সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

শীতে হাত-পায়ের যত্ন নিবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক: প্রকৃতিতে হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করেছে। শীত আসার আগমনী গান গাইছে প্রকৃতি। শীতে শরীরের উষ্ণতা কমে গিয়ে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। পুরো ত্বকের যত্ন তো নিতে হবেই, হাত-পায়ের নিতে হবে একটু বাড়তি যত্ন।

১. শীতে ত্বক রুক্ষ হয়ে কুঁচকে যেতে পারে। এতে করে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। হাতের ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখতে তাই নিতে হবে বিশেষ যত্ন। এর জন্য প্রথমে ১ টেবিল-চামচ দারুচিনি গুঁড়া, ১ টেবিল-চামচ জায়ফলের গুঁড়া, ২টা ডিমের কুসুম ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি হাতের ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট রেখে দিনি। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

২. শীতে হাতে কালো দাগ পড়তে পারে, আঙুলের ভাঁজে কড়া দাগ পড়তে পারে। এসব দাগ তুলতে প্রথমে ময়দা ২ টেবিল চামচ, চিনাবাদাম পেস্ট ১ চা-চামচ পানিতে মিশিয়ে প্যাক তৈরী করুন। প্যাকটি হাতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. হাতের মতো শীতে পায়েও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতে পা ফেঁটে যেতে পারে। পায়ের গোড়ালির কোষ মরে যাওয়াও একটি বড় সমস্যা যা শীতে হয়ে থাকে। এসব সমস্যা সমাধানে কুসুম গরম পানি ১ বাটি, লবণ ১ আধা চা চামচ, ১ চা-চামচ শ্যাম্পু, অলিভ অয়েল ১ চা-চামচ মিশিয়ে ওই পানিতে ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রেখে নি। পরে ঝামা দিয়ে ভালো করে পায়ের গোড়ালি ঘষতে হবে। এতে মরা কোষ দূর হবে। এতে পা মসৃণ এবং সুন্দর দেখাবে।

৪. প্রতিরাতে হাত-পা পরিষ্কার করতে হবে। বাজারে ভালোমানের যেসব ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায় তা মাখুন। পা ফেঁটে গেলে গ্লিসারিন মাখতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডা. জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে এবার মাছ চুরির মামলা

অনলাইন ডেস্ক: গণ্যস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে এবার মাছ চুরির মামলা করা দায়ের হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে আশুলিয়া থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন কাজি মহিবুল নামের এক ব্যক্তি।
মামলায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজনসহ কয়েক জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মালিকানাধীন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে কাজি মহিবুলের ১৯ একর জমি রয়েছে। তিনি ওই জমিতে দীর্ঘদিন যাবৎ মাছ চাষ করে আসছেন। তবে বেশ কিছু দিন যাবৎ জাফরুল্লাহর লোকজন জমিটি দখলের চেষ্টা করছিলেন ও জমির মালিককে মোটা অংকের চাঁদার দাবিতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এছাড়াও ওই ব্যক্তির পুকুর থেকে জাফরুল্লাহ তার লোকজনদের দিয়ে মাছ চুরি করিয়ে নিয়েছেন।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ ।
এর আগে গণ্যস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের এই সদস্যের নামে চাঁদাবাজি ও জমি দখলসহ একাধিক অভিযোগে গত (২৩ অক্টোবর) মঙ্গলবার রাতে নাসির আহম্মেদ, একই অভিযোগে (২১ অক্টোবর) রবিবার রাতে সেলিম আহম্মেদ, শুক্রবার(১৯ অক্টোবর) রাতে হাসান ইমাম ও সোমবার(১৫ অক্টোবর) রাতে মানিকগঞ্জের মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তি পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসপাতালে ভর্তি চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা

বিনোদনের খবর: ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। বুধবার দিবাগত রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পূর্ণিমার স্বামী আহমেদ ফাহাদ জামাল।
তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল পূর্ণিমা। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে জানা যায় ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত সে। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুইদিন আইসিইউতেও ছিল।’

স্ত্রী পূর্ণিমার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ফাহাদ জামাল। তিনি বুধবার রাতে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে আরও জানান, চিকিৎসকরা ভয়ের কিছু নেই বলে জানিয়েছেন। তবে দুই সপ্তাহ তাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন পূর্ণিমা। এরপর তিনি কাজ করেছেন ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, ‘যোদ্ধা’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘শাস্তি’, ‘শোভা’, ‘মেঘের পর মেঘ’সহ বহু ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত সিনেমায়।

কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ ছবির জন্য ২০১০ সালে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন গুণী এ অভিনেত্রী। বর্তমানে সিনেমার অভিনয় থেকে বিরতিতে রয়েছেন। তবে সরব রয়েছেন উপস্থাপনা ও ছোট পর্দার অভিনয়ে।

২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ ফাহাদ জামালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী পূর্ণিমা। তাদের সুখের দাম্পত্য জীবন আলোয় ভরিয়ে রেখেছে একমাত্র কন্যা আরশিয়া উমাইজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শচীনের রেকর্ড ভেঙ্গে ওয়ানডে দ্রুততম ১০ হাজার রান কোহলির

খেলার খবর: মাঠে নামলেই এখন কোন না কোন রেকর্ড গড়ছেন বিরাট কোহলি৷ বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও নতুন নজির গড়লেন কোহলি ৷ ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ১০ হাজার রানের মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন তিনি ৷ ভাঙলেন নিজের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ৷
২০০১ সালে একদিনের ক্রিকেটে ১০ হাজার রান করেন শচীন টেন্ডুলকার। এর ১৭ বছর পর এই কীর্তি গড়লেন কোহলি৷ এবার কোহলি ছাপিয়ে গেলেন শচীন টেন্ডুলকারকেও। শচীনের এই রেকর্ড গড়তে লেগেছিল ২৫৯ টি ইনিংস। ২০০১ সালের ৩১ মার্চে ইন্দোরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই মাইলস্টোন ছুঁতে সফল হন মাস্টার ব্লাস্টার ৷ সেই সসময় তার বয়স ছিল ২৭ বছর ৷
বিরাটের শচীনকে টপকে যেতে লাগল ২০৫ ইনিংস ৷ অর্থাৎ শচীনের থেকে ৫৪ ইনিংস কম খেলেই ওয়ান ডেতে এই কীর্তি গড়তে সফল কোহলি ৷ এই রেকর্ডের পাশাপাশি এদিন আরও একটি শতরান করেন বিরাট ৷ ওয়ানডেতে এই নিয়ে ৩৭টা সেঞ্চুরি করা হয়ে গেল ভারত অধিনায়কের ৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৃতীয় স্ত্রীর কন্যাকে চতুর্থ স্ত্রী দাবি করে আটক ১৩ সন্তানের বাবা

অনলাইন ডেস্ক: বরিশালের মুলাদী উপজেলার খালাসিরচর গ্রাম থেকে আমিনুর ব্যাপারী (৫২) নামে এক ভন্ড ফকিরকে আটক করেছে পুলিশ। আমিনুর ব্যাপারী তার তৃতীয় স্ত্রীর আগের ঘরের এক কন্যাকে চতুর্থ স্ত্রী দাবি করে আদালতে মামলা করার পর বুধবার বিকেলে সেই কন্যাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বেড়িয়ে আসে ভন্ড ফকিরের আসল চরিত্র।
এ সময় তার আস্তানা থেকে একটি ছুরি, একটি চাপাতি, রামদা, দা এবং বিপুল পরিমাণ ফকিরগিরির বিভিন্ন বই উদ্ধার করে পুলিশ। ১৩ সন্তানের জনক আমিনুর ওই গ্রামের মৃত মুজাহার বেপারীর ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে ঝাড় ফুঁকের নামে এলাকায় প্রতারণা চালিয়ে আসছিলো। আমিনুরের ঘরে তিন জন স্ত্রী ছাড়াও আগে তিনটি বিয়ে করেছেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ওসি জিয়াউল আহসান বলেন, স্ত্রী ইয়াসমিনের সঙ্গে আগের স্বামী আলাউদ্দিন বেপারীর ঔরসের কন্যা লামিয়া খানমকে নিয়ে নিজের বাড়িতে বসবাস করে আসছিল আমিনুর। লামিয়া ধীরে ধীরে বড় হলে তার ওপর কুনজর পড়ে তার। কন্যাকে ভন্ড স্বামীর হাত থেকে রক্ষা করতে ইয়াসমিন এক বছর আগে লামিয়াকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। এ অবস্থায় আমিনুর প্রতারণার মাধ্যমে আদালতের একটি এফিডেভিট দেখিয়ে স্ত্রী ইয়াসমিনের কন্যা লামিয়াকে চতুর্থ স্ত্রী দাবী করে।
গত ১৪ আগস্ট লামিয়াকে পাওয়ার জন্য বরিশাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করে আমিনুর। আদালত কাগজপত্রের সূত্রে লামিয়াকে উদ্ধার করে আমিনুরের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য মুলাদী থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়। লামিয়াকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার মা ইয়াসমিনের কথায় বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল।
ইয়াসমিন পুলিশকে জানান, আমিনুরের তিনজন স্ত্রী থাকার পর তার কন্যা লামিয়াকে বিয়ের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এর প্রতিবাদ করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার হুমকি দেয় সে।
ওসি জিয়াউল আহসান বলেন, প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পুলিশ তাকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার ২১ বছরের যুবক

অনলাইন ডেস্ক: ২১ বছরের এক যুবকের বিকৃত যৌন লালসার শিকার হতে হল ১০০ বছরের এক বৃদ্ধাকে। ‌ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি বিভাগের নদিয়ার চাকদহে। অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন নির্যাতিতার আত্মীয়রা। এরপর পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাকদহের চাকুরিয়া গঙ্গাপ্রসাদপুরে থাকেন অশীতিপর সেই বৃদ্ধা। মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। সেই সুযোগে তার ঘরে ঢোকে বছর একুশের এক যুবক। সে আবার ওই বৃদ্ধারই প্রতিবেশী। ঘরে ঢুকে সেই বৃদ্ধাকে যুবকটি ধর্ষণ করে। বৃদ্ধার আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন অন্য প্রতিবেশীরা।

প্রতিবেশীরা জানান, ঘটনাস্থলে এসে তারা দেখেন ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থা পড়ে রয়েছেন ওই বৃদ্ধা। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। অভিযুক্ত যুবককেও হাতেনাতে ধরে ফেলেন তারা। খবর দেওয়া হয় থানায়। এরপর বৃদ্ধার প্রতিবেশী সেই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে, ১০০ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গেছে চাকদহের চাকুরিয়ার গঙ্গাপ্রসাদপুরে। কেন এমন কাণ্ড ঘটাল বছর একুশের সেই যুবক? তা বুঝে উঠতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৭৩ জন কর্মকর্তা উপ-সচিব হলেন

অনলাইন ডেস্ক: জনপ্রশাসনে ২৭৩ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০৪ জন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা বাকি ৬৯ জন অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তা। এবারের পদোন্নতিতে ২৫তম ব্যাচ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতি সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি করা হয়।
এনিয়ে বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষভাগে অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব এবং উপ-সচিব পদে তিন স্তরের পদোন্নতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারিবারিক দুর্নীতি রোধে কঠোর আইন আসছে

দেশের খবর: পারিবারিক দুর্নীতি রোধে কঠোর আইন আসছে। অবসরে যাওয়ার দুই বছরের মধ্যে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন না। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ছেলেমেয়ে, স্ত্রী ও ভাইবোন ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো দরপত্র ও নিয়োগসহ কোনো কাজে অংশ নিতে পারবে না।
বিচারক বাবা তার আইনজীবী সন্তানের মামলা শুনানি করতে পারবে না। মন্ত্রণালয়ের সচিবের অনুমোদনে পাওয়া কোনো কোম্পানির পরিচালক হতে পারবে না তার স্ত্রী। এমন সব বিধান রেখে ‘স্বার্থ সংঘাত প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এই আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

মতামত নিতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে খসড়াটি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পাশাপাশি আইনটি দুদক আইন-২০০৪ এর তফসিলভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অনুরোধ করেছে দুদক।

এ প্রসঙ্গে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বুধবার বলেন, দুদকের শীর্ষ কর্তাব্যক্তির চিন্তা থেকে আইনের খসড়াটি করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে পারিবারিক অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে স্বজনপ্রীতি করার সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী, সন্তান, ভাইবোনসহ নিকটাত্মীয়রা দফতরে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করেন। এসব অনিয়ম বন্ধ হবে। তিনি আরও বলেন, আইনে সুনির্দিষ্ট কিছু না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা যায় না। আইনটি দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্তে ব্যবহার করা হবে।

খসড়ায় যা রয়েছে: খসড়ায় স্বার্থ-সংঘাত বলতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী বা নিয়োজিত পরামর্শক বা উপদেষ্টাদের প্রভাবিত করতে পারে এমন বিষয় বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, ‘ক’ একটি প্রকল্পে নিয়োজিত থাকাকালে তার পুত্র ‘খ’ ওই প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কাজ না পেলেও ‘ক’-এর বিরুদ্ধে স্বার্থ-সংঘাতের অভিযোগ আনা হবে।

চিকিৎসকের অপরাধের বিষয়ে খসড়ায় উদাহরণ দিয়ে বলা হয়- ‘ক’ একটি হাসপাতালের চিকিৎসক। কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছ থেকে ফ্ল্যাট নেয়ার বিনিময়ে বা কমিশনে বা অন্য কোনো কারণে ‘ক’ ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার জন্য রোগীদের পাঠালে এবং পাঠানোর তথ্য প্রমাণিত হলে ‘ক’ এবং ওই ডায়াগনস্টিকের মালিককে এ আইনের আওতায় অভিযুক্ত করা হবে। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অন্য কারও কাছে পাঠালে ‘ক’ দোষী হবেন না।

খসড়ায় বলা হয়- অবসরের পর দুই বছরের মধ্যে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কমিটি বা সাবকমিটি বা কোনো পরামর্শক সভায় সরকারি কর্মকর্তা নিয়োজিত হতে পারবেন না। এটি হলে স্বার্থ-সংঘাত বিরাজ করবে বলে ধরে নেয়া হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে- ‘ক’ এনবিআরের চেয়ারম্যান থাকাকালে বিভিন্ন এনজিওকে কর অবকাশ প্রদানের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে। অবসরে যাওয়ার পর ১৫ মাস পর ‘ক’ একটি এনজিওতে যোগদান করে। অবসরের আগে প্রণীত নীতিমালায় এনজিওটি কর অবকাশ পেলে ‘ক’- এর নিয়োগে স্বার্থ-সংঘাত বিরাজ করবে। অর্থাৎ ‘ক’ এই আইনের আওতায় অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

অপরাধের ধরন তুলে ধরে খসড়ায় বলা হয়- যেমন সরকারি দফতরে চাকরিকালে ‘ক’ ওই দফতরের প্রকল্প পরিচালনাকারী বেসরকারি ফার্মের অবকাশ যাপন কেন্দ্রে সপরিবারে বিনা খরচে অবকাশ যাপন করলে ‘ক’ এবং ওই ফার্মের অংশীদাররা এই আইনের আওতায় অপরাধী হবে। ‘ক’ একটি নিয়োগ কমিটির সদস্য থাকাকালে তার পুত্র ‘খ’ নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে এবং ওই তথ্য গোপন করা হলে ‘ক’ এ আইনের আওতায় অপরাধী হবেন।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ‘ক’-এর স্ত্রী ‘খ’ একটি তেল কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার। ওই তেল কোম্পানির সঙ্গে ‘ক’ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে চুক্তি করলে এবং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক জেনেও চুক্তি বাতিল না করলে ‘ক’ এবং কর্মকর্তারা এই আইনের আওতায় অভিযুক্ত হবেন।

অপরাধের শাস্তি: কোনো ব্যক্তি এই আইনের কোনো ধারা লঙ্ঘন করলে তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা অপরাধের গুরুত্ব অনুসারে উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর বিধানে যা-ই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধগুলো আমলযোগ্য এবং জামিনযোগ্য হবে। এ আইনে শাস্তির কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই- এমন কোনো ধারা বা বিধান লঙ্ঘন করলে, লঙ্ঘনে সহায়তা করলে অথবা লঙ্ঘনে কাউকে প্ররোচিত করা হলে তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest