সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

ব্যারিষ্টার মঈনুলের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় ঝাড়ু মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারী সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি ও বাংলাদেশের সকল নারী সমাজের প্রকাশ্যে চরিত্র হননকারী ১/১১ সরকারের কুশীলব, বহুরুপী ষড়যন্ত্রের হোতা ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেনের দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তির দাবীতে সাতক্ষীরায় ঝাড়– মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকালে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎ¯œা আরা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শহরের রেড ক্রিসেন্ট কার্যালয়ের সামনে থেকে ব্যানার ও প্লাকার্ডসহ একটি ঝাড়– মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট (শহীদ আলাউদ্দিন চত্বর) এ গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশেটি শেষ হয়।
জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা আক্তার বানু’র সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোৎ¯œা আরা প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমে সারা বিশ্বকে জানান দিয়ে অকথ্য ভাষায় মাসুদা ভাট্টিকে অপমান করেছেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। তিনি এই অবমাননার মধ্যে দিয়ে সমগ্র বাংলাদেশের নারী সমাজকে অপমান করেছেন। বাংলার নারী সমাজ এখন সংঘবদ্ধ। নারী সমাজকে এখন আর দাবায়ে রাখতে পারবেনা। বক্তারা আরো বলেন, এই মঈনুল হোসেন ওয়ান ইলেভেনের সময় ক্ষমতার লোভে মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বলেছিলেন, আমরা চুনপুটি ধরি না, রুই কাতলা ধরি। সেই রুই কাতলা নিয়ে খেলা করতে গিয়ে চক্রান্ত করে দুই বছর ক্ষমতা দখল করে দেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছিলেন। এই মঈনুল হোসেন নিজের ভাইকে শায়েস্তা করার জন্য ইত্তেফাক অফিসে মানুষ হত্যা করেছেন। সেই হত্যা মামলাকে গায়েব করে দিয়েছিলেন। বক্তারা এ সময় তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় মুক্তি পাচ্ছে নার্গিস ফাখরির হলিউড ছবি

বিনোদনের খবর: ২৬ অক্টোবর একসঙ্গে দু’টি হলিউডের ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্সে। একটি হলো, নম্রতা সিং গুজরালের পরিচালনায় ‘ফাইভ ওয়েডিংস’। ২৬ অক্টোবর ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তির মধ্য দিয়ে ছবিটির আন্তর্জাতিক মুক্তি হচ্ছে।

‘ফাইভ ওয়েডিংস’ ছবিটি হলিউডের। কিন্তু পরিচালক এবং মূল দুই অভিনয়শিল্পী বলিউডের। ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত অভিনেতা রাজকুমার রাও। অন্যদিকে র‌্যাম্পের রানওয়ে থেকে রূপালি পর্দায় নাম লেখানো আলোচিত অভিনেত্রী নার্গিস ফাখরি। এর আগেও নার্গিসকে ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের অ্যাকশন-কমেডি ছবি ‘স্পাই’-এ দেখা গিয়েছিল। ওই ছবিতে নার্গিসের চরিত্রটি খুবই সংক্ষিপ্ত হলেও এবারের ছবির মূল চরিত্রে থাকছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘আমেরিকাস নেক্সট টপ মডেল’ দিয়ে আলোচনায় আসা নার্গিসের বলিউড অভিষেক ঘটে রকস্টার ছবি দিয়ে।

শানিয়া ঢালিওয়াল ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন তরুণী পেশায় একজন সাংবাদিক। একদিন শানিয়াকে নিজের কক্ষে ডাকেন সম্পাদক। দায়িত্ব দেন ভারতীয় বিয়ের রীতি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন তৈরির। শুরুতে অনিচ্ছা থাকলেও দীর্ঘদিন পর মাতৃভূমির দর্শনের সুযোগ পেয়ে প্লেনে চড়ে বসেন শানিয়া। বিমানবন্দরে এই সাংবাদিকের পরিচয় হয় পুলিশ অফিসার হারভাজনের সাথে। যা এক সময় রূপ নেয় বন্ধুত্বে। যদিও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে শানিয়ার গতিবিধি নজরে রাখতেই হারভাজন এই সম্পর্ক তৈরি করেন।

এক সময় হারভাজনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে শানিয়া। কিন্তু ততোক্ষণে ভিনদেশি এই সাংবাদিককে গুপ্তচর হিসেবে সন্দেহ করে বসেছে পুলিশ অফিসার। এমন গল্পেই পরিচালক নম্রতা সিং গুজরাল নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র ‘ফাইভ ওয়েডিংস’। ছবিতে শানিয়ার চরিত্রে নার্গিস ফাখরি আর হারভাজনের ভূমিকায় আছেন রাজকুমার রাও। এছাড়া বো ডেরেক, ডেমি মোরেক ও ক্যান্ডি ক্লার্ককেও ‘ফাইভ ওয়েডিংস’ সিনেমায় দেখবে দর্শক। এদিকে, মুক্তির আগেই নতুন সুখবর হলো, ছবিটি আসন্ন কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের জন্য আমন্ত্রিত হয়েছে। এ সুযোগ পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত নির্মাতা। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কান চলচ্চিত্র উৎসব প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে আমার ‘ফাইভ ওয়েডিংস’। এটা খুবই আনন্দের এবং সম্মানজনক। মনে হচ্ছে আমাদের সমস্ত শ্রম সার্থক হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোগ-ব্যধির যম তুলসী

অনলাইন ডেস্ক: বাসার কোনে একটি তুলসী গাছ আপনাকে শত রকমের রোগ-ব্যধি থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে। তুলসী অত্যন্ত উচ্চমাত্রার একটি ঔষধিগাছ। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও আছে আরও নানা ব্যবহার।

তুলসী পরিচিতিঃ
তুলসী এর ইংরেজি নাম Holy basil এবং বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Ocimum basilicum Linn. তুলসী সাধারণত একটি ঘন শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট ২-৪ ফুট উঁচু ছোট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা ১-৩ ইঞ্চি লম্বা হয়। পাতার কিনারা খাঁজকাটা, শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগ হতে ৫টি পুষ্পদন্ড বের হয় ও প্রতিটি পুষ্পদন্ডের চারদিকে ছাতা আকৃতির ১০-২০ টি স্তরে ফুল থাকে। প্রতিটি স্তরে ৬টি করে ছোট ফুল ফোটে। বীজ থেকেই তুলসী গাছ জন্মায়। সারাবছর এর পাতা সংগ্রহ করা যায়। তুলসী বিভিন্ন রকম ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও ফাংগাস থেকে শরীরকে রক্ষা করে। পাতা কাঁচা চিবিয়ে খাওয়া যায়। অনেকে বেটে রসটা খান। তুলসী পাতার চা বেশ সুস্বাদু।

সাদা তুলসী গাছটাই সাধারণত চোখে পড়ে, তবে কালো তুলসী গাছও আছে যাকে বলা হয় কৃষ্ণ তুলসী।

তুলসী পাতার উপকারিতা:
১. পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরার সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান৷ সমস্যা চলে যাবে। অর্থাৎ, বারবার টয়লেটে যাওয়া বন্ধ হবে।

২. জ্বর হলে পানির মধ্যে তুলসী পাতা, গোল মরিচ এবং মিছরি মিশিয়ে ভাল করে সিদ্ধ করুন৷ অথবা তিনটি দ্রব্য মিশিয়ে বড়ি তৈরি করুন৷ দিনের মধ্যে তিন-চার বার ওই বড়িটা পানির সঙ্গে খান৷ জ্বর খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে৷

৩. কাশি যদি না কমে সেই ক্ষেত্রে তুলসী পাতা এবং আদা পিষে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান৷ দ্রুত উপশম হবে।

৪. ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।

৫. শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

৬. বমি কিংবা মাথা ঘুরলে তুলসী পাতার রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে।

৭. সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচি বাড়ে।

৮. চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

৯. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চিবান৷

১০. ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, ত্বকের বলিরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান৷

১১. বুদ্ধি এবং স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন ৫-৭ টা তুলসী পাতা চিবান৷

১২. প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ মিলি দুধ অথবা ১৫০ মিলি পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন৷

১৩. তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরি পান করলে শুক্রানু শক্তিশালী হয়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদুর্বলতা দূর হয়।

১৪. রক্ত দূষিত হলে কালো তুলসী পাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়।

১৫. তুলসী পাতা দিয়ে চায়ের মত করে খেলে অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। তুলসী চা হিসাবেও এটি বেশ জনপ্রিয়।

১৬. তুলসি পাতার রসে লবন মিশিয়ে দাদে লাগালে উপশম হয়।

১৭. তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা উপশম হয়।

১৮. মুখে বসন্তের কালো দাগে তুলসীর রস মাখলে দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায়, তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

১৯. তুলসী পাতা কিডনীর বেশ কিছু রোগের সমাধান করে দিতে পারে। তুলসী পাতার রস প্রতিদিন পান করলে কিডনীতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। যদি কিডনীতে পাথর হয় তবে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে পাথর মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

২০. সামান্য গরম পানিতে তুলসী পাতা দিয়ে সিদ্ধ করে নিয়ে, সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে গলার ব্যাথা দ্রুত সেরে যাবে।

২১. তুলসী পাতা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও এর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

২২. মাথা ব্যাথা ও শরীর ব্যাথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী।

২৩. পোকার কামড়ে আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার তাজা রস লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা ও জ্বলা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়।

২৪. চর্বিজনিত হৃদরোগে এন্টি অক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করে তুলসী।

২৫. তুলসীর অ্যালকোহলিক নির্যাস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২৬. দাঁতের রোগে উপশমকারী বলে টুথপেস্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
২৭. তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে। এছাড়াও তুলসী পাতার রস শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
২৮. ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এর এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে যা বয়সজনিত সমস্যাগুলো কমায়।

সুতরাং, আপানার জীবনকে সুস্থ-সুন্দর রাখতে বাসায় একটা তুলসী গাছ রাখুন। রোগ-ব্যধি দূরে রাখুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যান্সার প্রতিরোধে ভেষজ

স্বাস্থ্য কণিকা: গ্রিন টি মুখের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। এক গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, গ্রিন টি মুখের ক্ষত, যা পরবর্তী সময়ে ক্যান্সারে পরিণত হয়, তা থেকে মুখকে রক্ষা করতে পারে।
৪১ জন রোগীর ওপর একটি পরীক্ষা করা হয়, যাদের প্রত্যেকের মুখে প্রিম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে এমন) ক্ষত আছে। এদেরকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে ভিন্ন ঘনত্বের গ্রিন টির নির্যাস খেতে দেয়া হয় দিনে তিনবার ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত। পরীক্ষা শেষে দেখা যায়, যাদের বেশি ঘনত্বের গ্রিন টির নির্যাস দেয়া হয়েছিল তাদের মুখের ক্ষত ৫৮.৮% ভালো হয়েছে এবং পুরনো ক্ষত আর বৃদ্ধি পায়নি। যারা কম ঘনত্বের নির্যাস গ্রহণ করেছে তাদের ৩৬.৪% ক্ষত প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে এবং পাসিবো বা কিছুই দেয়া হয়নি যাদের তাদের ১৮.২% উন্নতি হয়েছে।
মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে গ্রিন টির এটিই প্রথম পরীক্ষা, যা থেকে মুখের ক্ষত প্রতিরোধ করার প্রমাণ পাওয়া যায়। আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে গ্রিন টির ক্যান্সার রোধ করার ক্ষমতা আরো গবেষণার মাধ্যমে উন্মোচিত হবে।
সয়াবিন ও হলুদ প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার প্রতিরোধ করে অতি সম্প্রতি আমেরিকার একদল গবেষক সয়াবিনে বিদ্যমান সয়া আইসোফ্যাভোন ও হলুদে বিদ্যমান কুরকুমিনের প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারের অবস্থান চতুর্থ। আর তাই এর ভয়াবহতা রোধ খুবই জরুরি। বিজ্ঞানীরা বলেন, সয়াবিনে বিদ্যমান সয়া আইসোফ্যাভোন ও হলুদে বিদ্যমান কুরকুমিন যৌথভাবে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জিনের কার্যকারিতা বন্ধ করার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
আমেরিকার ওই গবেষকদল প্রথমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাবের ওপর তথ্য সংগ্রহ করেন। তারা লক্ষ্য করেন, এশিয়া মহাদেশের অধিবাসীদের মধ্যে এই ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব কম এবং পাশাপাশি তারা এ বিষয়টিও লক্ষ্য করেন যে এ মহাদেশের লোকজন সয়াবিন ও হলুদ বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে থাকে। আর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গবেষকরা ধারণা করেন যে, সম্ভবত অধিক সয়াবিন ও হলুদ গ্রহণই এশিয়ানদের মধ্যে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার কম হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। আর এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা তাদের গবেষণাকর্ম পরিচালনা করেন।
তারা গবেষণাগারে চাষ (কালচার) করা ক্যান্সার কোষের ওপর সয়াবিন থেকে পাওয়া সয়া আইসোফ্যাভোন ও হলুদ থেকে পাওয়া কুরকুমিন যৌথ ও আলাদা আলাদাভাবে প্রয়োগ করেন। তারা দেখতে পান, ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ ও স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটাতে সয়া আইসোফ্যাভোন ও কুরকুমিনের যৌথ প্রয়োগ আলাদা আলাদা প্রয়োগ করা অপেক্ষা অনেক বেশি কার্যকর।
বিজ্ঞানীরা বলেন, সয়াবিনে বিদ্যমান সয়া আইসোফ্যাভোন ও হলুদে বিদ্যমান কুরকুমিন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী নিউকিয়ার ফ্যাক্টর কাপ্পা বি-এর কার্যকারিতা বন্ধ করার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার প্রতিরোধে আমাদের সয়াবিন দিয়ে তৈরি খাবার ও কুরকুমিন-সমৃদ্ধ হলুদ খাওয়া উচিত। আমরা যদি প্রতিদিন অল্প পমিাণ কাঁচা হলুদ খাই তবে তা হতে পারে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারসহ সব ধরনের ক্যান্সার ও অন্যান্য জটিল রোগ প্রতিরোধের এক অনন্য হাতিয়ার।
সব প্রকার কপিজাতীয় সবজি প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক প্রোস্টেট ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তারের ওপর পরিচালিত এক গবেষণালব্ধ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা বলেন, কেউ যদি নিয়মিতভাবে সপ্তাহে অন্তত এক বেলা কপিজাতীয় সবজি (ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রোকলি) খায়, তবে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাবে। বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে কালচার (চাষ) করা প্রোস্টেট ক্যান্সার কোষের ওপর এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত বিভিন্ন প্রাণীদেহে কপিজাতীয় সবজির নির্যাস প্রয়োগ করার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে, কপিজাতীয় সবজিতে বিদ্যমান আইসোথায়োসায়ানেট নামে জৈব রাসায়নিক উপাদানটি প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
সাম্প্রতিককালে গবেষকেরা দীর্ঘ এক বছর ধরে মানব দেহেও কপিজাতীয় সবজির প্রোস্টেট ক্যান্সার-প্রতিরোধী কার্যকারিতার ওপর এক গবেষণাকর্ম পরিচালনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাকে মিষ্টি খাওয়ানোয় বাবাকে পেটাল ছেলে

অনলাইন ডেস্ক: ডায়াবেটিস আক্রান্ত স্ত্রীকে লুকিয়ে মিষ্টি খাইয়েছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধ। বিষয়টি জানতে পেরে বাবাকে চড়-থাপ্পড় মেরেছে ছেলে। সম্প্রতি কলকাতার অশোকনগর থানার বিল্ডিং মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনা স্থানীয় এক ব্যক্তি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে। মুহূর্তেই এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, চেহারার পাঞ্জাবি পরা বৃদ্ধের গলা ধরে গালে একটার পর একটা চড় মারছে ছেলে। বলছে, ‘কেন মাকে সন্দেশ খেতে দিয়েছো? জানো না, মায়ের মিষ্টি খাওয়া নিষেধ। আমাকে জিজ্ঞেস করোনি কেন?’ ভিডিওতে বৃদ্ধকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘ভুল হয়ে গেছে।’ তারপরও চড়-ধাপ্পড় মারা থামেনি।
খবর পেয়ে বুধবার বাড়িতে যায় পুলিশ। প্রতিবেশীদের অনুরোধে থানায় অভিযোগ করেছেন বৃদ্ধ মানিকলাল বিশ্বাস। এ দিনই গ্রেফতার করা হয় ছেলে প্রদীপ বিশ্বাসকে। প্রদীপ অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌরসভার অস্থায়ী কর্মী।
অশোকনগরের বিধায়ক ধীমান রায় জানান, ঘটনাটা তাকে জানিয়েছিলেন মানিকবাবু। পুলিশের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিধায়ক। কিন্তু সে সময়ে মানিক বলেছিলেন, ‘পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে ছেলেটাকে কষ্ট দিতে পারে। চাকরি-বাকরি নিয়ে টানাটানি হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মইনুল ও জাফরুল্লাহর জামিন স্থগিতের শুনানি সোমবার

দেশের খবর: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতের বিষয়ে শুনানির দিন আগামী সোমবার নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার এ নতুন দিন নির্ধারণ করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও ডা. জাফরুল্লাহের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মো. মাসুদ রানা, এ কে এম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানির কথা ছিলো। কিন্তু শুনানি না করে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে জানান, আমরা হাইকোর্টের জামিন আদেশের কপি হাতে পেয়েছি। এখন এ বিষয়ে নিয়মিত আপিল করতে চাই। তাই আবেদনটি আজ শুনানির জন্য নট টু ডে (আজ নয়) আদেশ দিন। এরপরে আদালত নট টু ডে আদেশ দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটির শুনানি পিছিয়ে ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। পরে এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মাসুদা ভাট্টি এবং জামালপুর আদালতে যুব মহিলা লীগের জামালপুর শাখার আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমীন লিটা ২০ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন। এই মামলায় আদালত পৃথকভাবে মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি করেন। এই আদেশের পর ওইদিনই হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন নেন মইনুল হোসেন। পরে সেই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে।

এ ছাড়াও গণ্যস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামে আশুলিয়া থানায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাছ চুরির ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জমি দখল, চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২৩ অক্টোবর রাতে নাসির আহম্মেদ, একই অভিযোগে ২১ অক্টোবর রাতে সেলিম আহম্মেদ, ১৯ অক্টোবর রাতে হাসান ইমাম ও ১৫ অক্টোবর রাতে মানিকগঞ্জের মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তি পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেছেন। সর্বশেষ গতকাল বুধবার রাতে কাজি মহিবুল নামের এক ব্যক্তি জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাছ চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে আরও একটি মামলা করেছেন। তবে ১৫, ১৯ এবং ২১ অক্টোবরের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন তিনি। এর মধ্যে একটি মামলায় তাঁর জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে পৃথক হামলায় নিহত ১৯

অনলাইন ডেস্ক: ইয়েমেনে পৃথক হামলায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির হোদেয়াহ প্রদেশের এক সবজি বাজারে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের বিমান হামলায় অন্তত ১০ কৃষক নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে পৃথক হামলা চালানো হয়। এতে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ অক্টোবর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবারের হামলার ব্যাপারে হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, হামলায় ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে আসছে। তাদের উদ্দেশ্য, দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ হিসেবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আবু রাব্বু মানসুর হাদির সরকারকে স্থিতিশীল করা। ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা হাদি সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে সিবিআইতে রদবদলে রাজনীতিতে তোলপাড়

বিদেশের খবর: ভারতে প্রধান তদন্তকারী সংস্থা সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (সিবিআই) রদবদলের ঘটনায় রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে সংস্থাটির দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে ছুটিতে পাঠানো হয়।
এ নিয়ে একজন ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধী দল কংগ্রেস বলছে, ফ্রান্সের সঙ্গে করা রাফাল চুক্তি আড়াল করতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও সরকার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সিবিআই প্রধান অলোক কুমার বার্মা এবং তার উপ-প্রধান রাকেশ আস্থানার মধ্যে শুরু হওয়া গোলমালের দিকে গোড়া থেকেই তীক্ষ নজর রেখেছিল দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। অলোক বার্মা এবং রাকেশ আস্থানা পরস্পরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। গোলমাল ক্রমশ বাড়ছিল। কিন্তু আস্থানার নেতৃত্বে গঠিত একটি বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) সদস্য তথা সিবিআই’র ডিএসপি দেবেন্দ্র কুমার গ্রেপ্তার হতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তীব্র অস্বস্তির মুখে পড়তে হয় সরকারকে। সিবিআইকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছে বিজেপি এবং এর জেরে বিজেপির তথা ক্যাবিনেটের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন সিবিআইকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে সমালোচনা শুরু করেন বিরোধীরা।

সরাসরি হস্তক্ষেপ করা ছাড়া উপায়ান্তর ছিল না প্রধানমন্ত্রীর মোদীর সামনে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১টা ৪৫ মিনিটে অলোক বার্মা ও আস্থানাকে ছুটিতে পাঠিয়ে নাগেশ্বরকে দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান অরুণ জেটলি। জেটলি বলেন, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং দেশের প্রধান তদন্তকারী সংস্থায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংহতি ধরে রাখতে এই পদক্ষেপ জরুরি ছিল। যতক্ষণ না তদন্ত শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ ছুটিতেই থাকবেন বার্মা ও আস্থানা।

কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী বলেছেন, রাফাল চুক্তির দুর্নীতি ঢাকতেই সরানো হয়েছে বার্মাকে। অন্যদিকে বার্মা এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং তার হাত থেকে দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সিবিআইকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়ার যে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট আগেই দিয়েছিল, সরকারের এই হস্তক্ষেপ সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে যাচ্ছে বলে বার্মার দাবি। সরকারের পক্ষ থেকে অরুণ জেটলি অভিযোগ নাচক করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি গতকাল টুইটার বার্তায় সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, সিবিআই এখন ‘বিজেপি ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (বিবিআই)’ পরিণত হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা ও এনডিটিভি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest