সর্বশেষ সংবাদ-
বিজনেস অ্যান্ড লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাতক্ষীরার সুদীপ্তকেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. আনিছুর রহমানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজআশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন

চোরের বদনাম ঢাকতে মালয়েশিয়ায় মোশাররফ

বিনোদনের খবর: ধারাবাহিক নাটকে খুব একটা অভিনয় করতে দেখা যায়না মোশাররফ করিমবে। কিন্তু এখন সিদ্ধান্ত বদলেছেন। নিয়মিতই ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন। ‘মকো মালয়েশিয়া’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটকের নাটকের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম।

এ গল্পে দেখা যাবে পুরান ঢাকার ছেলে মোশাররফ। তার দাদা ছিলেন চোর। সবাই মোশাররফকে চোরের নাতি বলেই ডাকেন। কিন্তু বড় হওয়ার পরেও তিনি তার নাম থেকে দাদার ওই চোরের শিরোনামটি আর কিছুতেই মুছতে পারছিলেন না। এ চোর অপবাধের জন্য মোশাররফের বিয়েও হয় না। চোর অপবাধের জন্য দেশে যেহেতু কিছু করা যাচ্ছে না, তাই সে মালয়েশিয়ায় চলে যায়। মালয়েশিয়ায় গিয়ে শুরু হয় তার নতুন সমস্যা। এমন গল্প নিয়েই নির্মাণ হয়েছে নাটকটি।

আকাশ রঞ্জনের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন শামীম জামান। মোশাররফ করিম ছাড়াও এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুঁই করিম, শামীম জামান, বন্যা মির্জা, আখম হাসান, ফারুক আহমেদ, শ্যামল মাওলা, জয়রাজ, তারিক স্বপন, অপর্ণা ঘোষ, আইরন আফরোজ, জেনিম সানজিদা তন্ময়সহ অনেকে।
শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) থেকে সপ্তাহের প্রতি শুক্র, রবি, মঙ্গল ও বুধবার রাত ৯টা ৩৫ মিনিট চ্যানেল আইতে প্রচার হবে নাটকটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের ৭০ সাংসদ ঝুঁকিতে

দেশের খবর: ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। নভেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট এখনো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেয়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের এক যৌথ সভার পর দলের নেতাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচনী এলাকা ও সাংসদদের অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা দিয়ে করা একাধিক জরিপ প্রতিবেদন তাঁর কাছে আছে। এসব প্রতিবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্তত ৭০ জন সাংসদের অবস্থা ভালো নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনবিচ্ছিন্ন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। কাউকে মনোনয়ন থেকে বাদ দেওয়া হলেও যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাঁর পক্ষে কাজ করতে হবে। কেউ পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে বিরোধিতা করলে তাৎক্ষণিকভাবে আজীবন বহিষ্কার করা হবে। অতীতে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে শাস্তি দিয়ে ক্ষমা করা হয়েছে। এবার আর তা করা হবে না।

আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ, সংসদীয় দল এবং উপদেষ্টা পরিষদের এই যৌথ বৈঠকে দলের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরিসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সংসদীয় দলের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশটা যে সুন্দরভাবে চলছে, দেশের মানুষ স্বস্তিতে আছে, তাঁদের ভালো লাগছে না, তাঁরা চান একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। তাঁরা নির্বাচন চান কি চান না, সেটাই বড় প্রশ্ন।

বৈঠক সূত্র জানায়, হেফাজতে ইসলামকে নিয়েও গতকাল আলোচনা হয়েছে। ধর্মভিত্তিক এই সংগঠন সম্পর্কে আওয়ামী লীগের নেতারা যাতে সমালোচনা না করেন, সে বিষয়ে কথা হয়েছে। শরিক দলগুলো যাতে এটি মেনে চলে তা খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

হেফাজতে ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীকে এক করে দেখার সুযোগ নেই বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) সমালোচনার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ইভিএমে দ্রুত মানুষ ভোট দিতে পারে। তাতে আপত্তি কিসের? সেটা তিনি বুঝতে পারেন না। ইভিএম আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে কেউ কারও ভোট চুরি করতে পারবে না। তাহলে সেখানে কী করে তারা আপত্তি জানায়?

১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট?
সংবিধান অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর থেকে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে। আগামী ১ নভেম্বর পাঁচ নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করবেন।

ইসির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইতিমধ্যে একটি খসড়া তফসিল তৈরি করা হয়েছে। তবে তাতে ভোট গ্রহণের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইসির আলোচনার পর ভোট গ্রহণের দিন চূড়ান্ত করা হবে।

ইসি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সভা করবে নির্বাচন কমিশন। ৪ বা ৫ নভেম্বর ওই সভা হতে পারে। এরপর রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। ওই ভাষণেই সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। সাধারণত তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো এক দিন ভোট গ্রহণ হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

তফসিলের পর উত্তাপ
নির্দলীয় সরকার গঠন, ইসি পুনর্গঠনসহ সাত দফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রস্তুতির কথা বলছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নভেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণার পর রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। দলটি এ মুহূর্তে গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দেওয়া সাত দফা দাবিতে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০-দলীয় জোটের মুখপাত্র নজরুল ইসলাম খান বলেন, ন্যূনতম নির্বাচনী পরিবেশ ছাড়া ভোটে জনগণের মতামত প্রাধান্য পাবে না। বিএনপি বহু নির্বাচন করেছে। যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি সব সময় প্রস্তুত।

বিএনপি সূত্র জানায়, প্রকাশ্যে না হলেও দলের ভেতরে নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রস্তুতি আছে। নির্বাচনে যাওয়া ঠিক হলে তফসিল ঘোষণার পরপরই নিজ দলের মনোনয়ন ও শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতা হবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, সেনা মোতায়েনের দাবি সুশীল সমাজের অনেকে ইসির সংলাপে দিয়েছিলেন। বিরোধী দল এসব দাবি আদায়ে সরকারের ওপর কতটুকু চাপ তৈরি করতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় আছে। আওয়ামী লীগ পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী পক্ষ সমান সুযোগ পাচ্ছে না। তফসিলের পর বিরোধী দল সমান সুযোগ পাবে কি না বা কতটুকু সুযোগ পাবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তফসিলের পর এমপি-মন্ত্রীরা কী-কী করতে পারবেন

দেশের খবর: চলতি বছরের নভম্বেরের প্রথম সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার নির্বাচন হচ্ছে সংসদ বহাল রেখেই, যা দশম সংসদ নির্বাচনে ছিল না। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে প্রতিক হিসেবে জীবন্ত প্রাণী ও প্রচারণায় কাপড়ের পোস্টার ব্যবহারে নিষেধ ছাড়া আর আর কোনো পরিবর্তনের অনুমোদন দেয়নি ইসি।

এক্ষেত্রে তফসিল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য (এমপি) বা সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নির্বাচনী প্রচারে আচরণবিধি কেমন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকের।

তফসিল ঘোষণার পর মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি নিয়ে কথা হয় দুই নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে। তারা বলছেন, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে কেউ নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। অর্থাৎ সংসদ বহাল থাকলেও কোনো মন্ত্রী-এমপি নিজ বা অন্য এলাকায় সরকারী সুবিধা নিয়ে প্রচার চালাতে পারবেন না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ নিরাপত্তা বিধান আইন অনুযায়ী, শুধু সরকারী নিরাপত্তা ব্যবহার করে প্রচার চালাতে পারবেন বলেও জানান কমিশনাররা।

যদিও আচরণ বিধিমালার ধারা ১৪-এর ২ উপ-ধারায় বলা আছে, ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাহার নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারী যানবাহন, সরকারী প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যবিধ সরকারি সুবিধা ভোগ করিতে পারিবেন না…।’

সরকারী সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সংজ্ঞায় প্রথমেই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ছাড়া অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে ধারাবাহিকভাবে রয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডিপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, এমপি ও সিটি করপোরেশনের মেয়র।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, ‘সরকারী সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোনো প্রচার-প্রচারণা কেউ চালাতে পারবেন না। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বিধান অনুযায়ী সরকারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রচার চালাতে পারবেন প্রধানমন্ত্রী।’

আরেক নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তফসিল ঘোষণার পর সংসদ সদস্যরা সরকারী গাড়ি, পতাকা ব্যবহার করতে পারবেন না। আর সাংসদদের জন্য আলাদা কোনো নিরাপত্তারও ব্যবস্থা নাই।

তবে টাকা খরচ করে যে কেউ পুলিশি নিরাপত্তা নিতে পারে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সুবিধার বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি পাবেন না। তবে বিশেষ নিরাপত্তা বিধান আইনে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিকে নিরাপত্তা দেয়া হয়। এটুকু প্রধানমন্ত্রী পাবেন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারী কোনো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না।

আচরণবিধিতে বলা আছে, কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন-পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ.লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে জয়

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার মূল কমিটির (কোর কমিটি) সদস্য হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ ও সরকারের পাশে থেকে কাজ করলেও এই প্রথম তিনি দলীয় ফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন।

শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) রাতে দলটির কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ ও সংসদীয় দলের যৌথসভায় তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই কমিটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে মূল সমন্বয় করবে।
শুক্রবারের বৈঠকে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত কোর কমিটি গঠন করা হয়। এতে ১৬ নম্বর সদস্য হিসেবে জয়কে রাখা হয়। এর আগে তিনি কখনোই দলের কোনও ফোরামে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিলেন না।

আওয়ামী লীগের ৩৩ সদস্যের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার মূল কমিটিতে (কোর কমিটি) চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। কমিটির কো-চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম এবং সদস্য সচিব আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মূল কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাজেদা চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ড. মশিউর রহমান, রাশিদুল আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্ল্যাহ, মোহাম্মদ নাসিম, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুর রাজ্জাক, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, কোষাধক্ষ্য এইচ এন আশিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দিপুমনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, জাতীয় সংসদের হুইপ ও আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আখতারুজ্জামান, দীপংকর তালুকদার, অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার এবং উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সৌদিকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না : এরদোয়ান

বিদেশের খবর: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সৌদি আরবকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, জামাল খাশোগির মরদেহ কোথায় আছে তার ঠিকানা জানাতে। এছাড়া তাকে হত্যার নির্দেশ কে দিয়েছিল সেটাও জনসম্মুখে আনার কথা বলেছেন তিনি। শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টে দেয়া এক ভাষণে এরদোয়ান জানিয়ে দিলেন খাশোগি হত্যা ইস্যুতে রিয়াদকে বিন্দুমাত্রও ছাড় দেবে না আঙ্কারা।

পার্লামেন্টে দেয়া ওই ভাষণে এরদোয়ান বলেন, ‘সৌদি আরবে যে ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে তারা নিশ্চয়ই জানে কে খাশোগিকে হত্যা করেছে এবং তারা মরদেহে কোথায় সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতাকে ইস্তাম্বুলের আদালতে হাজির করে অবশ্যই তাকে বিচারের আওতায় আনা হবে। সৌদি আরব প্রতিনিয়ত ঘটনার দায় নিয়ে যে নাটক করছে সেটা সত্যিই হাস্যকর। একটি জাতি রাষ্ট্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনও আচরণ তারা করছে না বরং তারা যেটা বলছে সেটা শিশুসুলভ বিবৃতি।’

এরদোগান প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এ হত্যার নির্দেশ কে দিয়েছে? ১৫ জনের দলটিকে কে তুরস্কে আসার নির্দেশ দিয়েছে? তার লাশ কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা ফেলে দেয়া হয়েছে, সৌদি আরবকে তা জানাতে হবে।’
সৌদি যুবরাজ সালমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘যদি আপনার ওপর তোলা হত্যার অভিযোগ থেকে বাঁচতে চান তাহলে এই ১৮ জন ব্যক্তি হলো তার মূল চাবিকাঠি। আপনি জানেন মানুষ কিভাবে কথা বলছে। যদি আপনি তাদের মুখ বন্ধ করতে চান তাহলে আটক ওই ব্যক্তিদের আমাদের হাতে হস্তান্তর করুন। যেহেতু ঘটনাটি ইস্তাম্বুলে ঘঠেছে সেহতেু এখানেই তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

এছাড়াও এরদোয়ান সৌদি কে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘যে স্থানীয় সহচরের মাধ্যমে আপনারা খাশোগির মরেদেহ সরিয়ে ফেলেছেন তার পরিচয়টা আমাদেরকে দিন।’ এ হত্যার ঘটনা সম্পর্কে তুরস্ক যতটুকু তথ্য-প্রমাণ দিয়েছে তার চেয়ে বেশি তথ্য তাদের হাতে আছে বলেও সৌদিকে হুশিয়ার করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীপিকার রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে কঙ্গনা

বিনোদনের খবর: বলিউডে কঙ্গনার সফলতার ঘোড়া যেন থামছেই না। ‘ফ্যাশন’, ‘কুইন’-এর মতো সাড়া জাগানো সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন গ্যাংস্টার খ্যাত এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি বহুল আলোচিত ‘মণিকর্ণিকা’ ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। আর এই ছবিটি কঙ্গনাকে দিয়েছে নতুন সিংহাসন।

গেলো বছর ‘ফিল্মফেয়ার’-এর প্রতিবেদনে দেখা যায়, বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেওয়া অভিনেত্রী হচ্ছেন দীপিকা পাড়ুকোন। ‘পদ্মাবত’ ছবিতে তিনি রেকর্ড ১১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন।

এবার দীপিকার সেই রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে উঠলেন কঙ্গনা। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘মণিকর্ণিকা’ ছবির জন্য তিনি পকেটে পুরেছেন ১৪ কোটি টাকা। যা পারিশ্রমিকের দিক দিয়ে তাকে শীর্ষ অভিনেত্রীর তকমা দিয়েছে।

দ্বীতিয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে প্রিয়াঙ্কা ও কারিনা কাপুর। দীর্ঘদিন পর ‘ভিরে ডি ওয়েডিং’ ছবিতে এসে বাজিমাত করেছেন এই নায়িকা। ছবিতে তার পারিশ্রমিক ছিল ১১ কোটি রুপি। সমান পারিশ্রমিক নিয়ে কারিনার পাশপাশি রয়েছেন আরেক বলিউড ডিভা ক্যাটরিনা কাইফ। সালমানের আসন্ন ‘ভারত’ ছবির জন্য তিনি নিয়েছেন ১১ কোটি রুপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঔষুধি গুণে ভরা নিশিন্দা

স্বাস্থ্য কণিকা: ঔষধি গাছ নিশিন্দা যার শাখার ডগায় এক গোছা খুব ছোট আকারের ফুল। মূলত এটি ছোট আকারের বৃক্ষ অথবা একটি বড় ধরনের গুল্ম। লম্বা পাঁচথেকে সাত মিটার যা তিন থেকে পাঁচ ফলক বিশিষ্ট হয়ে থাকে। একেকটি পাতা দুই থেকে তিন সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা। ছোট আকারের বেগুনি রঙা ফুল। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিশিন্দা গাছে ফুল ফুটতে দেখা যায়। এটি একটি কার্যকর ঔষধি গাছ।

নিশিন্দা বাংলা নাম। নিশিন্দাকে সামালু, নিশিন্দে ও নিগুণ্ডী নামেও ডাকা হয়। সংস্কৃত নাম সিন্দুভার, ইন্দ্রাণী ও নীলা নির্গুণ্ডি। চাকমা ভাষায়, নিশিন্দা হলো গাউর বো, মারমারা বলে চয়েং মাইন। যার প্রচলিত ইংরেজি নাম চেস্ট ট্রি (Chinese chaste tree)। দেশের সর্বত্রই এই পত্রঝরা গুল্ম অথবা গাছটির দেখা পাওয়া যায়। তবে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটু বেশিই এর দেখা মেলে।

গুণাগুণ
নিশিন্দা গাছের পাতা, ফুল, বীজ ও মূল ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। সব ধরনের চর্মরোগ, সর্দি, হাঁপানিসহ গলগণ্ড রোগে নিশিন্দা ব্যবহারে রোগ উপশম হতে দেখা যায়।

তাছাড়া জ্বর, বাতজ্বর, মাথায় টাকপড়া, আমাশয়, শরীরের মেদ, ঋতুস্রাব, মুখের ঘা, যকৃৎ এবং প্লীহার বৃদ্ধিতে নিশিন্দার ফুল, বীজ ও শিকড়ের বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুর কান্না থামানোর জন্য নিশিন্দার পাতা বেঁটে শরীর মালিশ করা হয়, কোথাও কোথাও পাতা সেদ্ধ করে সে পাতার পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আকন্দের যত ঔষুধী গুণ

অনলাইন ডেস্ক: আকন্দ মাঝারি ধরনের ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদ। ৮ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। গাছের ছাল ধুসর বর্ণের এবং কাণ্ড শক্ত ও কচি ডাল লোমযুক্ত। পাতা ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা উপরিভাগ মসৃণ এবং নীচের দিক তুলোর ন্যায়। ক্ষুদ্র বৃন্ত এবং বৃন্তদেশ হৃদপিণ্ডাকৃত। গাছের পাতা শাখা ভাঙলে দুধের মতো সাদা আঠা বের হয়। সাদা বা বেগুনি বর্ণের ফুল হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকন্দ জম্নে।

উপকারিতা/ লোকজ ব্যবহার: আকন্দ চুলের রোগ, ব্যাথা এবং বিষনাশে বিশেষ কার্যকরী। দাদ ও টাকপড়া নিবারক। আকন্দের কষ তুলায় ভিজিয়ে লাগালে দাত ব্যথা দুর করে এবং যোনিতে ধারণ করলে গর্ভপাত ঘটায়।

আকন্দ বাতের ব্যাথা নিবারক ও ফোলা অপসারক। আকন্দ পাতা ও হলুদের তৈরি বড়ি শোথ/ ফোলা/পাণ্ডু রোগ নাশক। এবং এর রস কৃমি নাশক হিসেবে কাজ করে।

কোন অংশ কীভাবে ব্যবহার করতে হয়:

অম্বল/এসিডিটি দেখা দিলে: ০.৬৫ গ্রাম পরিমাণ আকন্দ পোড়া ছাই পানিসহ পান করলে সঙ্গে সঙ্গে উপকার পাওয়া যায়।

পেট জ্বলা বা ব্যাথায় : আকন্দ পাতার সোজা দিকে সরিষার তেল মাখিয়ে পাতাটি অল্প গরম করে পেটের উপর রাখলে বা ছেঁক দিলে পেট কামড়ানো বা পেট জ্বালা বন্ধ হয়।

শোথ/ফোলা রোগে: আকন্দ বিশেষ উপকারী। ফোলাজনিত কারণে কোনো স্থান ফুলে উঠলে আকনদ পাতা বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।

শ্বাস কষ্টে: আকন্দের শিকড়ের ছাল প্রথমে গুঁড়া করে তারপর আকন্দের আঠায় ভিজিয়ে রেখে পরে শুকিয়ে নিতে হবে। এর পর তা চুরুট বানিয়ে ধুমপান করলে শ্বাস কষ্ট ভালো হয়।

নিউমোনিয়াজনিত বেদনায়: আকন্দ পাতার সোজা দিক ঘি মেখে ব্যথার জায়গায় বসিয়ে লবণের পুটলি দিয়ে ছেক দিলে উপকার পাওয়া যায়

হজম শক্তি কমে গেলে: ২ গ্রাম পরিমাণ শুকনো আকন্দ মুল গুঁড়া করে খেলে ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest