সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরের

সাতক্ষীরায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, বিশ্বে দশ বছরে ৭৫১ সাংবাদিক খুন : সাংবাদিকতায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘মেক মিডিয়া ফ্রী, জিডিপি উইল ইনক্রিস অ্যাট লিস্ট টু পার্সেন্ট’ নোবেল বিজয়ী ড. অমর্ত্য সেনের এই উক্তিকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় বক্তারা বলেন এর মধ্যে নিহিত রয়েছে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, সুশাসন, গণতন্ত্রকে শাণিত করা সহ নানা উদ্দেশ্য। এই লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ফ্রীডম অব প্রেস এখন এক চলমান আন্দোলন বলে উল্লেখ করেন তারা।
এ প্রসঙ্গে বক্তারা আরও বলেন রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ মিডিয়া ওয়াচ ডগের ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা গেইটকীপার হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছে। এ জন্য সাংবাদিক ও মিডিয়া গেইটকীপারদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া দরকার। এর সাথে সাথে নারী সাংবাদিকতাকে জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব আারোপ করেন তারা।
‘সাংবাদিকদের নিরাপত্তা,ঝুঁকি চিহ্ণিতকরণ, নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রনয়ণ ও দায়মুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষন’ শীর্ষক কর্মসূচিতে এসব কথা তুলে ধরেন আয়োজকরা। বুধবার সকালে সাতক্ষীরার বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিকের সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেসক্লাবের শহিদ সম আলাউদ্দিন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এতে তারা বলেন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি যথাযথভাবে মোকাবেলা করা গেলে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত হবে। দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে। অচিরেই বাংলাদেশ এমন একটি জায়গায় পৌঁছাতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
সাংবাদিকরা বহুমুখী নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে তারা বলেন এই পেশা ঝুঁকির পেশা। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তারা বলেন ২০১৫ সালে বিশ্বে ৭১ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশে খুন হয়েছেন কমপক্ষে ৩ জন সাংবাদিক। এর আগে ২০০৬ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিশ্বে ৬৮০ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে বিচার হয়েছে মাত্র ৬ শতাংশের। বাকি ৯৪ শতাংশ হত্যাকান্ড দায়মৃুক্তির পর্যায়ে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেন তারা। সাংবাদিক হত্যা এবং তার বিচার না হওয়ার যে সংস্কৃতি বহমান তা থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে নিউজ নেটওয়ার্কসহ বহু সংগঠন।
নিউজ নেটওয়ার্কের সম্পাদক প্রবীণ সাংবাদিক শহীদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন বকুল ওরফে সাজ্জাদ বকুল। এ সময় নিউজ নেটওয়ার্কের মনিটরিং অফিসার শ্যামল সিংহ রায় এবং সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়কারী এম কামরুজ্জামান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে জানিয়ে আলোচকরা বলেন এই ঝুঁকি রাজধানী ঢাকায় অপেক্ষাকৃত কম হলেও ঢাকার বাইরে তা অনেক বেশি। হত্যা, হত্যার হুমকি, মানসিক চাপ, শারীরিক আঘাত, হামলা ও মামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে উল্লেখ করে তারা বলেন সরকার ও প্রশাসনের নানা অনিয়ম , দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে কথা বললেই এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে । দেশ যতোই উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ততই হত্যা হুমকি ও ঝুঁকি বাড়ছে বলেও উল্লেখ করা হয় কর্মশালায়। এ চিত্র কেবল বাংলাদেশের নয় , সারা বিশ্বের বলে উল্লেখ করেন তারা। কর্মশালায় তারা বলেন মিডিয়ার কাজ কোনো উন্নয়ন বন্ধ করা নয়, মিডিয়ার কাজ কোনো গনমুখী কর্মকান্ডে বাধা দান নয় , কাউকে নিরুৎসাহিত করা নয়। বরং মিডিয়ার কাজ সবকিছু জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসা। নিয়মতান্ত্রিকতা নিশ্চিত করা। এ প্রসঙ্গে তারা দেশের স্বাধীনতা , সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা ছাড়াও জাতীয় সংগ্রাম ,মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ নানা বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে বলেন এসব যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
একজন সাংবাদিক তার পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন। তাকে আটক করা, কারাগারে নিক্ষেপ করা, তার দেহ তল্লাশি করা, তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া, দেশ থেকে নির্বাসন দেওয়া, তার রোগ সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়া, দুর্নীতিবাজ বা পাচারকারীদের শিকার হওয়া এমনকি নানাভাবে প্রলুব্ধ হবারও ঝুঁকি রয়েছে। যুদ্ধ ক্ষেত্রে , বিক্ষোভ মিছিলে, আন্দোলনে, সহিংসতার সময় তিনি আক্রান্ত হতে পারেন। লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতার ধরন পরিবর্তিত হতে পারে জানিয়ে তারা বলেন এমনকি একজন সাংবাদিকের সংবাদ বিষয়ক উপকরণ চুরি ও তা বাজেয়াপ্ত হতে পারে। তিনি ডিজিটাল হুমকি, লিখিত হুমকি এমনকি তিনি সন্ত্রাসী অথবা আইনশৃংখলা বাহিনীর কড়া নজরদারির মধ্যেও পড়তে পারেন। সংবাদপত্রে অগ্নিসংযোগ, সংবাদপত্র ভবনে হামলা, ভাংচুর, ব্যবহার্য উপকরন বাজেয়াপ্ত, মাঠ পর্যায়ে ক্যামেরা ভাঙা, ই মেইল, ফেসবুক এবং অনলাইনে ট্রলসের মাধ্যমেও তিনি হুমকির মধ্যে পড়তে পারেন। সর্বত্র ডিজিটাল হয়রানি, সহিংস হামলা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ নানা বিষয়ে একজন সংবাদকর্মী বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। এ প্রসঙ্গে আলোচক বক্তারা মিডিয়া ও গেটকীপারদের নিরাপত্তার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
রাজধানী ঢাকার বাইরে সাংবাদিকরা কেন বেশি ঝুঁকির মধ্যে এমন প্রশ্নের উত্তরে নিউজ নেটওয়ার্ক সম্পাদক শহীদুজ্জামান বলেন, সচরাচর ‘ভেস্টেট কোয়ার্টার’ (পরিত্যক্ত ভবন) এর লোকজন এই সুযোগ গ্রহন করে থাকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোট ছোট শহরে সাংবাদিকরা নীতিগত বিষয়ে অনেকটা পশ্চাদপদ। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা সাংবাদিকতার সাথে সাথে ব্যবসা বানিজ্য এবং সামাজিক অর্থনৈতিক নানা বিষয়ে জড়িত থাকেন। তাদের মধ্যে দুর্নীতি আছে। তারা ফুল টাইমার সাংবাদিক নন। পেশাদার সাংবাদিকের সংখ্যাও কম। তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধও আছে। এসব কারনে চোরাচালানি, পাচারকারী এবং ডগলর্ডদের দ্বারা তারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ঢাকা হাউজ থেকে নিয়োগ দেওয়ার সময় তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা না করাও এধরনের হামলার অন্যতম কারন বলে উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতায় নৈতিক চর্চা বাড়াতে হবে , রিপোর্টিংয়ে বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সম্পাদনার ক্ষেত্রে পক্ষপাতহীনতার গুরুত্ব দিতে হবে। নির্বাহী সম্পাদক ও সহ সম্পাদককে গেইটকীপারের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনটি করা গেলে ঝুঁকি অনেকটাই প্রশমিত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তারা।
কোন ঝঁুঁকিপূর্ন ঘটনা নিয়ে রিপোর্টিংয়ের সময় সংবাদকর্মীদের গ্রুপগতভাবে কাজ করানো, তথ্য বিনিময়ের সুযোগ থাকা এবং শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্তদের রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে হবে।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আলোচকরা আরও বলেন ২০০৬ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বিশ্বে ৫৯৩ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। এর মধ্যে ২০১২ সালে ১২৩ জন এবং ২০১৩ সালে ৯৩ জনকে হত্যা করা হয় জানিয়ে আয়োজকরা আরও বলেন, প্রতি ১০ টি কেসের মধ্যে ৯টিই অনিষ্পত্তিকৃত রয়ে গেছে। এমনকি ইউরোপ ও আমেরিকাতেও এ ধরনের ৬০ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়নি। তারা ‘কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস’ (সিপিজে) এর পরিসংখ্যান তুলে ধরে আরও বলেন, গত ২২ বছরে বাংলাদেশে ৩০ জন সাংবাদিক খুন হয়েছে। এ অবস্থা থেকে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে হলে তাদের নতুন পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। ঝুঁকি প্রশমনে নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে হবে।
দেশে নারী সাংবাদিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না মন্তব্য করে কর্মশালার সভাপতি শহীদুজ্জামান বলেন, নিউজ নেটওয়ার্ক ১৯৯৮ সাল থেকে নারী সাংবাদিকদের ট্রেনিং করিয়ে ফেলোশিপ দিয়ে আসছে। ১৪ বছরে ৩৫০ জন নারীকে প্রশিক্ষন দেওয়ার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা এখন বড় বড় মিডিয়া হাউজের প্রতিনিধিত্ব করেন। অনেকে বিদেশে পিএইচডি করছেন এবং অনেকে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকতায় খ্যাতি লাভ করেছেন। নারী সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তারা বলেন, তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হলে অন্যদের তুলনায় তারা ভালো কাজ দেখাতে পারেন। পেশাগত দক্ষতার ফলে তারা সর্বোচ্চ সফলতা দেখাতে পেরেছেন। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স মিডিয়া ফাউন্ডেশন এবং ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত লন্ডন ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল নিউজ সেফটির তথ্য তুলে ধরে তারা বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ৯৭৭জন নারী সাংবাদিক যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ নারী তার অফিস বস, উর্ধতন কর্মকর্তা অথবা সহকর্মীর যৌন হয়রানির মুখে পড়েছেন। তারা মিডিয়া হাউসের বাইরের চেয়ে ভেতরে বেশি হয়রানির মধ্যে রয়েছেন। এর মধ্যে ৬০ ভাগ তার বস দ্বারা এবং ৪০ ভাগ অন্যদের দ্বারা হয়রানির শিকার হয়েছেন তারা।
নারী সাংবাদিকদের ৪৬ শতাংশ কর্মক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হয়েছেন জানিয়ে তারা বলেন, এরই মধ্যে বলিউড থেকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘মি ঠু’ আন্দোলন। এ প্রসঙ্গে তারা ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দ্য এশিয়ান এজ এর প্রাক্তন সম্পাদক এমজে আকবরের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ মাথায় নিয়ে তিনি পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তবে পরে তিনি কয়েকজন নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন। অপরদিকে কমপক্ষে ২০ জন নারী সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে ‘মি ঠু’ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
দুদিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যোগ দেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, দৈনিক দক্ষিনের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহি, দৈনিক পত্রদূতের উপদেষ্টা সম্পাদক অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, দৈনিক দৃষ্টিপাত এর নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্লা, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার নির্বাহী সম্পাদক শেখ তানজির আহমেদ, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো সম্পাদক আবদুল ওয়ারেশ খান চৌধুরী , প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আবদুল বারী, দৈনিক যুগান্তর ও এনটিভির সাংবাদিক সুভাষ চৌধুরী প্রমূখ।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সাংবাদিকতা পেশায় নারী সাংবাদিকদের আগ্রহী করে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলা হয় এ জন্য সম্পাদকরা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেন। তারা তাদের উৎসাহিত করলে নারী সাংবাদিকতা আরও বেগবান হতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন আলোচকরা।
##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে বাড়িতে সবজির চাষ নেই, সে বাড়িতে দাওয়াত নয়– আসাদুজ্জামান বাবু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় প্রকল্প অবহিতকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ডিজিটাল কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি এনজিও সুশীলনের সহকারী পরিচালক জি এম মনিরুজ্জামান। সুশীলনের ডিস্ট্রিক কো-অডিনেটর শাহীন ইসলামের পরিচালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের আয়োজনে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আমজাদ হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, ধুলিহর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শামছুর রহমান প্রমুখ। কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন, যে নেত্রী মানবতার পক্ষে কথা বলেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। সেই নেত্রী নোবেল পান না। নোবেল পান গ্রামীণ ব্যাংকের ড. ইউনুস। অথচ আমার নেত্রী প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষেরও ভাগ্যের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। কৃষকদের উন্নয়নের কাজ করেছেন। এখন আর সারের জন্য কৃষককে জীবন দিতে হয় না। আগামী নির্বাচনে সেই নেত্রী আবারো ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি ‘যে বাড়িতে সবজির চাষ নেই, সে বাড়িতে দাওয়াত নয়’ এমন শ্লোগান তুলে প্রতিটি বাড়িতে শাক-সবজি চাষ করার দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিমিয়ার কলেজে বোমা হামলা; নিহত ১৮

অনলাইন ডেস্ক: রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ক্রিমিয়ায় একটি কলেজে বোমা হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪০ জন।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া যেখানে ক্রিমিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি সেতু নির্মাণ করছে, সেই কের্চ এলাকার টেকনিক্যাল কলেজে ওই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
রাশিয়ার ন্যাশনাল গার্র্ডের কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হতাহতদের অধিকাংশই ওই কলেজের শিক্ষার্থী।
কলেজের পরিচালক রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, কিছু সশস্ত্র লোক কলেজ ভবনে ঢুকে পড়ে ওই হামলা চালায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রয়োজনে আবারও ওপেন করবেন মিরাজ

খেলার খবর: এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে অঘোষিত সেমিফাইনাল পর্যন্ত ওপেনিং অর্ডারে ভাল একটি শুরু পায়নি বাংলাদেশ। বাঁহাতের কবজির চোটে তামিম ইকবাল প্রথম ম্যাচেই ছিটকে যাওয়ায় তিন ম্যাচে দুই তরুণ লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত’র ব্যাট থেকে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ এসেছে ১৬ রান।

টুর্নামেন্টের মাঝ পথে দেশ থেকে সৌম্য সরকারকে দুবাইয়ে উড়িয়ে নিয়েও লাভ হয়নি। পাকিস্তানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে দলীয় ৫ রানের মাথায় তার ইনিংসের সলিল সমাধি ঘটে।
কিন্তু ভারতের বিপক্ষে ফাইনালের মহারণে সবাইকে চমকে দিয়ে লিটন দাসের সঙ্গে লোয়ার অর্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকে ওপেনিংয়ে পাঠালেন টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মুর্তজা। তাতে কাজও হলো বিস্তর।

দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ে দলকে পাইয়ে দিলেন ১২০ রানের সংগ্রহ। যদিও পরে যারা এসেছেন তারা মিরাজ-লিটনের রান বন্যার ধারাবাহিকতাটি ধরে রাখতে পারেননি। তবে মাশরাফি কিন্তু তার পরীক্ষায় সফল এবং মিরাজও অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ঠিক একইভাবে আগামীতেও দলের প্রয়োজনে যদি ওপেন করতে হয় তাহলে ‘না’ বলবেন না লাল সবুজের এই অফস্পিনিং অলরাউন্ডার।

‘ফাইনাল ম্যাচ ওপেন করেছি, আমিও ভাবিনি আমি ফাইনালে ওপেন করবো। মাশরাফি ভাই ম্যাচের আগের দিন রাতে বলেছেন, সবাই যারা সিনিয়র আছে সবাই অনেক সাপোর্ট দিয়েছেন। এই জন্য অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। এটা থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছি, যে কোনো মুহূর্তে আমাকে দলের প্রয়োজনে যে কোনো জায়গায় নামতে হতে পারে। আমার মানসিকতা থাকবে, যে কোনো সময় এমন কিছু হতে পারে।’

‘আমি সবসময় চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। কঠিন অবস্থার চ্যালেঞ্জ আমি উপভোগ করি। আর পেছন থেকে যখন টিম ম্যানেজমেন্ট সাপোর্ট দেয়, আমাদের সিনিয়র প্লেয়ায়রা, সবাই যখন ব্যাক আপ করে, তখন নিজের আত্মবিশ্বাসটা অনেক বেড়ে যায়। ফাইনালের আগের রাতে যখন আমাকে বলা হয় ওপেন করতে হবে, তখন মাশরাফি ভাই, রিয়াদ ভাই বললো, “করতে পারবি, সমস্যা নাই”। তখন নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসটা বাড়ল।’

বুধবার (১৭ অক্টোবর) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে তিনি একথা বলেন।
বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে এসেছে, আগামী বিশ্বকাপে আপনার প্রথম বিশ্বকাপ, বাংলাদেশের সম্ভাবনা কেমন? সংবাদ মাধ্যমের করা এমন প্রশ্নে তরুণ মিরাজের জবাব হলো, ‘সবার স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ খেলার। যদি সুস্থ থাকি, তাহলে সুযোগ পেলে অবশ্যই ভাল খেলার চেষ্টা করব। বিশ্বকাপের মঞ্চে ভাল খেলার স্বপ্ন তো সবার থাকে। অবশ্যই দলের সবাই চাইবে ভাল করতে। সবাই তো ভাল করার জন্যই অনুশীলন করছে। অনেকে খেলবে, অনেকে খেলবে না। সবাই চেষ্টা করছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দ্বিতীয় দিন শেষেই জয়ের আভাস পাচ্ছে পাকিস্তান!

খেলার খবর: বাইতে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৪৬২ রানের বড় টার্গেট দিয়েও স্বস্তিতে ছিল না পাকিস্তান। উসমান খাজা ও টিম পেইনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় হারতে থাকা ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র করতে পারে অজিরা। তবে আবুধাবিতে দ্বিতীয় ও সিরিজের শেষ টেস্টটিতে হয়তো তাদের ভাগ্য আর ফিরছে না!

প্রথম দিন প্রথমে ব্যাট করা পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ২৮২ রান করে। জবাবে দ্বিতীয় দিন সফরকারীদের মাত্র ১৪৫ রানেই গুটিয়ে দেয় তারা। তখনই সরফরাজ আহমেদের দল ১৩৭ রানের লিড পায়।
আর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে দুই উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করেছে। যেখানে লিড দাঁড়িয়েছে ২৮১। ফলে ধরেই নেওয়া যায় বাকি আট উইকেটে অজিদের বড় টার্গেট ছুঁড়ে দিতে যাচ্ছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দলীয় ১৫ রানে বিদায় নেন ওপেনার মোহাম্মদ হাফিজ। তবে এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া ফখর জামান প্রথম ইনিংসে ৯৪ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৬৬ রান করে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরিচয় দেন। ৮৩ বলে ৭টি চারের সাহায্যে নিজের ইনিংস খেলে নাথান লায়নের বলে তার কাছেই কট হন।
দিনের বাকি সময়টা আর কোনো বিপদ হতে দেননি আজহার আলী ও হারিস সোহেল। আজহার ৫৪ ও হারিস ১৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দ্বিতীয় দিন বোলিং তোপের ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো আবুধাবিতে খেলতে নামা পাকিস্তান। মোহাম্মদ আব্বাসের ভয়ংকর পেস ও বিলাল আসিফের স্পিন বিষে মাত্র ১৪৫ রানেই প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
পাকিস্তান লিড পায় ১৩৭ রানের। দলের হয়ে কেউই হাফসেঞ্চুরির দেখা পাননি। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ করেন লোয়ারঅর্ডার মিচেল স্টার্ক।
দারুণ বল করে ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো ৫ উইকেট তুলে নেন পেসার আব্বাস। বিলাল আসিফ পান ৩ উইকেট। বাকি উইকেটটি নেন ইয়াসির শাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনকে ঘিরে মুখোমুখি শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী

বিনোদনের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী শমী কায়সার ও রোকেয়া প্রাচী। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে রাজনীতির মাঠে তৎপরতা বেড়ে চলছে দু’জনের।
সভা-সমাবেশ, পোস্টার ও ব্যানারসহ নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় রোকেয়া প্রাচী এগিয়ে থাকলেও ধীর গতিতে এগিয়ে চলছেন শমী কায়সার।

ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে আওয়ামীলীগের অন্তত ডজন খনেক প্রার্থী মনোনয়নের জন্য জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনী এলাকায় দলীয় কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ, শিক্ষা-সামাজিক সংগঠনে অনুদান, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, গরীব-দুঃখীকে সহযোগিতাসহ নানা কার্যক্রমে যোগাযোগ বৃদ্ধি করেছেন অনেকে।

এবার বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা হাজী রহিম উল্যাহ, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আক্রাম হোসেন হুমায়ুন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা জহির উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী লিপটন, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবলীগ সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম দিদারুল কবির রতন ও পৌর মেয়র এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনও মনোনয়ন পেতে কাজ করে যাচ্ছেন।

এছাড়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ফেনী সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানও (বি.কম) এ আসনে দলের মনোনয়ন চান বলে দলীয় সূত্র জানায়।

এদিকে মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচী কয়েক বছর ধরে ফেনীতে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে চলেছেন। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ ছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় উঠান বৈঠক, নিজের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে ‘স্বপ্ন সাজাই’-এর মাধ্যমে জনসচেতনা সৃষ্টিসহ সামাজিক কর্মকান্ডে অপরাপর প্রর্থীদের সাথে নিজেকে তুলে ধরেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এ অভিনেত্রী।

একই আসনে প্রকাশ্যে না এলেও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার। নির্বাচনকে ঘিরে অল্প সময়ের ব্যবধানে বেশ কয়েকবার ফেনীর নিজ বাড়ি ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে তার। মনোনয়ন পেলে গণসংযোগসহ দলীয় কর্মকান্ডে আরো বেশি সক্রিয় হবেন বলে তার সমর্থকদের দাবি।

অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তৃণমূলের জনগণের কাছে এসে কাজ করছি। আশা করছি প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দিয়ে এলাকার সেবা করার সুযোগ করে দেবেন। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আগামী নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচন করতে চাই আমি।’

অভিনেত্রী শমী কায়সারও আশাবাদী নিজের নিজের মনোনয়নের ব্যাপারে। তিনি বলেন, ‘অনেকটা রাজনৈতিক পরিবেশে আমার বেড়ে ওঠা। আপনারা জানেন অমার বাবা শহিদুল্লা কায়সার ও মা পান্না কায়সার উভয়ই রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। গত সংসদে সংক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ছিলেন আমার মা। আমিও আওয়ামীলীগের হয়ে নিজের এলাকা ও দেশের জন্য কাজ করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চাইলে ও দল মনোনয়ন দিলে ফেনী-৩ আসনে নির্বাচন করবো। সব প্রস্তুতি রয়েছে আমার।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বাশিপের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

 

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ(স্বাশিপ) সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর’ ১৮ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা স্বাশিপ এর আহবায়ক এম সুশান্ত ও যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মালেক গাজী স্বাক্ষরিত এক পত্রে মিম সাইফুল ইসলামকে সভাপতি, মোঃ হাবিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক, মোঃ সাইফুল্লাহ, মীর আবু সুফিয়ান ও রুস্তম আলীকে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বাশিপের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়ার নগ্ন ভিডিও ফাঁস!

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়ার ট্রাম্পের একটি নগ্ন ভিডিও ফাঁস হয়েছে! যেখানে একটি মিউজিক ভিডিওতে মার্কিন র‌্যাপার টি.আই-এর নামনে নগ্ন হয়ে নাচতে দেখা গেছে তাকে! অবাক হলেন কি? অবশ্যই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। তবে, ভিডিও’তে হুবহু মেলানিয়া ট্রাম্পের মতো দেখতে হলেও তিনি কিন্তু মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প নন!

ডেইল মেইলের খবর, ভিডিওতে নগ্ন হওয়া ওই নারী আসলে কানাডিয়ান মডেল-অভিনেত্রী মেলানি মারডান। কিন্তু ভিডিওতে মেলানিয়ার রূপে উপস্থিত হয়ে ইতোমধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ভিডিওটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেখানে অবিশ্বাস করারও উপায় নেই তিনিই মেলানিয়া ট্রাম্প নন।

ইতোমধ্যে নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি হেলিকপ্টারে করে উড়ে বাড়ির বাইরে চলে যাচ্ছেন ট্রাম্প। আর ঘরের ভেতর থেকে সেই দৃশ্য দেখছে টি.আই। এরপর ট্রাম্পের অফিসের আদলে গড়া সামনে একটি রাখা চেয়ারে বসে পড়েন এই র‌্যাপার। এরপর সেখানে অর্ধনগ্ন হয়ে নাচতে নাচতে সেখানে হাজির হন মেলানিয়ার রূপ ধারণ করা সেই মডেল। পরক্ষণে শরীরে থাকা একমাত্র জ্যাকেটটি খুলে ফেলেন। যেখানে লেখা ছিল, ‘আই রিয়েলি ডোন্ট কেয়ার।’

তোলপাড় সৃষ্টি করা এই ভিডিও প্রকাশের খবর পৌঁছে গেছে মেলানিয়া ট্রাম্পের কাছেও। তার মুখপাত্র এটা ন্যক্কারজনক বলে অভিহিত করেছেন। এটা কিভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে প্রশ্ন রেখে টুইটারের তিনি লিখেছেন, বয়কট টি.আই.।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest