সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

লাল শাকের নানা স্বাস্থ্য গুন

অনলাইন ডেস্ক: লাল শাক আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান একটি সবজি। অনেকেই লাল শাক পছন্দ করেন। কেও রঙের কারণেও লাল শাক পছন্দ করে থাকেন। লাল শাকে নানা গুনাবলী রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। মার্কিন এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়। এছাড়া লাল শাক খেলে ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে। নিয়মিত লাল শাক খেলে আরও যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. লাল শাক ক্ষিদে কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। লাল শাকে উপস্থিত কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়।

২. নিয়মিত লাল শাক খেলে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

৩. লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৪. লাল শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফাইবার হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া এটি গ্যাস্ট্রিকের জন্যও উপকারী।।

৫. লাল শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

৬. নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে। অন্যদিকে লাল শাক খেলে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়।

৭. নিয়মিত লাল শাক খেলে শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ কারণে এটি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: কোলেস্টেরল হল শরীরের তেল জাতীয় একটি পদার্থ। কোলেস্টেরল শরীরের ধমনী প্রাচীর এবং হরমোন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।কিন্তু কোলেস্টেরল বেশি থাকা শরীরের জন্য খারাপ। এ কারণে শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না রাখলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কিছু কিছু খাবার খেতে পারেন। এগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে।

১. দই আমোদের অনেকেরই পছন্দের খাবার। আবার অনেকে দই পছন্দ করেন না। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে দই যে খেতেই হবে। দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

২. আমাদের অনেকেরই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাওয়ার অভ্যাস নেই। তিন বেলা শুধু খাবারের সঙ্গে পানি খাওয়ার অভ্যাসও আছে অনেকেরই। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ গ্লাস বা তার চেয়ে বেশি পানি পান করলে উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমপক্ষে ৫০ ভাগ কমে।

৩. অনেকেই বিদেশি ফলে আসক্ত। জাম্বুরার মতো দেশি ফল অনেকেরই নাস্তার টেবিলে জায়গা পায়না। কিন্তু জাম্বুরার রয়েছে নানা গুন। জাম্বুরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হৃদরোগের জন্যও উপকারী। এছাড়া এটি ওজন কমাতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে ভূমিকা রাখে।

৪. রান্নায় আমরা মসলা হিসেবে আদা ব্যবহার করে থাকি। আদা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ গ্রাম পরিমাণ আদা খাওয়া উচিত।

৫. ইতিমধ্যেই গ্রিন টি তার নানা গুনের কারণে বেশ জনপ্রিয় উঠেছে। উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্লাভোনাল হৃদরোগ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।

৬. আপনার দৈনিক খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ফল এবং শাকসবজি রাখুন। যেসব খাবারে ফাইবার বা আঁশ থাকে সেগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

৭. ধূমপান পরিহার করুন। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়ামও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: স্বাস্থ্যসম্মত জীবনব্যবস্থা বজায় রাখলে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকখানি কমানো যায়। এ জন্য করণীয় হলো- ধূমপান না করা, ব্লাড প্রেসার জানা এবং কন্ট্রোল করা, নিয়ম করে হাঁটা বা হালকা দৌঁড়ানো, দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করা।
সতর্কভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, কোলেস্টেরল এবং চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া, নিয়মমাফিক খাবার খাওয়া, মাদক না নেওয়া, মদ্যপান না করা।

রক্তচাপ কম থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারের তালিকা গঠনের মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। অর্থাৎ এমন অনেক খাবার আছে যা খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৭ শতাংশ কমিয়ে ফেলা যায়। তাই আজই এই খাবারগুলো দিয়ে সাজিয়ে ফেলুন আপনার খাবারের তালিকা এবং কমিয়ে ফেলুন স্ট্রোকের ঝুঁকি।

মাছ:
হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল প্রায় ১২ বছর ধরে ৫০০০ পূর্ণ বয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করে যাদের বয়স ৬৫ বছর অথবা তার বেশি। এই গবেষণায় দেখানো হয় যে, যারা সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন মাছ খান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৭ শতাংশ কম। যেসব মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ রয়েছে সেসব মাছ রক্তের প্রবাহ বাড়ায় এবং রক্তচাপ কমায়। আর খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে মাছ রাখা মানে লাল মাংসের জায়গা কমে যায়। যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

ওটমিল:
রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকলে তা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই সর্বপ্রথম আপনার উচিত হবে রক্তে কোলেস্টেরল কমানো। তার জন্য ওটমিল বেশ ভালো। ওটমিলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে যা ক্ষুধা মেটায় কিন্তু ক্যালরি বা কার্বো কম বাড়ায়। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে আপনি প্রতিদিন ওটমিল খেতে পারেন।

বাদাম:
বলা হয় প্রতিদিন এক মুষ্টি বাদাম আপনাকে কোলেস্টেরল থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। তাই কয়েক ধরনের বাদাম মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক মুঠ বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ আপনার কোলেস্টেরল যত কম থাকবে, রক্তচাপও ততটাই কম থাকবে। আর রক্তচাপ কম থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকির পরিমাণও কম থাকবে।

মিষ্টি আলু:
রাতের খাবারে অন্যান্য আইটেমের পাশাপাশি মিষ্টি আলু রাখতে পারেন। এটা অনেক বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। পাশাপাশি মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এটা আপনার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে।

কলা:
বেশি পরিমাণে পটাশিয়াম খেলে আপনার রক্তচাপ কমবে। যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম বেশি পরিমাণে খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। তবে কাঁচা কলা রক্তচাপ কমাতে আরও বেশি সহায়ক বলে জানিয়েছেন দেশটির চিকিৎসক মিশেল রুথেনস্টাইন। তিনি বলেন, কাঁচা কলা স্ট্রোক প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাই হলুদ কলার পরিবর্তে বাজার থেকে সবুজ রঙয়ের কলা কিনতে হবে।

লাউয়ের বীজ:
স্ট্রোক নামের জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২২ শতাংশ কমে যায়। লাউয়ের বীজে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম আছে। এ কারণে নিয়ম করে লাউয়ের বীজ খেতে হবে।

পুঁইশাক:
পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড রয়েছে। আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশনের এক গবেষণা বলছে, এটা উচ্চ রক্তচাপে থাকা ব্যক্তিদের স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এজন্য একেবারেই সহজলভ্য এই শাক নিয়মিত খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সহজ জয় পেল ইংল্যান্ড

খেলার খবর: ক্যান্ডির পাল্লেকেলে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার তৃতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে সহজেই হারাল ইংল্যান্ড। সাত উইকেটে জিতেছে মর্গ্যানের দল। ১৫১ রানের লক্ষ্য ১৫ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে যায় তারা।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নিরোশান ডিকভেলার টর্নেডো ইনিংসে উড়ন্ত সূচনা পায় শ্রীলঙ্কা। ২০ বলে ৮ চারে ৩৬ রান করা কিপার ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন কারান।
কুসল মেন্ডিসকে গোল্ডন ডাকের স্বাদ দেন রশিদ। পরে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দেন সাদিরা সামারা্বিক্রমা ও থিসারা পেরেরাকে। লেগ স্পিনারের আঘাতে এলোমেলো হয়ে যায় লঙ্কান ব্যাটিং। দুই উইকেটে ৯৪ রানের দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড়ানো দল কোনো মতে যায় দেড়শ পর্যন্ত।
৩৬ রানে ৪ উইকেট নেন রশিদ।
জবাবে লাসিথ মালিঙ্গার প্রথম ওভার থেকে ১৭ রান তুলে নেন জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। তবে বেশিক্ষণ টিকেননি বেয়ারস্টো ও জো রুট।
ইংলিশ অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। তার ৪৯ বলের ইনিংসটি গড়া ৭টি চারে। ছক্কায় ম্যাচ শেষ করা স্টোকস ২৪ বলে করেন ৩৫ রান। তাতেই ১৫ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন

অনলাইন ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন আজ বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সাথে নরপিশাচরা নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। তিনি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আগামীকাল সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার এক বিবৃতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি যথাযোগ্যভাবে পালন করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি দেশের সকল শাখা সংগঠনসমূহকেও অনুরূপ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিসিবি একাদশের নেতৃত্বে সৌম্য

খেলার খবর: তিন ওয়ানডের সিরিজে নামার আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। শুক্রবার সাভারের বিকেএসপিতে হতে যাওয়া ৫০ ওভারের ম্যাচটিতে সফরকারী দলের প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ। যে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়া সৌম্য সরকার।

প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বুধবার ১২ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। ওয়ানডে দলে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে ফজলে রাব্বি, আরিফুল হক ও মোহাম্মদ সাউফউদ্দিন আছেন স্কোয়াডে। দলে জায়গা পেয়েছেন বিকেএসপির তরুণ দুই ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ধ্রুব ও জাকির হাসান। দুজনই বাংলাদেশ দলের হয়ে টি-টুয়েন্টি খেলেছেন।

জায়গা পেয়েছেন মাত্র একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা রাজশাহীর পেসার মোহর শেখ অন্তরও। ২০১৬ সালে পেসার হান্ট দিয়ে আলোচনায় আসেন ২১ বছরের এ তরুণ। ৮ অক্টোবর জাতীয় লিগে অভিষেক হয় তার। নেন তিনটি উইকেট।

বিসিবি একাদশ
সৌম্য সরকার (অধিনায়ক), মিজানুর রহমান, ফজলে রাব্বি, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, জাকির হাসান, আরিফুল হক, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, ইয়াসিন আরাফাত মিশু, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, মোহর শেখ, নাঈম হাসান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে শিশু ধর্ষণের পর হত্যা; ইমরানের ফাঁসি কার্যকর

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কাসুরে ছয় বছরের শিশু জয়নাব আনসারি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ইমরান আলির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার লাহোরের কোট লাখপাট কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর- ডন নিউজ’র।

ওই সংবাদ মাধ্যম জানায়, ইমরান আলির ফাঁসি কার্যকরের সময় জয়নবের বাবা ও চাচা উপস্থিত ছিলেন। জয়নবের বাবা আমিন আনসারি বলেন, ‘হত্যাকারীকে আজ তার কর্মফল ভোগ করতে হলো।’

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি পাঞ্জাবের কাসুরের শিশু জয়নব আনসারি নিখোঁজ হয়। কয়েকদিন পর শহরের একটি আবর্জনার স্তুপে তার মরদেহ পাওয়া যায়। তকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

এক বছরের মধ্যে ১২তম শিশু হিসেবে ধর্ষণের শিকার হওয়া জয়নবের মৃত্যুতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে যায় সারা শহরে। ‘জাস্টিস ফর জয়নাব’ দাবিতে ১০ জানুয়ারি থেকে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সেখানকার মানুষ। ‘হ্যাশট্যাগ জাস্টিস ফর জয়নাব’ লিখে প্রতিক্রিয়া জানান জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও ক্রিকেট তারকারাসহ বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ।

পরে ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায়, জয়নবের শরীরে পাওয়া সন্দেহভাজন অপরাধীর ডিএনএ নমুনাটি আগে ধর্ষণের শিকার হওয়া সাতটি শিশুর শরীরেও পাওয়া গিয়েছিল। পরে ইমরান আলীকে অপরাধী হিসেবে গ্রেফতার করা হলে সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে শুরু হয় তার বিচার।

ফরেনসিক রিপোর্ট ও পলিগ্রাফিক পরীক্ষায় অপরাধ প্রমাণ হওয়ায় তাকে শিশু হত্যা, শিশু অপহরণ, শিশু ধর্ষণ এবং শিশুর সঙ্গে অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।

মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জয়নাবের বাবা আমিন আনসারি। তিনি বলেন, ‘আমি নিজের চোখে তাঁর ভয়ংকর পরিণতি দেখেছি। তাকে ফাঁসি কাষ্ঠে নেয়া হয়। এক ঘণ্টা ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়।’

আমিন আনসারি এর আগে জনসম্মুখে এই ফাঁসি কার্যকরের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে লাহোর হাইকোর্টে তা নাকচ হয়ে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের সাহসী মানুষ পরাভব মানে না- সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এমপি রুহুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের মানুষ পরাভয় মানে না। তারা সব দুর্যোগ সব অনিয়মকে রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে উল্লেখ করে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক এমপি বলেন ২০০৯ সালে সাতক্ষীরায় আছড়ে পড়া ভয়াবহ আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ নিজেরা দুই হাতে চরের মাটি তুলে বাড়ি তৈরী করেছে। তাদের পেটে খাবার নেই, পিপাসা নিবারনে পানিও নেই। সরকারি কোনো সাহায্য ততক্ষনে না পৌঁছালেও এর তোয়াক্কা না করেই তারা আইলা মোকাবেলা করার শক্তি ও সামর্থ দেখিয়েছে। তিনি বলেন বিশ্বব্যাপী এই ছবি ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। অথচ এই ঘটনার কিছুদিন পর হাইতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সেখানকার মানুষ লুঠপাটে নেমেছিল। এমনকি আমেরিকায় আঘাত হানা ‘মাইকেল’এ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ট্রাম্প সরকারের সাহায্যের আশায় এখনও বসে রয়েছে। আমরা এমনই এক বাংলাদেশে বাস করি যেখানকার মানুষ সব আঘাত সহ্য করেও ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস দেখায়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ডা. আফম রুহুল হক বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক অনির্ধারিত কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন বাংলাদেশ প্রমান করেছে যে দেশটি আত্মনির্ভর হতে চায়। এই দেশ ও জাতির রয়েছে অগাধ আত্ম বিশ্বাস। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ থিম সে সময়কার মিডিয়া যথাযথভাবে প্রচার করেছিল। এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন মিডিয়ার ভূমিকাও ছিল গুরুত্বপূর্ন। আর একারনে জাতি হিসাবে আমরা বাঙ্গালিরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দ্রুত মুক্তি লাভ করতে পেরেছি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। দেশের যুবসমাজ এখন উন্নয়নের ধারায় কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারাকে বুঝতে হবে , জানতে হবে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা বহুদূর এগিয়েছে। আরও কিছুদিনের মধ্যে সাতক্ষীরার মত প্রত্যন্ত এলাকায়ও মানুষ উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা লাভ করতে পারবে। তবে চিকিৎসালয়গুলিতে নানা অব্যবস্থাপনা, সেবা না পাওয়া সহ নানা সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন ডাক্তারের পদ রয়েছে। সরকার বেতন দিয়েছে অথচ সেখানে ডাক্তার নেই। এটা দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে হবে। তবেই তাদের স্বাস্থ্যসেবা বহুলাংশে নিশ্চিত করা যাবে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ নিয়ে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে অতি উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম এসেছে। তার পরও সেবা প্রদানে পশ্চাদপদতা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন ধীরে ধীরে এসব ঘাটতি পূরনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শহীদ সম আলাউদ্দিন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাবেক সভাপতি সুভাষ চৌধুরী, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, প্রথম আলোর কল্যান ব্যানার্জী, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আব্দুল বারী, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, সাবেক সাধারন সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, দৈনিক দক্ষিনের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক দৃষ্টিপাতের নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্লা, দৈনিক ভোরের কাগজের ড. দিলীপ কুমার দেব, দৈনিক সুপ্রভাত এর নির্বাহী সম্পাদক তানজির আহমেদ প্রমুখ সাংবাদিক।
ডা. আ ফ ম রুহুল হক মতবিনিময় সভায় আরও বলেন, প্রেসক্লাবের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ধীরে ধীরে আরও উন্নয়ন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমিও এই উন্নয়নের অংশীদার হতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest