সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কারসাতক্ষীরায় পৌরসভার বিল্ডিং কোড অমান্য করে জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগবাড়িতেই মজুত ছিল নকল ও ভেজাল সার-কীটনাশ : র‌্যাবের অভিযানে ধরাসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী

সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত, সম্পাদক বহিষ্কার

রাজনীতির খবর: সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম তুষারকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়েছে।

আজ রোববার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের নীতি আদর্শ পরিপন্থী নৈতিক স্খলনজনিত গুরুতর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আব্দুল আলীম তুষারকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো এবং মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।

একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংগঠনের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে মহানগর কমিটিতে পদপ্রত্যাশীদের সিভি আহ্বান করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। ১ নভেম্বরের মধ্যে তাদের সিভি প্রদান করতে বলা হয়েছে।

২০১৫ সালের ২০ জুলাই আব্দুল বাছিত রোমানকে সভাপতি ও আব্দুল আলীম তুষারকে সাধারণ সম্পাদক করে মহানগর ছাত্রলীগের চার সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিলে। তিন বছরের বেশি সময়েও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি তাঁরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় অনুর্ধ-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার খুলনা ‘বি’ ভেন্যুর উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে ইয়ং টাইগার্স অ-১৮ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা’২০১৮-১৯ এর খুলনা বিভাগীয় ‘বি’ ভেন্যুর শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস. এম মোস্তফা কামাল, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাজেক্রীস সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান আশু, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাজেক্রীস সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য মীর তাজুল ইসলাম রিপন, খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, মির্জা মনিরুজ্জামান কাকন, কাজী কামরুজ্জামান, স.ম সেলিম রেজা, ফারহা দীবা খান সাথি, কবিরুজ্জামান রুবেলসহ দুই দলের কোচ ম্যানেজারসহ বিসিবি প্রতিনিধি মুফাচ্ছিনুল ইসলাম তপু ও খেলোয়াড় বৃন্দ।
প্রতিযোগিতায় ভেন্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার নির্বাহী সদস্য ইদ্রিস আলী বাবু। উদ্বোধনী খেলা বরিশাল বনাম নড়াইল জেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
খেলায় বরিশাল জেলা টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ০৬ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে। দলের শহীদ উদ্দিন ৭৫ রান করে। প্রতিপক্ষের রাকিবুল ইসলাম ৩ উইকেট লাভ করে। জবাবে নড়াইল জেলা ব্যাট করতে নেমে ৪৮.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান করে। দলের হাসিবুল ইসলাম ৮০ রান করে। প্রতিপক্ষের ইমন হাসান ০৪টি উইকেট লাভ করে। ফলে বরিশাল জেলা ২১ রানে জয়লাভ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবাদে প্রকাশিত বক্তব্যের প্রতিবাদ পৌর আওয়ামীলীগের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গত ২১ অক্টোবর’১৮ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তৃণমুল নেতাকর্মীদের সাথে এমপি রবি’র কথিত মতবিনিময় বিষয়ে বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদসমূহ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে উক্ত সভা থেকে নেতাকর্মীরা আবারো এমপি রবিকে নৌকা প্রতীক প্রদানের জন্য দলীয় সভানেত্রীর কাছে দাবী করেন। একই সাথে সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে, মতবিনিময় সভায় পৌর আওয়ামীলীগের সকল ইউনিটের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে উক্ত সংবাদে উপস্থিত নেতাদের যে নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাতে দেখা যায়, পৌর আওয়ামীলীগের ৯টি ওয়ার্ডের ১৮জন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদসহ মোট ২০ জন নেতার মধ্যে মাত্র ৬ জন উপস্থিত ছিলেন। অর্থ্যাৎ দুইতৃতীয়াংশের বেশী নেতৃবৃন্দ এমপি রবির সভায় যান নি।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিচালিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হই। এমন একটি গতিশীল ও শক্তিশালী ইউনিটের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দকে অবজ্ঞা করে, তাদেরকে পাশ কাটিয়ে আহ্বান করা কোন সভা দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করা ও সাংগঠনিক কাঠামোকে অস্বীকারের শামিল। অথচ পত্রিকায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মিথ্যাচার করে সকলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। আমরা এধরনের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

-মোহাম্মদ আবু সায়ীদ
সভাপতি
পৌর আওয়ামীলীগ, সাতক্ষীরা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরিজের শুরুতে বাংলাদেশের অনবদ্য জয়

খেলার খবর : মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে তোলে ২৭১ রান। জবাবে জিম্বাবুয়ে ৯ উইকেটে ২৪৩।

সিরিজের প্রথম ম্যাচটা হেরে গেছে জিম্বাবুয়ে। ১ উইকেট হাতে রেখে যখন মাঠ ছাড়ছে দলটি, বাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যটা তখনো ২৯ রান দূরে। অন্তত কাগজে-কলমে তা–ই লেখা থাকবে। কয়েক বছর পর ম্যাচের স্কোরকার্ড দেখলেও মনে হবে, ২৮ রানে হারা এ ম্যাচে লড়াই করেছে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু সত্যটা হলো, জিম্বাবুয়ে ম্যাচটা হেরে গেছে ইনিংসের অষ্টম ওভারেই, মোস্তাফিজের বলে যখন চেফাস ঝুবাওর স্টাম্প উড়ল। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে এতটাই অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে জিম্বাবুয়ে যে ম্যাচটা যে আরও ওভার লম্বা হয়েছে, এতে দর্শকের বিরক্তি শুধু বেড়েছে। ম্যাচের ফল নিয়ে এক ফোঁটা আগ্রহ জন্ম নেয়নি বাকি সময়ে।

মোস্তাফিজের প্রথম বলটা বুঝতে পারেননি ঝুবাও। এর আগে ঝড় তুলেছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ১২৬ ক্যারিয়ার স্ট্রাইকরেট নিয়ে এ ম্যাচ খেলতে নামা এই ব্যাটসম্যান আজ প্রথম ২৩ বলেই ৩৫ রান তুলেছেন। মাশরাফি ও মেহেদী হাসান মিরাজের প্রথম ৭ ওভারেই ৪৮ রান তুলে উড়ছিল জিম্বাবুয়ে। ঝুবাও ফিরলেন, সঙ্গে নিয়ে গেলেন লড়াইয়ের সব ঝাঁজও। এ জুটিটাই যে ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি হয়ে থাকল।

এরপর থেকেই ধুঁকে ধুঁকে এগিয়েছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। নাজমুল ইসলামের দুর্দান্ত দুটি বলে বোল্ড আউট হয়েছেন দলের মূল তিন ব্যাটিং ভরসার দুজন—ব্রেন্ডন টেলর ও সিকান্দার রাজা। অন্য ভরসা আউট হওয়ার জন্য কোনো বোলারের ধার ধারেননি, মুশফিকুর রহিমের দারুণ গ্লাভস ওয়ার্কে রান আউট হয়েছেন অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। দলকে টানার চেষ্টা করেছেন ক্রেগ আরভিন। কিন্তু মিরাজের বল বুঝতে না পেরে সেই আরভিনও যখন ফিরছেন, সফরকারীদের রান তখন সবে এক শ ছুঁয়েছে।

২৫.১ ওভারে প্রতিপক্ষের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একটু ‘বিশ্রামে’ গেলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সেই সুযোগে ইনিংসের তৃতীয় সর্বোচ্চ জুটির দেখা মিলল। পিটার মুর ও শন উইলিয়ামসের ৪৫ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটির সময়টুকুতেও এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়নি, জিম্বাবুয়ে জেতার চেষ্টা করছে। ইনিংস লম্বা করার এই ব্যর্থ চেষ্টা থেকে দর্শককে মুক্তি দিয়েছেন মিরাজ। মুর (২৬) আউট হলেন দলের ১৪৫ রানে। উইলিয়ামস এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে তিরিপানো ও মাভুটার বিদায়ও দেখলেন। মাভুটাকে অবশ্য দোষ দেওয়া যাচ্ছে না। নিজের বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মিরাজ যে অমন ক্যাচ নেবেন সেটা ভাবা সম্ভব ছিল না জিম্বাবুইয়ান লেগ স্পিনারের পক্ষে।

১৬৯ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ইনিংসের সেরা সময় কাটিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ১০ ওভারে ১০৩ রান নেওয়ার প্রায় অসম্ভব লক্ষ্যে ছুটতে চেষ্টা করেছেন উইলিয়ামস ও জারভিস, এটা হয়তো বলা যাচ্ছে না। কিন্তু টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের মতো বাংলাদেশের বোলারদের আধিপত্যও মেনে নেননি এ দুজন। বাংলাদেশের বোলার-ফিল্ডারদের মধ্যেও এ সময় ফুটে উঠেছিল অর্থহীন এক ম্যাচ খেলার আলস্য। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে আউট হয়েছেন কাইল জারভিস। ৮ বল বাকি থাকতে ৬৭ রানের নবম উইকেট জুটিটা থামল। উইলিয়ামস থামেননি, ইনিংসের শেষ বলে গিয়ে ফিফটি বুঝে নিয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। প্রথম ৪২ বলে ২২ রান করা উইলিয়ামস ৫৮ বলেই ছুঁয়েছেন ফিফটি।

এ ম্যাচ থেকে প্রাপ্তির খাতায় ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রান আর সাইফউদ্দিনের প্রথম ফিফটিটাই যাচ্ছে। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলা একটি দল যে ২৭১ রান করল, এর পেছনে এ দুজনের রেকর্ড গড়া ১২৭ রানের জুটিটাই মূল ভূমিকা রেখেছে। তবে এমন দাপুটে ম্যাচেও কিছু প্রশ্ন থেকে গেল। ইনিংসের সিকিভাগ পেরোনোর আগে যে ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেছে, সে ম্যাচেও কেন মাশরাফির বোলিং কোটা পূরণ করতে হবে সেটা বোঝা যায়নি। যেমন যায়নি মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাজমুল ইসলামদের কোটা পূরণ না করার কারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে আটদলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে কলাগাছি কালিমাতা চ্যাম্পিয়ান

আশাশুনি ব্যুরো:
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটিতে আটদলীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। রবিবার বিকালে কাদাকাটি যুব মজলিস ফুটবল মাঠে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌরসভার শিববাটী ফুটবল একাদশ ও সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ পরস্পরের মুখোমুখি হয়। খেলার প্রথমার্ধে ২টি গোল করে কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে উভয় দল ১টি করে গোল করেন। নির্ধারিত সময়ে আর কোন দল গোল করতে না পারায় কলাগাছি কালিমাতা ফুটবল একাদশ ৩-১ গোলে  শিববাটী ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলাটি পরিচালনা করেন, নাসিরউদ্দীন, আসাদুল হক ও আবুল বাশার। ধারাভাষ্যে ছিলেন, আসাদুজ্জামান মিঠু, আশরাফ হোসেন ও সবুজ আহমেদ। কাদাকাটি যুব মজলিসের আয়োজনে খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কাদাকাটি যুব মজলিস সভাপতি মহাসিন আলী বকুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিপংকর কুমার সরকার। সবুজ আহমেদের সঞ্চালনায় এসময় খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন রাজু, সমাজ সেবক মাষ্টার রজব আলী সরদার, মেম্বর আবু হাসান বাবু, শামছুর রহমান মোড়ল, শ্বাশ্বতী রাণী সরকার, কাদাকাটি যুব মজলিস সম্পাদক মাশহুরুল হক সাজু, সমাজ সেবক শরিফুল ইসলাম খোকা, গোলাম রসূল, আ. সুবহান, মিজানুর রহমান, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কাদাকাটি যুব মজলিসের সকল সদস্যবৃন্দ ও দর্শকমন্ডলী খেলাটি উপভোগ করেন। খেলার চ্যাম্পিয়ান দলকে একটি ফ্রিজ ও রানার্স-আপ দলকে একটি ২২ ইঞ্চি মনিটর দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবাদে প্রকাশিত বক্তব্যে সদর উপজেলার আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ

 

গত ২১ অক্টোবর’১৮ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তৃণমুল নেতাকর্মীদের সাথে এমপি রবি’র কথিত মতবিনিময় বিষয়ে বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদসমূহ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে উক্ত সভা থেকে নেতাকর্মীরা আবারো এমপি রবিকে নৌকা প্রতীক প্রদানের জন্য দলীয় সভানেত্রীর কাছে দাবী করেন। একই সাথে সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে, মতবিনিময় সভায় সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ১৪ ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং ১২৬ টি ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে উক্ত সংবাদে উপস্থিত নেতাদের যে নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাতে দেখা যায়, সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের ২৮জন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদসহ মোট ৩০ জন নেতার মধ্যে মাত্র ১১জন উপস্থিত ছিলেন। অর্থ্যাৎ দুইতৃতীয়াংশই এমপি রবির সভায় যান নি। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ১২৬টি ওয়ার্ডে ২৫২জন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সংবাদে উপস্থিত হিসেবে মাত্র ৫জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিচালিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত হই। এমন একটি গতিশীল ও শক্তিশালী ইউনিটের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দকে অবজ্ঞা করে, তাদেরকে পাশ কাটিয়ে আহ্বান করা কোন সভা দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করা ও সাংগঠনিক কাঠামোকে অস্বীকারের শামিল। অথচ পত্রিকায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মিথ্যাচার করে সকলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। আমরা এধরনের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিম্বাবুয়ের অর্ধেক ইনিংস শেষ

খেলার খবর: মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দেওয়া ২৭২ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করলেও দিক হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। প্রথম আঘাত হেনে শুরুটা করে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর স্পিনাররা তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৬.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১০১ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা।

৪৮ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে মুস্তাফিজ জুয়াওকে (৩৫) বোল্ড করে দিলে। দলীয় ৫৯ রানে ‘নাগিন’ অপুর ঘূর্ণিতে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর (৫)। ইমরুলের দুর্দান্ত থ্রো আর মুশফিকের দ্রুততায় অধিনায়ক মাসাকাজদা রান-আউট হন ২১ রান করে। বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের মুখে নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। বিপজ্জনক সিকান্দার রাজাকে মাত্র ৭ রানে বোল্ড করে দেন নাজমুল ইসলাম অপু। জিম্বাবুয়ের পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটান মেহেদী মিরাজ। তার মায়াবী ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে যান ক্রেইগ এরভিন।

এর আগে আজ রবিবার টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইমরুল কায়েসের সেঞ্চুরি আর সাইফউদ্দিনের দারুণ হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে বাংলাদেশ। সর্বশেষ ওয়ানডেতে ভারতের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা লিটন দাস আজ শুরু থেকে নড়বড়ে ছিলেন। চাতারার এক ওভারে ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে। দুইবার জীবন পেয়েও ৬ষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ক্যাচ তুলে দেন ১৪ বলে ৪ রান করা লিটন।

শেষ বলে অভিষিক্ত রাব্বি ‘ডাক’ মেরে ফিরেন প্যাভিলিয়নে। ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর লিটনের ওপেনিং সঙ্গী ইমরুল কায়েস মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে বিপদ সামাল দেওয়ার মিশনে নামেন। দুজনের জুটিতে ৪৯ রান আসার পর আবারও বিপদ। মাভুতার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মুশফিক (১৫)। তার সঙ্গী হয়ে হাত খুলে মারতে থাকেন মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু ১ চার ৩ ছক্কায় ৩৭ রানেই থামতে হয় তাকে। এরপর উইকেটে এসেই জার্ভিসের বলে ‘ডাক’ মেরে ফিরেন মাহমুদ উল্লাহ।

১৩৭ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলকে ভরসা দিতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ২ রান স্কোরবোর্ডে যোগ হতেই ১ রান করে জার্ভিসের তৃতীয় শিকার হন তিনি। সঙ্গীহীন হয়ে পড়া ইমরুলকে সঙ্গ দিয়ে যান সাইফউদ্দিন। ৮ নম্বর ব্যাটসম্যানকে নিয়েই ১১৮ বলে ৮ চার এবং ৩ ছক্কায় ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমরুল কায়েস। সেঞ্চুরির পর ইমরুলের ব্যাটে যেন আগুন ঝরতে থাকে। চাতারার করা ৪৬তম ওভারে দুই ছক্কা আর এক চার মারেন।

তার দেখাদেখি মারতে শুরু করেন সাইফউদ্দিনও। ১৪০ বলে ১৩ চার এবং ৬ ছক্কায় ১৪৪ রান করা ইমরুল জার্ভিসের বলে মুরের তালুবন্দি হলে ভাঙে ১২৭ রানের সপ্তম উইকেট জুটি। পাশাপাশি ৬৮ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সাইফউদ্দিন। ঠিক ৫০ রানেই চাতারার বলে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি। ইনিংসের তখন শেষ ওভার। মাশরাফি আজ বিগ হিট করার সুযোগ পাননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তুলে নিজেদের ইনিংস শেষ করে বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালি পেটে কলা খাওয়া ভুল!

অনলাইন ডেস্ক: সকালে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে পড়েছেন, খাওয়ার সময় পাননি।‌ কিংবা বিকেলে পড়া–ক্লাস সব সেরে আর খাওয়ার সময় পাওয়া যায়নি। অতএব উপায়!‌ দোকান থেকে কলা কিনে খেয়ে ফেলা। কারণ ফলের মধ্যে এটাই তো স্বাস্থ্যকর। রোজকার দিনে এরকম করে থাকেন এমন অনেকেই কিন্তু আছেন। পেট হয়ত ভরে গেল, কিন্তু জানেন কী?‌ খালি পেয়ে কলা খেয়ে আখেরে নিজেরই ক্ষতি করছেন।

উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম বিদ্যমান থাকায় কলা পুষ্টিকর একটি খাবার। এর নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। কলা হার্ট ভালো রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য, আলসারের মতো রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন বাড়াতে এবং অ্যানিমিয়া দূর করতেও কলার জুড়ি মেলা ভার। কলায় শতকরা ২৫ ভাগ চিনি থাকে এবং এগুলো শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু এগুলো তখনই হতে পারে, যখন পেট ভরা থাকে। খালি পেটে কলা খেলে কিন্তু সমূহ বিপদ।

খালি পেটে কলা খেলে কী হয়? পুষ্টিগুণের কারণেই অনেকে সকালে খালি পেটে কলা খেয়ে থাকেন। ভাবেন, অন্য অনেক খাবারের মতো এটিও শরীরে অনেক পুষ্টি জোগাবে। কিন্তু কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কলায় উচ্চ মাত্রার চিনি বিদ্যমান রয়েছে যা শরীরে শক্তি জোগাতে কাজ করে। তাই আপনি যদি সকালে খালি পেটে কলা খান, তাহলে আপনার শক্তি কয়েক ঘণ্টা পরই বেরিয়ে যাবে। এর ফলে আপনি অলস হয়ে পড়বেন। ক্লান্ত লাগবে এবং ঘুম পাবে। তাই খালি পেটে কলা না খাওয়াই ভালো।

অ্যাসিডিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় শুকনো কিছু খাবারের সঙ্গে কলা মিলিয়ে খাওয়া ভালো। তা না হলে শরীরে উচ্চ মাত্রার ম্যাগনেশিয়ামের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়। এতে হৃদয়ের রোগ হওয়ার শঙ্কাও দেখা দেয়। শুধু সকালে কলা নয়, বরং কোনো ফলই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। কারণ এখনকার দিনে সতেজ কোনো ফল খুঁজে পাওয়া যায় না বললেই চলে। এ ছাড়া ফলগুলোতে নানা রাসায়নিক থাকে। তাই সকালে খালি পেটে এসব খাবারের রাসায়নিকগুলো সরাসরি পেটে প্রবেশ করে। তখন পুষ্টি সরবরাহ করার বদলে এগুলো শরীরে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে। ‌‌

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest