সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শনদেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভাসাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলনচৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রউপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভাশ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুসাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্রতালায় জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি : ২৩ লাখ টাকার মালামাল লুটের দাবিশ্যামনগরে ১৫ পরিবার পেল ছাগল, ১৫ পরিবার পেল সেলাই মেশিনটেকসই বেড়িবাঁধ ও চলাচলের উপযোগী রাস্তা নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আটদিন বয়সী শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৪ শে সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে চিকিৎসারত অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

মৃত ছোট্ট ওই শিশুটির নাম আয়েশা। জন্মের সময়ই মাকে হারায় সে।

আয়েশার স্বজনরা জানিয়েছেন, জন্মের সময় মাকে হারালেও আয়েশা স্বভাবিক-সুস্থ্যই ছিলো। জন্মের অষ্টম দিনে এসে তার শরীরের রং স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা হাসাটে মনে হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। আয়েশা রক্তশূণ্যতায় ভুগছেন জানিয়ে সে চিকিৎসক তাদেরকে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরা লিমিটেডে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। স্থানীয় সেই চিকিৎসকের পরামর্শে গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ০৬টার দিকে শিশু আয়েশাকে ইসলামী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির শারিরীক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান আয়েশার তেমন কোন সমস্যা নেই রক্তশূণ্যতার কারণে তার শরীরের রং হাসাটে হয়ে গেছে। হাসপাতালে তিন দিন ভর্তি রেখে রক্ত দিলেই সে আবারও সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কথামতো রক্তের ব্যাবস্থা করা হয় কিন্তু ইসলামী হাসপাতালের কেউ ওই শিশুকে ক্যানোলা পরাতে পারবেনা বলে জানায়। ফলে বাধ্য হয়ে শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে ক্যানোলা পরিয়ে আনা হয়। তারপরও শিশুটির শরীরে রক্ত সঞ্চালন করার জন্য হাসপাতালের কোন চিকিৎসক বা নার্সরা পাশে আসেনি।

শিশু আয়েশার বাবা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের সরসকাটি গ্রামের ক্ষেত্রপাড়ার বাসিন্দা আনারুল গাজী বলেন, হাসপাতালের স্টাফরা রক্তের কথা বলার সাথে সাথে আমরা রক্তের ব্যবস্থা করি। তারা সদর হাসপাতাল থেকে ক্যানোলা পরিয়ে আনতে বললে আমরা তাও করি। কিন্তু রক্ত ও ক্যানোলা রেডি করার পর কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ইসলামী হাসপাতালের কোন চিকিৎসক বা নার্স আমার বাচ্চার পাশে আসেনি। আমি বারবার নিচতলা থেকে উপরতলা পর্যন্ত হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে ছুটে গিয়ে আমার বাচ্চাটাকে দেখার অনুরোধ করেছি তবুও তারা আমার বাচ্চার পাশে আসেনি।

শিশু আয়েশার মামা রাসেল রেজা বলেন, রাত সাড়ে দশটার দিকে যখন আয়েশা ধীরে-ধীরে নিস্তেজ হতে থাকে তখন আমি চিৎকার করে কান্না করতে থাকি। আমার কান্না শুনে সেসময় হাসপাতালের অন্য রোগী ও রোগীর স্বজনেরা ছুটে আসে। তখন হাসপাতালের স্টাফরা তড়িঘড়ি করে ছুটে এসে আয়েশাকে রক্ত ও অক্সিজেন দিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনেন। ছাড়পত্র দিয়ে বলেন বাচ্চার অবস্থা গুরুতর সাতক্ষীরা মেডিকেলে অথবা খুলনায় নিয়ে যান। ততক্ষণে আয়েশা মারা গেছে।

তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবহেলা করে আমার ছোট্ট আয়েশাকে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল সাতক্ষীরার এডমিন আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলার কারণে বাচ্চার মৃত্যু হয়নি। সদর হাসপাতাল থেকে আয়েশাকে ক্যানোলা পরিয়ে নিয়ে আসার সময় ফাইল সেখানে ফেলে আসে তার স্বজনরা। ফাইল নিয়ে আমাদের হাসপাতালে পৌঁছাতে তাদের দেরি হয়ে যায়। সে কারণে শিশুটির শরীরে রক্ত দিতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া বাচ্চার শরীরের অবস্থা তেমন ভালো ছিলনা ।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ হুসাইন সাফায়েত বলেন, ইসলামী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় শিশু মৃত্যুর বিষয়টি আমি শুনেছি। এবিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তারপরও আমি সাধারণ ভাবে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : ‘দূষণ, দখলমুক্ত ও প্রবাহমান নদী চাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা অঞ্চলের নদ-নদী রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এই মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জোলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক আনিসুর রহিম, সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, গণফোরাম নেতা আলী নূর খান বাবলু, কলেজ ছাত্র তারিক ইসলাম, নারী নেত্রী আশুরা খাতুন, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সমন্বয়ক হাবিবুল হাসান, বারসিক কর্মকর্তা মাহিদা মিজান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দখল দূষণ আর নাব্যতা সংকটে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। নদ-নদীর অপমৃত্যু হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। দুর্বিসহ হয়ে পড়ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সেই সাথে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি খাদ্য সংকটও তৈরি হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় ৪৩টি নদী ছিল। এখন বেঁচে আছে মাত্র ৭টি। নদী জীবন্ত একটি সত্ত্বা। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণ ছাড়াও মানব সৃষ্ট কারণে নদ-নদী প্রাণ হারাচ্ছে। নদী দখল বন্ধ করতে হবে। নদী-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে দিয়েই কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা যেতে পারে।
বক্তারা এ সময় সাতক্ষীরা অঞ্চলের নদ-নদী রক্ষার দাবিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি খাস জমি নামপত্তন জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আট কর্মচারিসহ ১১ জনকে ৭ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ড. ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে হাজির থাকা সকল আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাড. মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি শাখার উচ্চমান সহকারি রেকর্ড কিপার পুতুল রানী বৈরাগি, অফিস সহকারি (রেকর্ড রুম) শ্যামল কুমার আচার্য, মুদ্রাক্ষরিক বেগম জেসমিন নাহার, সার্টিফিকেট অফিসার (রেকর্ড রুম) মো. সামছুজ্জামান, অফিস সহকারি আফসার উদ্দিন ও আঃ মজিদ সরদার (পলাতক), ওয়াজেদ সরদার ও মোহাম্মাদ আলী সরদার। মামলা নং ২৮/১৭।

আইনজীবী মজিবর রহমান জানান, সাতক্ষীরা শ্যামনগরে সরকারি খাস জমি জালিয়াতির অভিযোগে ২০১৭ সালে তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ১০৯, ৪০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করেন সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোস্তফা আব্দুল হালিম। পরে তদন্ত কর্মকর্তা দুদক, খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারি পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এদিকে একই দিন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের আলাদা মামলায় (১১/১৭) আসামী শামীমা আক্তার, শ্যামল কুমার আচার্য, জেসমিন নাহার, সেলিমা সুলতানা, আফসার উদ্দিন ও মো: হোসেন আলীকে ৭ বছর কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামীদেরও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনের দাবিতে খালি কলসি নিয়ে মিছিল করেছে স্থানীয়রা।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পোড়াকাটলা গ্রামে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় উপকূলীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম ও সিডিও ইয়ুথ টিম আয়োজিত এই প্রতীকী মিছিলে সংহতি প্রকাশ করে স্থানীয় শত শত নারী-পুরুষ খালি কলসি নিয়ে অংশ নেন।
এসময় সমবেত নারী-পুরুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন শ্যামনগর উপজেলা জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম।

এসময় তিনি বলেন, পানির রাজ্যে খাওয়ার পানি নেই। বার বার নদী ভাঙনের ফলে উপকূলের মিষ্টি পানির আধারগুলো লবণ পানিতে ডুবে যায়। খাওয়ার পানি সংগ্রহে উপকূলের নারীদের সবসময় সংগ্রাম করতে হয়। বাধ্য হয়ে পানি কিনে খেতে হয়।

তিনি আরও বলেন, উপকূলবাসীকে সুপেয় পানির নিশ্চয়তা রাষ্ট্রকেই দিতে হবে। সেই সাথে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে একই দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারের বড় ভায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বনিক বার্তা পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি গোলাম সরোয়ার এর বড় ভাই সাতক্ষীরা শহরের সরকারপাড়া নিবাসী মো: গোলাম রসুল (৫৮) রবিবার সকাল ৮টায় ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি……রাজিউন )। তিনি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৩ছেলেসহ আতœীয় স্বজন ও বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

রবিবার বাদ যোহর সাতক্ষীরা শহরের মার্কাস মসজিদে মরহুমের জানাজার নামাজ
শেষে রসুলপুর সরকারী কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক জ্ঞাপন ও রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।

শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,

অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার,
মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ ভুমিদস্যু রমজান মীর ও নজরুল মীর কর্তৃক অবৈধভাবে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কাশিবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল করে বাড়ি নির্মান করার প্রতিবাদে এবং দখলমুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসুুচি পালিত হয়েছে। বিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর আয়োজনে রবিবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাশিবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য নুরুজ্জামান, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রুহুল আমিন, আশরাফুল ইসলাম, শেখ বেলাল হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ভুমিদস্যু রমজান মীর ও নজরুল মীর কর্তৃক অবৈধভাবে কালিগঞ্জের কাশিবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল করে বাড়ি নির্মান করে দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখেছেন। স্থাণীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী নিষেধ করার শর্তেও তারা গয়ের জোরে খেলার মাঠ দখল করে বাড়ি নির্মান করেছেন। যা খুবই দুঃখজনক। বক্তারা এ সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ভুমিদস্যু রমজান মীর ও নজরুল মীরের উপযুক্ত শাস্তিসহ জবরদখলকৃত খেলার মাঠটি দখল মুক্ত করার জোর দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় সরকারি কর্মচারী জামাতার ইন্ধনে শ্যামনগরে ভুরুলিয়ায় জমির বিরোধ নিয়ে ছোট ভাইকে মারপিট করে জখম এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিসহ খুন জখমের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্যামনগরের কাশিমপুর গ্রামের মৃত হারেজ গাজীর ছেলে মুজিবর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমার বড় ভাই হাবিবুর রহমানের সাথে জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল এর জের ধরে বড় ভাই তার পুত্র সাইফুর রহমান জামাতা সাতক্ষীরা হিসাব সংরক্ষণ অফিসের কর্মচারীর উস্কানিতে প্রায়ই মারপিট করাসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে আসছে। কয়েকবার আমাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করেছে। এবিষয়ে শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। যার নং- ৪৭০। সাধারণ ডায়েরিটি প্রসিকিউশন মামলা রেকর্ড হয়।

যার নং- ২৭/২২। উক্ত মামলায় হাবিবুর রহমানের পুত্র সাইফুর রহমান আটক হয়ে জেল হাজত খাটে। এতে হাবিবুর গং আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সাইফুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরেই মোস্তফা মুকুলের উস্কানিতে মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে গত ২৪ জুলাই ২২ তারিখে সাইফুর রহমান, ফজলুর রহমান গাজীর পুত্র আফজাল হোসেন, মৃত. আব্দুল গফুর আলীর পুত্র ফজলুর রহমানসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী আমাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। সে সময় আমার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা আমাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করি যার নং ৪১। সাইফুর রহমানগং আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। একপর্যায়ে গত ৮ সেপ্টেম্বর ২২ তারিখে সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে হাবিবুর রহমান, মজিদ গাজী, হাসান গাজীসহ কতিপয় ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার উপর হামলা করে। সে সময় আমাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।

একপর্যায়ে আমার হাতে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। এতে আমার ডান হাতের আঙ্গুলের নখ উপড়ে যায়। বুকের বাম পাশের হাড়ের ক্ষত হয়। এরপর আমাকে শ^াসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। ভাইপো নামের পরসম্পদ লোভী সাইফুর রহমান প্রকাশ্যে হুমকি প্রদর্শন করে বলছেন, তোমাকে হত্যা করে পালিয়ে যাবো। জেল ফাঁস কোন কিছুই হাবে না, আমার সরকারি কর্মচারী ভগ্নিপতি রয়েছে। সেই সব ম্যানেজ করবে। যে কয়টি মামলা করিস না কেন বোনাই ফাইনাল করিয়ে দেবে। যতবার মামলা করবি। ততবার মারপিট করবো। সুযোগ পেলেই দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন আমার সন্তানরা বাইরে থেকে লেখাপড়া করে। ফলে স্ত্রী ও নয় বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি বাড়িতে থাকার সুযোগে তারা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে কিছুদিন পর পর আমাকে মারপিট করে। আমি অসহায় নিরিহ প্রকৃতি অন্যদিকে সাইফুর রহমানগং দুর্ধর্ষ প্রকৃতির। সাইফুর রহমান যে কোন সময় আমাকে হত্যা করতে পারে। আমি বর্তমানে পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। তিনি সাইফুর রহমানসহ তার ভগ্নিপতির ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে ০৬ জন জুয়াড়ী গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) এসএম জামিল আহমেদ সার্বিক তত্ত্বাবধানে।

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ নেতৃত্বে। দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে।

এসআই শেখ গোলাম আজম, এএসআই আব্দুর রহিম গাজী সংগীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানাধীন নওয়াপাড়া এলাকা হইতে তাস দ্বারা টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার সময়। ১. মোঃ মিলন গাজী(৪০), পিতা-মৃত বাসতুল্লাহ গাজী , ২. মোঃ সামাদ গাজী(৩৮), পিতা-মৃত ইনতাজ গাজী ,-উভয় সাং- নোওয়াপাড়া, ৩. মোঃ মিরাজ ইসলাম @ মিয়ারাজ(২৯), পিতা-মোঃ আদর আলী সরদার , ৪. মোঃ মামুন গাজী(২৫), পিতা-মোঃ সাজ্জাদ গাজী , ৫. মোঃ আসাদুল সরদার(২৮), পিতা-মোঃ আশরাফ সরদার ৬. মোঃ আব্দুল্লাহ গাজী(২৭), পিতা-আব্দুল মালেক গাজী , উভয় সাং- দক্ষিন নাংলা , থানা- দেবহাটা, জেলা -সাতক্ষীরাদেরকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে রবিবার সকালে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest