সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খালে মাছ ধরতে এসে বৃদ্ধের মৃত্যুদেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে

আশাশুনির খরিয়াটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি জবর দখল চেষ্টায় হামলা !

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আশাশুনির খরিয়াটিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি জবর দখল চেষ্টায় হামলা এবং মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আশাশুনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আশাশুনির খরিয়াটি গ্রামের মৃত প্রভাষ সরকারের পুত্র সুনীল সরকারের সাথে নিজেদের শরিক এবং একই এলাকার মো: আনার গাজীর পুত্র মইনুর গাজী গংয়ের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ২৩ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মইনুর গাজীর নেতৃত্বে একই এলাকার আব্দুল গাজীর পুত্র মোত্তাজুল গাজী, মৃত আব্দুল জলিলে পুত্র রিয়াছত আলী,আব্দুল গাজীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম, মৃত সুলতান গাজীর পুত্র করিম গাজী, করিম গাজীর পুত্র ফারুক গাজী, মৃত সিরাত গাজীর পুত্র বারিক গাজী,

মৃত. সোহরাব গাজীর পুত্র আলমগীর গাজী, জাহাঙ্গীর গাজী, আনার গাজীর পুত্র শাহিনুর গাজী, মৃত. বাখের গাজীর পুত্র আব্দুল গাজী, মৃত বিশু গাজীর পুত্র আনার গাজীসহ ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সুনীল সরকারের বাড়িতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ঘেড়াবেড়া দেওয়া শুরু করে। এতে বাধা দেওয়ায় সুনীলের কাকা চিত্তরঞ্জন সরকার, কাকিমা তারকি রানী সরকার, কাকাতো ভাই নয়ন সরকার কাকিমা মিনতী রানী সরকারকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে।

এছাড়া লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে কাকা চিত্তরঞ্জনের মাথা থেতলিয়ে দেয় এবং মিনতী রানীর পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটনায়। সে সময় তাদের ডাক চিৎকারী স্থানীয় ছুটে এসে হামলাকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে। হামলাকারী চলে যাওয়ার সময় তাদের ভিটাবাড়ি দখল করে নিয়ে তাদেরকে ভারতে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি নিরাপত্তা এবং মারপিটের ঘটনায় তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আশাশুনি প্রতিনিধি.
আশাশুনিতে দিনমজুরী কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে উৎপল সরদার (১৯) নামে উচ্চ মাধ্যমিকের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামের দেবব্রত সরদারের ছেলে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উৎপল সরদারের বাড়ির পাশে কুদায় সরদারের মা চঞ্চলা সরদার সাংবাদিকদের জানান, আমার বাড়ির বারান্দার মাটি আমি সহ মোট চারজনে দিনমজুরীর কাজ করার সময় বাড়ির আর্থিংয়ের তার বিদ্যুতায়িত হয়ে যায় এবং তারে হাত দেয়ার পরই উৎপল সরদার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
বি এম

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ীতে গ্লোবাল এইড ট্রাস্টের ইফতার সামগ্রি বিতরণ
নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে ইউকে ভিত্তিক দাতা সংস্থা গ্লোবাল এইড ট্রাস্ট এর উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।
শনিবার (২৩শে এপ্রিল) সকালে জয়নগরে মরহুম আলহাজ্ব ছাবিলুর রহমান সরদারের বাড়িতে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। এসময় মাস্টার আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা হাবিবুল্লাহ, বীকোন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক গোলাম সারোয়ার, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শহিদুল ইসলাম, মাকসুদুর রহমান মিলন প্রমুখ।
এসময় অত্র এলাকার শতাধিক ব্যক্তিদের মাঝে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে রিক্সা চালাতে গিয়ে লাশ হলেন কাশিমাড়ীর আজবাহার

শ্যামনগর প্রতিনিধি : ৪ কন্যা সন্তান ও স্ত্রী কে নিয়ে সুখের সংসার গড়েছিল আজবাহার আলী। নুন আনতে পানতা ফুুরালেও সংসারে কোন সুখের ঘাটতি ছিলনা তার। কখনও দিনমজুর আবার কখনও ইটের ভাটায় কাজ করা আবার কখনও রাজধানী ঢাকা শহরে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত আজবাহার আলী। সে শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ মোড়লের মেজ ছেলে।

গত বুধবার (২০শে এপ্রিল) রাতে জীবিকার তাগিদে রিক্সা চালানোর জন্য রাজধানী ঢাকা শহরে পাড়ি জমায়। একদিন পরে অর্থাৎ শুক্রবার সকালে রিক্সা চালিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে স্ট্রোক জনিত কারনে মাত্র ২৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন আজবাহার আলী (ইন্নালিল্লাহী … রাজিউন)। মুহুর্তেই তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবার সহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করে।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ কন্যা সন্তান, স্ত্রী, পিতা – মাতা – ভাই – বোন সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। শনিবার সকালে জানাযা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে তার পরিবার সহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। পিতৃহারা ৪ কন্যা সন্তানকে নিয়ে তার স্ত্রী কিভাবে সংসার চালাবেন সেই দুশ্চিন্তায় আছে আর পরিবার সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৩৩ বছরের সীমানা প্রাচীরের মধ্যে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ
আদালতের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে কমান্ড স্টাইলে ১ একর ২৯ শতক জমির উপর
নির্মীত সীমানা প্রাচীরের মধ্যে প্রবেশ করে বাঁশ খুটি পুতে টিনের ঘর নির্মাণ করে জমি দখলের পায়তারা করছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর
গ্রামের মৃত শেখ আনোয়ার আলীর ছেলে সন্ত্রাসী ভূমি দস্যু শেখ বোরহান উদ্দীন। ঘর নির্মাণ বাঁধা দিতে গেলে জমির মালিক সাতক্ষীরা পৌরসভার
পলাশপোল গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে মোঃ মাসুদ আহম্মেদ ওরফে মামুনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এসময় লোহার শাপল দিয়ে তার উপর হামলা
চালানো হয়। মারপিটকরে রক্তাক্ত জখম করে মাটিতে ফেলে রাখা হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায়
তার স্ত্রী মোছাঃ লুৎফা খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করায় মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে ওই সন্ত্রাসী বাহিনী। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন মাসুদ আহম্মেদ ওরফে মামুন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে
জানান, তার পিতা মৃত আব্দুস সামাদ ১৯৮৭ সালে এবং তিনি ও তার ছোট ভাই মাহমুদ আহম্মেদ মুন্না ১৯৮৮ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ব্রম্মরাজপুরের প্রকাশ ঘোষের নিকট থেকে ব্রম্মরাজপুর মৌজার এসএ ১৫১
খতিয়ানে (দাগ নম্বর-৬৫৯৯,৬৬০১,৬৬০০) বর্তমান ৮৪৭০,৮৪৭৮,৮৪৭৯ ও ৮৪৮১ যথাক্রমে এই চার দাগে দুই দফায় মোট ১ একর ২৯ শতক জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পরপরি সীমানা প্রাচীর দিয়ে রাখেন। কিন্তু গত দেড় বছর ধরে ধুলিহর
গ্রামের মৃত শেখ আনোয়ার আলীর ছেলে ভূমি দস্যু সন্ত্রাসী শেখ বোরহান উদ্দীন ওই জমি থেকে ৪ শতক জমি দখলের পায়তারা করে। তার বাড়ী ধুলিহর সাহেব
বাড়ী মোড় সংলগ্ন সরকারি রাস্তা হওয়ার কারনে তার জমি সরকারি রাস্তার মধ্যে
চলে যাওয়ার কারনে সরকারি ম্যাপে তার জমির পরিমান কমে যায়। আর সে কারনেই
সন্ত্রাসী বোরহান উদ্দিন জমির পেছনে থাকা আমাদের ৩৩ বছর ধরে সীমানা প্রাচীর দিয়ে রাখা ওই জমি দখল নিতে হঠাৎ মরিয়া হয়ে উঠে। শেখ বোরহান
উদ্দিন গত দেড় বছর আগে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এমত অবস্থায় জমির মালিক মাসুদ আহম্মেদ ওরফে মামুন গং
আদালতের আশ্রয় নিয়ে একটি মামলা করেন। মামলা নম্বর দেওয়ানি ১৯/২০২২।

বিজ্ঞ আদালত ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি জমিতে ইস্তিথিশীল অবস্থা (এস্টাটাসকো) জারি করে। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে গত ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভূমি দস্যু সন্ত্রাসী বোরহান উদ্দিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমাদের
জমির সীমানার মধ্যে জোর পূর্বক পবেশ করে টিনসেটের ঘর নির্মান করতে থাকে। সংবাদ পেয়ে ওই দিন রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে
সন্ত্রাসী বোরহান উদ্দিন তার উপর হামলা চালায় এবং ঘর নির্মাণ করতে থাকা
লোহার শাপল দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে আমি আত্মরক্ষা করি এবং ওই
শাপলের বাড়ী আমার মুখ মন্ডলে লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এসময় সে ও তার
সন্ত্রসাী বাহিনী আমাকে বিভিন্ন লাঠি সোটা দিয়ে পিটাতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার গলায় থাকা ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও পকেটে থাকা ৩৫ হাজার
২০০ টাকা জোর করে ছিনতাই করে নেয়। পরে তার চিৎকারে এলাকাবাসী ও সংবাদ পেয়ে আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি
করে। এঘটনায় আমার স্ত্রী মোছাঃ লুৎফা খাতুন বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায়
একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৬৬। মামলা দায়েরর পর থেকে সন্ত্রাসী
বোরহান উদ্দিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী মাসুদ আহম্মেদ ওরফে মামুন ও তার
পরিবারকে হত্যার জন্য আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে। সন্ত্রাসী বোরহান উদ্দিন ওই মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আমি ও আমার স্ত্রীসহ পরিবারের অনান্য সদস্যদের হুমকি দিচ্ছে। এমনকি ওই জমিতে গেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। এমত অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। সন্ত্রাসী বোরহান উদ্দিন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীদের দ্রুত
গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারপিট ও বাড়িঘর ভাংচুর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী এবং সাবেক শিবিরের ভিপি কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে মারপিট ও বাড়িঘর ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোত্তালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, পুরাতন সাতক্ষীরা এলঅকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার মোল্যার পুত্র মো: বজলুর রহমান। লিখিত অভিযোগে তিনি
বলেন, পুরাতন সাতক্ষীরায় ডাঙ্গীপাড়ায় মসজিদুর রহমান জামে মসজিদের সভাপতি  হিসেবে একই এলাকার পুঞ্জু বেশের পুত্র যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী আশরাফ আলী সিদ্দিকী দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পরবর্তীতে তার ভাইপো সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিবিরের সাবেক ভিপি আব্দুল কাদের সভাপতির
দায়িত্ব পালনের নামে মসজিদে ফান্ডের টাকা তছরুপকরাসহ মসজিদের মধ্যে বসে
জামায়াতের নাশকতার পরিকল্পনাকরা এবং বিভিন্ন এলাকার জামায়াত-শিবির
নেতাকর্মীদের ডেকে নিয়ে মসজিদের মধ্যে মিটিং পরিচালনা করেন। এসব কারণে
এলাকাবাসী কাদেরের দ্রুত অপসারণ দাবি করে। মুসুল্লীদের যৌক্তিক দাবির সাথে আমিও একমত পোষন করি। গত ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে আসরের নামাজের পর আমি
বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। সে সময় একই এলাকার সুবারেক সরদারের পুত্র আব্দুস সাত্তার আমাকে ডেকে বলেন, আশরাফ মাস্টার তোমাকে ডাকছে। আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে মসজিদের মধ্যে প্রবেশের সাথে সাথে যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী আশরাফ মাস্টারের নেতৃত্বে তার সহযোগিরা দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্র নিয়ে আমাকে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে বলে তুই স্বাক্ষী দিলি কেন বলেই মারপিট শুরু করলে আমি জীবনের ভয়ে দৌড়ে বাড়ির মধ্যে চলে যায়। বাড়িতে চলে যাওয়ার পর আশরাফ মাস্টারের নেতৃত্বে তার ভাইপো ভিপি কাদের, হামিদ উল্লাহের পুত্র আব্দুল মালেক, আশরাফ আলীর পুত্র হুমায়ুন কবির পিন্টু, আব্দুল গফুরসহ ১০/১২জন সন্ত্রাসী বাহিনী লোহার রড, দা, বাঁশের লাঠি সোটা নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা  করে।

বাড়িতে থাকা আমার পিতার বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার বিভিন্ন সম্মাননা স্মারক পদক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবিসহ মহান মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতি সম্মলিত জরুরী ডকুমেন্ট এবং মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক বিভিন্ন গ্রন্থ ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন করে। এছাড়াও যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী আশরাফ মাস্টারগং মহান মুক্তিযোদ্ধা ও মুুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে অশ্লীল
ভাষায় কটুক্তি করে।

এঘটনায় ১২ এপ্রিল ২০২২ তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করি। যদিও এবিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এদিকে উল্লেখিত যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী আশরাফ মাস্টার, শিবিরের সাবেক ভিপি কাদেরসহ তাদের সহযোগিরা আমাকে খুনজখমসহ বিভিন্ন হুমকি
প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। আমি তাদের হুমকিতে জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

ওই যুদ্ধাপরাধী মামলার আসামী আশরাফ মাস্টার, শিবিরের সাবেক ভিপি কাদেরসহ তাদের সহযোগিদের গ্রেফতার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেণে ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান
বজলুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় হারিয়ে যেতে বসেছে মৃৎশিল্পের কারকার্য খচিত শিল্পকর্ম

দেবহাটা ব্যুরো:

মানুষ দক্ষতা দিয়েই তার সকল শিল্পকর্ম সাজিয়ে তোলে। শিল্পকর্মের মধ্যে মৃৎশিল্প অনেক বেশি আকর্ষণীয়।

প্রাচীন ইতিহাসের পাতায় চোখ বুলালে লক্ষ্য করা যায় যে, আগুন জ্বালাতে না পারার আগের কথা, মৃৎশিল্পের কারুকার্য খচিত শিল্পকর্ম যা আমাদের গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য। মানুষ জীবিকা নির্বাহের উপকরণ হিসেবে সৃষ্টি করেছিল সেই অনেক বছর আগে। মানুষের প্রাচীনতম শিল্পক

র্মের মধ্যে নিঃসন্দেহে মৃৎশিল্প অনেক আকর্ষণীয়। মাটি আর পানির উপাদানের মিশ্রণের নিরন্তর প্রবাহই মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল প্রথম মৃৎশিল্প তৈরির জন্য।
পরবর্তীতে আগুনের ব্যবহার আয়ত্তে এনে তৈরিকৃত মৃৎপাত্র পুড়িয়ে সেটাকে ব্যবহারের অধিকতর উপযোগী করে তুলেছে। শিল্পীর রং তুলি যেমন করে নির্জীব কোন দৃশ্যকে নান্দনিকতা দেয়, তেমনি কুমার তার হাতের ¯পর্শে মাটিকে করে তোলে তৈজসপত্রে। যার নন্দনতত্ত্বর মোহে নারীরা ঘরকে করে তুলছে আরও বেশি সুশোভিত। যুগ যুগ ধরে বংশ পর¤পরায় নিজেদের একনিষ্ঠতা ও হাতের সুনিপুণতা দিয়ে তৈরি করে আসছে হাজারো রকমের মাটির পাত্র।

হাঁড়ি, বাসন-কোসন, ঘটি-বাটি, খেলনা, পুতুল, ফুলদানি, টব, চায়ের কাপ, ফুলের টব অন্যতম। বিশ্বায়নের যুগে মানুষের রুচির পরিবর্তনের ফলে এই মাটির শিল্পের চাহিদা অনেক মাত্রায় কমে গেছে। বর্তমানে এই অভিরুচির সংখ্যা কিছু কর্পোরেটদের হাত ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞানের আমলে বিভিন্ন তৈজসপত্র ব্যাপক পরিসরে মাটির শিল্পের স্থান দখল করে নিলেও গ্রামবাংলার অধিকাংশ মানুষ এখনও মাটির পাত্র ব্যবহারে তাদের পুরানো ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। মাটির শিল্পের ব্যবহার একদিকে স্বাস্থ্যসম্মত, অন্যদিকে কম ব্যয়বহুল। এছাড়াও বিশেষ কিছু মাটির পাত্রের জনপ্রিয়তা সর্বকালীন। মাটির শিল্প বলতে আজ আর শুধু শখের হাঁড়ি,

মাটির বদনা কিংবা রান্নার পাতিলকেই বোঝায় না।
অতি উন্নতমানের আধুনিক ও রুচিশীল তৈজসপত্র এবং অন্যান্য সামগ্রীও আজ মাটির পাত্রের শিল্পীদের হাতে তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মাটির শিল্প কুটির শিল্পের গন্ডি পেরিয়ে যন্ত্রচালিত আধুনিক ক্ষুদ্রশিল্পের রূপ পরিগ্রহ করেছে। যন্ত্রচালিত কারখানায় তৈরি উন্নতমানের মসৃণ মাটির পাত্র অতি সহজেই আধুনিক ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এই মৃৎশিল্পের পেছনে অর্থ দিলে হয়ত কিছু মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দেশের জিডিপিতে অবদান রাখার মতো কিছু অর্থ আসত। আমাদের নীতি হলো, নিজে ভাল থাকলেই পৃথিবী ঠিক। বাস্তবতা তার ভিনগ্রহে চলে। এই মৃৎশিল্পে বর্তমানে কয়েক লাখ লোক কর্মরত রয়েছেন। যাদের অবদান জাতীয় অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বেরও দাবি রাখে। তবে এই দেশীয় শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে ইতোমধ্যে বেশকিছু কর্মসূচী গ্রহণ করা হলেও বাস্তবে তার প্রয়োগিক ক্ষেত্র কতটুকু সফলতা পেয়েছে সেটাই খতিয়ে দেখার বিষয়। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা, বিসিকসহ বিভিন্ন সংস্থা এই শিল্পের শিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। বাঙালীর ঐতিহ্যের স্মৃতিবাহকদের মধ্যে অন্যতম হলো মৃৎশিল্প। যাদের কল্পনার রঙের বিন্যাস, কারিগরি দক্ষতা, বাস্তবধর্মী আঙ্গিক, সৌম্য আর সূ²তার ব্যঞ্জনায় মৃৎশিল্পীরা সমাদৃত।

পোড়া মাটির নানাবিধ কাজ, গৃহস্থালির নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্যাদি, পুতুল, খেলনা, প্রতিমা, প্রতিকৃতি, টপ শো সহ অসংখ্য জিনিস আজও কুমার শালায় তৈরি হয়ে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। সময় মাটির তৈরি হাঁড়ি বা গণেশের মূর্তি দিলে বিনিময়ে ওই পাত্রে বা মূর্তির পেটে যত চাল ধরে ততটাই দেয়া হতো শিল্পীকে। আজ আর সে চাল জোটে না, বিনিময়ে জোটে সামান্য অর্থ। তারপরও দেশের কুমাররা ধরে রেখেছেন তাঁদের নিজস্ব ঐতিহ্য। বিলুপ্তির পথে চলে যাওয়া শিল্প যেন আবার তাদের ছোঁয়ায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বলে মন্তব্য করেছেন দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়ার আরতী রানী পাল তিনি বলেন, জন্মের পর কেপল শিখেছি এই কাজ। এক সময় প্রচুর বিক্রী হত এখন আর সেভাবে বিক্রী হয় না। সে কারণে এখন নায্য মূল্য ও পাই না, তৈরিতে যে হারে কষ্ট হয়, সময় লাগে সেহারে এখন টাকা পাই না। ফলে কোন কোন সময় পরিবার পরিজন নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

কথা হয় পারুলিয়ার কুমার পল্লীর প্রধান কারিগর কালিদাস পালের এর সাথে তিনি বলেন, বাবা মা শিখিয়েছল এই কাজ সে কারনে এই কাজ করে জীবন চালাতে হচ্ছে। সে ভাবে কাজ হয় না এখন আর। এখন আর বিক্রী ও নেই তেমন যার ফলে তৈরি ও কম করছি। যা তৈরি করি তা বিক্রী করে সংসার চালানো দায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে উন্নয়ন পরিষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

তালা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার তালায় পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে উন্নয়ন পরিষদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ এপ্রিল) তালার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁদকাটি গ্রামে গ্লোবাল উন্নয়ন সেবা সংস্থার সহযোগিতায় ও গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইউকে এর অর্থায়নে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উন্নয়ন পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গণেশ দেবনাথ, ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে মাগুরা ইউনিয়নের ১৫০ অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে (চাল, ডাল, তেল, লবণ, আলু, আটা, খেজুর, ঝালের গুড়া, ধনে গুড়া) খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest