সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

ওজনে অনিয়মে শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে আইন পাস

দেশের খবর: নিবন্ধন সনদ ছাড়া মোড়কজাত পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয় করলে এক বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড বিল-২০১৮ পাস হয়েছে। পাস হওয়া বিলে নিবন্ধন সনদ ছাড়া এলপিজি, এলএনজি বটলিং, টার্মিনাল ও ফিলিং স্টেশন পরিচালনা করলেও একই দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এছাড়া ইমারত বা স্থাপনা তৈরি বা মেরামতে শিডিউলে ঘোষিত পরিমাপ লঙ্ঘন করলে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরআগে বিলটির উপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু গত ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ১৯৮২ সালের ‘স্ট্যান্ডার্ড অব ওয়েট অ্যান্ড মেজার্স অর্ডিন্যান্স’ সংশোধন ও পরিমার্জন করে সময়ের চাহিদার আলোকে বাংলা ভাষায় আইনটি করার জন্য এই বিলটি আনা হয়।

বিলে অনুমোদনহীন বাটখারা (ওজন মাপার যন্ত্র) উৎপাদন, ব্যবহার ও পণ্যের ওজনে অনিয়মের সাজা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আর্থিক শাস্তির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে মানদণ্ডহীন বাটখারা বা পরিমাপক ব্যবহারের শাস্তি অনূর্ধ্ব একবছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে অর্থদণ্ড বাড়িয়ে একলাখ টাকা করা হয়েছে।

বিলের বিধান অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি ওজন বা পরিমাপন সম্পর্কিত মডেল অনুমোদনের সনদ ছাড়া তা বিক্রি, বিতরণ, সরবরাহের জন্য তৈরি করেন তাহলে দুই বছরের কারাদন্ড বা একলাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। লাইসেন্স ছাড়া ওজন বা পরিমাপন যন্ত্র বিক্রি করলে, উৎপাদন করলে একবছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বিলে বলা হয়েছে, অনুমোদন বহির্ভূত বস্তু দ্বারা ওজন বা পরিমাপন তৈরি বা উৎপাদন করলে একলাখ টাকা বা তিন বছরের কারাদন্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মানদণ্ড ব্যতীত, অন্য কোনও ওজন বা পরিমাপন বা সংখ্যমান ব্যবহার করলে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক মান সংস্থাসহ (আইএসও) অন্যান্য সংস্থাগুলোর নিয়মকানুন এ আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মানদণ্ড একক ছাড়া মুখের ভাষায় বা ভিন্নভাবে মূল্য বা চার্জ ঘোষণা করা যাবে না বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসে তল্লাশির সময় পুলিশকে গুলি

অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশির সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে সন্ত্রাসীরা। তাদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
এ সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-পাগলা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের পাগলা মুন্সীখোলা চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ কনস্টেবল সোহেল মিয়া বলেন, ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এএসআই মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম পাগলা চেকপোস্টে তল্লাশি করছিল। এ সময় রাজধানী থেকে পঞ্চবটি পর্যন্ত চলাচল করা বোরাক পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা-মেট্রো-জ-১৪-২০৮৫) থামানো হয়।
পরে বাসে উঠে তল্লাশির সময় তিন যুবক আমার ওপর চড়াও হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ওই সন্ত্রাসীরা। এতে আমার বাঁ পায়ে গুলি লাগে। পরে সন্ত্রাসীরা আরও কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ওই সময়ে পুলিশ সদস্যরাও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের এসআই শাফিউল আলম বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করতে অভিযান চলছে। গুলিবিদ্ধ কনস্টেবল সোহেলকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চায় দুদক

দেশের খবর: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী। সাজা বাড়ানোর বিষয়ে করা আবেদনের যুক্তিতে এই দাবি তোলেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
তবে বিচারিক আদালতের দেয়া ৫ বছরের সাজা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আসামিপক্ষের করা সময় আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

দুদক ও রাষ্ট্র উভয়পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত সময় মঞ্জুর না করলে তারা আদালত থেকে বের হয়ে যান।
পরে আদালত দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে যুক্তি উপস্থাপন করতে বললে তারা যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এর আগে মামলার আপিল শুনানির যুক্তিতর্কের জন্য সময় প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত।

শুনানি শেষ করার পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তিতর্কে দুদকের পক্ষ থেকে আমরা সাজা যাবজ্জীবন চেয়েছি। আইন অনুযায়ী বিচারিক আদালতের ৫ বছর সাজা দেয়া ঠিক হয়নি।
তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার করা আপিলসহ চারটি আবেদনের ওপর আজকেসহ ২৮ দিনের মতো শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ কার্যদিবসে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অতিরিক্ত সাক্ষ্য দেয়ার জন্য একটা দরখাস্ত নিয়ে এসেছিল।

দরখাস্ত শুনে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কের পরে আদেশ দেবেন বলে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করে রাখেন। আজকে সকালে তাদের আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন আদালতে এসে বললেন, তাদের সেই দরখাস্তের বিষয়ে আদেশ দেয়ার জন্য। কেননা তারা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন। তখন আদালত বললেন, সেটা আপনাদের ব্যাপার। এ সময় তারা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় চান। আদালত সময় আবেদনের বিষয়ে নামঞ্জুর করলে তারা আদালত থেকে বের হয়ে যান।

অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালত যে সাজা দিয়েছেন তা সঠিকভাবেই দিয়েছেন। ওই সাজা যাতে বহাল থাকে আমি সেই মর্মে আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছি। যেহেতু এই রায়ের বিরুদ্ধে সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করেছে দুদক। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করিনি। সেজন্য সাজা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো বক্তব্য রাখার সুযোগ আমার ছিল না।
তিনি বলেন, আমি আমার বক্তব্যে বলেছি, বিদেশ থেকে যে অর্থ এসেছে। সে অর্থটা ইয়াতিমদের জন্য এসেছে। সেখানে লেখা ছিল প্রাইমিনিস্টার অরফানেজ ট্রাস্ট। সেই অর্থটা পরবর্তী সময়ে দুইটা এতিমখানায় দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে একটা হলো বাগেরহাটে জিয়া ম্যামোরিয়াল ট্রাস্ট ও বগুড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে। কাজেই টাকা যে সরকারি টাকা এবং রাষ্ট্রের অর্থ, জনগণের অর্থ এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। তারা নিজেরাই তদন্ত কর্মকর্তাকে সাজেশন দিয়েছে বগুড়ার কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছে। কাজেই একই সোর্স থেকে যে টাকা এসেছে। সে টাকা দুই জায়গায় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা একটা জায়গার কথা স্বীকার করে অন্য জায়গায় দেয়ার কথা অস্বীকার করতে পারেন না।

‘আর এই ধরনের মামলায় যদি প্রসিকিউশন আসামিদের হেফাজতের বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেন তাহলে আসামিদের দায়ীত্ব এটা প্রমাণ করা যে তারা আত্মসাৎ করেনি। যেহেতু টাকাটা প্রধানমন্ত্রীর অরফানেজ ফান্ড থেকে তোলা হয়েছে। এবং পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টকে দেয়া হয়েছে। সেখান থেকে টাকা উধাও হয়েছে। সুতরাং, এই আত্মসাতের সঙ্গে যারা যারা জড়িত, তাদের প্রত্যেকেই অপরাধী। নিম্ন আদালত সঠিকভাবেই সাজা দিয়েছে। এই কারণে এ সাজা বহাল থাকে সেটি আমি প্রার্থনা করেছি’,- বলেন মাহবুবে আলম।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।
রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। আগামী ৩১ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তির জন্য সময় নির্ধারিত রয়েছে।
ওই রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নজরুল ইসলামের ফেসবুক পেজের লাইক ও ফলোয়ার সংখ্যা বিশ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় কেক কেটে উদযাপন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরাবাসীর প্রিয় নেতা নজরুল ইসলাম এর ফেসবুক পেজের লাইক ও ফলোয়ার সংখ্যা মাত্র তিন মাসের মধ্যে বিশ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় কেক কেটে উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হোসেন মাসুম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান টিটু, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আফিস শাহাবাজ খান, যুবলীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথমবার ওয়েব সিরিজে চিত্রনায়িকা পপি

বিনোদনের খবর: প্রথমবার ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা পপি। ‘ইন্দুবালা’ শিরোনামের আন্তর্জাতিক এ ওয়েব সিরিজটি পরিচালনা করছেন অনন্য মামুন। প্রযোজনা করছে লাইভ টেকনোলজিস।
সিরিজটিতে নাম ভূমিকায় অর্থাৎ ইন্দুবালা চরিত্রে অভিনয় করছেন পপি। ইন্দুবালা একজন শিক্ষিতা সাহসী নারী, প্রতিবাদী কণ্ঠ। সমাজের অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ নারীর প্রতিবাদ অহিংস উপায়ে। এ চরিত্রেই দেখা যাবে পপিকে।
এরই মধ্যে কলকাতায় সিরিজটির কিছু অংশের শুটিংও করেছেন পপি। শিগগিরই আবারও শুটিং শুরু হবে বলে পরিচালক জানিয়েছেন। পরবর্তী লটে বাংলাদেশ ছাড়া আরও দুটি দেশে শুটিং করার ইঙ্গিত দিয়েছেন পরিচালক।
ইন্দুবালায় নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘চরিত্রটি একেবারেই সিনেমাটিক। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ওয়েব সিরিজ হলেও সিনেমার মতোই এর গল্প। অনেক বাজেট নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এ ধরনের ওয়েব সিরিজ বাংলাদেশে আগে কখনও তৈরি হয়নি। তাই প্রথমবার এ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে বেশ ভালো লাগছে’।

কিন্তু সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ এক নয়, তবুও এ ধরনের মাধ্যমে কাজ করছেন। কারণ কী? এমন প্রশ্নের জবাবে পপি বলেন, ‘দেখুন, বাংলাদেশে এখন সিনেমার অবস্থা ভালো নয়। ব্যবসা মন্দা। প্রযোজক নেই। সিনেমাহল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
তাছাড়া প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সবকিছু মানুষের হাতের মুঠোয় পাওয়া যাচ্ছে। তাই ইন্টারনেটভিত্তিক সবকিছুর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। সেই ভাবনা থেকেই ওয়েব সিরিজে কাজ করা।
যেহেতু আমি একজন অভিনেত্রী এবং অভিনয় আমার পেশা, তাই গল্প, চরিত্র এবং বাজেট ঠিক থাকলে সিনেমা কিংবা ওয়েব সিরিজ যে কোনো মাধ্যমেই আমার কাজ করতে আপত্তি নেই’।

উল্লেখ্য, ইন্দুবালা চরিত্রে প্রথমে তিশার অভিনয় করার কথা শোনা গিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার পরিবর্তে পপিকে কাস্ট করা হল।
এ বিষয়ে পপি বলেন, ‘আগে কার অভিনয় করার কথা ছিল সেটি জানি না। আমার কাছে অনেক আগেই প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু ওয়েব সিরিজে অভিনয় করব কিনা সেটি সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় নিয়েছিলাম। তারপর অনেক ভেবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কপিল শর্মা

বিনোদনের খবর: চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ভারতের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা কপিল শর্মা। বলিউডে এখন চলছে বিয়ের মৌসুম। এবারের শীত মৌসুমে বিয়ে করতে যাচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা-নিক ও দীপিকা-রণবীর জুটি। এরই মধ্যে খবর পাওয়া গেছে কপিল শর্মা বিয়ে করতে যাচ্ছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, দীর্ঘদিনের বান্ধবী গিনি চাতার্থ-এর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন এ কৌতুক অভিনেতা। তাদের বিয়ের তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১২ ডিসেম্বর।
দুজনের বিয়ের অনুষ্ঠানের যাবতীয় আয়োজন করা হবে গিনিদের পাঞ্জাবের বাড়িতে। বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে গিনি। গিনির বাব-মায়ের ইচ্ছা তাদের একমাত্র মেয়ের বিয়েটা হবে খুবই জাকজমকপূর্ণভাবে।
নিজের বিয়ে প্রসঙ্গে কপিল বলেন, একমাত্র মেয়ে, তাই আড়ম্বর করে মেয়ে বিয়ে দিতে চান গিনির বাবা মা। তাদের আবেগটা বুঝতে পারছি। আমার বাবা-মাও একইভাবে বিয়ের আড়ম্বর অনুষ্ঠান করতে চান। সবচেয়ে বড় কথা হলো বিয়ের এই সিদ্ধান্তে গিনি, আমি ও আমাদের পরিবারের সবাই অনেক খুশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিচালনায় ফিরলেন ফারুক

বিনোদনের খবর: অভিনেতা হিসেবেই পরিচিত ও জনপ্রিয় ফারুক আহমেদ। সারা বছর তার অভিনীত নাটক, টেলিফিল্ম টেলিভিশনে প্রচার হয়। তবে নাট্য পরিচালক হিসেবেও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করছেন তিনি। নাটকের নাম ‘মেঘেদের সংসার’। এর গল্পও তার লেখা। সম্প্রতি নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে। শিগগিরই নাটকটি একটি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে প্রচার হবে। নাটক পরিচালনা প্রসঙ্গে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন আমি নাটক পরিচালনা করি।

তখন জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের মাধ্যমে ৮টি মঞ্চ নাটক পরিচালনা করেছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই টেলিভিশন নাটক পরিচালনা শুরু করেছি। পাশাপাশি নাটকের গল্প লেখার কাজটিও চালিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে আমি হুমায়ূন আহমেদ ও সেলিম আল দীনকে অনুসরণ করার চেষ্টা করি। এখন থেকে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক হিসেবেও নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছা আছে।’ এ নাটক ছাড়াও তার পরিচালনার তৃতীয় নাটকের শুটিং হবে আগামী মাসে। এর নাম ‘লাশ’। এটি আগামী ১৬ ডিসেম্বর প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে ‘ডিগবাজি’ শিরোনামের নাটক দিয়ে টেলিভিশন মাধ্যমে নাট্য পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় তার। এদিকে অভিনয় নিয়েও ব্যস্ত রয়েছেন ফারুক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন জামায়াত সদস্যরা

দেশের খবর: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের ভোট থেকে দূরে রাখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
তিনি আরও বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী দলটির সদস্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারবেন। তবে তারা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন না।
আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে দাবির বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির নেতারা তাদের দাবিগুলো জানিয়েছেন। জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি আইন-কানুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা অবহিত করব। এছাড়া আরপিও সংশোধনের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে হবে।’
ওই কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতের অনুসারী বা নেতাকর্মী কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরাধিকারীরা যেন কোনোভাবে নির্বাচন করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

এ ছাড়াও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘যে কোনো সংগঠন আলোচনার জন্য সময় চাইলে, সিইসি সময় দিলে, আলোচনা করা যেতে পারে। তারাও তো ভোটার। ভোটাররাও তো আমাদের স্টেকহোল্ডার।’
বৈঠকে সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে আট সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest