সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনব্রহ্মরাজপুরে ভেজাল দুধ তৈরির দায়ে জরিমানা – ৬ মাসের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরায় স্ত্রীর উপর অভিমান করে দুই ব্যক্তির আত্মহত্যা !

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ থানাঘাটা এলাকা থেকে ঘরের আড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করেছেন। রোববার সকালে সদর থানার পুলিশ খবর পেয়ে তাদের নিজ ঘরের আড়া থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে এবং ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

আত্মহত্যাকারীরা হলেন সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের মৃত ইউনুচ হাওলাদারের পুত্র মটরসাইকেল মিস্ত্রি নুরুল ইসলাম বাবু(৪৫) ও একই গ্রামের শাহাজান আলীর পুত্র আব্দুল খালেক (২৭)।

এলাকাবাসি জানান, নুরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী নিজেই বিদেশ যেতে চান এমন প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বাবু তার স্ত্রীকে বিদেশে পাঠানো রাজি হননি।

একপর্যায়ে গত ২৩ জুলাই বাবুর স্ত্রী বিদেশ যাওয়ার জন্য ঢাকায় মেডিকেল করতে গেলে শনিবার রাতে নিজের ঘরের আড়ায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। সকালে বাবুর পরিবার দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

অপরদিকে একই গ্রামের আব্দুল খালেকের স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় স্ত্রীর উপর অভিমান করে শনিবার রাতে নিজের ঘরে সিলিং ফ্যানে রশি দিয়ে খালেক আত্মহত্যা করে। রোববার সকালে তার পরিবার দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় বলে এলাকাবাসিরা জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

আশাশুনি প্রতিনিধি:
“নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আশাশুনিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ এর উদ্বোধন উপলক্ষে র‍্যালী, মাছ অবমুক্ত ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে পথমে একটি র‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালিটি উপজেলা চত্বর থেকে বিভিন্ন সড়ক প্ররুদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের পুকুরে যেয়ে ২৫ কেজি রুই, কাতলা ও মিরগিল মাছ অবমুক্ত করেন। পরে বিআরডিবি হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। এ সময় তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি ও মৎস্য সম্পদকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে মজবুত করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা করেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মৎস্যখাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে মৎস্য চাষী ও জেলেদেরকে আর্থিক প্রণোদনা সহ নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।
এতে মৎস্যখাতকে দেশের অন্যতম রপ্তানি খাতে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। যার ফলে বাংলাদেশ আজ ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করতে সক্ষম হয়। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরন চক্রবর্তী, মুসলিমা খাতুন মিলি, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল হাসান, বিআরডিবি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার ঘোষ, উপজেলা মেরিন ফিসারিজ অফিসার রত্না রানী সাহা, সিনিয়র সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরদার, সুফলভোগী সাইফুল আলম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে উপজেলার শ্রেষ্ঠ তিন জন মৎস্য চাষীকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জেলে ও মৎস্য চাষিরা অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর গাবুরায় নারীকে কুপিয়ে হত্যা!

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
গাবুরায় মধ্যরাতে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (২৪ জুলাই) আনুমানিক রাত ১টার দিকে গাবুরার ৯নং সোরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নারী ৯নং সোরা গ্রামের খালেক গাজীর ছেলে ইসমাইল গাজীর স্ত্রী তাসকিয়া খাতুন।
নিহতের মেঝো জা পারুল জানান, নিহত নারী তাসকিয়া খাতুন তার সেজো দেবরের স্ত্রী। সংসারে অভাব অনাটনের কারণে আমার দেবর বিভিন্ন জেলায় দিন মজুরের কাজ করেন, এমনকি ঢাকায় রিক্সা চালাতেও যান। তার দুই ছেলে আছে। তাসকিয়া দুই ছেলে নিয়ে বাড়িতে থাকে।
তিনি আরো জানান, রাত ১টার দিকে তাসকিয়ার দুই ছেলে ঘরের মধ্যে অনেক সময় ধরে কান্নাকাটি করছিল। তাই শুনে আমি ওদের ঘরে গিয়ে দেখি তাসকিয়া ঘরে নেই। ছেলে দুটি খাটের উপর বসে কাঁদছে। তিনি জানান, এমন সময় আমার স্বামী ও বড় ভাসুর আমাকে বলেন তাসকিয়া বাথরুমে গেছে কি’না দেখতে। কিন্তু বাথরুমে না পেয়ে হঠাৎ বাড়ির বাইরে লাইট মারতেই দেখি তাসকিয়া বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সাথে সাথে আমি চিৎকার দিয়ে আমার স্বামী ও ভাসুরকে ডাকি।

এলাকা সূত্রে জানা গেছে একই গ্রামের সোলায়মান খার ছেলে সাহেব আলীর (২৫) প্রায় তাসকিয়া কে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে দিতো। তার প্রস্তাতে রাজি না হওয়ায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে।

স্থানীয়রা জানান, ইসমাইল একজন সহজ-সরল ও ভালো মানুষ। তার সরলতার সুযোগ নিয়ে ও ইসমাইল এবং সাহেব আলীর শশুর বাড়ী একই এলাকায় হওয়ায় সাহেব আলীর ইসমাইলের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। সাহেব আলী এক পুত্র সন্তানের জনক। গত কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী সন্তান বাপের বাড়িতে বেড়াতে গেছে। ঘটনার পর থেকে সাহেব আলী পালাতক রয়েছে।
এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহেব আলীর মা ফাতেমা বেগম কে থানায় নিয়ে এসেছে। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ জানান হত্যার রহস্য উন্মোচনে পুলিশ কাজ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
 শেখ কামরুল হক চঞ্চলের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের  শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক দৈনিক প্রবর্তেনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কাজী জামাল উদ্দীন মামুনের ছোট মামা সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক, জেলা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকার মৃত আনারুল হক হারু মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ কামরুল হক চঞ্চল ইন্তেকাল করেছেন

(ইন্নালিল্লাহি—-রাজিউন)। তিনি শনিবার (২৩ জুলাই) বিকাল সাড়ে চার টায় নিজ বাড়িতে অসূস্থ্য জনিত কারনে মারাযান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন,

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না,

নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পূর্ণিমার দ্বিতীয় বিয়েতে প্রাক্তন স্বামীর শুভকামনা

বিনোদন ডেস্ক: ঢালিউডের জনপ্রিয় দিলারা হানিফ পূর্ণিমা দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। বর আশফাকুর রহমান রবিন। তিনি পেশায় বহুজাতিক একটি কম্পানির মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। পড়াশোনা করেছেন সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। গত ২৭ মে পূর্ণিমা ও রবিনের দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বর্তমানে নবদম্পতি রাজধানীর একটি অভিজাত এলাকায় একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেন পূর্ণিমা। তিনি বলেন, কাজের সূত্র ধরেই তার (রবিন) সঙ্গে পরিচয়। তিন বছরের পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, সেখান থেকে পরষ্পরের মন দেয়া-নেয়া। বিয়ের পরেই পূর্ণিমাসহ তার পরিবারের অন্যরা অসুস্থ ছিলেন। কারো কারো কভিড ছিল। সে কারণে তার বিয়ের খবর জানাতে দেরি হয়েছে বলে জানান এ নায়িকা।

পূর্ণিমা জানান, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস আর শ্রদ্ধাবোধ সবকিছু পেয়েছেন রবিনের মধ্যে। সেখান থেকে সম্পর্ক মজবুত হয়। বলেন, পরে দুই পরিবার আমাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়। ২৭ মে পারিবারিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

চলতি বছরের শেষ দিকে রবিন-পূর্ণিমার বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদকে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তাদের সংসারে আসে কন্যাসন্তান আরশিয়া উমাইজা। তবে সেই সংসার ভেঙে যায়।

এদিকে, পূর্ণিমার দ্বিতীয় বিয়ের খবর পেয়ে শুভকামনা জানিয়েছেন তার প্রাক্তন স্বামী আহমেদ জামাল ফাহাদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে সরাসরি পূর্ণিমার নাম উল্লেখ না করলেও তার লেখায় বিষয়টি স্পষ্ট। ফাহাদ লিখেছেন, দয়া করে আমাকে টেক্সট করা বা কল করা বন্ধ করুন। সব কিছু ঠিক আছে। মানুষের জীবনে কিছু ঘটে… আমার সঙ্গে খবর শেয়ার করার দরকার নেই..। আমি জানি… তার জন্য শুভকামনা… আমার মেয়ের জন্য আপনারা দোয়া করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯৯৯ টাকায় পর্যটন করপোরেশনের পদ্মা সেতু ভ্রমণ প্যাকেজ উদ্বোধন

ভিন্নরকম খবর: স্বপ্নের পদ্মা সেতু ভ্রমণে সাধারণ মানুষের আগ্রহ পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। সপ্তাহে দুই দিন সংস্থাটি আগ্রহী দর্শনার্থীদের পদ্মা সেতু দেখাতে নিয়ে যাবে। ৯৯৯ টাকার এই প্যাকেজটিতে দরর্শনার্থীরা ঢাকা থেকে পদ্মা সেতুতে ভ্রমণ করে আবার ঢাকায় ফিরতে পারবেন।

শুক্রবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে এই প্যাকেজের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এসসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আলী কদর।

উদ্বোধনী আয়োজনে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান জানান, এই প্যাকেজ ট্যুর বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব এসি মাইক্রোবাসে আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে শুরু হবে। এরপর শ্যামলী, আসাদগেট, সাইন্সল্যাব হয়ে বুয়েটের সামনে দিয়ে হানিফ ফ্লাইওভারে উঠবে। এরপর আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৫টায় পদ্মা সেতু অতিক্রম করবে। এই ভ্রমণের মাধ্যমে পর্যটকরা দিনের আলোতে পদ্মা সেতু এবং সন্ধ্যা ও রাতের আবহে পদ্মা সেতুর অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।

তিনি জানান, ঢাকা-পদ্মা সেতু-ভাঙা চত্বর-বঙ্গবন্ধু মান মন্দির-ঢাকা শীর্ষক অর্ধদিবসের এ পদ্মা সেতু ভ্রমণ প্রতি শুক্র ও শনিবার নিয়মিত পরিচালিত হবে। এই প্যাকেজ ট্যুরটি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন পরিচালিত ন্যাশনাল হোটেল এন্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইন্সটিটিউট প্রশিক্ষিত গাইড দ্বারা পরিচালিত হবে। আর প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা৷

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, নিজের দেশের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি নতুন করে গৌরবের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে। পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে খুলে গেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ সমগ্র বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের অবারিত দ্বার। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে এবং দক্ষিণাঞ্চলে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। দেশি বিদেশি পর্যটকদের এ চাহিদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের এই প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন।

বিকেলে ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে এই প্যাকেজ উদ্বোধনের পর বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের দুইটি এসি মাইক্রোবাস আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে পদ্মা সেতুর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির ফকরাবাদে মাদ্রাসায় বজ্রপাতে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ফেটে চৌচির
আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ ঈদগাহ সংলগ্ন হাফিজিয়া কওমিয়া মাদ্রাসায় বজ্রপাতে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ফেটে চৌচির হয়েগেছে। শুক্রবার বেলা আনঃ ৩টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
সরজমিনে দেখা গেছে, মাদ্রাসার এলবেস্টারের ছাউনির উপরে থাকা সোলার প্যানেলের প্লেট অক্ষত অবস্থায় রয়েছে কিন্তু মাদ্রাসার ছাত্রদের ক্লাসরুমের ভিতরে থাকা ব্যাটারিটা ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তবে ওই সময় অধিকাংশ ছাত্ররা খানা খাওয়ার জন্য লজিং ম্যানের বাড়িতে ছিল বলে তাদের কোন ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।
মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহিম সরদার জানান, ইং ২০০৮ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই মাদ্রাসাটি নির্মাণ করা হয়। সেই থেকে মাদ্রাসায় নিয়মিতভাবে ছেলেরা পড়ালেখা করে আসছে। আজ হঠাৎ বজ্রপাতের কারণে মাদ্রাসাটি অন্ধ হয়ে পড়েছে। মাদ্রাসার হুজুর মাওঃ মফিজুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসায় ৩৫ থেকে ৪০ জন ছাত্র আছে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম সাহেব ১০০ ওয়াটের সোলার প্যানেলটি দেওয়ার পর থেকে ছাত্রগুলো ভালোভাবে পড়াশোনা করে আসছিল। আজ দুপুরে হঠাৎ বজ্রপাতে সোলার প্যানেলটি নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন একটি সোলার প্যানেল সেট না হলে কিভাবে ছাত্রদের লেখাপড়া করাবো এটাই ভাবছি। দ্রুত একটি সোলার প্যানেলের জন্য উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ
কামনা করছেন মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র ও এলাকাবাসী।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের প্লাবিত এলাকায় খাবার পানি বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীর দুর্গাবাটির খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত এলাকায় পানি বিতরণ করা হচ্ছে। প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংগঠনের সহযোগিতায় কোস্টাল ইয়ুথ ভলেন্টিয়ার (সিওয়াইডি) গ্রুপ পানি বিতরণ করছে।

গত ১৮ জুলাই থেকে এ পানি বিতরণ শুরু করা হয়। গত ১৪ জুলাই খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ১১টি গ্রাম লোনা পানিতে তলিয়ে যায়।

প্রায় ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে খাবার পানি সঙ্কটে পড়ে। বিষয়টি মোকাবিলার জন্য প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংগঠন জরুরি ভিত্তিতে পানি বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়।

তারই অংশ হিসেবে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিওয়াইডি এর মাধ্যমে গত ১৮ জুলাই থেকে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পুড়াকাঠলা ও দুর্গাবাটি এলাকায় ২২ জুলাই পর্যন্ত পানি বিতরণ করে যাচ্ছে। প্রতিদিন চার হাজার লিটার পানি বিতরণ করা হয়।

প্রেরণা নারী উন্নয়ন সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে চলেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করছে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

শীতার্থদের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ করে থাকে। এ সময় প্রেরণার কর্মকর্তা রহিমা খাতুন ও তাপসি হাউলি, সিওয়াইডি টিম লিডার বিবেক সরকারসহ স্বেচ্ছাসেবিরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest