সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের পদত্যাগ

বিদেশের খবর: ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছেন। ‘#মি টু’ আন্দোলনে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠায় পদত্যাগ করলেন তিনি। যদিও শুরু থেকেই তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। অভিযোগ তোলায় একজনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেছিলেন আকবর।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৭ বছর বয়সী এম জে আকবর আজ এক বিবৃতিতে বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনি পদত্যাগ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ব্যক্তিগতভাবে মোকাবিলা করে আদালতে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মনে করেন তিনি।

যদিও অভিযোগ ওঠার শুরুর দিকে পদত্যাগের দাবি উঠলে তা নাকচ করে দিয়েছিলেন এম জে আকবর। গত সোমবার তিনি নারী সাংবাদিক প্রিয়া রামানির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন। মামলার এজাহারে প্রিয়া রামানির অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, প্রিয়া তাঁর সুনাম নষ্ট করার জন্য ভেবেচিন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মানহানিকর সম্পূর্ণ মিথ্যা এই অপপ্রচার চালিয়েছেন। এর আগেরদিন রোববার তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই অভিযোগের ব্যাপারে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন তিনি।

৮ অক্টোবর আকবরের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ করেন সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। তিনি টুইট বার্তায় জানান, আকবর তাঁকে যৌন হয়রানি করেছেন বলে বছরখানেক আগে তিনি এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন। ওই সময় হলিউড তারকা হার্ভি ওয়াইনস্টিনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘#মি টু’ আন্দোলন চলছিল।

প্রিয়া রামানির পর আকবরের বিরুদ্ধে আরও ১১ নারী যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেন। তাঁরা হলেন, প্রেরণা সিং বিন্দ্রা, ঘজালা ওয়াহাব, সুটাপা পাল, আনজু ভারতি, সুপর্ণা শর্মা, সোমা রাহা, মালিনী ভুপ্তা, কণিকা গৌলত, কদমবারি এম ওয়েড, মাজলি দ্য পু ক্যাম্প ও রথ ডেভিড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে আরও সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: সৌদি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পারস্পরিক স্বার্থেই আপনাদেরকে বাংলাদেশে ব্যবসা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী চিন্তা নিয়ে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, যাতে উন্নয়ন অভিযাত্রায় একে অন্যের হাতে হাত রেখে চলতে পারি। সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। এ ব্যাপারে বর্তমান সরকারের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বাদশাহ সৌদ রাজপ্রাসাদে সৌদি আরবের ব্যবসায়ীদের সংগঠন সৌদি চেম্বার এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
সৌদি ব্যবসায়ীদের সামনে বাংলাদেশে বিনিয়োগের লাভজনক খাতগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি উদ্যোক্তাদেরকে বিভিন্ন উদীয়মান খাত যেমন— পুঁজি বাজার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, টেলিকমিউনিকেশন এবং তথ্য প্রযুক্তি, পেট্রোকেমিক্যাল, ওষুধ শিল্প, জাহাজ নির্মাণ এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বাংলাদেশ।’

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে হাল্কা প্রকৌশল শিল্প, ব্লু-ইকোনমি, গবেষণা, উন্নয়ন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, পানি ও সমুদ্রসম্পদ, অন্যান্য ভৌত অবকাঠামোগত প্রকল্পে এবং সেবামূলক খাত যেমন— ব্যাংকিং এবং অর্থনীতি, লজিস্টিক এবং মানবসম্পদ খাতেও বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাই।’
প্রধানমন্ত্রী এসময় বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সব চেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকা এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিকহারে মুনাফা নিয়ে দেশে ফেরার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। যার মধ্যে রয়েছে— আইন দিয়ে সুরক্ষিত সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ট্যাক্স হলিডে, যন্ত্রাংশ আমদানিতে স্বল্প শুল্ক প্রদান, বিনা শুল্কে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগ, টেমিট্যান্স অন রয়্যালিটি, শতভাগ ফরেন ইক্যুয়িটির নিশ্চয়তা, লাভ এবং পুঁজিসহ বিনা বাধায় চলে যাবার সুবিধা।

অন্যান্য সুবিধার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক বেতন-ভাতায় সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য নিবেদিত প্রাণ জনশক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে স্বল্প ব্যয় এবং আমাদের বৃহৎ শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশের সুবিধা। এর মধ্যে রয়েছে— ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইউ), অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত, জাপান এবং নিউজিল্যান্ডের বাজারে প্রবেশের সুবিধা। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ এবং পানি প্রাপ্তির সুবিধাও রয়েছে। রয়েছে ভালো ক্রেডিট রেটিং, স্বল্প ঝুঁকি এবং দ্রুত প্রযুক্তির গ্রহনযোগ্যতার সুবিধা। এ সবগুলো একত্রে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের জন্য বিনিয়োগের সর্বোচ্চ মুনাফা প্রাপ্তির সুবিধাই নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশের ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং গ্লোবাল আউট সোর্সিয়ের একটি কেন্দ্রে পরিণত করেছে। সরকার দেশে ১০টি প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃজনের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং দুই অংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য বিভিন্ন বৈচিত্র্যপূর্ণ এলাকায় যোগাযোগ, হাইটেক, পর্যটন, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে এ ধরনের আরও প্রকল্প গ্রহণ করেছে।’

বর্তমান সরকারের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকাগুলো (ইপিজেড) শতভাগ রফতানি নির্ভর। সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগকে টেকসই করার জন্যই সরকার এই শিল্পাঞ্চলগুলো গড়ে তুলেছে।’

শেখ হাসিনা এই শিল্পাঞ্চলগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করে গড়ে তোলার জন্য দেশে প্রায় দুই ডজনেরও বেশি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলার কথাও সৌদি ব্যবসায়ীদের জানন।
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিমাণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারে গিয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আমরা এখনও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগগুলোর পুরোপুরি সদ্যব্যবহার করতে পারছি না।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগের পরিমাণ এখন ২৫টি প্রকল্পে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার, যার প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে—কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য এবং প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার, বস্ত্র এবং তৈরি পোশাক, চামড়া, পেট্রো- কেমিক্যাল, প্রকৌশল এবং সেবা খাত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে দু’হাজার একর জমি বরাদ্দ করেছি, যেগুলো বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব চাহিদা মোতাবেক তারা ব্যবহার করতে পারবেন।’

বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান, যেটি উভয়ের বিশ্বাস, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং আকাঙ্ক্ষার একই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের ব্যবসায়িক সম্পর্কের শুরু সেই সপ্তম শতকে, যখন আরবের ব্যবসায়ীরা প্রথমবারের মতো আমাদের বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আসেন।’

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি বাদশাহ এবং পবিত্র দু’টি মসজিদের খাদেম সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সেদেশে গিয়ে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের সময় সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে সই হবে। সফরে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী রিয়াদে নিজস্ব জমিতে নবনির্মিত বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের উদ্বোধন এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট ভবনের ভিত্তি স্থাপন করবেন।
সৌদি আরবে চলতি বছর এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। সফর শেষে আগামী শুক্রবার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কুমারী’ সাজতে না পেরে দুঃখ কোয়েলের

বিনোদনের খবর: কোয়েল মল্লিক, টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম। রূপালী পর্দায় চরিত্রের প্রয়োজনে ‘দুর্গা’ সেজেছেন বহুবার, তবে ‘কুমারী’ হতে পারেন নি একবারও। ‘কুমারী’ হতে না পারার দুঃখ তাড়ায় তাকে, এমনই জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের একটি গণমাধ্যম বলছে, টালিউড অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের কন্যা তার মেয়েবেলাতে খুব চেয়েছিলেন তিনি অন্তত একবার ‘কুমারী’ রূপে পূজিতা হতে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য কোনও দিনই হয়নি তার। যেহেতু বাড়ির পূজাতে বাড়ির কোনও মেয়েকে কুমারী রূপে পূজিতা হওয়ার রীতি নেই, সে কারণেই মল্লিক বাড়িতে মহাষ্টমী-তে ‘কুমারী পূজা’ অনুষ্ঠিত হলেও তিনি কোনও দিনই ‘কুমারী’ হতে পারেননি। ‘কুমারী পূজা’-তে অংশগ্রহণ করেছেন ঠিকই, তবে সেটা শুধু পূজারি হিসেবেও। এবারও মল্লিক বাড়ির পূজাতে কুমারী পূজায় অংশ নিয়েছেন কোয়েল। নিজ হাতে সাজিয়েছেন বোনের মেয়েকে।

কোয়েল মল্লিক নিজের ‘কুমারী’ না সাজতে পারা সম্পর্কে বলেন, ‘ছোটবেলায় কুমারী সাজার সখ থাকলেও কোনও দিনই তা পূর্ণ হয়নি। বাড়ির পূজায় বাড়ির মেয়েরা কুমারী হতে পারে না। তাই আমার আর সেই সৌভাগ্য হয়নি। এবার বোনের মেয়ে কুমারী হল। বোনের যেহেতু বিয়ে হয়ে গিয়েছে, গোত্র পরিবর্তন হয়েছে, তাই বোনের মেয়ের কুমারী হওয়ায় কোন সমস্যা নেই।’

বুধবার মহাষ্টমীর সকাল থেকেই মল্লিক বাড়ির পূজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কোয়েল। সকালের কল্যাণী পূজা থেকেই তিনি ছিলেন। পুষ্পাঞ্জলির পর কুমারী পূজাতেও ছিলেন কোয়েল। কোয়েলের সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী, প্রযোজক নিসপাল সিংও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক উঠানে মসজিদ-মন্দির

অনলাইন ডেস্ক: এক উঠানে মসজিদ ও মন্দির, ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্বল দৃষ্টান্ত। এক পাশে উলুধ্বনি অন্যপাশে চলছে জিকির। এক পাশে ধুপকাটি অন্য পাশে আতরের ঘ্রাণে মুখোর। এভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যুগ যুগ ধরে চলছে পৃথক দুইটি ধর্মের উপাসনালয়। দেশের ইতিহাসে এটিই একমাত্র। সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট জেলা শহরের কালীবাড়ি এলাকার পুরান বাজার জামে মসজিদ ও কালীবাড়ী কেন্দ্রীয় মন্দিরটি একই উঠানে রয়েছে সম্প্রীতির বন্ধনে। যে যার মত ধর্ম পালন করে চলে যাচ্ছে। চলছে শারদীয় দুর্গোৎসব।

কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ সনদ চন্দ্র সাহা জানান, প্রায় দেড়শত বছর আগে কালীমন্দির হিসেবে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার কারণে এলাকাটির নামকরণও করা হয় কালীবাড়ী। বাজার গড়ে উঠলে বাজারের ব্যবসায়ী ও শহরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মন্দিরের পাশেই এ পুরান বাজার জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকে একটা উঠানে চলছে দুই ধর্মের দুই উপাসনালয়।

তিনি আরো জানান, পূজা শুরুর আগে মসজিদ ও মন্দির কমিটি বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত মতে, আজানের সময় থেকে প্রথম জামায়াত নামাজ পর্যন্ত মন্দিরের মাইক, ঢাক ঢোলসহ যাবতীয় শব্দ বন্ধ থাকে। ওই সময় পুরোহীত নিরবে পূজা করবেন ঢাক ঢোল ছাড়াই। নামাজের প্রথম জামাত শেষ হলে মন্দিরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়। সামান্যতম বিশৃঙ্খলা হয় না এখানে। তার জন্ম থেকে এভাবে চলতে দেখেছেন বলে জানান সনদ চন্দ্র সাহা।

পুরান বাজার জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজল মিয়া জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতির এটি এক জ্বলন্ত প্রমাণ। যুগ যুগ ধরে একই উঠানে চলছে নামাজ ও পূজা অর্চনা। নামাজের সময় মন্দিরের ঢাক ঢোল বন্ধ রাখা হয়। নামাজ শেষ হলে মন্দিরে পূজা চলে পুরোদমে। আজান ও নামাজে তো খুব বেশি সময় লাগে না। এ সময়টুকু তারা ঢাক ঢোলসহ শব্দযন্ত্র বন্ধ রাখেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যুগ যুগ ধরে এ সম্প্রীতির বন্ধন চলে আসছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ এ জেলার মানুষ। ধর্ম যার যার উৎসব সবার- এটাই এখানকার মানুষ লালন করে ও বিশ্বাস করে। যার মূর্তপ্রতীক এক উঠানে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দির ও পুরান বাজার জামে মসজিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ‘পিছিয়েছে’ বাংলাদেশ

দেশের খবর: বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে। বিশ্বের ১৪০ টি দেশের মধ্যে গত বছরের তুলনায় একধাপ পিছিয়ে ১০৩ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
বুধবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গবেষণা পত্রটি উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মিনহাজ মো. রেজা. মোহাম্মদ আলী এবং সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, আইসিটি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও শ্রমবাজারসহ মোট বারোটি মাপকাঠিতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। উৎপাদন বাজার, বাণিজ্যিক গতিশীলতা, শ্রমবাজার, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। খাতগুলোতে যথাক্রমে ১২৩ তম, ১২০ তম,১১৫ তম, ১১৬ তম এবং ১০৯ তম স্থানে অবস্থান করছে দেশটি।
সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও জাপান। অত্যধিক বাণিজ্যিক গতিশীলতার কারণে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সিঙ্গাপুরের সাফল্যের মূলে রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জাপানের রয়েছে শক্তিশালী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অবকাঠামোগত দৃঢ় অবস্থান। দেশকে আগাতে হলে আমাদেরও সেদিকে নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করে সিপিডি।
গত বছর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এ বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৯ তম। কিন্তু বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩ তম এ। গবেষণাগত কিছু পরিবর্তন আসার ফলে সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
৮৩ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর মধ্যে পরিচালিত গবেষণায় ব্যবসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে দুর্নীতি। পাশাপাশি অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, সরকারি বাধ্যবাধকতা, উচ্চ ট্যাক্স রেট এবং অদক্ষ শ্রমবাজারের কথাও উঠে এসেছে। ব্যবসায়ীরা মনে করেন বাণিজ্যিক অগ্রগতির জন্য এসব জায়গায় ইতিবাচক পরিবর্তন দরকার।

এ বিষয়ে সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি যদি হাঁটতে থাকি আর আমার পাশাপাশি কেউ যদি দৌড়াতে থাকে তাহলে আমার রাস্তার দূরত্ব বাড়লেও আমি তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে যাবো। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটেছে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।’ তাই বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, দক্ষ শ্রমশক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং নীতিমালাগত শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিক্রি হচ্ছে রোহিঙ্গা মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা বলছে, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থী মেয়েদের বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। পরিবারের জন্য অর্থ যোগাড় করতে ক্যাম্পের বাইরে বিভিন্ন গোষ্ঠির হাতে এসব মেয়েদের তুলে দেয়া হয়। পরে বাধ্যতামূলক কাজে নিয়োজিত করা হয় তাদের। রয়টার্স।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) জানিয়েছে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর পরবর্তী এক বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ৯৯টি মানব পাচারের ঘটনা চিহ্নিত করতে পেরেছে তারা। কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, বাস্তব সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি হবে।
পাচার হওয়াদের মধ্যে ৩৫ জন মেয়ে আর ৩১ জন নারী। মেয়েদের ৩১ জন এবং নারীদের ২৬ জনকে বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করা হয়। এদের মধ্যে ৪ মেয়ে ও ৫ নারী যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

আইওমের মুখপাত্র দিনা পারমার বলেন, ‘অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, গরীব পরিবারগুলোকে ভাল কাজ দেয়ার লোভ দেখানো হয়। অনেকেই এই ফাঁদ সম্পর্কে কিছু না জেনে রাজি হয়ে যান।’
পারমার জানান, অনেক পরিবার ঝুঁকি বুঝেও রাজি হন। একজনের বিনিময়ে যদি পুরো পরিবারকে ভাল রাখতে চান তারা।
মানবপাচার বিষয়ে রোহিঙ্গাদের সচেতন করছে বাংলাদেশি দাতব্য সংগঠন ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন। সংস্থাটির সদস্য জিশু বড়ুয়া বলেন, ‘পাচারের শিকার হয়েছেন এমন এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করেছি আমরা।’

আইওমের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে যাওয়া বা কাজ করার অনুমতি দেয় না। কিন্তু অভাবের তাড়নায় ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে আয় করতে চায় অনেক রোহিঙ্গা। আর এ অবস্থারই সুযোগ নেয় পাচারকারীরা।
চলতি বছরের আগস্টে প্রকাশিত জাতিসংঘের রিপোর্টে বলা হয়, মিয়ানমারে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’র মুখে শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়েছে। আর আগে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা মিলিয়ে বর্তমানে ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস রোগীরা কেন টমেটো খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক: সম্প্রতি সময়ে ডায়াবেটিস রোগটি কথা এখন অনেকের মুখে শোনা যায়। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাবার খাওয়া, ঘুমসহ বিভিন্ন অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগের কারণ হতে পারে।
তবে নিয়ন্ত্রিতও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়েও সুস্থ মানুষের মতোই বাঁচা যায়।
নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ডায়াবেটিসের রোগীরা বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। সঠিক খাদ্যভ্যাস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। টমেটো আমাদের জন্য খুবই পরিচিত একটি খাবার। সালাদে, ডালে বা তরকারিতে অনেকেই তা পছন্দ করেন। এর পাশাপাশি তা ডায়াবেটিস রোগীর ব্লাড সুগার কমাতেও কাজ করে।
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়। ২০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো প্রতিদিন খাওয়া হলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের যে ঝুঁকি থাকে তা কমাতেও টমেটো কাজে আসে।
ডায়াবেটিস রোগীর উপকারে আসে হোল গ্রেইন, ডাল, ফল ও সবজি। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ একটি সবজি হলো টমেটো।

টমেটোর পুষ্টিগুণ
টমেটোর পুষ্টিগুণ হিসেব করলে তা অনেক রোগের জন্যই উপকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, ভিটামিন সি ও লাইকোপিন। লাইকোপিন একটি রঞ্জক পদার্থ যার কারণে টমেটো লাল দেখায়। এই লাইকোপিন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কাজ করে।

কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা
টমেটো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। ডায়াবেটিসের রোগীদের শর্করার বিষয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। শর্করা তাদের ব্লাড সুগার বাড়িয়ে দেয় দ্রুত। টমেটোতে শর্করা কম এবং এ কারণেই ডায়াবেটিস রোগীরা তা খেতে পারেন নির্দ্বিধায়।

ওজন কমাতে
শুধু কার্বোহাইড্রেট নয়, টমেটোতে ক্যালোরিও অনেক কম। ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরী। আর তাই ওজন কম রাখতে টমেটো তাদের জন্য উপকারি একটি খাবার।

ডায়াবেটিস রোগীরা যে কোনোভাবেই টমেটো খেতে পারেন। তা সালাদ হিসেবে কাঁচা খাওয়া যায়, আবার ডাল, তরকারি, স্যুপ বা স্যান্ডউইচে দিয়েও খেতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একমুঠো চালেই পাবেন সুন্দর ত্বক

অনলাইন ডেস্ক: রূপচর্চায় বেসন, হলুদ, দুধ, মধু কত কী ব্যবহার করেছেন। কখনো কি ভেবেছেন প্রতিদিন ভাত রান্নার জন্য যে চাল ব্যবহার করেন, সেখান থেকে একমুঠো চালই ফিরিয়ে আনতে পারে আপনার ত্বকের সৌন্দর্য! সত্যিই তাই। একমুঠো চালের ব্যবহারেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন অনন্য সুন্দর ত্বকের অধিকারী। জেনে নিন-

দাগছোপ দূর করতে: এক চা চামচ অলিভ অয়েল, দু চা চামচ লেবুর রস, দু-তিন ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল আর দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। পরিষ্কার মুখে পেস্টটা লাগিয়ে মিনিট পনেরো রাখুন। তারপর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করলেই দেখবেন ত্বক কেমন তুলতুলে কোমল হয়ে গেছে, দাগছোপও উধাও।

অ্যান্টি-এজিং ট্রিটমেন্ট: এককাপ চাল পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানিসহ চাল ভালো করে পেস্ট করে নিন। তারপর ছেঁকে নিয়ে পানিটুকু একটি বড় পাত্রে আলাদা করে একটু গরম জায়গায় দিন দুয়েক রেখে দিন। দুইদিনপর পানিটুকু নষ্ট হয়ে একটা টক গন্ধ বেরোবে। এই পানিতে তুলো ডুবিয়ে মুখে মাখুন আর তারপর একটা ভালো রিপেয়ারিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। প্রতি রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই রুটিন অনুসরণ করুন। সকালে উঠে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিলেই দেখবেন কতটা তরতাজা লাগছে।

রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে: দুই টেবিল চামচ চালের গুঁড়া আর চার টেবিল চামচ নারিকেলের দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ত্বকের রোদে পোড়া অংশগুলোয় লাগিয়ে আধঘণ্টা রাখুন। তারপর হারকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। প্রথমবার করলেই দেখবেন পোড়াভাব কতটা কমে গেছে!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest