সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

কেটে গেলে রক্তপাত বন্ধের ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক: মাছ কিংবা সবজি কাটতে গিয়ে অনেকসময় হাত কেটে যায়। এতে প্রচুর রক্ত বের হতে পারে যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। এমন সময় দ্রুত রক্তপাত বন্ধের প্রয়োজন পড়ে। তাই জেনে নিন সহজে ও ঘোরোয়া উপায়ে রক্তপাত বন্ধের উপায়।

কফি পাউডার
কফির গুঁড়ো রক্তপাত বন্ধ করতে বেশ কার্যকর। যে স্থানে রক্ত পড়ছে সেখানে খানিকটা কফির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে।

বরফ
রক্তপাত বন্ধের সহজলভ্য একটি উপায় হল বরফ। কেটে যাওয়া স্থানে কয়েকটি বা একটি বরফের টুকরো চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

লবণ পানি
লবণ পানি ভাল প্রাকৃতিক প্রতিষেধক । কিছু পানির মধ্যেএক চিমটি লবণ দিয়ে দিন। এবার কাঁটা হাতটি পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। প্রথমে একটু জ্বালাপোড়া করবে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।

হলুদের গুঁড়ো
হলুদ গুঁড়ো দিয়ে খুব সহজে রক্ত বন্ধ করা যায়। হলুদ হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। কাটা স্থানে কিছু পরিমাণ হলুদের গুঁড়ো লাগিয়ে নিন। দেখবেন রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে।

টি ব্যাগ
হাত বা পা কেটে গেলে সেই জায়গায় ব্যবহৃত টি ব্যাগ অথবা নতুন টি ব্যাগ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল

অনলাইন ডেস্ক: জলপাই তেল যা অলিভ অয়েল হিসেবে পরিচিত আমাদের সকলের মাঝে। একটি সাধারণ তেল হলেও প্রভূত উপকার করে থাকে এই তেল। বিজ্ঞানীদের মতে, জলপাই তেলে এমন উপাদান রয়েছে, যেগুলো আমাদের শরীরকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখে। সারা বছর ময়েশ্চারাইজার হিসেবে সহজেই ব্যবহার করা যায় অলিভ অয়েল। অনেকেই ভেবে থাকেন যে তৈলাক্ত ত্বকে তেল ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হবে বা ব্রণের সমস্যা হতে পারে।

কিন্তু অলিভ অয়েল এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে সজীব করে এবং পরিষ্কার রাখে। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকেও ত্বককে রক্ষা করে অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল এ রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার যেমন- মানুষের ত্বকে নিয়মিত মৃত কোষ জমে। আর এই মৃত কোষগুলোর জন্য ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। অলিভ অয়েল এর সাথে লবণ মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন মুখ, হাত কিংবা পায়ে। ধীরে ধীরে এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে হাত ও পায়ে অলিভ অয়েল এর হালকা ম্যাসাজ নিতে পারেন। এতে কালচে ভাব দূর হয়ে হাত ও পায়ের ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং মসৃণ থাকে।

যাদের ঠোট শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে তারা নিয়মিত দিনে ২-৩ বার ১ ফোটা অলিভ অয়েল নিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে শুকনো ভাব থাকবে না এবং কালচে দাগও কমে যাবে।

নখের যত্নে নিয়মিত অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকের নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা থাকে বা নখের চারপাশ থেকে চামড়া উঠে। এসব চামড়া ওঠা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করুন হাত ও পায়ের নখে। এতে নখ থাকবে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ও সুন্দর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বেলের বিনিময়ে হ্যাজার্ডকে চায় রিয়াল

খেলার খবর: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুভেন্তাসে চলে যাওয়ার পর তার শূন্যস্থান এখনো পূরণ করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। তবে এবার বড় তারকা হিসেবে এডেন হ্যাজার্ডকে চায় স্প্যানিশ দলটি। এজন্য দলের তারকা ফরোয়ার্ড গ্যারেথ বেলকে বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত তারা।
স্প্যানিশ পত্রিকা ওকে দিয়ারিওর দাবি, হ্যাজার্ডকে কেনার অংশ হিসেবে গ্যারেথ বেলকে অন্তর্ভুক্ত করে চেলসিকে একটি প্রস্তাবও দিয়েছে রিয়াল। কিছুদিন আগেই এক সাক্ষাত্কারে রিয়াল মাদ্রিদকে নিজের স্বপ্নের ক্লাব বলে আখ্যায়িত করেছিলেন হ্যাজার্ড। তবে এই উইঙ্গারটি এটাও জানিয়েছিলেন জানুয়ারিতেই চেলসি ছাড়বেন না তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; জোটের আবর্তে রাজনীতি

দেশের খবর: ভোট এলেই বাড়ে জোটের সংখ্যা। এবারও ব্যতিক্রম নয়। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জোট-মহাজোট গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোতে নীরব প্রতিযোগিতা চলছে।
নিজেদের ঐক্য অটুট রেখে অন্য জোট ভাঙতে নানা কৌশল প্রয়োগে ব্যস্ত নেতারা। ফলে জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক দল। এতে যেমন এক দিকে ভাঙছে, তেমনি অন্য দিকে গঠিত হচ্ছে নতুন জোট। নিজেদের গুরুত্ব বাড়াতে অনেক দল নতুন করে জোট বাঁধার পরিকল্পনা আঁটছেন।
এ অবস্থায় ভোটের মাঠে গুরুত্বহীন অনেক দল প্রধান দুটি রাজনৈতিক ধারার একটির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে মরিয়া। যে কোনো ভাবে ক্ষমতার কাছাকাছি যাওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। ফলে আদর্শ নয় জোটের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনীতি। নিজের পায়ে ভর করে ছোট দলগুলোর নেতারা ক্ষমতায় যাবেন বা এমপি হবেন এমন সুযোগ খুব বেশি নেই। তাই তারা জোট-মহাজোটের সান্নিধ্যে থেকে এমপি-মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। আদর্শ, নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে তারা এক জোট ছেড়ে অন্য জোটে ভিড়েন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটমুখী রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে প্রাধান্য পাচ্ছে ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থ। অতীতে যেসব দলের মধ্যে ঐক্য হয়েছে তাদের মধ্যে নানা দিক দিয়ে ন্যূনতম মিল ছিল।
পুরোপুরি না হলেও নেতারা আদর্শের কাছাকাছি ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে সেই ধারা প্রায় বিলুপ্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ভোট এলেই জোট বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ জোট হওয়ার পেছনে আদর্শের কোনো প্রেরণা কাজ করে না। ছোট দলগুলো বড় দলের আশপাশে, বিশেষ করে যাদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, বর্তমানে যে ঐক্য প্রক্রিয়া বা ২০ দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা ১৪ দলে ভেড়ানোর কথা বলি সব কিছুর পেছনেই কাজ করে স্বার্থ। আদর্শ এখানে কার্যকর নয়।

শাসক দল সূত্রে জানা গেছে, এ মুহূর্তে অনেক দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটে যোগ দিতে চাচ্ছে। এতে তাদের জোটের আকার বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বৃহৎ আকারের জোট নিয়ে মাঠে নামতে পারে দলটি। যারা আসতে চাচ্ছে তাদের নিয়ে কাজ করার জন্য একাধিক নেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা আগ্রহী এবং জোট ছুট দলগুলোর সঙ্গে কথা বলছেন। বাম ও ইসলামী ভাবধারার কয়েকটি জোটও আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

তবে বিএনপি ও ড. কামালের জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ‘নির্বাচনী ঘোষণা’ না আসা পর্যন্ত জোটের, ভোটের ও আসন বণ্টনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাত দেবে না শাসক দল।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ২০ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পরিধি বাড়াতে কাজ করছে বিএনপি। জোট থেকে অন্য কোনো দল যাতে বেরিয়ে না যায় সেজন্য নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

জোটের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট আরও বড় হতে পারে। অনেকেই জোটে আসতে চাইছে।
অনেকেই আবার নিজেরাই আলাদা জোট গঠন করতে চাচ্ছেন। এরা বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ কারও সঙ্গেই থাকবে না। এমন জোটও হতে পারে। তফসিলের আগে আগে সব কিছু পরিষ্কার হবে বলেও জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেন, জোট- মহাজোটের রাজনীতি আমি খারাপভাবে দেখছি না।
তবে এক্ষেত্রে দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম আদর্শিক মিল থাকতে হবে। কিন্তু বর্তমানে দেখা গেছে, অনেক দল আদর্শের চেয়ে ব্যক্তি স্বার্থেই বিভিন্ন জোটে ভিড়ছে। তিনি বলেন, ২০ দল অটুট আছে। এ জোট ভাঙছে না। ব্যক্তি স্বার্থে দু-একজন চলে গেলেও তার কোনো প্রভাব জোটে পড়বে না।
দুটি দল যে অভিযোগে জোট ছেড়েছে তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। এখনও তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। আসন ভাগাভাগির প্রশ্ন আসছে কেন।

জানা গেছে, দেশে জোটবদ্ধ রাজনীতির ইতিহাস বেশ পুরনো। সর্বশেষ ১৩ অক্টোবর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপি, আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য নিয়ে নতুন এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে সম্প্রতি ধর্মভিত্তিক নতুন জোট হয়েছে।
নাম ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স। এর আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল এবং বিএনপির নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট গঠন হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে আছে সম্মিলিত জাতীয় জোট।

তিন বড় দলের বাইরেও একাধিক জোট গঠিত হয়েছে। নতুন জোট গঠিত হচ্ছে। অনেক দল আছে যারা এখনও কোনো জোটে যোগ দেয়নি। কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এমন একটি দল। দলটি এখন পর্যন্ত কোনো জোটে যোগ দেয়নি।

বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টে তার যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত যাননি। শেষ পর্যন্ত তিনি কোনো জোটে যোগ দেন কিনা তা সময় বলে দেবে। বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, জাসদ (রব) সভাপতি আ স ম রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না নিয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে সম্প্রতি।
বিকল্পধারাকে বাদ দিয়ে যুক্তফ্রন্টের দুই শরিক নতুন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেয়। এর ফলে যুক্তফ্রন্টের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

১৮ জুলাই বামপন্থী আটটি দল নিয়ে একটি জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। নাম দেয়া হয় ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট’। এ জোটে আছে সিপিবি, বাসদ, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন।

এ জোটের একটি অংশ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সবাই যোগ না দিলে জোটটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও আছে।
সূত্র জানায়, নির্বাচনী জোট বাঁধতে নানামুখী প্রস্তাব পাচ্ছে আওয়ামী লীগ। জোটের নীতি-আদর্শের সঙ্গে পুরোপুরি মিল রয়েছে এমন দলগুলোকে ১৪ দলীয় জোটে নেয়ার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।

সমমনা কিন্তু আদর্শিকভাবে পুরোপুরি মিল নেই তাদের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য করে, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করা যায় কিনা তা ভাবা হচ্ছে। আর যেসব দল বা জোট সরাসরি ১৪ দলে আসবে না নির্বাচনে তাদেরও যুগপৎভাবে রাখা যায় কিনা, সেই চিন্তা করছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে থাকা ইসলামী দলগুলো জোটে আসতে চাচ্ছে। ইসলামী ভোটব্যাংকে ভাগ বসাতে বিভিন্ন ফরম্যাটে এ ধরনের দলগুলোকে ঐক্যে আনা যায় কিনা সে বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এর অংশ হিসেবে ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ, জাকের পার্টি, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বেশ কয়েকটি দলের নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কথাবার্তা চলছে।
জোটে যোগদানে আগ্রহীদের ব্যপারে অনেক দিন ধরে কাজ করছেন ১৪ দলের মুখপাত্র আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, জোটে অনেকেই আসতে চায়।
তবে আমরা বলেছি জোটের আদর্শ ‘ধর্মনিরপেক্ষ, প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’য় বিশ্বাসী যে কোনো দল জোটে আসতে পারে। এর বাইরে নির্বাচনী মহাজোট তো আছেই।

আগামী নির্বাচনের আগে নির্বাচনী মহাজোটের পরিধি বাড়বে এটি এখনি বলা যাচ্ছে না। দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলাপ করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ইতিমধ্যে রাজনৈতিক বেশ কয়েকটি দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন ওবায়দুল কাদের। ২৪ জুলাই সিপিবি অফিসে যান তিনি। সেখানে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক শাহে আলমের সঙ্গে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন।

সিপিবি একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট না বাঁধলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। ২৬ জুলাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে আলোচনা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

কয়েক দিন পর বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের সঙ্গে সরাসরি এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান ও তরিকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে ধর্মভিত্তিক ১৫ দলীয় জোট, ১০ দল নিয়ে ‘ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক জোট’সহ ছোট ছোট অনেক দল ও জোট আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগ দিতে চায়।

এদিকে হঠাৎ করে ২০ দলের ভাঙাগড়ার পেছনেও স্বার্থের দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি যে কারণ দেখিয়ে জোট ত্যাগ করে বাস্তব চিত্র তার উল্টো। জোটের অন্য শরিকদের দাবি, কোনো প্রলোভনে পড়েই তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ব্যক্তি স্বার্থ চিন্তা করেই দুটি দল জোট ছেড়েছে। ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বিকল্পধারার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে জোটে গানি যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। এনডিপিও একই পথ অনুসরণ করতে পারে।

সূত্র জানায়, ২০ দলীয় জোট থেকে দুটি দল সরে গেলে তাদের একাংশ জোটেই থাকছে। এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলটির জ্যেষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মুকাদ্দিমকে নতুন চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মো. ওসমান গনি পাটোয়ারীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়েছে।

তাদের নেতৃত্বেই দলটি ২০ দলীয় জোটে থাকবে বলে জানা গেছে। এছাড়া বাংলাদেশ ন্যাপের সাংগঠনিক সম্পাদক এমএন শাওন সাদেকীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শাওনের নেতৃত্বে ন্যাপের অংশটি ২০ দলে থাকবে।

সূত্র জানায়, জোট থেকে আরও কয়েকটি শরিককে বের করে নিতে চাপ রয়েছে। বিশেষ করে জোটের যেসব দলের নিবন্ধন রয়েছে ওই দলগুলোকে টার্গেট করা হয়েছে। বাংলাদেশ মুসলিম লীগসহ আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে ইতিমধ্যে জোট ভাঙার নেপথ্যের কারিগররা যোগাযোগ করেছেন।

তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে মুসলিম লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান খান বলেন, তার দলের জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার যে গুঞ্জন উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা জোটে আছি এবং থাকব। জোটের ঐক্যে ফাটল ধরাতেই কোনো একটি গোষ্ঠী এ ধরনের গুঞ্জন ছড়াচ্ছে।

জানা গেছে, জোট থেকে দুই শরিক চলে যাওয়ায় বিএনপির নীতিনির্ধারকরাও বেশ তৎপর। তারা শরিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন। কারও কোনো অভিযোগ বা ক্ষোভ থাকলে তা জানার চেষ্টা করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
জোটের শরিক লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা একটা লক্ষ্য ও আদর্শ নিয়ে জোট গঠন করেছিলাম। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়া। আমাদের সেই লক্ষ্য এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। এ লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের সংগ্রাম চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০০ কোটির সাফল্য বাবাকে উৎসর্গ করলেন জুনিয়র এনটিআর

বিনোদনের খবর: ভারতের দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা জুনিয়র এনটিআরের নতুন সিনেমা ‘অরবিন্দা সামেতা বীরা রাঘবা’ চলতি সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে। প্রথম সপ্তাহেই সিনেমাটি রেকর্ড ব্রেকিং ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছে।
অ্যাকশন ঘরনার এ সিনেমাটি এরই মধ্যে ১২০ কোটি রুপি আয়ের রেকর্ড গড়েছে। ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করা এটি এনটিআরের তৃতীয় সিনেমা।
আর এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সিনেমাটির নায়ক জুনিয়র এনটিআর। সিনেমাটির দারুণ রিভিউতে সন্তুষ্ট জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া এ সাফল্য তার প্রয়াত বাবাকে উৎসর্গ করেছেন এই অভিনেতা।
এক সাক্ষাৎকারে জুনিয়র এনটিআর বলেন, যে দর্শকরা সিনেমাটিকে সুপারহিট করেছেন তাদের প্রতি আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আমি মনে করি এই পুরো কৃতিত্ব সিনেমাটির পরিচালক ত্রিবিক্রম শ্রীনিবাসের। তিনি আমাকে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়েছেন। আমি এমন একটি টিমের সদস্য হয়ে কাজ করতে পেরে অনেক আনন্দিত।

জনপ্রিয় অভিনেতা সিনেমাটির সাফল্যের কারণে তার মাকে আনন্দিত হতেও দেখেছেন বলে জানান।
‘আমি অনেক দিন পর আবার আমার মায়ের মুখে হাসি দেখতে পেয়েছি (আমার বাবার মৃত্যুর পর)। আমি মনে করি এক কথায় এটা আমার জন্য আশীর্বাদ। আমি এই সাফল্য আমার প্রয়াত বাবাকে উৎসর্গ করলাম,’ যোগ করে বলেন ‘টেম্পার’খ্যাত অভিনেতা।

গত ২৯ আগস্ট জুনিয়র এনটিআরের বাবা ও ভারতের দক্ষিণের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা নন্দমুরি হরিকৃষ্ণ (৬১) গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন।
‘অরবিন্দা সামেতা বীরা রাঘবা’তে জুনিয়র এনটিআরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে। আরও অভিনয় করেছেন ঈষা রেব্বা, সুনীল, যজ্ঞপতি, বাবু, নাগা বাবু প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাল শাকের নানা স্বাস্থ্য গুন

অনলাইন ডেস্ক: লাল শাক আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান একটি সবজি। অনেকেই লাল শাক পছন্দ করেন। কেও রঙের কারণেও লাল শাক পছন্দ করে থাকেন। লাল শাকে নানা গুনাবলী রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। মার্কিন এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়। এছাড়া লাল শাক খেলে ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে। নিয়মিত লাল শাক খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. লাল শাক ক্ষিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। লাল শাকে উপস্থিত কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়।

২. নিয়মিত লাল শাক খেলে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

৩. লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৪. লাল শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফাইবার হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া এটি গ্যাস্ট্রিকের জন্যও উপকারী।।

৫. লাল শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

৬. নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে। অন্যদিকে লাল শাক খেলে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়।

৭. নিয়মিত লাল শাক খেলে শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ কারণে এটি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: কোলেস্টেরল হল শরীরের তেল জাতীয় একটি পদার্থ। কোলেস্টেরল শরীরের ধমনী প্রাচীর এবং হরমোন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।কিন্তু কোলেস্টেরল বেশি থাকা শরীরের জন্য খারাপ। এ কারণে শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না রাখলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কিছু কিছু খাবার খেতে পারেন। এগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে।

১. দই আমোদের অনেকেরই পছন্দের খাবার। আবার অনেকে দই পছন্দ করেন না। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে দই যে খেতেই হবে। দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

২. আমাদের অনেকেরই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাওয়ার অভ্যাস নেই। তিন বেলা শুধু খাবারের সঙ্গে পানি খাওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকেরই। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ গ্লাস বা তার চেয়ে বেশি পানি পান করলে উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমপক্ষে ৫০ ভাগ কমে।

৩. অনেকেই বিদেশি ফলে আসক্ত। জাম্বুরার মতো দেশি ফল অনেকেরই নাস্তার টেবিলে জায়গা পায়না। কিন্তু জাম্বুরার রয়েছে নানা গুন। জাম্বুরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হৃদরোগের জন্যও উপকারী। এছাড়া এটি ওজন কমাতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে ভূমিকা রাখে।

৪. রান্নায় আমরা মসলা হিসেবে আদা ব্যবহার করে থাকি। আদা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ গ্রাম পরিমাণ আদা খাওয়া উচিত।

৫. ইতিমধ্যেই গ্রিন টি তার নানা গুনের কারণে বেশ জনপ্রিয় উঠেছে। উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্লাভোনাল হৃদরোগ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।

৬. আপনার দৈনিক খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ফল এবং শাকসবজি রাখুন। যেসব খাবারে ফাইবার বা আঁশ থাকে সেগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

৭. ধূমপান পরিহার করুন। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়ামও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: স্বাস্থ্যসম্মত জীবনব্যবস্থা বজায় রাখলে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকখানি কমানো যায়। এ জন্য করণীয় হলো- ধূমপান না করা, ব্লাড প্রেসার জানা এবং কন্ট্রোল করা, নিয়ম করে হাঁটা বা হালকা দৌঁড়ানো, দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করা।
সতর্কভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, কোলেস্টেরল এবং চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া, নিয়মমাফিক খাবার খাওয়া, মাদক না নেওয়া, মদ্যপান না করা।

রক্তচাপ কম থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারের তালিকা গঠনের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। অর্থাৎ এমন অনেক খাবার আছে যা খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৭ শতাংশ কমিয়ে ফেলা যায়। তাই আজই এই খাবারগুলো দিয়ে সাজিয়ে ফেলুন আপনার খাবারের তালিকা এবং কমিয়ে ফেলুন স্ট্রোকের ঝুঁকি।

মাছ:
হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল প্রায় ১২ বছর ধরে ৫০০০ পূর্ণ বয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করে যাদের বয়স ৬৫ বছর অথবা তার বেশি। এই গবেষণায় দেখানো হয় যে, যারা সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন মাছ খান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৭ শতাংশ কম। যেসব মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ রয়েছে সেসব মাছ রক্তের প্রবাহ বাড়ায় এবং রক্তচাপ কমায়। আর খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে মাছ রাখা মানে লাল মাংসের জায়গা কমে যায়। যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

ওটমিল:
রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকলে তা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই সর্বপ্রথম আপনার উচিত হবে রক্তে কোলেস্টেরল কমানো। তার জন্য ওটমিল বেশ ভালো। ওটমিলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে যা ক্ষুধা মেটায় কিন্তু ক্যালরি বা কার্বো কম বাড়ায়। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে আপনি প্রতিদিন ওটমিল খেতে পারেন।

বাদাম:
বলা হয় প্রতিদিন এক মুষ্টি বাদাম আপনাকে কোলেস্টেরল থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। তাই কয়েক ধরনের বাদাম মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক মুঠ বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ আপনার কোলেস্টেরল যত কম থাকবে, রক্তচাপও ততটাই কম থাকবে। আর রক্তচাপ কম থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকির পরিমাণও কম থাকবে।

মিষ্টি আলু:
রাতের খাবারে অন্যান্য আইটেমের পাশাপাশি মিষ্টি আলু রাখতে পারেন। এটা অনেক বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। পাশাপাশি মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এটা আপনার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে।

কলা:
বেশি পরিমাণে পটাশিয়াম খেলে আপনার রক্তচাপ কমবে। যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম বেশি পরিমাণে খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। তবে কাঁচা কলা রক্তচাপ কমাতে আরও বেশি সহায়ক বলে জানিয়েছেন দেশটির চিকিৎসক মিশেল রুথেনস্টাইন। তিনি বলেন, কাঁচা কলা স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাই হলুদ কলার পরিবর্তে বাজার থেকে সবুজ রঙয়ের কলা কিনতে হবে।

লাউয়ের বীজ:
স্ট্রোক নামের জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২২ শতাংশ কমে যায়। লাউয়ের বীজে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম আছে। এ কারণে নিয়ম করে লাউয়ের বীজ খেতে হবে।

পুঁইশাক:
পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড রয়েছে। আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশনের এক গবেষণা বলছে, এটা উচ্চ রক্তচাপে থাকা ব্যক্তিদের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এজন্য একেবারেই সহজলভ্য এই শাক নিয়মিত খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest