নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্রুত সময়ের মধ্যে কাস্টম হাউস চালু, ভোমরা বন্দরের সাথে বেনাপোল বন্দরের ফলজাতীয় পণ্যে রাজস্ব আদায়ের বৈষম্য নিরসনের দাবিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি ও রপ্তানি কারক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সোমবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারক লিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভোমরা স্থলবন্দরে কাস্টমস হাউজের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমদানি ও রপ্তানি কারক অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আশা করে যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আসন্ন বাজেট অধিবেশনের আগেই কাস্টমস হাউস বাস্তবে রূপ লাভ করবে।

স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় ফলজাতীয় পণ্যে ভোমরা ও বেনাপোল বন্দরের রাজস্বের তারতম্যের কারণে আমদানি কারকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। আমদানিজাত আঙ্গুর, আনার ও কমলালেবুর প্রতিটি ট্রাকে ২ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকার রাজস্বের তারতম্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত ৩ মার্চ বেনাপোল ও ভোমরা বন্দর দিয়ে আমদানিত জাতক একই ওজনের একটি আঙ্গুর ফলের ট্রাকে প্রায় ৩লক্ষ টাকা রাজস্ব এর ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে। গত দুই সপ্তাহের বেনাপোল ও ভোমরা বন্দরের বিল অব এন্টি পর্যচালনা করলে রাজস্ব আদায়ের বাস্তব চিত্র পাওয়া যাবে। বেনাপোল বন্দরের ওয়েব্রিজে স্কেলের কার সাজি ও টি আর ওজনের তারতম্যের কারণে সমপরিমাণের ফলের ট্রাকে রাজস্বের ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। যার কারনে আমদানি কারকরা ভোমরা বন্দর ত্যাগ করে বেনাপোল বন্দরের দিকে ঢুকে পড়েছে। পাশাপাশি দুটি বন্দরের রাজস্ব বৈষম নিরসনে দাবি জানানো হয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি ও রফতানি কারক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর প্রদান করা স্মারকলিপি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হাতে তুলে দেন। এসময় জেলা প্রশাসক এসএম হুমায়ুন কবির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে স্মারকলিপিটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট ফরোয়ার্ডিং দিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সোয়াব দাতব্য সংস্থার পক্ষ থেকে নলকূপ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রোববার সদর উপজেলার আখড়াখোলা বাজারস্থ জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে নলকূপ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সোয়াব সংস্থার পরিচালক মো: জামিলুজ্জামান।

প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম ভুইয়া।

জান্নাতুল ফেরদৌস মসজিদ ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ডা: আবুল কালাম বাবলা, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ সহিদুর রহমান, ড্যাফেডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মারুফ হাসান, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা: নাজমুস সাকিব ব্রাইট প্রমুখ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মাস্টার আজহারুল হক, বল্লী ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আফতাবুজ্জামান লাল্টু, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু মোত্তালিব, সমাজ সেবক শহীদুল ইসলাম, সোয়াব সংস্থার অর্থ সম্পাদক মাও: মোসলেম উদ্দীন, সদস্য রিদ্দিকুজ্জামান, খালিদ ওয়ালিদ নাহিদ, শাওন।
এসময় অত্র এলাকার ২৫০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্য সামগ্রী হিসেবে একেক একটি পরিবার পেয়েছে ১০ কেজি চাল, ৪ কেজি আলু, ১ লিটার তেল, ১ কেজি ছোলার ডাল, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি মসূরের ডাল, ১ কেজি চিনি এবং ১ কেজি লবন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সোয়াব সংস্থার সদস্য মাও জাহিদ বিন মশিউর। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মো: আশরাফুজ্জামান আশু’র ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে শেখ নাঈম হাসানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমপি আশরাফুজ্জামান আশু’র অভিপ্রায় অনুযায়ী শেখ নাঈম হাসান-কে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

শেখ নাঈম হাসান সদর উপজেলার দহাকুলা গ্রামের মরহুম শেখ সিরাজুল হকের কনিষ্ঠ পুত্র। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা জেলা জাতীয় পার্টির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগেও তিনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনের মহাজোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম এ জব্বারের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গণগ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী-সচিব কফিল উদ্দিন মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আশরাফুজ্জামান আশু এমপি যতদিন এ পদ অলংকৃত করবেন অথবা শেখ নাঈম হাসানকে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষন করবেন ততদিন এ নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট
: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক ট্রাক্টর কাভার্ডভ্যান ট্যাংক লরী (দাহ্য পদার্থ বহনকারী ব্যতিত) শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি: নং ১২৭৫/৯৮ খুলনা) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে বকুল-বারী পরিষদের প্রার্থীরা সংখ্যাগরিষ্ট পদে বিজয়ী হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়। রোববার সকালে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি এড. আবু সাঈদ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে মো. বকুল মোড়ল ১১৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুল হক গাজী ৮৭৯ ভোট এবং আবুল কালাম ১৪২ ভোট পেয়েছেন। সভাপতি প্রার্থী আবুল কালাম আওয়ামী লীগ নেতা স.ম. আলাউদ্দীন হত্যা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী।

কার্যকরী সভাপতি পদে মো. মনিরুল ইসলাম ১১৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৭৩৯ ভোট।
সহ-সভাপতির দুটি পদে আব্দুল মুজিদ ৯২৬ ভোট এবং মো. আদম আলী ৮৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাহিদুল আলম ৮৪৫ ভোট এবং মো. আলতাফ হুসাইন ২৩১ ভোট পেয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আব্দুল আজিজ বাবু ১৪১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ সাহাঙ্গীর হোসেন শাহিন ১০০৭ ভোট এবং মো. ফরিদ হোসেন পেয়েছেন ৯ ভোট।

যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. রবিউল ইসলাম ১২৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহজাহান আলী পেয়েছেন ৬৬২ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদকের দুটি পদে শেখ ইয়াছিন আলী জুয়েল ৮০৬ ভোট এবং মো. আল আমিন ৫৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মনিরুল ইসলাম বাবু ৫৭৬ ভোট, মো. কিসমত আলী ৪৬০ ভোট এবং মো. মোমিনুর রহমান ২৬৯ ভোট পেয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. রবিউল ইসলাম ১২৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৬০ ভোট।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. মোশারফ হোসেন ৭৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম মো. ফারুক আহমেদ সাগর পেয়েছেন ৭২২ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে তাহেজুল হাসান বাবুল ৯২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম মো. রফিকুল সরদার পেয়েছেন ৮৬৫ ভোট।

প্রচার সম্পাদক পদে আব্দুর রাজ্জাক ১১৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম মো. সেলিম হোসেন পেয়েছেন ৭৩৭ ভোট।

সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মো. সাইফুর ইসলাম ৮৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মীর আজিজুর ইসলাম ৫১১ ভোট এবং আব্দুল বারী পেয়েছেন ৩৬৪ ভোট।

দপ্তর সম্পাদক পদে মো. শাহাদাত হোসেন সেজি ৯১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. খালিদ হোসেন পেয়েছেন ৭১৮ ভোট।

সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম ১০৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. লুৎফর রহমান পেয়েছেন ৬১০ ভোট।

সড়ক সম্পাদক পদে মো. জিয়ারুল ইসলাম ১০৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আল আমিন পেয়েছেন ৯৯৯ ভোট।

সহ-সড়ক সম্পাদক পদে মো. সাজু গাজী ১১০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাসুদ রানা পেয়েছেন ৬১৮ ভোট।

ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে মো. ইদ্রিশ আলী ৮৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৭১৫ ভোট এবং মো. শাজাবুদ্দিন আহমেদ টুটুল পেয়েছেন ২৬৯ ভোট।

শ্রম ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. নুর আলী গাইন নুরু ১০৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নিয়ামতুর রহমান পেয়েছেন ৫০০ ভোট।

ছয়জন কার্যকরী সদস্য পদে মো. মহিদুল ইসলাম ১০৭৩ ভোট, মো. হজরত আলী ৭৩৩ ভোট, মো. সাইফুল ইসলাম ৭১৯ ভোট, মো. আব্দুর রাজ্জাক ৬৪১ ভোট, মো. ইব্রাহিম হোসেন ৫৮১ ভোট এবং মো. ইয়াছিন আলী ৫৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রতিদ্বন্দ্বী রুবেল ইসলাম ৫৪৩ ভোট, মো. শরিফুজ্জামান ৫০৪ ভোট, মো. রবিউল ইসলাম ৪৯৩ ভোট, মো. মিজানুর রহমান ৪৭১ ভোট, মো. শাহিনুর রহমান ৪৫৬ ভোট, প্রদীপ মন্ডল ৩৬৯ ভোট, রানা ইসলাম ৩৪০ ভোট, মো. হাফিজুল ইসলাম ৩০০ ভোট এবং মো. ছালাম গাজী ২৫০ ভোট, পেয়েছেন ভোট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালের পরিচালক ডা: শীতল চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঔষধ কেনার ৭ কোটি টাকা আত্মসাতসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা ভূমিহীন সমিতির আয়োজনে রোববার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি মো: কওছার আলী। বক্তব্য রাখেন, ভূমিহীন সমিতির সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান, শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, বাবলু হাসান, নারী নেত্রী নদীসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, হাসপাতালের পরিচালক ডা: শীতল চৌধুরী সপ্তাহে মাত্র দুই দিন অফিস করেন। ঠিকমত অফিসে আসেন না। অথচ সরকারি আইন অনুযায়ী কোন সরকারি কর্মকর্তা বিনা ছুটিতে কর্মস্থল ছাড়তে পারবেন না। সে আইন তিনি মানেন না। ডা: শীতল চৌধুরী, অতিরিক্ত পরিচালক ডা: অজয় কুমার এবং ল্যাব ইনচার্জ সুব্রত কুমার দাস সিন্ডিকেট করে হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের সাথে যোগসাজস করে লুটপাট চালাচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের স্টাফদের বেতন ছাড়াতে গেলেও টাকা দিতে হয়। ফলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। সাতক্ষীরা মেডিকেলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে নাজুক হয়ে পড়েছে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, দুর্গন্ধে রোগীরা আরো বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন। প্যাথলজিস্ট সুব্রত কুমারের সহযোগিতায় হাসপাতালে রয়েছে বড় একটি সিন্ডিকেট। হাসপাতালের রোগীদের খাদ্যে বড়ধরনের অনিয়ম করেছে ঠিকাদারসহ তার সহযোগীরা।

খাদ্যের মান নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। গরুর মাংসের পরিবর্তে পোল্ট্রি, রুই মাছের পরিবর্তে তেলাপিয়া তাও আবার ছোট একটুকরো সরবরাহ করা হয়। মেডিকেলের ল্যাব, এক্সরে বিভাগ এবং কেবিন ভাড়া থেকে প্রতি সপ্তাহে মোটা অংকের টাকা পরিচালকের হাতে দিতে হয়। তা না দিলে বিভাগ পরিবর্তন করে দেওয়ার হুমকি ধামকিও প্রদর্শন করেন ডা: শীতল চৌধুরী। এছাড়া হাসপাতালের ঔষধ কেনার জন্য বরাদ্দ হওয়ায় ৭ কোটি টাকার কোন ঔষধ না কিনে পুরো টাকাটায় আত্মসাথ করেছেন। এদিকে, গত ৭ মার্চ মেডিকেল হাসপাতালের অডিট কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ঢাকা থেকে আগত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রায় ৪দিন ধরে অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। আমরা গোপনে খবর পেয়েছি ঔষধ বিক্রির ৭ কোটি টাকা আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ধামাচাপা দিতে দুর্নীতিবাজ শীতল চৌধুরী ওই কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে সুন্দরবন ভ্রমনসহ জেলার নামীদামী হোটেলে ভুড়িভোজের মত আপ্যায়ন অব্যাহত রেখেছেন।বক্তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ##

১০.০৩.২৪

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা:

দেবহাটার পারুলিয়ায় গৃহবধুকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার গভীর রাতে পারুলিয়া এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার ও তাঁর স্বামীকে আটক করে পুলিশ। শনিবার এ ঘটনায় নিহতের মা রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, নিহত নারীর নাম সায়মা খাতুন (১৮)। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার মৌখালী গ্রামের হারুন অর রশিদের মেয়ে। আর তাঁকে হত্যার অভিযোগে আটক স্বামীর নাম তানজিম আহম্মেদ। ছেলের বাবার নাম আব্দুস সবুর। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ মাহমুদ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।নিহত সাইমা খাতুনের মা রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘আমার মেয়ে দক্ষিণ পারুলিয়া মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। সে প্রায় ৮ মাসের মধ্যে কোরআনের হাফেজা হয়। এরপর গত পাঁচ মাস আগে ওই মাদ্রাসার পরিচালক মুফতি আব্দুস সবুর তাঁর ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এরপর উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয়। পরে আমরা জানতে পারি, আমাদের দুই পরিবার তাবলিগের দুই গ্রুপের অনুসারী। এতে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। তবে বিষয়টি পরে সমাধান হয়।’সাইমা খাতুনের চাচা কবির হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাত ১২টার পরে ছেলের বাবা ফোন করে মৃত্যুর বিষয় আমাদের জানান। মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে ডায়রিয়া রোগে মারা গেছে বলে জানায়। আমরা ওই রাতে ছেলের বাড়িতে চলে আসি। এসে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ হয়। তার আগে স্থানীয় একজন জাতীয় পরিষেবা ৯৯৯-এ কল দেওয়ায় সেখানে দ্রæত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।’ পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং তার স্বামী তানজিমকে গ্রেফতার করে।দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ মাহমুদ হোসেন জানান, স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গলা টিপে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে তিনি জানান। ওসি আরো জানান, লাশ ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় মেয়ের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।এদিকে শনিবার বাদ আসর পারুলিয়া বাসস্টান্ডে সচেতন এলাকাবাসীদের পক্ষ থেকে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়েছে। এতে বক্তব্য দেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, খেদমতে খালাক ফাউন্ডেশনের দেবহাটা শাখার সভাপতি হাফেজ কারী ফজলুল হক আমিনী, হফেজ মাওলানা কামরুজ্জামান প্রমুখ।মানববন্ধনে বক্তরা ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, মাদ্রসার পরিচালক মুফতি আব্দুস সবুরকে পদ থেকে অপসরণ করতে হবে। মাদ্রসার আয়-ব্যায়ের হিসাব প্রকাশ করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর পরিচালক বহু প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন কিন্তু তিনি কোন কিছু বাস্তবায়ন না করে উল্টো অর্থ আত্মসাৎ এর করে চলেয়েছেন। তিনি মাদ্রাসাটিতে কোন ম্যানেজিং কমিটি রাখেন না যাতে তার এসব কাজে বাধা হয়। তাছাড়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একের পর এক নির্যাতন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তিনি হাফেজা সায়মাকে পুত্রবধু বানিয়ে তাকে দিয়ে বাড়ির কাজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রান্নার বাবুর্চির পরিবর্তে তাকে দিয়ে রান্না করাতো। গরীব পরিবারের সন্তান হওয়ায় সায়মা সব কিছু মুখবুজে সয্য করে যাচ্ছিল। সেটি তার মরদেহের নির্যাতনের আলামতে প্রমাণিত হয়েছে। তাকে নির্যাতনের পর হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই দ্রæত দাফন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি পারেননি। এমনকি গোসলের জন্য যে সব নারীরা গিয়েছিলেন তারা যাতে কোন বিষয়ে প্রশাসনকে না বলে সে জন্য তাদেরকে ভয় দেখানো হয়। এমনকি তার অপরাধ প্রকাশ করায় হাফেজ ফজলুল হক আমিনীকে হত্যার জন্য লোক ভাড়া করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয় মানববন্ধনে। ওই মাদ্রাসার পরিচালক অনেক প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি এঘটনা আড়াল করতে ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক সর্বচ্চো শাস্তি ফাঁসি কার্যকর করুক। তা না হলে পরবর্তীতে বৃহৎ কর্মসূচির ঘোষনা করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেওয়া হয় মানববন্ধনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পরিসেবা সংযোগের জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য কমিউনিটি সার্পোট গ্রæপের এর সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার পাইথালী কমিউনিটি ক্লিনিক প্রাঙ্গনে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায়, গেøাবাল, এ্যাফেয়ার্স, কানাডা, জিএসির অর্থায়নে উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ আবু মোছা, পদ্ম বেউলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম ও অত্র কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচ সিপি রাবেয়া খাতুন।

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থার সূচনা প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী রেহেনা পারভীন, উক্ত সভাটি পরিচালনা করেন সূচনা ফিল্ড অর্গানাইজার শিউলী সরকার, উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত কমিউনিটি সদস্যরা বলেন যে, কমিউনিটি ক্লিনিকের সব ধরনের সেবা যেন এই সমাজের সকল মানুষ পেতে পারে তার ব্যবস্থা করবেন, উপস্থিত কমিউনিটি সদস্যরা আরও বলেন যে, এই কমিউনিটির সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ যেন তাদের ন্যার্য সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখবেন এবং গ্রাম পর্যায় নারী ও কিশোরিদের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত বিষয় এ আরও বেশি বেশি সচেতনতা গড়ে তুলবেন।

উপস্থিত কমিউনিটি সদস্যরা উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান যে, উদ্দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থা সাধারণ মানুষের সাথে কমিউনিটি ক্লিনিকের যোগ সুত্র তৈরি করার মহান কাজে নিযুক্ত। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সূচনা প্রোগ্রামের কমিউনিটি মবিলাইজার শ্যামলী রায়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

ফরিদপুরে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণ আদায়ের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ মার্চ শনিবার সকালে শহরের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দেক উল আলম। আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ফরিদপুর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক পঙ্কজ কান্তি দাস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মো: শিব্বির আহমেদ।

গোপালগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক হানিফ শেখ এর সঞ্চালনায় অঞ্চলের সকল শাখার ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসাদ্দেক উল আলম বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যাংক কর্মকর্তাদের আরো সেবা প্রদান করতে নিশ্চিত করেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest