সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানসাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময় সভাসাতক্ষীরা জেলা বিএনপিতে টুটুলকে ঘিরে তৃণমূলে তৎপরতাসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনীসাতক্ষীরায় টেপা মাছ খেয়ে একই পরিবারের ৫ জন অসুস্থ : ব্যবসায়ীর মৃত্যুডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিসাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ক দুই দিনের সাংবাদিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনসাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুমানবকণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধির নিয়োগ পেলেন মুজাহিদুলদেবহাটায় প্রতিবন্ধী নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

খাশোগিকে হত্যায় তুরস্কে ‘কিলিং স্কোয়াড’ পাঠায় যুবরাজ

বিদেশের খবর: সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সন্দেহভাজন খুনীর সঙ্গে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের (এমবিএস) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির প্রতাপশালী যুবরাজ এমবিএসের ঘনিষ্ঠ এক সহচরকে সাংবাদিক জামাল খাশোগির খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বলে দাবি করেছে তুরস্ক।

নিউইয়র্ক টাইমস তুর্কি সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, যুবরাজ সালমানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষবাহিনীর আরো তিন সদস্য ও সৌদির উচু স্তরের এক ফরেনসিক চিকিৎসকও এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

খাশোগি নিখোঁজ এবং খুনের ঘটনার সঙ্গে ‘দুর্বৃত্ত খুনীরা’ জড়িত থাকতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন। কিন্তু এখন ট্রাম্পের সেই দাবি নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

jamal-killer

গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তান্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন সৌদি রাজপরিবারের কট্টর সমালোচক ও সাংবাদিক জামাল খাশোগি। সৌদি আরব ও তুরস্কের তদন্তকারীরা ইতোমধ্যে কনস্যুলেটে তদন্ত চালিয়েছেন।

তুরস্কের সরকারি সূত্রগুলো বলছে, দেশটির পুলিশের ধারণা সৌদি ওই সাংবাদিককে কনস্যুলেট ভবনেই হত্যা করা হয়েছে। আর এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়ার জন্য সৌদি থেকে তুরস্কে উড়ে এসেছিল ১৫ সদস্যের বিশেষ কিলিং স্কোয়াড। এদিকে, সৌদি আরব বলছে, কনস্যুলেটে কাজ শেষে নিরাপদে বেরিয়ে গেছেন সাংবাদিক জামালা খাশোগি।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, তুর্কি ওই সূত্র নিশ্চিত করে বলেছে, ১৫ জনের কিলিং স্কোয়াডের মধ্যে অন্তত ৯ জন সৌদি নিরাপত্তাবাহিনী, সেনাবাহিনী অথবা দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সদস্য।

মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম বলছে, ফেস শনাক্তকারী সফটওয়্যার, সৌদি আরবের মোবাইল ফোন নম্বরের তথ্য-উপাত্ত ও ফাঁস হওয়া সৌদি বিভিন্ন নথি-পত্র, প্রত্যক্ষদর্শী ও গণমাধ্যমের সহায়তায় ঘাতকদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক।

সন্দেহভাজন ঘাতকদের একজন মাহের আব্দুল আজিজ মুতরেব। ২০০৭ সালে লন্ডনে নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসে কূটনৈতিক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, সম্প্রতি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মাদ্রিদ থেকে প্যারিস সফরের সময় তার বডিগার্ড হিসেবে দেখা গেছে মুতরেবকে। যুবরাজের সঙ্গে বিমানে উঠতে এবং নামতে দেখা যায় মুতরেব। এ ঘটনার ছবি আছে তাদের কাছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাস্টন, বোস্টন ও জাতিসংঘের সদর দফতরে সফরের সময়ও যুবরাজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে দেখা যায় মুতরেবকে।

jamal-killer

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, অন্য তিনি সন্দেহভাজন হলেন আব্দুল আজিজ মোহাম্মদ আল-হাসায়ি, থার গালিব আল-হার্বি ও মোহাম্মদ সাদ আলজাহরানি। এই তিনজনই সৌদি যুবরাজের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষবাহিনীর সদস্য।

মার্কিন এই দৈনিক বলছে, সৌদি রয়্যাল গার্ডের সদস্য তালিকায় আল-হার্বি ও আলজাহরানির নাম পাওয়া গেছে। পঞ্চম সন্দেহভাজন হলেন, সৌদি আরবের ময়নাতদন্তকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সালাহ আল-তুবাইজি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে তার অ্যাকাউন্টে সৌদি সায়েন্টিফিক কাউন্সিল অব ফরেনসিকের প্রধান হিসেবে পরিচয় দেয়া আছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দেশটির শীর্ষস্থানীয় মেডিক্যাল স্কুলগুলোর শীর্ষ পদেও আছেন এই চিকিৎসক।

মঙ্গলবার পৃথক এক প্রতিবেদনে মার্কিন আরেক প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, তুরস্ক সন্দেহভাজন হিসেবে যে ১৫ সৌদি নাগরিককে খাশোগির হত্যাকারী হিসেবে দাবি করেছে; তাদের মধ্যে অন্তত ১১ জন সৌদি গোয়েন্দা বাহিনীর ও বাকিরা সৌদি রয়্যাল গার্ডের সদস্য।

এর আগে দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় খাশোগি মারা গেছেন; এমন স্বীকারোক্তি দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে সৌদি আরব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এশিয়ার সেরা সুন্দরী ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী

বিনোদনের খবর: আন্তর্জাতিক সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ‘মিস এশিয়া-প্যাসিফিক’ শিরোপা জিতেছেন ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী শরিফা আকিল। ৪ অক্টোবর ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়েছেন ব্রাজিলের সুন্দরী গ্যাব্রিয়েলা পালমা । দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রানার-আপ হয়েছেন যথাক্রমে কোস্টারিকার সুন্দরী মেলানিয়া গঞ্জালেজ, মঙ্গোলিয়ার মিশেল্ট নরম্যান্ডাক ও ভেনেজুয়েলা সুন্দরী মারিয়ানি এঙ্গারিতা।
৫০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো ফিলিপাইনের মুসলিম তরুণী ‘মিস এশিয়া প্যাসিফিক’ মুকুট জয় করলেন। তবে পঞ্চমবারের মতো ফিলিপাইনে গেল এই মুকুট। ‘মিস এশিয়া’ শিরোপা জয়ের পর শরিফা বলেন,‘নিজ মূল্যবোধ দিয়ে সারবারক্রাইম প্রতিহত করতে হবে। আর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে মানবতার কল্যাণে।’
ম্যানিলার পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে বিভিন্ন দেশের ৫০ জন সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে নিউইয়র্কের মারজানা চৌধুরী ২০তম স্থান দখল করেছেন। ‘মিস বাংলাদেশ’ হিসেবে শিকাগোভিত্তিক একটি সংস্থার মাধ্যমে সিলেটের সন্তান মারজানা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এশিয়া মহাদেশে সবচেয়ে পুরনো এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ১৯৬৮ সালে এবং তা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফিলিপাইনের ম্যানিলায় এর সদর দফতর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জঙ্গি আস্তানার দুই নারী জঙ্গির আত্মসমর্পণ

দেশের খবর: নরসিংদীর মাধবদীতে জঙ্গি আস্তানার দুই নারী জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। বুধবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তারা আত্মসমর্পণ করে বলে সাংবাদিকদের জানান মনিরুল। এর আগে ওই আস্তানায় অবস্থানরত জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে মাইকিং করা হয়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আত্মসমর্পণ করা দুই নারী জঙ্গির নাম ইশরাত জাহান ওরফে মৌসুমী ওরফে মৌ (২৪) ও খাদিজা পারভীন ওরফে মেঘলা (২৫)।

পুলিশ জানায়, ২০১৬ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট গাজীপুর ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে র‌্যাব সন্দেহভাজন চার নারী জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। সেই চার নারী জঙ্গির মধ্যে মৌ ও মেঘলা ছিল। জামিন পেয়ে তারা আবার জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ আরও জানায়, দুই নারী জঙ্গি এক সময়ে মিরপুরের জনতা হাউজিং এলাকায় থাকতো। মৌসুমী ওরফে মৌ মিরপুরের ইসলামীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করে। এরপর ২০১২ সালে মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ হতে জিপিএ ৪.৬০ পেয়ে এইচএসসি পাশ করে। মেডিক্যাল ও ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য ফার্মগেটের ইউসিসি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়। ২০১৩ সালে সে মানারাত ইউনিভার্সিটিতে ফার্মাসি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়।

এছাড়া জনতা হাউজিংয়েরই একটি বাড়ির পঞ্চমতলায় এক পরিবারের সঙ্গে সাবলেট হিসেবে থাকে খাদিজা পারভীন ওরফে মেঘলা। সে ২০১৩ সালে জিপিএ ৪.৭০ পেয়ে এইচএসসি পাশ করে। ওই বছরই রোকনুজ্জামান নামে এক যুবকের সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেও বর্তমানে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মাসি বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মাধবদী পৌর এলাকার ছোট গদাইরচর (গাংপার) মহল্লার আফজাল হোসেনের মালিকানাধীন সাততলা বাড়িটি মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টা থেকে ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এইচ টি ইমাম অসুস্থ, হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকায়

রাজনীতির খবর: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বুধবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ফলক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি আছেন।

জানা গেছে, উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও এইচ টি ইমাম ডিগ্রি কলেজের নাম ফলক উন্মোচন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল তার। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠান দু’টি উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আলম জানান, সকাল সাড়ে ১০ দিকে উপদেষ্টা কলেজের নাম ফলক উন্মোচন ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এইচ টি ইমামের ছেলে ও উল্লাপাড়ার সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তার বাবাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এ নিয়ে যাওয়া হয়েছে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের ঐক্যে ফাটল!

দেশের খবর: নিজেদের মধ্যে ঐক্যের কারণে আদালত অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে দাপট দেখিয়ে আসছেন বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা। তবে দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ডপ্রাপ্তির বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল দায়েরের পর থেকেই তার আইনজীবীদের মাঝে ঐক্যে ফাটল ধরেছে। মামলার ফাইল প্রস্তুত করা থেকে শুনানি পর্যন্ত এবং আরও বেশ কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের মাঝে এই ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন খালেদা জিয়ার একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
বিভক্তির অন্যতম কারণগুলোর হলো— দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকা। কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয়তা এবং খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা নিয়ে জ্যেষ্ঠতা ভঙ্গ হওয়া।

বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে বর্তমানে দু’টি গ্রুপ দৃশ্যমান। সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে তারা ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। এর একটি ভাগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অধীনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবদীন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকন। খালেদা জিয়ার মামলাসহ বিভিন্ন জাতীয় বিষয় নিয়ে তারা নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সরব ভূমিকা পালন করছেন।

তবে ঘরে বসে শুধু সংবাদ সম্মেলনে সন্তুষ্ট নন বিএনপির আরেক অংশের আইনজীবীরা। পাশাপাশি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই অংশটি ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ নামের ব্যানারে সভা-সমাবেশ করছে। এই অংশের অন্যতম নেতা বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘‘আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের আগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা করা হয়নি। তাছাড়া ফোরামের ব্যানারে টিভি ক্যামেরার সামনে ঘরে বসে শুধু সংবাদ সম্মেলন করলেই হবে না, খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রশ্নে রাজপথে নামতে হবে। তাই রাজপথে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আমরা ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ এর নামে কর্মসূচি পালন করে চলেছি।’’

এদিকে, ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের বিষয়ে আইনজীবীদের ‘ক্ষোভ’ মেনে নিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘অনেকদিন ধরে কমিটি হয় না। এজন্য অনেকের ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। কমিটি করতে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার। আমরা এই কমিটির বিষয়ে সাত জনকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তারা কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, জানিনা।’

এর বাইরেও খালেদা জিয়ার মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীরা অঘোষিত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করছেন। এরমধ্যে একটি অংশে আছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, খালেদা জিয়ার মামলার অন্যতম আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও বিএনপির আইন সম্পাদক কায়সার কামালসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। খালেদা জিয়ার কোনও মামলা ফাইল করা হলে এই অংশ থেকে কায়সার কামালকেই বেশি উদ্যোগী হতে দেখা যায়।

অবশিষ্ট অংশে আছেন— ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ প্রমুখ আইনজীবী। আইনজীবীদের এই অংশটি শুধুমাত্র উপস্থিতির খাতিরে খালেদা জিয়ার মামলার শুনানিতে হাজির থাকেন। কিন্তু মামলার প্রস্তুতিতে তাদেরকে উল্লেখযোগ্য কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয় না। এদেরকে নিষ্ক্রীয় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি খালেদা জিয়ার কোনও মামলার ফাইল তৈরিতে এই অংশের আইনজীবীদের সঙ্গে কোনও আলাপও করা হয় না। বিশেষ করে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তার নিজের চেম্বার থেকেই মামলা প্রস্তুত করেন এবং বিভিন্ন আদালতে মামলাগুলোর বিষয়ে তিনিই দেখভাল করেন, যা জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের অনেকেই পছন্দ করেন না। এখানেই শেষ নয়, মামলার বিষয়বস্তু নিয়েও কায়সার কামালকে বেশ কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ঘটনা-১
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে দায়ের হওয়া নাশকতার মামলায় বিএনপি সমর্থিত স্থানীয় আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ আগস্ট দলের যুগ্ম-মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করতে যান। শুনানি নিয়ে মামলার পরবর্তী দিন ৩০ আগস্ট ধার্য রাখেন আদালত। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন যে— মাহবুব উদ্দিন খোকন কুমিল্লার আদালতে যাওয়ায় সেখানে পুলিশের উপস্থিতি বেড়ে যায়, এতে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং মামলা পরিচালনায় ব্যাঘাত ঘটে। এরপর তারেক রহমান ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ব্যারিস্টার খোকনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং মামলার বিষয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তোলেন।

ঘটনা-২
এরপর গত ৩০ আগস্ট একই মামলায় কুমিল্লার আইনজীবীদের সহযোগিতা করতে সেখানে যান খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী ও দলটির আরেক আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ্ মিয়া। শুনানি শেষে আদালত মামলার পরবর্তী তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন। জানা যায়, এক্ষেত্রেও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল লন্ডনে তারেক রহমানকে ফোন করে অভিযোগ করেন। এরপর তারেক রহমান সানাউল্লাহ মিয়াকেও ফোন করেন এবং তার কাছে জানতে চান, ‘আপনারা শুনানিতে কী করলেন?’ তখন সানাউল্লাহ্ মিয়া ৩০ আগস্টের বিচারিক আদালতের আদেশ তাকে পড়ে শোনান। এই ফোনালাপের পর সানাউল্লাহ্ মিয়া মনক্ষুণ্ন হন। নাম ও পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। পরে বিষয়টি নিয়ে কায়সার কামালকে সতর্ক করেন সানাউল্লাহ্ মিয়া।

ঘটনা-৩
গত ৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ব্যারিস্টার খোকন এসময় ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি খালেদা জিয়ার মালিক হতে চাচ্ছো। আর আমরা খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করার চেষ্টা করছি।’ এমনকি রিট পিটিশন প্রস্তুতের বিষয়ে কায়সার কামালের যোগ্যতা নিয়েও তখন প্রশ্ন তোলেন ব্যারিস্টার খোকন। ওই বৈঠকে খালেদা জিয়ার মামলার প্রশ্নে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ছাড়া অন্যান্য সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে কায়সার কামাল বেয়াদবি করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়। পরে অবশ্য মির্জা ফখরুল পরিস্থিতি সামাল দেন।

তবে ঘটনাগুলোকে ‘মনগড়া’ বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব আইনজীবী ও খালেদা জিয়ার নিযুক্ত যেসব আইনজীবী আছেন, তারা সবাই সম্মিলিতভাবে সব আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবাই সম্মিলিতভাবে মামলাগুলো পরিচালনা করছি।’
একই বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া তিনি বলেন, ‘যার যা প্রয়োজন সেই ঐক্যের মাধ্যমেই কাজ হচ্ছে। ঐক্য আছে এবং থাকবে।’
খালেদা জিয়ার মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীদের মধ্যে ঐক্যে ফাটল সৃষ্টির প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ ঝাড়লেন পিয়া

বিনোদনের খবর: হালের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন। যা দেখে কেউ কেউ তার সমালোচনা করছেন। আর এতে ক্ষেপে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষোভ ঝাড়লেন তিনি।
ফেসবুক লাইভে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশি এই মডেল বলেন, ‘পাবলিক ফিগার এজন্য এত কথা সহ্য করি। অনেকে শুনিয়ে শুনিয়ে অনেক কথা বলে। এত লম্বা, এত মোটা, এত শুকনা! অনেক কথা বলতে থাকে। আমরা তো কাউকে দেখে এসব বলি না। কারণ আমরা ম্যানার জানি। বাসায় শিখেছি, বড় হয়ে শিখেছি। আপনি একটা অশিক্ষিত পরিবার থেকে আসছেন এ সবাইকে আপনার বোঝাতে হবে? এটা খুব দুঃখজনক।’
পিয়া আরও বলেন, ‘জাতি হিসেবে আমরা খুবই শিক্ষিত, ভদ্র এটা আমরা বারবার দেখাতে চাই মানুষকে। আমি একটা কথা জানতে চাই… আমি মডেল। এর পাশাপাশি আমার পড়াশুনা শেষ, আইনজীবী হয়ে গিয়েছি কিংবা ব্যবসা করছি। কিন্তু মানুষ তো আমাকে মডেল হিসেবেই চেনে। তাহলে আপনারা আমার কাছে কী আশা করেন? আমি বোরখা পরে ঘুরব? বোরখা করে ছবি আপলোড দেব? হিজাব পরে, নেকাব পরে.. এরকম কোনো কিছু? আমি যদি মডেল নাও হতাম, আমি যা পরি নিজের পছন্দেই পরি।’
এই মডেল আরও বলেন, ‘বুঝতে পারি যে আমরা মানসিকভাবে অনেক কিছু গ্রহণ করতে প্রস্তুত না। ঠিক আছে প্রস্তুত হওয়ার দরকার নাই। তাই করেন যা আপনার করতে ইচ্ছে হয়। বাসায় বসে থাকেন। ফেসবুক চালাবেন না, ইনস্টাগ্রাম চালাবেন না। কিছু দেখা লাগবে না। কিন্তু মানুষকে কেন বিরক্ত করবেন? আমি এটাই বুঝি না। আপনার কথা শোনার জন্য কেউ বসে নাই। আপনার কী মনে হয় আপনার কথা শুনে আমি হিজাব পরতে নেমে যাব? না। আমি তাই করবো যা করতে আমি পছন্দ করি।’
যদিও এই লাইভেও দেখা গেছে কেউ কেউ তাকে আক্রমনাত্মক কথা বলে আক্রমণ করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসিকে ‘বাজারি ফুটবলার’ বললেন আর্জেন্টাইন কোচ

খেলার খবর: কয়েকদিন আগেই আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির কঠোর সমালোচনা করেছেন তারই দেশের ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনা। মেসি মাঠে নামার আগে ২০ বার বাথরুমে যান- এমন কথাও বলেছেন ছিয়াশির বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক। এবার তার কণ্ঠে সুর মেলালেন আর্জন্টিনার কোচ অ্যাঙ্গেল কাপ্পা। ফুটবল হিসেবে সুনাম অর্জন করতে না পারা কাপ্পা কোচ হিসেবে বিখ্যাত। তার কাছে মেসি শুধুই একজন ‘বাজারি ফুটবলার’!

সম্প্রতি এক টিভি সাক্ষাৎকারে মেসিকে ধুয়ে দিয়েছেন ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন মহাতারকা রাখঢাক না করেই বলেছেন, মেসি নেতা হওয়ার যোগ্য নয়। ম্যাচের আগে ২০ বার বাথরুমে যায় তাকে নেতা বানানোটা অর্থহীন! ম্যারাডোনা আরও বলেছেন, তিনি যদি আর্জেন্টিনা দলের কোচ হতেন, তাহলে কখনই আর মেসিকে দলে সুযোগ দিতেন না। মেসির পূজা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বার্সেলোনার মেসি একরকম আর আর্জেন্টিনার হয়ে অন্যরকম।

ম্যারাডোনার এই মন্তব্যে যখন সারাবিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তখনই তার সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন কাপ্পা। রেডিও মিতারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি ম্যারাডোনার সঙ্গে একমত। আপনি মেসিকে দেবতূল্য মনে করতে পারেন না। সে অসাধারণ একজন খেলোয়াড় বটে; তবে সেটা কেবল বাজারমূল্যের দিক দিয়েই।’

৭২ বছর বয়সী কাপ্পা মেসির সমালোচনার পাশাপাশি তার প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনারও সমালোচনা করেন। তার মতে মেসি ছাড়া বার্সা মাঝারি ক্লাব, ‘বার্সার এই শীর্ষে থাকাটা একমাত্র মেসির জাদুর কারণে, ‘সে না থাকলে বার্সেলোনা হয়তো ১০ নম্বরে থাকত। মৌসুমে এখন পর্যন্ত অনেক ম্যাচেই বার্সেলোনাকে বাঁচিয়ে দিয়েছে সে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতা ও গাজীরহাট পূজা ম‌ন্দি‌র প‌রিদর্শন কর‌লেন ডা: রুহুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা ০৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক সফল স্বাস্থ্যমস্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ ফ ম রুহুল হক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে সকাল ৯.৩০ টায় কালিগঞ্জের নলতা কালিমাতা মন্দির ও ১০.৩০ টায় দেবহাটা উপজেলার গাজীরহাট সার্বজনীন দূর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন করলেন।
পরিদর্শনকালে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়েই এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। বাংলাদেশ সেই আদর্শ নিয়েই জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।” “বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যার যার অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
সুষ্ঠুভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন হোক। “আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জনগণ তারাও সহায়তা করে যাচ্ছে।”
তিনি উৎসবের সাফল্য কামনা করে বলেন, “এখানে আমরা সবাই যার যার ধর্ম পালন করব। ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সকলের। “প্রত্যেকটা উৎসবে সবাই ভাইবোনের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই উৎসবটা উদযাপন করে যাব।” সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে যাতে আরও সুষ্ঠুভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে উৎসব পালন করতে পারেন সেজন্য নৌকা প্রতিকে ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আবারও শক্তিশালী করতে হবে। সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন।

পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনকালে ডা: রুহুল হক এমপির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মান্নান, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শ্রী মনোরঞ্জন মুখার্জী, জেলা পরিষদ সদস্য এস এম আসাদুর রহমান সেলিম, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাইফুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন সহ আওয়ামীলীগের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest