সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারদেবহাটায় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের মতবিনিময়৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়াসাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা

খালেদাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তির পরামর্শ

দেশের খবর: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখন ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সব ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিভাগ রয়েছে এমন হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যাপারে চিকিৎসকরা অভিমত দিয়েছেন। খালেদার শারীরিক অবস্থা নিরুপনে গতকাল পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
গতকালই তারা ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে যান। তারা মনে করেন, খালেদার চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সবচেয়ে উপযুক্ত। মেডিকেল বোর্ডের বরাত দিয়ে এমনটিই জানিয়েছে বিএসএমএমইউ’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন।

রোববার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার যেসব পুরনো রোগ ছিল সেগুলোই রয়েছে। কারাগারে যাওয়ার পর নতুন কোনো রোগে আক্রান্ত হননি। চিকিৎসকরা তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে কিছু চিকিৎসা দিয়েছেন। তবে তিনি শারীরিকভাবে ঝুঁকিতে নেই। তারা তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
খালেদা জিয়া চাইলে তাকে চিকিৎসা দিতে বিএসএমএমইউ সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে বলেও যোগ করেন হাসপাতালটির পরিচালক। এর আগে আজ সকাল ১০টায় মেডিকেল টিমের সদস্যরা বৈঠক করে বিএসএমএমইউ’র পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা ঘোষণার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে ৭ এপ্রিল ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে বিএসএমএমইউতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে বিএনপির নেতারা শুরু থেকেই খালেদা জিয়াকে বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানোর দাবি জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির ১০ জন নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করে তার সুচিকিৎসার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই পরিবর্তন দেখছে দেশের মানুষ : এরশাদ

দেশের খবর: দেশের নানা ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নেই। গুম খুন হচ্ছে মানুষ। যুবকের চাকরি নেই। এসব থেকে মানুষ পরিবর্তন চায়। আর জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই সেই পরিবর্তন দেখছে দেশের মানুষ। আমরা দেশে পরিবর্তনের রাজনীতি চাই।
জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে আজ রবিবার দুপুর দেড়টায় সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের দিকে ইঙ্গিত করে এরশাদ বলেন, বিএনপি-আওয়ামী লীগ ক্ষমতার পালাবদলের রাজনীতি করছে।

তিনি আরো বলেন, আপনারা ক্ষমতায় যেতে জনগণের উদ্দেশে বলছেন, আওয়ামী লীগের বদলে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে প্রথম দিনেই লক্ষাধিক মানুষ মারা যাবে। আমি আপনাদের উদ্দেশে বলি আমাকে ক্ষমতায় পাঠান, দেশের একটি মানুষও মারা যাবে না। জাতীয় পার্টি সকল মানুষের নিরাপত্তা দিবে।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, পৃথিবীর কোথায়ও একজন মানুষ দেশ চালায় সেই নজির নেই। কিন্তু সেটা প্রধানমন্ত্রী শাসিত বাংলাদেশে আছে। তাই আমরা প্রাদেশিক সরকারের কথা বলি। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে আমরা প্রাদেশিক সরকার গঠন করে মানুষের উন্নয়ন করব।
সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহর সভাপতিত্বে ও যুবসংহতি নেতা গোলাম হোসেন অভির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, সাবেক এমপি ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ, সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ডিভোর্সের সংবাদ সত্য নয়, আমরা সুখেই সংসার করছি’

বিনোদনের খবর: শোবিজ পাড়ায় নতুন গুঞ্জন, অপি করিমের সঙ্গে তার স্বামী নির্মাতা এনামুল করিম নির্ঝরের সম্প্রতি বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। অনেকেই সুনির্দিষ্ট করে বলছেন, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান হয়েছে। এই গুঞ্জন রীতিমতো ডালপালা মেলেছে। তবে অপি করিম এই বিষয়ে কিছু নিশ্চিত করে কিছু না বললেও আজ রবিবার বিষয়টিকে গুঞ্জন হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন।
অপি করিম বলেন, কোথা থেকে এমন কথা ছড়াল, কে জানে। গুজবেরও লিছু নিয়ম থাকে কিছু ইঙ্গিত থাকে। কিন্তু এর তো কোনো ভিত্তিই নেই। যেখানে আমরা দুজনেই ভালো আছি, সুখেই আছি। সংসার করছি। দিন চলে যাচ্ছে।
অপি বলেন, এসব নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগছে না আর। কতজনকে বলবো? নির্ঝর এখন ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে একটা প্রোজেক্টের কাজে আছেন। এই বয়সে এসব কথাবার্তা, যন্ত্রণা ভালো লাগে না আর।
ভালোবাসার টানে ২০১৬ সালের ঈদের দিন অনেকটা গোপনেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন অপি করিম ও এনামুল করিম নির্ঝর। এটি ছিলো অপি করিমের তৃতীয় বিয়ে।
এর আগে ২০০৭ সালের ২৭ অক্টোবর সম্পূর্ণ পারিবারিক পছন্দে অপির বিয়ে হয়েছিল জাপান প্রবাসী ড. আসির আহমেদের সঙ্গে। ২০১১ সালের দিকে চার বছরের সেই সংসারে বিচ্ছেদ ঘটে। তার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ওই বছরই নাট্যনির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জলকে বিয়ে করেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু সেই সংসারও টিকেনি বেশিদিন।

এরপর নির্মাতা এনামুল করিম নির্ঝরকে বিয়ে করেন। দুবছর যেতে না যেতে সংসার ভাঙনের গুঞ্জনে শোবিজে খানিকটা ইতস্তত আবহাওয়া। সবার প্রত্যাশা ভাঙনের খবরটি যেন গুঞ্জনই হয়। ভালোবাসার দাম্পত্যে সুখের পায়রা হয়ে বাকি জীবনটা কেটে যাক অপি ও নির্ঝরের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদ নির্বাচনের আগে ডাকসুর ভোট সম্ভব না : ঢাবি ছাত্রলীগ

দেশের খবর: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভোট গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়টির শাখা ছাত্রলীগ। তারা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের পর যত দ্রুত সম্ভব ডাকসুর ভোটগ্রহণ করা যেতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো বলছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই ডাকসুর ভোটগ্রহণ করতে হবে।
রোববার এই নির্বাচন নিয়ে ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।
উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানীসহ হল প্রাধ্যক্ষরা।
উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন। অন্যদিকে ছাত্রদলের প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে করে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা দিয়ে আলোচনা সভায় নিয়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন সহকারী প্রক্টর। ছাত্রদলের পক্ষে আলেচনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজীব আহসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী। এ ছাড়া বাম সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের নেতারাও ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমরা নির্দিষ্ট কোনো টাইমফ্রেম দেইনি।
তিনি বলেন, এখানে অনেক সংগঠন টাইমফ্রেম বেঁধে দিয়েছে। আমরা জানি না, তাদের সে ধরনের রাইটস আছে কি না। তারা বলে দিচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে ডাকসু নির্বাচন করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে না। আমার মনে হয়, তাদের আরও সময় দেয়া উচিত। একটা জিনিস ভালোভাবে করতে প্রস্তুতি প্রয়োজন।
সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন, ভোটার তালিকা করতে হবে, আরও আনুষাঙ্গিক কাজ রয়েছে। আমার মনে হয়, তাদেরও সময় দেয়া উচিত। সামনে জাতীয় নির্বাচন। এটা একটা বৃহৎ ইস্যু। নির্বাচনের আগে বা মাঝখানে হলে আমার মনে হয় না ভালো হবে। আমার মনে হয়, নির্বাচনের পরে যত দ্রুত সম্ভব করা যায়। আমরা কোনো টাইমফ্রেম বেধে দিচ্ছি না। আমার মনে হয়, নির্বাচনের আগে পসিবল না। যদি হয়, তাহলে আমরা সাধুবাদ জানাবো।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এই সভায় জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। আমি এর জন্য তাদের ধিক্কার জানাই। আমরা এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছি। যারা ইতিহাস বিকৃতি করে, তারা মস্তিষ্ক বিকৃতির বাইরে নয়।
এদিকে আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ডাকসু নির্বাচনের জন্য কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় ঢাবি ভিসি ড. মো. আক্তারুজ্জামানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে রিট করা হয়েছে। গত বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এই রিট আবেদন করেন। রিটের বাকি বিবাদীরা হলেন- প্রক্টর ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানি ও ট্রেজারার ড. কামাল উদ্দিন।
পরে মনজিল মোরসেদ জানান, রোববার (আজ) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হতে পারে।
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ডাকসু নির্বাচনের জন্য কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় ভিসি ড. মো. আক্তারুজ্জামানসহ তিন জনকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, আগামী ৭ দিনের মধ্যে আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা না নিলে তাদের বিরুদ্ধে হাইকার্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে।
এর আগে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষকে এ আদেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়। এ ছাড়া ডাকসু নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন আদালত।
রুলের শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
ডাকসু নির্বাচনে পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে ২০১২ সালের ১১ মার্চ ঢাবি ভিসি, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। ঢাবি কর্তৃপক্ষ ওই নোটিশের কোনো জবাব না দেয়ায় ওই বছরই ২৫ শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

এরপর ওই বছরের ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। বিবাদী ছিলেন শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর।
রিটকারীরা হলেন- ঢাবির তৎকালীন ছাত্র আলী আসিফ সাওন, নাদিম মাহমুদ, এহসানুল হাসান, ফাহিম হোসেন মজনু, আলম ভূঁইয়া, আশিকুর রহমান, রিয়াদুল ইসলাম, শোয়েব রানা, রিয়াজউদ্দৌলা প্রধান, মো. রুহুল আমিন, সৌমিত্র দাস শুভ্র, আবদুল্লাহ আল হোসেন, আবদুর রহিম, ফিরদুল ইসলাম, এনামুল হক, সাইদুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, রিয়াজুল করিম, রাসেল কবির, আবু মুসা, নাসির উদ্দিন, হুমায়ূন কবির, সবিত ইবনে আনিস, আমির খসরু এবং রায়হান রাজু।

ওই রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ডাকসু নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। পরে ৩ মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের পর ডাকসু ভেঙে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর পর দীর্ঘ ২৮ বছরে আর কোনো নির্বাচন হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘রাজনীতিতে এখন ছদ্মবেশী প্রতারণা পার্টির নাম বিএনপি’

দেশের খবর: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সাহস থাকলে জনগণের কাছে নালিশ করুন। বিদেশে গিয়ে নালিশ করে দেশকে কেন খাটো করছেন আপনারা? প্রথমে শুনলাম জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণ, কিন্তু পরে বাস্তবে দেখা গেল এমন কোনো আমন্ত্রণ নাই। কী রকম তারা প্রতরণা করে, রাজনীতিতে ছদ্মবেশী প্রতারণা পার্টির নাম বিএনপি। বিএনপি এখন বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশ কান্নাকাটি পার্টি হয়ে গেছে’।
আজ রবিবার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে সংগঠনটির ৪১তম কাউন্সিল অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে না, এটা আমরা বলবো না। প্রয়োজন হলে সেই অবস্থায় নির্বাচন কমিশন অনুরোধ করলে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে কিভাবে মোতায়েন হবে সরকার সেই সিদ্ধান্ত নেবে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। নির্বাচনের দেড় মাস আগে মামাবাড়ির আবদার করার কোনো সুযোগ নেই। ‌এ সময় সংসদ সদস্যদের কোনো ক্ষমতা ও কার্যকারিতা থাকবে না। কাজেই এটা ভেঙে দেওয়া, গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো রেখে এবং অকার্যকর এর মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়, আমি বুঝতে পারি না’।
সাংবাদিকদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি কার সঙ্গে যাবে, কিভাবে যাবে তা আমাদের বিষয় না। আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যুক্তফ্রন্টের নেতারা বলেছেন বিএনপির প্রধান মিত্র জামাতে ইসলাম থাকলে তারা বিএনপির সঙ্গে যাবে না। এখানে তো আমাদের কোনো মন্তব্য নাই। তবে নতুন নতুন জোট হলে স্বাগত, শত ফুল ফুটুক। গণতন্ত্র তো, অসুবিধা নাই। নতুন নতুন জোট হোক নির্বাচন করুক।
এবারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদ তৈরির কোনো সুযোগ নাই। সবাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এবার নির্বাচিত হবে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: রুহুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় হাজারো জনতার বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের নামে নন্দিত জননেতা, সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আফম রুহুল হকের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ, কাপুরুষিত মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সাতক্ষীরাবাসীর প্রাণ,হৃদয়ের স্পন্দন ডা: আফম রুহুল এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাতে খন্ড খন্ড মিছিল সহকারে সাতক্ষীরা শহিদ আলাউদ্দিন চত্বরে হাজির হতে থাকেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ২ ঘণ্টার জন্য প্রায় অচল হয়ে পড়ে সাতক্ষীরা শহর। নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে রোববার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে ও পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশির পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক সাংসদ ডাঃ মোখলেছুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গনি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আঃ রশিদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রতন, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম,পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, আঃ রশিদ, সদস্য সবুর খান, আঃ মুজিদ, নূর মনোয়ার, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রওশন আরা রুবি প্রমুখ।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, যিনি সাতক্ষীরার চিহ্নিত ভূমিদস্যু হিসাবে পরিচিত। ইতোপূর্বে কখনো আওয়ামীলীগের সাথে কোন সম্পৃক্ততা ছিলো না। বিগত সময়ে যিনি তারেক জিয়ার ঘনিষ্টজন হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি নাকি আবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করবেন। শুধু ব্যবসা করে টাকা মালিক হলেই নৌকা পাওয়া যাবে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগন প্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কোন হাইব্রিড কে মনোনয়ন দেবেন না। যাকে বাদ দিয়ে সাতক্ষীরার উন্নয়নকে কল্পনা করা যায় না। তিনি হলেন সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব ডা: আফম রুহুল হক। তিনি বিশ্ব বিখ্যাত চিকিৎসক। তার জন্যই আমরা সাতক্ষীরায় মেডিকেল কলেজ পেয়েছি। বাইপাস সড়ক পেয়েছি। আশাশুনিতে বাইপাসসড়ক হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরাবাসীর প্রাণের স্পন্দন। তার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সাতক্ষীরাবাসী মেনে নেবে না। যারা কালো টাকার প্রভাবে ডা: রুহুল হকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে, তাঁর সম্মান হানিকরে হাস্যকর মানববন্ধন ও মিথ্যা বক্তব্য উপস্থাপন করে তারা আর যাই হোক সাতক্ষীরার উন্নয়ন চায় না। তারা সাতক্ষীরার শত্রু, দেশের শত্রু।
বক্তারা আরো বলেন, ডা: আফম রুহুল জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যান্ত আস্থাভাজন ব্যক্তি। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদে দক্ষিণ অঞ্চল থেকে শুধু মাত্র সাতক্ষীরাবাসীর প্রাণ, হৃদয়ের স্পন্দন জননেতা ডা: আফম রুহুল সাহেব সুযোগ পেয়েছেন। কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহল তার জনপ্রিয়তা ও সফলায় ইর্ষান্বিত হয়ে গুটিকতক লোককে ম্যানেজ করে একটি হাস্যকর মানববন্ধন করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং আগামীতে যাতে ডা: রুহুল হকের মত সম্মানিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তির নামে এভাবে অপপ্রচার চালাতে আর কেউ সাহস না পায় সে কারণে ওই মহলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন দুই মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: রংপুর ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন এ দুটি ইউনিটের উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশকে উন্নত করতে হলে শান্তি ও নিরাপত্তা দরকার। সে জন্য নিরাপত্তা বাহিনীও দরকার। জঙ্গি নির্মূলে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অামাদের পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের কোনো কর্মঘণ্টা নেই। তাদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সে তুলনায় কোনো সুযোগ সুবিধা ছিল না। অাগে পুলিশের রেশন ছিল ২০ ভাগ, এখন অামরা দিয়েছি শতভাগ। এ ছাড়া পুলিশকে শক্তিশালী করতে তাদের আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম দিয়েছি। পুলিশের চিকিৎসা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা অাগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোটের অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে ১৭ জন পুলিশ মারা গেছে। তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও তাদের অাত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বর্তমানে পুলিশের বিভিন্ন ভূমিকার কারণে পুলিশের ওপর মানুষের অাস্থা বেড়েছে। রংপুর এবং গাজীপুর পুলিশ ইউনিট করার ফলে অনেক পুলিশ অফিসারের প্রমোশন হয়েছে। দুটি স্থানে পুলিশ ইউনিট করার ফলে এলাকা মানুষ নিরাপত্তা পাবে। অামরা ক্ষমতায় অাসার পর পুলিশের বাজেটও বাড়িয়ে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি এখন অার কেউ থামাতে পারবে না। অামরা বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই। এ জন্য অাইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা দরকার। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। অাগামী ২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম অায়ের এবং ৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, অাগামী ২১০০ সালে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই সে পরিকল্পনাও অামরা গ্রহণ করছি। এ জন্য অামরা ডেল্টাপ্লান ২১০০ গ্রহণ করেছি।
গাজীপুর ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিটের উদ্বোধন ছাড়াও এ দুই এলাকার উপকারভোগী এলাকাবাসীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন। এ ছাড়া পুলিশ মহা-পরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠানে পুলিশের উন্নয়নের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিন্ন গোত্রের মেয়েকে বিয়ে করায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা!

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে ‘ভিন্ন গোত্রে’র এক তরুণীকে বিয়ে করায় দিনে দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে প্রণয় কুমার (২৩) নামে এক তরুণকে। শুক্রবার ওই রাজ্যের নালগোন্দা জেলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ব্যক্তি ছয় মাস আগে ভিন্ন গোত্রের ওই তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন।
হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিরইয়ালগুদা শহরে দিবালোকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই তরুণকে হত্যার ঘটনাটি ধরা পড়েছে নিকটস্থ একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে। এতে দেখা যায়, একটি হাসপাতাল থেকে প্রণয় তার স্ত্রী অম্রুতা বর্ষিণীকে (২১) নিয়ে বের হওয়ার সময় আকস্মিক পেছন থেকে এসে এক ব্যক্তি হামলা চালায় এবং প্রণয়কে কুপিয়ে হত্যা করে। এদিকে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষোভ।
ফুটেজ ও পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গর্ভবতী বর্ষিণীকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় প্রণয়কে পেছন থেকে এসে ওই ব্যক্তি চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তখন বর্ষিণী স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্ষিণীর অভিযোগ, তার বাবা ও চাচারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। কারণ তারা পরিবারের মত ছাড়াই ভিন্ন গোত্রে বিয়ে করেছিল।
নিজের পরিবার থেকে গর্ভপাতের জন্যও চাপ সইতে হচ্ছিল জানিয়ে বর্ষিণী বলেন, গর্ভপাতের কোনো ইচ্ছেই আমার ছিলো না। প্রণয়ের সন্তান আমার ভবিষ্যৎ। সে খুবই ভালো ছিল। সে আমার খুবই যত্ন করতো, বিশেষ করে গর্ভবতী হওয়ার পর। এই আধুনিক যুগে এসেও কেন জাত-বর্ণ-গোত্র এমনভাবে দেখা হয়, সে নিয়েও প্রশ্ন ছুড়ে দেন শোকাহত বর্ষিণী।
খবরে আরো বলা হয়, প্রণয় কুমার ও অম্রুতা বর্ষিণী আট মাস আগে বিয়ে করেন। তাদের কলেজ জীবন থেকে ভালবাসার সম্পর্ক ছিল। জাত ভিন্ন হওয়ায় দু’জনের পরিবার তাদের বিয়েতে মত দিচ্ছিলো না, কিন্তু এ যুগল নিজেরাই বিয়ে করে ফেলেন।
নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর বর্ষিণীর বাবা ও চাচাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তার আগে থেকেই ওই অঞ্চলে ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমও।
এর আগে ২০১৬ সালের মার্চে তামিলনাডুতেও এমন একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেসময় ‘ভিন্ন গোত্রে’ বিয়ে করায় ২২ বছর বয়সী শঙ্কর নামে এক তরুণকে তার স্ত্রী কৌশল্যার সামনেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest