সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে শুরুতেই ফিরলেন শান্ত-মিথুন

খেলার খবর: এশিয়া কাপের সুপার ফোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং নেমেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ।
ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত রেখে ফিরলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিথুন। ২ বলে ১ রান মিখুন এবং ১৮ বলে ৬ রান করে ফিরেছেন শান্ত। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাশরাফির দলের সংগ্রহ ৭ ওভারে ২ উইকেটে ৩২ রান।
সুপার ফোর পর্বে রবিবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে একাদশে দুইটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। একাদশে ঢুকেছেন ইমরুল কায়েস ও নাজমুল ইসলাম অপু। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের পরিবর্তে ইমরুল কায়েসকে একাদশে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, রুবেল হোসেনের পরিবর্তে একাদশে রাখা হয়েছে নাজমুল ইসলাম অপুকে। এই ম্যাচের মাধ্যমে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হচ্ছে স্পিনার অপুর।

বাংলাদেশ একাদশ
লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, সাকিব আল হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিথুন, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন ‍মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম অপু, মোস্তাফিজুর রহমান।

আফগানিস্তান একাদশ
মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), ইহসানুল্লাহ, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদি, আসঘার আফগান (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নবী, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, গুলবদিন নাইব, রশীদ খান, মুজিব উর রহমান, আফতাব আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ‘বাংলাদেশ ভবন’

অনলাইন ডেস্ক: কলকাতা থেকে শান্তিনিকেতনে বেড়াতে এসেছিলেন যাদবপুরের বাপুজিনগরের বাসিন্দা ভারতী পাল। কিন্তু অন্যদের কাছে নবনির্মিত বাংলাদেশ ভবনের নাম শুনেই আর ধৈর্য্য ধরতে পারলেন তিনি।
প্রবল আগ্রহ নিয়েই শনিবার বাংলাদেশ ভবন পরিদর্শন করতে এসেছিলেন ষাটোর্দ্ধ ওই নারী। আর জাদুঘরে প্রবেশের পরই পুরনো স্মৃতি উসকে দিল ভারতী দেবীকে। তবে বাংলাদেশে জন্ম হলেও বয়স কম থাকার কারণে সেভাবে বাংলাদেশকে মনে নেই তার। ফলে কিছুটা দুঃখও আছে তার মনে।
এদিন দুপুরের দিকে জাদুঘরে ঢুকেই দেয়ালে টাঙানো বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি ছবির দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে ছিলেন ভারতী দেবী। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের পেপার কাটিং।
তিনি বললেন, আমার জন্ম বাংলাদেশে, কিন্তু তখন বোঝার মতো বয়স না থাকার কারণে বাংলাদেশকে সেভাবে মনে নেই। এটাই আমার দুঃখ যে আমি বাংলাদেশকে সেখাবে দেখে আসতে পারিনি। আর এখন বোঝার বয়স হয়েছে কিন্তু যাওয়ার কোন সুযোগ-সময় নেই। আজ সেই বাংলাদেশকে সামনে দেখে মন ছুঁয়ে যাচ্ছে।
ভারতী দেবীর সাথেই এসেছেন তার মা যাদবপুরের সুলেখার বাসিন্দা আশি বছর বয়সী নারী অন্নপূর্ণা কুণ্ডু। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর ১৯৬২ সালে পরিবারের সাথে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসেন তিনি।
তিনি জানান, আমাদের প্রত্যেকেরই শিকড় রয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে। বাংলাদেশ ভবনে এসে আগের কথা সব মনে পড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভবন যে দেখতে পারবো এটাই কখনও ভাবিনি।
তবে কেবল অন্নপূর্ণ বা ভারতী দেবীরাই নয় পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত এই ভবনটি এখন পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতির ক্ষেত্রে এক অভিনব নিদর্শন হল এই বাংলাদেশ ভবন। গত ২৫ মে ভারত ও বাংলাদেশ-উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। এই ভবনের দুইটি প্রধান আকর্ষণ বিন্দু হল গ্রন্থাগার এবং সংগ্রহশালা বা জাদুঘর। গ্রন্থাগারটি সকলের জন্য আগেই খুলে দেওয়া হলেও গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাদুঘরের দরজাও সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
শান্তিনিকতেন গড়ে ওঠা বাংলাদেশ ভবনটিতে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে থাকাকালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত কবিতা, গান ও বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিসহ বাংলাদেশের ইতিহাস রাখা হয়েছে। ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের ইতিহাস।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ডাকটিকিট, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকারের একাধিক নির্দেশন রয়েছে এখানে। এছাড়াও সুলতান যুগের বিভিন্ন মুদ্রা, ব্রিটিশ আমলের মুদ্রা, পনেরো-ষোল শতকের মাটি খনন করে প্রাপ্ত টেরাকোটার মূর্তিসহ একাধিক মূল্যবান প্রত্মতাত্মিক নির্দশন রয়েছে এখানে।
ভবনটির মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন করে চেনার দরজা খুলে গেছে বলে মনে করেন এখানে ঘুরতে আসা কলকাতার বাসিন্দা ঝিলাম গুপ্ত।
তিনি জানান, এই ভবন এক কথায় অসাধারণ। ভারতের সংস্কৃতির সাথে বাংলাদেশের সংস্কৃতির খুব একটা পার্থক্য নেই। প্রায় একই ধরনের। তবুও সেটাকেই আবার নতুন করে দেখাটা সত্যিই খুব সুন্দর। তবে পুরোনো দিনের শিল্প প্রদর্শনের সমাহার আরও বেশি হলে ভালো হয় বলে অভিমত তার।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে গর্ব করেছেন অভিনেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব চৈতালি দাশগুপ্ত।
ভবন পরিদর্শনের পর তিনি জানান, খুলনায় আমার মামার বাড়ি, টাঙ্গাইলে শ্বশুর বাড়ি। বাংলাদেশে আমি বহুবার ঘুরে এসেছি। কিন্তু এই ভবন দেখে আমার মনে হচ্ছে এক খণ্ড বাংলাদেশই আমি দেখছি।
শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতি বিজরিত জায়গা, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস যেভাবে এখানে স্থান পেয়েছে তা সত্যিই সুন্দর। সবমিলিয়ে তথ্যবহুল একটা জায়গা বলা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশকে জানতে বা চিনতে এই ভবনের কোন বিকল্প নেই।
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজকলি সেন জানান, ‘বাংলাদেশকে জানতে হলে বা গবেষণা করতে গেলে বাঙালিকে শান্তিনিকতনের বাংলাদেশ ভবনে আসতেই হবে।’ তার অভিমত বাংলাদেশ সম্পর্কিত এ রকম গ্রন্থাগার ভারতে আর নেই।
জাদুঘর নিয়েও আগ্রহের শেষ নেই দর্শকদের মধ্যে। উপাচার্য জানান, এক সপ্তাহ আগে যেদিন জাদুঘরের দরজা সকলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল ওই দিনই প্রায় ২৫০ এর বেশি দর্শক সেটি দেখতে আসেন। এ থেকেই পরিস্কার যে মানুষের মধ্যে ভালো সাড়া পড়েছে।
তিনি আরও জানান, জাদুঘরটিতে অবিভক্ত বাংলার প্রায় তিন হাজার বছরের পুরানো ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। সেই থেকে শুরু করে ভারত ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ ও শিলাইদহের ইতিহাস স্থান পেয়েছে এখানে। সব মিলিয়ে মানুষ খুবই আনন্দ পাচ্ছেন এবং গবেষকরাও যদিও এতে উপকৃত হন, তবে সেখানেই এই ভবন নির্মাণের সার্থকতা।
বাংলাদেশ ভবনকে সার্থক করে তুলতে দুই দেশের শিল্পী, গুণীজনদের নিয়ে মত বিনিময়, আলোচনা সভা, বাংলাদেশ উৎসবের আয়োজন করা উচিত বলেও মনে করেন উপাচার্য।
তবে জাদুঘরটিতে প্রতিটি জিনিসই যে স্থান পেয়েছে তা নয়, এটিকে আরও ভালো করে সাজিয়ে তুলতে বা সমৃদ্ধ করতে আরও দুষ্প্রাপ্য জিনিস বাংলাদেশ নেওয়া হলে বলে জানা গেছে।
জাদুঘরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুদর্শনা সেন জানান, ‘এখানে যারা আসছেন, প্রত্যেকেই একটা শ্রদ্ধা নিয়ে আসছেন। তারা প্রত্যেকে ভালোবেসে আসছেন।’ তার অভিমত বাংলাদেশ যেভাবে ভাষাকে সম্মান দিয়ে বা শ্রদ্ধার সাথে রেখেছে কিংবা বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে যেভাবে সকলের সামনে প্রদর্শন করছে-সেটা একটা গর্বের বিষয়।
বাংলাদেশ ভবন নিয়ে খুব ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই ভবনের চিফ কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনই (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শিক্ষামূলক ভ্রমণে এসেছিল স্থানীয় চাঁদপাড়া স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী ও বাংলাদেশ থেকে প্রথমদিন ২৫০ জনের মতো দর্শক পেয়েছি এবং প্রত্যেকেই আপ্লুত।’
মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভবনের গ্রন্থাগার ও জাদুঘর-দুইটিই অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আপাতত সচিত্র পরিচয় পত্র দেখিয়েই প্রবেশ করা যাবে এই ভবনে। গ্রন্থাগারে বসেই বই পড়ারও সুযোগ থাকছে যদিও এখনই কোন বই বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইস্যু করা হবে না। এই মুহূর্তে গ্রন্থাগারটিতে ৩০৭৪টি বই থাকলেও বাংলাদেশ সরকার আরও অতিরিক্ত তিন হাজার বই দেবে বলে জানিয়েছেন মানবেন্দ্র।
তার অভিমত বাংলাদেশ বিষয়ক এতগুলো বই পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতে খুবই দুর্লভ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে কেউ যদি অবহিত করতে চান-তাদের কাছে এই গ্রন্থাগারটি অত্যন্ত বড় জায়গা। যদিও ভবনের ক্যাফেটারিয়া এখনই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে না।
আগামী দিনে টেন্ডারের মাধ্যমে এই ক্যাফেটারিয়ার দায়িত্ব কোন সংস্থাকে খুলে দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
তবে বাংলাদেশ ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে এখনই কোন প্রবেশমূল্য না থাকলেও ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণে দুর্গোৎসবের পরই প্রবেশমূল্য ধার্য করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও ভবনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন আর্থিক সহায়তা করা হচ্ছে পাশাপাশি অর্থ বরাদ্দের জন্য ভারত সরকারের কাছেও আর্জি জানানো হতে পারে জানিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
বুধ ও বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির দিন এবং সরকারি ছুটির দিন বাদে অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকবে এই ভবন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে আসাদুজ্জামান বাবু’র মতবিনিময় সভা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর ও পৌর কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক স ম তাজমিনুর রহমান টুটুল, পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক শামছুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক শাহ মোঃ আনারুল, সদস্য সচিব বাসুদেব সিংহসহ কৃষকলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এসময় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, দেশের চলমান উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে কোন মূল্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় আনতে হবে। তা না হলে ওই স্বাধীনতা বিরোধীরা যদি ক্ষমতায় আসীন হয় তাহলে দেশের উন্নয়ন থেমে যাবে। মানুষ অশান্তি থাকবে। তাই আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে নৌকা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে। আর এ বিজয় নিশ্চিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাছাই হলো সেরা দশ সুন্দরী

অনলাইন ডেস্ক: আবারো শুরু হয়েছে বিশ্বসুন্দরী অন্বেষণের আয়োজন। এতে এবারো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৮’। গেল ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে কার্যক্রম।
অন্তর শোবিজের আয়োজনে এফডিসিতে মনোরম সেট তৈরি করে হয়েছে সুন্দরী বাছাই পর্ব। এরইমধ্যে হাজারো প্রতিযোগী থেকে সেরা ১০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। এই ১০ জন থেকেই খুঁজে নেয়া হবে সেরা সুন্দরীকে। তিনি অংশ নেবেন বিশ্বসুন্দরী বাছাইয়ের মূল পর্বে।
গেল শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর এফডিসিতে শুটিং হয়েছে সেরা দশজনকে নিয়ে পর্ব। সর্বশেষ টিকে থাকা ১৬ জন থেকে ১০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুরো বাছাই আয়োজন ডিজে সনিকা ও আরজে নিরবের উপস্থাপনায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হবে। প্রচারের সময় রাত ৯ টা থেকে ১০ টা প্রতিদিন। সেরা দশজন বাছাইয়ের পর্বটিও দেখা যাবে এই আয়োজনের অংশ হিসেব।
এবারে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শুভ্রদেব, মডেল ও অভিনেত্রী তারিন, মডেল ও অভিনেতা খালেদ সুজন, মডেল ইমি, ব্যরিস্টার ফারাবী। অডিশন রাউন্ড থেকে পুরো প্রতিযোগিতায় তারাই বিচারকার্য পরিচালনা করবেন। তবে গ্র্যান্ড ফিনালেতে আইকন বিচারকরা যোগ দেবেন।
এই আয়োজন থেকে উঠে আসা বিজয়ীকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে পাঠানো হবে মিস ওয়ার্ল্ডের চূড়ান্ত পর্বে। তিনি ৭ ডিসেম্বর চীনে মূল পর্বে যোগদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় যাওয়ার আগে প্রায় তিন মাসব্যাপী নির্বাচিত প্রতিযোগীকে গ্রুমিং করানো হবে বলে জানান অন্তর শোবিজের কর্ণধার স্বপন চৌধুরী।
অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় নাম পাঠাতে হয়। তাই আমরা এবারের আয়োজন ১৬ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে চাই।’
গত বছর মিস ওয়ার্ল্ড-এ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন জেসিয়া ইসলাম। মূল আসরে সেরা ৪০ পর্যন্ত পৌঁছান তিনি। সেই আসরে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট মাথায় তোলেন ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানুষী চিল্লার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসন বাড়লেও কমেছে এমবিবিএস ভর্তিচ্ছুর সংখ্যা

দেশের খবর: রাজধানীসহ সারাদেশে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও আসন সংখ্যা বাড়লেও কমেছে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তিচ্ছু ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা। গত বছর সরকারি ৩১টি মেডিকেল কলেজের ৩ হাজার ৩১৮টি আসনে ভর্তির জন্য মোট ৮২ হাজার ৭৮৮ শিক্ষার্থী আবেদন করেন।
এদিকে নেত্রকোনা, নওগাঁ, নীলফামারী, চাঁদপুর ও মাগুরায় নতুন সরকারি পাঁচটি মেডিকেল কলেজের প্রতিটিতে ৫০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া পুরোনো অন্য সরকারি মেডিকেল কলেজে নতুন করে মোট ৫০০ আসন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে মোট ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৪০৬৮টি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর এমবিবিএস প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়। চলতি বছর মোট আবেদনপত্র জমা পড়েছে ৬৫ হাজার ৯১৩টি। গতবারের চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৭৫ জন কম।
চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ বলেন, অপেক্ষাকৃত কম খরচে অধিক সংখ্যক মেধাবি শিক্ষার্থীর সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশুনার সুযোগ করে দিতে নতুন পাঁচ সরকারি মেডিকেল কলেজ খোলা ও পুরোনো মেডিকেল কলেজে ৫০০ আসন বাড়ানো হয়েছে। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি ফি ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা লাগলেও সরকারি মেডিকেল কলেজে নামমাত্র খরচে পড়াশুনা করার সুযোগ পান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরোনো ৮টি সরকারি মেডিকেল ঢাকা, সলিমুল্লাহ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও বরিশালে আসন বাড়ানোর ফলে এবার ২২০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ থাকবে।
আসন বাড়ায় চলতি বছর শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে ১৭৫ জন, খুলনা, বগুড়া, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে ১৬০ জন করে, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও যশোরে ৭০ জন করে, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জ, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, জামালপুর, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ও মুগদা মেডিকেল কলেজে ৬৫ জন করে ভর্তির সুযোগ পাবে। তবে হবিগঞ্জ, রাঙামাটি ও পটুয়াখালীতে আসন সংখ্যা বাড়েনি। এ তিনটি মেডিকেল কলেজে আগের মতো ৫১ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবেন।
সরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ও আসন বাড়লেও আবেদনকারীর সংখ্যা কমার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ বলেন, গত বছরের চেয়ে ১৬ হাজারেরও কম আবেদন জমা পড়েছে। চলতি বছর জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমার কারণে আবেদনকারীর সংখ্যা কম হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, আগামী ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

খেলার খবর: এশিয়া কাপের সুপার ফোরের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলে দুই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ওয়ানডেতে অভিষেক হচ্ছে স্পিনার নাজমুল হোসেন অপু। আর মোসাদ্দেক হোসেনের জায়গায় দলে এসেছেন ইমরুল কায়েস।
সুপার ফোরের ম্যাচে আজ হারলেই এবারের আসর থেকে বিদায় নিতে হবে বাংলাদেশকে। তাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোরের সবশেষ ম্যাচটি হয়ে যাবে নিয়মরক্ষার।

বাংলাদেশ একাদশ:
মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ এবং নাজমুল হোসেন অপু।

আফগানিস্তান একাদশ:
আসগর আফগান (অধিনায়ক), মোহাম্মদ শাহজাদ (উইকেটরক্ষক), ইসানুল্লাহ জানাত, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শাহিদি, শামিউল্লাহ শেনওয়ারি, মোহাম্মদ নবী, গুলবাদিন নাইব, রশিদ খান, মুজীর উর রহমান এবং আফতাব আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাক-ভারত সেনাবাহিনীর মধ্যে ফের উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হুমকি

বিদেশের খবর: সীমান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বে ভারত-পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে ফের উত্তেজনা শুরু হয়েছে। এই ইস্যুতে দুই দেশের বাহিনী কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছেন না। একে অপরকে পাল্টাপাল্টি হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় তিন পুলিশ সদস্য ও এক বিএসএফ সদস্য নিহতের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে ভারত।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী হামলার কড়া জবাব দেওয়া জরুরি বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত আছে বলে হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
ভারতের সেনাপ্রধান বলেছেন, ‘আমাদের জওয়ানদের উপর জঙ্গি ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনী যে বর্বরোচিত হামলা চালাচ্ছে, তার বদলা নেয়ার জন্য কড়া ব্যবস্থা জরুরি। পাকিস্তান যখনই সীমান্তে ভারতের বিরুদ্ধে কিছু করেছে, তখনই আমরা ওদের উপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছি। ওরা মে মাসে সংঘর্ষ বিরতির আবেদন জানায়। আমরা সেই আবেদন মেনে নেই। তবে ওরা যদি এ ধরনের আচরণ চালিয়ে যায়, তাহলে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ভারতের সেনাপ্রধানের এমন বক্তব্যের পাল্টা বক্তব্যও দিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গাফফার বলেছেন, ‘আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু পাকিস্তানি জনগণ, প্রতিবেশী ও এ অঞ্চলের স্বার্থে শান্তির পথে হাঁটতে চাই।’
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে চেয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যে চিঠি দিয়েছিলেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। তারা বলছে, ভারতীয় জওয়ানদের সঙ্গে পাক রেঞ্জার্সের সদস্যদের বর্বরতম আচরণের পর আলোচনার টেবিলে বসার কোনো অর্থ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যুবদল নেতাকে হত্যার অভিযোগে হাতি আটক

অনলাইন ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় যুবদল নেতা আজমল আলী শামীমকে হত্যার অভিযোগে হাতি ‘শের বাহাদুর’কে আটক করা হয়েছে। জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের ষাড়েরগজ পাহাড়ে বিচরণকারী হাতির আক্রমণে গত বুধবার রাতে নিহত হন শামীম। তবে এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
কুলাউড়া রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার রিয়াজ উদ্দিন জানান, যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনার পর গত বৃহস্পতিবার দক্ষ মাহুতের (হাতির চালক) সহায়তায় সাগরনালের লক্ষ্মীছড়া এলাকা থেকে খ্যাপাটে শের বাহাদুরকে নিয়ন্ত্রণ করে রাঙিছড়া এলাকায় নিয়ে আসা হয়। পরে হাতির মালিক কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ফরিদ আলীর কাছে শের বাহাদুরকে হস্তান্তর করা হয়।
খ্যাপাটে শের বাহাদুরসহ অন্য একটি মাদি হাতি পাঁচ-সাত দিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় বিচরণ করে তিনটি গাড়ি ভাঙচুরসহ ১০ জনকে আহত করে। সর্বশেষ তাদের আক্রমণের শিকার হন যুবদল নেতা শামীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest