সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

মেকআপ আর্টিস্ট হারুনের পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

বিনোদনের খবর: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া মেকআপ আর্টিস্ট কাজী হারুন ভিক্ষাবৃত্তি করছেন- এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয় সম্প্রতি। গণমাধ্যম থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাজী হারুন, ব্যবসা সফল ছবি ‘বেদের মেয়ে জোসনা’তে মেকাপম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। তার এমন পরিণতির খবর সাধারণ সিনেপ্রেমীরা মেনে নিতে পারছিলেন না।

গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর হারুনের পাশে দাঁড়ায় চেইনশপ ‘স্বপ্ন।’ কাজী হারুনকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকার বাজার দেবে ‘স্বপ্ন’। সোমবার নাট্যশিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ শিল্পী সংঘের উদ্যোগ নেওয়া হলে স্বপ্ন এগিয়ে আসে। আগামী এক বছরের জন্য এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

আহসানুল হক মিনু বলেন, সংবাদটি দেখার পর আমরা উদ্যোগী হই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করি। এরমধ্যে ‘স্বপ্ন’ প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকার বাজার দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। আমরা গতকাল হারুন সাহেবের হাতে সেই কাগজ দিয়েছি। এক বছর তিনি এই বাজার পাবেন।

চুক্তিনামাটি হারুনের হাতে তুলে দেওয়ার সময় হারুনের স্ত্রী মহুয়া আকতারও উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘হৃদয় থেকে হৃদয়’য়ে কাজের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ থেকে বিদায় নিলেন অর্থমন্ত্রী

দেশের খবর: আর সংসদ নির্বাচন করবেন না জানিয়ে মঙ্গলবার রাতে সংসদে দেয়া বক্তব্যকে শেষ বক্তব্য বলে সবার কাছ থেকে বিদায় নিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘আমি আর নির্বাচন করছি না। এ জন্য এটা আমার শেষ বক্তৃতা।’ তবে তিনি আর অর্থমন্ত্রীর মতো গুরুদায়িত্ব পালন না করলেও সংশ্লিষ্ট থাকবেন।
মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে তার সফলতার পেছনে দেশবাসীর অবদান রয়েছে বলে অকপটে স্বীকার করেন। অর্থমন্ত্রী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করার বিষয়ে সংসদের বাইরে একাধিকবার মন্তব্য করলেও এই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদে এ প্রসঙ্গে কথা বললেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই। আমার জীবনে যা করতে সক্ষম হয়েছি, তার প্রধান কারণ হলো মানুষের দোয়া। মানুষের দোয়াই আমাকে উৎসাহিত করেছে। আমি অবসরে যাচ্ছি, এটা ঠিক তবে চলে যাচ্ছি না। সংশ্লিষ্ট থাকবো। তবে অর্থমন্ত্রীর যে গুরু দায়িত্ব, তা আর পালন করছি না।’
দু’টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে আনীত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে শেখ হাসিনার মানের তিন থেকে চারজন প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন। তার সব ধ্যান-ধারণা জনকল্যাণে নিয়োজিত। এ রকম একজন নেতার অধীনে কাজ করে তাকে সহযোগিতা করাটা আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’

বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র অর্থমন্ত্রী যিনি সবচেয়ে বেশি বাজেট পেশ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে তাঁতীলীগের কর্মী সভা
শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ীতে বাংলাদেশ তাঁতীলীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় কাশিমাড়ীর শংকরকাটি বাজার চত্বরে অনুষ্ঠিত তাঁতীলীগের কর্মী সভার উদ্বোধন করেন শ্যামনগর উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র নেতা, উপজেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ নেতা স.ম আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ নেতা শেখ ফারুক হোসেন, শেখ নুরুজ্জাম টুটুল, শ্যামনগর তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সিনিয়ন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ নাজমুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মিসুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েদ বিন রিপন, দপ্তর সম্পাদক দেবাশীষ কুমার মালো, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন সভাপতি জি এম রাশিদুল ইসলাম, ভূরুলিয়া ইউনিয়ন সভাপতি আবুল হাসান, রমজাননগর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কাদের, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি স.ম রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন আলম পাড় প্রমুখ।
উক্ত অনুষ্ঠানে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন তাঁতীলীগের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটিতে হাফিজুর রহমান কে সভাপতি ও সাইফুল ইসলাম জিবন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা দেওয়া হয়।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাহবুবুর রহমান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাসুদা ভাট্টি যে এত শক্তিধর জানতাম না : তসলিমা

অনলাইন ডেস্ক : টেলিভিশনের টক শোতে লেখিকা মাসুদা ভাট্টিকে অশালীন আক্রমণের দায়ে দায়েরকৃত এক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মইনুল হোসেনকে। এদিকে মাসুদা ভাট্টির তীব্র সমালোচনা করে সোশ্যাল সাইটে দুদিন আগে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন প্রখ্যাত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন। মাসুদা ভাট্টি এরপর নিজের জবাব দিয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় আবারও একই ইস্যুতে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস লিখেছেন তসলিমা।

পাঠকদের জন্য নির্বাসিত এই লেখিকার স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো :
‘মাসুদা ভাট্টি যে এত শক্তিধর জানতাম না। কেউ তাকে একটা গালি দিল, বাহ ২০ কোটি টাকার মামলা ঠুকে দিল তার বিরুদ্ধে। আর সেই লোক, শুনেছি বিরাট কিছু, গ্রেপ্তার হয়ে গেল, তাকে এখন জেলের ভাত খেতে হচ্ছে। আমার মাথার মূল্য যে লোক ঘোষণা করেছে, যে আমাকে খুন করবে ঘোষণা করেছে, তার বিরুদ্ধে যদি আমি মামলা করতে যাই, পারবো? আমার কিছু বই বাংলাদেশ সরকার নিষিদ্ধ করেছে, বই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে এবং বাক স্বাধীনতার পক্ষে যদি সামান্য মামলাও করতে যাই , পারবো?’

‘পারবো না। কারণ আমাকে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয় না। আমি কোনো উকিলকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে পারি। তাই না? কিন্তু বাংলাদেশ সরকার কিছুতেই চায় না আমি কাউকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিই। কোনো উকিলকে নয়, নিজের বোনকেই অনেকগুলো বছর যাবত চেষ্টা করছি দিতে , বাংলাদেশের কোনো দূতাবাসই আমাদের পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ডকুমেন্ট সত্যায়িত করে না। আমাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা সরকারি সিদ্ধান্ত। আমি দেশে ফিরতে পারবো, আমার বই লোকে পড়তে পারবে না, আমি কোনো খুনীর বিরুদ্ধেও মামলা করতে পারবো না।’

‘লোকে কার পক্ষে থাকে? ক্ষমতার পক্ষে নাকি অনাথের পক্ষে? অবশ্যই ক্ষমতার পক্ষে। তাই আছেও সেরকম। ক্ষমতা অন্যায় করলেও ক্ষমতাকে ‘ভিক্টিম’ সাজানো হয়েছে। অনাথের সব দোষ। অনাথ কেন সত্যটা বলে দিল, কেন অসময়ে হাটে হাঁড়ি ভাংলো? সরকারি লোকেরা এক পক্ষ। বিশাল সেই পক্ষ। অন্যদিকে আমি একা। সরকার বিরোধী লোকেরা আমার পুরোনো শত্রু। তারাও তো এককালের সরকার। কোনো তফাত নেই ওদের আর তাদের ভেতর। সবাই তসলিমা-বিরোধী।’

‘মাসুদা ভাট্টি নামক ক্ষমতাবান আমার সত্য ফাঁসের ‘জবাব’ দিয়েছে। জবাব তো নয়, আবারও এক রাশ মিথ্যের কলস উপুড় করেছে। আমি তাকে আমার পাবলিশার হিসেবে নাকি ফ্যান হিসেবে পরিচয় করিয়েছি, বড় ব্যাপার নয়। সে আমার পাবলিশারও নয়, ফ্যানও নয়। আমাকে দিয়ে মিথ্যে বলিয়ে নিয়েছে নিজের স্বার্থের জন্য। সবচেয়ে বড় যে মিথ্যেটি ছিল, সেটি হলো ‘সে বাংলাদেশে ফিরে গেলে তাকে মৌলবাদিরা মেরে ফেলবে’ — এই মিথ্যে বাক্যটির কারণে সে ব্রিটেনে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম পেয়েছিল।’

‘তখন তার পক্ষে নাকি সাংবাদিকরা দাঁড়িয়েছিল, তবে কারও দাঁড়ানোর জন্য কিন্তু তার পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম হয়নি, হয়েছে আমার চিঠির কারণে। ইনিয়ে বিনিয়ে নানা কথা বললো, এই সত্যটা কিন্তু বললো না। ব্রিটেনে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার পর আমাকে কিন্তু কোনো ধন্যবাদও দেয়নি। দেবে কেন, আমার পিঠে ছুরি বসাবার জন্য তখন তো ছুরি শানাতে ব্যস্ত ছিল। উপকারীর উপকার স্বীকার করতে তার ইচ্ছে তো হয়ই না, বরং অপকার করতে ইচ্ছে হয়।’

‘এই উপকারের কথা উল্লেখ করার প্রয়োজন অনুভব করতাম না, যদি বদমাইশি না করতো। ক্ষতিকর লোকদের চিহ্নিত করতে হয় সর্ব সাধারণের মংগলের জন্য। অপ্রেসর এখন চমৎকার ভিক্টিম রোল প্লে করছে। বলছে আর কত শাস্তি আমি দেব তাকে? কী শাস্তি আমি তাকে দিয়েছি, শুনি। তার সম্পর্কে সত্য তথ্য জানানোর নাম বুঝি শাস্তি?’

‘আরও বড় মিথ্যে কথা লিখেছে, সে নাকি আমার বইয়ের সমালোচনা করেছে, ব্যক্তি আক্রমণ করেনি। রিয়েলি? দেখাক তার তিন কিস্তিতে লেখা তসলিমার প্রতি ঘৃণা আর নিন্দা ছুড়ে দেওয়া সেই নোংরা গালাগালি গুলো? তার লেখার শিরোনাম ছিল ‘তসলিমা নাসরিনের ক- ফুরিয়ে যাওয়া যৌবনের আত্মযৌবনিক কামশাস্ত্র’। শিরোনাম পড়েই নিশ্চয়ই অনুমান করা যায়, কী বলতে চেয়েছে সে। ওই নোংরা জিনিস আমি রাখিনি, কিন্তু নিজের রচনা তো নিজে সে রেখেছে। দেখাক। মানুষ পড়ুক।’

‘তসলিমা কুড়ি বছরে কুড়িবার লিখেছে তার কীর্তিকলাপ সম্পর্কে? ২০০৩ থেকে এখন ১৫ বছর। তো এই ১৫ বছরে তাহলে ছন্দ মিলিয়ে তাকে বলতে হবে ১৫ বার। সত্য শতবার উচ্চারণ করতে হয়, ১৫ বার তো কমই। এই ১৫ বছরে তার একবারও কেন ইচ্ছে করলো না ক্ষমা চাইতে? আজ যখন বড় বড় বুদ্ধিজীবী আর নারীবাদী দাঁড়িয়ে গেছে মাসুদাকে কেন চরিত্রহীন বলা হলো এই প্রতিবাদে, তখন কেন আমার মনে হবে না এরা সব হিপোক্রেটের জাত? তখনই বলতে ইচ্ছে করেছে চরিত্রহীনকে চরিত্রহীন বলবে না তো কী বলবে! আমি কোনো ‘মোক্ষম’ সময় বেছে নিইনি। সব সময়ই সত্য বলার সময়। যারা নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধে আদায়ে ব্যস্ত, তাদের কাছেই সত্য বলার জন্য এই সময়টা ভালো, ওই সময়টা খারাপ । আমার কাছে নয়।’

মইনুল হোসেন কী কারণে মাসুদাকে চরিত্রহীন বলেছে্ন, সে মইনুল হোসেন জানেন। আমি তাকে কী কারণে চরিত্রহীন বলেছি,ব্যাখ্যা করেছি। মাসুদা দাবি করেছে আমার পক্ষে সে লিখেছে অনেক। মানুষের সহানুভূতি কাড়ার জন্য ন্যাকামো বেশ জানা আছে তার। আমার সহানুভুতি পাওয়ার জন্যও একসময় ন্যাকামো করেছিল, আঁড়ালে ছুরিতে শান দিচ্ছিল। এখন সরকারি আরাম আয়েস জুটছে তার, রথী মহারথীরা তাকে ঘিরে আছে, আর সে ভান করছে, তার নাকি সংকটকাল চলছে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দোষ দিয়েছে আমাকে।’

‘আমি দেশের রাজনৈতিক অবস্থার এদিক ওদিক করে দিয়েছি। আমি একা মানুষ, কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, ধর্মীয় দল আমার পক্ষে কোনোদিন ছিল না, থাকবেও না। মাসুদা ভাট্টির মতো আমি প্রভাবশালী নই। আমার কোনো ক্ষমতা নেই রাজনীতির জগতে কোনো ঢিল ছোঁড়ার। আমার মতো রাজনীতি না বোঝা বোকা লোক যেমন সংসারে আছে, মাসুদা ভাট্টির মতো ধুর্ত লোকেরা চিরকালই ছিল, আছে।’

‘মানুষের পিঠে চড়ে চড়ে উঁচুতে গিয়ে ওঠে, তারপর লাথি মেরে ফেলে দেয় নিচের মানুষদের। আমি অনেক লোক দেখেছি জীবনে, মাসুদা ভাট্টির মতো এত ভয়ঙ্কর মিথ্যুক আর চরিত্রহীন জীবনে দেখিনি। আমাকে নিয়ে মন্দ কথা অনেক লোকই লিখেছে, এসবে আমার কিছু যায় আসে না। কিন্তু যার জীবনের সবচেয়ে বড় উপকারটি আমি করে দিলাম, উপকারটা লুফে নিয়ে সে যখন আমার বই রিভিউয়ের নামে ব্যক্তি আমাকে জঘন্য আক্রমণ করে , যৌন হেনস্থাকারীর পক্ষ নিয়ে আমাকেই করে কুৎসিত পুরুষতান্ত্রিক আক্রমণ, তখন কষ্ট হয়। সেই কষ্ট থেকেই লিখেছি গতকাল।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে আরো বিনিয়োগ করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

দেশের খবর: রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটাতে মানবসম্পদ, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদেরকে মানবসম্পদ, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নে অবশ্যই আরো বেশি করে বিনিয়োগ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের মানব সম্পদকে প্রস্তুত করার জন্য অধিক বিনিয়োগ করতে হবে। রাষ্ট্রপতি মঙ্গলবার সুইজার‌ল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত পাচঁদিনব্যাপী ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে বৈশ্বিক নেতাদের বিনিয়োগ সম্মেলনে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

রাষ্ট্রপতি গত ২২ অক্টোবর থেকে জেনেভায় পাচঁদিনের সরকারি সফরে রয়েছেন। তিনি অগ্রাধিকারভিত্তিক বিশেষ ইনসেন্টিভ প্রদানের মাধ্যমে গ্রীণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অধিক বিনিয়োগ করতে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদেরকে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডায় আমাদের প্রতিশ্রুতির বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে।

বিশ্বায়নের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্প বিপ্লব এবং বিজ্ঞান আবিষ্কারে গতি আনতে বছরের পর বছর সময় লেগেছে। বিংশ শতাব্দীতে প্রযুক্তির অসাধারন অগ্রগতি হয়েছে। এর ফলে যে যোগাযোগ বেড়েছে, তা পণ্য ও সেবা স্থানান্তরে বিপ্লব ঘটিয়েছে। তবে এর সুফল সকলের কাছে সমভাবে পৌছেনি। বিশ্বায়ন থেকে যাতে অধিকসংখ্যক মানুষ সুফল পেতে পারে, এ জন্য বিনিয়োগ নীতি সময়োপযোগি করার পরামর্শ দেন তিনি।

আঙ্কটার্ডের ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট-২০১৮ এর উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০১৭ সালে বৈশ্বিক এফডিআই ২৩ শতাংশ কমেছে এবং উন্নয়নশীল দেশসমূহে ২০১৬ সালে এফডিআাই ১০ শতাংশ কমার পর আর পুনরুদ্ধার হয়নি। স্বল্পোন্নত দেশসমূহে গত বছরে এফডিআই ১৭ শতাংশ কমেছিল। গত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এলডিসি থেকে সুষ্ঠুভাবে উত্তরণের জন্য একটি যৌক্তিক সময় পর্যন্ত আবিষ্কারভিত্তিক ব্যবস্থা রেখে আমাদের সহায়তা করার প্রয়োজন। আমাদের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা এবং টিআরআইপি চুক্তির ৬৬.২ ও ৬৭ ধারার ধারার আলোকে বেসরকারি এফডিআই থেকে প্রযুক্তি সহায়তা বৃদ্ধি আবশ্যক।’
উন্মুক্ত আলোচনায় এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল ও অনুধাবনযোগ্য কাঠামো গঠনের ওপর জোর দেন। তিনি আরো বলেন, ‘এসব ও অনুরূপ অন্যান্য পদক্ষেপ এলডিসিতে আরো বেশি এফডিআই প্রবাহ নিশ্চিত করবে, যা ২০৩১ সাল নাগাদ এসডিজি বাস্তবায়নে ব্যাপক সহায়তা দেবে।’

প্রতিবেশী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সামরিক নৃশংসতার শিকার হয়ে বাংলাদেশে আসা ও দীর্ঘদিন এখানে থাকা ১১ লাখ রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে আবদুল হামিদ বলেন, এ বিষয়টি এদেশের অর্থনীতি ও সমাজে ব্যাপক ক্ষতি করছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ সম্প্রীতি ও অগ্রগতি বজায় রাখতে এখনো নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বিশেষ করে তরুণ ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং সটিক বিনিয়োগের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাপক উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমরা ২০২১ সাল নাগাদ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত দেশে পরিণত হতে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে মোঙ্গলিয়া ও মন্টিনিগ্রো, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আঙ্কটার্ডের মহাসচিব মুখিসা কিতুই, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগণ ও বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির প্রধান নির্বাহীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব বিনিয়োগ ফোরাম (ডব্লিউআইএফ) হচ্ছে একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিবার্ষিক বহুমুখী অংশীজন সমাবেশ, যেখানে বিশ্বের বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহের বিষয়ে আলোচনা ও কার্যক্রম সংক্রান্ত মতবিনিময়ের সুযোগ থাকবে। এখানে আন্তর্জাতিকীকরণ ও শিল্পায়নের এই নতুন যুগে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জর বিষয়ও প্রধান্য পাবে।
এর লক্ষ্য হচ্ছে- ‘ইনভেস্টমেন্ট ফর ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ে বিতর্ক ও আলোচনা করার জন্য একটি প্লাটফর্ম সৃষ্টি, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি, যা টেকসই ও সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জাহানারা কাঞ্চন স্মরণে দোআ

সাতক্ষীরায় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০১৮ উপলক্ষ্যে ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোআ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ অক্টোবর) সকালে শহরের পলাশপোলস্থ নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের জেলা কার্যালয়ে এই দোআ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ। এসময় নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিদার রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সড়ক-মহাসড়কে চলছে মৃত্যুর রাজত্ব। এমন কোন দিন নেই যে দিন সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়া আমরা অতিবাহিত করছি। আর এই সড়ক দুর্ঘটনায় জীবন হারিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চণের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চন। বক্তারা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখার সহ-সভাপতি সেলিম রেজা মুকুল, আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক মো. রাউফুজ্জামান, এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, মো. আবিদুল হক মুন্না, মো. আব্দুল আলিম, মো. শহিদুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মো. আফজাল হোসেন, ডা. মো. ওহিদুজ্জামান, মো. কামাল হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আরিফুল ইসলাম রোহিত, আতিক মুজাহিদ প্রমুখ।
পরে মাওলানা আবুল হোসেন জাহানারা কাঞ্চনসহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সকল মানুষের রুহের মাগফিরাত কামনা ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের অগ্রগতির জন্যে দোআ মোনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খাশোগির খণ্ডিত লাশ মিললো সৌদি রাষ্ট্রদূতের বাগানে

বিদেশের খবর: তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর খুন হওয়া সাংবাদিক জামাল খাশোগির মরদেহের অংশ বিশেষ পাওয়া গেছে। তুরস্কে নিযুক্ত সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসভবনের বাগানে তার লাশের একটি অংশ পাওয়া যায় বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম স্কাই নিউজ।
অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে স্কাই নিউজ জানায়, তার দেহ কেটে ফেলা হয়েছে এবং চেহারা বিকৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে খাশোগি ইস্যুতে বক্তব্য দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এখনও খাশোগির লাশ কেন পাওয়া যায়নি তা জানাতে সৌদির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তুর্কি বাগদত্তার সাথে বিয়ের প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র আনতে গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার পর নিখোঁজ হন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলাম লেখক ও স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি।
খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার ১৭ দিনের মাথায় ১৯ অক্টোবর শুক্রবার সৌদি জানায়, তুরস্কের ইস্তাম্বুল কসন্যুলেটে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে খাশোগির মৃত্যু হয়। এর দুদিন পরই খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে স্বীকার করেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দেশটির দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গোয়েন্দা সংস্থার উপ-প্রধান আহমদ আল আসিরি ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অন্যতম দেহরক্ষি সৌদ আল কাতানিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট ১৮ জনকে।

তবে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বলছে, খাশোগির খুনের পেছনে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই কলকাঠি নেড়েছেন। মঙ্গলবার তুর্কি সংসদে দেয়া ভাষণেও হত্যার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান। তবে যুবরাজ জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনুলিয়ায় এমপি রুহুল হকের পক্ষে নির্বাচনী পথ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আয়োজনে এমপি রুহুল হকের পক্ষে নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আনুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামে এ সভা অনুষ্ঠিত সভা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন। মির্জাপুর ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়দেব কুমার দাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবমহিলালীগের সভানেত্রী সীমা সিদ্দিক, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হরেন্দ্র দেবনাথ, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য সাহাবুদ্দীন সানা, সাবেক ইউপি সদস্য আফজালুর রহমান সানা, আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম সানা সহ ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ আওয়ামীলীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলমগীর আলম লিটন বলেন, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হকের জন্যে আজ আমরা সাতক্ষীরা জেলাতে আমাদের গর্বের মেডিকেল কলেজ হয়েছে। নলতায় প্যারা-মেডিকেল, চাম্পাফুল ও দরগাহপুরে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল পেয়েছি। আশাশুনিতে বাইপাস সড়ক পেয়েছি, ৫২ টি সাইক্লোন শেল্টার পেয়েছে, অসংখ্য ব্রীজ- কালভার্ট, শত শত কিলোমিটার কার্পেটিং রাস্তা পেয়েছি। একাধিক স্কুল-কলেজকে সরকারি করণ ও বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। কি দেন নাই তিনি আমাদের? আমরা যখন যে কাজ নিয়ে উনার কাছে গিয়েছি তিনি আমাদের সেই কাজ করে দিয়েছেন। সাতক্ষীরা-৩ আসনে ডা: রুহুল হকের বিকল্প কেউ নাই। আগামীতে আপনারা আরও উন্নয়ন দেখতে পাবেন। সেজন্য আপনার আমার সকলের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি রুহুল হকের পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।
সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোকে সচল করে প্রত্যেকর মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করছেন সরকার। আপনাদের সন্তানের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার বিনামূল্যে লেখা-পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন, বৃদ্ধ ভাতা, বিধবা ভাতা, বিনামূল্যে ১০ কেজি চাউল সহ অসংখ্যা সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন। তাই আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে রুহুল হকের হাতকে শক্তিশালী করে তাকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট পাঠাবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest