সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপিসাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

এই প্রথম সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল রাশিয়া

বিদেশের খবর: জাহাজ-বিধ্বংসী পি-৮০০ অনিক্স সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। রুশ নৌবাহিনীর বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
রুশ নৌবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ঘণ্টায় ৩ হাজার ১৮০ কিলোমিটারের চেয়ে বেশি গতিতে ছুঁটতে পারে এবং ৩০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
রুশ নৌবাহিনী এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।
ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, আর্কটিকের কোটেনলি দ্বীপের একটি উপকূল থেকে ভ্রাম্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে পি-৮০০ অনিক্স সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার পর সেটি ল্যাপটেভ সাগরে থাকা কৃত্রিম শত্রুর কয়েকটি জাহাজের দিকে ছুঁটে যায়। সূত্র: এনবিসি নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরা আরও জিতব, জয় আমাদের: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে যাওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নিউ ইয়র্কে বুধবার জাতিসংঘ অধিবেশনের ব্যস্ততার ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে এসে ক্রিকেটারদের জন্য তার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, “আমি আমার ক্রিকেট টিমকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। দোয়া করি, তারা যে জয়ের ধারার সূচনা করেছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে।”
আগামীতেও বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইনশাল্লাহ, আমরা আরও জিতব, জয় আমাদের।”
বুধবার আবু ধাবিতে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালের পৌঁছে যায় । শুক্রবার দুবাইয়ে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জয় উদযাপন করতে প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে তার সফরসঙ্গীদের মিষ্টিমুখ করান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসে ২৭ সেপ্টেম্বর: আজকের এই দিনে

ইতিহাস ও ঐতিহ্য: আজ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১২৯০ – প্রবল ভূমিকম্পে চীনে এক লাখ লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৭৬০ – মীর কাশিম মীর জাফরকে গদিচ্যুত করে বাংলার নবাব হন এবং বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রাম জেলা কোম্পানির হাতে তুলে দেন।

১৭৮১ – হায়দার আলী ও ব্রিটিশ সেনাদের মধ্যে শলনগড় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮২১ – মেক্সিকো স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮২২ – জ্যা ফ্রাঁস শাপোলি ঘোষণা দেন যে তিনি রাশিদা পাথরের (প্রাচীন মিশরীয় লিপি খোদিত পাথর) পাঠোদ্ধার করেছেন।

১৮৩৪ – চার্লস ডারউইন ভালপারাইসোতে ফিরে আসেন।

১৯২৮ – আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র চীন প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৩৭ – প্রথম সান্তাক্লজ প্রশিক্ষণের স্কুল চালু হয়।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বের্লিনে জার্মানী, জাপান ও ইতালী ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে সাক্ষর করে।

১৯৪০ – ইংল্যান্ডে ৫৫ জার্মান বিমান ভূপাতিত হয়।

১৯৪২ – স্ট্যালিনগ্রাদে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে জার্মানি।

১৯৪৯ – বেইজিংকে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৫৮ – ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।

১৯৬১ – সিয়েরা লিওন জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৬২ – ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (উত্তর ইয়েমেন বা ইয়েমেন-সা’না) প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশটি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।

১৯৮০ – বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়ে আসছে।

১৯৮৩ – মুক্ত সফ্টওয়ার আন্দোলনকারী রিচার্ড স্টলম্যান ইউনিক্স-লাইক অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর জন্য জিএনইউ প্রজেক্ট ঘোষণা দেন।

১৯৯৬ – তালেবানরা আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে নেয়।

২০০২ – পূর্ব তিমুর জাতিসংঘে যোগ দেয়।

জন্ম:

১৬০১ – অষ্টম লুই, তিনি ছিলেন ফ্রান্সের রাজা।

১৭২২ – স্যামুয়েল অ্যাডামস, তিনি ছিলেন আমেরিকান দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ।

১৭৮৩ – অগাস্টিন ডি ইটুরবিডে, তিনি ছিলেন মেক্সিক্যান রাজপক্ষীয় বিদ্রোহী।

১৮৪৩ – গ্যাস্টন টেরি, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৭১ – গ্রাযিয়া ডেলেডা, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালীয় লেখক।

১৯০৬ – সতীনাথ ভাদুড়ি, তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক।

১৯০৭ – ভগৎ সিং, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের প্রসিদ্ধ ভারতীয় বিপ্লবী শহীদ।

১৯১৮ – মার্টিন রাইল, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯২৪ – ফ্রেড সিংগার, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট পরিবেশবিদ, মহাকাশ গবেষক ও পদার্থবিদ।

১৯২৫ – রবার্ট এডওয়ার্ডস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী।

১৯৩২ – অলিভার উইলিয়ামসন, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

১৯৩২ – যশ চোপড়া, তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকার।

১৯৪৬ – নিকস আনাস্টাসিয়াডেস, তিনি সাইপ্রাসের আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৭ – চার্লস উইলিয়াম জেফ্রি অ্যাথে, তিনি ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও ফুটবলার।

১৯৬২ – গেভিন রল্ফ লারসেন, তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটার।

১৯৬৮ – মারি কিভিনিয়েমি, তিনি ফিনল্যান্ডের রাজনীতিবিদ ও ৪১তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭২ – গ্বয়নেথ পাল্টরও, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী, ব্লগার ও ব্যবসায়ী।

১৯৭৬ – ফান্সিস্কো টট্টি, তিনি ইতালীয় ফুটবলার।

১৯৮১ – ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম, তিনি নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার।

১৯৮৪ – এভ্রিল রমোনা লাভিন, তিনি কানাডিয়ান গায়িকা, গীতিকার, অভিনেত্রী ও ফ্যাশন ডিজাইনার।

১৯৯১ – সিমোনা হালেপ, তিনি রোমানিয়ান টেনিস খেলোয়াড়।

মৃত্যু:

১৫৫৭ – গো-নারা, তিনি ছিলেনজাপানের সম্রাট।

১৭৮৩ – এটিয়েনে বেযোউট, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক।

১৮৩৩ – রাজা রামমোহন রায়, তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় ধর্মীয়-সামাজিক পুনর্গঠন আন্দোলন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা ও বাঙালি দার্শনিক।

১৮৯১ – ইভান গোঞ্চারোভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান লেখক ও সমালোচক।

১৯৩৩ – কামিনী রায়, তিনি ছিলেন বাঙালি কবি।

১৯৪০ – জুলিয়াস ওয়াগনার-জারেগ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক।

১৯৭১ – নাজমুল হক, তিনি ছিলেন বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার।

১৯৭২ – শৃগালি রামাব্রদম রঙ্গনাথন, তিনি ছিলেন ভারতীয় গণিতজ্ঞ, গ্রন্থাগারিক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৯৬ – মোহাম্মদ নাজিবুল্‌লাহ, তিনি ছিলেন আফগান চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।

২০০৫ – রোনাল্ড গোলিয়াস, তিনি ছিলেন ব্রাজিলের কৌতুকাভিনেতা ও অভিনেতা।

২০০৭ – কেঞ্জি নাগাই, তিনি ছিলেন জাপানি আলোকচিত্রী ও সাংবাদিক।

২০১৩ – অস্কার কাস্ত্রো-নেভেস, তিনি ছিলেন ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান গিটার, সুরকার ও পথপ্রদর্শক।

২০১৫ – ফ্রাঙ্ক টাইসন, তিনি ছিলেন ইংরেজ ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার, কোচ ও সাংবাদিক।

২০১৬ – সৈয়দ শামসুল হক, তিনি ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত সব্যসাচী লেখক।

দিবস: বিশ্ব পর্যটন দিবস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টিভির পর্দায় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’

বিনোদনের খবর: এটিএন বাংলার পর্দায় বুধবার থেকে দেখা যাবে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে এফডিসিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয় এবারের ইভেন্ট।
অন্তর শোবিজের আয়োজনে এফডিসিতে মনোরম সেট তৈরি করে হয়েছে সুন্দরী বাছাই পর্ব। ইতোমধ্যে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে অডিশন, সিলেকশন, পারফরম্যান্সসহ বিভিন্ন রাউন্ডে ধাপে ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সেরা সুন্দরী হিসেবে ১০ জনকে বাছাই করেছেন বিচারকরা।
গুলশান ২ এর নবনির্মিত পাঁচ তারকা হোটেল রয়্যাল প্যারাডাইসে সেরা ১০ প্রতিযোগীকে নিয়ে চলছে গ্রুমিং পার্ব। এ সেরা ১০ প্রতিযোগীকে নিয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে।
ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার রাজদর্শন হল থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে এটিএন বাংলা।
পুরো বাছাই আয়োজন ডিজে সনিকা ও আরজে নিরবের উপস্থাপনায় বুধবার থেকে এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হবে। প্রচারের সময় রাত ৯টা থেকে ১০ টা প্রতিদিন। সেরা দশজন বাছাইয়ের পর্বটিও দেখা যাবে এ আয়োজনের অংশ হিসেবে।
অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নাম পাঠাতে হয়। আর এবার সব প্রস্তুতি দারুন। বিশ্বসেরার মুকুটের জন্য আমরাও অপেক্ষা করছি।’
এবারের মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রেজেন্ট করছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। পাওয়ারড বাই স্পন্সর প্রেমস্ কালেকশন এবং কো পাওয়ার্ড বাই স্টেপ ফুটওয়্যার। ব্রডকাস্টিং পার্টনার এটিএন বাংলা, টিভি নিউজ পার্টনার একাত্তর টিভি, হসপিটালিটি পার্টনার রয়্যাল প্যারাডাইস হোটেল, অনলাইন পার্টনার জাগোনিউজ২৪ এবং এফএম পার্টনার জাগো এফএম ৯৪.৪।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিক্ষত পাঁজরে ১ রানের শোক

বিক্ষত পাঁজরে ১ রানের শোক

কর্তৃক daily satkhira

খেলার খবর: ১১৬ বলে তাঁর ৯ বাউন্ডারিতে সাজানো ইনিংসটি থামে ৯৯ রানে। নড়বড়ে নব্বই বা নার্ভাস নাইনটিজে এর আগেও আউট হয়েছেন। তবে ৯৯ রানে আউট হওয়ার হতাশার সঙ্গে এই প্রথম পরিচয় হলো তাঁর।

নতুন একটি অধ্যায় খুললেন মুশফিকুর রহিম। সেটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের যেমন, তেমনি এশিয়া কাপ ইতিহাসেরও। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি-বঞ্চনার আগুনে তাঁর আগে যে পোড়েননি বাংলাদেশের কেউই। পোড়েননি এশিয়া কাপ খেলা আর কোনো ব্যাটসম্যানই।

অথচ না পুড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ে জ্বলজ্বলে অক্ষরেই তাঁর নামটি লেখা হওয়ার অপেক্ষা ছিল অল্প কিছুক্ষণের। আর সেখানে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় ছিলেন মাহমুদ উল্লাহও। পাঁজরে চোট নিয়ে মুশফিক যখন তাঁর সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির পথে ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে, তখন কীর্তির সেই আরেক অধ্যায়ে নিঃসঙ্গ মাহমুদই উইকেটে তাঁর সঙ্গী। এবং মুশফিককে বরণ করে নেওয়ার জন্য যাঁর চেয়ে আদর্শ আর কেউ হতেই পারতেন না।

বহুজাতিক আসরে বাংলাদেশের হয়ে দু-দুটি সেঞ্চুরি করা প্রথম ব্যাটসম্যান মাহমুদ উল্লাহই। যাঁর ব্যাটে দেখা দিয়েছিল বিশ্বকাপে কোনো বাংলাদেশির প্রথম সেঞ্চুরিও। ২০১৫-র বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা সেই সেঞ্চুরিই ওই আসরে তাঁর একমাত্র নয়। ইংলিশদের হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করার পর হ্যামিল্টনে পরের ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন আরেকটি।

তাঁর ওই কীর্তির কাছে-ধারে এরপর আর কেউ যেতে পারেননি। মুশফিক কাল যেতে পেরেছিলেন শুধু চৌকাঠটা পেরোনোর দূরত্বে। যদিও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে কারো দুটি সেঞ্চুরি করার ঘটনা সাম্প্রতিককালেই আছে। এই তো কিছুদিন আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দু-দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাওয়া তামিম ইকবাল। সেই তামিমের এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে চোট পেয়ে লম্বা সময়ের জন্য ছিটকে পড়ার দিনেই মুশফিকের ঝলসে ওঠা ব্যাট পুড়িয়েছিল লঙ্কানদেরও।

১১ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ১৪৪ রানের ইনিংসে ম্যাচই ঘুরিয়ে দেওয়া মুশফিক সেদিন যে অবস্থায় ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন, কাল এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে পরিণত হওয়া ম্যাচেও বাংলাদেশের অবস্থা ছিল তার প্রায় কাছাকাছিই। লঙ্কানদের বিপক্ষে প্রথম ওভারেই লিটন কুমার দাশ ও সাকিব আল হাসানকে হারানোর পর নামতে হয় তাঁকে। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে কবজির চোট নিয়ে বের হয়ে যেতে হয় তামিমকেও। অর্থাৎ ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে মাত্র ২ রান জমা করা বাংলাদেশ কার্যত হারিয়েছিল ৩ উইকেটই।

সেখান থেকে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে স্রোতের প্রতিকূলে ব্যাট হাতে সফলভাবেই বৈঠা বেয়েছিলেন মুশফিক। ১৩২ রানের পার্টনারশিপে বিপর্যয় সামলে নেওয়া এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে কাল আবুধাবিতেও শুরু করতে হলো সেখান থেকেই। এবারও সঙ্গী সেই মিঠুন। ১২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর তাঁদের দুজনের ব্যাটে আবারও বেরিয়ে এলো শতরান পেরোনো জুটি। এবারের জুটি আরো বড়, ১৪৪ রানের। যদিও দারুণভাবে জমে গিয়েও উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসার দোষে আবারও কাঠগড়ায় মিঠুন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাজে শটে আউট হয়েছিলেন ৬৩ রান করে। পাকিস্তানের বিপক্ষেও প্রায় একই শটে এবার সাজঘরের পথ ধরলেন ৬০ রানে।

মিঠুন পথ হারালেও হারালেন না মুশফিক। তাঁর ব্যাটে এগিয়ে যেতে থাকল বাংলাদেশও। সেঞ্চুরি হয়ে যাওয়া মাত্রই যখন মুশফিকের ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু হওয়ার আশায় বাংলাদেশ, তখনই সেই নতুন অধ্যায় খুলে যাওয়ার ক্ষণ এসে উপস্থিত। এটি এমন এক অধ্যায়, যেখানে নাম লেখাতে চায় না কেউই। কিন্তু কখনো কখনো নিয়তি যে এ রকম কিছুই বরাদ্দ রাখে। রাখল মুশফিকের জন্যও। পাকিস্তানের তরুণ বাঁহাতি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদির অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাটের ফেস ওপেন করে ড্রাইভ করতে যান মুশফিক। কিন্তু বল ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে পাকিস্তান অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদের গ্লাভসে।

১১৬ বলে তাঁর ৯ বাউন্ডারিতে সাজানো ইনিংসটি থামে ৯৯ রানে। নড়বড়ে নব্বই বা নার্ভাস নাইনটিজে এর আগেও আউট হয়েছেন। তবে ৯৯ রানে আউট হওয়ার হতাশার সঙ্গে এই প্রথম পরিচয় হলো তাঁর। এর আগে ২০০৯ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৮ রানে আউট হয়েছিলেন মুশফিক। ২০১৩-র অক্টোবরে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁকে ডুবতে হয়েছিল ৯০ রান করে আউট হওয়ার হতাশায়।

কিন্তু সেসব দিয়ে নয়, হতাশার নতুন অধ্যায়টি কাল খুললেন ৯৯ রানে আউট হয়ে। অথচ আরেকটু অপেক্ষায় তিনি মাহমুদ উল্লাহর সঙ্গী তো হতেনই, এশিয়া কাপেও হয়ে যেতে তাঁর তিন-তিনটি সেঞ্চুরি। যার প্রথমটি করেছিলেন ২০১৪-র এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে।

সংখ্যায়

সেঞ্চুরি থেকে ১ রান দূরে থাকতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ৯৯ রানে আউট হলেন তিনি।


মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছেন ৯৯ রানে। এ নিয়ে তৃতীয়বার নার্ভাস নাইনটিজের শিকার তিনি। ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আউট হয়েছিলেন ৯৮ রানে। ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে থামেন সেঞ্চুরি থেকে ২ রান দূরে থাকতে। এ ছাড়া সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৮৯ ও ৮৬ রানে আউট হওয়ার ইনিংসও আছে দুটি।


সাকিব আল হাসান ছিটকে গেছেন ইনজুরিতে পড়ে। সুযোগ হয়নি নাজমুল ইসলাম অপুরও। চার বছর পর তাই বাঁহাতি স্পিনার ছাড়া ওয়ানডে খেলল বাংলাদেশ। গত ১৬ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার কোনো স্পেশালিস্ট বাঁহাতি স্পিনার ছাড়া বাংলাদেশের ওয়ানডে খেলার রেকর্ড এটা।

১৪৪
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে ১৩১ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষেও বিপর্যয়ের মুখে হাল ধরেছেন দুজন। তৃতীয় উইকেটে গড়েছেন ১৪৪ রানের জুটি। মিঠুন আউট হন ৮৪ বলে ৬০ করে। আল মুশফিক থামেন সেঞ্চুরি থেকে ১ রান আগে।

আবুধাবিতে পাকিস্তানকে হতাশায় ডুবিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ। স্মরণীয় এ জয়ের অন্যতম রূপকার মুস্তাফিজুর রহমান ৪৩ রানে চার উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন ধসিয়ে দেওয়ায় রেখেছেন মূল ভূমিকা। বোলিং ওপেন করা স্পিনার মেহেদী হাসানও ছিলেন দুর্দান্ত। চৌকস অধিনায়কত্বের পাশাপাশি দারুণ ফিল্ডিংয়ে চমৎকার ক্যাচ নিয়ে জয় ত্বরান্বিত করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজাও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ দরগাহপুর ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে

আশাশুনি প্রতিবেদক: আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ভূমি অফিসের দায়িত্বে থাকা নায়েবের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার ঘুষ বাণিজ্যের দৌরত্ম যেন বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষ থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কেউ বাদ পড়ছে না তার এই ঘুষ বাণিজ্যের কবল থেকে। সরেজমিনে, দরগাহপুর ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায় ঘুষ বাণিজ্যের নানা নয়া কৌশল। নায়েব শ্যামল কান্তি নিরবে নিত্য নতুন কৌশলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছেন ঘুষের টাকা। এসএ খতিয়ানের পর বর্তমান চুড়ান্ত প্রকাশিত বিআরএস খতিয়ান সরকারি গেজেটভুক্ত হলেও নতুন এই খতিয়ানের উপর খাজনা দাখিলা নিতে গেলে জনসাধারণকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। আবার কোন কোন খতিয়ানের উপর পেন্সিলে ভিপি শব্দ লিখে রেখে খাজনা দাখিলা দেওয়া বন্ধ রাখছেন। পরবর্তীতে নায়েবের সাথে দেনদরবার করে চাহিদা মাফিক টাকা দিলে ইরেজারের এক ঘোষাতে ভিপি শব্দটি মুছে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে খাজনা দাখিলা। বাংলা সনের ১৪২৪ পর্যন্ত খাজনা দাখিলা পরিশোধ করা থাকলেও ১৪২৫ সনের খাজনা দাখিলা নিতে গেলে জনসাধারণকে আজ-কাল-পরশু করে ঘোরানো হচ্ছে। আবার কখনও কখনও দাখিলা বইয়ের পাতা শেষ, ডিসি স্যারের ভিজিট, এসিল্যান্ড স্যারের সাথে মিটিং নয়তো নিজের শরীর খারাপের ওজুহাতে ঘোরানো হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এমনই ভোগান্তির শিকার হওয়া আজিজুল হক নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন, আমার সব কিছু ঠিক থাকার পরও ১৪২৫ সালের চেক নিতে আমাকে এক সপ্তাহ নায়েবের অফিসে ঘুরতে হয়েছে। অবশেষে ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে আমি গোলক ধাঁ-ধাঁ থেকে মুক্তি পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমিতো একটু হলেও লেখাপড়া জানা লোক, তাই আমার অবস্থা যদি এই হয় তাহলে লেখাপড়া না জানা মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে? নায়েব দোষী প্রমাণিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তিনি দেন দরবারের মাধ্যমে মঞ্জুরুল ইসলামের সাথে আপোষ দফারফা করে নেন। অপর দিকে নায়েব শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে উঠে আসা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শাহী চিকেন কোরমা

শাহী চিকেন কোরমা

কর্তৃক daily satkhira

রেসিপি: বাড়িতে অতিথি এলে তো বটেই, কখনো কখনো একান্তই ঘরোয়া আয়োজনে থাকে চিকেন কোরমা। সুস্বাদু এই খাবারটি আরও বেশি সুস্বাদু হয়ে ওঠে যখন নামের আগে শাহী যোগ হয়। শাহী চিকেন কোরমা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ: মুরগি ২টি ১৬ পিস করতে হবে। টক দই আধা কাপ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ, পেঁয়াজ মিহি করে কাটা ২ কাপ, ২-৩টি এলাচ ও দারুচিনি, তেজপাতা ২টি, ঘি ২ টেবিল চামচ, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো। আস্ত কাঁচামরিচ ৭-৮টি, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, কিশমিশ ১৫-২০টি, কাঠবাদাম ও পেস্তা বাদাম কুচি ৩ টেবিল চামচ, মাওয়া আধা কাপ গ্রেট করা, তরল দুধ ১ কাপ, চিনি ১ চা চামচ এবং আলুবোখারা ৫-৬টি।

প্রণালি: প্রথমে মুরগির টুকরোগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন। তারপর এতে মাওয়া, দুধ, কিশমিশ, বাদাম ও কাঁচামরিচ বাদে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। একটি বড় পাতিলে তেল ও ঘি একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে মিহি করা পেঁয়াজ দিয়ে বাদামি করে ভেজে মুরগির টুকরোগুলো তাতে দিয়ে ভালো করে কষাতে থাকুন। মুরগি কষানো হয়ে গেলে তাতে পরিমাণমতো পানি, দুধ, মাওয়া, কিশমিশ, বাদাম ও কাঁচামরিচ দিয়ে অল্প ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট রান্না করে নামিয়ে নিজের পছন্দ অনুযায়ী সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে কৌশলে পাকিস্তানকে হারাল টাইগাররা

খেলার খবর: এশিয়া কাপের চলতি আসরে সুপার ফোরের ম্যাচে বুধবার পাকিস্তানকে ২৪০ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। জবাবে, নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২০২ রান করে পাকিস্তান। ফলে ৩৭ রানের জয় নিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে টাইগাররা। তবে এই জয় পেতে নতুন কৌশল অবলম্বন করেছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি। আর তার ওই কৌশলেই বিধ্বস্ত হয় পাকিস্তান শিবির।
ম্যাচ শেষে মাশরাফি বলেন, আমরা কিছু পরিবর্তন এনেছিলাম। সাধাণত আমি নিজেই বোলিং উদ্বোধন করি। কিন্তু এ দিন আমরা শুরু করি মিরাজকে দিয়ে। তাতেই ফল পাওয়া যায় হাতে হাতে। বোলাররা খুব ভালো কাজ করেছে।
পাশাপাশি মুশফিক ও মিঠুনকে কৃতিত্ব দিতেও ভুলেননি তিনি। দলের বিপর্যয়কর মুহূর্তে তারাই হাল ধরে দলকে লড়াই করার মতো অবস্থানে এনে দিয়েছিলেন।
মাশরাফি বলেন, মুশফিক আর মিঠুন ভালো ব্যাট করেছে। আমরা আমাদের ফিল্ডিং নিয়েও গর্বিত। অনেকদিন ধরেই এমন ভালো ফিল্ডিং দেখিনি।তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি যে খেলোয়াড়রা ভালো ফিল্ডিং করার গুরুত্ব বুঝতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest