সর্বশেষ সংবাদ-
বিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন

সাতক্ষীরায় সড়ক দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি: শহরের বিভিন্ন মোড়ে ও সড়ক দখল করে ইট বালু রেখে যাতায়াতে বাঁধা সৃষ্টি করার বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে এবং সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। একইসাথে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও সড়কের উপর বাস-ট্রাক রেখে সড়ক বন্ধ করার বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনার দাবি জানান তারা। রবিবার শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সরকারি জায়গা দখলের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে প্রশাসন। বেশ কয়েকটি স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জানাগেছে, হাটের মোড়, মুন্সিপাড়া, সুলতানপুর, আমতলা রোড, পোস্ট অফিস মোড়ে রাস্তার উপরে বালি, ইট রেখে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ১০৮ ধারা লংঘন করার জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় আইন অমান্যকারীদের সতর্ক করা হয় ও অর্থদ- করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার দাঁতের জন্য টুথপালিশ

অনলাইন ডেস্ক: সাদা দাঁতের জন্যই এত কাল চেষ্টা করে এসেছে মানুষ। ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য ব্যবহার করেছে নামিদামি বিভিন্ন টুথপেস্ট। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন প্রচেষ্টা। ধবধবে সাদা দাঁতকে রাঙাতে এবার ব্যবহার করা হচ্ছে টুথপালিশ। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।
বর্তমান ফ্যাশনে অনেক কিছুই সম্ভব। চুল, নখ, ঠোঁটে স্থায়ী রং লাগিয়ে ফ্যাশন করা আর নতুন কিছু নয়। তবে দাঁতে রং লাগানো ধারণা মনে হয় নতুনই। তাই এটাই চাইছে নতুন প্রজন্ম। ফলে কেউ কেউ দাঁতে গোলাপি, কপার, নীল রং করেছেন।
যার নাম দেওয়া হয়েছে টুথপালিশ। আবার অনেকে বলছেন ‘রেনবো টিথ’ অর্থাৎ রংধনু রঙের দাঁত। ‘ক্রোম’ নামে একটি সংস্থা এ ধরনের রং বিক্রি করছে। সেটি দাঁতে লাগানো হয়। তারা গোলাপি, নীল, সবুজ, সোনালি ও রুপালি রঙের টুথপালিশ তৈরি করেছে।

ব্র্যান্ডটি লঞ্চ করেছেন ডেভিড সিলভারস্টাইন। ইনস্টাগ্রামে একাধিক মডেলের রঙিন দাঁতের ছবি পোস্ট করেছে ওই সংস্থা। প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তারা এ ধারণা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান। ফলে এখন থেকে কেউ হাসলে শুধু মুক্তাই ঝরবে না। দেখা যাবে রংধনুর নানা রং।
সংস্থাটি জানায়, এ রং ২৪ ঘণ্টা থাকবে। কোনো খাবার খেলে উঠে যাবে না। এর কোনো টেস্ট নেই। খাবার খেলেও রংটি মুছে যায় না। লিপ গ্লসের মত টিউবে পাওয়া যায় এটি। এর দাম ১৮-২২ ডলার। মোট ১০টি রঙে পাওয়া যাচ্ছে এই টুথপালিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শীতে টনসিলের ব্যথা দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে

স্বাস্থ্য কণিকা: জিভের পিছনে গলার দেয়ালের দু’পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যে জিনিসটি দেখা যায়, সেটাই হল টনসিল। এটি দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি মূলত এক ধরণের টিস্যু বা কোষ। এই টনসিল মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দিয়ে থাকে। ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে টনসিলের ব্যথা হয়ে থাকে। টনসিলের সমস্যা সাধারণত যেকোনো বয়সেই হয়ে থাকে। অন্য সময়ের চাইতে শীতের সময় টনসিলের ব্যথা প্রকোপ হয় বেশি। সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই টনসিলের এই সংক্রামণের জন্যেও দায়ী। টনসিলে সংক্রামণের ফলে ব্যথা হলে ঘরোয়া উপায়েও তা দূর করা সম্ভব। তাই শীতের সময় টনসিলের ব্যথার জন্য একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক টনসিলে সংক্রামণের ফলে ব্যথা হলে তা নিরাময় করার কার্যকরী ঘরোয়া টোটকাগুলি কী কী।

লবণ পানি: গলা ব্যথা শুরু হলে যে কাজটি কম বেশি আমরা সবাই করে থাকি তা হল, সামান্য উষ্ণ লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করা। এটি টনসিলে সংক্রামণ রোধ করে ব্যথা কমাতে খুবই কার্যকরী। শুধু তাই নয়, উষ্ণ লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে গলায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণের আশঙ্কাও দূর হয়।

গ্রিনটি এবং মধু : এক কাপ গরম পানিতে আধা চামচ গ্রিনটি পাতা আর এক চামচ মধু দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার আস্তে আস্তে চুমুক দিয়ে চা পান করুন। গ্রিনটিয়ে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে থাকে। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই মধু-চা পান করুন। উপকার পাবেন।

হলুদ দুধ: এক কাপ গরম দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। ছাগলের দুধ টনসিলের ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকরী। ছাগলের দুধে অ্যান্টিব্যায়টিক উপাদান আছে। তবে ছাগলের দুধ না পেলে গরুর দুধে হলুদ মিশিয়ে সামান্য গরম করে খেলেও উপকার পাওয়া যায়। হলুদ অ্যান্টি ইনফ্লামেন্টরী, অ্যান্টি ব্যায়টিক এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি উপাদান, যা গলা ব্যথা দূর করে টনসিলের সংক্রামণ দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

আদা চা: দেড় কাপ পানিতে এক চামচ আদা কুচি আর আন্দাজ মতো চা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ২-৩ বার এটি পান করুন। আদার অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইনফালামেন্টরী উপাদান সংক্রামণ ছাড়াতে বাধা দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলার ব্যথা কমিয়ে দিতেও এটি খুবই কার্যকরী।

লেবুর রস: ২০০ মিলিগ্রাম উষ্ণ গরম পানিতে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু, আধা চামচ লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। যত দিন গলা ব্যথা ভালো না হয়, তত দিন পর্যন্ত এই মিশ্রণটি সেবন করুন। টনসিলের সম্যসা দূর করার জন্য এটি খুবই কার্যকরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুস্তফা লুৎফুল্লাহকে সাতক্ষীরা-১ আসনে ১৪ দলের প্রার্থী ঘোষণা করলেন মেনন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আসছে সংসদ নির্বাচনেও তালা-কলারোয়া সাতক্ষীরা-১ আসনে চৌদ্দদলের প্রার্থী হিসেবে এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন চৌদ্দদলের প্রার্থী হিসেবে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’র নাম ঘোষণা করে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বিএনপি জামাতকে পরাস্ত করতে হবে। সাতক্ষীরা-১ আসনে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ’কে বিজয়ী করতে হবে। শেখ হাসিনা ও চৌদ্দদলকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি আরও বলেন বলেন, কামালরা শেখ হাসিনাকে মাইনাসের কথা বললেও আসলে পুরাতন মাইনাস টু’র ষড়যন্ত্রে নেমেছে। ঐক্যফ্রন্ট’র কোন ভবিষ্যৎ নেই। ওরা কিছুই করার ক্ষমতা রাখে। আর ক্ষমতার চাবিকাটি ডাকাতদের হাতে জনগণ কোনদিন তুলে দেবেনা। বিএনপি’র মাথায় কাঁঠাল ভেঙে কোষ খাবার চেষ্টা করছে কামাল, মান্না, রবসহ একটি চক্র। তাদের এ আশা কোনদির পূরণ হবেনা। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নয়, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্য। কারণ তারা ভালোভাবেই জানে যে, তাদের সাতদফা দাবি পূরণ হবার নয়। তারপরও এনিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে তারা।

রবিবার বিকালে তালা উপজেলা চত্তরে সামাজিক ন্যায্যতা-সমতা প্রতিষ্ঠাসহ মুুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় অসাম্প্রদায়িক জনগণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার দাবিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলন উপলক্ষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন এগিয়ে চলেছে, সেটা নিজেদের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। কৃষকদের উৎপাদিত ধান ও সবজি দেশেরে চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে। সাতক্ষীরার আম বিদেশ যাচ্ছে, ওষুধও রপ্তানি করা হচ্ছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন প্রত্যেকের হাতে স্মার্টফোন শোভা পাচ্ছে। স্থানীয় (তালা-কলারোয়া আসনের) সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বিগত ৫ বছর এলাকার উন্নয়নে সোচ্চার ছিলেন। আগামী নির্বাচনেও তিনি এ আসনে ১৪ দলের প্রার্থী হবেন বলে ঘোষণা করেন সরকারের এ মন্ত্রী।

তালা উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক প্রভাষক সরদার রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা স্বপন কুমার শীলের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর পিআরও দীপংকর সাহা দীপু, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ মোড়ল, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক সাবীর হোসেন এবং এড. ফাহিমুল হক কিসলু।

রাশেদ খান মেনন বলেন, কৃষক এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ এখন বিদেশে চাল রপ্তানী করে। শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরী পায়। তারপরও কিছু অপূর্ণতা আছে। সেই অপূর্ণতা দুর করে দেশকে আরও সমৃদ্ধিশালী করার সময় এসেছে। এটা সম্ভব হবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনাদের রায়ের ওপর। যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্তন হয় তাহলে এদেশ আবারও পিছিয়ে যাবে। লুটপাটকারী, খুনি, জঙ্গিবাদ, স্বাধীনতা বিরোধীরা তখন দেশ পরিচালনা করবে। যেটি ১৯৭৫’র পর জিয়াউর রহমান করেছিল। তার হাত ধরেই সকল রাজাকার যুদ্ধাপোরাধীরা পুনর্বাসিত হয়েছিল। ঠিক এমনি একটা চক্রান্ত শুরু হয়েছে এখন। নিজেকে বঙ্গবন্ধুর একান্তভাজন পরিচয় দিয়ে চলে আসা সেই ড. কামাল জামাত-বিএনপির সাথে হাত মিলিয়ে এ চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি স্বাধীনতার বিপক্ষে থাকা শক্তির মাথায় বসে কলকাঠি নাড়ছেন। কিন্তু আপনারা জনগণ। সকল ক্ষমতার উৎস আপনারা। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে আপনাদের রায়ের ওপরেই নির্ভর করছে কোন সরকার ক্ষমতায় আসবে। স্বাধীনতার স্বপক্ষের ও উন্নয়নে বিশ্বাসী শেখ হাসিনার সরকার নাকি ওই যুদ্ধপোরাধী লুটপাটকারী জামাত-বিএনপির সরকার। তিনি সকল ভেদাভেদ ভুলে দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে, শান্তির স্বার্থে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান।

এরআগে বিকাল ৩টায় তালা প্রেসক্লাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বক্তব্য রাখেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৮৮ যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিমান বিধ্বস্ত

বিদেশের খবর: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে সুমাত্রা দ্বীপে যাওয়ার পথে একটি বোয়িং ৭৩৭ ম্যক্স বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। লায়ন এয়ারের বিমানটিতে ১৮৮ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।
জেটি ৬১০ ফ্লাইটটির ৬:২০ মিনিটে টেক অফ করে ৭:২০ মিনিটে বাংকা-বেলিটুং বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু বিমানটি উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পরেই কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।
লায়ন এয়ারের প্রধান নির্বাহী এডওয়ার্ড সিরাট গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারব না। আমরা এই মুহূর্তে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

আজ সোমবার একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করে সবকিছু বিস্তারিত জানানো হবে বলে এডওয়ার্ড সিরাট জানান।
ইন্দোনেশিয়ার সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক সিনদু রাহায়ু জানিয়েছেন, ‘ফ্লাইটের ১৮৮ যাত্রীর মধ্যে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। পাশাপাশি একজন বালক, দুটি শিশু, দুইজন পাইলট আর ৫ জন ক্রু ছিলেন।’
তিনি আরও জানান, ‘যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগমুহূর্তে বিমানটি বিমানবন্দরে ফেরত আসতে চাইছিল। এরপর আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ নির্বাচনের আগেই শুদ্ধি অভিযান; শাস্তি পেতে পারেন আ’লীগের ১৪ নেতা

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগে নতুন করে শুদ্ধি অভিযান শুরু হবে। এরই অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমপক্ষে ১৪ জন নীতি-নির্ধারক নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এজন্য দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক ডাকার তাগিদ দিয়েছেন।

আলোচিত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে ১০ জনের বিরুদ্ধে গত ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দল মনোনীত প্রার্থীর বিরোধিতা এবং বিভিন্ন স্থানে দলীয় এমপিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর তাদের শোকজ করা হয়েছে। আর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে শৈথিল্য প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে তিনজন এমপি এবং একজন সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে। লিখিত জবাব চেয়ে এই চার নেতার কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবার বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। ১৪ নেতা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে চিঠির জবাবও দিয়েছেন। এই নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেটা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট হয়নি। তবে এদের কারও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগে নতুন করে শুদ্ধি অভিযান শুরু হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতি-নির্ধারক নেতা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সংসদীয় দলের যৌথসভায় আলোচিত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের ব্যাপারে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক ডাকার তাগিদ দিয়েছেন। গত শুক্রবারের ওই সভা থেকে আগামী নির্বাচনে বিদ্রোহীদের আজীবনের জন্য দল থেকে বহিস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই অংশ হিসেবে জেলা ও উপজেলার ১৪ জন নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় নেতারা মনে করছেন। এতে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহের আশঙ্কা থাকবে না বলে দলীয়ভাবে মনে করা হচ্ছে।

জেলা ও উপজেলা নেতাদের মধ্যে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে শৈথিল্য প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবং সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, বরগুনা-১ আসনের এমপি এবং বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা ও দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানের কাছে দীর্ঘদিনেও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না করা এবং দলের স্থানীয় কার্যালয় না থাকার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি গড়তে না পারার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং মনোরঞ্জন শীল গোপালের কাছে। এই তিন এমপি সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের কাছে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছেন।

শোকজ পাওয়া ১০ নেতা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ অ্যাডভোকেট, সিলেট মহানগর সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দীন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, বরগুনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার টুকু, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুম, দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হামিদুল ইসলাম ও বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া জাকা।

এদিকে দলের গঠনতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত ৪৭ (ঠ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০ নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে একাধিক নেতা জানিয়েছেন। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেহ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হইলে দল হইতে সরাসরি বহিস্কার হইবেন এবং যাহারা দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করিবেন, তাহারা তদন্তসাপেক্ষে মূল দল বা সহযোগী সংগঠন হইতে বহিস্কৃত হইবেন।’ এ ছাড়া আলোচিত নেতাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্রের ৪৭ (ছ) অনুচ্ছেদ কার্যকরের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার ক্ষমতা কেবল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের থাকিবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় দিনের মত পরিবহন শ্রমিকদের ধর্মঘট চলছে; ভোগান্তিতে যাত্রীরা

দেশের খবর: সংসদে পাসকৃত ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’র বিভিন্ন ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে রবিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। এরই মধ্যে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। রবিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে। আজ দ্বিতীয় দিনের মত ধর্মঘট চলছে।

শনিবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির সভাপতি সংসদ সদস্য ওয়াজিউদ্দিন খান ও সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে যুগোপযোগী আধুনিক ও উন্নত সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়নের দাবি করে আসছে। আমাদের দাবিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার আইন পাস করলেও অনেকগুলো ধারা শ্রমিকদের স্বার্থের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। যেখানে পরিবহন শ্রমিকদের চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এ আইনে সড়ক দুর্ঘটনাকে দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য না করে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে জামিন অযোগ্য করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা জানি দুর্ঘটনা পরিকল্পিতভাবে ঘটে না, কিন্তু অপরাধ পরিকল্পিতভাবেই ঘটে। দুর্ঘটনা মামলায় তদন্ত করে অপরাধী হিসেবে বিচারে ৩০২ ধারায় শ্রমিকদের ফাঁসি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এমনিতেই প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় গাড়ি চালায় তার ওপর আবার বিচারের মৃত্যুর ঝুঁকি। এ কারণে শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পেশা ছেড়ে দেয়ার চিন্তা শুরু করে দিয়েছে।

সড়ক পরিবহন জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা খাত উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন এর প্রধান চালিকা শক্তি শ্রমিক। এই শ্রমিকদের সমাজ ও জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে আইনের এই ধারাগুলো বিশেষ মহলকে খুশি করতে পারলেও জাতীয় জীবনে চরম বিপর্যয়ের সম্ভাবনা এনে দিয়েছে। যা আমাদের কাম্য নয়।

তাই এই আইনের সংশোধন করা ও বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে আমরা ৮ দফা দাবি উত্থাপন করেছি। এ লক্ষ্যে রবিবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হবে।

শ্রমিকদের ৮ দফা দাবিগুলো হলো:
সড়ক দুর্ঘটনায় সকল মামলা জামিনযোগ্য করতে হবে।শ্রমিকদের অর্থদণ্ড ৫ লাখ টাকা করা যাবে না। সড়ক দুর্ঘটনা তদন্ত কমিটিতে শ্রমিক প্রতিনিধি রাখতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্সে শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি করতে হবে। ওয়েস্কেলে জরিমানা কমানো ও শাস্তি বাতিল করতে হবে। সড়কে পুলিশের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের সময় শ্রমিকদের নিয়োগপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সত্যায়িত স্বাক্ষর থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। সকল জেলায় শ্রমিকদের ব্যাপক হারে প্রশিক্ষণ দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করতে হবে। লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করতে হবে।

এদিকে, রবিবার (২৮ অক্টোবর) প্রথম দিনের ধর্মঘটের কারণে রাস্তায় কোন গাড়ি না থাকায় মোড়ে মোড়ে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। এ সময় অনেকেই রিক্সা বা সিএনজিতে করে অনেককেই গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। এ বাহনগুলোকে দেখা যায় অতিরিক্ত ভাড়া হাঁকাতে। উত্তর বাড্ডা থেকে উত্তরা যেতে জন প্রতি ভাড়া নিচ্ছে দেড়শ থেকে দুইশ টাকা। রাস্তায় দুই একটি বিআরটিসির বাস দেখা গেলেও তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

এদিন পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা এই ধর্মঘটের কারণে রাজধানীসহ সারাদেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধের কারণে চরম ভোগান্তিতে যখন সাধারণ জনগণ তখন যারা ভিন্ন উপায়ে অফিসে বা নিজ গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তাদের ওপর আক্রমণ করছেন শ্রমিকরা।

সায়েদাবাদ, গাবতলী, গুলিস্তান ও মহাখালী বাসটার্মিনাল ও আশপাশের এলাকায় শ্রমিকরা দলবদ্ধভাবে প্রাইভেটকার, অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি অনেক যাত্রী ও চালকের মুখ, কাপড়ে গাড়ির ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েল (পোড়া মবিল) লাগিয়ে দেয় তারা।
অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেলদের চালকের মুখেই শুধু নয়, তাদের এ অসভ্যতার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না অ্যাম্বুলেন্সও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ, রায় আজই

দেশের খবর: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার চলবে বলে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে আজকে রায় ঘোষণা করতে বাধা থাকলো না।
সোমবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার পর কার্যদিবসের শুরুতেই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন।
আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আরেক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে।
আজ সোমবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামান রায় ঘোষণা করবেন।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই চলবে বলে বিশেষ জজ আদালত যে আদেশ দেন এই আদেশের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন। গত ১৪ অক্টোবর রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এই আবেদনের শুনানি শেষ হওয়ার আগেই গত ১৬ অক্টোবর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আক্তারুজ্জামান রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন।
রবিবার (২৮ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের করা আপিল খারিজ হলে সোমবার (আজ) এ মামলার রায় ঘোষণা সম্ভব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest