সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পরামর্শ

স্বাস্থ্য কণিকা: সুস্থ মানুষের চেয়ে ডায়াবেটিক রোগীদের সব কিছুতেই ঝুঁকি একটু বেশি থাকে। তাই সুস্থতার জন্য তাদের নিজেদের সম্পর্কে একটু বাড়তি যত্নবান হওয়া আবশ্যক। তাই কিছু করণীয় হলো—

► খাদ্যতালিকা অনুযায়ী বিধি-নিষেধ মেনে প্রতিদিনের খাবার খেতে হবে।

► নিয়মিত কিছু কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করতে হবে।

► নিয়মিত রক্ত বা প্রস্রাবে সুগারের মাত্রা মেপে দেখতে হবে এবং কমবেশি হলে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে।

► ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এ রোগের চিকিৎসা কখনোই বন্ধ রাখা যাবে না।

► পায়ের বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেমন—খালি পায়ে হাঁটা যাবে না, নরম জুতা পরতে হবে, নিয়মিত নখ কাটতে হবে, সব সময় পা পরিষ্কার রাখতে হবে, কোনো আঘাত পেলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

► দাঁতের যত্ন নিতে দুই বেলা ব্রাশ ও টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজা, ব্রাশ করার পর ১ মিনিট ধরে দাঁতের মাড়ি মালিশ করা, পান, জর্দা, সুপারি, চুন ও তামাক—এসব ব্যবহার না করা। দাঁতে কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রতিবছর কমপক্ষে একবার চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে।

► শরীরে কোনো ছোটখাটো কাটাছেঁড়া হলেও চিকিত্সককে জানাতে হবে এবং তার প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্বনাশা ইয়াবা রঙ পাল্টে এখন সাদা

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা থেকে র‌্যাব ৮০ পিস ইয়াবাসহ রাজিক মোল্লা নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ইয়াবার রং লালচে বা গোলাপি নয়, ধবধবে সাদা। দেখতে অনেকটাই সাধারণ ট্যাবলেটের মতো। কোনো গন্ধও নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, রং পরিবর্তন করা ইয়াবা বিপণনের নতুন কৌশল। ইয়াবা বড়িগুলো আটকের পর র‌্যাব সদস্যরা প্রথমে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। পরে ল্যাবে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, এগুলো আসলে ইয়াবা ট্যাবলেট। ইয়াবায় সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ঘ্রাণ থাকে। নতুন আটক ট্যাবলেটে সে ধরনের কোনো ঘ্রাণ নেই। র‌্যাব সদস্যরা বলেন, যে কেউ প্রথম দেখায় এটি সাধারণ ট্যাবলেট বা অ্যান্টিবায়োটিক মনে করে ভুল করতে পারেন। র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি কষ্টসাধ্য হচ্ছে মাদক কারবারিদের। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা ব্যবসার নতুন কৌশল হিসেবে এই সাদা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছে। এই চক্রের সব সদস্যকে গ্রেফতার করতে র‌্যাবের চেষ্টা চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে আসছে দুদকের সংশোধিত বিধিমালা

অনলাইন ডেস্ক: থানায় মামলা না করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতি মামলার এজাহার দায়ের এবং বিশেষ জজ আদালতে সরাসরি চার্জশিট দাখিলের বিধান সংবলিত প্রস্তাবসহ দুদকের সংশোধিত বিধিমালা অবশেষে চূড়ান্ত হচ্ছে।
এদিকে চূড়ান্ত বিধিমালা কেমন হবে তা জানতে চেয়ে দুদকের কাছে কপি চেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সংশোধিত বিধিমালার একটি কপি আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
দুদকের সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ১৮ অক্টোবর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দুদকের পক্ষে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিন ও মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. মঈদুল ইসলাম অংশ নেন। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দুদকের বিধিমালা চূড়ান্তভাবে সরকারের অনুমোদন প্রাপ্তির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

দুদক মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. মঈদুল ইসলাম জানান, বিধি বিষয়ে অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দুদকের কাছে বিধির নমুনা দিতে বলা হয়েছে। আশা করি, শিগগির বিধিমালাটি চূড়ান্ত হবে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার পর গেজেট হবে। গেজেট হলেই দুদক কার্যালয়ে দুদকের তফসিলভুক্ত আইনে যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। তিনি আরও বলেন, ২০০৭ সালের দুদক বিধিমালার বেশকিছু ধারা সংশোধনের জন্য লিগ্যাল শাখা থেকে কমিশনে লিখিত প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। গত বছরের ১৪ মে দুদক থেকে সংশোধিত বিধিমালাটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়।

দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দুদকের বিধিমালাটি অনুমোদন করলে আইন মন্ত্রণালয় হয়ে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর সেটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দুদকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল অন্যসব দেশে দুর্নীতির মামলা দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানে দায়ের করা হয় কিনা।
তিনটি দেশে খোঁজ নিয়ে এ ধরনের মামলা করার তথ্য পেয়েছে দুদক। দেশগুলো হল- সিঙ্গাপুর, হংকং ও মিয়ানমার। এসব দেশে দুর্নীতি দমন সংস্থায় দুর্নীতির মামলা রেকর্ড করা হয়। ১৮ জুলাই বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে লিখিতভাবে জানায় দুদক।

ফৌজদারি কার্যবিধি, দুদক আইন ও বিধি অনুসরণ করে দুদকের কর্মকর্তারা থানায় হাজির হয়ে দুর্নীতির মামলা করে থাকেন। কিন্তু দুদক মনে করছে, তারা স্বশাসিত স্বাধীন সংস্থা। এ সংস্থার পক্ষ থেকে দুর্নীতির মামলা দায়েরের জন্য থানায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে যে কোনো জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করা যাবে। দুদকে এজাহার দায়েরের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিধিমালার সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়, ২০০৪ সালের আইন অনুযায়ী দুদক স্বাধীন।

এ সংস্থার নিজস্ব অনুসন্ধান ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আছে। মামলা পরিচালনার জন্য আছে নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট। দুদকের তফসিলভুক্ত যে কোনো অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম শুরুর জন্য থানায় এজাহার দায়ের বা থানার প্রতি মুখাপেক্ষী থাকা কমিশনের স্বাধীন ও স্বশাসিত সত্তার পরিপন্থী। এ ছাড়া থানায় এজাহার দায়েরের অবাধ সুযোগ থাকায় অযথা হয়রানির আশঙ্কাও থাকে।

এতে আরও বলা হয়, ‘দুদক বনাম মহীউদ্দীন খান আলমগীর’ মামলায় দুদকে এজাহার দায়েরের কথা আপিল বিভাগের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের বিধিমালার ২(ছ) ধারায়ও দুদক কার্যালয়ে দুর্নীতি মামলার এজাহার দায়েরের সুযোগ ছিল।

কিন্তু বিধিতে সংশোধনী না আনায় কাজটা এতদিন করা সম্ভব হয়নি। এদিকে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুদক চার্জশিট দিয়ে আসছে। কিন্তু এতে নানা ধরনের আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। চার্জশিট দাখিলের পর কখনও তা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পড়ে থাকে। সেখান থেকে বিচারিক আদালতে যেতেও অনেক সময় পার হয়। দুর্নীতি মামলার বিচার ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে চায় দুদক। এর জন্য উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

এই সময়সীমার মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করতে চার্জশিট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দাখিল না করে সরাসরি সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে দাখিলের বিধান চেয়েছে দুদক। বিধান সংশোধনের প্রস্তাবনায় বলা হয়, ‘চার্জশিট সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিলের জন্য বিধান সুস্পষ্ট করা দরকার।

অন্যথায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে।’ এ সংক্রান্ত আইনটি তুলে ধরে সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়, ‘দ্য ক্রিমিনাল ল অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৮-এর ৪(২) ধারায়ও সংশ্লিষ্ট দায়রা জজকে সিনিয়র স্পেশাল জজ ঘোষণা করে অপরাধ আমলে নেয়ার একচ্ছত্র এখতিয়ার দেয়া আছে।’

এদিকে, বিধি অনুযায়ী কাউকে সম্পদের হিসাব দিতে নোটিশ জারির সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাকে দুদকের নির্দিষ্ট ছকে হিসাব বিবরণী দাখিল করতে হয়। এতে করে অনেকে একদিকে সঠিক হিসাব দিতে পারছেন না আবার সময় স্বল্পতার কারণে অনেকে তথ্যেও গরমিল করে বসেন।

আর এ কারণে অনেকের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা হচ্ছে। এই সময়সীমা (৭ কার্যদিবসের পরিবর্তে) ২০ কার্যদিবস করতে চায় দুদক। সংশোধিত বিধিতে সেভাবেই প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০ কার্যদিবসেও যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার সম্পদ ও দায়দেনার হিসাব দিতে না পারেন, তবে এর জন্য আরও ১০ কার্যদিবস চেয়ে দুদকে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বিচারাধীন কোনো দুর্নীতি মামলার আসামির মৃত্যু হলে তার রেখে যাওয়া সম্পদের কী হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির সম্পদ অবৈধই থাকবে নাকি ওই সম্পদ মৃত আসামির উত্তরাধিকাররা পাবেন সে বিষয়েও বিধিতে মীমাংসা চাওয়া হয়েছে।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো আসামির মৃত্যু হলে আর মামলা চলে না। দুদকের বিধি প্রস্তাবনায় বলা হয়, ‘বিচারের আগেই আসামির মৃত্যু হলে তার ক্রোক করা সম্পদের জন্য উত্তরাধিকাররা আদালতে আবেদন করতে পারবেন। কীভাবে ওই সম্পদ অর্জিত হয়েছে সেটা প্রমাণ করবে উত্তরাধিকাররা।

আদালত এ বিষয়ে শুনানি করবেন। শুনানিকালে উত্তরাধিকারদের পক্ষ থেকে দাখিল করা আবেদন ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে যদি দেখেন, ওই সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ নয়, তবে তা অবমুক্ত করতে পারবেন। অন্যথায় তা সরকারের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হবে।’ দুদক চায় দুর্নীতি মামলায় জড়িত মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার উত্তরাধিকাররা যেন পায়।

অন্যদিকে, কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর দুদকের বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধানের আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধান কাজ শেষ করতে হয়। এত অল্প সময়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সহায় সম্পদ বা বড় ধরনের দুর্নীতির অনুসন্ধান করা বাস্তবে কঠিন।

এ অবস্থায় সংশোধিত বিধিতে দুর্নীতির অনুসন্ধানের সময়সীমা ১৫ কার্যদিবসের পরিবর্তে ৪৫ কার্যদিবস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া দুদকের বিধিতে ‘জ্ঞাত আয়’ সম্পর্কিত সংজ্ঞা না থাকায় তা সংজ্ঞায়িত করার কথা বলা হয়েছে।
অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার কার্যক্রম তদারক করা, তদারককারী কর্মকর্তা ও তার দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করে দেয়ার বিষয় প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতে কেউ দুর্নীতির মামলা করলে তা গ্রহণ ও তদন্তের নির্দেশ দিতে সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতকে ক্ষমতা দেয়াসহ বেশকিছু বিষয়ে বিধিমালায় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রচলিত আইন অনুযায়ী, দেশের যে কোনো নাগরিক বা যে কোনো সংস্থা থানায় দুর্নীতির মামলা করতে পারে। দুদকের আইনে ওই মামলা হলে পরে তা তদন্তের জন্য দুদকেই পাঠানো হয়। কিন্তু দুদক চাচ্ছে, পুলিশ দুদক আইনের মামলা পেলে তা মামলা হিসেবে নয়, সাধারণ ডায়েরি হিসেবে রেকর্ড করে অনুসন্ধানের জন্য দুদকের কাছে পাঠাবে।

কারণ অনুসন্ধান ছাড়া দুদকের তফসিলভুক্ত আইনে মামলা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একদিকে আপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে হয়রানির শিকার হন। এই বাস্তবতা সামনে রেখে দুদক বিধিতে সংশোধনীর প্রস্তাবে বলা হয়, ‘কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে থানায় দায়ের করা অভিযোগ সরাসরি তদন্তের বিধান কিছুটা সাংঘর্ষিক।
কারণ দুদক কার্যালয়গুলোর পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগ অনুসন্ধান ছাড়া সরাসরি তদন্তের বিধান নেই। এ ছাড়া থানায় দায়ের করা মামলা সরাসরি তদন্তের জন্য নেয়া হলে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হয়রানির আশঙ্কা থাকে। ফলে পুলিশ এ ধরনের অভিযোগ পেলে তা সাধারণ ডায়েরি হিসেবে রেকর্ড করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে দুদকে পাঠাতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাকচাপায় বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুরে হাজীগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশায় থাকা বাবা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছে দুজন।
সোমাবার ভোরে উপজেলার চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কের বাকিলা নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- শাহারাস্তি উপজেলার উয়ারুক গ্রামের পাটোয়ারি বাড়ির এলেন (৪৮), ছেলে এমরান (২৫) ও সুরসই গ্রামের আবু সুফিয়ান (৩৫)।
হাজীগঞ্জে থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি জানান, ভোরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পাঁচজন উয়ারুক থেকে চাঁদপুর যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ চাঁদপুরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ওই অটোরিকশাকে চাপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাবা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হন।
চালকসহ দুজন গুরুতর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। ঘাতক ট্রাকটি আটক করা যায়নি বলে জানান ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ১৯

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে রবিবার রাতে দুই যাত্রীবাহি বাসের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। হতাহতের ঘটনায় এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট।
দিরা গাজী খান জেলার মুলতান রোডে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জন প্রাণ হারান। সংঘর্ষে একটি বাস পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
একটি হাসপাতালের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কারণ আহত কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
পাকিস্তানে প্রতি বছর প্রায় ৯ হাজার সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে এবং এতে গড়ে সাড়ে চার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। সূত্র: খালিজ টাইমস

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রহস্যময় শিশুরোগ ‘কাওয়াসাকি’

স্বাস্থ্য কণিকা: শিশুরা কাওয়াসাকি নামের জটিল এক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের হৃদরোগের একটা কারণ। তবে শুরুতে শনাক্ত করা সম্ভব হলে এবং যথাযথ চিকিৎসা নিলে রোগীকে সুস্থ করে তোলা যায়।
লিখেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা

১৯৬৭ সালে জাপানে সর্বপ্রথম কাওয়াসাকি নামের এক রোগের সন্ধান পাওয়া যায় এবং জাপানি আবিষ্কারক ‘টমিসাক কাওয়াসাকি’র নামানুসারে এই রোগের নামকরণ করা হয় ‘কাওয়াসাকি’।
পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এখন এই রোগটি কমবেশি হচ্ছে। প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সাল থেকে ঢাকায় এখন পর্যন্ত ৮৯ জন কাওয়াসাকি রোগী পাওয়া গেছে, যাদের গড় বয়স ৪.৭ বছর। ২০১৫ সাল থেকে বারডেম হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১২ জন শিশুর এই স্বনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে, যারা নিয়মিত ফলোআপে ভালো আছে।

কারণ
শিশুদের জাপানি রোগ বলে পরিচিত কাওয়াসাকি ঠিক কী কারণে হয়, তা এখনো অজানাই রয়ে গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করেও এই রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় করতে পারেননি। আগে ধারণা করা হতো, রোগটি ইনফেকশনজনিত; কিন্তু এখন বলা হচ্ছে—বংশগত, পরিবেশগত (রাসায়নিক নানা বিক্রিয়া), জীবাণু সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে এই রোগ হতে পারে।

কাদের হয়?
সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের কাওয়াসাকি রোগ বেশি হয়। মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের বেশি হয়। তবে রোগটি ছোঁয়াচে নয় বিধায় পরিবারে কোনো শিশুর হলে অন্যজনের হওয়ার আশঙ্কা নেই। শিশুদের বেশি হলেও এই রোগ বড়দেরও হতে পারে।

উপসর্গ
কাওয়াসাকি রোগের কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ রয়েছে। যেমন—

► কাওয়াসাকিতে আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বরে অনেক দিন (পাঁচ দিনের বেশি) ধরে ভুগে থাকে। প্যারাসিটামল প্রয়োগ করেও তেমন কাজ হয় না। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও জ্বরের তেমন কারণও বের করা যায় না।

► মুখ ও শরীরে লাল আভা থাকে। জিব লাল হয় (একে বলে স্ট্রবেরি জিব)। তবে চোখ অস্বাভাবিক লাল হলেও কোনো পুঁজ বা পিঁচুটি থাকে না। ঠোঁট ফেটে লাল ও শুকনো হয়ে যেতে পারে।

► গলার গ্ল্যান্ড বা ঘাড়ের এক পাশের লসিকাগ্রন্থিগুলো ফুলে যেতে পারে।

► হাত-পা, যৌনাঙ্গে চামড়ায় নানা ধরনের দানা, চুলকানি ইত্যাদি হতে পারে।

► হাত ও পায়ের আঙুলে পানি জমে ফুলে যেতে পারে, পরবর্তী সময়ে আঙুলের মাথা থেকে চামড়া উঠে যেতে পারে।

► মেজাজ খিটখিটে ধরনের হয়। তীব্র মাথা ব্যথা হতে পারে।

► অস্থিসন্ধি (গিরা) ফোলা ও ব্যথা থাকতে পারে।

► এই রোগের মারাত্মক জটিলতা হলো, হার্টের করোনারি আর্টারি আক্রান্ত হয়ে দুর্বল ও প্রসারিত হয়ে যাওয়া। যার ফলে পরবর্তী সময়ে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
কাওয়াসাকি চেনার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা নেই। তবে রক্তের সাধারণ কিছু পরীক্ষায় এ রোগের কিছু লক্ষণ পাওয়া যায়। যেমন—সিবিসি পরীক্ষায় প্লাটিলেরে সংখ্যা অনেক বেড়ে যায় একই সঙ্গে রক্তে সিআরপি এবং ইএসআর-ও স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক বেড়ে যায়। পাশাপাশি ইকোকার্ডিওগ্রাম পরীক্ষা করলে রক্তনালি ফাঁপা বা অস্বাভাবিক প্রসারণ নির্ণয় করে বলা যায়, রোগটি কাওয়াসাকি।

ঝুঁকি বা জটিলতা
কাওয়াসাকি হলে ছোট ও মাঝারি আকারের রক্তনালিগুলোর দেয়াল বেশ দুর্বল হয়ে ফেঁপে যায় এবং কখনো কখনো তা মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায়। রক্তনালির এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনগুলো বেশি ঘটে হৃিপণ্ডের করোনারি আর্টারি বা রক্তনালিতে। এতে রক্ত চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি হয়ে রক্তে জমাট বাঁধার প্রবণতা বেড়ে যায়। আর হার্টের করোনারি রক্তনালিতে এমনটি ঘটলে হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে।

এ ছাড়া অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া রক্তনালিগুলো ফেটে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, যা মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক ক্ষেত্রে হার্টের এসব উপসর্গ সারা জীবন থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে আজীবন বা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হয়।
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের গবেষক মালবিকা মাইতি ৩০ জন শিশুকে নিয়ে টানা দুই বছর গবেষণা করে দেখেছেন, কাওয়াসাকি রোগে আক্রান্ত প্রত্যেক শিশুরই রক্ত সঞ্চালনের মাঝামাঝি মাপের সব রক্তসংবহননালি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চিকিৎসা
কেউ কাওয়াসাকিতে আক্রান্ত হয়েছে কি না, লক্ষণ দেখে শুরুতে সঠিক চিকিৎসা নিলে বেশির ভাগ রোগীই ভালো হয়ে যায়। আবার চিকিৎসা সত্ত্বেও কারো কারো হৃিপণ্ডে নানা রকমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কেউ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে এমন সন্দেহ হলে দেরি না করে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।
এ রোগের চিকিৎসায় ইন্ট্রাভেনাস ইমিউনোগ্লোবিন (আইভিআইজি) ব্যবহার করা হয়, যা খুবই ব্যয়বহুল। তবে অসুস্থ হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে এই আইভিআইজি প্রয়োগ করতে পারলে হার্টের ও শরীরের অন্যান্য স্থানের রক্তনালির জটিলতাগুলো এড়ানো যায়।

অনেক সময় এসপিরিন প্রয়োগ করা হয়, আবার রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে অন্যান্য চিকিৎসাও প্রয়োগ করা হয়। যাদের ইন্ট্রাভেনাস ইমিউনোগ্লোবিউলিন দিয়ে উন্নতি হয় না, তাদের বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে বায়োলজিক ড্রাগসও দেওয়া যেতে পারে।

করণীয়
সুখ-শান্তির বড় নিয়ামক পরিবারে শিশুদের সুস্থতা। একটা সময় ছিল, যখন সংক্রমণই ছিল শিশুদের অসুস্থতা বা মৃত্যুর প্রধান কারণ। এখনো সেটি প্রধান কারণ থাকলেও অসংক্রামক রোগগুলো বেশ জায়গা দখল করে নিয়েছে এবং তার প্রবণতা ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। কাওয়াসাকি সে রকমই একটা রোগ বলে এটা প্রতিরোধের কার্যকর তেমন কোনো উপায় নেই।

তথাপি কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এই রোগের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে। যেমন :

► পাঁচ বছরের নিচের কোনো শিশু যদি উচ্চমাত্রার জ্বরে একনাগাড়ে পাঁচ দিনের বেশি ভুগতে থাকে, তাহলে বিলম্ব না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে, প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করান।

► কাওয়াসাকির প্রধান উপসর্গ জ্বর, পাশাপাশি শরীরে র‌্যাশ দেখা যাওয়া। তাই অন্যান্য র‌্যাশ আসা জ্বরের সঙ্গে (স্কারলেট ফিভার, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি) কখনো কখনো বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই এ বিষয়ে অবগত হয়ে ব্যাপক সচেতনতা অবলম্বন করা জরুরি।

► চিকিত্সকের উচিত, অন্যান্য রোগের আশঙ্কার সঙ্গে কাওয়াসাকি হওয়ার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। এতে জটিলতাগুলো বহুলাংশে কমে যাবে।

► কাওয়াসাকি রোগের লক্ষণ মনে হলে নিজে নিজে কোনো ওষুধ প্রয়োগ করবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আরব আমিরাতে খেলার অনুমতি পেলেন না সাকিব

খেলার খবর: এখনও সাকিব আল হাসানের বাম হাতের আঙুলের ইনজুরি পুরোপুরি ঠিক হয়নি। এর পরও নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফ্র্যাঞ্জাইজিভিত্তিক টি-টেন লিগে খেলার অনুমতি চেয়ে বিসিবির কাছে আবেদন করেছিলেন সাকিব। তবে বিসিবি তাঁকে অনুমতি দেয়নি। বিসিবির একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এ বিষয়টি জানা গেছে।
আঙ্গুলের ব্যাথার কারণে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে পারেননি বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। পরে তিনি দেশে ফিরে এসেই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর দেখেন আঙ্গুলে সংক্রমণ হয়ে গেছে। ডাক্তাররা অস্ত্রোপচার করে সেই আঙ্গুল থেকে পুঁজ বের করেন।
সেই সময় সাকিব নিজেই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘আরেকটু হলে সংক্রমণ হাঁড়ে চলে যেতো এবং তার হাত চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতো। তবুও যে অবস্থা আছে, সেখান থেকে মাঠে ফিরে আসতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে।’
এরপরে আঙুলের চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান সাকিব। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, ‘তার হাতের কনিষ্ঠা আঙ্গুল আর কখনও পুরোপুরি ঠিক হবে না। তবে খেলার মত অবস্থায় এনে দিতে পারবেন ডাক্তাররা।’

সেখানে আঙুলের সংক্রমণের চিকিৎসা শেষে গত সপ্তাহে দেশে ফিরেন সাকিব। আসার পর বিমানবন্দরেই সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, বিশেষজ্ঞরা তাঁকে জানান, তাঁর আঙুলের ইনফেকশন ভালোর দিকে। মাস তিনেকের মধ্যেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি। তখন ব্যথা অনুভূত হলেই কেবল ছুরি-কাঁচির নিচে যেতে হবে, অন্যথায় নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরমাণু অস্ত্র চুক্তি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার হুঙ্কার

বিদেশের খবর: যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে রুশ ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সারগেই রিয়াবকভ জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি বাতিল করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।

রবিবার তিনি এক সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটা খুবই বাজে একটা উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আমি নিশ্চিত এটা শুধু দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ করবে না সারা বিশ্বজুড়ে এর খারাপ প্রভাব পড়বে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘তাস’কে তিনি বলেন, বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য এ চুক্তি ছিল। এছাড়া বিশ্বব্যাপী পরমাণু অস্ত্রের কেউ যাতে অপব্যবহার করতে না পারে সেই উদ্দেশ্যে ছিল এ চুক্তি। এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ব্লাকমেইল করতে চাচ্ছে। তারা সুযোগ খুঁজছে আমাদের থেকে কিছু পাওয়ার আশায়।

এর আগে, শনিবার ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা গত তিন দশক ধরে চলা রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তিটি তারা বাতিল করতে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest