সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীর দুই সহযোগী গ্রেফতারসাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত

জাতীয় ঐক্যে ‘বিদ্রোহ’ বাদ যেতে পারে বিএনপি

দেশের খবর: বিকল্পধারা বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরীর নেতৃত্বে দলটির একাংশ এবং দলের অঙ্গসংগঠনগুলো রীতিমতো জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে বিএনপিকে বাদ দিতে ‘বিদ্রোহ ঘোষণা’ করেছে। তারা এজন্য ‘জাতীয় নেতৃবৃন্দকে’ একটি আহ্বানপত্রও দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা (বি) চৌধুরীর বাড়িতে মাহীর নেতৃত্বে এক বৈঠকে এ আহ্বানপত্র দেয়া হয়।
এ বিষয়ে মাহী বলেন, পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতাবিরোধী কোন দল বা ব্যক্তির সঙ্গে জাতীয় ঐক্য হতে পারে না। বিএনপিকে ঐক্য করতে হলে জামায়াতকে বাদ দিয়ে আসতে হবে এবং সে ঘোষণা দিতে হবে।
এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিকল্পধারার সভাপতি এবং তিনটি অঙ্গসংগঠনের সভাপতিদের নাম উল্লেখ করা একটি আহ্বানপত্র বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আসেন জাতীয় ঐক্যের নেতারা।
অসুস্থ থাকার কারণে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন এতে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলে জানান বি চৌধুরী।
তিনি জানান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।
এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা (বি) চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমীন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। পরে এসে যোগ দেন মাহী বি চৌধুরী।
এদিকে মাহী বি চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পাশাপাশি উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে আহ্বানপত্র বিতরণ করেন।

আহ্বানপত্রে বলা হয়েছে-
১.প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ স্বাধীনতাবিরোধী দল বা ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ঐক্য হতে পারে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দলের (বিএনপি) সাথে আমরা জাতীয় ঐক্য চাই।

২. জাতীয় সংসদে কোনো একটি দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। গত ২৮ বছরে দেশবাসী এটা প্রত্যক্ষ করেছে। তাই সংসদে, মন্ত্রিসভায় এবং প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ভারসাম্যের রাজনীতির ভিত্তিতেই জাতীয় ঐক্য হতে হবে। এই দাবিকে যারা অগ্রাহ্য করবে তাদের ঐক্য প্রক্রিয়ায় নেয়া হবে না। স্বাধীনতাবিরোধী কোনো দলকে বা ব্যক্তিকে শরিক রাখলে বিএনপিকে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত সম্পৃক্ত করা যাবে না। স্বাধীনতাবিরোধী দল বা ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বিএনপি জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার মঞ্চে স্থান পেতে পারে না।

এছাড়া এ আহ্বানপত্রে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দকে বিএনপির কোনো অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে না বসার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
এ পত্রে জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি বিকল্পধারা বাংলাদেশ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের আহ্বান করা হয়।
বিকল্পধারা ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাহবুব আলী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সাহিদুর রহমান, বিকল্প যুবধারার কেন্দ্রীয় সভাপতি ওবায়েদুর রহমান, বিকল্প শ্রমজীবীধারার সভাপতি আইনুল হক এবং বিকল্প স্বেচ্ছাসেবকধারার সভাপতি বিএম নিজামের নাম এই আহ্বানপত্রে উল্লেখ ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অমিত শাহের বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষতি হবে

বিদেশের খবর: ভারতে কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে মন্তব্য করায় ভারতীয় গণমাধ্যমের তোপের মুখে পড়েছেন দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, কথিত ‘অবৈধ বাংলাদেশী’দের এক নম্বর শত্রু বানানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। এ নিয়ে রাজনীতিতে এক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অমিত শাহ যে তিরস্কারমুলক কথাবার্তা বলছেন তাতে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্কের ক্ষতি হবে।

অমিত শাহ দাবি করেছেন, কয়েক কোটি ‘অনুপ্রবেশকারী’ ভারতে অবস্থান করছে। আর ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিজেপি তাদের প্রত্যেককে সনাক্ত করবে। অমিত শাহের এই নেতিবাচক কৌশলকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণের সঙ্গে তুলনা করা যায়। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত মেক্সিকানদেরকে ‘ধর্ষক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদি এই ধারণা (বাংলাদেশী বিরোধিতা) বিজেপির নির্বাচনী সমর্থনের ভিত্তি হয় তাহলে তা ট্রাম্পের মতোই হবে। শুধু জনপ্রিয়তা কমবে।

কথিত কয়েক কোটি অবৈধ বাংলাদেশী ভারতে বসবাস করছেন অমিত শাহের এই বিবৃতিকে যদি সত্য ধরে নেয়া হয় তাহলে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। তাহলো এসব মানুষকে নিয়ে কি করা হবে। ভারত তো চীন নয়, তাদের (বাংলাদেশী) সবাইকে নিয়ে একটি বন্দি শিবিরে আটকে রাখা যাবে। ১৯৭২ সালের পর ভারতে ব্যাপকহারে অভিবাসনের বিষয়টি বাংলাদেশযেমন স্বীকার করে না। তাহলে ভারত যাদেরকে ফেরত পাঠাতে চায় তাদেরকে বাংলাদেশ গ্রহণ করবে এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন।

সম্ভবত বর্তমানে প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র দেশ, যাদের সঙ্গে ভারতের চমত্কার সম্পর্ক বিদ্যমান। এর কৃতিত্ব যায় ঢাকায় আওয়ামী লীগের প্রতি। বিজেপি বাংলাদেশী বিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আওয়ামী লীগ। তাতে ভারত ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত সম্পর্ক অনিশ্চয়তায় পড়বে। নিজেদের ভিতরে শত্রু খোঁজার অশুভ তত্পরতা আভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা পররাষ্ট্রনীতি কোনোটির জন্যই সহায়ক নয়। এর পরিণাম হতে পারে বিজেপির জন্য আত্মঘাতী গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএন‌পি নেতা মঈন খা‌নের বা‌ড়ি‌তে বি‌দে‌শি কূটনী‌তি‌কেরা

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের গুলশানের বাসায় নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটসহ অন্তত আটটি দেশের কূটনীতিকেরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত তাঁরা মঈন খানের বাসায় অবস্থান করেন। নৈশভোজে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ এবং জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবও ছিলেন।
নৈশভোজে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, ভুটানসহ বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকেরা অংশ নেন।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, নৈশভোজের নিমন্ত্রণে গেলেও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ হয়েছে। আগামী নির্বাচন নিয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন দলের নেতারা।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিদেশি কূটনীতিকেরা একে একে মঈন খানের বাসা থেকে বের হন। রাত ১১টার কিছু আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ওই বাসা থেকে বের হন। এ সময় সাংবাদিকেরা তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি কিছু বলেননি। রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।
মওদুদ আহমদ ওই বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। তখন তিনি বলেন, ‘আমি কিছু বলব না।’ এ সময় সাংবাদিকেরা অনুরোধ করলে তিনি বলেন, ‘যিনি হোস্ট (নিমন্ত্রণকারী) তাঁকে ধরুন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভার‌তকে জিত‌তে দেয়‌নি আফগা‌নিস্তান

খেলার খবর: সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে উড়ন্ত ভারতকে থামিয়ে দিয়ে এশিয়া কাপে রূপকথার জন্ম দিল আফগানিস্তান।২৫৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা ভারত আফগানদের আক্রমনাত্মক বোলিংয়ের সামনে থমকে গেছে ২৫২ রানেই। ফলে টাই-তেই শেষ হয় ম্যাচটি।
ওয়ানডে ফরম্যাটে ভারতের বিপক্ষে আফগানদের ঘটনা এটাই প্রথম ঘটনা।
ভারতের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটা লোকেশ রাহুল ও আম্বাতি রাইডু দুর্দান্ত করলেও শেষটা ছিল দারুণ হতাশার। মিডল অর্ডারের নিদারুণ ব্যর্থতায় পুঁচকে আফগানদের সামনেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হলো না পরাশক্তি ভারতের।
ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুলের ৬০, আম্বাতি রাইডুর ৫৭ ও দিনেশ কার্তিকের ৪৪ রানের ইনিংসটি বাদে বাকিরা সবাই ছিলেন নিষ্প্রভ। ধোনি ফিরেছেন ৮ রানে, মানিশ পান্ডেও তাই। কেদার যাদব ১৯ এবং কুলদীপ যাদব করেছেন ৯ রান। সিদ্ধার্থ কউল শূন্য ও খলিল ফিরেছেন ১ রান সংগ্রহে।
লোয়ার অর্ডারে রবীন্দ্র জাদেজা একাই যা লড়েছেন। তাতে আশা জাগলেও আখেরে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ভারত। শেষ ওভারে রশিদ খানের ৫ম বলে জাদেজা ২৫ রানে নজিবউল্লাহ জাদরানের হাতে ক্যাচ তুলে দিলে ২৫২ রানে অল আউট হয় ভারত।
উই‌কেট শিকা‌রে আফগান‌দের হ‌য়ে র‌শিদ খান, আফতাব আলম ও মোহাম্মদ নবী দুইটি করে এবং জা‌বেদ আহমা‌দির শিকার ছি‌লো একটি।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মোহাম্মদ শাহজাদের ১১৬ বলে ১২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস এবং মোহাম্মদ নবীর ৫৬ বলে ৬৪ রানের দাপুটে ব্যাটে ভর করে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ২৫২ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান।
শাহজাদ তার ১২৪ রানের ইনিংসটি সাজাতে সহযোগিতা নিয়েছেন ১১টি চার ও ৭টি ছয়ের।
বল হাতে ভারতের হয়ে রবীন্দ্র জাদেজা ৩টি, কুলদীপ যাদব ২টি এবং খলিল রহমান, দীপক চাহার ও কেদার যাদব নিয়েছেন ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমার বাবা এমপি, তোমার মতো হাজারটা সার্জেন্ট…

অনলাইন ডেস্ক: স্কুলের সামনে ডাবল লেনে পার্কিং করে রাখা প্রাইভেটকারটিকে সরিয়ে দিতে অনুরোধ করতে করতে এগোচ্ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। কিন্তু গাড়ির ভেতরে থাকা নারী তার সেই বিনীত অনুরোধের জবাব দিচ্ছিলেন ঠিক এভাবে—

‘এই কার গাড়ির ছবি তোলো? এটা সরকারি দলের লোকের গাড়ি। কার গাড়ির ছবি তোলো? বেশি…কইরো না! তোমার মতো সার্জেন্ট কয় টাকা বেতনে চাকরি করে? কয় টাকা বেতনে চাকরি করে তোমার মতো সার্জেন্ট? আমরা প্রধানমন্ত্রীর লোক, ঠিক আছে? যদি সাহস থাকে…আমার বাবা জাতীয় কমিটির সদস্য, আমার বাবা এমপি, ঠিক আছে? তোমার মতো হাজারটা সার্জেন্ট…ঠিক আছে? কয়টাকা বেতনে চাকরি করো? হ্যাঁ চাকরই তো..চাকরই তো!’

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরের স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনের এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সার্জেন্ট ঝোটনই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন—
‘এই ভদ্র ম‌হিলা মিরপুর ১৩ নাম্বার স্কলা‌স্টিকা স্কু‌লের সাম‌নে তার প্রাই‌ভেটকার ( ঢাকা মে‌ট্রো~গ~২৬~৯৩৪৭) ডাবল লে‌নে পা‌র্কিং ক‌রে রে‌খে‌ছেন। তার গা‌ড়ির জন্য পিছ‌নের গা‌ড়িগু‌লো আস‌তে পার‌ছেনা। প্রচণ্ড জ্যাম লে‌গে আ‌ছে। তা‌কে অ‌নেকবার স‌বিনয় অনু‌রোধ করলাম, আপু আপনার গা‌ড়ির ড্রাইভা‌র‌কে ডে‌কে দ্রুত গা‌ড়ি‌টি স‌রি‌য়ে পিছ‌নের গা‌ড়িগু‌লো আসার সু‌যোগ দিন এবং জ্যাম মুক্ত ক‌রেন। ‌কিন্তু না, তি‌নি আমার কোনো কথা তো শুন‌লেনই না, বরং আমা‌কে খারাপ ভাষায় গালাগা‌লি ক‌রেন এবং সঙ্গে ব‌লেন তু‌মি সরকা‌রের ২ টাকার চাকর, আমা‌কে চেনো তু‌মি? কার গা‌ড়ি জা‌নো এটা? আ‌রও অ‌নেক খারাপ কথা!’সার্জেন্ট ঝোটনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা পোস্টের স্ক্রিনশটকয়েকটি ক্লিপস আকারে ঝোটনের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, অনেকটা হুমকি-ধামকি দিয়ে ঝোটনকে শাসিয়েছেন এমপির কন্যা পরিচয় দেওয়া সেই নারী।

যদিও তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। তবে দেশের ‘‌সড়ক ব্যবস্থাপনা মেরামতে’ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের মতো বড় ঝাঁকুনি দেওয়ার পরও নিয়ম ভেঙে উল্টো ট্রাফিক সার্জেন্টকে এমন হুমকি দেওয়ায় ওই নারীর তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে তার পরিচয় শনাক্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আবার উত্তাপ ছড়াচ্ছে রাজনীতির ময়দানে। ঢাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজপথ আবার উত্তপ্ত হওয়ার আভাস মিলছে।
সরকারবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বিএনপির নেতাদের নির্দেশনার মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তাদের এ ঘোষণার দিনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট একই তারিখে মহানগর নাট্যমঞ্চে সমাবেশের কথা জানিয়ে হুশিঁয়ারি দেয়, ‘আন্দোলনের নামে যে কোনো ধরনের পরিস্থিতি’ মোকাবেলায় মাঠে থাকবে তারা।
জনসভার অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া বাকি থাকলেও দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, ২৯ সেপ্টেম্বরের সমাবেশ সফল করার জন্য আমাদের দলের নেতা-কর্মী সহযোগী সংগঠনগুলোর ইউনিট পুরোদমে কাজ করছে। আশা করছি, ২৯ সেপ্টেম্বরের সমাবেশটি সাফল্যমণ্ডিত হবে।
এখনো সমাবেশ করার অনুমতি মেলেনি জানিয়ে রিজভী বলেন, আশা রাখছি অনুমতি পাবো।
অবশ্য এই সমাবেশ ২৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) করার কথা ছিল বিএনপির। গত ২২ সেপ্টেম্বর গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও বিকল্প ধারার সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’র সমাবেশে যোগ দেওয়ার পর ২৪ সেপ্টেম্বর এ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন রিজভী।
এদিকে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিবের নতুন করে সমাবেশের তারিখ ঘোষণার পর মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নেতাকর্মীদের আগামী ১ অক্টোবর থেকেই আন্দোলনের জন্য ‘রেডি’ হয়ে যেতে নির্দেশনা দেন।
অন্যদিকে মঙ্গলবার দুপুরেই বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ১৪ দলের সভা শেষে জোটের মুখপাত্র, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ঘোষণা দেন, ২৯ তারিখ ১৪ দলের সমাবেশ। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
বিএনপির সমাবেশ ঘোষণার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা দেখবো কারা মাঠে নামবে আর কারা নামবে না। অনেক আগে থেকেই ঢাকা আমাদের দখলে আছে, ইনশাল্লাহ আগামীতেও আমাদের দখলে থাকবে। শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশই (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনার দখলে থাকবে।
এসময় তিনি যে কোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে ১৪ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জান‍ান। নাসিম বলেন, আপনারা এলাকায় প্রস্তুত থাকবেন, ওই অপশক্তি যেন মাঠে নামতে না পারে। ওদেরকে মাঠে ঘাটে প্রতিহত করবেন, যেখানে পাবেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি ড. কামাল হোসেন ও ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’ গঠিত হয়। এই জোট গত ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর নাট্যমঞ্চে নাগরিক সমাবেশের আয়োজন করে। বিএনপির শীর্ষ নেতাদেরও বৈঠকটিতে দেখা যায়। সেখানে ঘোষণাপত্রে সরকারকে সংসদ ভেঙে দিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার গঠনসহ কয়েক দফা দাবি দেওয়া হয়।
ড. কামাল ও বি. চৌধুরী চাইছেন তাদের দাবি আদায়ে অক্টোবর থেকেই কর্মসূচিতে যেতে। সেজন্য সমাবেশেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তারা চাইছেন ‘বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য’র এসব কর্মসূচিতে বিরোধী সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোকে ভিড়িয়ে আন্দোলন জোরদার করতে। কিন্তু এরমধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশের ঘোষণা আভাস দিচ্ছে নতুন প্রেক্ষাপট তৈরির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য চারটি স্লট চেয়েছে বাংলাদেশ

দেশের খবর: দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-২-এর জন্য আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর কাছে মহাকাশে আরও চারটি স্লট চেয়েছে বাংলাদেশ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর মহাকাশে দেশের প্রথম ‘জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট’ বঙ্গবন্ধু-১ সফল উৎক্ষেপণের পর এ উদ্যোগ নেয়া হলো।

বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ জানান, দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে যথাযথ অরবিটাল স্লট পেতে তারা প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা ৬৯ ডিগ্রি পূর্ব, ৭৪ ডিগ্রি পূর্ব, ১০২ ডিগ্রি পূর্ব এবং ১০২ ডিগ্রি পূর্ব-এর জন্য আইটিইউ’র কাছে আবেদন করেছি।

অরবিটার স্লট প্রাপ্তি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া একথা উল্লেখ করে ড. মাহমুদ বলেন, আবেদনসমূহের উপর স্ক্রিনিং ও হিয়ারিং এবং অনেক দেশের আপত্তি নিষ্পত্তির পর আইটিইউ অরবিটাল স্লট বরাদ্দ দেয়।

বিভিন্ন দেশ একই অরবিটাল অবস্থানের স্লটের জন্য আবেদন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধুমাত্র আবেদন জমা দিয়েছে এবং এর মানে এই না যে, আমরা স্লটগুলো পেয়ে গেছি।

একই সময়ে বিভিন্ন দেশ সংশ্লিষ্ট স্যাটেলাইটের ফুটপ্রিন্ট তাদের ফ্রিকোয়েন্সিতে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আপত্তি জানিয়ে অভিযোগ করে থাকে উল্লেখ করে ড. মাহমুদ আরও বলেন, সে কারণে ‘কখনো কখনো স্লট বরাদ্দের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হয়।

শুধুমাত্র অরবিটাল স্লট নিয়ে কাজ করার জন্য কোম্পানিতে পৃথক সেল চালু করার কোন পরিকল্পনা তার নেই বলে বিসিএসসিএল চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব জিওস্টেশনারি স্লটে অবস্থান করছে। এই স্যাটেলাইটটি সার্কভুক্ত দেশসমূহসহ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরঘিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কাজাখস্তানের অংশ বিশেষ কাভার করে।

যদিও ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানে এটির কাভারেজ শক্তিশালী। এ কারণে এই ছয়টি দেশকে এ সংক্রান্ত বাণিজ্যের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্যাটেলাইট অপারেশনের মধ্যে রয়েছে টেলিভিশন চ্যানেলসমূহ, ভিস্যাট, নেটওয়ার্ক রেস্টোরেশন প্রভৃতির জন্য ‘ডাইরেক্ট- টু- হোম’ সার্ভিস। – বাসস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুর বাজারে নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে বাবুর নির্বাচনী পথসভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্বাচনী পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্রহ্মরাজপুর বাজারে বাবু নিলিপ কুমার মল্লিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন, সাফল্য অগ্রযাত্রার বার্তা তুলে ধরেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু গনেষ চন্দ্র মন্ডল, ধুলিহর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা, আওয়াীলীগ নেতা স ম জালাল উদ্দীন, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। পথসভা ও গণসংযোগকালে সদসর উপজেলা আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে যত উন্নয়ন হয়েছে। তা সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার কারনে। তিনি বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে একটি উন্নয়নশীল মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের টাকা পদ্মাসেতু হচ্ছে, প্রত্যক্ষ এলাকা বিদ্যুতায় হয়েছে, রাস্তাঘাট, শিক্ষা, চিকিৎসা স্বাস্থ্য সহ প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলমান রয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আনার জন্য সকলকে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest