সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

জাতীয় সংসদ নির্বাচন : তৈরি হচ্ছেন সাড়ে ৭ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা

দেশের খবর: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের জন্য প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে তালিকা তৈরি করার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল দিয়ে ডিসেম্বরের ১৮ তারিখের মধ্যে ভোট করার পরিকল্পনা করছে ইসি।

কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি। এরই অংশ হিসেবে প্রাথমিক একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নভেম্বরের ৭ তারিখে মধ্যে তফসিল দিয়ে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন ভোট করা হতে পারে। তবে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ১২ থেকে ১৪ তারিখে তফসিল দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। কর্মপরিকল্পনাটি কমিশন বৈঠকে তোলা হবে। সেখানে আলোচনা করে কমিশন অনুমোদন দেবে।

সূত্র জানায়, সংসদ নির্বাচনের ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের ২০ লাখের অধিক ভোটকক্ষের জন্য প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রস্তুত করবে ইসি। এ লক্ষ্যে ইসির উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেয়া হয়েছে মাঠকর্মকর্তাদের। এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হবে সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ। তফসিল ঘোষণার পরপরই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরির বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হবে। ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ হবে। তারপর প্যানেল থেকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

সর্বশেষ দশম সংসদ নির্বাচনে ৯ কোটি ১৯ লাখের বেশি ভোটারের জন্য কেন্দ্র ছিল ৩৭ হাজার ৭০৭টি; ভোটকক্ষ ছিল এক লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি। সে সময় ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৫৭৭ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন।

সংসদ নির্বাচনে বরাবরই বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এবার কাদের দায়িত্ব দেয়া হবে- সে সিদ্ধান্ত কমিশন সভায় নেয়া হবে।

জানা যায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৪০ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র লাগবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, কেন্দ্রপ্রতি দুইজন করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রতি ভোটকক্ষে দুইজন করে পোলিং অফিসার থাকবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার অনুপাতে দুই বা ততোধিক ভোটকক্ষ থাকে। তাতে ৮-১০ জন পোলিং অফিসার লাগবে কেন্দ্রপ্রতি। সব মিলিয়ে এবার সাড়ে সাত লাখের মতো ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা।

ভোটের কারণে প্রাথমিকের পরীক্ষায় সূচি বদল
এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। ১১-১৮ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এখন ২৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তা শেষ করতে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত সব শিক্ষা কর্মকর্তাদের আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের আদেশে বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ মাঠে নামবে বিসিবি একাদশ

খেলার খবর: আজ শুক্রবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বিকেএসপিতে মাঠে নামবে বিসিবি একাদশ। সকাল সাড়ে ৯টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
সৌম্য সরকার প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশকে নেতৃত্ব দেবেন।
এরআগে এক মাসের লম্বা সফরে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল গত মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছেছে। সফরে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে টাইগারদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে জিম্বাবুয়ে।

বিসিবি একাদশ: সৌম্য সরকার (অধিনায়ক), মিজানুর রহমান, ফজলে রাব্বি মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জাকির হোসেন, আরিফুল হক, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাইফ উদ্দিন, ইয়াসিন মিশু, এবাদত হোসেন চৌধুরী, মোর্শেদুল আখতার এবং নাইম হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কার্জন হলের আদলে পশ্চিমবঙ্গের পূজা মণ্ডপ

বিদেশের খবর: ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা ভারতের কোন স্থাপত্য শিল্প নয়, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের আদলে এবার পূজামণ্ডপ তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গের হুগলির উত্তরপাড়ার ইউথ কোর ক্লাব।

উত্তরপাড়া থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই পূজো প্যান্ডেলে প্রবেশ করলেই আসল-নকলের ফারাক বোঝাই কষ্টকর। প্রায় ১৪০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে মণ্ডপটি তৈরি করা হয়েছে বাঁশ, কাপড় ও শোলা দিয়ে। গম্বুজ বিশিষ্ট পুরো মণ্ডপটির রঙ করা হয়েছে লাল রঙের। প্যাণ্ডেল নির্মাণে খরচ হয়েছে আনুমানিক ৫ লাখ রুপি।

তবে শুধু মণ্ডপই নয়, প্যান্ডেলের মধ্যেই দেয়ালজুড়ে স্থান পেয়েছে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবিও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করা যদুনাথ সরকার, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি নজরুল ইসলামের ছবির পাশাপাশি বাংলাদেশের রূপকার ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবিটিও স্থান পেয়েছেন মণ্ডপের মধ্যে।

জায়গা পেয়েছে মুক্তিযোদ্ধা বাঘা সিদ্দিকি, শিল্পী আব্বাসউদ্দিন, বাঙালি সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক রোকেয়া বেগমের।

এদিকে, ৬৬ তম বর্ষে এই থিম করার পিছনেও একটি কাহিনী রয়েছে। ক্লাবেরই এক সদস্য তুষার কান্তি দাস একদিন কলকাতার একটি পত্রিকায় ‘কার্জন হল’ সম্পর্কে জানতে পারেন এবং আকৃষ্ট হন। এরপরই ক্লাবের অন্য সদস্যদের সামনে কার্জন হলের আদলে পূজো মণ্ডপ করার প্রস্তাব দেন। আর সকলেই সেই প্রস্তাবনায় সম্মতিও দেন। আর দেরি না করে শুরু হয় কাজ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এবারের পূজোর থিম করে যথেষ্ট প্রশংসাও কুড়িয়েছে এই ক্লাবটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্ররাও পূজো ঘুরে গেছেন।

ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রীর সম্পর্ককে তুলে ধরার লক্ষ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এবারের থিম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্লাবের সম্পাদক চন্দন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আমরা পূর্ববঙ্গের বাসিন্দা। স্বভাবিক ভাবেই ওই বাংলার প্রতি আমাদের টান ও আকর্ষণ দুটোই রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবিভক্ত বাংলায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ঐতিহ্যমণ্ডিত বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাছাড়া ইউরোপ বা আমেরিকার সংস্কৃতিও আমাদের নয়। বরং সেদিক থেকে দুই বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ঐহিত্য অনেকটাই এক। সে ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম আমাদের সেরা পছন্দ ছিল।

তবে পূজোই নয়, বছরের বিভিন্ন সময়ে দুস্থ শিশু, নারীদের আর্থিক সহায়তা, বই প্রদানসহ একাধিক সমাজসেবামূলক কাজেও জুড়ি মেলা ভার ‘ভদ্রকালী ইউথ কোর’ ক্লাবের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনে জিতলে ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে জোটের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কাছে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ঢাকা দূতাবাসের রাজনৈতিক অফিসার উইলিয়াম মুলার বৃহস্পতিবার বিকালে জোটের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তরপর্বে জোটের অন্যতম প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের কাছে এ প্রশ্ন করেন। জবাবে কামাল হোসেন সরাসরি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সেটা নির্বাচিত সংসদ ঠিক করবে। এরপর মুলার তাকে আরও তিনটি প্রশ্ন করেন।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় রাজধানীর বনানীর হোটেল লেকশোরে প্রায় ২৫টি দেশের ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জোটে বিএনপি, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য শরিক হিসেবে আছে। জোটের অন্যতম প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন ফ্রন্টের সাত দফা ও ১১ দফা লক্ষ্য কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে পাঠ করেন। এরপর বর্তমান গণতন্ত্র, সরকার, নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভূমিকা বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকসূত্র জানায়, ড. কামাল হোসেন বক্তব্য দেওয়ার পরই কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা প্রশ্ন করতে শুরু করেন। ড. কামাল সব প্রশ্নের উত্তর দেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, নির্বাচনে বিজয়ী হলে ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? উত্তরে ড. কামাল বলেন, ‘এটা সংসদের বিষয়। নির্বাচিত সংসদই ঠিক করবে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন।’
এরপর উইলিয়াম মুলার আবার প্রশ্ন করেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের প্রধান শেখ হাসিনার বিপরীতে লিডার ( নেতা) কে হবেন? বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও কারাগারে আছেন। সেক্ষেত্রে নেতৃত্ব সংকট কীভাবে পূরণ হবে? জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘এখানে একক নেতৃত্ব নেই। যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওই কর্মকর্তা আবারও জানতে চান, জামায়াত বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরীর দলের যে অবস্থান, সে প্রসঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট কী ভাবছে। এর কোনও উত্তর দেননি ড. কামাল হোসেন। বি চৌধুরী কেন ঐক্যে নেই, পাল্টা প্রশ্নে সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি এখনও আশা করেন বি চৌধুরী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জোটের অন্যতম নেতা, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, ‘মতবিনিময় অনুষ্ঠান খুব ভালো হয়েছে। ২৫-৩০ জন কূটনীতিক ছিলেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল মালেক রতন বলেন, ‘কূটনীতিকরা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন আমরা কেমন আশাবাদী। আমরা তাদের বলেছি, আশাবাদী। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির প্রশ্ন ছিল, নেতা কে হবেন। আমরা সরাসরি উত্তর দিইনি। বলেছি, ক্রমান্বয়ে ঠিক করবো।’
বৈঠকসূত্র জানায়, মতবিনিময় অনুষ্ঠানে নরওয়ের প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন, সরকার জোটের দাবি না মানলে পরবর্তী কী সিদ্ধান্ত আসবে।
ড. কামাল এর জবাবে বলেন, ‘সরকার দাবি না মানলে আমরা মানুষের কাছে যাবো। ইতোমধ্যে আমাদের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। আশা করি, মানুষের চাওয়াকে সম্মান জানাবে।’
ব্রিটিশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাও প্রশ্ন করেছেন অনুষ্ঠানে।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, মরক্কোসহ ৩০ টি দেশের কুটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। সংখ্যার হিসেবে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রায় ১৩০ জন অংশগ্রহণ করেন।

কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকে আমরা শুধুমাত্র বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার-কূটনীতিকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় করেছি। আমাদের শীর্ষ নেতা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের প্রশ্নের জবাবও তিনি দিয়েছেন।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। এর বেশি কিছু বলা যাবে না।’
বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, জেএসডির আ স ম আবদুর রব, তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএস আকবর, শহীদুল্লাহ কায়সার, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন অংশ নেন।
বিএনপির আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শাহজাহান ওমর, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মীর নাসির, শাহিদা রফিক, শামা ওবায়েদ, তাবিথ আউয়াল, মীর হেলাল উপস্থিত ছিলেন মতবিনিময় অনুষ্ঠানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সৌদি যুবরাজ বিষাক্ত’

বিদেশের খবর: সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে বিষাক্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন এক মার্কিন সিনেটর। তিনি বলেন, ‘খাসোগি হত্যার নেপথ্যে সৌদির হাত থাকার বিষয় প্রমাণিত হলে তাদেরকে কঠোর সাজা ভোগ করতে হবে।’

গ্রাহাম বলেন, যুবরাজ জানেন না এমন কোনো ঘটনা সৌদি আরবে ঘটে না।

বুধবার ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘খাসোগিকে হত্যার সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।’ তাকে ‘দুর্বৃত্ত ক্রাউন প্রিন্স’ বলেও আখ্যা দেন গ্রাহাম।

তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সিনেটে আমি ছিলাম তাদের (সৌদি আরব) সবচেয়ে বড় সমর্থক। কিন্তু এই লোকটা (যুবরাজ) সব তছনছ করে দিয়েছে। সে-ই খাসোগিকে তুরস্কের কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা করিয়েছে।’

গ্রাহাম বলেন, ‘আমার কাছে এ যুবরাজকে বিষাক্ত মনে হয়। সে কখনোই বিশ্বমঞ্চে নেতা হয়ে উঠতে পারবে না।’

রাজপরিবারের পাঁচ রাজপুত্রকে গুম

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানায়, জামাল খাসোগির ‘নিখোঁজ’ নিয়ে রাজবিরোধী কথা বলায় রাজপরিবারের পাঁচ রাজপুত্রকে গুম করেছে সৌদি আরব। জার্মানিতে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকা সৌদি যুবরাজ খালেদ বিন ফারহান আল-সৌদ নতুন এ অভিযোগ তুলেছেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের খবর, সৌদি আরবে রাজপরিবারে বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই গুম, হত্য-অপরহণ, জেল অনিবার্য।

খালেদ বিন ফারহান বলেন, এ পাঁচ রাজপুত্র হলেন আধুনিক সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল-আজিজের নাতি। তারা গত সপ্তাহে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠকে খাসোগির নিখোঁজের বিষয়ে কথা বলেছিল।

তিনি বলেন, তাদেরকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয় এবং এখন তাদের অবস্থান সম্পর্কে কেউ কিছুই জানে না। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনাকারীদের মুখ বন্ধ করতে নেয়া পদক্ষেপগুলোরই অংশ এসব।

৪১ বছর বয়সী এ রাজপুত্র বলেন, ২ অক্টোবর খাসোগির সঙ্গে যা ঘটেছে, ঠিক এর ১০ দিন আগে আমার সঙ্গেও তাই ঘটতে পারত। আমার অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টি শুনে সৌদি কর্তৃপক্ষ আমাকে সাহায্য করতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, আমার পরিবারকে বলা হয় তারা যেন আমাকে মিসরের কায়রোতে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে ডেকে পাঠায়। আমাকে একটা বড় অঙ্কের চেক এবং সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

কিন্তু আমি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। তিনি আরও বলেন, এখন সৌদির অনেক যুবরাজ কারাবন্দি। মাত্র পাঁচদিন আগে তাদের একটি দল বাদশাহ সালমানের সঙ্গে দেখা করে জানায়, তারা আল-সৌদ পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীত।

তারা খাসোগির বিষয়টিও উত্থাপন করে। এসব বিষয়ে জানতে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো জবাব পায়নি। খ্যাতনামা সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগির অন্তর্ধানে বেকায়দায় পড়ে গেছে সৌদি আরব। ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে তাকে হত্যার বিষয়টি ছায়া ফেলেছে দেশটির বহুল প্রতীক্ষিত ‘দাভোস ইন ডেজার্ট’ সম্মেলনে।

আগামী ২৩ অক্টোবর রিয়াদে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমদিকে বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলো এ নিয়ে আগ্রহ দেখালেও খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর তাতে ছেদ পড়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ঘ’ ইউনিটের ফল বাতিলের দাবিতে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষা সংবাদ: প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রমাণ পাওয়া সত্বেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভূক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার একাধিক ব্যানারে শিক্ষার্থীরা প্রকাশিত ফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন আসে। প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া সত্বেও পরীক্ষা বাতিল না করে গত মঙ্গলবার ফল প্রকাশ করায় বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।

সাধারণ ছাত্র পরিষদের আল্টিমেটাম
‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা ২৪ ঘন্টার মধ্যে বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দিয়েছে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। বৃহস্পতিবার বেলা ১টায় টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন এই ঘোষণা দেন। এর আগে পরীক্ষা বাতিলসহ চারদফা দাবিতে অন্তত পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ঘুরে পুনরায় টিএসসিতে আসে।

ফারুক হোসেন বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আবার পরীক্ষা নিতে হবে। অন্যথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিবে না। তারা কোনো নাটক সহ্য করবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস স্বীকার করে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরপরও পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা লজ্জাজনক। অনতিবিলম্বে পরীক্ষার ফল বাতিল করুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এটি আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এটা রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে ছাত্র সমাজ তাদের জীবন দিবে।

পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি ছাত্রলীগের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এই দাবি জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা চার দফা দাবি জানিয়েছে। সেগুলো হলো, যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া অথবা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে আসা, ডিজিটাল জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস বা যে কোনো ধরনের অসাদুপায় অবলম্বনকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস বা অসাদুপায় উপায়ের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং আধুনিক, যুগোপযোগী ও মান সম্মত ভর্তি পরীক্ষার স্বার্থে শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ, সিনেট, সিন্ডিকেট, অংশীজন এবং ছাত্র সংগঠনগুলো প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পলিসি ডিবেটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতির সংস্কার করা।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, ছাত্রলীগ সুস্পষ্ট চারটি দাবি তুলে ধরেছে। আমরা চেয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাভিত্তিক প্রতিযোগীতার মাধ্যমেই কেবল শিক্ষার্থীরা ভর্তি পারবে। এর বাইরে যদি কেউ ভর্তি হয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে যেন প্রশাসন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের দাবিকে সাধুবাদ জানিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

অনশনরত শিক্ষার্থী ঢামেকে চিকিৎসাধীন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অনশনরত আইন বিভাগের ছাত্র আখতার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানীর সামনেই অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ‘ঘ’ ইউনিটে পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গত মঙ্গলবার দুপুর বারোটা থেকে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেন আখতার হোসেন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এর আগে বেলা পৌনে দুইটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী রাজু ভাস্কর্যে আসেন। ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে অনশনরত আখতারকে তিনি বোঝাতে থাকেন। আখতার পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে কি না সেটা প্রক্টরের কাছে জানতে চান। এ সময় তিনি হাত-পা ছুঁড়তে থাকলে তাকে সবাই ধরে রিকসায় নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের দিকে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা গিয়েছিলাম। প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করছি বলে তাকে বুঝেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেশের বাইরে আছেন। সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছি। সে অসুস্থ বোধ করছে বলে আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। সে এখন ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে আছে।

সাদা দলের বিবৃতি
‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল ও পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল সাদা দল। দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

প্রশাসনের বক্তব্য
ফল বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ ইত্তেফাককে বলেন, আমরা এখনও তথ্য পর্যালোচনা করছি। উপাচার্য দেশের বাইরে আছেন। তিনি এলে পর্যালোচনাকৃত তথ্য নিয়ে আমরা বসব, তখন সিদ্ধান্ত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইথিওপিয়ার নতুন মন্ত্রিসভার অর্ধেকই নারী

বিদেশের খবর: ইথিওপিয়ার সংস্কারপন্থী প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার দেশটির নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন, যার অর্ধেক সদস্যই নারী। আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল এ দেশটিতে লিঙ্গ সমতা স্থাপনে এটিকে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবিই আহমেদ বলেছেন, পুরুষের চেয়ে নারীরা কম দুর্নীতিবাজ। নারীরা নেতৃত্ব দিতে পারেন না-এ কুসংস্কার আমাদের নারী মন্ত্রীরা মিথ্যা প্রমাণ করবে।

ইথিওপিয়ার ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথম, সম্ভবত আফ্রিকা মহাদেশেও। আবিই আহমেদ গত এপ্রিলে ক্ষমতায় আসেন। এরপর থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে নিজেকে সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে প্রমাণিত করেছেন। সর্বশেষ তিনি নারী-পুরুষের সমতা আনতে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ২৮ থেকে ২০-এ নামিয়ে এনেছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে একজন নারীর হাতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসাদুজ্জামান বাবু’র বিভিন্ন পুজা মণ্ডপ পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বৃহস্পতিবার বিকালে সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর, ফিংড়ী ইউনিয়নসহ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শামসুর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মন্ডলসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শন কালে আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে। প্রত্যেকই স্ব স্ব ধর্ম সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে। যা অন্য সরকারের আমলে সম্ভব হয় না। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নেত্রী, জনগনের নেত্রী। আগামী নির্বচানে এই মহাননেত্রী আবারো ক্ষমতায় আনতে সকলে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest