নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় মৎস্যঘের থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে সদরের লাবসা ইউনিয়নের কৈখালী এলাকার কেসমতের মৎস্য ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন হোসেন (২৮) কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র। তিনি সাতক্ষীরার ইসলামী বক্তা ও জামায়াত ইসলামী মনোনীত লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মাও: মনোয়ার হোসেন মোমিনের গাড়ী চালক ছিলেন।
নিহতের পিতা জানান, গতকাল রাতে খেলা দেখার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিল সুমন। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। সকালে স্থানীয়রা জানান সুমনের মরদেহ উলঙ্গ অবস্থায় ঘেরের মধ্যে পড়ে আছে।
মাও: মনোয়ার হোসেন মোমিন এটিকে হত্যাকান্ড দাবি করে বলেন, তার মরদেহটি উলঙ্গ অবস্থায় ছিলো। এছাড়া তাকে টেনে নেওয়া হয়েছে এমন চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। তিনি অবিলম্বে এই হত্যাকান্ডের তদন্তপূর্বক আসামীদের শাস্তির দাবি জানান।
ডেস্ক রিপোর্ট: সোমবার (২০ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রসুলপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। স্থানীয়রা জানান, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ময়নাতদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
নিহত লাল্টু হোসেন ওই এলাকার মোটরসাইকেল মেকানিক ফজলু হোসেনের ছেলে। তিনি দুই ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন। দুই ভাইবোনের মধ্যে লাল্টুই ছিলেন বড়। তার একমাত্র বোনের বিয়ে হয়েছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, লাল্টু হোসেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর তিনি বড় পর্দায় খেলা দেখে নীরবে বাড়ি ফিরে যান। রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর তার পেটে ব্যথা শুরু হয়। পরে তিনি দুইবার শৌচাগারে যান। এ সময় তার স্ত্রী শৌচাগারে কাপড় পরিষ্কার করে ফিরে এসে দেখেন, লাল্টু অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় সদস্যরা থাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত ডাক্তার লালটুকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
সোমবার জোহরের নামাজের পর রসুলপুর পশ্চিমপাড়া আহলে হাদিস সাবেরী জামে মসজিদ মাঠে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি : স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিতকরণ এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আইনানুগ কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খুলনা রোড মোড় এলাকায় সমন্বিত টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার বিকালে (১৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ব্যাটালিয়ন আনসার, পুলিশ, পরিবেশ অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন, ড্রাগ লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (ক্লিনিক্যাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট) প্ল্যান্টসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়।
এ সময় প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, ড্রাগ লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র এবং ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্ল্যান্ট না থাকায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা, স্বপ্ন ক্লিনিককে ৩০ হাজার টাকা এবং পাইনিওয়ার ক্লিনিকে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া আরও কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ এবং নিরাপদ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবার মান বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও আইন প্রয়োগমূলক অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
শহীদ জায়েদার ২৮ তম সাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ভূমিহীন সমিতির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় শহরের বাজার কোলকাতা হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মো: কওছার আলী।
সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, জেলা ভূমিহীন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম রেজাউল করিম রেজা, ভূমিহীন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন,সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, সবুর গাজী, শহিদুল গাজী, আজগর মোড়ল, মিজানুর সরদার, রফিকুল পাড়, বাবর আলী গাজী,সারাকাত হোসেনসহ অন্যরা।
বক্তারা ভূমিহীনদের দাবি আদায় এবং অনিয়ম দুর্নীতি প্রতিরোধে শহীদ জায়েদার মত রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এছাড়া প্রস্তুতি সভায় আগামী ২৭ জুলাই শহীদ জায়েদার সাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, আলোচনাসভা এবং খাদ্য বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মোছাঃ নাসিমা পারভীন নামে এক নারী তার স্বামীর চার নিকটাত্বীয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে।
শনিবার (১৮জুলাই) সকাল সাড়ে আটার দিকে শ্যামনগর থানায় হাজির হয়ে তিনি উক্ত মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন তার স্বামী আফসার আলীর নিকটাত্বীয় আবু বক্কার, আব্দুল কাদের, মঞ্জুরুল ইসলাম ও রবিউল ফকির
মামলা সুত্রে জানা যায় ঐ নারী দাবি করেন স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্যামনগর সদরের চন্ডিপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি স্বামীর কাশিমাড়ী গ্রামের বাড়িতে যেয়ে ঘর তালাবদ্ধ দেখতে পায়। এসময় কল দিয়ে স্বামীর মোবাইল বন্ধ পেয়ে সাতক্ষীরায় অবস্থানরত ভাশুর আব্দুর রাজ্জাকের পরামর্শে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে বারান্দায় পায়চারী করার সময় অভিযুক্তরা মুখে গামছা বেঁধে ঘর থেকে তুলে নিয়ে পাশের খড়ের ঘরে নিয়ে তাকে ধর্ষন করে।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে বনিবনা না হওয়ায় অভিযোগকারী নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর নিকট থেকে তালাক দাবি করে আসছিলেন। বিনিময়ে নাসিমা পারভীন স্বামী থেকে দুই শতক জমি বা পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। তবে স্বামী আফছার আলীর এসব নিকটাত্বীয়রা নাসিমা পারভীনকে জমি বা টাকা দেয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা সৃষ্টি করায় নাসিমা তাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা ও হয়রানীমুলক এ মামলা করেছেন।
আসামি দের পরিবারের পক্ষ থেকে যোর দাবি তুলেছেন ধর্ষণের ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মিথ্যা আমাদের হয়রানি করার জন্য এই মিথ্যা বানোয়াটা মামলা সাজিয়েছে।
অপরদিকে অভিযোগকারী নারীর স্বামী আফছার আলীর ভাষ্য তাদের স্বামী-স্ত্রী’র এটা দ্বিতীয় বিয়ে। নিজের নামে মাত্র দুই শতক জমি তার অবশিষ্ট রয়েছে। তাই তিনি কোন জমি দিতে সম্মত না হওয়ায় হয়ারনী করতে তার স্বজনদের নামে মামলা দিয়েছে তার স্ত্রী। তিনি বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন।
মামলার এক নাম্বার স্বাক্ষী মো: মিঠু বলেন, আমি ইজিবাইক চালক তাকে বিভিন্ন সময় আনানেওয়া করি, ঘটনার দিন রাত ১১ টার দিকে শ্যামনগর থেকে নিয়ে আশি আবার আদাঘন্টা পর জয়নগর আমাদানি সামনে বোনের বাসায় দিয়ে আশি, আবার ১২ টা সাড়ে বারোটার পর আবার আমাকে ফোন দেয়, এস কাউকে দেখিনি হালকা করে হাত বাধা কিন্তু কাউকে দেখিনি।
এবিষয়ে জানতে নাসিমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার সাথে যা হয়েছে তা নিয়ে কথা বলবো না। তবে আমার বসবাসের জন্য দুই শতক জমি দিলে আমি মামলা করতাম না। আগের রাত পর্যন্ত বার বার বলা সত্ত্বেও জমি দিতে সম্মত না হওয়ায় তিনি মামলা করেছেন বলেও নিশ্চিত করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানান উক্ত নারীর পরীক্ষা করে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তিন/চার দিন পুর্বেও একই ধরনের অভিযোগ নিয়ে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শাররীক পরীক্ষা করাতে অস্বীকার করেছিলেন।
এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার সাফিউল ইসলাম জানান, নাসিমা পারভীনের এজাহার মামলা হিসেবে রেকর্ডের পর একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি : আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থাতেই সাতক্ষীরায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পক্ষ জমিটি নিজেদের দাবি করলেও সড়ক বিভাগ স্পষ্ট জানিয়েছে—জমিটি মহাসড়কের। সরকারি খাস খতিয়ানের এই জমি কীভাবে ব্যক্তিনামে রেকর্ড ও মিউটেশন হলো, তা নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
১৮ জুলাই (শনিবার) সকালে মাগুরাগোপিনাথপুর মৌজায় বিজিবি ক্যাম্পের সামনের ওই জমিতে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পুলিশ চলে যাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত মোসফেকউস সালেহীন ও তাঁর লোকজন পুনরায় পুরো জমিটি ঘিরে ফেলেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাগুরাগোপিনাথপুর মৌজায় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে ১ নং খাস খতিয়ানের বিএস ১৪১০ দাগে ৭ শতকসহ মোট ৬৩ শতক সম্পত্তি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাভুক্ত। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি কলেজ রোড এলাকার মৃত সুলতানুল ইসলামের পুত্র মোসফেকউস সালেহীন গং জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সরকারি এই সম্পত্তি নিজেদের নামে রেকর্ড করিয়ে নেন। পরবর্তীতে ওই বিতর্কিত রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুজ্জামান কোনো প্রকার সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই নামজারি (মিউটেশন) মঞ্জুর করেন। বেআইনিভাবে এই সম্পত্তি ব্যক্তিনামে রেকর্ড ও মিউটেশন হওয়ায় একদিকে যেমন সরকারের বিপুল টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।
অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাঁরা ১৩৩৪ নম্বর দলিলের বুনিয়াদে জমিটির মিউটেশন সম্পন্ন করেছেন। তবে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য। নথিপত্র অনুযায়ী, অভিযুক্তদের দাবিকৃত ১৩৩৪ নম্বর দলিলটি ২০২৩ সালে সম্পাদিত হয়, যার গ্রহীতা লাবসা ইউনিয়নের কামরুন নাহার এবং দাতা আখড়াখোলার তবিবুর রহমান। ওই দলিলের মূল দাগ ও খতিয়ান নম্বরের সাথে অভিযুক্তদের দাবিকৃত জমির দাগ-খতিয়ানের কোনো মিল বা দূরতম সম্পর্ক নেই।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ জানান, বিতর্কিত এই জমিটি মূলত খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের অংশ। জমিটি সড়ক বিভাগের মালিকানাধীন নিশ্চিত করে তিনি বলেন, “এল এ ৫৪/৫৫ নম্বর কেস মূলে অধিগ্রহণ সূত্রে এবং সড়ক ও জনপদের নকশা অনুযায়ী হাল জরিপে ১৪১০ দাগটি খাস ভুক্ত। ফলে মোসফেকউস সালেহীন গং-এর পক্ষে হওয়া নামজারি খতিয়ানটি (নম্বর: ২০২৬-১-০০০-৩৩) বাতিল করে জেলা প্রশাসকের ১নং খাস খতিয়ান হতে সড়ক ও জনপদের পক্ষে রেকর্ড সংশোধন করার জন্য ইতোমধ্যে লিখিতভাবে আদেশ ও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আদালতের বিচারাধীন বিষয় এবং সড়ক বিভাগের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই প্রকাশ্য জমি দখলের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে জেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় ১০০…
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের ১৩৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (৪ অক্টোবর)…
অনলাইন ডেস্ক : পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোতেকোশি নদীতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন…