন্তু ২৮/০৬/২০১৫ থেকে বর্তমান কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ফজলুর রহমানের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির থেকে ক্রমশ প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরোধীতা করায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মিথ্যা মামলাসহ অত্যাচার নির্যাতনে দিশেহারা। অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি কলেজের অভ্যন্তরীণ অডিটই হয়নি, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর মতো।
কলেজ উন্নয়নে তার কোনও দৃষ্টি না থাকলেও বৈধ/অবৈধ ভাবে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে তার জুড়ি মেলা ভার। কলেজের চৌহদ্দি বাড়ানোর কথা বলে জমি ক্রয়ের নামে বার বার নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিকট থেকে প্রায় ০২ কোটি টাকা নিয়েও অদ্যাবধি তা পূরণ হয়নি। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাদের সেই অনুদানের কথা লিখিত আকারে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। সরকারের শিক্ষা বিভাগের কাছ থেকে বহুতল বিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণের নামে শিক্ষকদের কাছ থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। কলেজে তাঁর অনিয়মিত যাতায়াতের কারণে প্রশাসনিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে।
দিন দিন কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে, অন্যদিকে রেজুলেশন জালিয়াতি করে(একই রেজুলেশন চারবার পরিবর্তন) অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত অবৈধ অধ্যক্ষ হিসেবে চিহ্নিত হলেও স্বৈরতান্ত্রিক ভাবে সকল কাজ করে যাচ্ছেন। অর্থলোলুপ শিক্ষাদস্যু এই অধ্যক্ষ কতটা অর্থ পিশাচ-যার প্রমাণ দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে যাদের সাথে চাকরি করেছেন, যারা ২৫ বছর অধ্যাপনা জীবনে একটিবার প্রমোশন পেয়েছেন, এমন ১৪ জন প্রভাষকের কাছ থেকে ঘুষ নিতেও কুন্ঠিত হননি। অধ্যক্ষ ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কার্যক্রম শেষে তার নিয়োগ অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় বিগত ২১/০৩/২০১৭ তারিখে তাকে অবৈধ ঘোষণা করে পত্র জারি হয় এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত সমস্ত টাকা ফেরৎ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে গভনির্ং বডির সভাপতি অধ্যক্ষের আপন ভগ্নিপতি হওয়ায় সেই আদেশ বাস্তবায়িত করেননি বরং তিনি (অধ্যক্ষ) গায়ের জোরে,
অবৈধভাবে কলেজের সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আমরা বিভিন্ন সময়ে কলেজের সাবেক গভর্নিং বডির সভাপতি তার আপন ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন (মোবাইল নম্বর-০১৭১৬-৫৮২৪৯০) এর কাছে আবেদন করি কিন্তু তিনি বিষয়টি আমলে নেননি। পরবর্তীতে বর্তমান সভাপতি গোলাম মোরশেদ (মোবাইল নম্বর-০১৭১৫-১২২৯৯৬) এর স্মরণাপন্ন হই, তিনি পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পরে এমপি মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত নিবেন বললেও অদ্যাবধি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তাঁর এই অপকর্মকে ধামাচাপা দিতে তিনি অত্যন্ত সুচতুর ভাবে তাঁর দুজন সহকর্মীকে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। কারণ সেই দুইজন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে সর্বদা স্বোচ্চার। তার বিপক্ষে অবস্থানকারীকে এক এক করে ‘‘দেখে নেবেন’’ বলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছেন। ওই শিক্ষাদস্যুর হাত থেকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। এসময় অত্র কলেজেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…