সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

তিন তালাক শাস্তিযোগ্য অপরাধ: ভারতে নির্বাহী আদেশ

বিদেশের খবর: মুসলিম সমাজের মধ্যে প্রচলিত তিন তালাক প্রথাকে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার একটি অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

তিনবার তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদ দিলে এই আইন অনুযায়ী মুসলিম পুরুষদের তিন বছরের জেল ও আর্থিক জরিমানার বিধান থাকছে। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর খোরপোষ পাওয়ারও অধিকার থাকবে।

গত বছরের অগাস্টে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাককে বেআইনি ও অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এ ব্যাপারে আইন প্রণয়নের ভার তারা ছেড়ে দিয়েছিল সরকারেরই ওপর।

এরপর এই প্রথাকে শাস্তিযোগ্য করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘দ্য মুসলিম উইমেন প্রোটেকশন অব রাইটস ইন ম্যারেজ অ্যাক্ট’ নামে একটি বিলও আনে, যা সাধারণভাবে ‘তিন তালাক বিল’ নামেই পরিচিতি পায়।

গত বছরের ডিসেম্বরে ওই বিলটি ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় পাস হয়ে গেলেও রাজ্যসভায় সেটি বিরোধীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

অনেক বিরোধী দলের নেতাই যুক্তি দেন, ভাল করে খুঁটিয়ে দেখার জন্য বিলটিকে একটি সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো উচিত।

ওই বাধার মুখে বিলটি পাস করাতে না-পেরে সরকার এখন ঘুরপথে সেটিকে অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে আইনে পরিণত করল। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতের আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এরপর বিরোধী কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, “তাদের দলের সর্বোচ্চ নেত্রী একজন মহিলা (সোনিয়া গান্ধী), তা সত্ত্বেও নিছক ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য তারা পার্লামেন্টে আইন করে এই বর্বর প্রথা বন্ধ করতে রাজি হলেন না, সেটাই আশ্চর্যের ও দু:খের।”

তবে পার্লামেন্টে যে বিলটি আনা হয়েছিল, তার তুলনায় এদিন আনা অর্ডিন্যান্সে শাস্তির বিধান বেশ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

মূল বিলটিতে ছিল তিন তালাক হয়েছে বলে অভিযোগ যে কেউ আনতে পারেন, এমন কী প্রতিবেশীরাও। অর্ডিন্যান্সে অবশ্য বলা হয়েছে কেবল মাত্র তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী ও তার রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়রাই অভিযোগ আনতে পারবেন।

এমন কী, তিন তালাক দেওয়া স্বামী যদি আপষ মীমাংসায় রাজি থাকেন, তাহলে স্ত্রী-র সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ারও সুযোগ থাকছে অর্ডিন্যান্সে।

অভিযুক্ত স্বামীর এর আগে জামিন পাওয়ারও কোনও সুযোগ ছিল না। কিন্তু অর্ডিন্যান্সটি বলছে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর বক্তব্য শোনার পর বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করতে পারবেন।

কংগ্রেস এর আগে সরকারকে জানিয়েছিল, তারা পার্লামেন্টে বিলটিকে সমর্থন করতে রাজি – যদি কথা দেওয়া হয় যে তিন তালাক দেওয়ার অভিযোগে কোনও স্বামীর জেল হলে সে সময় তার স্ত্রীর আর্থিক ভরণপোষণের দায়িত্ব সরকারই নেবে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অবশ্য সে প্রস্তাব মেনে নেয়নি। তবে বিলের সমর্থনে তারা বেশির ভাগ রাজ্য সরকারের সমর্থন পেয়েছে বলেই দাবি করছে।

আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ এদিন আরও বলেছেন, শুধুমাত্র ভারতের মুসলিম নারীদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তার কথায়, “এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই জেন্ডার জাস্টিস (সব লিঙ্গের জন্য ন্যায়) নিশ্চিত করার জন্য, এর সঙ্গে ধর্ম বা ভোটের রাজনীতির কোনও সম্পর্কই নেই।”

এর আগে ভারতের বেশ কয়েকজন মুসলিম নারী একযোগে তিন তালাক নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন।

তাদের বক্তব্য ছিল, শুধু মুখে তিনবার তালাক উচ্চারণ করেই নয়, অনেক সময় ফোনে, হোয়াটসঅ্যাপে বা এসএমএস পাঠিয়েও তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটছে – আর তা চরম দুর্বিষহ অবস্থায় ফেলে দিচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার ওই নারীদের।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথাকে অসাংবিধানিক ঘোষণার পরও এই ধরনের ‘ইনস্ট্যান্ট’ বা তাৎক্ষণিক তালাক পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি।

গত অগাস্টে ওই রায় আসার পরও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অন্তত সত্তরটি এ ধরনের ঘটনার খবর এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মর্যাদার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়

খেলার খবর: এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলো রোহিত বাহিনী। পাকিস্তানের দেয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১২৬ বল বাকি থাকতেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই তারা পড়ে বড় বিপদে। স্কোর বোর্ডে ৩ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে সরফরাজ আহমেদের দল। শেষপর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের তোপে ১৬২ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান, ইনিংসের ৪১ বল বাকি থাকতে।

ভুবনেশ্বরকে আক্রমণ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরমুখী হন ইমাম উল হক (২)। এরপর ফাখর জামানও ভুল করে বসেন। ভারতীয় পেসারকে তুলে মারতে গিয়ে ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ক্যাচ হন তিনি, রানের খাতা না খুলেই।

তৃতীয় উইকেটে বিপদ কিছুটা সামলে উঠেছিলেন বাবর আজম আর শোয়েব মালিক। তাদের ৮২ রানের জুটিটি ভাঙার পর আবার যেন তাসের ঘর পাকিস্তান।

বাবর ৪৭ রান করে কুলদ্বীপ যাদবের বলে বোল্ড। এরপর ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে মনিশ পান্ডের দুর্দান্ত ক্যাচ হয়েছেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ (৬)।

পাকিস্তানের অবস্থা আরো খারাপ হয় শোয়েব মালিক ৪৩ রানে রানআউটের ফাঁদে পড়লে। কিছুক্ষণ পরই আউট হয়ে যান এক বল আগেই বড় ছক্কা হাঁকানো আসিফ আলি (৯)।

শেষদিকে ফাহিম আশরাফ আর মোহাম্মদ আমির দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আশরাফ ২১ রান করে আউট হন। আমির অপরাজিত ছিলেন ১৮ রান নিয়ে।

ভারতের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন কেদর যাদব আর ভুবনেশ্বর কুমার। জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার ২টি।

পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার ও কেদার যাদব। উভয়ই নেন ৩টি করে উইকেট। যোগ্য সহযোদ্ধার মতো এ দুইজনকে সমর্থন দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তার শিকার ২ উইকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ আলী সুমন ও সাধারণ সম্পাদক একেএম তৌহিদুর রহমান শাইন স্বাক্ষরিত এক পত্রে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- সভাপতি মহানন্দ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্যা আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মির্জা), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কমলেশ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সোলাইমান হোসেন কাজল, স্থাণীয় উন্নয়ন সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান সরদার, পরিবহন হাফিজুল ইসলাম গাজী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহাজান গাইন, কৃষি সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক কবির সরদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক শামীম অক্তার মুকুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শেখ হুমায়ুন কবির, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শ্যামল কুমার মন্ডল, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক পবন কুমার সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হায়দার আলী, সাংস্কৃতি সম্পাদক রুহুল আমিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিকা রাণী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদ আলাউদ্দীন এর হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে  মানববন্ধব

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা শহীদ স. ম আলাউদ্দীন এর হত্যাকারীদের দ্রত বিচার ও ফাসির দাবিতে মানববন্ধব ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে কদমতলা বাজারস্থ বৈকারী সড়কে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে কদমতলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সেলিম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিল্লুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সম্মিলিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সেলিম হোসেন, সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম, ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দীন, জেলা সৈনিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম, বল্লী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শামীম আক্তার, আগরদাড়ি ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন বয়াতী, আগরদাড়ি ইউপি সদস্য এরশাদ আলী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান, ইকরামুল কবির, আব্দুল হাকিম, আশিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের আগরদাড়ি ইউনিয়নের কবিরুল ইসলাম, মোমিন, রবিউল ইসলাম, আবুল কালাম, বাবলু, খায়রুল, বাবুল, আসাদুল, আসারুল, সোহেল, শফিকুল, নুর ইসলাম, শাহীনুর, মিঠু, শওকত, জাহিদ, রফিকুল সহসকল পেশাজীবীবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ স .ম আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার গর্ব। তিনি ছিলেন ভোমরাস্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, আধুনিক সাতক্ষীরার রুপকার। তিনি পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় কিছু দুস্কৃতিকারীদের গুলিতে নিহত হন। তাঁর বিচারিক কার্যক্রম এখনও চলমান। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহন প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুনিরা এখনও স্বোচ্চার রয়েছে যাতে করে স্বাক্ষীরা স্বাক্ষ্য দিতে না পারে। সমাবেশে বক্তারা খুনিদের খুজে বের করে দ্রুত বিচার কার্যকর ও ফাঁসির দাবি জানান। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহন করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর ইউছুফ হত্যার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শরু হয়েছে। মামলার বাদী’র স্বাক্ষ্য নিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক। এদিকে, মামলার অন্য স্বাক্ষীরা যাতে আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে আসতে না পারে সেজন্য আসামী পক্ষ নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে বাদী পক্ষ জানিয়েছেন। এমনকি নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগছেন তারা।
মামলার বাদী সাতক্ষীর্রা কালিগঞ্জ উপজেলার মুড়াগাছা গ্রামের মোহর আলী গাজীর ছেলে আব্দুস সাত্তার গাজী জানান, একই গ্রামের অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী প্রতিবেশি হওয়ায় উভয় পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে মোমিনের স্ত্রী রহিমা বেগম শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলী গ্রামে তার বাবা বশির সরদারের বাড়ীতে যেয়ে বসবাস শুরু করে। এরপরও তাদের সাথে তার (বাদী) সেজো ভাই ইউছুফ আলী গাজী যোগাযোগ রাখে এবং ওই বাড়ীতে যাতায়াত করে। ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রহিমা বেগমের বাড়ীতে দাওয়াত খেতে যায় তার ভাই ইউছুফ। রহিমার জামাই কালিগঞ্জের মুড়াগাছা গ্রামের মানিক সরদারের ছেলে জালাল উদ্দীন ইউছুফকে সন্ধ্য বেলা বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ইউছুফ আলী নিখোঁজ থাকে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শ্যামনগরের চুনা নদীতে বস্তায় ভরা পঁচা, ফুলে ফেপে যাওয়া ইউছুফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে ইউছুফকে হত্যা করে চটের বস্তায় ভরে ইট দিয়ে চুনা নদীতে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা। এব্যাপারে ইউছুফের ভাই আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৫। তারিখ-১৪-০৯-২০১৩। ধারা ৩০২/৩৪/২০১ পেনাল কোড। মামলায় আসামী করা হয় অমেদ আলী গাজীর ছেলে মোমিন গাজী , স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে মুন্নী ও জামাই জালাল উদ্দীন গাজীসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন। বাদী আরো জানান, দাওয়াত খেতে যাওয়ার দিন তাদের মাছের ঘরের আদায়কৃত এক লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা সাথে করে নিয়ে যায় তার ভাই ইউছুপ।
ঘটনার কয়েক বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার কার্যক্রমে স্বাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও হুমকি ধামকিসহ আসামীদের নানান ধরণের চাপ অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে বাদী আব্দুস সাত্তার আরো জানিয়েছেন, মামলা দায়েরের কয়েকমাস পর ২০১৪ সালের ১৯ আগষ্ট তারিখে সাতক্ষীরা আদালত থেকে বিকালে বের হলে আসামীরাসহ কয়েকজন ছুরি, ইট ও লোহার রড দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। এতে তিনি মারাত্মক জখম হন। এব্যাপারে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আরো একটি মামলা করেন বাদী। মামলা নং-সি,আর,পি ৩৪৭/১৪ (সাতঃ)।
বাদী পক্ষের আইনজীবি জহুরুল হক জানান, সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ১১ সেপ্টেম্বের মামলার বাদী স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার অপর স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য নেবেন বিজ্ঞ বিচারক। আইনজীবি আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত মামলার রায় পাবো এবং হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে আসাদুজ্জামান বাবুর সৌজন্য সাক্ষাত

 

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন সাতক্ষীরা সদর- ২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতক্ষীরা উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। বুধবার সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হয়ে তিনি নেত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় জননেত্রী সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খোজ খবর নেন। উল্লেখ্য: আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু দীর্ঘদিন ধরে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, মসজিদের মুসুল্লীদের মাঝে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারসহ বিভিন্ন ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক সবুজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন শাখার ১৪সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- আহবায়ক মোঃ এনামুল হোসেন সবুজ, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বকুল হোসেন, মোঃ মহরম হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত, শ্রী নীষাণ কুমার গাইন, সদস্য সচিব নাজমুল হুদা, সদস্য সবুজ হোসেন, সালাম হোসেন জয়, শ্রী সাগর কুমার মন্ডল, আলফাজ হোসেন, সজীব হোসেন, জাকির হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, শিমুল হোসেন, আলী হোসেন প্রমুখ। উক্ত আহবায়ক কমিটিকে ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এবং মোঃ আলফাজ হোসেনকে দেবহাটা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মনোনিত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৭ বছর পর আসিফের সঙ্গে ফিরলেন নিশো

বিনোদনের খবর: বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবরের গানের মডেল হলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ফারহানা নিশো। ‘তোমাকে যেন ভুলে যাই’ গানটির ভিডিতে মডেল হয়েছেন তিনি। গানটির কথা, সুর সঙ্গীত করেছেন তরুন মুন্সী। গেলো শুক্রবার এবং শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে মিউজিক ভিডিওটির শুটিং হয়েছে।
আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া ‘কষ্ট’ গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন টেলিভিশন উপস্থাপক ফারহানা নিশো। সেটা ২০০১ সালের কথা। মাঝে আর কোনো গানের ভিডিওতে পাওয়া যায়নি মডেল নিশোকে। এবার দীর্ঘ ১৭ বছর পর আসিফ আকবরের গাওয়া ‘তোমাকে যেন ভুলে যাই’ গানের ভিডিওতে মডেল হিসেবে ফিরলেন নিশো। এ ভিডিওতে নিশোর সঙ্গে গায়ক আসিফকেও দেখা যাবে।

এ প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে নিশো বলেন, ‘আমি জানতাম না এই গানের মডেল হতে হবে আমাকে। আসিফ ভাই আমাকে গানটি শোনান। আর গানটি শুনেই ভীষণ ভালো লেগে যায়। তারপর বলা হলো কাজটিতে আমাকে নেয়ার ব্যাপারে। আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আনন্দের। আমি তো মডেল নই। একজন উপস্থাপক। তবে এবার আসিফ ভাইয়ের উত্সাহেই গানের মডেল হয়েছি।’
ভিডিওর গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এতে আসিফ আকবর ও আমার বাস্তব জীবন তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আমাকে একজন সফল উপস্থাপক ও আসিফ আকবরকে সফল গায়ক দেখানো হয়েছে।’
আসিফ আকবর বলেন, ‘গানটি মেলো রোমান্টিক ঘরানার। এতে আমার বিপরীতে রয়েছেন ফারহানা নিশো। ও অনেক বছর পর কোনও গানের ভিডিওতে কাজ করছে। এটা দারুণ একটি বিষয়। আমার ভক্তদের জন্যে এটা দারুণ এক উপহার হতে যাচ্ছে।’
গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন সৈকত নাসির। নির্মাতা জানান, ২৭ সেপ্টেম্বর ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে গানটির ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest